আমার কলেজের শিক্ষকেরা (উপাধ্যক্ষ)

দীর্ঘ বিরতির পর আবার কিবোর্ড হাতে নিয়ে বসলাম। খাওয়া-দাওয়া, ঘুমের মত সবচেয়ে জরুরী কাজগুলো আমাকে এতোটাই ব্যস্ত রেখেছে যে সময় করে উঠা যাচ্ছে না। সবার যেমন সময় নির্দিষ্ট, আমারও সময় নির্দিষ্ট। যে চিন্তা থেকে লেখাটা শুরু করেছিলাম তা বোধহয় সময় করে শেষ হবে না। তবুও দেখা যাক, কতদূর যাওয়া যায়। কি জানি একটা ইংরেজি প্রবাদ আছে না, ওই যে পথিক… অনেক দূর… দুত্তোরি, লেখা শুরু করি,

বিস্তারিত»

জাতিসংঘের ‘উন্নয়ন গবেষণা প্রধান’ ড. নজরুল ইসলাম কে যেমন দেখেছিঃ একজন সহপাঠীর দৃষ্টিতে

এটি মূলতঃ একটি স্মৃতিচারণমূলক লেখা। ড. নজরুল ইসলাম বর্তমানে জাতিসংঘে সিনিয়র ইকনমিস্ট হিসেবে কর্মরত আছেন। অতি সম্প্রতি জাতিসংঘ তাকে ‘উন্নয়ন গবেষণা প্রধান’ (চীফ অভ ডেভেলপমেন্ট রিসার্চ) হিসেবে নিয়োগ দান করেছে। এটা আমাদের জন্য গর্বের একটি বিষয়। আমি স্কুল-কলেজ জীবনে তার সহপাঠী ছিলাম। তাকে খুব ঘনিষ্ঠভাবে চিনি। অর্ধ শতাব্দীরও কিছু বেশি সময় আগের স্মৃতির ঝুলি হাতড়িয়ে এসব কথা আজ মনে হলো। নজরুলের সাম্প্রতিক সাফল্যে আমি এতটাই অভিভূত হয়েছি যে আমার মনের ভেতর থেকে তাগিদ অনুভব করেছি,

বিস্তারিত»

শহরের এক পৌনঃপুনিক দিন

মধ্য আগস্ট-শ্রাবণ শেষের দিনে, শহর জুড়ে সুতীব্র শোকের ছায়ার মাঝে, তৃতীয় বারের মতো উদাসীন-অসাবধানতায় হারিয়ে যায় ফোন। যেহেতু, জীবন নিয়ে আর কোন নীল-নকশা নেই, যা কিছু যায় (ব্যক্তি কিংবা যন্ত্র) তার জন্য কোথাও কোন ক্রন্দন থাকে না। তবুও জিডি করতে যাই হাতিরঝিল থানায়। দেখি, কর্তব্যরত অফিসার রঙ্গ-রসে ব্যস্ত হয়তো শ্যালিকা, বন্ধু, আত্মীয় কিংবা পরিচিতার সঙ্গে। ভাষায় বুঝি একই ডেমোগ্রাফিতে আমাদের বেড়ে ওঠা। আলাপ হয়। খাতির যত্ন করেন (অবশ্য যেটুকু পেলেই তাকে খাতিরের মত মনে হয়)।

বিস্তারিত»

দিনলিপির খসড়াঃ বিক্ষিপ্ত চিন্তামালা

আপডেটঃ শুক্রবার, ১৩ আগস্ট ২০২১

কপিরাইটঃ আহমদ মাহবুব-উল-আলম

খসড়া হিসেবেই এই লেখাঃ বিভিন্ন সময়ের আমার একান্ত কিছু চিন্তা।

পরিবার ও কর্মজীবনঃ Being something is important; not that all the time we need to be the best or extraordinary, but being nothing actually gives nothing. The moral is, being moderate keeps life stable, unless for someone to be really and rarely out of the box.

বিস্তারিত»

ভিন্নচোখে ভিন্নতার মাত্রাজ্ঞান

লেখাটা ১৩ জুলাই ২০২১ তারিখে লিখেছিলাম, কিন্তু টেকনিক্যাল সমস্যার কারনে ব্লগে পোস্ট হচ্ছিল না।

হালের আলোচিত মাস্টারশেফ অনুষ্ঠান ও তাতে বাংলার ঐতিহ্যকে তুলে ধরা কিশওয়ার সম্পর্কে শুধু ফেসবুকেই পড়ে গেলাম। এত আলোচনা হচ্ছে একবার অন্ততঃ সময় বের করে দেখা উচিত বলেই মনে হলো। কারন এখানে আমাদের ঐতিহ্যের রিপ্রেজেন্টেশন নিয়ে কথা হচ্ছে। এবং আজই প্রথম তার ছোট্ট একটা ভিডিও ক্লিপ দেখলাম, সম্ভবত ফাইনাল ডিশের।

বিস্তারিত»

আমার কলেজের শিক্ষকেরা (অধ্যক্ষ)

আমার শিক্ষক ভাগ্য ছোটবেলা থেকেই ভালো। বরাবরই আমি গুরুজন শিক্ষকদের কাছ থেকে কিছু না কিছু শিখেছি। এ অধ্যায়ে আমি আমার কলেজে পাওয়া শিক্ষকদের স্মৃতিচারণ/স্মরণ করবো। আমি আমার শিক্ষকদের কাছে কৃতজ্ঞ। শুধুমাত্র পেশাগত শিক্ষক নয়, অন্য যারা আমাকে কাজের মাধ্যমে, কথার মাধ্যমে, আচরণের মাধ্যমে আমার স্মৃতির মণিকোঠায় জায়গা করে নিয়েছেন তাদের প্রতি শ্রদ্ধা থেকেই এ লেখা লিখছি। কারণ উনাদের ঋণ আমি শোধ করতে পারবো না।

বিস্তারিত»

কয়েকটি কবিতা


ক্রমশ কেমন একা হয়ে যায় জীবন। মনে হয়, কোথাও যেন নিস্তার নেই আর। একাকীত্ব জোনাকির মতো জ্বলে, নেভে, বুকের ভেতর কামড়ে ধরে। মুখের ওপর মুখোশ চাপিয়ে অনুভূতিহীন এক অবয়ব নিয়ে হাঁটি শহরের রাস্তায়। চারদিকে টের পাই এক ভীত সন্তস্ত্র জনপদ। কেউ কারো নয়। আম খেতে ইচ্ছে হয়। কিনি, কাটি, খাই, দাড়িতে মাখাই। ট্যাপ ছাড়ি, হাত ধুই৷ এ ঘর থেকে ও ঘরে যাই। জিমেইল খুলি,

বিস্তারিত»

স্বাভাবিক সৌজন্যের বৈপরীত্য

অনুকূল ভাবনাঃ

আমাদের জীবনের কিছু অদৃশ্য ছাতার কথা ভেবে গত ০৯ মার্চ ২০১৯ তারিখে একটা কবিতা লিখেছিলাম। সেটা একটি ইংরেজী কবিতার ওয়েবসাইটে প্রকাশিত হয়েছিল। গতকাল একজন আমেরিকান গল্পলেখক আমাকে জানালেন যে তিনি একটি গল্প লিখছেন, সে গল্পের জন্য তিনি একটি ‘ছাতা’ বিষয়ক কবিতা খুঁজছিলেন। সার্চে তিনি আমার ‘An Invisible Umbrella’ শীর্ষক কবিতাটির সন্ধান পেয়েছেন, যেটা তার গল্পের সাথে সম্পূর্ণ সাযুজ্যপূর্ণ (তার ভাষায়, ‘it fits perfectly into my story’)।

বিস্তারিত»

সমব্যথী

যারা কারো কথা ভেবে নীরবে এখানে ওখানে
দু’এক ফোঁটা অশ্রু ফেলে গোপনে গোপনে,
আবার চকিতে চোখ মুছে মুখে ম্লান হাসি হাসে,
আমি তাদের ব্যথার ভাষাটা বুঝি।

যে নারী রসুইঘরে পঞ্চব্যঞ্জন রাঁধতে রাঁধতে
প্রবাসী সন্তান কিংবা অন্য কারো কথা ভেবে,
দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে আবার রান্নায় মনোযোগী হন,
আমি তার দীর্ঘশ্বাসের কারণটার কথা জানি।

যে কিশোরী রাফ খাতায় অঙ্ক কষতে কষতে
হঠাৎ একটি মুখ এঁকে ফেলে,

বিস্তারিত»

তখন এই ভালো….

তুমি একটা কিছু বললেই,
আমি চুম্বকের মত আকর্ষিত হই,
অভিভূত হই, আলোড়িত হই।
তোমার অদেখা মুখটা খুঁজতে থাকি,
চোখ দুটো খুঁজি, চোখের তারা খুঁজি।
আমার কান দুটো অতন্দ্র প্রহরীর মত
জেগে থাকে, বৃষ্টির শব্দ শোনার মত
তোমার সুরেলা কন্ঠ শোনার জন্য।

কিন্তু এসব কোন কিছুই যখন হবার নয়,
এ দু’চোখ তোমাকে
খুঁজে পাবে না,

বিস্তারিত»

কয়েকটি সাম্প্রতিক কবিতা

কেন ভালোবাসি,কেন নিভে যাই,
কেন ফিরে আসি,শুধু ক্ষতি বাড়াই।

তুমি তো জানো, কেন এ ক্রন্দন,
তুমি তো জানো প্রেম কেন হয়ে যায় ক্লিশে।
আমাদের অনুযোগ
প্রাত্যহিক মিলনে যায় মিশে।

আর যা মেশে না, আর যা অমিল হয়ে রয়,
কিছু তা তোমার মতো,
সত্য কিন্তু অবধারিত নয়।


আত্মবিনাশের পথ পেলে অবশেষে,
ক্ষতি নেই,

বিস্তারিত»

সিসিবি’র এই ঋণ কোনদিন শোধ হবে না…

ব্লগিং তো দূরের কথা, সিসিবিতে যোগ দেয়ার আগে আমি বাংলা টাইপই করতে পারতাম না। সেই আমি আজ বই প্রকাশ করার সাহস দেখাতে পারছি! ভাবা যায়! এর কৃতিত্ব পুরোটাই সিসিবি এবং সিসিবির সকল সদস্যের। আপনাদের অনুপ্রেরণা, প্রশ্রয় এবং ভালবাসা ছাড়া এটি কখনোই সম্ভব হত না। সিসিবি’র এই ঋণ কোনদিন শোধ হবার নয়।

—-

হে সিসিবিবাসী,

আমার উপন্যাস- ‘বলের বদলে গ্রেনেড’

বিস্তারিত»

মস্করা (মশক রা)

চারপাখা নিয়ে মোরা তিনজোড়া ঠ্যাং
মানুষের কানে কানে করি প্যান প্যান।
রক্ত তোমার খাসা, খেতে ভারি মিষ্টি
অযথাই হুড়ো দিয়ে ক্যান করো অনাসৃষ্টি।

খাবো আমি অল্প, দেহে যতটুকু সয়
তোমাদের মত নাকো করে অপচয়।
পেটে খেলে পিঠে সয় এইখানি মন্ত্রে,
দীক্ষিত মোরা বসি মানবযন্ত্রে।

তোমাদের ঢাকাতে আমাদের থাকাতে
দেখো কত হুল্লোড়, কত সাজ-রব,
কামানের আঘাতে আমাদের মারতে
দ্যাখ আজ কত লোক!

বিস্তারিত»

ধোঁয়ার পলিটিক্সকে

সিগারেট পুরুষালী, তুই কে হে অসভ্য মেয়ে
নিকোটিন কেন? র‍্যাটম খা, সিরিঞ্জে বিষ নে,
তোর স্বাধীনতা দেখে নষ্ট হয় পাড়ার মেয়েরা
তোর ধূমপানে জল আসে পুরুষের শিশ্নে!

অবশ্য বিড়ি কৃষকের, নিচু শ্রেণী, তামাকেও চলে-
গ্রাম্য মেয়ে হতি, কালো দাঁত পুঁড়ে যাওয়া জর্দাতে
তাতেও আপত্তি নেই, তবু সিগারেট কেন? তাও রাস্তায়?
সমাজ নষ্ট হয়,

বিস্তারিত»

হ্রস্ব জীবন, দীর্ঘ প্রতিবিম্ব

ঝুলে থাকে সে ঝুলে থাকা একটি পাতায়,
কিংবা কখনো নিশ্চুপ বসে থাকে
কোন সবুজ ঘাসের উঁচু করে থাকা মাথায়।
কখনো শিশির বিন্দু হয়ে, ধানের শীষে…
নয়তো জলে ভাসমান কোন পদ্মপাতায়,
কিংবা হিল্লোলিত কোন পুষ্পকোরকে।

যেখানেই সে থাক, যেভাবেই থাক,
তার স্মৃতি রয়ে যায় এক মুগ্ধ কবির নয়নে।
মৃদুমন্দ বাতাসে আন্দোলিত হতে হতে,
একটা সময় সে টুপ করে ঝরে পড়ে,

বিস্তারিত»