আমার জীবনে নারী

এটা কোন প্রকারের একাডেমিক, বা মনের দায়বদ্ধতার, বা ব্যাক্তিপর্যায়ের কাউকে ফোকাসের উদ্দেশ্যে লেখা নয়। লেখার প্রসঙ্গ ও চরিত্রগুলো আমার ব্যাক্তিজীবন, বেড়ে ওঠা, একাডেমিক ডিসিপ্লিন, প্রফেশনাল স্টাডিজ, পরিচিত মহল, এ-সবকিছুর সংমিশ্রণের প্রতিফলন হলে হতেও পারে। আপাতত শুধু এটুকু জানি, মাথায় কিছু চিন্তা কাজ করছে; কাজেই, লেখাটা শেষ পর্যন্ত কোথায় গিয়ে ঠেকবে, তা এই মুহূর্তে বলা মুস্কিল। মনের মাঝে উঁকি দেয়া চিন্তাগুলো অনেক ক্ষেত্রেই লিখতে বসলে ডায়রির পাতার মত এদিক-ওদিক চলে যায়।

বিস্তারিত»

বিনত বিবির মসজিদ – ঢাকা

পূর্বকথা
সপ্তম শতাব্দী থেকেই মুসলমানরা ইসলামের ঝান্ডা উড়িয়ে বিশ্বের, বিশেষ করে ইউরোপের স্পেন থেকে আফ্রিকার সাহারা মরুভূমির উত্তর-দক্ষিণে ও এশিয়ার ভারতীয় তটরেখা তাদের বলিষ্ঠ পদচারণায় উত্তাল করে রাখে। সে সময় মুসলমানদের শানিত তরবারির ঝলকানিতে রাজনীতি ও ইসলাম ধর্ম প্রচার যুগপথভাবে আরব গন্ডি পেরিয়ে উক্ত ৩টি মহাদেশে সম্প্রসারিত হয়। ভারত উপমহাদেশে এর ধামাক্কা লাগে ১১ শতাব্দীতে, যদিও ভারতভূমি তার আগে থেকেই (৮ম শতাব্দী) আরবদের চেনা ছিল।

বিস্তারিত»

ফ্লাইট এএ৪১৬৩

কানের মধ্যে চাপ বাড়ার সাথে সাথে হাসানের ঘুমটা ভেঙে গেল। সাথে সাথে ফ্লাইট এটেন্ডেন্টের লাউড স্পীকারে ভেসে আসা কন্ঠে ইংরেজীতে স্পষ্ট উচ্চারণে শুনতে পেল, “আর দশ মিনিটের মধ্যে আমাদের ফ্লাইট লেক্সিংটন ব্ল গ্রাস এয়ারপোর্ট এ ল্যান্ড করবে”। পুরো দেড় ঘণ্টার ফ্লাইটে প্রায় পুরোটা সময় গভীর ঘুমে আছন্ন ছিল প্রফেসর হাসান। শিকাগো থেকে টেক অফ করার পর আর নিজেকে ধরে রাখতে পারেনি। ক্লান্তির কাছে মাথা পেতে চোখ বুঝতেই সব অন্ধকার হয়ে যায়।

বিস্তারিত»

জব্বারের বলি খেলা ঃ ঐতিহ্যের অভিব্যক্তি

জব্বার এর বলি খেলার কথা অনেক অনেক বার শুনেছি শুধু। অনেক সময় টিভি তে বা খবরে এক নজর  দেখারও সুযোগ হয়েছে। তবে এবার বৈশাখী মেলায় বলি খেলা সামনা সামনি দেখার সুযোগ হয়েছে। এই কুস্তি/বলি খেলা যে কতটা থ্রিলিং সামনা সামনি না দেখে বুঝা মুশকিল। সবচেয়ে মজার ব্যপার হলো শুধু শক্তিশালী বা আকারে বড় হলেই যে এই খেলায় যে জিত নিশ্চিত তা নয়, বরং টেকনিকটাই আসল।

বিস্তারিত»

ইতিহাসের গোলকধাঁধা ও বিভ্রান্ত প্রজন্ম

মুঘল সম্রাটদের মধ্যে যাকে নিয়ে সবচেয়ে বেশি বিতর্ক হয় তিনি ষষ্ঠ সম্রাট আওরঙ্গজেব। ভারত ও পাকিস্তানের রাজনৈতিক ময়দানে ‘আওরঙ্গজেব’ এখনো প্রাসঙ্গিক ইস্যু। ভিন্নধর্মের প্রতি আওরঙ্গজেবের তীব্র বিদ্বেষ ও যুদ্ধ-উন্মত্ততা সবিস্তারে রসিয়ে রসিয়ে বর্ণনা করেছেন এমন ঐতিহাসিকের সংখ্যা নেহায়েৎ কম নয়।

এমনকি ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরু তাঁর বিখ্যাত দি ডিসকভারি অব ইন্ডিয়া বইয়ে মন্তব্য করেছিলেন, Aurungzeb .. a bigot and an austere puritan,

বিস্তারিত»

না মানুষ

সাদা মগজ,
জেব্রাক্রসিংয়ের সাদা দাগ,
আর এক ছটাক তাজা রক্ত,
ঘুটান দিলেই মিল্কশেক
দুধ আর স্ট্রবেরির মিল্কশেক।।

কি চমৎকার,
অসাধারণ দৃশ্য।
ক্যামেরাবন্দীর তোড়জোড়।
কিছুক্ষণ বাদে ঝাড়ুদার পানি দিয়ে
ধুয়ে যাবে, নগরপিতার রাস্তা বলে কথা!!
নগর আর নাগরের…

এসব আর ভাবায় না,
অদ্ভুত ফ্রস্টবাইটে অনুভূতিশুন্য
ইন্দিয়গুলো নিঃসাড়।।

একসময় দৃশ্যগুলো খারাপ লাগতো,

বিস্তারিত»

এই বোশেখের চাওয়া

এই বোশেখের চাওয়া

এই বোশেখে আর কিছু নয় চাওয়া-
জানালাগুলো একটু খোলা রেখো।
দখিনপানের মাতাল প্রেমিক হাওয়া
মধ্যরাতে ঘুম ভাঙ্গালে দেখো;
মেঘপুকুরে চাঁদ দিয়েছে ডুব,
বিজলী আঁধার ভাঙছে ক্ষণে ক্ষণে।
হাস্নুহেনা ঘ্রাণ ছড়ালে খুব
আমার কথাই পড়ুক তোমার মনে।
আকাশ হতে নীল গিয়েছে চলে,
দিঘীর জলেও তার ছায়াটি নেই;
মেঘমেয়েদের ওড়নাগুলোর তলে
নীল তারাটি জ্বলছে তবু সেই।

বিস্তারিত»

চোখ মেলো, দৃষ্টি ফেরাও

প্রত্যুষে যে পাখির ডাক কানে বাজে
কখনো কি দেখেছো তাকে
সবুজ পাতার আড়ালে
বিকেলের সন্ধ্যের ফিকে আলো দীর্ঘ ছায়ায়
দেখেছো সেই একাঙ্গি রমণী।
আঁধারের নির্জনতায়
কতো পুষ্প স্বপ্ন কুঁড়িতেই হারায়।।

নিয়তির দোয়াত কলম শক্ত মাটিতে
আঁকে স্মৃতিচিহ্ন
কখনো দেখেছো বিরস দুপুরে
দাঁড়কাকের অস্থির চাহনি।
সাগরের ধারে স্মৃতির পাড়ে
পথিকের পদচিহ্ন
মুছে যায় সময়ের স্রোতের ধারায়।।

বিস্তারিত»

বৃষ্টি ও বিভ্রম

বৃষ্টি ও বিভ্রম

বাস ফেরিতে ওঠার পর পরই লাবন্য আর বাদল ফেরিতে নেমে পড়েছিল । নদীতে তখন বৃষ্টি ঝরছে। কখনও জোরে কখনও থেমে থেমে, বাতাসে একেকবার তেরসা হয়ে ফেরির ভেতর ঢুকে পড়ছে, বৃষ্টির ছাঁট।সেই বৃষ্টির ঝাপ্টা খারাপ লাগছিল না বাদলের। সে বলল, “মনে হচ্ছে ছোট বেলার মত ছোঁয়া ছুঁয়ি খেলি। কত দিন পর এমন বৃষ্টিতে তোকে পেলাম”।

লাবন্য বলল, “বেশি ছুঁতে এসোনা,

বিস্তারিত»

হাজী খাজা শাহবাজ মসজিদ ও সমাধি -ঢাকা

হাজী খাজা শাহবাজ

হাজী খাজা শাহবাজ মুঘল আমলে ভারতের কাশ্মীর থেকে বনিক হিসাবে বাঙলায় আগমন করেন। একজন সফল সওদাগর হিসাবে অচিরেই তিনি ঢাকায় নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম হন। ফলে তিনি ‘মালিক-ই-তুজ্জার’ বা ‘ব্যবসায়ীদের চূড়ামনি/সম্ভ্রান্ত ব্যবসায়ী’ উপাধি ও ঢাকার টাইকুন হিসাবে পরিচিত হয়ে ওঠেন। ধনাঢ্য এই ব্যবসায়ী শহরতলী টঙ্গী এলাকায় স্থায়ীভাবে বসবাস করতেন। বাঙলায় যখন মুঘল নৃপতি আওরঙ্গজেবের (রাজত্বকালঃ ১৬৫৮-১৭০৭ খ্রীঃ) ৩য় পুত্র সুবাহদার শাহজাদা মুহম্মদ আযমের শাসন (১৬৭৮-৭৯ খ্রীঃ) চলছিল সেই সময় ১৬৭৯ খ্রীঃ তিনি একটি মসজিদ প্রতিষ্ঠা করেন।

বিস্তারিত»

নিকোটিন চাই

রক্ত মাংসের
লোভের শিকারের
পণ্যের ব্যবসায়
সব ভুলে হারিয়ে থাকতে চাই
মন করে খালি আনচান
ফেলে সব পিছুটান
নিজের এখন চাই নেশা-ভাং
চাই, আমি শুধু নিকোটিন চাই।।

কল্কে পুরিয়া সীসায় দিশা
ভুলে চাই এই বর্তমান
ভণ্ডামির রাবণ নই আমি।।

রক্তে আমার তীব্র বিষ
পুরিয়া চায় অহর্নিশ
চোখে আমার তীব্র জ্বালা
আঁধারে দেখি জাদুর খেলা
সাধু-সন্ন্যাস প্রিয় লোক
বাকিসব দেখি ছোটলোক।।

বিস্তারিত»

শেষ বিকেলের রোদে কিছু হাঁটাহাঁটি…. শুরু হতে না হতেই ফুরিয়ে এলো নিমেষে!

এখন অগ্রহায়ণ মাসের শেষ ক’টা দিন চলছে। এসব দিনে বিকেল বলতে কিছু থাকেনা। মধ্যাহ্নভোজের পর এটা সেটা করতে করতেই সন্ধ্যা ঘনিয়ে আসে। বিকেলটা কখন হারিয়ে যায়, টেরই পাওয়া যায় না। এসব দিনের হ্রস্বতার কারণে দৈনন্দিন অনেক কাজই আমি সময় মত সমাপ্ত করতে পারিনা, ফলে কেমন যেন একটু অস্থিরতায় থাকি। এ নিয়ে একটি কবিতাও লিখেছিলাম, বছর তিনেক আগেঃ
হ্রস্ব দ্বিপ্রহর, দীর্ঘ বিক্ষিপ্ততা


Radiant …..

বিস্তারিত»

টেঙ্গা মসজিদ – শ্যামনগর, সাতক্ষীরা

বঙ্গের বীরপুত্র, বাংলার বারভূইয়ার অগ্রগণ্য, যশোরাধিপতি মহারাজা প্রতাপাদিত্যের (রাজত্বকাল ১৫৮৪ খ্রীঃ – ১৬০৯ খ্রীঃ) নৌ-বাহিনী প্রধান খোজা কমল/খাজা কামাল রাজধানী ঈশ্বরীপুরে একটি ‘টেঙ্গা’ প্রতিষ্ঠা করেন। টেঙ্গা ফার্সী শব্দ যার অর্থ ‘সেনাছাউনি/ছাউনি’। ছাউনি থেকে আধা কিলোমিটার দূর দিয়ে বয়ে যাওয়া কদমতলী নদীর পাশে এবং নিকটবর্তী ধুমঘাট নৌ-দূর্গের সৈনিকদের জন্য এই ছাউনি গড়ে তোলা হয়েছিল বলেই প্রতীয়মান হয়। তার বাহিনীতে দেশী-বিদেশী বিভিন্ন ধর্মাবল্বীদের মধ্যে মুসলমান সৈনিকরাও ছিল।

বিস্তারিত»

সে জানতো…

পাকা ফল হয়ে সে ঝুলে ছিলো।
যে কোন সময়ে…
টুপ করে ঝরে পড়ার অপেক্ষায়।
কতটুকু কাঁপুনি হলে সে ঝরে পড়বে-
তা মাপার জন্য কোন রিখটার স্কেলের প্রয়োজন নেই,
সে জানতো…

শুধু একটু শিরশিরে বাতাস…
কিংবা একটি ক্ষুদ্র পাখির চঞ্চুচুম্বন,
ব্যস, এটুকুতেই সে ঝরে পড়তে পারে-
সে জানতো।
অন্তঃসারশূন্য, কীটাক্রান্ত ফল মাটি ছাড়া কেউ খায় না,

বিস্তারিত»

“লাভ কঙ্কারেথ অল”

সমসাময়িক কিছু ঘটনায় খণ্ড-খণ্ড চিন্তাপ্রসূত নিচের পয়েণ্টগুলোকে আর কম্পাইল করতে ইচ্ছে হলো না।

১. ছাত্রদের নকল ধরার চেয়ে পরীক্ষার হলে একজন শিক্ষকের উপস্থিতি এমন হওয়া উচিত যাতে করে কেউ নকল করতেই না পারে।

২. নকল বা নকলের প্রমান বা যথেষ্ট সন্দেহ জাগায় এমন মুহূর্তে এক্সপালশন ছাড়াও নানা পন্থায় শাস্তি দেয়া যেতে পারে। যেমন, একটা দীর্ঘ সময় খাতা আটকে রাখা, মূল খাতার পুরোটা কেটে দেয়া &

বিস্তারিত»