জানুয়ারির হাইকু

জানুয়ারি মাসের হাইকু-১

হাইকু ১৫২

দুই হাজার কুড়ি
কারসাজি আর বিদূষক
নির্বাসনে যাক

হাইকু ১৫৩

বই আর বউ
অমিলে সৃষ্টির কথকতা
কবিতা ও ব্যর্থতা

হাইকু ১৫৪

ঘন কুয়াশা
রবির পরে মেঘ ছোটে
বাম ডানে উইপার

হাইকু ১৫৫

তুরাগ নদীর তীর
দিনের বেলায় হেডলাইট
ধীর হাইওয়ে

হাইকু ১৫৬

জেগে ওঠা চর
ধ্যান করে বকের দল
মোলায়েম রোদে

হাইকু ১৫৭

জানুয়ারির ভোর
লেপের মাঝে এলার্ম ঘড়ি
বিলাপসম বাজে!

বিস্তারিত»

এ কেমন অভিভাবক?!

অভিধান বলছে অভিভাবকের অর্থ দেখাশোনা করে যে, রক্ষণাবেক্ষণকারী; তত্ত্বাবধায়ক; আশ্রয়দাতা।

বাংলাদেশের ক্রিকেটের অভিভাবক সংস্থা বিসিবি কি এমন? খোদ বিসিবি সভাপতিই কি প্রধান অভিভাবক হবার যোগ্য?

১। ”অস্ট্রেলিয়ায় তখন চলছে ২০১৫ বিশ্বকাপ। ব্রিসবেনে এক অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ দলকে সংবর্ধনা দিচ্ছিল স্থানীয় বাঙালিরা। নিজের বক্তৃতায় দল নিয়ে কথা বলতে গিয়ে এক পর্যায়ে বিসিবি প্রধান নাজমুল হাসান রসভরা কণ্ঠে বললেন, “আমাদের ‘বুম বুম তামিম’ তো এখন ‘ঘুম ঘুম তামিম’ হয়ে গেছে!’’

পুরো হলরুমে হাসির হুল্লোড় উঠল।

বিস্তারিত»

অস্ট্রেলিয়ার পথে (৩) …. অবশেষে মেলবোর্নের মাটিতে!!!

পানীয় জল সংগ্রহ করে ফিরে এসে দেখি CZ343 CAN-MEL ফ্লাইট এর জন্য অপেক্ষমান যাত্রীরা বোর্ডিং এর জন্য সারিবদ্ধভাবে লাইনে দাঁড়িয়ে গেছে। আমরাও তাড়াতাড়ি করে লাইনের প্রায় শেষে এসে দাঁড়িয়ে গেলাম। পিঁপড়ের সারির মত আস্তে আস্তে দন্ডায়মান সবাই বোর্ডিং কাউন্টারের দিকে এগোচ্ছি। সংশ্লিষ্ট স্টাফদের অসাধারণ দক্ষতার কারণে খুবই অল্প সময়ে সে দীর্ঘ লাইনটি বিলীন হয়ে গেল। বিমানের দুয়ারে দাঁড়ানো চীনা কেবিন ক্রুদের স্মিতহাস্য অভিবাদনের মাধ্যমে আমরা ভেতরে প্রবেশ করলাম এবং আমাদের নির্ধারিত অবস্থান খুঁজে নিয়ে যার যার আসন গ্রহণ করলাম।

বিস্তারিত»

অস্ট্রেলিয়ার পথে (২) …. আকাশ যাত্রা শুরু হলো!

অস্ট্রেলিয়া এবং নিউজীল্যান্ড, দুটো দেশেরই ভিসা একই দিনে প্রাপ্তির পর মনে হচ্ছিল, যেহেতু “মেকা-অস্ট্রেলিয়া গ্লোবাল রিইউনিয়ন” টা ইতোমধ্যে মিস করে ফেলেছি, সেহেতু আবার নতুন টিকেট করার ব্যাপারে এত তাড়াহুড়ো করার প্রয়োজন কেন! তাই সফরসূচী নিখুঁতভাবে চূড়ান্ত করতে আমি একটু সময় নিচ্ছিলাম। বিভিন্ন এয়ারলাইনের ওয়েবসাইট ঘুরে ঘুরে আমি আমাদের জন্য উপযোগী সময় ও সাশ্রয়ী মূল্যের কথা মাথায় রেখে একটা সফরসূচী সাব্যস্ত করলাম। অনেক ইচ্ছে ছিল, সফরে বের হবার আগে ২০ ডিসেম্বর ২০১৯ তারিখে ঢাকার “সংস্কৃতি বিকাশ কেন্দ্রে” অনুষ্ঠিতব্য “সামহোয়্যারইনব্লগ” এর ব্লগ দিবস-২০১৯ উদযাপনের অনুষ্ঠানমালায় যোগদান করার।

বিস্তারিত»

অস্ট্রেলিয়ার পথে (১)…. অবশেষে এক মাস বিলম্বে যাত্রা শুরু!

গত ২২-২৪ নভেম্বর ২০১৯ তারিখে অস্ট্রেলীয় শহর সিডনীতে Mirzapur Ex-Cadets’ Association (MECA) এর অস্ট্রেলিয়া চ্যাপ্টার কর্তৃক তিন দিন ব্যাপী একটি ব্যাপক কর্মযজ্ঞ হয়ে গেল, যার নাম MECA-Australia Global Reunion-2019। বাংলাদেশ সহ বিশ্বের নানা দেশে অবস্থানরত MCC এর এক্স-ক্যাডেটরা সিডনীতে একত্রিত হয়েছিল এক মহা মিলনমেলায়। আয়োজকদের আমন্ত্রণে আমিও সস্ত্রীক সে মিলনমেলায় অংশগ্রহণ করতে আগ্রহী ও প্রত্যাশী ছিলাম। আমার অবশ্য আরেকটা অতিরিক্ত কারণ ছিল যে অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্ন শহরে আমার মেজ ছেলে এবং বৌমাও প্রবাসী।

বিস্তারিত»

তিনিও ছিলেন পাশেঃ জ্যঁ ক্যুয়ে

৩ ডিসেম্বর, ১৯৭১।
সকাল বেলা।
অর্লি বিমানবন্দর, প্যারিস।

কিছুক্ষণ আগে লন্ডন থেকে ১৭ জন যাত্রী এবং ৬ জন বিমান ক্রু বহনকারী পাকিস্তান এয়ারলাইন্স এর করাচিগামী বোয়িং ৭২০ বি বিমানটি এখানে ল্যান্ড করেছে। এয়ারলাইন্স এর ভাষায় যার নাম পি কে- ৭১২। করাচি যাবার আগে এটি আরও থামবে যথাক্রমে রোম এবং কায়রোতে।

প্যারিসে আরও পাঁচজন নতুন যাত্রী উঠল। এর মধ্যে পঞ্চম জন উঠলেন একেবারে শেষ মুহূর্তে।

বিস্তারিত»

মীনাঃ হারিয়ে যাওয়া যেখানে মানা

হজ্জ করতে গিয়ে হারিয়ে যাওয়ার অভিজ্ঞতা হয়নি পরিসংখ্যান নিলে এমন হাজীদের সংখ্যা নেহাত কম হবে না। আমার পরিচিত যারা হজ্জ করতে গিয়েছেন, ফিরে এসে তাদের প্রায় সবাইকেই কিভাবে তারা হারিয়ে গেলেন এবং কেমন করে তারা সেই বিপদ থেকে উদ্ধার পেলেন তার বর্ণনাই করতে শুনেছি বেশ আগ্রহভরে। আমি যখন গত বছর হজ্জে যাই তখন কিন্তু ঘূর্ণাক্ষরেও ভাবিনি যে আমারও সেই একই দশা হবে এবং ফিরে এসে সেই হারিয়ে যাওয়ার কাহিনী লিখতে বসব সবিস্তারে।

বিস্তারিত»

ভুলে যেতে হয়

কে কবে কী বলেছিল,
কখন বলেছিল, এসব-
অন্তর কন্দরে রাখতে নেই,
এসব ভুলে যেতে হয়।

কার চকিত চঞ্চল হাসি
আকাশ থেকে এক ফালি
বিজলী প্রভা এনে দিয়েছিল,
সে কথা ভুলে যেতে হয়।

যার কথায় পরাণে প্রথম
নিক্কণের সুর বেজেছিল,
নিস্তব্ধ নীরবতার আচ্ছাদনে
তার স্মৃতি ঢেকে রাখতে হয়।

কার কান্নায় বুকের নদীটা
ক্ষণে ক্ষণে উছলে উঠেছিল,

বিস্তারিত»

অনুবাদ হাইকু

কোবায়াশি ইশার সাতটি হাইকু

এক

শীতল হাওয়া
সব শক্তি দিয়ে ডাকে
ঝিঁঝিঁপোকা

দুই

ঠাণ্ডা বাতাস
পেঁচিয়ে মোচড় দিয়ে
এখানে এলো

তিন

গরমে পর্বতমালা
আমার প্রত্যেকটি ধাপে
আরো দেখতে পাই

চার

চড়ুইপাখির ছানা
পথ ছাড়ো পথ ছাড়ো
ঘোড়া পার হচ্ছে

পাঁচ

গরুর বাছুরটি
গিয়েছে বেড়াতে
শরতের বৃষ্টি

ছয়

সেপ্টেম্বর মাস
ডোরাকাটা কিমোনো
পরেছে আকাশ

সাত

লোভ জাগানিয়া
ধীরে ধীরে তুলতুলে
তুষার পড়ছে

ইয়োশা বুসনের সাতটি হাইকু

এক

হারুসামে ইয়া
মোনোগাতারি য়ুকু
মিনো তো কাসা

বসন্তের বৃষ্টি
কথা বলতে বলতে
চলে যাচ্ছে

দুই

য়ুকু হারু ইয়া
ওমোতাকি বিওয়া নো
দাকি গোকোরো

বসন্তের গমন
চৌতারা বাদ্যযন্ত্র
ধারণের অনুভুতি

তিন

না নো হানা ইয়া
সুকি হা হিগাসি নি
হি ওয়া নিশি নি

ক্যানোলা ফুল
পুব দিকে চাঁদ
পশ্চিমে সূর্য

চার

বোতান চিরিতে
উচি কাসানারিনু
নি সান হেন

বিক্ষিপ্ত পিওনি ফুল
আর জড়ো করে রাখা
কয়েকটি পাঁপড়ি

পাঁচ

ওনো ইরে তে
কো ওডোরোকু ইয়া
ফুয়ু কোদাচি

কুড়াল মেরে
আমি অবাক গন্ধে
শীতের বৃক্ষরাজি

ছয়

ফুজি হিতোতসু
উজুমি নোকোসিতে
ওয়াকাবা কানা

ফুজিয়ামা ব্যতীত
সব কিছু ডুবে গেছে
কচি কচি পাতায়

সাত

য়ুদাচি ইয়া
কুসুবা ও সুকামু
মুরা সুজুমে

বিকালের বৃষ্টি
ঘাস ধরবে না পাতা
গ্রামের চড়ুইপাখি

♦মাতসুয়ো বাসো,

বিস্তারিত»

ডিসেম্বরের হাইকুগুচ্ছ ১

ডিসেম্বরের হাইকুগুচ্ছ

১২৫

অতলান্তিক সময়
চলতে স্রোতের বিপরীতে
কূলহারা নাবিক

১২৪

এক রত্তি ডাঙা
পালক খুঁটে খুঁটে হাঁস
রোদ কণা মাখে

১২৩

সাদা সজনে ফুল
ফুলিয়ে রোঁয়া বুলবুলি
রৌদ্র মাখে গায়

১২২

উল্টা বিব্রত
আজব প্রজন্ম কহে
সব তোমাদের দোষ

১২১

মলন মলা শেষ
উঠোন ঠুকরে মা মুরগী
ছানাদের ডাকে

১২০

হেমন্তের দুপুর
ছোট্ট দ্বীপে হাঁসের দল
জলকেলি শেষে।

বিস্তারিত»

ভালোবাসা অধরা

ভালোবাসো আমায় ?
হ্যাঁ………কিন্তু না…
স্বপ্নে দেখো আমায় ?
হ্যাঁ………কিন্তু না…
তবে, আমি ভালোবাসি ?
উমম………হ্যাঁ………কিন্তু না…
স্বপ্নে আসবে আমার ?
জানিনা………

জীবনের অতল গহীনে দ্বিধা আর দ্বন্দ্ব
চাওয়া পাওয়া, আর না পাওয়া চাওয়া সব ধূসর হয়ে
সাঙ্গ হবে খেলা একদিন
মনের ইচ্ছের বিরুদ্ধে ।
তবুও ভালোবাসি প্রিয়তমা, জেনে রেখো…
ভালোবাসি তোমায় ।

বিস্তারিত»

নন্দিনী

নন্দিনী, হ্যাঁ ঠিক শুনেছেন। মেয়েটাকে কখনোই আমি ডাইসেক্ট করতে পারিনি। একটা মানুষ এতটা মিস্টেরিয়াস কি করে হতে পারে??? আজব নাহ! বলতে পারেন আমি সেই ভারসিটি লাইফ থেকেই তার পিছে ঘুরছি। আসলেই আমি বুঝতাম না যে সে আমাকে পাত্তা দিত নাকি এভয়েড করতো। কখনো সে নিজেই আগ বাড়িয়ে কথা বলতো অথচ ফেইসবুকে মেসেজ দিলে অনেক সময় ২ দিন পরেও সীন করতো না।কেমন যেনো একের ভিতর ২-এরকম ক্যারেক্টার ছিলো।

বিস্তারিত»

পীর কাহিনী

সমস্যাবিহীন জীবন মানুষ কখনোই যাপন করেনি। সভত্যার সেই ঊষা লগ্ন থেকেই সমস্যা মানুষের নিত্য সঙ্গী। কালের বিবর্তনে এই সমস্যার প্রকৃতি হয়ত বদলিয়েছে, কিন্তু মানুষের জীবন কখনোই কিংবা কোন যুগেই সমস্যা মুক্ত হয়নি। অতীত অথবা বর্তমানের মানুষ যেমন পারেনি সমস্যাকে পুরোপুরি জয় করতে, তেমনি ভবিষ্যতের মানুষও যে পারবে তার কোন সম্ভবনা এখনও কোথাও উঁকি দিয়ে দেখা দেয়নি।

মানুষের আদি সমস্যা হলো ক্ষুন্নিবৃত্তির সমস্যা। আদিম যুগে এই সমস্যার একমাত্র সমাধান ছিলো শিকার।

বিস্তারিত»

ভবঘুরে, রং আর ক্যানভাসের গল্প

প্রথম পর্বঃ ভবঘুরের দিনলিপি

সন্ধ্যা ৭টা বেজে ১২ মিনিট, ১৩ ডিসেম্বর, ২০১৫।
খুলনা রেলওয়ে জংশন।

টয়লেট থেকে বের হয়ে থমকে গেল নরেন। হারামজাদা স্যামুয়েল দাঁত কেলাচ্ছে। গা জ্বলে গেল নরেনের। পেটের যন্ত্রণায় আর বারবার টয়লেটে যাওয়ার ঝামেলায় ওর নিজের লেজে গোবরে অবস্থা, আর এই ব্যাটা এতে মজা পাচ্ছে। অবশ্য ওর মজা পাওয়ার যথেষ্টই কারণ আছে। এই দেশের খাবারে কোন সমস্যা হয়নি স্যামের।

বিস্তারিত»

ভারচুয়াল-একচুয়াল

(এই গল্পের সবক’টি চরিত্র কাল্পনিক। জীবিত বা মৃত কারুর সাথে এদের কোন মিল পরিলক্ষিত হলে তা নিতান্তই কাকতালীয়।)

– বাবা, তুমি কি ‘দি কাইট রানার’ পড়েছ?
– না, মা, পড়িনি। তবে বইটার নাম শুনেছি, খুব সম্ভবত: একজন আফগান লেখকের লেখা উপন্যাস।
– তুমি ‘দি কাইট রানার’ পড় নি?

রোদেলা আশ্চর্য হয়। এই উত্তর তার কাছে অপ্রত্যাশিত। চোখে-মুখে তার ঝুলে থাকে একরাশ অবিশ্বাস।

বিস্তারিত»