Disclaimer: As an Additional Director of the Institutional Quality Assurance Cell (IQAC) at my last workplace, I conducted a few sessions for faculty members and officers, university-wide, and the last one was on “Importance of KPI & ACR”. After the session, some of my colleagues requested me to formally write down the interactive lecture I delivered during the session. When I finished the draft, it was sent to a daily newspaper for publication on the Career Page (though my draft below was edited/modified by the newspaper’s editorial personnel to make it fit as a newspaper article;
বিস্তারিত»শিক্ষকের ডায়রি (পর্ব ১৮) – সফট স্কিলস বিষয়ে আমার ভাবনা
Disclaimer: The draft was saved for a couple of months in my CCB dashboard, but couldn’t be published since my two other writings had already been published and existed on the blog’s first page — and in the meantime, the draft was published with some modifications in a daily newspaper’s electronic version on the Career Page.

প্রায় ২৬ বছরের কর্মজীবন আমার,
প্রতি উপজেলায় প্রবীণদের জন্যে যত্নকেন্দ্র চাই
একজন মায়ের একাকী মৃত্যুর খবরে আমাদের সমাজ কষ্ট পেয়েছে, রাগান্বিত হয়েছে, প্রায় সব খবরের কাগজ এই খবর ছেপেছে, সামাজিক মাধ্যমে এই মায়ের সন্তানদের ছবি প্রকাশ করে ধিক্কার দেওয়া হয়েছে। কিন্তু কাল আমরা এই ঘটনা ভুলে যাবো। তবে আমাদের সমাজ একদিনের জন্যে হলেও আবেগ-তাড়িত হয়েছে, তা দেখে মনে হয়েছে, যেমন করেই হোক, সমাজ এখনও বেঁচে আছে।
এই ঘটনা ভুলে যাবার সঙ্গে সঙ্গেই এমন সমাজ পরিস্থিতি কেন তৈরি হলো,
সাবধান ! লেহেঙ্গা বাজার !!
লাঞ্চের পর লিফটে দশ তলায় উঠছি। জেন্ডার বেজড ভায়োলেন্স ওয়ার্কশপের সমাপনী। হঠাৎ যান্ত্রিক কণ্ঠস্বর শুনি –
: আউতসাইদ ভেরি হত। ইত’স ডিসটার্বিং।
কী আশ্চর্য! হিট সেনসিটিভ লিফট নাকি! একটু মনযোগী হই। কয়েক সেকেন্ড পরের কথা-
: লিফট ইজ গোইং আপ। ডোর ইজ ক্লোজিং।
ও! তাহলে ভুল শুনেছিলাম। ভাতঘুমের আক্রমণ। ওয়ার্কশপ শেষে রাজশাহীগামী বাসে চড়ে বসি। জ্যাম আর গরমে মনটা উদাস হয়ে ওঠে।
বিস্তারিত»ক্রিকেট ফ্যান্টাসি
ওনেক দিন এখানে আসা হয় না। দেখে ভালো লাগলো যে এখনো এখানে লেখালেখি চলছে।
সম্প্রতি একদফা ক্রিকেটিয় ঝাপটা বয়ে গেল, তাই মনে হয়, আমার এই রসসৃষ্টির চেষ্ঠা একেবারে অপ্রাসঙ্গিক হবে না।
এঁরা যদি হতেন ক্রিকেটার (নাম বলছি না, পাঠক বুঝে নেবেন)ঃ
১।
দ্বাদশ ওভারে পিচের পর
কেমনে থামিল রানের ঝড়
কেমনে লাগিলো ব্যাটের কানায়
লোহিত বলের বাড়ি
ওরে আম্পায়ারের অঙ্গুলি হেলনে
টিকিয়া থাকিতে নারি।
বিস্তারিত»তমালিকা
শুনেই মনে হলো, তমালিকা তার মনের গহিন গর্ভ থেকে কথাটা বলে ফেলল। আমার মনে অনেক রকম কল্পনার ডালপালা নড়ে উঠল। সেই ডোপামিনের ঝাপটা শত-শত ফুলের সৌরভের মতো আমার পুরো অস্তিত্বে চনমন করে প্রবাহিত হয়ে গেল। আমি ওর দিকে কয়েক সেকেন্ড তাকিয়েই রইলাম। সে আমার চাউনির অর্থ বুঝল; তারপর যত্ন করে আমার টেবিলের ওপর একটা পারফিউমের প্যাকেট রেখে বলল– ‘ফর ইয়ু’।
কথাটা আসলে একটা প্রশ্ন।
বিস্তারিত»মানবতা
মজলুমকে লাথি মেরে
লাভ কি হবে তোর?
সবশেষে তো সঙ্গী হবে
সাড়ে তিন হাত গোর!!
তপ্ত পথে গরীব মানুষ
পেটের দায়ে নামে
কে দেবে তার বস্ত্র যোগান
অন্ন বিনা কামে?
তার শিশুরাও মানব শিশু
ক্ষুধার জ্বালায় কাঁদে
চাল নিয়ে তার আসবে বাবা
আশায় বুক বাঁধে!!
দুখী বাবা মার খেয়ে হায়
ফেলে চোখের পানি
হে দয়াময় লিখে রেখো
এই যে সকল গ্লানি!!
অন্ধকারের অশ্ব
অন্ধকারের অশ্ব
ছুটে আসে অন্ধকারে
কালো ক্ষুর দাপিয়ে
তাড়িয়ে বেড়ায়।
মুখোমুখি হতে পারি না
কখনো তার।
ঘুরে দাঁড়ালেই,
পেছন থেকে
অস্তিত্ব ঘোষণা করে পুণর্বার।
শরীর কেঁপে ওঠে
অজানা আশঙ্কায়,
ত্রাসে ছুটে যাই সামনে
সেখানেও অন্ধকার
আর তার অশরীরী অশ্ব।
দ্বিতীয় জীবন (পর্ব-১)
আর্নেস্ট হেমিংওয়ে লিখেছিলেন -“সবচেয়ে কঠিন শিক্ষা হলো, জীবন থেমে থাকে না। তুমি যতই ভেতর থেকে ভেঙে পড়ো, যতই ক্লান্ত হও, জীবন তোমার জন্য অপেক্ষা করবে না।” কথাটি নির্মম, কিন্তু অবিশ্বাস্যভাবে সত্য। জীবনের ধর্মই হচ্ছে নিরন্তর ছুটে চলা। এই ছুটে চলার ধরন অবশ্য মোটা দাগে দুই রকমের। প্রথমটি হচ্ছে ঘড়ির কাঁটার সাথে পাল্লা দিয়ে প্রতিনিয়ত ছুটে চলা। যেমন ঘুম থেকে উঠে অফিসে যাওয়ার তাড়া। সময়মতো বাস কিংবা সাবওয়ে ধরতে না পারলে অফিসে লেইট হওয়ার টেনশন।
বিস্তারিত»নববর্ষ এবং উদযাপন
আগামী দুই দিনের মাথায় খ্রিস্টীয় বর্ষের সমাপ্তি এবং নতুন বছরের আগমন। সারা বিশ্ব নতুন বছরকে স্বাগত জানাতে উম্মুখ। ক্ষণগণনার মাধ্যমে নতুন বছরের আশা আকাঙ্ক্ষাকে, সুন্দর আগামীর পথচলাকে স্বাগত জানানোর রীতি বিশ্বব্যাপী পালিত হয়ে আসছে। তরুণদের কাছে এ এক উৎসাহ উম্মাদনার উপলক্ষ্য। বাংলা এবং আরবী নববর্ষ পালনের সাথে সাথে বাংলাদেশেও তা স্বাভাবিক ভাবে পালিত হতে পারত। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলোতে কিংবা জনাকীর্ণ জায়গাগুলোতে উৎসব আয়োজনের সাথে সাথে নাগরিক অপর্যাপ্ত বিনোদনের অভাবের স্বাক্ষী তরুণরা বাসা বাড়ির ছাদে কিংবা রাস্তাঘাটেও বাজিসমেত উদযাপন লক্ষ্যনীয় ছিল।
বিস্তারিত»সাগর সঙ্গমে
তিন নদীর মোহনার কাছাকাছি
বেলাভূমিতে ছোটখাটো মেলা।
আছড়ে পড়া ঢেউ এর নকশায়
মাকড়সাসম কাঁকড়ার বিচরণ।
ফাতরার বন থেকে ভেসে আসা
অংকুরিত সুন্দরী গাছের ফল
ঝাউবনের সামনে আরেকটি
ছোট্ট সুন্দরবনের সম্ভাবনা।
নিযুত কোটি ঝিনুকের খোলা
ছড়ানো সাদা এক মহাসড়ক
জলের শেষ সীমানায় সূর্য
ডুবে যাওয়ার আগে পরে
ছবি তোলার রঙঢঙের সাক্ষী।
আমার ক্যামেরার ফোকাস
সীমাবদ্ধ কেবলই প্রাকৃতিক দৃশ্যে।
শিক্ষকের ডায়রি (পর্ব ১৭) – কমিউনিকেশন এবং প্রেজেন্টেশন (আমার প্রথম পডকাস্ট)
পডকাস্ট লিঙ্কঃ কমিউনিকেশন এবং প্রেজেন্টেশন
১. আমি প্রচুর রিলস দেখি। যা সামনে আসে, তাই দেখি। তবে মন দিয়ে বেশি দেখা হয় স্কিলস-রিলেটেড পডকাস্ট এবং টেকনোলজি বিষয়ক ক্লিপস। ক্রিয়েটিভ টাইপের গুলোতেও কিছুটা সময় নিয়েই দেখা হয়। আর সোসাল মিডিয়ার এ.আই. যথারীতি আমার দেখার আগ্রহের প্যাটার্ন অনুযায়ী রিলস/ক্লিপস আমার সামনে নিয়ে আসে। তবে সফট স্কিলস রিলেটেড পডকাস্টের ক্লিপগুলো কেন যেন আমাকে অনেক টানে।
বিস্তারিত»শিক্ষকের ডায়রি (পর্ব ১৬) – আত্মনির্ভরশীলতায় আত্মসম্মান
শিক্ষকের ডায়রি (পর্ব ১৬) – আত্মনির্ভরশীলতায় আত্মসম্মান
ছেলেটার নাম জয়। সে ফেনী ইউনিভার্সিটির আইন বিভাগের ছাত্র। প্রথম ছবিটা ক্যাম্পাসের মাঠে তোলা, পেছনের অটোরিক্সাটা তার নিজের। দ্বিতীয় ছবিটা ফেনী পুলিশ লাইন্স ক্যান্টিনে তোলা, একজন সার্ভার তুলে দিয়েছেন ছবিটা। ছেলেটার বাবা এখন কৃষক, মা গৃহিনী, আর সে নিজে ক্লাস এবং পড়াশোনার ফাঁকে অটো চালায়। সেটা নিয়ে তার মাঝে বিন্দুমাত্র সঙ্কোচ নেই। আমার সাথে সে প্রচুর গল্প করে,
বিস্তারিত»নিরাময় ঘর

বুলেট খরচ না করেই তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ জিতে চীন। কথিত আছে, তাদের ল্যাবরেটরীতে তৈরী করা করোনা ভাইরাস কোভিড অতিমারির কারণ। বিশ্বব্যাপী সেই মহামারি থেকে বাঁচতে লকডাউনের বকলমে মানুষ নিজেদের ঘরবন্দী করে। নিতান্ত প্রয়োজনে বাইরে বের হত মুখোশ পরে। প্রকৃতির সবচেয়ে বড় ক্ষতি করে মানুষ। তাদের ঘরবন্দী থাকাকালে ক্ষতি গ্রস্ত প্রকৃতির নিরাময় শুরু হয়। সমুদ্র সৈকতের কাছাকাছি আবার দেখা যায় ডলফিন। লুপ্তপ্রায় প্রাণি বা উদ্ভিদের খোঁজ পাওয়া যেতে তাকে স্যাটেলাইটের মাধ্যমে।
বিস্তারিত»রিটার্ন হোম

অন্ধকার টানেল থেকে হঠাৎ নিজেকে আবিস্কার করি এক রেল স্টেশনে। সিঙ্গেল লাইন। পুব পশ্চিমে লম্বা। দক্ষিণে প্লাটফর্ম কিন্তু টিকিট ঘর বা যাত্রী ছাউনি নেই। নামফলকও নেই। সম্ভবত জরুরি প্রয়োজনে এখানে ট্রেন থামে। রেললাইনে স্লিপার দেখা যায় না। রেল বাদে বাকি স্থান ব্রকোলি রঙা পাথর বসিয়ে ঢাকা। স্টেশন থেকে উত্তরে নামার ঢালু পথ। তার শুরুতেই পূর্ব দিকে উত্তর-দক্ষিণে লম্বালম্বি একটি পুরোনো রেলের বগি। একটি বড় টবের মতো ব্যবহার করা হচ্ছে।
বিস্তারিত»