পরাণ

পরাণ
মো ও খা ও।

হারিয়ে গেলে কোথায় বল তাহার দেখা পাই
বুকের মাঝে বসত করে চোখের সমুখ নাই,
বীনা তারে সুরের সাধন কোন সে পাখি গায়
থামলে বাদন শুন্য আসর গায়েন কোথা যায়।

আখির পলক মনের ঝলক ভাবনা মনে যত
পাপড়ি দোলায় সুখের মেলায় সপ্ন অবিরত,
টানলে রশি বাশের বাঁশি গাইবে না আর গান
থামবে গাড়ী অচিন বাড়ী চড়বে কাধে যান ।

বিস্তারিত»

করো না এমন করোনা।

ক‌রোনা এমন ক‌রোনা
‌মো ও খা ও।

এমন ক‌রে কি বে‌চে থাকা যায়
একা একা ঘ‌রে,
তোর সা‌থে হ‌বে না দেখা এখন
‌কি হ‌বে প‌রে?
‌চো‌খের আকাশে সু‌খের সাতরঙ
কত কথা ব‌লে,
যত খুনসু‌টি ব‌ন্দি বু‌কের মা‌ঝে
‌‌ঢে‌কে‌ কি রাখা চ‌লে?

নদী‌তো বই‌ছে এখ‌নো ছ‌ন্দে ছ‌ন্দে
আকাশে উঠে‌ছে চাদ,
ক‌ন্ঠে না মি‌লি‌লে সুরে সু‌রে গান
‌মি‌টি‌বে কি সুখ সাধ।

বিস্তারিত»

কতোদূর এগোলো মানুষ

‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ নামের এক শব্দবন্ধের সঙ্গে আমাদের তারুণ্যের বেড়ে ওঠার অনেক স্মৃতি জড়িত। মনে পড়ে, তখন হঠাত করেই পত্র-পত্রিকা, মিডিয়া, বিজ্ঞাপন কিংবা জনমুখে ‘ডিজিটাল’ শব্দের ব্যবহার বেড়ে গেলো। সে সময়ে মানুষের মস্তিষ্কে তা এমন অভিঘাত তুলেছিলো যে শহর কিংবা মফস্বলে বিভিন্ন দোকানপাটের নামের সঙ্গে দেদার্চে ডিজিটাল শব্দটি যুক্ত হওয়া শুরু করলো। ‘মায়ের দোয়া ফুচকা’ হয়ে গেলো ‘ডিজিটাল ফুচকা শপ’, ‘আল্লাহর দান বিরিয়ানি’ হয়ে গেলো ‘ডিজিটাল বিরিয়ানি হাউজ’ এমন অজস্র উদাহরণ রয়েছে।

বিস্তারিত»

নীলকুঠি – দিনাজপুর

মোমেনপুর ইউনিয়নের অপ্রশস্ত মেঠো পথ ধরে এগোচ্ছিলাম। বালু মাটি দ্বারা গঠিত বলে এই অঞ্চলের রাস্তা-ঘাট ভঙ্গুর প্রকৃতির। বাংলার গ্রামের ‘রাস্তা ও সেতুমুখ’ – এই দু’য়ের বন্ধন দীর্ঘ বিবাহিত অভিমানি দম্পতির ন্যায়। ক্ষনে ভাল, অধিকক্ষনে বিমুখ। মহাসড়ক ছেড়ে গ্রামীন এই পথে নেমে হঠাৎ বিপাকে পড়লাম। গাড়ী করে আর সামনে এগোনো যাবে না, তাই বাধ্য হয়ে গাড়ী ছেড়ে হাঁটা শুরু করলাম। শীতের সকাল, তার উপর সাপ্তাহিক ছুটির দিন।

বিস্তারিত»

মুভি রিভিউঃ প্রাইড এন্ড প্রেজুডিস কাট (২০১৯)

২০শে সেপ্টেম্বর ২০২০, ভোর সোয়া ছয়টা

[ব্লগের প্রথম পাতায় বেশ কিছুদিন আমার একাধিক লেখা থাকায় এবং সেগুলোর কোন একটি পরের পাতায় না যাওয়া পর্যন্ত অন্য লেখা দিতে পারছিলাম না। খসড়টা আগেই লেখা ছিল। আজ শুধু এই প্রথম অংশটুকু সংযোজন করে লেখাটাকে পোস্ট করছি।]

… মুভি রিভিউ
… রবিবার, ২০শে সেপ্টেম্বর ২০২০, সকাল সোয়া ছয়টা
… সকল জেন অস্টিন প্রেমীদের জন্য ভালবাসা

২০১৯ সালের মুভি প্রাইড এন্ড প্রেজুডিস কাট-কে সবার সামনে নিয়ে আসছি;

বিস্তারিত»

আমার জীবনে নারীঃ পর্ব-২

৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০

জীবনের চক্র বড়ই অদ্ভুত। আজ, ৩০শে সেপ্টেম্বর ২০২০, আমাদের মেয়েটার জন্মদিন; আট বছর পূর্ণ করে নবম বর্ষে পা রাখলো সে। ২০১২-তে এদিনে দুপুর তিনটা-সাড়ে-তিনটার দিকে তার জন্ম। আর আজই আমাদের পুরো পরিবারের একটা জেনারেশনের সর্বশেষ ব্যাক্তিটি ইহলোকের মায়া ত্যাগ করে পরলোক গমন করলেন, ভোর তিনটা-সাড়ে-তিনটার দিকে; তিনি আমার জন্মদাত্রী মায়ের জন্মদাত্রী, আমার ভালবাসার নানু। মন খারাপ লাগছে কিনা, কিংবা কষ্ট পাচ্ছি কিনা,

বিস্তারিত»

ডরোথি পার্কার এর তিনটি কবিতা

পরাজয়

আমার যদি চকচকে বন্দুক থাকতো
তাহলে এক পৃথিবী মজা নিতে পারতাম
বুলেট ছুটিয়ে তাদের মাথার ভিতর
যারা কি না আমাকে কষ্ট দেয়!

কিংবা আমার যদি বিষাক্ত গ্যাস থাকতো
সময়গুলো কাটিয়ে দিতে পারতাম
যাদের ভালোবাসি না তাদের সাবাড় করে!

কিন্তু আমার কোনো মারাত্মক অস্ত্র নেই
তাই নিয়তি মাড়িয়ে যায় আনন্দের ক্ষণ
তাই তারা আজও ছোটে মহা আনন্দে
নরকবাস যাদের একচ্ছত্র অধিকার!

বিস্তারিত»

বিতংস – পাঠক প্রতিক্রিয়া

 

বিতংস

লেখকঃ ওয়াহিদা নূর আফজা

প্রচ্ছদঃ সামিয়া হোসেন

প্রাকাশকঃ আগামী প্রকাশনী, ফেব্রুয়ারী ২০১৩ খ্রীঃ

পৃষ্ঠাঃ ২৮০

মূল্যঃ ৫৫০ টাকা

————————————————————

বিতংস এর ঘেরা টোপে পাঠক। লেখক তার স্বকীয়তায় সুনিপুণ রচনাশৈলী দিয়ে সুক্ষ সুক্ষ জালে আটকে ফেলবে পাঠককে – হ্যাঁ ওয়াহিদা নূর আফজার লেখা ‘বিতংস’ আগা-গোড়া পড়ে পাঠক হিসাবে এই আমার অভিমত।

বিস্তারিত»

একজন মৃণাল হক ও একজন ওয়াস্ফি

২৩শে আগস্ট ২০২০, রাত ৩টা [ব্লগের প্রথম পাতায় বেশ কিছুদিন আমার একাধিক লেখা থাকায় এবং সেগুলোর কোন একটি পরের পাতায় না যাওয়া পর্যন্ত অন্য লেখা দিতে পারছিলাম না। খসড়টা আগেই লেখা ছিল। আজ শুধু এই প্রথম অংশটুকু সংযোজন করে লেখাটাকে পোস্ট করছি।]

এই পোস্টে সংযুক্ত ছবিটা ক্যাডেট কলেজ ক্লাব আয়োজিত ২০১৮ সালের স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষ্যে বাচ্চাদের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় বিচারক মৃণাল হকের কাছে আমাদের কন্যা আরিশা সহ প্রতিযোগী সকল বাচ্চার ব্যাক্তিগত ভাবে উপহার গ্রহনের মুহূর্তে তোলা।

বিস্তারিত»

বাবার আবদার

ব্যস্ত থাকি অফিস কাজে

সন্ধ্যা নাগাদ ঘর,

এই রুটিনে চলছে-ত বেশ

জীবন নিরন্তর।

 

বাবুর স্কুলের পড়ার বোঝা

রোজকার হোমওয়ার্ক–

বন্ধু বান্ধব মিলে চলি

সামলাই নেটওয়ার্ক।

 

মা’র ঔষধ, বাবার খরচ

মাস শেষে দেই পাঠিয়ে,

চিঠি ও লেখা হয়নাত আর

সংসার নেই গুছিয়ে।

বিস্তারিত»

কোভিডের দিনগুলি

কোভিডের দিনগুলি
============

এখানে থাকার কথা ছিলো একটি ফড়িং-এর
কথা ছিল পানকৌড়ির একটি স্থিরচিত্রের-
যা আমরা দেখেছিলাম কালনীর কুয়াশায়।

এখানে থাকার কথা ছিলো নিদেনপক্ষে একটি শিশুর
কথা ছিলো এক যুগলের ভুল সময়ে মিলনের-
বাণিজ্যমেলায় যাদের সাক্ষাত হয়েছিলো।

এখানে থাকার কথা ছিলো একটি হলুদ বিকালের
কথা ছিলো সাহেব পার্কে একটি আত্মহত্যার-
যেটার কারণ ছিলো একটি শূন্য নীল খাম!

বিস্তারিত»

যৌথ প্রয়াস (অনুবাদ কবিতা)

সে বুদ্ধি আঁটে, আমি সাহস দেই।
সে শেখায়, আমি শিখি।
(এভাবেই) আমরা কাজ করি।

সে মাপ নেয়, আমি চেরাই।
সে ধরে, আমি ছিদ্র করি।
(এভাবেই) আমরা বিনির্মাণ করি।

আমরা যোগাই, আমরা গজাল ঠুকি।
আমরা পালাবদল করি, করে সরি।
আমরা (একে অপরের) প্রশস্তি করি।

মূলঃ Moira Cameron
অনুবাদঃ খায়রুল আহসান

কবি পরিচিতিঃ কানাডার টরন্টো তে জন্ম হলেও,

বিস্তারিত»

বলধা গার্ডেন – ঢাকা

যে কোন নগর সভ্যতার অন্যতম উপাদান বাগ-বাগিচা-উদ্যান। মুঘল সাম্রাজ্যের হাত ধরে ঢাকায় বাগ-বাগিচার সূচনা হয়, যেমনঃ বাগ-ই-বাদশাহী, নবাব বাগিচা, হাজারীবাগ, বাগ-ই-মুসা, বাগ হোসেনউদ্দিন ইত্যাদি। বৃটিশ আমলেও এই ধারা অব্যাহত থাকে, রমনা এর বড় উদাহরণ। দেশের জমিদারদের পাশাপাশি ঢাকার নবাব পরিবারও এক্ষেত্রে বেশ বড় ভূমিকা রাখে। রোজ গার্ডেন, শাহবাগ উদ্যান, মতিঝিল কিংবা দিলখুশা বাগানবাড়ি সম্পর্কে আমরা সবাই কম-বেশী অবহিত। ১৭৬৫ খ্রীঃ বৃটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানী বাঙলার দেওয়ানি লাভ করে রাজধানী,

বিস্তারিত»

তাল পিঠা

দমকা হাওয়ায় নিভে গেল বিজলী বাতি। এ তল্লাটে এমনটি ঘটে না সচরাচর। পাশের বাড়ির এক ঝাপটা বাতাস নাসারন্ধ্র পথে ডুব দিলো অনেক গভীরে। বজ্রপাতের আলো আঁধারের মাঝে ঝপঝপ বৃষ্টি। হারিকেনের টিমটিমে আলোয় কাঁসার থালা হাতে বুবু। কলা পাতার উপরে লাল চাপড়া আর বড়ার সুবাস আসছে। মা পিঠা বানিয়েছে। জিভে জল চলে এলো! হঠাৎ টরটর করে ওঠে ফ্যানটা। পটরপটর করে থিতু হবার চেষ্টায় টিউবলাইট। আরেকটু দেরী করে এলে ক্ষতি ছিল না বিজলী!

বিস্তারিত»

ক্যাডেট রম্যের দ্বিতীয় সংস্করণ ও ই-বুক প্রকাশ

‘ক্যাডেট রম্য’ নামে আমার একটা বই আছে। ২০১৬ সালের বইমেলায় বইপত্র প্রকাশন থেকে বইটি প্রকাশ পেয়েছিলো। মাত্র আটদিন বইটি মার্কেটে ছিলো। চাহিদা থাকা সত্ত্বেও মেলার পর বিভিন্ন কারণে বইটার হার্ড কপি আর প্রকাশ করা হয় নি। বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন মানুষ বইটির খোঁজ করেছেন। ‘ক্যাডেট রম্য’ নামে প্রথম আলোর অধুনালুপ্ত ফান সাপ্লিমেন্ট রস+আলো এবং দৈনিক ইত্তেফাকের ফান সাপ্লিমেন্ট ঠাট্টায় ২০১১-২০১৪ সময়কালে লিখেছি। ফলে, ‘ক্যাডেট রম্য’-এর এক ধরণের পাঠক শ্রেণী গড়ে উঠেছিলো।

বিস্তারিত»