উল্টোদেশে,উল্টোরথে – ০১

প্রায়ই আমরা একটা কথা শুনি গ্লোবাল ভিলেজ। শব্দটি নতুন; ১৫/২০ বছর বয়স হয়তো।
সত্যিই সবকিছু চলে এসেছে হাতের নাগালে। বিশেষ করে যোগাযোগ ব্যবস্থা তো এখন অপূর্ব। তা সে পায়ে, চাকায়, বায়ুতে যেভাবেই হোক না কেন। আর মাধ্যম তার বা বেতার যেভাবেই হোক না কেন।

জেমস বন্ডের খুব সম্ভবত টুমরো নেভার ডাইসে দেখেছিলাম কিভাবে খবর বানানো হয়। আমরা অনেকটা সেইরকম না হলেও ঘটনা ঘটার প্রায় সাথে সাথেই জেনে যাচ্ছি। এই যে জানা এর সুফল-কুফল দুইটাই আছে।

সুফল বাদ থাকুক কুফলই বলি।
ভালো সংবাদ কখনো নিউজ হয় না হয় খারাপটা।
আর বাংলাদেশে যেন ভালোর কোনো দেখাই নেই। চারদিকে সব ভয়াল ছবি; পিকাসো বেঁচে থাকলে আরেকটি গুয়ের্নিকা আঁকতেন। নাম হতো বাংলানিকা; যদিও ৫ বছর পর পর ছবির নামও পরিবর্তন হইত; মুজিবনিকা/ জিয়ানিকা। তারপর কোনও একবার এর নাম হইত শাহজালালনিকা। এরপর আবার নাম পরিবর্তন করার সাহস করবে কে???

দেশের কয় হাজার কোটি টাকা গেছে জিয়া এয়ারপোর্টের নাম পরিবর্তন করতে তা আমি জানিনা; কিন্তু নামটা বেশ জব্বর দিছে। এহন দেহাঁ যাইব চেঞ্জ করে কূন হালায়?
আমরা সাধারণ মানুষের একটাই আশা মুসলিম দরবেশ + বীরপুঙ্গবের নামে নামকরণ হওয়ায় এই বিমানবন্দরে দুর্ঘটনা ঘটবেন।

আমাদের এখানে খবর তো হামেশা ঘটেনা, এই হঠাৎ হঠাৎ ঘটে আরকি!
এক নিউজ অফ দ্যা ওয়ার্ল্ড তো পুরা কাঁপাইয়া দিল। হাড়ির খবর পাবলিকরে জানানোর জন্য এরা সিদ্ধহস্ত। কয়েক বছর আগে তো ব্রিটিশ ফরমুলা ওয়ানের বস মাক্স মোসলের এস এন্ড এম নিয়া বিশাল কাহিনী হয়ে গেলো। মোসলের খবর প্রতিদিন হেডলাইনে আসতো; অবশেষে মোসলে ঐসব ব্যাপার ব্যক্তিগত ছিল বইলা রক্ষা পায়; উল্টা বিশাল অঙ্কের ক্ষতিপূরণও পান। এইবার নিউজ অফ দ্যা ওয়ার্ল্ডের খবর হইয়া গেছে। মুটামুটি সবাই এ সম্বন্ধে জানে। মিডিয়ার কিছু কুৎসিত চিত্রও উঠে এসেছে এর মধ্যে দিয়ে।

অবস্থা এমন দাঁড়াইয়া গেছে যে সবারই অনুভূতি, আত্মসম্মানবোধ বাংলাদেশ শেয়ার বাজারের ক্যাঙ্গারুর মতন লাফাইয়া লাফাইয়া বাড়ছে। কোনো বিষয়েই মুখ খোলার উপায় নাই।

ক্যাডেট-নন ক্যাডেট তো আছেই, আর্মি- সিভিল, মুসলিম- অমুসলিম, স্বাধীনতার পক্ষের- বিপক্ষের শক্তি, আওয়ামীলীগ- বিএনপি, দেশী- বিদেশী, সাদা- কালো, ঈশ্বরবিশ্বাসী- অবিশ্বাসী, ভালো-খারাপ, দাড়িওয়ালা- দাড়িছাড়া এর শেষ নেই।
কেউই সমালোচনা নিতে পারে না। সবাই সৃষ্টিকর্তার মতো প্রশংসা শুনতে চায়। সবাই তুকাজ্জীবান শুনতে চায়।

যে কথা বলছিলাম এখানে এই ইউরোপে খবর নেই বলেই কোন সেলিব্রিটি কি করে বেড়াচ্ছে তাই খবর হয়; কে মাতৃত্ব নিশ্চিত করণের যন্ত্রপাতি কিনলো, কার নাকের মধ্যে সাদা পাউডার (কোকেন) পাওয়া গেলো এইসবই খবর হয়।

উপরে বাংলা অনুবাদ করতে গিয়া খবর হইয়া গেলো। এরা (বাংলাদেশের মেধাবীরা) এখনো কিভাবে করে আল্লাহ্‌ মালুম। ছোটবেলায় বেলায় কিছু বাংলা পড়েছিলাম; যেমন, অতলান্তিক হইলো আটলান্টিক, প্রশান্ত হইলো প্যাসিফিক, উত্তমাশা অন্তরীপ হইলো কেপ অফ গুড হোফ ইত্যাদি, ইত্যাদি। জানিনা ছোটবেলায় আমার মতো কেউ রোপণ-বপন, মেরু-মরু নিয়া ভুগছে কিনা!
মহিউদ্দিন আলমগীর মন্ত্রী থাকাকালীন নতুন দুইটা শব্দের আমদানি করলেন; কঠিন সম্ভার, কোমলসম্ভার
আমার প্রিয় কবি নির্মলেন্দু গুণ প্রেমিক পুরুষ। মোবাইলফোনে প্রিয় নারীদের কবিতা পাঠাতেন। পরে কবিতার বই বের করলেন, মুঠোফোনের কাব্য; অনেকটা হাইকুর মতন, কিংবা হেলাল হাফিযের কবিতার মতন, ” থাকিতে — কেন হইব — দ্বারস্থ।”

কোনো কোনো শব্দ কবিতাতেই মানায় পত্রিকার পাতায় নয়। অনেকে খেয়াল করে দেখেছেন কিনা প্রথম আলো মোবাইল ফোনের বদলে মুঠোফোন শব্দটি ব্যাবহার করছে। যখনি পড়ি তখনি হাসি আসে; মনে হয় ভানু দাঁত বাইর কইরা হাসতেছে আর বলতেছে, তোমরা কও মুইট্টা ফোন, আমার দাদাঠাকুর কইতো ইন্দ্র ফোন; এই রকম একটা ফোন দিয়া দাদাঠাকুর দেবরাজ ইন্দ্রের সাথে কথা কইতো। একবার তো ইন্দ্ররে ফোন দিছে, তো ক্রস কানেকশনে গিয়া শুনলো ইন্দ্রানীরে লুকাইয়া দেবরাজ রম্ভার লগে প্রেমালাপ করতেছে। দেবালয়ের অগো লজ্জাশরম খুব কমতো! দাদাঠাকুর আবার আছিলেন নীলকণ্ঠের ভক্ত; রাগ কইরা ভারত মহাসাগরে ইন্দ্রফোনটা ফালাইয়া দিলেন। দেবালয়ের জিনিস তাও আবার বিশ্বকর্মার নিজ হাতে বানানো, সহজে কি ঐ জিনিস নষ্ট হয়। ভাস্কোডাগামা ভারত আসার পথে সমুদ্রে যেই ছিপ ফালাইছে; ফোনটা ভাইসা উঠলো; সাহেব তো এন্টিক মনে কইরা দেশে নিয়া গেলো। তো এই হইলো গিয়া তোমাগো মুইট্টা ফোনের কাহিনী।
এতো বাংলা বাংলা করলে তো মেজ, কেদারা, বর্তনের যুগে ফেরত যেতে হবে।

বলছিলাম খবরের কথা।
এই মুহূর্তে ব্রিটেন এখন খবরের শীর্ষে।

যতদূর জানা যায় লন্ডনের টটেনহাম এরিয়াতে পুলিশ এক ট্যাক্সি আরোহী এক কালোকে গুলি করে হত্যা করে। এরপর থেকেই সমস্যা শুরু। কালুরা যে কি জিনিস তা যারা দেখেনাই তাদের কে বলে বুঝানো যাবে না। প্রথমে ছিলো বিক্ষোভ, এখন চলতেছে লুটপাট। কেন এটা হচ্ছে, পিছনের আর্থসামাজিক কারণ অনুসন্ধান আমার উদ্দেশ্য নয়। এখানে প্রধানমন্ত্রী, উপপ্রধানমন্ত্রী, মেয়র সবাই ছুটি বাতিল করে লন্ডন ফেরত এসেছে। যা হচ্ছে তা অভাবনীয়। এ পর্যন্ত দাঙ্গায় ১ জন মারা গেছে। আর টিভিতে তো সবাই দেখছে কি হচ্ছে। পুলিশের বক্তব্য তাদের হাতে নিহত ব্যক্তিটি এক গ্যাং লিডার ছিল।

বাংলাদেশের মানুষের কাছে এসব হয়তো ডাল-ভাত। ডাল-ভাতেরও আরেক মানে আছে।

বাংলাদেশে যে সোজা কোনটা হচ্ছে এটাই বিস্ময়ের! সবই উল্টা চলছে।

কোনো এক বিখ্যাত নায়িকার কিছু ভিডিও চিত্র ছিল তার প্রাক্তন প্রেমিকের সঙ্গে, থাকতেই পারে। এটাতো একান্তই তাদের ব্যক্তিগত ব্যাপার। নায়িকার সঙ্গে ঐ ছেলেটির কোনও কারণে বিয়ে হলো না; হলো অন্য এক নায়কের সঙ্গে; প্রাক্তন প্রেমিক প্রবর তাদের সেই অন্তরঙ্গ ভিডিও চিত্র ইন্টারনেটে ছেড়ে দিলেন। কোনটা নৈতিক, আর কোনটা অনৈতিক তা বিচার আমার উদ্দেশ্য নয়। কিন্তু যাকে ভালোবাসা যায় তাকে নিয়ে কি এমন করা যায়?

আরেকজনের ভালোবাসার বিয়ে করা বউ দেশের বাইরে গেলেন উচ্চতর পড়াশুনার জন্য; প্রেমে পড়লেন আরেক যুবকের। স্বামী-কন্যা -সংসার ভেসে গেলো। শিক্ষিত পুরুষটি মেনে নিতে পারলেন না প্রিয় স্ত্রীর এই বহির্মুখীতা; নিজে চোখে কম দেখেন, এবার স্ত্রীকেও অন্ধ করে দিতে হবে। নাক-মুখ কামড়ে দিলেন, দু’চোখে আঙ্গুল ঢুকিয়ে অন্ধ করে দিতে চাইলেন। এতোই যদি ঘৃণা জন্মে যায় একে অন্যের উপর তবে কি ডিভোর্স নামে একটি বস্তু বা অবস্তুর কথা কি কারো মনে পড়লো না?

ছোটোবেলায় একটা কাহিনী শুনেছিলাম হযরত আলী ইবন আবী তালিব কে নিয়ে। আলীর ভিন্নধরণের এক ভ্রমণ নিয়ে। বসন্ত (পক্স) রোগের বীজাণু/জীবাণু বাহী এক বুড়ীর সঙ্গে দেখা। আলী জানতে চাইলেন কিভাবে তিনি কাজ করেন (রোগ ছড়ান)? বুড়ী বলল অইখানে চাদর ঢেকে শুয়ে পড়; আলী চাদরের নিচে পাথর দিয়ে রাখলেন। বুড়ী তার কর্মক্ষমতা দেখালো; আলী চাদর উঠিয়ে দেখলেন পাথর পানি হয়ে গেছে। এক্স ম্যানেও এরকম একটা দৃশ্য আছে।
ভানু থাকলে কইতো, তাজ্জব ব্যাপার পাথর থিকা পানি বাহির হয় নাকি? ক্যান আমাগো মহাভারতের কথা খ্যায়াল নাই। ধৃতরাষ্ট্র তার সকল পুত্র (১০০) হারাইয়া আরও অন্ধ হইয়া গেলেন। মেজ পাণ্ডবরে কইলেন ভাতিজা আইস তোমারে একটু জাব্রাইয়া ধইরা একটু পুত্রশোক কমাই; ভীমের মনে প্রশ্ন জাগতেই নিজের বদলে একটা পাথর আগাইয়া দিলেন। ধৃতরাষ্ট্র পাথররে ভাতিজা মনে কইরা এমনি চাপ দিলেন যে পাথর চূর্ণ-বিচূর্ণ হইয়া গেলো। কই এক ফোটা পানির কথাও তো মহাভারতে লেখা নাই।

যাই হোক আলী পথ চলছেন, দেখলেন বেড়া ঘাস খাচ্ছে।

পিতামাতার পর আমরা যাকে সম্মানের আসন দেই তিনি হলেন শিক্ষক। সেই শিক্ষক যখন ………।
কোথায় যাই তখন!
যেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মেয়েটি পড়তো তাদের ঊশৃঙ্খলতার/অতিয়াধুনিকতার নানা কথা শোনা যায়। ধরেই নিলাম মেয়েটি কোনো না কোনোভাবে উক্ত শিক্ষকের প্রতি আকর্ষিত হয়েছিলো; হতেই পারে। (অনেক মেয়েদেরই প্রথম প্রেমিক হয় চাচা-মামা বা শিক্ষক। এছাড়া ইদিপাস কমপ্লেক্স তো আছেই। ছেলেরা যেমন প্রেমে পড়ে স্কুলের শিক্ষিকা, চাচী, মামী এদের।) কিন্তু শিক্ষক মহাশয় এই ঘটনাটা ঘটালেন কি করে! দেশে কি গণিকালয় কি উঠে গেছে নাকি? গরমী লাগছে তো অইখানে যান।
আওয়ামীলীগ ৯৬ সালে ক্ষমতায় আসার পর নারায়ণগঞ্জের পাড়া তুলে দিলো। মানুষ তো বাহবা দিলো, ভালো কাজ হইছে, এরা সমাজের ক্ষত। নারায়ণগঞ্জের এক ছোটোভাইকে বললাম ঘটনা কি? ও বলল ওইসব বাড়ির মালিক ছিলো বিএনপির নেতারা; সোজা বাংলায় দেহব্যাবসার টাকায় অইখানের ঐ রাজনৈতিক দলটি চলতো। যেমন লবণচোরের পয়সায় এক সময় আওয়ামীলীগ চলেছে।
যাইহোক পুরা ঢাকা শহর গণিকায় ছেয়ে গেলো। তিন নেতার মাজারে গিয়াও দেখি একই কান্ড।

মসজিদের শহর হয়ে গেলো গণিকার শহর।

লেখা অনেক বড় হয়ে যাচ্ছে। চলবে দিয়া দিলাম……।

২,৬১৬ বার দেখা হয়েছে

২০ টি মন্তব্য : “উল্টোদেশে,উল্টোরথে – ০১”

  1. সামিয়া (৯৯-০৫)
    আরেকজনের ভালোবাসার বিয়ে করা বউ দেশের বাইরে গেলেন উচ্চতর পড়াশুনার জন্য; প্রেমে পড়লেন আরেক যুবকের। স্বামী-কন্যা -সংসার ভেসে গেলো। শিক্ষিত পুরুষটি মেনে নিতে পারলেন না প্রিয় স্ত্রীর এই বহির্মুখীতা;

    ভাইয়া আপনি কি বিশ্বাস করেন এই কথাটা? নাকি লেখার স্বার্থে এনেছেন? পুরা লেখার সাথে কমুনিকেট করতে পারলাম না। তাই, just asking 🙂

    জবাব দিন
  2. রাজীব (১৯৯০-১৯৯৬)

    নিজের লেখায় নিজেই মন্তব্য কইরা প্রথম হইলাম। =)) =)) =))

    অনেকটা সাফাই দেওয়ার মতন।

    এই পর্যন্ত ব্লগ লিখলাম ১২ টা; এইটা নিয়া।

    আগে লেখা লিখলে আমার অন্য সার্কেলে শেয়ার করে দিতাম। কিন্তু দেখা গেলো ঐসব সার্কেল থেকে ক্বচিৎ মন্তব্য আসতো। ভাবলাম সমস্যা কি? হয়ত শুধু লিঙ্ক দেওয়াতে অনেকের মন ভরে না; কিংবা মাইন্ড করে, যে এইটা তো আমাদের জন্য লেখা না।
    তাই গত লেখা থেকে সব জায়গায় একই লেখা পাঠাই। কোনও লিঙ্কের কারবার নাই। (যদিও এইটার লিঙ্ক ফেসবুকে শেয়ার করছি)
    যেমন ফেসবুকের কোনও কোনও গ্রুপে শেয়ার করি; কোথাও মেইল করি ইত্যাদি।

    ব্লগিং ব্যাপারটা এক কথায় অভাবনীয়। এক সময় লেখা বলতে ছিল দৈনিক পত্রিকা, ম্যাগাজিন, ইত্যাদি। পাঠকদের কলাম বা চিঠিপত্র বলে একটা ব্যাপার থাকলেও লেখকদের পক্ষে পাঠকদের মনের ভাবনাটা জানা ছিল অসম্ভব ব্যাপার। এই ব্লগিং ব্যাপারটা সেই থেকে উত্তরিত হয়েছে।

    কোনও লেখাই বিতর্কের ঊরধে নয়। আমরা এখন কোরআন- হাদিসের ভুল বা দোষ বাহির করি সেখানে এই ব্লগিং তো কোন ছার।

    আসল কথায় আসি। লেখা লিখলাম; মডারেশনের জন্য জমা দিলাম। অন্য সব জায়গায় ও লেখাটা দিলাম। ফেসবুকের নোটে কপি+পেস্ট করলাম। ২/১ জন মন্তব্য করলো, ১/ ১/২ জন লাইক মারল। ভাগ্য ভালো ডিস লাইক বইলা কিছু নাই।

    কিন্তু সি সি ব্লগে লেখাটা ছাপা হয় না। ঘটনা কি?
    সম্পাদনার জন্য আবার পাঠাই। হঠাৎ দেখি প্রিভিউএর একটা অপশন আছে। দিলাম চাপ দিয়া। দেখি কি সেলুকাস আসছে। আরে এই প্যারা কোত্থেকে আসলো? আমি তো লেখিনাই।
    পইড়া দেখি আমার লেখা একটা লাইন নিয়া কিঞ্চিত আপত্তি।

    " আরেকজনের ভালোবাসার বিয়ে করা বউ দেশের বাইরে গেলেন উচ্চতর পড়াশুনার জন্য; প্রেমে পড়লেন আরেক যুবকের।"

    এই লাইনটা নাকি মেয়েটার নামে মিথ্যাচার হইছে। হবে এরকম, ফেসবুকের কোনও এক বন্ধুকে ডিলিট করা না করা নিয়ে নাকি এই নাক কান কামড়াকামড়ি, চোখ গেলে দেওয়া।

    অবশ্য মডারেশন এটাও বলল কোনও রকম পরিবর্তন ছাড়াই লেখাটা প্রকাশের জন্য আমি জমা দিতে পারি।
    যাদের চোখে লেখাটা পড়েছে তারা হয়তো খেয়াল করেছে আমি পরিবর্তন করিনি।
    কেন করিনি, তা বলছি।
    বিবাহ পূর্ব বা পরবর্তী প্রেম আমার মতে অপরাধের পর্যায়ে পড়ে না; যেটা পড়ে সেটা হোলো ধোঁকা দেওয়া।
    আর আমি ঐ নারী না, ঐ ব্যাক্তি না যে চোখ গেলে দিয়েছে, ঐ কথিত প্রেমিক না, এমনকি আইন প্রয়োগকারী নই যে, সত্য উদ্ঘাটন করে ফেলেছি?

    আপনি কি জানেন সত্যটি কি?

    উক্ত প্যারাটিতে একটাই কথা বলা হয়েছে যে এই যে হিংসা সহিংসতা বাদ দিয়ে ও তো শান্তিপূর্ণ ভাবে এইটার সমাধান হইতো।

    প্রেম- পরকিয়াতে দোষের কিছু আছে কি?
    আমি দেখিনা।
    অইভাবে দেখাটাই সহজ।
    যদি ভেবে নেই ফেসবুকের বন্ধু ডিলিট নিয়াই এতো ঘটনা তাইলে তো বলতে হবে ঘটনা গুরুতর। কি এমন বন্ধু, কেমন বন্ধু যারে ডিলিট করা নিয়া এতো বিপত্তি???
    যাই হোক এতো কথায় কাজ নাই।
    যে যার মতো বুইঝা নিক। (সম্পাদিত)


    এখনো বিষের পেয়ালা ঠোঁটের সামনে তুলে ধরা হয় নি, তুমি কথা বলো। (১২০) - হুমায়ুন আজাদ

    জবাব দিন
  3. সামিয়া (৯৯-০৫)
    আপনি কি জানেন সত্যটি কি?

    লেখাটা পড়ার সাথে সাথে এই একই কথা ভাইয়া আমারও মনে হয়েছে। ধরুন এক জায়গায় চুরি হয়েছে, কেউ দেখেনি, শুধু নাইটগার্ড ছিল। এখন, আমি বলতে পারি, নাইটগার্ড চুরি করতেও পারে, আবার এও বলতে পারি, নাইটগার্ডের তো কোন দোষ নাও থাকতে পারে। রেশনাল বক্তব্য হিসেবে দুটিই সঠিক। কিন্তু প্রথম বক্তব্যটি আউট অফ নোওয়ের গার্ডের উপর সন্দেহ এনে দিচ্ছে, ব্যাপারটা সাধারণ দৃষ্টিতে আমাদের জন্য রেশনাল হলেও নাইটগার্ডের জন্য অত্যন্ত অবমাননাকর। বিশেষত আমাদের দেশে স্বামী স্ত্রীর মাঝে গন্ডগোলের জন্য স্ত্রীর চরিত্রের ওপর কালিমা লেপন তো অত্যন্ত পুরনো পন্থা, সহজেই পাবলিক এগুলো খায়।

    আপনার লেখায় একটা সারকাজম থাকে, (এটাকে আসলে সারকাজম শব্দটা দিয়েই বোঝানো যায় কি না আমি জানিনা, আমার শব্দভান্ডারের দারিদ্র্য ক্ষমা করবেন) একটু ব্যাঙ্গাত্মক সারকাজম...এইজন্যই আমি কনফিউসড হয়ে গিয়েছিলাম এটা কি আসলেই আপনি বিশ্বাস করে লিখেছেন নাকি সেই সারকাজমের আন্ডারে পরছে।

    বিবাহ পূর্ব বা পরবর্তী প্রেম আমার মতে অপরাধের পর্যায়ে পড়ে না; যেটা পড়ে সেটা হোলো ধোঁকা দেওয়া।

    এটাতেও সহমত দিচ্ছি। তবে পরকীয়াতে অবশ্যই আমি দোষ দেখি, কারণ আমার কাছে পরকীয়ার ডেফিনেশনই হলো এই ধোঁকাওয়ালা বিবাহপরবর্তী প্রেম। (সম্পাদিত)

    জবাব দিন
    • রাজীব (১৯৯০-১৯৯৬)

      সামিয়া,
      আমার উত্তর পড়েও যখন ক্লিয়ার হয় নাই। আরেকবার চেষ্টা করে দেখি।

      আমি আমার পরিচিত বহু ক্যাডেটদের দেখেছি তারা তাদের স্পাউসদের প্রতি খুব লয়াল তা সে প্রেমের সময় হোক কিংবা বিয়ের পরেই হোক না। তা সে মেয়েটি বা ছেলেটি যতই আনস্মার্ট বা অসুন্দর হোক না কেন?
      আমরা যতই গালভরা কথাই বলি না কেন; দৈহিক সৌন্দর্য একটা বিশাল ফ্যাক্টর।
      যাই হোক এই যে ক্যাডেটদের এই লয়াল থাকার পিছনে অন্যতম কারণ হচ্ছে বিপরীত লিঙ্গের সঙ্গে মেলামেশার অভাব।

      ৯৬/৯৭ সালে সুমন আর সাবিনা যখন আবার বিয়ে করলো তখন কথায় কথায় আমার এক আন্টিকে জিজ্ঞাসা করলাম এরা এই বুড়া বয়সে বিয়া করলো কেন? তিনি বললেন, বাবারে তুই ছোট মানুষ তোরে কি বুঝাইয়া বলবো, বড় হ বুঝবি।

      এখন আমি বিবাহিত আর দুই বাচ্চার বাপ বইলা যে সব বুইঝা গেছি তা কিন্তু না।

      আর ধোঁকা তার কিন্তু রকমফের আছে।

      এই যে প্রেম তা কি বাবা - মাকে ধোঁকা দিয়ে করা না। বন্ধু হয়ে শুরু করে বন্ধুত্বকে পাকাপোক্ত করার নামে প্রেম করাটা কি ধোঁকা না; বন্ধুর প্রেমিকাকে ভাগিয়ে নেয়ার নাম কি ধোঁকা না।
      আর প্রেম কি জীবনে একবারি আসে। বারে বারে আসে। আমরা কেবল অস্বীকার করি, কিংবা পরিণতির কথা ভেবে পিছিয়ে আসি। আমার তো এখনো সুন্দর মেয়ে দেখলে ভালো লাগে। লন্ডন আসার পরে একটা কথাই ভেবেছি কেন প্রেম বা বিয়ে করে আসলাম?

      আর পরকীয়া; সেইটা হইলো আসল প্রেম, পরিণত প্রেম।

      তাই বইলা আমি কি রেডি পরকিয়ার জন্য? নারে বইন, আমার টাইম নাই।

      আমি কিন্তু লেখি নাই, পরকিয়া করলে বউয়ের নাক-মুখ কামড়ানো যায়েজ হয়ে যায়।

      মেয়েটি যদি পরকীয়া করেও থাকে তাতে কি আসে যায়। তাতে কি পুরুষটির শাস্তি কমে যাবে না তার অপরাধ ন্যায়সঙ্গত হয়ে যাবে?

      তাইলে প্রবলেম কোথায়?

      আর আমাদের দেশে যা হয় তাতো হবেই।
      সত্যি সবাই জানে। এই যুগে আইসাও কলঙ্ক এইসব ফালতু শব্দ; এসব নিয়া কেউ মাথা ঘামায় না।

      বিয়া করলেই যে আজীবন একসঙ্গে থাকতে হবে এমন তো কোনও কথা নেই।
      আরেকজনকে ভালো লাগতেই পারে। আর এই সহজ সত্যিটা যদি বুজতে না পারো তাইলে ---- ----- ----- -----

      ভালো থাকো।


      এখনো বিষের পেয়ালা ঠোঁটের সামনে তুলে ধরা হয় নি, তুমি কথা বলো। (১২০) - হুমায়ুন আজাদ

      জবাব দিন
      • সামিয়া (৯৯-০৫)

        মেয়েটা যদি প্রেমে পড়ে তাতে কিছু এসে যায় না, এটা নিয়ে বোধহয় আমি প্রশ্নও তুলিনি। নিচে রাব্বী ভাইয়ের কমেন্টে বোধহয় কিছুটা বোঝা যাচ্ছে আপত্তিটা ঠিক কোন জায়গায়।

        আর, দৈহিক সৌন্দর্যটা অপ্রাসঙ্গিক মনে হলো আমার কাছে। এটা নিয়েও কেউ কথা তোলেনি। (অফটপিকঃ দৈহিক সৌন্দর্য বড় ফ্যাক্টর হলে...সর্বনাশ...আমার প্রেম ভাঙ্গার দিন এগিয়ে আসছে... 😛 )

        আপনার সাথে আসলে বটম লাইন আর টপ লাইন মিলে যাচ্ছে, কিন্তু মাঝের আলোচনায় দ্বিমত দেখা দিচ্ছে আমার 😛

        বিয়ের পর স্ত্রীর কাউকে ভালো লেগে গেলো, সে ডিভোর্স দিয়ে চলে গেলো। স্বাভাবিক। আমি অন্তত দুবার ভাববো না। কিন্তু স্বামীর সাথেও সংসার টিকিয়ে রাখলো, আবার পার্টনারের অমতে গোপনে আরেক লোকের সাথেও সম্পর্ক রাখলো- এটা আমার কাছে অন্তত গ্রহণযোগ্য নয়। আর আমার আপত্তি, আপনি ঠিক এই ইঙ্গিতটিই রুমানা মঞ্জুর সম্বন্ধে দিয়েছেন, এবং সম্ভবত, সম্পূর্ণ না জেনে। এটা মানহানীকর।

        জবাব দিন
        • রাজীব (১৯৯০-১৯৯৬)

          সামিয়া
          আমি কোনও ইঙ্গিত করি নাই।
          আপনি জানেন কি প্রশ্নের আগে কিন্তু বলে নিয়েছি আমরা কেউই কিছু জানি না।
          যদি আল্লাহ্‌ থাকেন তবে তিনি এবং তার ফেরেশতারা ভালো জানবেন। হয়তো জীনওয়ালারা ও জানেন।
          আমি একই কথা আবারো বলছি সে প্রেম করেছে কি করে নাই তাতে কি আসে যায়।
          পরকীয়া করলে কি বউ পিটানো জায়েজ!
          আর মানহানির কি হইলো।
          আমি না হয় কল্পলোকে থাইকা লিখছি।
          তোমার কিছু জানা থাকলে সেটা জানাতে পারো।

          ধন্যবাদ।


          এখনো বিষের পেয়ালা ঠোঁটের সামনে তুলে ধরা হয় নি, তুমি কথা বলো। (১২০) - হুমায়ুন আজাদ

          জবাব দিন
  4. রাব্বী (৯২-৯৮)
    কালুরা যে কি জিনিস তা যারা দেখেনাই তাদের কে বলে বুঝানো যাবে না

    কথাগুলো অতিসরলকৃত হয়ে গেলো রাজিব ভাই। ব্রিটেনের ঘটনা কমবেশি সবাই জানি কিন্তু এভাবে কি আফ্রিকান-ক্যারিবিয়ান কমুউনিটি নিয়ে ঢালাওভাবে বলা যায়?

    রুমানা মঞ্জুর প্রসঙ্গে আপনার কথাগুরো পড়ে মনে হচ্ছে ডমেস্টিক ভায়োলেন্সের চেয়ে বেশি গুরুত্ব আরোপিত হয়েছে তার স্বামী কর্তৃক প্রচারিত বিবাহ বর্হিভূত সম্পর্কের উপর।

    প্রেমে পড়লেন আরেক যুবকের। স্বামী-কন্যা -সংসার ভেসে গেলো।

    এই কথাগুলো বলাতে রুমানা মঞ্জুরকে প্রথমেই নৈতিক কাঠগড়ায় ঠেলে দেয়া হলো। যেটা জঘন্য ভায়োলেন্সটার প্রতি এক ধরণের পরোক্ষ সহানুভূতির কাজ করছে। "শিক্ষিত স্বামী" - অপরাধ সংঘটনের সাথে শিক্ষিত বা অশিক্ষিত স্বামী বা স্ত্রী বলে কিছু কি আছে? আপনার মূল পয়েন্টটা কি?


    আমার বন্ধুয়া বিহনে

    জবাব দিন
    • রাজীব (১৯৯০-১৯৯৬)

      রাব্বি
      আমরা সবাই বর্ণবাদী; কম- বেশী।
      শুধু আমরা ভান করে যাই। স্বল্প কিছু যে ব্যাতিক্রম নাই তা নয়।
      তোদের দেশে হয়তো পরিস্থিতি ভিন্ন।
      এখানে বাঙ্গালী বা অন্য জনগোষ্ঠীর কেউই কালোদের পছন্দ করে না। এরা বাংলাদেশের বস্তির মেয়েদের চাইতে হাজারগুণে বেশী ঝগড়ায় পারদর্শী।
      আরো বেশী রেসিয়াল হইয়া গেলো রাব্বী। উপায় নাই। এইটাই সত্য।
      আরো বলি কর্মক্ষেত্রে আমার সবচেয়ে কাছের যে সহকর্মী তারা দুজনেই কালো মেয়ে। আমাদের সম্পর্ক খুব ভালো। আমার বউয়ের কর্মক্ষেত্রেও একই কথা। তার সবচেয়ে কাছের যারা তারা কালো। ছেলেরা বোন বলে ডাকে, মেয়েরা আমার মেয়ের জন্য একগাদা গিফট পাঠিয়েছে। আমিও ওদের জন্য করি।

      পথে যদি তোকে কেউ মারে তবে ৯৯% সম্ভাবনা সে হবে কালো। আবার যে তোকে হাসপাতালে নিয়ে যাবে তাদের ৯০% হবে কালো।
      এরা হইলো

      সাপ হইয়া দংশন করো, ওঝা হইয়া ঝাড়ো।

      আর এক লাইনে বলে দিছি এই কারণে যে এইটা নিয়া লেখার কিছু নাই। তাতে সরলীকৃত হইলে তাই জটিল হইলেও তাই।

      আর লাইন ধইরা ধইরা তো উত্তর দেওয়া সম্ভব না বাবা। মাপ চাই।
      এক কথা অনেকবার বলেছি।
      কোনও অবস্থাতেই বউ পিটানো যায়েজ হইতে পারে না।
      আর ডোমেস্টিক ভায়লেন্স তো নতুন কিছু না। এটা চলে আসছে ; চলছে, চলবে।
      তুই, আমি বা আমরা যতই ভালো কথা বলি না কেন লাভ নাই।
      তুই চেষ্টা জারি রাখতে পারিস।

      আমি সেইরকম কোনো তত্ত্ব দিতে চাই নাই।
      কথা একটাই এতই যখন ঝামেলা তাইলে ডিভোর্স করো। মেয়ের অন্যত্র প্রেম ছিল না জামাই কানা তাতে কি আসে যায়। এইটা নিয়া অযথা রশি টানাটানি করার কি আছে?


      এখনো বিষের পেয়ালা ঠোঁটের সামনে তুলে ধরা হয় নি, তুমি কথা বলো। (১২০) - হুমায়ুন আজাদ

      জবাব দিন
      • রাব্বী (৯২-৯৮)
        তুই, আমি বা আমরা যতই ভালো কথা বলি না কেন লাভ নাই

        লাভ বা ক্ষতির প্রসঙ্গ না রাজিব ভাই। ঘটনাটিকে সঠিকভাবে উপস্থাপন করা হলো কিনা সেটি নিয়ে কথা হচ্ছে। এটি একটি দৃষ্টিভঙ্গীর ব্যাপার। পৃথিবীতে খুন/হত্যাকান্ড - "চলে আসছে, চলছে এবং চলবে" - তাই বলে কি আপনি সমর্থন জানিয়ে যাবেন?

        মেয়ের অন্যত্র প্রেম ছিল না জামাই কানা তাতে কি আসে যায়। এইটা নিয়া অযথা রশি টানাটানি করার কি আছে?

        রুমানা মঞ্জুর প্রসঙ্গটি লেখায় যেভাবে এসেছে সেটি ঠিক গ্রহনযোগ্য মনে হয়নি। শুধুমাত্র সন্তোষজনক বস্তুনিষ্ঠ উপস্থাপনা আশা করেছিলাম। আপনার কাছে এটি "অযথা" বলে মনে হচ্ছে?

        বিষয় দুটিকে যে কথাগুলো দিয়ে লেখায় এবং মন্তব্যে ডিফেন্ড করলেন তার সাথে সবিনয়ে একমত হতে পারলাম না।


        আমার বন্ধুয়া বিহনে

        জবাব দিন
        • রাজীব (১৯৯০-১৯৯৬)

          ঐ রাব্বী
          আমার নাম রাজীব; রাজিব না।
          যা তিনটা ডিগবাজি দিয়া আয়।

          তোরা যারা যারা পয়েন্টটা নিয়া কথা বলছিস তাদের সবার যুক্তি ভালো। :thumbup:

          ভালো থাক। তুই কি দেশ ত্যাগ করছিস আবার?
          যাবার পথের কাহিনী কই?


          এখনো বিষের পেয়ালা ঠোঁটের সামনে তুলে ধরা হয় নি, তুমি কথা বলো। (১২০) - হুমায়ুন আজাদ

          জবাব দিন
  5. কামরুলতপু (৯৬-০২)

    একমত হতে পারলাম না লেখার সাথে এবং মডারেটরদের অনুরোধের পরও লেখা না বদলানোর কৈফিয়তের সাথে। এবং কোন ভাবেই এই লেখার এই অংশকে আমার স্যাটায়ার বা সারকাজম বলে মনে হল না।
    আপনি যে ব্যাখ্যা দিচ্ছেন যে পরকীয়া অন্যায় নয় সেটা শুরুতেই মনে হল আপনি ধরেই নিচ্ছেন সেটি পরকীয়া ছিল। আর নিচের মন্তব্য

    যদি ভেবে নেই ফেসবুকের বন্ধু ডিলিট নিয়াই এতো ঘটনা তাইলে তো বলতে হবে ঘটনা গুরুতর। কি এমন বন্ধু, কেমন বন্ধু যারে ডিলিট করা নিয়া এতো বিপত্তি???

    দেখে হতাশ হয়েছি।এটাকে আপনি যেভাবে গুরুতর বলে ইংগিত দিলেন সেটা আমাদের
    সবার টিপিক্যাল চিন্তভাবনার সাথে বেশ মিলে গেল। আরো একটু বেশি গভীরতা চেয়েছিলাম।

    এখানে বন্ধু কেমন তা নয় ব্যাপার হচ্ছে ইগো। আমার বন্ধু আমি অন্যের কথায় কেন ডিলিট করব।

    আমি অপেক্ষা করছি যেদিন একই কারণে মেয়েরা ছেলেদের নাক কামড়ে চোখ অন্ধ করে দিবে তখন আমরা কি বলব সেটার জন্য।

    জবাব দিন

মন্তব্য করুন

দয়া করে বাংলায় মন্তব্য করুন। ইংরেজীতে প্রদানকৃত মন্তব্য প্রকাশ অথবা প্রদর্শনের নিশ্চয়তা আপনাকে দেয়া হচ্ছেনা।