“মালাউন কা বাচ্চা… কাভি নেহি আচ্ছা !!!”

শিরোনামের বাক্যটা আমার এক বন্ধুর বাবা’র কাছ থেকে শোনা। একটি আর্থিক লেনদেনের ব্যাপারে আরেক আংকেলের “ডিসকোয়ালিফিকেশন” এর কারন তিনি হিন্দু। এইদেশে হিন্দুদের বিরুদ্ধে এমন বিষেদগার করেনা কিংবা মনে মনে এমন ভাবেনা, লোকের সংখ্যা অনেক কম। কিন্তু এমন কথা শুনেনাই এরকম লোকের সংখ্যা শূন্য। কেন এই বিদ্বেষ? এই বিদ্বেষের দুইটি কারন পাওয়া যায়।

একনম্বর বা প্রধাণ কারন আমাদের দেশের অধিকাংশ (প্রায় ৮৯%) মানুষ মুসলিম। হিন্দুরা আমাদের দেশে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়। আমাদের দেশের মুসলিমদের মধ্যে হিন্দুদের নীচু ভাবার একটা প্রবণতা আছে। আবার হিন্দু অধ্যুষিত দেশে মুসলিমদের বিরুদ্ধেও এমন মনোভাব দেখা যায়। ধর্ম আমাদের নানাভাবে এই মনোভাবের শিক্ষা দেয়। পৃথিবীর অনেক স্থানেই ধর্মের কারনে এমন “বর্ণপ্রথা” চালু আছে। আমি আমাদের দেশের পরিস্থিতিই বলি। বাংলাদেশে যারা মাদ্রাসা কিংবা পারিবাহিক সংস্কৃতির কারনে কোরআন-সুন্নাহ ভালোভাবে আয়ত্ব করেছেন তাদের মাধ্যমেই মূলত এই ধ্যান-ধারনার উদ্ভব। পরবর্তীতে ধীরে ধীরে বিস্তৃত হয়ে আজকের এই “বিষবৃক্ষ” ডালপালা মেলেছে। ভাসা-ভাসা জ্ঞান নিয়ে, বিশেষত “বিদায় হজ্বের ভাষণ” পড়ে আমরা অনেকে ভাবি ইসলাম হয়তো অন্য ধর্মের প্রতি অত্যন্ত সহনশীল। আসলে ব্যপারটা মোটেও তা নয়। যেমনঃ পবিত্র কোরআনের দীর্ঘতম সুরা বাকারা’র ১৯১ ও ১৯৩ নং আয়াতে বলা হয়;

আর তাদেরকে হত্যা করো যেখানে পাও সেখানেই এবং তাদেরকে বের করে দাও সেখান থেকে… (আল কোরআন, ২ : ১৯১)

আর তোমরা তাদের সাথে লড়াই করো, যে পর্যন্ত না ফেতনার অবসান হয় এবং আল্লাহর দ্বীন প্রতিষ্ঠিত হয়। (আল কোরআন, ২ : ১৯৩)

যেখানে হত্যার কথা বলা হয়েছে সেখানে বিরুপ মনোভাব পোষণ করা তো খুব সাধারণ অপরাধ। তবে ১৯১ নং আয়াতের সম্পর্কে অনেকে বলে থাকেন এখানে “যেখানে পাও” বলতে “যুদ্ধের ময়দানে যেখানে পাও” বোঝানো হয়েছে। সেই ব্যাখ্যাও যদি মেনে নিই তবেও প্রশ্ন থাকে, শুধু ধর্ম আলাদা এই জন্য কেন যুদ্ধ করতে হবে? রক্ত-মাংসের মানুষ মহাত্মা গান্ধী যেখানে অহিংসা’র কথা বলেছেন, “রাহমানির রাহীম” কেন এই ধ্বংসাত্মক পদ্ধতি’র কথা বলছেন? ১৯৩ নং আয়াতের ব্যাখ্যা অনেক মাওলানা এভাবে দেন যে এখানে লড়াই বলতে অমুসলিমদের মুসলিমে রূপান্তরের চেস্টা বোঝানো হয়েছে। কিন্তু এই ব্যাখ্যা মেনে নিলেও তা কিন্তু বিদায় হজ্বের “ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি করবেনা। যার যার ধর্ম সে সে পালণ করবে। অন্য ধর্মাবলম্বীদের ওপর তোমার ধর্ম চাপিয়ে দেবেনা ” ধারনাকে সমর্থন করেনা।

আজকাল একটি নতুন “ইসলামী কর্পোরেট কালচার” বা “অর্ধ ইসলাম ব্যবস্থা” চালু হয়েছে। এই কালচারে অভ্যস্ত মুসলিমরা ইসলাম কে একটু সরলায়ন করেছেন। যেমনঃ মেয়েদের আগাগোড়া পর্দা করার দরকার নাই। তবে শালীনভাবে শাড়ী বা সালোয়ার কামিজ পড়তে হবে। এরা অন্য ধর্মের বন্ধুদের সাথে তাদের আচার-অনুষ্ঠানে যোগদান করেন। তারা ধর্মের চেয়ে মানবতা বড় টাইপ বুলি আওড়ান। এরা সাধারণত দিনে এক ওয়াক্ত (তাও খুব সকালের ফযর বা লম্বা এশা’র নামজ নয়) নামাজ পড়েন, শুক্রবার দুপুরে-শবে বরাত-শবে মেরাজের রাতে খুব গম্ভীরমুখে নামাজ পড়তে যান। জাকির নায়েক-হারুন ইয়াহিয়া’দের সম্পর্কে বিরুপ মনোভাব পোষণ করেন।তাদের সবকথার এক কথা ইসলাম আসলে খুবই শান্তির ধর্ম। কিন্তু আধুনিক দৃষ্টিকোণ থেকে মেনে চলতে হবে। “আধুনিক” মানে কিছু আইন কেটে ফেলতে হবে। সবশেষে “ধর্মীয় মৌলবাদ”কে ইসলামের মূল শত্রু হিসাবে আখ্যা দিয়ে থাকেন। তবে তাদের আমি একটা কারনে ধন্যবাদ দিতে চাই কারন তারা সাধারণত অন্য ধর্মাবলম্বীদের ঘৃণা করেন না। কিন্ত অর্ধেক ইসলাম মেনে চললে কি মুসলিম বলা যায়?? এরা কোনো “সাচ্চা মুসলমান” ইসলামের আইন মেনে সমাজের চোখে কোনো ঘৃন্য কাজ (যেমনঃ হিন্দুদের মালাউন বলা, তাদের ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান নিয়ে বিদ্রূপ করা, হিন্দু মেয়েদের “গণিমতের মাল” আখ্যা দেয়া) করলে তাদের “মৌলবাদী” আখ্যা দেয়। বলে গুটিকয় পথভ্রষ্ট “কট্টর” মুসলিমের জন্য পুরো ইসলামকে দোষারোপ করা ঠিক না।

কিন্তু ব্যাপারটা আসলে তা নয়। একদিন এক লোকের ফেসবুক স্ট্যাটাস (আমার পরিচিত নয়; কিন্তু আমার এক বন্ধুর ফেসবুক বন্ধু) এ দেখলাম তিনি তার সকল “মুসলিম” বন্ধুকে “শুভ সকাল” জানিয়েছেন। অনেক কর্পোরেট মুসলিমরা নিচে কমেন্ট করলো……“শুধু মুসলিম কেন? সবাইকে জানান” বা “এমন কথা তো ইসলামে নাই যে অমুসলিমরা বন্ধু হতে পারবেনা।”, এছাড়াও “আপনাদের জন্যই মানুষ ইসলামকে খারাপ বলে”। এরপর আমি এই বিষয়ে একটু পড়াশোনা করে দেখলাম ঐ “মুসলিম শুভাকাঙ্খী”কে দোষ দেয়া যায়না। পবিত্র কোরআনে আছে,

হে মুমিনগণ! তোমরা ইহুদি ও খ্রীষ্টানদের বন্ধু হিসাবে গ্রহণ করো না। তারা একে অপরের বন্ধু। তোমাদের মধ্যে যে তাদের সাথে বন্ধুত্ব করবে, সে তাদের (ইহুদি ও খ্রীষ্টানদের) অন্তর্ভুক্ত। আল্লাহ যালিমদের পথ দেখান না। (আল কোরআন, ৫ : ৫১)

এই আয়াতে তাও দুই ধর্মের কথা আছে। সুরা আল-ইমরান’এর ২৮ নং আয়াতে একবারে সকল ধর্মকেই বন্ধুত্বের জন্য বাতিল ঘোষণা করা হয় এই বলে…

মুমিনগণ যেন মুমিন ব্যাতিরেকে অন্য কোনো অমুসলিমকে বন্ধুরূপে গ্রহণ না করে। যারা এমন করবে আল্লাহর সাথে তাদের কোন সম্পর্ক থাকবেনা। (আল কোরআন, ৩ : ২৮)

এখন পাঠকদের কাছে প্রশ্ন যে, ঐ লোক কি ভুল কিছু করেছেন? অমুসলিমদের কে “শুভ সকাল” জানালে তো ব্যাটা’র ধর্মই চলে যাবে!! এইসব আয়াত কোথাও লেখা হলে কর্পোরেট মুসলিমরা প্রথমে যে কথাটি বলে তা হলো “তাফসীর পড়ে দেখ” অথবা “কোরআনে সবকথা সরাসরি বলা হয়নি, এর ব্যাখ্যা হবে……(একটি মনগড়া; অনেক সময় আজগুবি, কিন্তু ইতিবাচক ব্যাখ্যা)…”। এই কমেন্ট করতে ইচ্ছুকদের অত্যন্ত বিনয়ের সাথে বলতে চাই মানুষের মুখে ঝাল না খেয়ে নিজের মুখে খান। নিজেই তাফসীর বা নিজের বিচার-বুদ্ধি দিয়ে বিবেচনা করে দেখুন ইসলাম আসলেই কি অমুসলিমদের ব্যাপারে সহনশীল?

 

দ্বিতীয় কারনটা হলো আমাদের সমাজে অনেকদিন আগে থেকেই বিধর্মীদের বিরুদ্ধে মনের মধ্যে “বিষ” পোষণ। আমি এমন বলবোনা যে সব হিন্দুরা মুসলিমদের সম্পর্কে মনে খুব ভালো ধারণা পোষণ করেন। এর পিছনেও সেই শতাব্দী প্রাচীণ ধর্ম থেকে পাওয়া “জ্ঞান”। আমাদের দেশের হিন্দুদের বিরুদ্ধে কিছু সাধারণ অভিযোগ উল্লেখ করা যাক।

যেমনঃ হিন্দুরা খুব খারাপ কারন তারা বাংলাদেশকে নয় বরং ভারতকে কে নিজের দেশ ভাবেন।ভারতকে নিজেদের দেশ ভাবার ব্যাপারটি সবসময় সত্য নয়। আর যদি ভেবেও থাকে তার পিছনে আছে অনেকগুলো কারন। মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ’র দ্বি-জাতি তত্ত্বের (Two-nation Theory) অনু্যায়ী বাংলাদেশ তো আসলেই হিন্দুদের দেশ না। হয়তো এই ধারণা থেকে বাংলাদেশ তৈরী হয়নি, তবে “আদিরূপ” পাকিস্তান কিন্তু এই তত্ত্বেরই ফসল। এছাড়া এমন কিছু নিয়ম আছে যার মাধ্যমে এদেশের হিন্দুরা সবসময় মানসিক কষ্টে থাকতে থাকতে বাংলাদেশের প্রতি ভালোবাসা হারিয়ে ফেলে। ধর্মনিরপেক্ষ এইদেশের রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম!! তার মানে কি হিন্দুরা এদেশের মুসলিমদের সমান না? সংবিধানের শুরুতে আছে “বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম”। একজন হিন্দু বা ভিন্নধর্মী কেন এই সংবিধানকে মেনে নেবে? সরকারী টিভি’তে অধিবেশনের শুরুতে আল কোরআন’এর তেলাওয়াত-তর্জমা হয়; অথচ বাকি ধর্মের ধর্মগ্রন্থের আলোচনা হয় তিনদিনে একবার। আমাদের দেশে বাংলা-ইংরেজী বিষয়গুলো দ্বাদশ শ্রেণী পর্যন্ত অবশ্যপাঠ্য। এই সরকারী বাংলা বইয়ে কেন “মরূ ভাস্কর” বা হযরত মুহাম্মদ (সা)’এর জীবনীসহ অন্যান্য ইসলামী কাহিনী থাকবে? একটা ক্লাস ফোর’র হিন্দু শিশু তার বাংলা পরীক্ষায় কেন “পৃথিবীর সর্বশ্রেষ্ঠ মানুষ কে?” প্রশ্নের উত্তরে “হযরত মুহাম্মদ (সা)” উত্তর করবে??? মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস প্রতি সরকারই তাদের মনমত পরিবর্তন করে, কিন্তু “ধর্মনিরপেক্ষ” কোন সরকারই এই গদ্য বা কবিতা গুলো পরিবর্তন করেনা। ঢাকায় আমি এমন কমপক্ষে দশটি স্কুল দেখেছি যেখানে স্কুল পোষাকের একটি জরুরী অংশ টুপি। যদিও হিন্দু ছাত্ররা মাথায় টুপি দেয়না কিন্তু সবসময় তাকে ভাবতে বাধ্য করা হয় সে আলাদা। আমার নিজের অভিজ্ঞতা থেকে বলি, স্কুলজীবনে আমিও এমন স্কুলে পড়তাম(আইডিয়াল স্কুল)। সমাবেশে’র জন্য যখন আমরা মাঠে একসাথে দাড়াতাম গুটিকয় হিন্দু ছাত্রদের খুব সহজেই আলাদা করা যেত। কিছু শিক্ষক নামে কলংক (৯০% ক্ষেত্রে হুজুরটাইপ) প্রতিদিনই তাদের অপমান করতো। যেমনঃ “কিরে তুই হিন্দু নাকি? টুপি কই?” বা “তোদের জন্য আলাদা লাইন লাগবে”। ছোটবেলা থেকে এরকম ব্যাবহার পেলে কিভাবে একটি শিশু নিজেকে এদেশের মানুষ ভাববে? কোন ক্ষেত্র আছে যেখানে হিন্দুদের চাপে রাখা হয়না! আমার ব্যাক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে জানি বরিশালে আমাদের গ্রামে এখনও হিন্দুদের গাছ থেকে ডাব-খেজুর রস চুরি করাটাকে সহজ ও নিরাপদ মনে করা হয় কারন ধরা পড়লে মালিক বেশীকিছু করতে পারবেনা। এমনকি খেলার মাঠেও কোনো হিন্দু কোন দোষ করলে গালি দেওয়া হয় এই বলে যে “যা মালাউনের বাচ্চা…এই দেশ থেকে ভাগ!!”

হিন্দুরা ব্যবসা-বানিজ্য করে এদেশে কিন্তু বাড়ি-ঘর করে ভারতে। টাকা পয়সা জমায় ভারতে।…

এই ব্যাপারটি অনেক ক্ষেত্রে সত্য। আবার এটাও সত্য যে আমদের দেশে বাস করা অনেক হিন্দুদের আত্নীয়-স্বজন দেশভাগ বা একাত্তরে ভারতে চলে গেছেন। ফলে জীবনের শেষদিকে নিজের আপনজনদের কাছে পেতে ভারতে চলে যাবার অনেক ঘটনাও ঘটে থাকে। বাংলাদেশে বসবাস করায় ঝামেলা মনে করে বলেই তারা ভারতে যেতে চায়। এদেশে মুসলিম কেউ কিছু করলে আমরা প্রথমে দেখি তার বাড়ি কোথায়? যদি বরিশাল-নোয়াখালী-চাদপুর-কুমিল্লা হয় তাহলে বলি “বি এন সি সি’র মানুষ খুব খারাপ”। যদি না হয় অন্য কোনো খারাপ গ্রূপে ফেলার চেষ্টা করি। আবার উত্তরবঙ্গের হলে অবাক হয়ে বলি “নর্থবেঙ্গলের লোক তো ভাল হয়, এইটা এরকম ক্যান??”। কিন্তু হিন্দু কেউ অপরাধ করলে আর কোন বাছ-বিচার নেই। সাথে সাথে “মালাউন কা বাচ্চা, কাভি নেহি আচ্ছা”। এরকম মনোভাবের মধ্যে কয়দিন আপনার থাকতে ভাল লাগবে। আদমশুমারী অনুযায়ী ১৯৪১ সালে এদেশের মোট জনসংখ্যার ২৮ ভাগ ছিলো হিন্দু। ভারতভাগ নামক অদ্ভুত ঘটনার পর তা নেমে আসে ২২ ভাগে। পাকিস্তান শাসনামলে ২৩ বছর অত্যাচারের পর তা নেমে আসে ১৩.৫ ভাগে। বিগত বিএনপি-জামাত জোট সরকারের অসহয়নীয় অত্যাচারে তা নেমে আসে ৮ ভাগের কাছাকাছিতে।এমন অনেক মেধাবী ভারতীয় হিন্দু আছেন যারা বর্তমানে সারা বিশ্বে সম্মানিত । অথচ তারা বা তাদের পূর্বপুরুষরা এদেশের অধিবাসী ছিলো। ১৯৭১ এর কথায় এমন অনেক মুসলিম আছে যারা বলে “যুদ্ধের সময় হিন্দুরা ভারতে ভাগছে”। যুদ্ধের সময় প্রায় ৮০ লাখ বা তারও বেশী মুসলিমও “ভারতে ভাগছে”। আর দেশত্যাগ না করার মত অবস্থা কি তখনকার দুই পাকিস্তানের “সাচ্চা মুসলিম”রা রেখেছিলো? এমনকি যুদ্ধের পরও অত্যাচার কিন্তু থামেনি। গুজরাটে’র দাঙ্গায় হিন্দুরা মুসলিম হত্যা করেছে আর এদেশের হিন্দুরা কিছু না করলেও তাদের উপর অত্যাচার চলেছে। আর ২০০১-০২ সালে জামায়াতে ইসলামী নামক নর্দমার কীট-জঘন্য পশুদের নারকীয় তাণ্ডব তো সবকিছুকে হার মানায়। শুধুমাত্র হিন্দু হবার অপরাধে দক্ষিনবঙ্গের জেলাগুলোয় কি হয়নি? খুন-লুন্ঠণ এবং সেইসাথে “খোদাভীরু জেহাদরত মুসলিম”দের সবচেয়ে প্রিয়কর্ম ধর্ষণ, সব মাত্রা ছাড়িয়ে গিয়েছিল। ওই সময়ের পরিস্থিতি যে কি জঘন্য ছিলো তা বলবার ভাষা নেই। এক হাজারের বেশী ধর্ষ্ণ হয়েছিলো যার মধ্যে শিশু ধর্ষণ বা মা-মেয়ে-পুত্রবধূ কে এক বিছানায় গণধর্ষণের ঘটনাও ছিলো। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরীতে সেই নষ্টসময়ের কিছু পত্রিকা আছে। কেউ চাইলে পড়তে পারে। ওয়াজ-মাহফিলে অনেক হুজুর একটা কথা খুব বলে। কোন সাহাবীদের উদাহরন দিয়ে তারা সুর করে বলেন “দোজখের বর্ণণা শুনে তিনি দুই চোখের পানি ছাইড়া দেন”। লাইব্রেরীতে পত্রিকা পড়বার সময় সেই “দোজখ”এর বর্ণণা শুনেও যে কেউ দুই চোখের পানি ছেড়ে দেবেন। মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা) ও কাফেরদের অত্যাচারে হিযরত করছিলেন, আর হিন্দুরা মুসলিমদের অত্যাচারে দেশ ছাড়লে হয় দোষ। ভারতে কেউ শখে যায়না (কিছু বিচ্ছিন্ন ঘটনা বাদে)। আর এমনও না যে ভারত সরকার এদেশের হিন্দুদের খুব সাদরে আপ্যায়ন করে নেয়।

ব্যাক্তিগত ও ধর্মগত আক্রমনঃ

আরো কিছু খারাপ অভ্যাস শোনা যায়। যেমনঃ হিন্দুরা শুধু নিজেদের ভালো করে। হিন্দুরা কখনও মুসলিমকে সাহায্য করেনা। এই কিছুদিন আগে সুরঞ্জিত সেন দুর্নীতির দায়ে ধরা পড়ার পর দেখা গেলো তার মন্ত্রনালয়ে মন্ত্রী কতৃক সরাসরি নিয়োগ পাওয়া সকলেই হিন্দু। এরপর অনেকে বলতে শুরু করলো “দেখলা তো, হিন্দুরা খালি নিজেদের ভালো বোঝে”। প্রশ্ন হলো একজন মন্ত্রী তার এপিএস-ড্রাইভার-কেরাণী সহ কিছু পদে সরাসরি নিজ ইচ্ছায় নিয়োগ দিতে পারেন। সব মন্ত্রী সাধারণত তাদের আত্মীয় বা চেনাজানাদের ভেতর থেকেই নিয়োগ দেন। সুরঞ্জিত সেনও তাই করেছেন। ধর্ম আমাদের যেভাবে আলাদা করে রেখেছে তাতে একজন হিন্দুর কাছের মানুষ হিন্দুই হবার কথা।

আরেকটা কথা শোনা যায় সব হিন্দুরা ক্রিকেটে ভারত সাপোর্ট করে কিন্তু সব মুসলিম পাকিস্তান করেনা। এই কথাটা অনেক ক্ষেত্রে সত্য। ১৯৭১ এর কারনে হিন্দুদের মনে পাকিস্তান সংক্রান্ত যে অপরিমেয় ঘৃনার সৃস্টি হয়েছে তারই প্রতিফলন এটা। যদিও আমার নিজের এমন হিন্দু বন্ধু আছে যে ভারত সাপোর্ট করেনা। আর এই কথাটা বলাই একটা বড় নোংরামি। রাজনৈতিক কারনে ক্রিকেটে পাকিস্তান সাপোর্ট না করা যত বড় নোংরামি তার চেয়ে বড় নোংরামি ধর্মীয় কারনে ক্রিকেটে ভারত সাপোর্ট করা বা না করা।

বিগত বিএনপি আমলে “মোহাম্মদ বিড়াল” এর কার্টুন নিয়ে কতকিছুই না হলো। এদেশের আইন-আদালত বাদ দিয়ে ক্ষমা করার দায়িত্ব পেলেন বাইতুল মোকাররমের খতিব। এতটুকু অপমান(!!!) যদি ইসলাম সইতে না পারে তাহলে অলি-গলিতে, মসজিদে-ময়দানে ওয়াজ মাহফিলে উচ্চস্বরে মাইক বাজিয়ে হিন্দু ধর্ম নিয়ে, এমনকি দেব-দেবীদের কাপড়-যৌনতা নিয়ে যে অসুস্থ আলোচনা হয় তা হিন্দুরা কিভাবে মেনে নেবে??

আজকাল এই আক্রমন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর’কেও বাদ রাখছেনা। ATN Bangla চ্যানেলের শুক্রবার দুপুরের ইসলামী অনুষ্ঠানের আলোচক মাওলানা তারেক মুনাওয়ারের এক ওয়াজের ভিডিওতে দেখলাম বলছেন “এই বাংলাদেশ শাহজালাল-শাহপরানের দেশ, কাজী নজরুলের দেশ কিন্তু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুইর‌্যা’র দেশ না”। কাজী নজরুলকে এভাবে “ইসলামীকরণে”র কারন তিনি গজল লিখেছেন। (তারেক সাহেব হয়তো জানেননা তিনি শ্যামাসঙ্গীতও লিখেছেন) একবার ভাবুন যে ব্যাক্তি বাংলা সাহিত্যকে ১০০ বছর এগিয়ে দিয়েছেন তিনিও ধর্মের কাছে রেহাই পাচ্ছেন না।

লেখাটা এমনিতেই বেশ বড় হয়ে গেছে। চাইলে আরো বড় করা যায়। কিন্তু আমি শুধু আর কয়েকটা কথা বলতে চাই। এই লেখার পেছনে আমার উদ্দেশ্য এই না যে আমি হিন্দুদের পক্ষে সাফাই গাইবো কিংবা ইসলামকে ঢালাওভাবে দোষ দেবো। আমি শুধু দেখাতে চেষ্টা করেছি যে বাংলাদেশে যুগ যুগ ধরে ধর্ম কিভাবে মানুষকে, পশুর দিকে নিয়ে যাচ্ছে। ধর্মের কারনে এই হানাহানি নতুন কিছু নয় কিংবা শুধু এদেশের কোন ঘটনা নয়। সারা পৃথিবীতে এই অনাচার হাজার বছর ধরেই চালু আছে। আমার লেখায় হিন্দুদের প্রতি সহমর্মিতা’র কারন এদেশের খ্রীষ্টান বা বৌদ্ধদের চেয়ে হিন্দুরা অনেক বেশী নির্যাতিত। আবার পৃথিবীতে এমন দেশও আছে যেখানে মুসলিমরা এর চেয়ে আরো অনেক বেশী নির্যাতিত। এর পিছনে একটাই কারন ধর্ম। যা কোনদিন সকল মানুষের মাঝে সম্প্রীতি আনতে পারেনি, পারবেওনা। এই পৃথিবীতে ধর্মের কারনে যত যুদ্ধ-হত্যা-লুন্ঠন-ধর্ষণ হয়েছে আর কোন কারনে তার সিকিভাগও হয়নি। দেশে দেশে ভাগাভাগি কিংবা যুদ্ধ প্রায় ৮০% ক্ষেত্রেই ধর্মের কারনে হয়। সব ধর্মই শান্তির কথা বলে তবে কেন আজ পৃথিবীর মোটামুটি সবদেশেই যুদ্ধ চলছে বা অশান্তি বিরাজ করছে? কারন মুখে শান্তির কথা বললেও ধর্মই মানুষের মধ্যে বিভেদ তৈরী করে দিয়েছে। ধর্মই আমাদের “রক্তের বদলে রক্ত” শিক্ষা দেয়। যেকারনে গুজরাটে মুসলিম মরলে এদেশে হিন্দু মরে। শুধুমাত্র দক্ষিন আমেরিকা ও ইউরোপের কিছু ধর্মছাড়া (ধর্মাবলম্বীদের সংখ্যা খুউউবই কম)দেশ আছে যেখানে কোন যুদ্ধ-অশান্তি নেই। সেসব দেশে মাসে দুয়েক’টা খুন হয়। দাঙ্গা-মারামারি তো একেবারেই হয়না। এর দ্বারাই বোঝা যায় শান্তির জন্য মানবতা দরকার; ধর্ম কোনভাবেই নয়। মানবতাই আমাদের শিক্ষা দেয় মহানুভবতার। মানুষের মধ্য বিভেদকারী ধর্মকে ভুলে আসুন মানুষ হয়ে আরেকজন মানুষকে ভালোবাসি। মহাত্মা গান্ধীর একটি অসাধারন কথা দিয়ে এই সাধারন লেখাটা শেষ করি। “যদি সবাই চোখের বদলে চোখ নীতি মেনে চলে, তাহলে একদিন এই পৃথিবীর সব মানুষ অন্ধ হয়ে যাবে”।

 

১৬,৮৩০ বার দেখা হয়েছে

১৪২ টি মন্তব্য : ““মালাউন কা বাচ্চা… কাভি নেহি আচ্ছা !!!””

    • রাজীব (১৯৯০-১৯৯৬)

      জিয়া ভাই আপনার কথা সত্য।
      কিন্তু তার মানে কি বাংলাদেশে হিন্দুরা নির্যাতিত না!
      ২০০১ সালে বি এন পি, জামাত যখন প্রায় সব কটি সিটই পেয়েছিলো তখনো কালিয়াকৈরের তানভীর সিদ্দিকি জিততে পারেনি। অতঃপর কালিয়াকৈরের হিন্দুদের দোকানে তালা ঝুলিয়ে দেওয়া হয়। টাকার বিনিময়ে চাবি ফেরত দেওয়া হয় পরে।


      এখনো বিষের পেয়ালা ঠোঁটের সামনে তুলে ধরা হয় নি, তুমি কথা বলো। (১২০) - হুমায়ুন আজাদ

      জবাব দিন
      • জিয়া হায়দার সোহেল (৮৯-৯৫)

        ভাই রাজীব , কালিকইর তো আর পুরা বাংলাদেশ না ... আমার মনে হয় যে কারো থেকে আমার হিন্দু বন্ধুর নেহাত কম নয় বরং বেশী হবে। হিন্দুরা তো আলাদা কোন জাতি না। মুসলমান যে হারে নিজ্জাতিত সে হারে হয়তোবা কোথাও কোথাও হচ্ছে, তার মানে এই না আমাদের দেশে অনেক বেশী হচ্ছে। আমরা যারা ক্যাডেট কলেজে পড়ছি, তারা কি কখনো কলেজ জীবনে এই ধরনের দেকছি কিংবা যারা ডিফেন্সে আছি তারাও কি এরকম বলতে পাড়ি, অবশ্যই না। যাই হোক এ বেপারগুলো এমন যে বুঝবে না তাকে বুঝানো যাবে না।

        জবাব দিন
        • রাজীব (১৯৯০-১৯৯৬)

          আপনারে জাস্ট একটা উদাহরণ দিছি; বেশি না। এখন কি পুরা বাংলাদেশের চিত্র টা তুলে ধরতে হবে!
          আপনার শেষ লাইনটি অত্যন্ত সত্য কথা। যে বুঝবে না তারে বুঝানো যাবে না।
          মুহাম্মদের কমেন্টে বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলে (২০০১) নির্বাচন পরবর্তী হিন্দুদের উপর অত্যাচারের কথা এসেছে।
          হ্যা আপনার সূত্রমতে ঐ টাও বিচ্ছিন্ন ঘটনা।
          এক্সকারসনে কাপ্তাই গেলে পাহাড়ী ক্যাডেটদের ঐখানে নেওয়া হয় না।
          আর্মিতে কেনো ডিস্ক্রিমিনেসন হবে! অনেক হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান, পাহাড়ী সামরিক বাহিনীতে আছে।


          এখনো বিষের পেয়ালা ঠোঁটের সামনে তুলে ধরা হয় নি, তুমি কথা বলো। (১২০) - হুমায়ুন আজাদ

          জবাব দিন
    • রাজীব (১৯৯০-১৯৯৬)

      ছোটবেলায় আমরা টিকটিকি মারতাম কারণ মুহাম্মদ নবী, আবু বকর কে নিয়ে যখন গুহায় লুকিয়ে ছিলো আর মক্কার লোকজন তাদের খোজে আশেপাশে খুজে দেখছিলো তখন নাকি টিকটিকি টিকটিক করে জানিয়ে দিয়েছিলো মুহাম্মদের উপস্থিতির কথা।
      আর মাকড়শা মারতাম না কারণ সেই নাজুক অবস্থায় মাকড়শা গুহা মুখে জাল বানিয়ে দেয় আর কবুতর এসে তার পাশে বাসা বাধে।


      এখনো বিষের পেয়ালা ঠোঁটের সামনে তুলে ধরা হয় নি, তুমি কথা বলো। (১২০) - হুমায়ুন আজাদ

      জবাব দিন
  1. মুহাম্মদ (৯৯-০৫)

    খুব ভাল লেখা। পড়ে নাইন-টেনে ইসলাম শিক্ষা বইয়ের কথা মনে পড়ে গেল। সেখানে "বন্ধু নির্বাচন" নামে একটা অধ্যায় ছিল। বন্ধু নির্বাচনের যেসব শর্ত দেয়া হয়েছিল তাতে অমুসলিম তো দূরের কথা মুসলিমদের মধ্যেই যারা যথেষ্ট ধার্মিক নয় তাদেরকে বন্ধু হিসেবে গ্রহণ ছিল অসম্ভব। এই ট্র্যাশ পড়েই ক্লাস ওয়ান থেকে টেন পর্যন্ত সময় পার করতে হয় অনেককে।

    বাংলাদেশে কোন বৈষম্যের কথা যখনই বলা হয় তখনই অনেকে অন্য দেশে অনুরূপ ঘটনার উদাহরণ দেখান যা খুব হাস্যকর। সব স্থানেই যে এমন হয় সেটা তো আমি অস্বীকার করছি না। কিন্তু আমি যেহেতু বাংলাদেশের সেহেতু বাংলাদেশে ব্যাপারটা নিয়ে কাজ করা বা তা সবাইকে জানানোর দায়িত্বটা আমার বেশি। অনেকটা যেমন বলা হয়- পৃথিবীতে অনেক দরিদ্র মানুষ থাকলেও তোমার সবচেয়ে নিকটাত্মীয়দের মাঝে যারা দরিদ্র তাদের সাহায্য করাই সবার আগে দরকার। লেখায় এই দৃষ্টিভঙ্গিটা উঠে এসেছে।

    জামাত-বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর হিন্দুদের উপর যে অত্যাচার হয়েছিল তা সবাইকে আরও বিস্তারিতভাবে জানানো দরকার। এ নিয়ে আরও গবেষণা প্রয়োজন। কারণ কোন অপরাধের বিচারের প্রথম পদক্ষেপ অপরাধকে স্বীকৃতি দেয়া।

    জবাব দিন
    • অল্প বিদ্যা ভয়ঙ্করি।পুরো বাক্য না লিখে সুবিধামত অংশ টুকু তুলে দিয়ে কিছু পাঠককে বোকা বানানোর চেষ্টা আরকি।
      সুরা বাকারার ১৯০ নং আয়াত-আর লড়াই কর আল্লাহর ওয়াস্তে তাদের সাথে, যারা লড়াই করে তোমাদের সাথে।অবশ্য কার প্রতি বাড়াবাড়ি করোনা। নিশ্চয় আল্লাহ সীমা লঙ্ঘনকারীদেরকে পসন্দ করেন্না।১৯১ নং আয়াত-আর তাদেরকে হত্যা কোর যেখানে পাও সেখানেই এবং তাদেরকে বের করে দাও সেখান থেকে যেখান থেকে তারা বের করেছে তোমাদেরকে। বস্তুত ফেতনা ফ্যাসাদ বা দাঙ্গা হাঙ্গামা সৃষ্টি করা হত্যার চেয়েও কঠিন অপরাধ।আর তাদের সাথে লড়াই করোনা মসজিদুল হারামের নিকটে যতক্ষণ না তারা তোমাদের সাথে সেখানে লড়াই করে। অবশ্য যদি তারা নিজেরাই তোমাদের সাথে লড়াই করে, তাহলে তাদেরকে হত্যা কোর। এই হল কাফেরদের শাস্তি। ১৯২ নং আয়াত- আর তারা (কাফের) যদি বিরত থাকে, তাহলে আল্লাহ অত্যন্ত দয়ালু। ১৯৩ নং আয়াত- আর তোমরা তাদের সাথে লড়াই কর যে পর্যন্ত না ফেতনার (ঝগড়াবিবাদ) অবসান হয় এবং আল্লাহর দ্বীন প্রতিস্তিত হয়। যদি তারা নিবৃত হয়ে যায় তাহলে কার প্রতি কোন জবরদস্তি নেই।

      ধিক আপনার মত সবাইকে যারা তাদের সুবিধামত সবকিছুর ব্যখ্যা দেয়। এ ধরনের লোক কোন ধর্মের না এমনকি মানবতার ধর্মেরও না। এদের চাতুরী সমাজের জন্য বিপদজনক কারন এরা চতুরতার সাথে বিশেষ উদ্দেশ্য নিয়ে সমাজকে ভুল পথে পরিচালিত করার অপচেষ্টায় লিপ্ত।

      জবাব দিন
      • মুশফিকুর রহমান তুষার (২০০২-২০০৮)

        ভাই, বোঝা যাচ্ছে আপনি আমার লেখাটি পছন্দ করেননি। কিন্তু আমি এখানে সুবিধামত ব্যখ্যা দেইনি। আমার কাছে পুরো আয়াতই আছে। কিন্তু আমি যতটুকু বলেছি তাতেও ইসলামের মনোভাব বোঝা যায়।
        তাদেরকে বের করে দাও সেখান থেকে যেখান থেকে তারা বের করেছে তোমাদেরকে
        এটা কি কোন ভালো দিক নির্দেশনা?আমাকে বের করে দিলো তাই আমিও বের করে দেবো। সবাই যদি বের করে দেবার পেছনে লেগে থাকে পৃথিবীতে যুদ্ধ কোনদিন থামবে?

        আপনিই বলেন বদর-খন্দক-উহুদ-খয়েবার এই সব যুদ্ধে কাফের মরুক আর মুসলিম মরুক তারাও তো মানুষ ছিলো?তাইনা?কাফেরদের যুদ্ধের কারনও ধর্ম; আবার মুসলিমদের যুদ্ধের কারনও কিন্তু ধর্ম। ধর্মের পিছে না দৌড়ে সব মানুষ যদি মানুষকে ভালোবাসতো তাইলে কোনদিন পৃথিবীতে যুদ্ধ হইতো?


        ছোট হাতি

        জবাব দিন
        • আসাদুজ্জামান (১৯৯৬-২০০২)

          @ মুশফিকুর রহমান তুষার,

          তাহলে তো বিচার ব্যবস্থার কোন প্রয়োজন নেই। কেউ না হয় খুন-খারাবি, ধর্ষন, ছিনতাই, চুরি-ডাকাতিই করলো, তাই বলে আমাদের বিচার চাইতে হবে আবার???? একটু মহৎ হয়ে তাদের ক্ষমা করে দিলেই তো হয়।

          হাস্যকর যুক্তি।

          জবাব দিন
        • @ মুশফিকুর রহমান তুষার,

          Sorry, i cant type in bangla.
          This is not from the point religion.....Why did you quote part of a line? Why did you misguided the readers?
          Very childish attitude to behave like a kid of cadet college......i remember those days when some of the young boys of cadet college tried to be "smart/philosopher" by creating controversial issues.....commonly against religion.
          Watch out brother before you choose these kinds of childish act....if you want to really contribute....then go for constructive writeup.
          Unfortunate.

          জবাব দিন
          • রাজীব (১৯৯০-১৯৯৬)

            নজরুল ভাইয়া
            যদি ক্যাডেট হন তাইলে একটু কষ্ট কইরা নামের পাশে সালটা একটু দিয়া দিলে কমেন্ট করতে সুবিধা হয়।
            আপনে কম্পিউটারে লিখলে অভ্র ডাউনলোড কইরা দেখতে পারেন; উহা জলবৎ তরলং।
            আর আপনার জ্ঞাতার্থে জানাচ্ছি নাস্তিকেরা আস্তিকদের চাইতে অবশ্যই অধিকতর স্মার্ট। কোন সন্দেহ আছে! না পোষাকি বা কেতার জন্য বলছি না। ১৫০০ বছরের আবর্জনাকে ছুড়ে বা উপড়ে ফেলার জন্য যতটুকু স্মারটনেস দরকার তার পুরোমাত্রায় এদের আছে।
            আর দার্শনিক বা দর্শন নিয়া কি বললেন ভাইজান!
            তবে কি ইসলাম বিশ্বাসী বা কোরান বিশারদ হইলে দার্শনিক হওয়ার সুযোগ আছে!
            তবে কথা হচ্ছে ধর্ম অবশ্যই বাতিল, পুরানো আর পচা জিনিস।


            এখনো বিষের পেয়ালা ঠোঁটের সামনে তুলে ধরা হয় নি, তুমি কথা বলো। (১২০) - হুমায়ুন আজাদ

            জবাব দিন
      • atiashahnaz
        আমি আপনার কমেন্টের অপেক্ষাতেই ছিলাম। আমার মনে হয় কিছু তথাকথিত আধুনিক , কুরআন শরীফ সঠিকভাবে না পড়ে, আয়াতের অর্ধেকের উদ্রিতি দিয়ে উলটো অন্য ধর্মের মানুষদেরকে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে। ঐ অল্প বিদ্যা ভয়ঙ্করী ফর্মুলার মানুষগুলোই আসলে ইসলাম ধর্মের প্রধান শত্রু । দয়া করে একটাই অনুরোধ, লিখুন ধরম নিয়ে। কিন্তু অর্ধেক বাক্য নয়, পুরোটা উল্লেখ করুন, কি অবস্থায় কখন সেই বানী গুলো উচ্চারিত হয়েছে, সেটাও ভেবে দেখার বিষয় ।হুট করে ঐ আয়াতে এইডা কইছে, তার মানে অন্য ধর্মকে বিদ্রূপ করা হয়েছে, আসলেও কি তা ? আমি কম বোঝা একজন আম জনতা।শুধু এটা বুঝেছি, যুগে যুগে তথাকথিত সুযোগ সন্ধানী অর্থলিপ্সু কিছু হুজুর/মৌলানারা শুধুমাত্র নিজেদের কলা রুটির সঙ্কটে না পড়ার জন্য, ইসলামকে অনেক কঠিন ভাবে উপস্থাপন এবং সুযোগমতো উল্টা পাল্টা ফতোয়া দিয়ে বেহুদা সব যুগের জন্য আধুনিক সেরা ধর্মীয় গ্রন্থকে করেছে অন্যদের কাছে দ্বিধাগ্রস্থ ......। কেনও?অথচ সময়ের দাবীতে ইসলামি স্কলারদেরকে (অল্প কিছু সময় মাদ্রাসা থেকে পাস করলেই কিন্তু আবার স্কলার নয় তারা) যুগোপযোগী ধর্মীয় বিধান তৈরি করার কথা নবী করীম স্পষ্ট করেই বলে গেছেন। আল্লাহ্‌ আর তার পেয়ারা নবী করীম (সাঃ ) তো আসলে সেটা করেন নি কখনোই।কথা শুধু একটাই বলার, প্লিজ বুঝে তারপর মন্তব্য করুন, নিজেকে/ নিজের ধর্মকে হেয় করার মধ্যে কোন বাহাদুরি নেই।আরও গভীরভাবে কোরআন পড়ার মাধ্যমে তাঁর সত্যিকার গহীনের অর্থ বুঝুন, তারপর অন্যকে বলুন।।হয়তো কম জানি/বুঝি বলে সব সঠিকভাবে বলতে পারলাম না, কিন্তু আতিয়া শাহনাজের বক্তব্যের জন্য ধন্যবাদ ।

        জবাব দিন
    • মুশফিকুর রহমান তুষার (২০০২-২০০৮)

      মুহাম্মদ ভাই, ওই সময়কার উপর কিছু লেখার ইচ্ছা আমার আছে। আপাতত পড়াশোনা করছি ব্যাপারটির ওপর। কিন্তু ঘটনা গুলো যত কষ্টের বা যত হাহাকারের আমার মনে হয়না আমি লেখার ভাষায় তা তুলে আনতে পারবো।


      ছোট হাতি

      জবাব দিন
  2. মাহমুদ (১৯৯০-৯৬)
    আমি শুধু দেখাতে চেষ্টা করেছি যে বাংলাদেশে যুগ যুগ ধরে ধর্ম কিভাবে মানুষকে, পশুর দিকে নিয়ে যাচ্ছে।

    - তাই নাকি? এতো বড় একটা দাবী করলে, কিন্তু তা'র জন্য যথেষ্ট তথ্য আছে কি?

    এই লেখায় ধর্ম বলতে শুধু ইসলামের কথাই এসেছে, অন্য ধর্মের কথা না-থাকায় এই লেখাটা ইসলাম-বিদ্বেষী হিসেবে ধরে নেওয়ার সম্ভাবনা থেকে যায়। কিন্তু বাস্তবে এই বাংলাতেই অন্যান্য ধর্মকেও ক্ষমতাহীন মানুষকে নির্যাতনে ব্যবহার করার ইতিহাস আছে।

    আর, কুরআনের যে আয়াতগুলো উল্লেখ করে দেখাতে চাইলে ইসলাম ধর্মই মুসলমানদেরকে হিন্দু-বিদ্বেষী (তথা বিধর্মী-বিদ্বেষী) করে তোলে, তা' একেবারেই আউট-অফ-কনটেক্সঃ তোমার উল্লিখিত আয়াতগুলোর শানে-নুযুল বাদ দিয়ে পাঠ করায় এগুলোর ভুল/অপব্যাখ্যা হওয়ার সম্ভাবনা অনেক ।

    আর কুরআনের বক্তব্য জানতে চাইলে কুরআনকে ভালো করে পড়তে হবে। ভালো বলতে আমি বলছি নাস্তিকদের কোট করা খন্ডিত আয়াতগুলো নয় শুধু। তোমার উল্লিখিত আয়াতগুলোর বিপরীতে অসংখ্য আয়াত আছে যেখানে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকল মানুষকে সাহায্য করা, বন্ধুত্ব করা, সহমর্মিতা দেখানো, ইত্যাদির কথা হয়েছে। একটা ছোট্ট উদাহরণ দেইঃ সূরা আল-মাউনে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এতিম ও মিসকিনদের প্রতি সদয় এবং সহযোগিতাপূর্ন হতে, এবং অন্যদের প্রয়োজনে গৃহস্থালীর জিনিসপত্র দিয়ে সহায়তা করতে। এখানে কিন্তু 'মুসলিম' এতিম+মিসকিন+অন্যদের কথা বলা হয়নি।

    কুরআনের সমালোচনা করার যে পথটা তুমি নিয়েছো, এটা খুব সহজ উপায়ে নিজেকে বুদ্ধিজীবি হিসেবে জাহির করার জন্য 'কিছু না-জেনেই নাস্তিক' ব্যবহার করে বলে বিপদজনক। কুরআনকে জানতে হলে কুরআন পড়তে হবে সামগ্রিক ভাবে, সমালোচনার উদ্দেশ্যে কিছু কিছু আয়াতকে আউট-অফ-কন্টেক্স এ নিয়ে গিয়ে নয়।

    আরেকটা কথা, ধর্মের নিজের কোন ক্ষমতা নেই, মানুষই ধর্মকে ব্যবহার করে নিজেদের উদ্দেশ্যে- কখনো শান্তির জন্য, কখনো অশান্তির জন্য। কাজেই, নিজেদের সু/কুকর্মের দায় ধর্মের কাঁধে চাপিয়ে দেওয়াটা একটা চাতুরীমাত্র।


    There is no royal road to science, and only those who do not dread the fatiguing climb of its steep paths have a chance of gaining its luminous summits.- Karl Marx

    জবাব দিন
    • আপনার সাথে আমি একমত। এখানে লেখক খুব চাতুরীর সাথে ১৯১ এবং ১৯৩ আয়াতের পুরোটুকু না লিখে শুধুমাত্র খণ্ডিত অংশটুকু লিখেছেন। জার ফলে সম্পূর্ণ অর্থ বদলে গেছে। আজকাল যেকোনো ধর্মের ভুল ব্যখ্যা করাটা একটা ফ্যাশন হয়েছে। এরা নাস্তিকদের চেয়েও সমাজের জন্য বেশী ক্ষতিকারক কারন এরাই ফ্যাসাদ বাধিয়ে বেড়ায় ।

      জবাব দিন
    • হুমায়ুন (২০০২-০৮)

      ঠিক বলছেন। ধর্মের নিজের কোন ক্ষমতা নাই। পুরাই অক্ষম একটা ব্যাপার যা যুগে যুগে মানুষ কে সুরা, হুর, গেলমান এর লোভ দেখায়া শোষণ করছে। এবং করতেই থাকবে। চিয়ার্স 🙂


      তুমি গেছো
      স্পর্ধা গেছে
      বিনয় এসেছে।

      জবাব দিন
    • মুশফিকুর রহমান তুষার (২০০২-২০০৮)

      ভাই, আমি জানিনা কেন আপনি লেখাটিকে "ইসলামবিরোধী" আখ্যা দিলেন। আমি তো বলেই দিয়েছি যে অন্য ধর্মাবলম্বীরাও সুযোগমত মুসলিমদের অত্যাচার করে। কিন্তু আমার প্রশ্ন ধর্ম কেন মানুষকে আলাদা করবে? এক জংগলের পশু কখনো আরেক জংগলের নিজের স্বজাতিকে হত্যা করে এমন কোনোদিন শুনিনাই। কিন্তু এক দেশের মানুষ আরেক দেশের মানুষ ঠিকই মারে। এক ধর্মের মানুষ আরেক ধর্মের মানুষকে ঠিকই মারে। একটাই কারন; অনেক মানুষ "মানবতা"র উপরে "ধর্ম" বা "জাতীয়তা"কে স্থান দিয়েছে। আপনিই বলেন শুধু আরেক ধর্মের বলে কেন তাকে দোষী বলবো? আলাদা করবো? যুদ্ধ করবো?

      আর পুরো আয়াত তুলে ধরবার জন্য ধন্যবাদ। আমি যখন লেখার জন্য কোরআন থেকে নোট নিয়েছি তখন পুরোটাই নিয়েছিলাম। পুরোটা না দেবার কারন যতটুকু দিয়েছি তাতেই কোরআনের বক্তব্য বোঝা যায়। পুরো বলেন আর আংশিক বলেন, কাফেরদের বিরোধিতাই কিন্তু করা হলো। আপনিই দেখুন ধর্মই কিন্তু বলছে যুদ্ধ করতে। যে প্রেক্ষিতেই হোক মানুষ কেন আরেকজন মানুষের সাথে লড়াই করবে? বলা হয়েছে "যতক্ষন না কাফেররা লড়াই করে"; একবার ভাবুন কাফেররাও কিন্তু লড়াই করবে ধর্মের কারনেই। মানুষের মধ্যে মারামারি কিন্তু নিশ্চিত। তাই আমার বক্তব্য হলো, আমরা ধর্ম বাদ দিয়ে মানবতাকে উপরে স্থান দেই। আমরা সত্য বলবো। কারন সেটা মানবজাতির শান্তি নিয়ে আসবে। কিন্তু সেটার জন্য ধর্মের "সত্য কথা বলো" নীতির কি দরকার?


      ছোট হাতি

      জবাব দিন
    • রাজীব (১৯৯০-১৯৯৬)

      সুরা মাউন নিয়া তোর যুক্তি মানতে পারলাম না।
      সিম্পল একটা যুক্তি দেই।
      কোরানে যখন বলা হয় তোমাদের স্ত্রীদের, বা স্ত্রীর কথা তখন কিন্তু এইটা মিন করেনা যে মুস্লিম স্ত্রী না কাফির স্ত্রী না বিধর্মী স্ত্রী।
      সো ইয়াতীম বলতে আলাদা করে কেনো মুসলিম, হিন্দু, ইহুদী বলার তো দরকার নাই।
      এইটা ঠিক পোলাডা খণ্ডিত অংশ দিছে। কিন্তু পুরাটা দিলেই কি ইসলাম মহান ধর্মে পরিণত হবে!
      প্রতি সপ্তাহে জুমার নামাযে ইসলামী জগতে ইমামরা কি ইহুদী, নাছারাদের বিরুদ্ধে বিশেদগার করেন না! কোন মহান ইসলামী শিক্ষায় তারা শিক্ষিত এইটা তুই আমারে বল।


      এখনো বিষের পেয়ালা ঠোঁটের সামনে তুলে ধরা হয় নি, তুমি কথা বলো। (১২০) - হুমায়ুন আজাদ

      জবাব দিন
  3. মাহ্মুদ আমি আপনার সাথে একমত বলেছি, লেখকের সাথে নয়। আমি সবাইকে উল্লিখিত আয়াতগুলির অর্থ পড়তে অনুরোধ করবো (আমার উপরের লেখাতে সম্পূর্ণ অনুবাদ দেয়া আছে)। তারপর প্লীজ লেখকের লেখা সম্পরকে মন্তব্য করবেন।

    জবাব দিন
  4. ফাইয়াদ (৮৯-৯৫)

    লেখাটি পড়ে কষ্ট পেয়েছি দুটি কারণে। প্রথমতঃ লেখাটি বাংলাদেশের হিন্দু-মুসলিম সম্পর্ককে ভুলভাবে রিপ্রেজেন্ট করেছে, দ্বিতীয়তঃ অন্যায়ভাবে ইসলামকে হেয় করা হয়েছে।

    আমার জন্ম ও বেড়ে ওঠা কুমিল্লায়। স্বাধীনতার বহু আগে থেকেই কুমিল্লায় হিন্দু জনবসতি অনেক বেশী এবং স্বাধীনতার সময়ের মাইগ্রেশনের পরও এ হার বাংলাদেশের অনেক যায়গা থেকেই বেশী। আমার বন্ধুদের বড় একটা অংশও হিন্দু সম্প্রদায়ের। স্কুল বয়স থেকেই আমরা একসাথে বেড়ে উঠেছি। একে অন্যের বাসায় গিয়েছি, থেকেছি, খেয়েছি। একে অন্যের সুখে যেমন পাশে থেকেছি, দুঃখেও তেমনি কেউ কাউকে ছেড়ে যাইনি। আমার মনে হয়, আমাদের ভেতর প্রায় সবারই একই অভিজ্ঞতা আছে।

    একটা জিনিস আমাদের মনে রাখতে হবে যে, ব্যক্তি বিশেষের কোন কথা, মন্তব্য বা কাজ যদি সামষ্টিক কোন গোষ্ঠীর উপর চাপিয়ে দেয়া হয় তা হলো ভীষণ অন্যায়। হিন্দু বিষয়ক যে সকল বিরূপ মন্তব্য এখানে এসেছে, তা যদি সামষ্টিক ইসলামের বক্তব্য হতো, তাহলে এমন একটা বিষয়ের অবতারণা ঠিক হতো। তবে ইসলাম নন মুসলিমদের যে অনবদ্য অধিকার দিয়েছে তা না জেনে ইসলামের নামে এসব চালিয়ে দেয়া হয়েছে অন্যায়ভাবে। ব্যক্তিগতভাবে কোন হিন্দুর এমন কোন মতামত যদি পুরো হিন্দু সম্প্রদায় কিংবা হিন্দু ধর্মের উপর চাপিয়ে দেই তা হবে তেমনই অন্যায়।

    ইসলামের প্রসঙ্গে যে সকল বক্তব্য এসেছে তা দুঃখজনক হলেও জ্ঞানের স্বল্পতাকে ফুটিয়ে তুলেছে। ইসলাম সম্বন্ধে একটা ভয়াবহ চর্চা শুরু হয়েছে আর তা হলো ইসলাম বিদ্বেষী কোন লেখকের বই থেকে ইসলাম শেখার চেষ্টা। লেখাটির উৎস আমি জানিনা, তবে লেখাটিকে এ দোষে দুষ্ট মনে হচ্ছে। সুরা বাকার ১৯১ ও ১৯৩ নাম্বার আয়াতের খন্ডিত রেফারেন্স দেয়া হয়েছে এর ভেতরে না গিয়েই কিংবা এর সঠিক উপস্থাপনা না করেই। আমি এর কিছুটা তুলে ধরার চেষ্টা করছি।

    লেখায় আয়াত যেভাবে উল্লেখ করা হয়েছে সে অংশটি বোল্ড করে দিয়ে সাথে ধারাবাহিকভাবে ১৯০ নং আয়াত থেকে ১৯৩ নং আয়াতের অনুবাদ আমি তুলে দিচ্ছি। সাদা চোখেই দেখা যাবে কিভাবে কুরআনকে টুইস্ট করা হয়েছে।

    আল্লাহ বলেছেন,

    ১৯০- আর আল্লাহর পথে তোমরা যুদ্ধ কর তাদের বিরুদ্ধে, যারা অন্যায়ভাবে তোমাদের সাথে যুদ্ধ করে, আর সীমালঙ্ঘণ করোনা, নিশ্চয়ই আল্লাহ সীমালংঘনকারীদের ভালোবাসেননা।
    ১৯১- তাদের হত্যা কর যেখানে তাদের পাও আর তাড়িয়ে দাও তাদের সেখান থেকে, যেখান থেকে তারা তোমাদের তাড়িয়ে দিয়েছিলো। নিশ্চয়ই ফিতনা (বিপর্যয় সৃষ্টি করা) হত্যা অপেক্ষা মারাত্মক। কিন্তু তাদেরকে হত্যা করোনা মসজিদুল হারামের আশেপাশে, যে পর্যন্ত না তারা (সেখানে) তোমাদের সাথে লড়বে। তারা যদি তোমাদের সাথে যুদ্ধ করে তোমরাও তাদের বিরুদ্ধে লড়বে। এ হচ্ছে তাদের প্রাপ্য।
    ১৯২- কিন্তু তারা যদি ক্ষান্ত হয় তবে আল্লাহ অবশ্যই ত্রানকর্তা সবার জন্যই), অফুরন্ত ফলদাতা।
    ১৯৩- আর তাদের সাথে লড়বে যে পর্যন্তনা ফিতনা দূরিভুত হয় আর দীন প্রতিষ্ঠিত না হয়। সুতরাং যদি তারা ক্ষান্ত হয় তাহলে যুদ্ধ চলবেনা, শধু অত্যাচারিতদের ছাড়া।

    কুরআন নাজিল হওয়ার পর থেকে আজ পর্যন্ত কুরআনকে যিনি সবচেয়ে বেশী বুঝেছেন আর বাস্তবায়ন করেছেন তিনি হলেন রাসুলুল্লাহ সাঃ। লেখায় যেভাবে আয়াতটি দেখানো হয়েছে, তাহলে সাড়ে চৌদ্দশ বছর ইসলামের ইতিহাস আর প্রায় সাড়ে তেরোশ বছরের ইসলামী শাসনের ইতিহাসে ইসলামী ল্যান্ডে কোন নন মুসলিম থাকতে পারতোনা, সবাইওকে হত্যা করা হতো। তবে আগের কয়েকটি লেখার কমেন্ট আর আলোচনায় আমরা দেখেছি, কিভাবে ইসলাম নন মুসলিমদের অনবদ্য সব অধিকার দিয়েছে এবং তারাও নিজ দেশ ত্যাগ করে স্বধর্ম পালন করার জন্য মুসলিম ল্যান্ডে মাইগ্রেট করেছে।

    পরবর্তিতে আরো দুটি আয়াত এসেছে ভুলভাবে।

    হে মুমিনগণ! তোমরা ইহুদি ও খ্রীষ্টানদের বন্ধু হিসাবে গ্রহণ করো না। তারা একে অপরের বন্ধু। তোমাদের মধ্যে যে তাদের সাথে বন্ধুত্ব করবে, সে তাদের (ইহুদি ও খ্রীষ্টানদের) অন্তর্ভুক্ত। আল্লাহ যালিমদের পথ দেখান না। (আল কোরআন, ৫ : ৫১)
    মুমিনগণ যেন মুমিন ব্যাতিরেকে অন্য কোনো অমুসলিমকে বন্ধুরূপে গ্রহণ না করে। যারা এমন করবে আল্লাহর সাথে তাদের কোন সম্পর্ক থাকবেনা। (আল কোরআন, ৩ : ২৮)

    ইংরেজিতে অ্যালাই আর আইডল (আদর্শ অর্থে) বলতে যা বুঝায়, কুরআনে বন্ধুত্ব বলতে আল্লাহ তাই বুঝিয়েছেন, সাধারণ প্রচলিত অর্থে বন্ধুত্ব নয়। এর প্রমাণের জন্য রাসুল সাঃএর জীবন আর সাহাবাদের উদাহরণই যথেষ্ট। শুধুমাত্র আদর্শগত দিক ছাড়া মক্কায় সকল লোকের বন্ধুর মতোই ছিলেন রাসুল সাঃ। মদীনায় তা আরোবিস্তৃত হয়েছে। তিনি ইয়াহুদী আর খৃস্টানদের সাথে ঘনিষ্টভাবে মিশেছেন, তাদের সাথে ব্যবসায়িক লেনদেন করেছেন, তাদের ঘরে খেয়েছেন আবার নিজেও খাইয়েছেন। নিজের পরম বিপদে তারা সবাইওকে বাদ দিয়ে রাসুল সাঃ কেই আশ্রয়স্থল ভেবেছে। নিজেদের মধ্যকার কোন বিবাদে নিজেদের বাদ দিয়ে রাসুলুল্লাহ সাঃ কে বিচারের ভার অর্পণ করেছে। সাহাবাদের ঘনিষ্ট বন্ধুদের অনেকেই ছিলো মক্কার মুশরিক কিংবা ইয়াহুদীদের ভেতর কেউ। কুরআনের আয়াত যদি প্রচলিত বন্ধুত্বকেই বুঝাতো, তাহলে ইসলামের ইতিহাস এমনটা হতোনা।

    ইসলাম শিক্ষা বই বলতে যে বইওটি আমরা পড়ে এসেছি, তা বই কিন্তু জ্ঞানশূন্যতার একটি শ্রেষ্ঠ উদাহরণ হতে পারে। 'বিদ্বানের কলমের কালি শহীদের রক্তের চেয়েও পবিত্র' বলে প্রচলিত নির্জলা মিথ্যা কথাটি আরবীতে লিখে কৌশলে হাদীস নামে এসব বইতেই চালিয়ে দেয়া হয়েছে। বেসিক ইসলামের যে শিক্ষা আমাদের শৈশবে পাওয়া উচিৎ ছিলো তা এ বইটির মাধ্যমে আমরা তা পাইনি। পরবর্তিতে আলোচনার ইচ্ছা থাকলো আল্লাহ যদি চান।

    ইসলাম গ্রহণ করা বা না করা কোন ব্যক্তির সম্পূর্ণ নিজস্ব ব্যাপার। কেউ একজন ভিন্ন মত অবলম্বন করতেই পারে, কিন্তু নিজের সে মত আর পথকে বড় দেখানোর জন্য অন্য কোন বিশ্বাসের বিরুদ্ধে মিথ্যা রটানো বা টুইস্ট করা ভীষণ অন্যায় এমনকি প্রতারণাও বটে।

    জবাব দিন
    • ফাইয়াদ (৮৯-৯৫)

      ১৯৩ নাম্বার আয়তে লেখকের বলা এ অংশটি আমার উল্লেখিত অংশে বোল্ড হবে।

      আর তোমরা তাদের সাথে লড়াই করো, যে পর্যন্ত না ফেতনার অবসান হয় এবং আল্লাহর দ্বীন প্রতিষ্ঠিত হয়।

      জবাব দিন
      • রায়হান আবীর (৯৯-০৫)
        আর তোমরা তাদের সাথে লড়াই করো, যে পর্যন্ত না ফেতনার অবসান হয় এবং আল্লাহর দ্বীন প্রতিষ্ঠিত হয়।

        নপুংসক আল্লাহর নিজের দ্বীন প্রতিষ্ঠান জন্য মানুষের লড়ায়ের মুখাপেক্ষি থাকতে হয়। হাসতে হাসতে কাইন্দা দিলাম।

        জবাব দিন
        • রাজীব (১৯৯০-১৯৯৬)

          এ তুমি কি কচ্ছো রায়হান!
          তুমি ভায়া জানলে কি করে আল্লা ----?
          কোথায় যেনো পড়েছিলুম আল্লা নিজের আদলে তার সৃষ্টি গড়েছেন।
          আর তুমি এটা কি কচ্ছো!
          এজন্যই তো সব কিছু বেডাগো পক্ষে লেখা হইছে।


          এখনো বিষের পেয়ালা ঠোঁটের সামনে তুলে ধরা হয় নি, তুমি কথা বলো। (১২০) - হুমায়ুন আজাদ

          জবাব দিন
    • হুমায়ুন (২০০২-০৮)

      হে মুমিনগণ! তোমরা ইহুদি ও খ্রীষ্টানদের বন্ধু হিসাবে গ্রহণ করো না। তারা একে অপরের বন্ধু। তোমাদের মধ্যে যে তাদের সাথে বন্ধুত্ব করবে, সে তাদের (ইহুদি ও খ্রীষ্টানদের) অন্তর্ভুক্ত। আল্লাহ যালিমদের পথ দেখান না। (আল কোরআন, ৫ : ৫১)
      মুমিনগণ যেন মুমিন ব্যাতিরেকে অন্য কোনো অমুসলিমকে বন্ধুরূপে গ্রহণ না করে। যারা এমন করবে আল্লাহর সাথে তাদের কোন সম্পর্ক থাকবেনা। (আল কোরআন, ৩ : ২৮)
      এই দুইটা আয়াত এর মাধ্যমেই আমরা বুঝতে পারি ইসলাম কত মহান, কত প্রেমময় 🙁
      তবে আপনি আয়াত দুইটার যে ব্যাখ্যা দিলেন তা নিতান্তই হাস্যকর।


      তুমি গেছো
      স্পর্ধা গেছে
      বিনয় এসেছে।

      জবাব দিন
    • কুরআন নাজিল হওয়ার পর থেকে আজ পর্যন্ত কুরআনকে যিনি সবচেয়ে বেশী বুঝেছেন আর বাস্তবায়ন করেছেন তিনি হলেন রাসুলুল্লাহ সাঃ। লেখায় যেভাবে আয়াতটি দেখানো হয়েছে, তাহলে সাড়ে চৌদ্দশ বছর ইসলামের ইতিহাস আর প্রায় সাড়ে তেরোশ বছরের ইসলামী শাসনের ইতিহাসে ইসলামী ল্যান্ডে কোন নন মুসলিম থাকতে পারতোনা, সবাইওকে হত্যা করা হতো। তবে আগের কয়েকটি লেখার কমেন্ট আর আলোচনায় আমরা দেখেছি, কিভাবে ইসলাম নন মুসলিমদের অনবদ্য সব অধিকার দিয়েছে এবং তারাও নিজ দেশ ত্যাগ করে স্বধর্ম পালন করার জন্য মুসলিম ল্যান্ডে মাইগ্রেট করেছে।

      বাংলাদেশের ২৮ শতাংশ হিন্দু কিভাবে ৯ শতাংশ হল আর পাকিস্তানের ১৬ শতাংশ হিন্দু ১ শতাংশ হল এটা দেখেই বোঝা যায় মুসলিমরা কতখানি মানবতাবাদী।

      মুসলিমদের ইতিহাস কাফের গণহত্যার ইতিহাস। যে ফিলিস্তিন নিয়ে আজ মুসলিমরা কাঁদে ১৯৯০ সালে বেথলেহেমে খ্রীষ্টান ছিল ৬০%, বর্তমানে ১৫% এ দাঁড়িয়েছে। ১৯৬০ সালে নাইজেরিয়ায় ৪০ শতাংশ মুসলমান ছিল অথচ এখন মুসলমানরাই সংখ্যাগরিষ্ঠ। অন্যদিকে ইসরাইলের অভ্যন্তরে অবস্থিত নাজাথ নগরিটি ১৮৪৮ সাল থেকে আজও খ্রীষ্টান প্রধানই আছে। ইসরাইলে সারা পৃথিবী থেকে ইহুদীরা এসে জড়ো হলেও মুসলমানদের অনুপাত একই রয়েছে।

      ইবনে ওয়ারাক আফসোস করে লিখেন: "ইউরোপীয়রা যদিও তৃতীয় বিশ্বে তাদের প্রতারণাপূর্ণ ও অধঃপতিত মূল্যবোধ, সংস্কৃতি ও ভাষা চাপিয়ে দেওয়ার জন্য অবিরাম তিরস্কৃত, কিন্তু কেউই উল্লেখ করে না যে, ইসলাম কর্তৃক উপনিবেশিত দেশগুলো ছিল অগ্রগামী প্রাচীন সভ্যতার লীলাক্ষেত্র, আর এটা করতে গিয়ে ইসলামী উপনিবেশবাদ বহু সংস্কৃতিকে পদদলিত ও চিরতরে ধ্বংস করে।"

      জবাব দিন
      • শয়তান নামের নিক নামের স্বার্থকতা প্রমাণ করেছে, তবে তা 'শয়তানের' মতোই দুর্বলভাবে।

        বাংলাদেশের ২৮ শতাংশ হিন্দু কিভাবে ৯ শতাংশ হল আর পাকিস্তানের ১৬ শতাংশ হিন্দু ১ শতাংশ হল এটা দেখেই বোঝা যায় মুসলিমরা কতখানি মানবতাবাদী।

        একই যুক্তিতে যদি বলা হয় ভারতের হিন্দু জনসংখ্যা ৬৫% থেকে ৮০% হয়েছে হিন্দুদের অত্যাচারের বা তাদের 'মানবিকতার' পরিচয় দিয়েই, তাহলে কি ব্যাপারটা ঠিক হবে? দ্বিজাতি তত্ত্ব বলে যে রাজনৈতিক ইস্যু এ অদল বদল তৈরী করেছে তা কি জানা আছে?

        ১৯৬০ সালে নাইজেরিয়ায় ৪০ শতাংশ মুসলমান ছিল অথচ এখন মুসলমানরাই সংখ্যাগরিষ্ঠ।

        নাইজেরিয়ার মুসলিম নির্যাতনের ইতিহাস 'শয়তানের' দৃষ্টি এড়িয়ে যাবে এটা অস্বাভাবিক নয়। উচ্চ জন্মহার যে জনসংখ্যা বাড়ার একটি বড় কারণ এ কথা আশা করি বুঝিয়ে বলা 'হাস্যকর' হবে।

        অন্যদিকে ইসরাইলের অভ্যন্তরে অবস্থিত নাজাথ নগরিটি ১৮৪৮ সাল থেকে আজও খ্রীষ্টান প্রধানই আছে। ইসরাইলে সারা পৃথিবী থেকে ইহুদীরা এসে জড়ো হলেও মুসলমানদের অনুপাত একই রয়েছে।

        ইসরাইলের কতগুলো মুসলিম প্রধান শহর মুসলিম প্রধান হয়েছে তা জানা আছে কি?
        গত শতাব্দী বাদই দেয়া যাক, শুধু গত এক দশকে কত মুসলিম মারা গেছে সেখানে?

        এসব যুক্তি দেয়ার আগে মনে আছে কি, স্পেনের মুসলিমের সংখ্যা কিভাবে ৫০% থেকে ০.৫% এ নেমে এসেছে?
        ফিলিপিনের মুসলিম সংখ্যা কিভাবে কমে চলেছে?

        মানব সৃষ্টির শুরু থেকে পুরো ইতিহাসেই ক্ষমতাবান দখলদার তার সংস্কৃতি, ধর্ম, ভাষা পরাজিত জাতির উপর চাপিয়ে দিয়েছে। ইসলাম হলো এমন এক ধর্ম, যা কারো উপর জোর করে কখনও চাপিয়ে দেয়া হয়নি। ধর্মীয় স্বাধীনতা কি জিনিস তা ইসলাম আসার আগে পরাজিত কোন জনপদ ভাবতে পারেনি। ইবন ওয়ারাকের বাণী আর দশটা ইসলাম বিদ্বেষী যুক্তির মতো 'সুন্দর' শুনালেও তা এভাবেই অন্তসারশূন্য।

        জবাব দিন
        • মুশফিকুর রহমান তুষার (২০০২-২০০৮)

          ভাই, দ্বি-জাতি তত্ত্ব কিন্তু নিখাদ রাজনৈতিক ঘটনা না। কারন দুই জাতি ভাগ করা হয়েছিলো ধর্মের ভিত্তিতে; ভৌগোলিক অবস্থানের কারনে নয়। যেখানে জন্ম-বেড়ে ওঠা সেই জায়গার প্রতি মানুষের আলাদা ভালোবাসা থাকে। শুধু ধর্মের কারনে জন্মস্থান ছাড়তে হিন্দু-মুসলিম কারোই ভালো লাগার কথা না।

          আপনার কিংবা "শয়তান"র {আমি নাম জানিনা তাই এভাবে লিখলাম} দেয়া সব পরিসংখ্যান কিন্তু সেই একটি কথাকেই সবার সামনে তুলে ধরছে; ধর্ম মানুষে মানুষে কোন্দল তৈরী করেই চলেছে। তাই আমাদের উচিত ধর্মের ওপরে মানুষের স্থান দেয়া।


          ছোট হাতি

          জবাব দিন
    • মুশফিকুর রহমান তুষার (২০০২-২০০৮)

      ভাই,আমার নিজেরও ভালো বন্ধু আছে যারা হিন্দুধর্মের অনুসারী। কিন্তু আপনিই বলেন আমি হিন্দুদের যে নিপীড়নের কথাগুলো উল্লেখ করলাম তা কি এদেশে হয়না? আর ঢালাওভাবে ইসলামকে আক্রমন করার কোনো চেষ্টা আমার ছিলো না। আমি এদেশের হিন্দুদের ওপর অত্যাচারের কথা বলেছি। এদেশের হিন্দুদের ওপর তো আর খ্রীষ্টান অত্যাচার করবে না; মুসলিমই করবে। আমি আমার লেখায় এটাও লেখছি যে ভারতে বা সারাবিশ্বেও মুসলিমদের ওপরও কম অত্যাচার হয়না। একবার ভাবেন, ধর্মকে আমরা মানবতার উপরে স্থান না দিলে কি এক ধর্মের ওপর আরেক ধর্মের এই আক্রমন গুলো হতো?


      ছোট হাতি

      জবাব দিন
      • hello tushar,
        i tried to read ur article and all comments. I dont know anything about my religion Islam apparently and obviously about others also. But I have some question to u.
        1. u mentioned and tried to interpret 2 ayyyat from Quran (it was not full). u dont think it hurts to much of Islamic view??? As u r trying to say again and again about only humanity!! what kind of humanity of ur?
        2. u only discussed about BD muslims characters and oppression by muslim. Was it not too much extreme? Is it not trying to agitate ur all beloved Hindu friends and would not make any chaos in our Bangladesh?

        Finnaly, i have some comments to u. From history where u didnt see any chaos based on religion? dont u think so where power is more then establishment becomes more? Is it only for Islam as u interpret our Quran's only 2 ayyat or other religion? here u captured the picture of hindu oppression, but u have any idea where muslims are more suppressed?? Could u tell me any religion where our Goddess tell us to kill people? is it only Quran? i dont think so. I hate all the people who use religion for their power and power implementation. And sorry to say I hate all the people like u who try to agitate all the human race to sum up all the religious views. Be good in ur own view. If we everybody become good and try to maintain humanity then no religion would not make any chaos and u like people don't need to make wrong (or right !!!) interpretation about all of secret books which can hurt every religious views.

        sorry, may be u will not publish my written. I couldn't get availability for bangla. But i don't have any regret for that. If u read it then it would be enough. I don't need peoples view to make my humanity choice.

        জবাব দিন
        • মুশফিকুর রহমান তুষার (২০০২-২০০৮)
          আমার লেখায় হিন্দুদের প্রতি সহমর্মিতা’র কারন এদেশের খ্রীষ্টান বা বৌদ্ধদের চেয়ে হিন্দুরা অনেক বেশী নির্যাতিত। আবার পৃথিবীতে এমন দেশও আছে যেখানে মুসলিমরা এর চেয়ে আরো অনেক বেশী নির্যাতিত। এর পিছনে একটাই কারন ধর্ম। যা কোনদিন সকল মানুষের মাঝে সম্প্রীতি আনতে পারেনি, পারবেওনা। এই পৃথিবীতে ধর্মের কারনে যত যুদ্ধ-হত্যা-লুন্ঠন-ধর্ষণ হয়েছে আর কোন কারনে তার সিকিভাগও হয়নি। দেশে দেশে ভাগাভাগি কিংবা যুদ্ধ প্রায় ৮০% ক্ষেত্রেই ধর্মের কারনে হয়। সব ধর্মই শান্তির কথা বলে তবে কেন আজ পৃথিবীর মোটামুটি সবদেশেই যুদ্ধ চলছে বা অশান্তি বিরাজ করছে? কারন মুখে শান্তির কথা বললেও ধর্মই মানুষের মধ্যে বিভেদ তৈরী করে দিয়েছে। ধর্মই আমাদের “রক্তের বদলে রক্ত” শিক্ষা দেয়। যেকারনে গুজরাটে মুসলিম মরলে এদেশে হিন্দু মরে। শুধুমাত্র দক্ষিন আমেরিকা ও ইউরোপের কিছু ধর্মছাড়া (ধর্মাবলম্বীদের সংখ্যা খুউউবই কম)দেশ আছে যেখানে কোন যুদ্ধ-অশান্তি নেই। সেসব দেশে মাসে দুয়েক’টা খুন হয়। দাঙ্গা-মারামারি তো একেবারেই হয়না। এর দ্বারাই বোঝা যায় শান্তির জন্য মানবতা দরকার; ধর্ম কোনভাবেই নয়।

          আপু আমি আপনার কিছু কথার সাথে একমত। সেটা আমি আমার লেখাতেও দিয়েছি। আপনার প্রশ্নগুলোর উত্তর উপরের উদ্ধৃতি পড়লেই খুঁজে পাবেন।


          ছোট হাতি

          জবাব দিন
  5. ছোটোভাই,

    প্যাটার্নটা খুব পরিচিত বলেই লিখলাম, জানিনা লাভ হবে কিনা।

    বিশ্বাস হারানোটা বড্ড সময়সাপেক্ষ একটা ব্যাপার। যুক্তিবাদী চেতনা তৈরি করাটাও তাই। তুমি এখন প্রাথমিক স্টেজে আছো। হয়তো প্রথমবারের মতন উগ্র ইসলাম বিদ্বেষী কিছু সাইটের বা বইপত্র দেখছো, শস্তা আলী সীনা, রুদ্র মোহাম্মদ দের রেসিস্ট আউট অফ কনটেক্সট পড়ছো। হয়তো ডকিন্স বা হিচেন্সের নিম্নশ্রেণীর আর্গুমেন্ট এ ভরা লেখাগুলো পড়ছো। এতে করে তোমার মাঝে প্রবল একটা ঘৃণাবোধ তৈরি হচ্ছে; তোমার বিশ্বাসকে আসলে প্রতিস্থাপিত করছে এদের লেখাগুলো। বিশ্বাসই বললাম কারণ নিজস্ব চেতনা এতো সহজে তৈরি হয় না, কারো সবকে সেটা পাওয়াও যায় না। ঘাঁড় ফুলিয়ে তর্ক করলেও আসলে কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যায়না; সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে আসলে উপলদ্ধি লাগে, এতো সহজে তা আসেনা। বাস্তবতাই মূল শিক্ষক যে! 🙂

    যদি ফ্যাশন বা হিট হওয়ার মেন্টালিটি থেকে না হয়ে সত্যিকারভাবেই জানতে চাও তাহলে বলবো আরো পড়ো; একসময় হয়তো বুঝতে পারবে পৃথিবীর কেউই আসলে সাদা বা কালো না। সবাই ধূসর। নিজের প্রয়োজনে সবকিছুকে ব্যবহার করে সবাই। সবার ধর্মই তাই আলাদা। হয়তো জানবে যে অন্যের মা কে গালি না দিয়েও নিজের মা কে প্রশংসা করা যায়।

    আরো একটু বড় হলে দেখবে তোমার সামনের সকল মানুষই আসলে মুখোশ পরে আছে। যাকে কঠিন গোঁড়া আস্তিক ভাবছো তার ভেতরেই হয়তো মানবতা লুকিয়ে আছে; যাকে তীব্র মানবতা লুকিয়ে আছে। যাকে উন্নত আদর্শের নাস্তিক ভাবছো তার ভেতরে আছে হাজার ভণ্ডামী। মানুষের সাইকোলজি এতটাই বিচিত্র আর হাজার বছর ধরে বয়ে চলা হাজারটা নিয়ামক তাকে এমনভাবেই প্রভাবিত আর চালিত করে যে স্রেফ ধর্ম দিয়েই সবকিছুকে যাচাই করার বোকামীটাও হয়তো একদিন তুমি আর করবে না।

    ভোগবাদ কিংবা নিহিলিজম আসবে তোমার মাঝে একদিন যদি নাস্তিকতায় থাকো। বেশিরভাগ নাস্তিকই ভোগবাদী হয়ে যায়, মানবতার ধুঁয়া তুলে নিজে ভোগে মেতে থাকে; বাকিরা হতাশাবাদী হয়ে যায় মানবতার পতন দেখে। এদের থেকে যারা উত্তরিত হয় তারা আসলে অজ্ঞেয়বাদী হয়ে যায়। পৃথিবীর মূল বিষয়গুলো নিয়ে এতো বেশি মাথা ঘামায় যে ওই ফালতু ঈশ্বরের থাকা বা না থাকা নিয়ে আসলে সময়ই ব্যয় করেনা।

    তাই আরো পড়ো। কপি পেস্ট বেশ সহজ, পড়াটা কিন্তু খুব কঠিন। বেশিরভাগ লোককেই দেখবে কিছু না পড়ে স্রেফ গুগোল আর উইকি থেকে কিছু কপি পেস্ট করে চালাচ্ছে। মূর্খতার চেয়েও বেশী ক্ষতিকর হলো জানার ভাণ করা। তোতাপাখির মতন না আউড়ে নিজের কাছে নিজে সৎ হওয়াটা তাই খুবই জরুরী। তাই পড়ো, ধর্মগ্রন্থ, ইতিহাস, মনোবিদ্যা, বিবর্তনবাদ, এনথ্রপলজি, পূরাণ, সাই ফাই, চমস্কি, সাইদ, ফিংকলস্টাইন, ছফা, আজাদ, শরীফ, মাতুব্বর, এলেক্স হালি, ম্যালকম এক্স, অরুন্ধতি, বুদ্ধ, জেন সবকিছুই পড়ো। তারপর নিজের পথ বেঁছে নিও।

    আর যাই করো অন্যের প্ররোচনায় চালিত হয়ে পোষা স্তাবকে পরিণত হয়োনা। তোমাকে ম্যানিপুলেট করার, শস্তা বাহবা দিয়ে দলে টানার লোক সবদিকেই পাবে। যেদিনই কোনো দলে ভীড়ে যাবে সেদিনই দেখবে তুমি আসলে তোতাপাখি হয়ে গেছো; অন্যের বুলি আউড়াচ্ছো। ব্যবহৃত হওয়ার মাঝে কোনো গৌরব নেই। নিজের পথ নিজেই বেছে নাও। কাউকে ওভার এস্টিমেট কোরোনা, আন্ডার এস্টিমেটও কোরোনা। সর্বদা নিজেকে প্রশ্নের জালে জড়াও। এইতো! 🙂

    জবাব দিন
    • মুশফিকুর রহমান তুষার (২০০২-২০০৮)

      ভাই, আমি হয়তো অনেক বেশী কিছু জানিনা; কিন্তু এই একটা লেখা প্রকাশ করার জন্য যতখানি পড়ালেখা করা দরকার ছিলো তা খুব যত্ন সহকারে করছি বলেই মনে করি।আমি কাউকে বা কোন ধর্মকে আঘাত করার জন্য লেখিনাই, আমার আসল উদ্দেশ্য মানুষকে এইটা বোঝানো যে ধর্ম আমাদের কিভাবে অন্যদের থেকে আলাদা করে ফেলছে।লেখার শেষ দিকে যেটা লেখছি ওইটাই এই লেখার আসল বার্তা।শান্তির জন্য মানবতা দরকার; ধর্ম কখনোই নয়।


      ছোট হাতি

      জবাব দিন
      • মাহমুদ (১৯৯০-৯৬)
        এই একটা লেখা প্রকাশ করার জন্য যতখানি পড়ালেখা করা দরকার ছিলো তা খুব যত্ন সহকারে করছি বলেই মনে করি

        - আর কি কিছু বলার থাকলো? যত্ন করে পড়ার অবস্থা যদি এ-ই হয়, তাইলে তোমার ব্লগ পড়তে আসার আগে ভাবতে হবে। অবশ্য আমার মতো দু'একজন পাঠককে গোণার মধ্যে না ধরলেও ক্ষতি নেই। পোষ্টের শেয়ারই বলছে অনেক কথা।

        শুভ ব্লগিং।

        ভালো কথা, ব্লগের নিয়মানুসারে কিন্তু কিছু-একটা বাদ পড়ে যাচ্ছে। এডজুটেন্ট স্যার নাই দেখে সিসিবি'র ডিসিপ্লিন বলে আর কিছু থাকলো না... কলিকাল...... (সম্পাদিত)


        There is no royal road to science, and only those who do not dread the fatiguing climb of its steep paths have a chance of gaining its luminous summits.- Karl Marx

        জবাব দিন
        • রাজীব (১৯৯০-১৯৯৬)

          মাহমুদ তুষার কিন্তু তোর প্রশ্নের উত্তরে এভেবে বলে নাই। এখানে ক্যান বলছে! খুব সিম্পল। তথাকথিত বড়ভাই এইখানে আইসা জ্ঞান দিছে।
          আর ভোগবাদ না ঘোড়ার আন্ডা।
          চার বিয়া, দাসী ভোগ, মূতা বিয়া ভোগ না তো কোনটা ভোগ?
          আর ধর্ম মানলে, জামাত করলে স্কলারশীপ পাওয়া যায়।
          নাস্তিক হইয়া তো এখনো কিছুই পাইলাম না।
          তয় খেরেস্তান হইলেও কিছু সুবিধা আছে।


          এখনো বিষের পেয়ালা ঠোঁটের সামনে তুলে ধরা হয় নি, তুমি কথা বলো। (১২০) - হুমায়ুন আজাদ

          জবাব দিন
    • hatts off u man (boro vai)!!
      i think u like people can choose the way where we should go. if we want to explain we can explain anything by thousands ways ( what is the main culprit reason of our trying to proof own haughtiness) . If we read Tushar's article we can motivate ourselves more hatred way. Tushar did same thing by his writing what is done by agressive Muslim and Hindu and all religion leader. We should have right to discuss and interact but we should not hurt any ones views.

      জবাব দিন
  6. রাজীব (১৯৯০-১৯৯৬)

    নাম বাঙলায়;অবস্থানকাল কই?
    আর ফ্রন্ট রোল কই?
    এইসব কি?
    দ্যাশ থিকা কি আদব লেহাজ কি উইঠা গেছে!
    বিষয়বস্তু স্পর্শকাতর, তবে সত্য।
    আর কোরান নিয়া আলোচনা সময় মতো করবো।
    যে আয়াতের উল্লেখ করেছিস তা আগে ঠিকমত পড়ে নেই; তাফসির দেখে নেই।
    তবে এ কথা অনস্বীকার্য যে কোরান- হাদিসে অনেক আউলা ব্যাপার আছে। বিভ্রান্তিমূলক কথা আছে।
    একটা অফটপিক কথা বলি।
    কোকা কোলা (ইংরেজি) উলটা করলে নাকি আরবিতে মুহাম্মদ নাই, মক্কা নাই (বা এরকম কিছু) দেখায়। তো এখন আমাগো কোক খাওয়া বন্ধ করতে হইবো; ইত্যাদি, ইত্যাদি। তো আমি বন্ধুরে (যে শেয়ার দিছিলো) কইলাম কুলহু সূরা উলটা কইরা পড়লে নাকি কুফরি কালাম হয়। তাইলে কুলহু সূরা কোরান থিকা বাদ দেওয়া হোক!
    তবে বাংলাদেশে হিন্দুরা যে নিগৃহীত এতে কোন সন্দেহ নেই।
    আর জনসংখ্যা কমার (হিন্দুদের) যে ডাটা দিছিস তা শুধু % এ না দিয়ে সঙ্খায়ও দিলে আরো ভালো হতো। মুসলমানদের জনসংখ্যা বৃদ্ধির আরেকটা কারণ এরা গন্ডায় গন্ডায় পয়দা করে, কয়েকখান বিয়া করে। আর মুখ দিয়াছেন যিনি, আহার দিবেন তিনি তে বিশ্বাসী হওয়ায় প্লাস অনেকেই জন্মনিয়ন্ত্রণকে ধর্ম পরিপন্থী মনে করে।
    যদিও ইসলামে জন্মনিয়ন্ত্রণ বৈধ।
    হাদিসটি এরমকম।
    এক লোক (সাহাবা) নবী মুহাম্মদের কাছে গিয়া বলল, হুজুর আমি আমার দাসীর সঙ্গে সঙ্গম করিতে ইচ্ছা করি, কিন্তু আমি চাই না সে গর্ভবতী হোক।
    মুহাম্মদ বললেন, তুমি আজল করতে পারো।
    (উল্লেখ্য ঐ সময়ে এই নিয়ম চালু করা হয় যে দাসীর সাথে সহবত করা যাবে কিন্তু গর্ভবতী হলে বিয়ে করতে হবে)

    আরেকটা মজার হাদিস মনে পড়ছে, কোন এক এলাকায় (বিধর্মী)আক্রমণ করে আইসা সাহাবীরা নবীরে বলল, আমরা (বিধর্মী) ওদের সাথে সহবত করেছি, তবে আজল করেছি।
    নবী বললেন, তোমরা আজল না করলেও পারতা।

    এখন বুঝি লন।


    এখনো বিষের পেয়ালা ঠোঁটের সামনে তুলে ধরা হয় নি, তুমি কথা বলো। (১২০) - হুমায়ুন আজাদ

    জবাব দিন
    • হুমায়ুন (২০০২-০৮)

      রাজীব ভাই শুধু কি এগুলাই নাকি? গাছ গাছালি রুটি চাপাতি শামুক ঝিনুক গুরু ছাগল সব কিছুর উপর সৃষ্টিকর্তার নাম দেয়া ছবি দিয়া ফেসবুক ভরা। আর নাইক এর জুতার পিছনে নাম দেইখা এদের ধরমানুভুতি চূর্ণ বিচূর্ণ হইয়া যায় 😛 😀


      তুমি গেছো
      স্পর্ধা গেছে
      বিনয় এসেছে।

      জবাব দিন
    • মুশফিকুর রহমান তুষার (২০০২-২০০৮)

      রাজীব ভাই, আমি খুবই লজ্জিত উপরোক্ত ভুলগুলোর জন্য। আমি ব্লগে একেবারেই নতুন। অনেক কিছুই জানিনা। তাই এই ভুলগুলো হইছে।আমি বিসিসি ২৫তম ব্যাচ; ২০০২-২০০৮ ব্যাচ। আমি ভুলগুলো ঠিক করে নেব।


      ছোট হাতি

      জবাব দিন
      • রাজীব (১৯৯০-১৯৯৬)

        কবে করবি চেঞ্জ?
        আগে কি বলেছি যে তোর মূল বক্তব্যের সাথে একমত?
        না বললে এখন বললাম।
        আর কোরানের আয়াত নিয়া এখনো স্টাডি করি নাই। বিজি ছিলাম।
        আমি আগে কোন এক লেখায় বা কোন লেখার কমেন্টে বলেছিলাম কোরানের একেক জায়গায় একেক কথা বলা হইছে।
        মদ খাওয়া নিয়াই তিন জায়গায় তিন রকম কথা।
        বাঙ্গালিরা লাকি যে বেশিরভাগ মুসলমান হানাফি সুন্নি। প্রত্যেকটা জিনিসের ব্যাখ্যা প্রত্যেকটা মাজহাব আলাদা আলাদা ভাবে দেয়।
        জামাতের আব্বা রাই কি করছে দেখ
        মউদুদীর একখান তাফসীর আছে।
        গো আযমের একখান আছে।
        আবার আল্লামা সাইদীর ও একখান আছে।
        তিনজন নিঃসন্দেহে এক কথাই লেখেন নাই। তাইলে?
        পুরাটাই গিরো।
        একমাত্র আমিন আর মাহমুদের (যারা সমালোচনা করেছে) মন্তব্যে কিছু যুক্তি আছে। বাকিরা? আর কইলাম না।
        প্রত্যেকটা ধর্ম পুরুষগো গান গাইছে।
        তবে একখান কথা ইসলাম বিজ্ঞানসম্মত।
        এক হাদিসে আছে
        কম বয়েসী (যাগো হায়েয শুরু হইছে) মাইয়াগো বিয়া করতে হইবো। কারণ কি?
        এগো গর্ভ সন্তান ধারণের জন্য প্রশস্ত থাকে।

        কয়দিন আগে একটা (বিবিসির) ডকুতে দেখলাম টিনেজ বয়েসে মেয়েদের গর্ভ প্রশস্ত হয়ে যায়।
        আর এই সভ্য সমাজ কয় ১৮ বছরের কম বয়সী কোন মেয়ের সাথে (বিবাহ বা বিবাহ বহির্ভূত) যৌন সম্পর্ক স্থাপন করা মানে রেপ!
        ইসলামী শাসন চাই।


        এখনো বিষের পেয়ালা ঠোঁটের সামনে তুলে ধরা হয় নি, তুমি কথা বলো। (১২০) - হুমায়ুন আজাদ

        জবাব দিন
  7. হুমায়ুন (২০০২-০৮)

    তুষার অনেক সুন্দর একটা লেখা। :boss: :boss: :boss:
    চিন্তা কইরো না, হাল ছেড়ো না চালায়া যাও । নিন্দুকেরা ছিল আছে থাকবে। আগে পরের আয়াত পরেন নাই, দেশে কি আর ধর্ম নাই?, নাস্তিকরা সবাই ভোগবাদী এইসব অভিযোগ উনাদের তোতাপাখির মত মুখস্থ। এতদিনের ধর্মের খোলস থেকে বের হয়ে আসা অনেক কঠিন। আমার মাথায় ও একটা পোস্ট আছে। কাল পরশু দিবো। B-)


    তুমি গেছো
    স্পর্ধা গেছে
    বিনয় এসেছে।

    জবাব দিন
  8. রায়েদ (২০০২-২০০৮)

    সূরা বাকারার ১৯১ আর ১৯৩ নং আয়াত দেওয়াটা অনেকটা হলুদ সাংবাদিকতার মত হয়েছে এবং এই জিনিসটাই মনে করাচ্ছে যে তুই খুব বেশি পড়ালেখা করিসনি। কিন্তু যখনই ধর্মের কারণে মানবতার উপেক্ষিত হওয়ার কথা বললি সেইটা পড়ে মনে হল এই ব্যাপারে তুই কিছু পড়েছিস, অনেক চিন্তা করেছিস এবং কিছু বাস্তব অভিজ্ঞতাও আছে।

    কোন এক মুভিতে শুনেছিলাম, মানুষ তাই বিশ্বাস করে যা সে বিশ্বাস করতে চায়। উপরের মন্তব্যগুলো পড়েও তাই মনে হয়েছে। যারা ইসলামকে খারাপ দেখাতে চায় তাদের অনেক প্রশ্নের উত্তর আমি আমার অজ্ঞতার জন্যে দিতে পারবোনা। কিন্তু একটা জিনিস বুঝি না তারা কি ইসলামে ভালো কিছুই দেখেনি। তাদের কথা লিখলে বা পড়লে মনে হয় ইসলাম যা বলা হয়েছে তা ভুলে ভরা, যারা এতে বিশ্বাস করে তারা কিছুই বুঝেনা, পড়েনা, খালি কোরান হাদিস আর এর তরজমা ছাড়া জীবনে আর কিছুই পড়েনাই।

    এইবার মূল কথায় আসি। আমি লেখকের সাথে একমত না। ধর্ম মানুষকে বিভেদ শেখায় এই কথা আমি বিশ্বাস করিনা। আমি বলবো মানুষ নিজের ভুল কাজকে সঠিক প্রমাণ করার জন্য ধর্মের ভুল ব্যাখ্যা দেয়।

    আমি বড় হয়েছি মংলায়। আশেপাশে অনেকগুলো হিন্দু অধ্যুষিত গ্রাম। প্রতিদিন অনেকেই আশেপাশের গ্রাম থেকে মংলায় কাজের জন্যে আসতো। এছাড়া মংলাতেও অনেক হিন্দু লোক ছিল। ছোটবেলা থেকেই তাই হিন্দু কিছু বন্ধুবান্ধব শিক্ষক প্রতিবেশী পেয়েছি।আমি দেখেছি মানুষ কিভাবে তাদের সাথে ব্যবহার করে। তুই যা বলেছিস তা সম্পূর্ণ অসত্য এইটা আমি বলবো না। কিন্তু যারা এইরকম আচরণ করে তারা শুধু হিন্দুদের সাথেই না স্বধর্মের মানুষদের সাথেও খারাপ আচরণ করে। কিন্তু হিন্দুদের সাথে এইরকম আচরণের পিছনে তুই যেই তরজমাগুলা করেছিস ওই তরজমাগুলাকে তারা নিজেদের সুবিধায় ব্যবহার করে। কিন্তু এইটা ধর্মের দোষ না, তার নিজের দোষ। এই মানুষগুলাকে তুই কখনোই মানবতার ধর্মে আনতে পারবি না। কারণ এইটা তাদের মধ্যে অনুপস্থিত।

    যারা অন্যের ধর্মকে গালি দেয় তারা স্বধর্মের মানুষদেরকে মা তুলে গালি দেয়। তাই কারো বিশ্বাস বা কারো উৎপত্তি নিয়ে প্রশ্ন না তুলে প্রত্যেককে তার নিজের কাজের জন্য দোষী করাই ভালো মনে হয়। (সম্পাদিত)

    জবাব দিন
  9. আমিন (১৯৯৬-২০০২)
    এরপর আমি এই বিষয়ে একটু পড়াশোনা করে দেখলাম ঐ “মুসলিম শুভাকাঙ্খী”কে দোষ দেয়া যায়না।

    তুমি পড়াশোনা করে জানতে পারছ ইসলাম এইটা সমর্থন করে। সেটা করে কি করে না সেটা আমার কাছে ইরেস্পেকটিভ আমার কাছে যেটা বুঝার ব্যাপার সেটা হলো ঐ ভদ্রলোক পড়াশোনা করে ঐ উপলব্ধিতে পৌঁছে ঐ স্ট্যাটাস দিছে কিনা। খুব সম্ভবত না। মূলত মেথোডিস্ট কিছু বাদে আমাদের হিন্দু মুসলিম ধর্মাচরি মূলত কিছু মিলমিশ সাবকন্টিনেন্ট কালচার। যেমন : কদমবুসি করাটা আগে হিন্দু কালচার থাকলেও এটা এমনভাবে মুসলিম কালচারে মিশে গেছে যে এটা মুসলিম আদব ভাবলে কাউকে দোষ দেয়া যাবে না।

    পোস্ট বিষয়ে বলি, তোমার সাথে আমি একমত এদেশে সাম্প্রদায়িক অসম্প্রীতি মূলক মনোভাব আছে। তবে তুমি যেভাবে উপস্থাপন করেছ তাতে মনে হয়েছে ধর্ম পালন করার কারণেই অন্য ধর্মের প্রতি মানউষের বিদ্বেষ তৈরি হয়েছে। আমার কাছে মনে হয়েছে আসলে ব্যাপারটা পুরোপুরি সঠিক না।

    মূলত দায়ী দুই ধরণের ফেনোমেনা। একটা হলো ধর্মের প্রতি অবসেশন। যার ফলে সবকিছুকেই তার ধর্মের আলোকে ব্যাখ্যা করবার চেষ্টা করা হয়। ধর্ম কে জীবনের চাইতে বেশি গুরুত্বপূর্ন মনে করা হয়। এমতাবস্থায় মানউষের মাঝে স্বাভাবিক বোধ লোপ পায়। সেক্ষেত্রে হিন্দু না এমনকি নিজ ধর্মেরও যারা মেথোডিস্ট না তাদের প্রতি বিরূপ ভাব চলে আসে। তবে এই জিনিসটা সাম্প্রদায়িকতার বিষ বীজ বপন করে। আর এমন মেথোডিস্ট লোকরা তাদের সন্তান কিংবা আশেপাশের মানুষের মাঝে এই বিষ ছড়িয়ে দেন। এর উদাহরণ দএখা যায়, মুসলিম হয়ে হিন্দুকে ঘৃণা তো বটেই মুসলিম হয়ে ' অপ্রকৃত মুসলিম' দের প্রতি তারা বিদ্বেষ ভাব পোষণ করেন।

    দ্বিতীয় কারণটা হলো বেশি জরুরী, সেটা হলো পয়েন্ট অফ সারভাইবাল। সারভাইবালের জন্যই মানুষ গোত্র বদ্ধ হয়। সম্প্রদায় তৈরি হয় ; সাম্প্রদায়িকতাও তৈরি হয় সেখানেই। এর ফলে মানুষের মাঝে সম্প্রদায়ের প্রতি দায়বদ্ধতা বাড়ে। সম্প্রদায় গড়ে উঠে নিজেদের মাঝে কমন কিছুকে ভিত্তি করে। ধর্ম এই সাম্প্রদায়িকতার অন্যতম প্রধান অনুষঙ্গ হলেও এটা ওটা নানান জিনিসই মানুষের মাঝে বিভেদ উস্কে দেয়। আর সাম্প্রদায়িক সুবিধা নেয়া হয় মূলত স্বার্থ সংঘাত আর স্বার্থ হাসিলের জন্যই। আরেকটু ডিপে যাওয়ার আগে আরেকটা ছোট প্রশ্ন , মানবিকতা বোধ যদি সবার উর্ধ্বে উঠতো তাহলে জাতীয়তাবাদী ভাবনা গুলো এখনো থাকতো কি?? ধর্মের নামে যেমন মানুষ ভাগ করা ঠিক না, রাষ্ট্রের নামে কি ভাগ করা উচিত?? সীমান্ত নামক জিনিসটা কি যথেষ্ট অমানবিক নয়?? সীমান্তের ওপারের মানুষ যদি না খেয়ে মরে তাহলে কাটাতারের বেড়া অতিক্রম করে দেখতে যাওয়ার মানবিকতা দেখানোর সুযোগ নাই তাই না?

    এবার বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক সংঘাত বইষয়ে আমার ভাবনা বলি। প্রথমত পোস্টে তুমি উল্লেখ করেছো নির্যাতিত হওয়ার ব্যাপারটা হিন্দুদের উপর বেশি। কথাটা পুরো সত্য নয়। আদিবাসী দের উপর নির্যাতনের হারও কিন্তু একদম কম না। এর মূলে কি? ইতিহাসের পিছনে গেলে ব্যাপারগুলো পরিষ্কার হয়। বাংলায় সেন বংশের শাসন হটিয়ে ইনভেড করেছিলো মুসলিম রা। সো রাষ্ট্র ব্যবস্থার পরিবর্তনে সুবিধাভোগীরা বদল হয়। তো যারা সুবিধা হারালো তারা যে হিন্দু সেটা বলার অপেক্ষা রাখে না। তারা মুসলিমদের আগ্রাসন ভালোভাবে দেখবে না সেটাই স্বাভাবিক। (সেন বংশের আগে বৌদ্ধ পাল বংশ ছিলো সেই আলোচনা উহ্য থাকলো।)। এবং ১২০০ থেকে ১৭৫৭ পর্যন্ত সময়টা মুসলিম শাসকদের সময়ে হিন্দুরা ব্যাকফুটে ছিলো। এই সময়ে শত্রুর শত্রু বন্ধু থিউরীতে নিম্ন বর্নের হিন্দু যারা আগে অত্যাচারিত ছিলো তারা কনভার্ট হলো। ফলে বিদ্বেষ দুই পক্ষেই ছিল ঠাণ্ডাভাবে। ব্রিটিশ আমলে ব্রিটিশ শাসনের সুযোগ হিন্দুরা নেয়। আর মাথা মোটা মুসলিমরা পিছিয়ে পড়ে সভ্যতার সাথে খাপ খাওয়াতে। সেখান থেকে দ্বিজাতি তত্ত্ব ইত্যাদি। পুরোটায় যাচ্ছি না শুধু বলবো এই যুগ যুগান্তরের বিদ্বেষী মনোভাব থেকে বের করে আনতে পারে আসলে শিক্ষা। শিক্ষা বলতে একাডেমিক শিক্ষার চেয়ে নিজের মনুষ্যবোধের জাগরণকে বুঝাচ্ছি। সমস্যা হলো সেই শিক্ষা এখনো পৌঁছাতে ব্যর্থ। আর সময়ের সাথে সাথে সবকিছুই এখন সরলীকৃত।

    কিন্তু আসল ব্যাপার আমি যেটা বুঝাতে চাচ্ছি সমস্যা কিংবা বিদ্বেষের মনোভাব কোন ধর্ম গ্রন্থ মেনে হয়নি বরং তা হয়েছে নিজেদের স্বজাত্যবোধ এবং ক্ষমতার মোহ থেকে। অত্যাচারের ব্যাপারটা আমি মানি হিন্দু হওয়ার কারণেই এদেশে অনেকে অত্যাচারিত হয়। তবে সেটা সে হিন্দু ধর্ম পালন করে বলে নয়, বরং সে দুর্বল আর হিন্দু হওয়ার কারণে তার সাহায্যে এগিয়ে আসা লোকের অভাবে সে আরো দুর্বল। দুর্বল মুসলিম ও অনেকে অত্যাচারিত হয়, তবে ঐ যে আমাদের স্বজাত্যবোধে মুসলিমদের পক্ষে যতলোক আসলে তার সংখ্যা হিন্দুর পক্ষে যতলোক আসবে তার চেয়ে বেশি (অবশ্যই ব্যাপারটা দুঃখজনক।)। মূল ব্যাপারটা হলো অত্যাচারিত যে হয় তাকে মুসলিম হিন্দুতে ভাগ করবার দরকার দেখি না। অত্যাচারের ধর্ষণের লুণ্ঠনের কথা যা শুনি কখনো শুনেছো কোন অবস্থা সম্পন্ন লোক কিংবা ক্ষমতাশীল লোক এর শিকার হয়েছেন। সুরঞ্জিত বাবু কেলেঙ্কারি করলে সেটা নিয়ে অনেকে হিন্দু বলে এমন করছে বলতেসে খুবই খারাপ একটা কাজ। এবং দুর্নীতি দুর্নীতিবাজের দুর্নীতি হিন্দুর দুর্নীতি না এটা আমরা সবাইকে বুঝানোর চেষ্টা করছি। কিন্তু অত্যাচার কারো উপর হলে তাকে কেন হিন্দুর উপর অত্যাচার কিংবা মুসলিমের উপর অত্যাচার বলে ভাগ করবো?? ব্যাপারটা হলো ক্ষমতাশীলদের ক্ষমতাহীনের উপর অত্যাচার। এর পিছনে ইন্ধন ছিলো কিছু ক্ষমতাশীল লোক যারা ধর্মের নামটা ব্যবহার করেছে।

    কিছুদিণ আগে ফেসবুকে আমার মোটামুটি কাছের একজন রিলেটিভকে মন্তব্য করতে দেখলাম একজন ধর্ষক শিক্ষককে নিয়ে। তিনি ঐ খারাপ লোকটা হিন্দু বলে সেই লোক আর পরিমল দুই হিন্দু এমন কোন কো রিলেশন টানার চেষ্টা করলেন। আমার মনে হলো, তাকে গিয়ে বলি, তাহলে স্বীকার করে নেন সব মুসলিম টেরোরিস্ট। শিক্ষিত যেকোন লোকের বুঝা উচিত যে শিক্ষক ধর্ষণ করেছেন তিনি যেমন ধর্ম গ্রন্থ মেনে করেন নি, তেমনি যেই ব্যাটা বোমা ফাটায় সেও ধর্ম গ্রন্থ পড়ে করে না।

    মানবতার কথা গুলো আপাতত সুন্দর শোনা যায়। কিন্তু প্রায়োগিক দিক থেকে পৃথিবীতে বেশিরভাগ মানুষের মাঝেই সাম্প্রদায়িকতা দেখি। কেউ ধর্মকে কমন করে, কেউ দেশকে কমন করে, কেউ অর্থনৈতিক সামাজিক অবস্থাকে কমন ধরে ( গরীবের বা ফকিরের বাচ্চা এটাও নিশ্চয়ই শুনছো , এট টাইমস আমি নিজেও মেজাজ হারিয়ে বড়লোকের বাচ্চা বলে গালি দেই), অঞ্চল প্রীতি ( চট্টগ্রাম সিলেট নোয়াখালী উত্তর বঙ্গ দক্ষিণ বঙ্গ কিছু একটা কমন ধরে ) ইত্যাদি অনেক। তাই ষহুধু ধর্ম বন্ধ করে দিয়ে নির্যাতন কমবে না বরং অন্য কিছুর নাম নিয়ে ক্ষমতাবানরা ক্ষমতাহীনকে অত্যাচার করতে থাকবে।

    লেখাটা ভালো লেগেছে। যদিও প্যাটার্নড জিনিস গুলো নিয়ে চিন্তা করছো এটা খুবই এনকারেজিং। তবে মন্তব্যগুলোতে হতাশঢয়েছি। লেখার সাথে সাথে মানুষের মতামত গুলোকে সরাসরি উইয়ে না দিয়ে সেগুলো নিয়ে ভাবা এবং তা থেকে কিছু গ্রহণ করবার চেষ্টাও জরুরি।

    ভালো থেকো।
    শুভকামনা।

    জবাব দিন
    • রায়েদ (২০০২-২০০৮)

      শুধু শুধু মন্তব্য করতে গেলাম। আপনার মন্তব্যে এসে :thumbup: দিয়ে গেলেই চলতো।আরেকটু আগে মন্তব্য করলে আমার মন্তব্যটা করে অজ্ঞতা জাহির করতে হত না। :bash: :bash:

      আপনার সাথে ততটুকু একমত যতটুকু নিজের মন্তব্যের সাথেও না। :thumbup: :thumbup:

      জবাব দিন
    • মাহমুদ (১৯৯০-৯৬)

      @আমিন,
      কেবলমাত্র একটা ব্লগের আইডিয়া নিয়া চিন্তা শুরু করেছিলাম। তোমার এই মন্তব্য দেখে মনে হচ্ছে সেটা আর না-লেখলেও চলবে। :thumbup: :thumbup:


      There is no royal road to science, and only those who do not dread the fatiguing climb of its steep paths have a chance of gaining its luminous summits.- Karl Marx

      জবাব দিন
    • হুমায়ুন (২০০২-০৮)

      আমিন ভাই চমৎকার লিখেছেন কিন্তু প্রবলেম হল লেখার শেষে এসে প্রথমের অংশগুল ভুলে যাচ্ছি । 🙁 🙁
      আপনার কথায় অনেক ভাল ভাল যুক্তি আছে। ঠিক বলেছেন যে সব মুসলমানই সুইসাইড বম্বার না। কিন্তু এটাও কিন্তু ঠিক যে যারা বুকে বোমা বেধে আত্মঘাতী হয় তাদের অনেককেই (তা মুসলমানই হোক বা হিন্দুই হোক) পরকালিন মুলা দেখানো হয়। আপনি আমি হয়ত এই মূলার আশায় গাধা হব না কিন্তু জিহাদি জোশে, হুর গেলমানের লোভে গাধা হবার লোকের কিন্তু অভাব নেই। সো যাই বলেন না কেন এই ধ্বংসলীলার সাথে ধর্ম প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ ভাবে জড়িত। হয়তো ধর্ম সরাসরি বোমা মারতে বলে নাই বাট এমন সব মানুষ এটা নিয়ে ব্যাবসা করতেসে যাতে দায়ভার ধর্মের উপরেই বর্তায়। কিন্তু আফসোস আল্লাহ্‌ এইটা বুইঝাও তাদের শাস্তি দেয় না অথবা উনিও গাধার সামনে মূলা ঝুলানোর পক্ষে।


      তুমি গেছো
      স্পর্ধা গেছে
      বিনয় এসেছে।

      জবাব দিন
      • আমিন (১৯৯৬-২০০২)
        সো যাই বলেন না কেন এই ধ্বংসলীলার সাথে ধর্ম প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ ভাবে জড়িত। হয়তো ধর্ম সরাসরি বোমা মারতে বলে নাই বাট এমন সব মানুষ এটা নিয়ে ব্যাবসা করতেসে যাতে দায়ভার ধর্মের উপরেই বর্তায়।

        আমি যাই বলি তার পরেও তুমি যদি তোমার বক্তব্য বলে যেতে থাকো তাহলে কষ্ট করে আসলে কিছু বললেই সেটা সময়ের অপচয়ই মনে হয়। তারপরেও তোমার কমেন্ট টা দেখে কিছু বলবার দরকার মনে করলাম।

        আমি আমার মন্তব্যে অনেকগুলো বিষয় নিয়ে বলবার চেষ্টা করেছি। মুখ্যা বিষয়গুলোর চাইতে একেবারেই একটা গৌণ বিষয় নিয়ে তোমার কমেন্টের উত্তর দেখে অনুমান করতে পারি তুমি আমার কমেন্টের মাঝে প্যাটার্ন খুঁজেছো। এবং প্যাটার্নড কী ওয়ার্ড পেয়ে ঝাঁপ দিয়েছো। সুইসাইড বোম্বার যারা তারা মুসলিম তারা দেহ ও দ্রাক্ষার লোভে এই জাতীয় কাজ গুলো করে এতে আমি কোন ডাউট দিয়েছি ? আমার মন্তব্য পড়ে বলো। আমি বলতে চেয়েছি এর মূল কারণ ধর্ম পাঠ না বরং মাথায় কন্ট্রোল সিস্টেমের অভাব। শিক্ষা সেই জিনিসটা দিতে পারে। সেটার অভাব থাকলে ধর্ম দিয়ে নয় শুধু অনেক অনুষঙ্গ থেকেই সাম্প্রদায়িকতা আসতে পারে। সেই অনুষঙ্গ গুলো নিয়ে বলতে চেয়েছি মাত্র।

        আর সুইসাইড বম্বিং এর যদি ধর্মের ঘাড়ে বর্তায়-- কথাটি এমন শোনাচ্ছে যে পর্ন দেখার দায় ইন্টারনেট বা প্রযুক্তির ঘাড়ে বর্তায়।

        যুদ্ধের পিছনে হানাহানির পিছনে ধর্মকে দায়ী করছ। মানি ধর্মের কারণে পৃথিবীতে অনেক রক্তপাত হয়েছে। কিন্তু সমানশলেও সত্য ধর্মের কারণ ছাড়াও অনেক মানবতা বিরোধী অপরাধ হয়েছে। সব বাদ দাও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে হিরোশিমা আর নাগাসাকি তে এটম বোমা মেরে মানবতার বিরুদ্ধে যে অপরাধ হয়েছে সেটা কোন ধর্মের রাহে হয়েছে বলো তো !!। দুইটি মহাযুদ্ধের কোনটি কি ধর্মের কারণে হয়েছে?? আমি ধর্মকে ধোয়া তুলসী পাতা প্রমাণের দায়ে নামী নাই আমি শুধু বলতে চাইছি শুধু ধর্মকে তুলে দিলেই মানুষে মানুষে ভেদাভেদ দূর হয়ে যাবে না। ধর্মহীন রাষ্ট্রগুলো অনেক ভালো চলছে একথা ঠিক। আবার অতীতে ভালো চলেনি (আলবেনিয়া) একথাও ঠিক। আমার মনে হয়েছে তাই কোরিলেশনটা শুধু ধর্মের না। মানুষের মোর‍্যাল ভ্যালু অর্থনৈতিক স্বচ্ছলতার উপরেও অনেকখানি নির্ভরশীল।

        মন্তব্য পড়ে টু দ্যা পয়েন্ট মন্তব্য করলে ভালো হয়। আউট অফ কনটেক্স আলোচনা করলে আলোচনা শুধু বড় হবে কিন্তু পজেটিভ কিছু হবে না।

        ভালো থেকো।

        জবাব দিন
        • রাজীব (১৯৯০-১৯৯৬)

          আমিন ধর্ম যে একটা ফ্যাক্ট এইটা অস্বীকার করার উপায় নাই। ২য় বিশ্বযুদ্ধে আমেরিকার অংশগ্রহণের অন্যতম কারণ ছিলো ইহুদীদের চাপ।
          আর পার্ল হারবারের ঘটনাটা অনেকেই এভাবে দেখেন যে রুজভে্লট প্রশাসন পূর্বে থেকে জানার পরও চুপচাপ ছিলেন। কারণ যুদ্ধে জড়াতে গেলে তো একটা রিজন লাগবে।
          আর হিটলারের ইহুদী হত্যা কি ধর্মীয় না কোনভাবেই???!

          কিন্তু এখন সবকিছুর মূলে ইকোনমিক্স। আর এই যে রথযাত্রার ব্যাপারটা তাও কিন্তু ইকোনমিক্স!
          ১৫০০ বছর আগে পানির মালিকানা নিয়া যুদ্ধ হইছে। কারণ কি? রথের মৌসুমে পানি বেইচা ভালো পয়সা আসে।


          এখনো বিষের পেয়ালা ঠোঁটের সামনে তুলে ধরা হয় নি, তুমি কথা বলো। (১২০) - হুমায়ুন আজাদ

          জবাব দিন
          • আমিন (১৯৯৬-২০০২)

            রাজীব ভাই, আলোচনা অন্যখাতে যাক এটা চাইনি, এখনো চাচ্ছি না। আমার প্রশ্নটা ছিলো ধর্মের কারণে যতটা উদ্ভব তার চেয়ে অনেক বেশি দায়ী জাতীয়তাবোধ --এটা নিশ্চয়ই মানবেন। হিটলারের ইহুদী হত্যাকে ধর্মীয় কারণ বলার চেয়ে জাতিগত ঘৃণাই বেশি নয় কি?? কেউ ইহুদী ধর্ম পালন করে সেজন হিটলার ইহুদী মারেন নি বরং ইহুদীর ঘরে কারো জন্ম সেজন্যই হিটলার ইহুদী মেরেছেন। তুলনা এরকম, ধরেন এই মুহূর্তে কোন এক নায়ক মুসলিম নিধনের সিদ্ধান্ত নিলেন। তখন কিন্তু কে ইসলাম ধর্ম পালন করে এই বিবেচনায় সে নিধন করবে না কিংবা ধর্ম প্র‍্যাকটিস করি না বলে আপনি আমি মুসলিম নিধনের হাত থেকে বাঁচতে পারবো না। নাম দেখবে মুসলিমের ঘরে জন্ম কিনা দেখবে তারপরে নিধন করবে। তাই না??? তাহলে ফ্যাক্টর কি হলো ধর্ম নাকি স্বজাত্যবোধ কিংবা কোন জাতির প্রতি আনরিজনড হেট্রেড??

            আমি এই বিষয়টাই বলবার চেষ্টা করেছি। আর ধর্ম কোন ফ্যাক্টর না এমন ক্লেইম আমি কোথাও করেছি কি?? ধর্মের কারণে দুনিয়ায় অধর্ম হয়েছে সেটা আমি মেনেই বলা শুরু করেছি। আমি যেটা বলতে চাইছি ধর্মপালন সাম্প্রদায়িকতার একমাত্র চালিকা শক্তি না।

            ছোট ভাইরা চমৎকার কিছু কথার অবতারণা করেছে। তাদের অনেক কথাই আমার ভালো লেগেছে। কিন্তু অসাম্প্রদায়িকতা মানে সম্প্রদায়কে গালি দেয়া না বরং সাম্প্রদায়িকতাকে গালি দেয়া সেটা বুঝাটাও জরুরি। নয়তো সম্প্রদায়কে গালি দিতে দিতে নতুন ধরণের সাম্প্রদায়িকতা তৈরির সম্ভাবনা থেকে যায়। আমার মনে হয়েছে আমি যথেষ্ট পরিষ্কার ভাবেই প্রবলেম গুলোকে এপ্রোচ করেছি এবং আমার মতামতও ভালৈ বুঝা যায়। তারপরেও যদি দেখি এত টপিক বাদে মুসলমানদের সুইসাইড বোম্বিং এই অংশটাই কমেন্টের রিপ্লাইয়ে আসে কিংবা জন্মসূত্রে পাওয়া ইসলাম ধর্মের বিরোধিতা টা খারাপ লাগছে বলে কঠিন মন্তব্য করছি -- এমন ধারণা মানুষের থেকে পাই সেটা হতাশাজনকই। আপনি নিশ্চয়ই বুঝতে পারছেন আমি কী বলতে চাইছি।

            জবাব দিন
            • মাহমুদ (১৯৯০-৯৬)
              নয়তো সম্প্রদায়কে গালি দিতে দিতে নতুন ধরণের সাম্প্রদায়িকতা তৈরির সম্ভাবনা থেকে যায়

              - এটা আর শুধুমাত্র সম্ভাবনা নয়, বাস্তব; আর উদাহরণ এই পোষ্ট এবং অনুরূপ আরো অনেক......
              এই ধরণের পোষ্ট কোন ভাবেই মুক্তমনের বা বুদ্ধিচর্চার উদাহরণ নয়, বরং আরেক ধরণের সাম্প্রদায়িকতা বা মৌলবাদ, যা' ধর্মীয় সাম্প্রদায়িকতা/মৌলিবাদের বিপরীতে; কিন্তু আদতে একই জিনিস।


              There is no royal road to science, and only those who do not dread the fatiguing climb of its steep paths have a chance of gaining its luminous summits.- Karl Marx

              জবাব দিন
    • আসাদুজ্জামান (১৯৯৬-২০০২)

      শিক্ষিত যেকোন লোকের বুঝা উচিত যে শিক্ষক ধর্ষণ করেছেন তিনি যেমন ধর্ম গ্রন্থ মেনে করেন নি, তেমনি যেই ব্যাটা বোমা ফাটায় সেও ধর্ম গ্রন্থ পড়ে করে না।

      সহমত। :thumbup:

      জবাব দিন
  10. শরিফ (০৩-০৯)

    বড় আসা নিয়ে লেখাটি পড়া শুরু করেছিলাম যে লেখাটি সাম্প্রদায়িক বৈষম্য নিয়ে লেখা হতে পারে । কারণ আমাদের দেশের অনেক হিন্দু সাম্প্রদায়িক নির্যাতনের স্বীকার । লেখাটি পড়ার আগেই আমি মনে মনে একটা সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম লেখক কে স্যালুট জানাবো এই লেখার জন্য । কিন্তু লেখাটা পড়ে বুঝা গেলো ধর্মই একমাত্র দায়ী এর জন্য । খুবই হতাশ হলাম এর জন্য ।

    আমি শুধু দেখাতে চেষ্টা করেছি যে বাংলাদেশে যুগ যুগ ধরে ধর্ম কিভাবে মানুষকে, পশুর দিকে নিয়ে যাচ্ছে।

    কথাটি খুব খারাপ লাগলো । কথা থেকে বুঝা যায় আমি দিন দিন পশুর দিকে যাচ্ছি , আমার আব্বু -আম্মু পশুর দিকে যাচ্ছে , আমার সব ধর্মীয় ভীরু লোকেরা পশুর দিকে যাচ্ছে , তাই না ?
    পড়ে এই ব্যাপারে বিস্তারিত মন্তব্য করবো । লেখাটি খুবই হতাশ করলো , যে আসা নিয়ে লেখাটি পড়তে এসেছিলাম সেটা পেলাম না । সব কিছুর জন্য ধর্মকে দায়ী করা হাস্যকর লাগলো ।

    জবাব দিন
    • মুশফিকুর রহমান তুষার (২০০২-২০০৮)

      আমি যেহেতু ২০০৮ ব্যাচ তাই তুমি করেই বলি,
      তুমি বা তোমার বাবা-মা কি সত্য কথা বলে ধর্মের আদেশের কারনে নাকি নিজেদের গুণে? যে ভালো মানুষ সে এমনিতেই ভালো কাজ করবে, যে খারাপ সে এমনিতেই খারাপ কাজ করবে।ইসলাম সুদ-ঘুষ হারাম করে দেবার পরও কিন্তু এদেশের মানুষের সুদ-ঘুষ বন্ধ করা যায়না। আবার একই ভাবে মানুষকে সাহায্য করা বা অন্য ভালো কাজ গুলোও কিন্তু মানুষ ধর্মের জন্য করেনা। পৃথিবীতে এমন অনেক দেশ আছে যেখানে ধর্মের উপস্থিতি নাই বললেই চলে কিন্তু সেসব দেশের মানুষ কিন্ত শান্তিতে আছে। আবার সৌদি আরব বা খ্রীষ্টান প্রধান দেশের মানুষ ধর্ম নিয়ে থাকার পরও কিন্তু শান্তি নাই।
      তাই আমার কথাটার ভুল অর্থ কইরোনা, যে ভালো সে এমনিই ভালো কাজ করবে। যে খারাপ সে এমনিই খারাপ কাজ করবে। আইনের শাসন থাকলে খারাপ কাজ দমন করা যাবে। সহজ সরল এই সমীকরনেই সুইজারল্যান্ড বা ডেনমার্ক টাইপ দেশগুলো চলতেছে। প্রাতিষ্ঠানিক ধর্ম ছাড়াই; মানবতার ধর্মের অনুসারে।
      কিন্তু ধর্মযুদ্ধ-সাম্প্রদায়িকতা এসব বিষাক্ত জিনিস অনেক ভালো মানুষকেও খারাপ করে দেয়। আমি তাদের কথা বলছি। আমার মনে হয় তোমার মন খারাপ ভাব দূর হবে।


      ছোট হাতি

      জবাব দিন
      • শরিফ (০৩-০৯)
        যে ভালো মানুষ সে এমনিতেই ভালো কাজ করবে, যে খারাপ সে এমনিতেই খারাপ কাজ করবে।

        আপনার কথার প্রেক্ষিতেই আপনাকে প্রশ্ন করা যায় যে যে মানুষ খারাপ কাজ করবে তার দোষ কেন ধর্মের উপর আসবে ? ধর্মের অপব্যবহার কারীদের জন্য ধর্মের দোষ দিতে হবে ?অনেক মানুষ এখন খারাপ কাজ করার জন্য ধর্মীয় লেবাস ধারণ করে । মুখে দাঁড়ি রাখে , কারণ তারা জানে দাঁড়ি রাখলে অথবা ধর্মীয় লেবাস ধারণ করে খারাপ কাজ করতে গেলে মানুষ তাকে সন্দেহ করবেনা ।আর ভাই ধর্মের কারণে মানুষ অনেক ভাল কাজও করে । পরকালের ভয়ে অনেক মানুষ অনেক খারাপ কাজ থেকে বিরত থাকে, রমযান মাসে গরিব দুঃখীদের দান খয়রাত করে এছাড়াও অনেক দান খয়রাত করে । ধর্মের বিরুদ্ধে আজকাল ইন্টারনেটে বসে অনেক কিছুই লেখা যায় , কিন্তু ধর্মের মূল জিনিস কেউ বোঝে না । নাস্তিকরা বাছাই করা কিছু লাইন কোটেশন হিসেবে ব্যবহার করে এর আগে , পড়ে সব লাইন বাদ দিয়ে ।
        এই যেমন কুরআনে একটা মনে আয়াত আছে ," তোমরা মসজিদে যেয়ো না , যদি মদ্য পান রত অবস্থায় থাকো " । এখন যদি শেষের অংশ বাদ দিয়ে কেউ বলে কুরআনে লিখা আছে , " তোমরা মসজিদে যেয়ো না" তাইলে তো সম্পূর্ণ অর্থই পরিবর্তন হয়ে যাবে ।
        অনেকে কুরআন এর বিরুদ্ধে কিছু লিখেই তার জ্ঞান জাহির করার চেষ্টা করে । কিন্তু তারা কেউ পুরো কুরআন ভাল ভাবে পড়ে দেখেন নি , তাফসির দেখেন নি । অনেক নাস্তিকেরাই ভোগবাদী হয় , মানবতা নামক শব্দ নিয়ে খালি কথা বলে কিন্তু বাস্তবে তা খুব কম দেখা যায় ।
        তাই নাস্তিকতা জাতীয় হাজার কথা আসলেও আমার আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস থেকে কেউ এক চুল নড়াতে পারবে না । আমি সৃষ্টিকর্তার প্রতি এতো বড় অকৃতজ্ঞ নই ।

        জবাব দিন
        • @ শরীফ--তোমাকে ধন্যবাদ শরীফ। আমি অনেক কিছু চিন্তা করছিলাম কিন্তু গুছিয়ে লিখতে পারছিলাম না লেখালেখির হাত ভালো না বিধায়। আশেপাশের বিভিন্ন বিশ্বাসের লোকজনকে আঘাত করে নিজের বক্তব্য বলতে চাওয়াটা যে কোন মানবতাকে প্রতিষ্ঠিত করলো সেতা লেখকই ভালো বলতে পারবেন। কোন ধর্মকে গালি না দিয়ে অনেক কিছু বুঝিয়ে বলা যায়। প্রতিটা ধর্মের মূল বক্তব্য সুন্দর এবং কল্যাণকর, মানুষের খারাপ কাজের দোহাই দিতে কেন ধর্মকে অধিকাংশ লোক টেনে আনেন জানিনা।

          জবাব দিন
  11. সানাউল্লাহ (৭৪ - ৮০)

    নিচের মন্তব্যকারী আমার একজন সাবেক সহকর্মী। ও এখন যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী। ফেসবুকে ব্লগটার লিংক পেয়ে ওখানে মন্তব্য করেছে। আমার মনে হলো, এখানে লেখক এবং পাঠক-মন্তব্যকারী সবারই ওর অভিজ্ঞতা পড়া, জানা-বোঝা দরকার।

    "সত্যিটা হচ্ছে এই কথাগুলো তীব্রভাবে অনুভব করলেও বলবার উপায় নেই। এই যে লিংকটা শেয়ার করছি তাতেও ভয় হচ্ছে পাছে আমারই আপন কোন বন্ধু না-খোশ হয়...... আর লেখককে ধন্যবাদ কি দেব? বেচারার গলায় কমেন্ট নামক যে মালা ঝুলে পড়েছে তার ভার তার পক্ষে সইতে পারা দুষ্কর হবার কথা। ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতাগুলো বলার প্রয়োজন বোধ করছি না কারন লেখাতে সেগুলো কোন না কোন ভাবে উঠে এসেছে। ও একটা কথা বলতেই চাই .....আজকে যারা মিয়ানমারের ঘটনায় চক্ষের জলে ভেসে যাচ্ছেন .. তারা হয়ত খেয়াল ও করতে পারেন না গত ৭ দশক ধরে এটা এই পূর্ব বাংলা/ পুর্ব পাকিস্তান / বাংলাদেশেও ঘটেছে এবং ঘটছে....এবং তাতে কোন সরকারের কিছু এসে যায়ও না। কি বলেন তো হিন্দু সম্পত্তির মত এত আয়াস সাধ্য আর কিছু আছে..? আওয়ামীর একটু লস আছে হয়ত "রিজার্ভ ভোট ব্যাংক"। ভোটে জিতে সম্পত্তি দখলে বাধা নেই। একটার পর একটা মন্দির ভাঙ্গচুর হোক, পত্রিকার এক কোনে ছোট্ট একটা নিউজ, আর কিছু? প্রতিমা চুরি হোক , উদ্ধার হবে না। আজকাল তো নতুন কালচার মসজিদের কাঁচ নিজেরা ভেঙ্গে এরপর হামলা করে আসে। আর ও দিকে কে বা কারা (তাদের পরিচয়ও এদের মতই ধর্মান্ধ আপগান্ড) বাবরি মসজিদের ইট সরাক তো শাস্তি পাবে বাংলাদেশের হিন্দুরা। আজব তো!!!! যা বলছিলাম, সেই মানবতাবাদীদের চক্ষের জল তখনও ততটা বের হয় কি? হয় না .. কারন মালাউনরা এই দেশ নিজের ভাবে না , ওরা তো পালাবেই তাই না? আর আপনি যে পরোক্ষ বা প্রত্যক্ষ চাপে তাকে তার পূর্ব পুরুষের ভিটে ছাড়া করলেন তার দায় নেই। চমৎকার!!!! তারপরও এই দেশে কিছু মানুষ এখনও আছেন যারা এই লেখকের মত এত ষ্পষ্ট করে না বুঝলেও না বললেও হৃদয় দিয়ে বোঝে, ভালবাসে। এরাই আমার দেশের রাম ও রহিম। অবশ্য আজকাল এই রহিমদের সারল্যটুকু নষ্ট করবার অপপ্রচেষ্টা কিছু কম চলছে না!!! এদেরও ভোট ব্যাংক বানাতে হবে যে!!! পরিনামে রাম রহিম ভালবাসাটুকু টেকে না। রাম হয় দেশ ছাড়ে, নয় বেঁচে থাকে ঘৃণা নিয়ে। তারপরও বলব ... এত কিছু পেরিয়ে যাদের সত্যি বন্ধু হিসেবে পেয়েছি তাদের পরিচয় মুসলিম বা হিন্দু নয় ... তারা আমার বন্ধু......

    .... এত তেতো অভিজ্ঞতা এসব নিয়ে ... নিজের খন্ড খন্ড জীবন যেন উঠে এসেছে এই লেখায়। শেয়ার করতে গিয়ে কয়েকটা কড়া কথা লিখেও ফেললাম । ইচ্ছে ছিল না, লিখতে গিয়ে টের পেলাম অনেক শেল বিঁধে আছে পাঁজরে । নিজের অজান্তেই বয়ে বেড়িয়েছি যন্ত্রণা। কখনও বলিনি এমনি করে। সেই জন্যেই বোধকরি অতটা সংযম রাখতে পারলাম না।"


    "মানুষে বিশ্বাস হারানো পাপ"

    জবাব দিন
      • সানাউল্লাহ (৭৪ - ৮০)

        তুষারের লেখায় মোটা দাগে দুটো বিষয় নিয়ে বলা হয়েছে। এক. বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িকতার চেহারা এবং দুই. ইসলাম ধর্মে সাম্প্রদায়িকতা লালন করা হয়েছে।

        ধর্ম নিয়ে আমার নিজস্ব মতামত আছে। সেটা আমি নিজে লালন করি, চর্চা করি। ব্লগে সাধারণত এই বিষয়ে বিতর্কে জড়াই না। কারণ নিজস্ব চিন্তা-ভাবনা বা মতামত দিয়ে অন্যকে প্রভাবিত করার কোনো মহৎ উদ্দেশ্য আমার নেই। কখনো যদি এই ভাবনায় পরিবর্তন আসে তাহলে হয়তো লিখবো, বলবো।

        শরিফ, উপরে আমি নিজে মত দিইনি যেমন ঠিক। তেমনি এই মতকে সমর্থন না করলে তা এখানে প্রকাশ করতাম না, তাও ঠিক। একজন সংখ্যালঘুই তার সমস্যা বা অভিজ্ঞতা হাড়ে হাড়ে উপলব্ধি করতে পারে। সেটা বাংলাদেশে হোক, ভারতে কিম্বা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে হোক। সংখ্যাগরিষ্টরা কখনোই তা বুঝবে না। অনেক প্রগতিশীলকে দেখেছি কখনো কখনো সচেতন বা অবচেতনে নিজের সাম্প্রদায়িক মনোভাব লুকিয়ে রাখতে পারেনি। বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িকতা আছে প্রবলভাবেই। সব পর্যায়ে। সাধারণ মানুষ থেকে নীতিনির্ধারক পর্যন্ত সব স্তরে। আমি কঠোরভাবে একে ঘৃণা করি।

        তুষারের লেখার এই বিষয়টি আমার ভালো লেগেছে। ও যে অল্প বয়সেই সমস্যাটি ধরতে পেরেছে, সেটা আমাকে এই প্রজন্ম নিয়ে আশাবাদী করে। আমি স্বপ্ন দেখি, একদিন তুষাররা সংখ্যায় বিশাল হবে। মুক্তবুদ্ধির চর্চা করবে। সব কিছু নিয়ে প্রশ্ন করবে। শুধু বিশ্বাসে বিশ্বাস রাখবে না। ধর্ম, লিংগ, বর্ণ, গোত্র, জাতীয়তাবাদ নয়, মানুষ হবে সবাই, বিশ্ব মানব।


        "মানুষে বিশ্বাস হারানো পাপ"

        জবাব দিন
        • আমিন (১৯৯৬-২০০২)

          লাবলু ভাই, আপনার এই কমেন্ট টি খুব ভালো লাগলো। আপনার কথার সাথে একমত তুষারের লেখার আলোচনার বিষয় মূলত দুই ভাগে ভাগ করা যায়। প্রথম ভাগ হলো বাংলাদেশের সাম্প্রদায়িক চেহারা। আমিও আপনার মতই মনে করি বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িকতা খুব ভালো মতই আছে। এবং সেটা নিয়ে তুষার এত অল্প বয়সে চিন্তা ভাবনা করছে সেটা খুবই পজেটিভ দিক। তবে যে জিনিসটা ভালো লাগে নাই সেটা হলো সরলীকৃত করা। পোস্টের কন্টেন্টের চেয়ে মন্তব্য গুলির কথাই বলবো বেশি। পোস্টের উদ্দেশ্য ছিলো এদেশের সাম্প্রদায়িকতার বিষবাষ্প ও তার উৎপত্তি অনুসন্ধান এবং মানবতার মাঝে সমাধান খোঁজা। উৎপত্তি অনুসন্ধানে ধর্ম একটি অন্যতম প্রধান এবং মূল উপাদান। তবে আমি যেটা বলেছি সেটা আবারো বলছি ধর্ম পালনের চাইতে এই বিষয়ের পিছনে ড্রাইভিং ফোর্স মূলত স্বজাত্যবোধ এবং কিছু ক্ষেত্রে ধর্ম বর্ন কিংবা জাতীয়তাবাদ দ্বারা অবসেসড হওয়া। মানবতা বাদী হওয়াটাই সমাধান তবে সমাধানটা এত সরল না এই জন্য জাতীয়তা বাদ গোষ্ঠীবাদী চিন্তা আমাদের মনোজগত এবং সামাজিক জগতকে গ্রাস করছে।

          সরলীকৃত তাহলে কোথায় হলো, এখানে আমি দেখছি এখানে লোকজন মোহামেডান -আবাহনী ম্যাচ খেলতে বসছে পক্ষ বিপক্ষ নিয়া। একদল ইসলাম ধর্ম কত মহৎ সেটা নিয়ে ব্যাপক গবেষণায় বসছে আরেকদল ইসলাম কত খারাপ সেটা পিণ্ডি চটকাইতে বসছে। অথচ ইসলাম হলো এই লেখার ধর্ম অংশের একটা সাবসেট আর ধর্ম মূল ফোকাস হওয়া সংখ্যালঘু নির্যাতনের সাবসেট। হোয়াইট ব্ল্যাক না বরং গ্রে এরিয়া আছে এবং সেই জায়গাগুলো খুঁজে বের করতে উৎসাহিত করার বদলে আমরা দলে দলে হোয়াইট অথবা ব্ল্যাকে যোগ দিচ্ছি ( ভাইয়া আপনার কথা অবশ্যই বলি নি। বাকিদের মন্তব্য দেখে প্রচণ্ড হতাশ হয়েছি বলেই এটা বলা।)

          জবাব দিন
          • সানাউল্লাহ (৭৪ - ৮০)

            আমিন, একমত তোমার সঙ্গে। তুষার বয়সে ছোট। শিক্ষা, অভিজ্ঞতা কম। লেখাতেও এর ছাপ আছে। কিন্তু সেই দুর্বলতাকে বড় করে দেখে ওর লেখার সারবস্তু 'সাম্প্রদায়িকতা'কে আড়াল করা ঠিক নয়। বার্মার রোহিঙ্গাদের নিয়ে আমাদের সবার মন যেমন কাঁদে, দেশের সব ধর্ম, জাতি-গোষ্ঠির সংখ্যালঘুদের সঙ্গে চলা দীর্ঘ অন্যায় নিয়েও একইরকমভাবে বা আরো বেশি করে সোচ্চার হওয়া দরকার।


            "মানুষে বিশ্বাস হারানো পাপ"

            জবাব দিন
            • আমিন (১৯৯৬-২০০২)

              অবশ্যই আমার কমেন্ট করার উদ্দেশ্য অবশ্যই সাম্প্রদায়িকতাকে আড়াল করে না। বরং অসাম্প্রদায়িক চেতনাকে আমি কীভাবে দেখি সেটাই বলবার চেষ্টা। বিরোধি পক্ষ এইভাবটা নিয়ে আসলে আসলে সত্য থেকে দূরে চলে যাওয়া হয় সেটাই বুঝাতে চেয়েছিলাম।

              রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে এই ব্লগেই একজনরে বলতে শুনলাম , রোহিঙ্গারা মুসলিম বলেই নির্যাতিত হচ্ছে। তিনি সেই কথা যদি বিশ্বাস করে যদি বলেন তাহলে বলতেই হবে এই লেখাতেও তার সমর্থন থাকা উচিত যে এদেশের হিন্দুরা 'হিন্দু' বলেই নির্যাতিত হচ্ছে। কিন্তু এইখানে সেই স্ট্যান্ড নাই। এইটা হলো ডাবল স্ট্যান্ডার্ড। আমি বলি রোহিঙ্গারা মুসলিম বলে নয় , রাখাইনদের সাথে জাতিগত বিরোধের বলি হচ্ছে। অতটা উগ্রভাবে না হলেও বাংলাদেশের হিন্দুরাও একই রকম ঘটনার বলি হয় মাঝে মাঝেই।কিন্তু ভয়েস রেইজ করার ব্যাপারে মোহামেডান-আবাহনী খেলাটা আমার খুবই বিরক্তিকর মনে হয়।

              সংখ্যালঘুদের সঙ্গে চলা দীর্ঘ অন্যায় নিয়েও একইরকমভাবে বা আরো বেশি করে সোচ্চার হওয়া দরকার।

              আমিও এইটাই মনে করি। জাতীয়তা বোধে না, বরং আমাদের দেশের সংখ্যালঘুরা যখন নির্যাতিত হয় তখন মানবতার কাছে আমরা ধিকৃত হই অনেক বেশি (হালকা স্বজাত্য বোধ মনে হয় আমিও দেখায়া ফেললাম) 🙂

              ভালো থাকবেন ভাইয়া।
              সালাম।

              জবাব দিন
    • মুশফিকুর রহমান তুষার (২০০২-২০০৮)

      ভাই, কমেন্টের মালা গলায় ঝোলাবার কথাটা পড়ে মজা পেলাম। আসলে লেখার সময়ই জানতাম অনেকে বিরোধিতা করবে।কথার আক্রমণও আসবে। আমাদের শৈশব থেকেই যে শিক্ষা দেয়া হয় তাতে ধর্মের বিরুদ্ধে কিছু ভাবার কোন অবকাশ নেই। আর কোন ধর্মই তার বিশুদ্ধতা'কে চ্যালেঞ্জ করাটাকে স্বাগত জানায় না। ধর্ম যদি এতই "নরম" হয় আমরা ছোটবেলা থেকেই নাস্তিকতার এমন চরম বিরোধী শিক্ষা কেন পাই? এখনো মনে পড়ে ছোটবেলায় হুমায়ুন আজাদের কথা জিজ্ঞেস করছিলাম এক স্যারকে। উত্তর ছিলো "নাস্তিক হারামজাদা" , "আজে বাজে লেখা লেখে" ইত্যাদি। শুধুমাত্র নাস্তিক এজন্যই খারাপ। অথচ আমাদের বাংলা ভাষার গবেষণায় তার অবদান কিন্তু অপরিসীম। তার সব গুণ ঢাকা পড়ে গেলো নাস্তিকতার "দোষে"
      তবে আশার কথা এই পোষ্টেও এমন অনেকে কমেন্ট করছে যারা আমার মতই মনে করে ধর্মই সবকিছুর উপরে না। এমনকি যারা আমার বিরোধী কমেন্ট করছে তাদেরও দুই-তিন জন কিন্তু মানবতাকেই সবার ওপরে ঠাঁই দিয়েছে। কিন্তু হয়তো জন্মসূত্রে পাওয়া ইসলাম ধর্মের বিরোধিতা টা খারাপ লাগছে বলে কঠিন মন্তব্য করেছে।
      যাই হোক সকলকেই শুভ কামনা। পোষ্ট পড়ার ও কমেন্ট করার জন্য।


      ছোট হাতি

      জবাব দিন
      • @Mushfiqur Rahman Tushar-- Atheists claim they believe in neutrality regarding reference to Allah/God. So they belong to a faith /religion of not believing in Allah (though the atheists themselves vehemently deny the fact). Atleast these atheists need Allah or God for not to believe in. Having faith in atheism is never bad until it hurts others who are the followers of other faiths . I am seeing in this page that we theists and you atheists behaving in the same manner, approaching from opposite ends of the runway. The entire discussion about religion arises from those who think they know more than the other people and tried to tag it on the humanitarian ground. But what we don't know is that " we don't know much ". How can blaming one's religion for the odds in the society be called humanity? Message of humanity can be conveyed in a decent way without attacking others' belief. Blaming believers by incomplete quotes of surahs and ayats can only breed more hatred (which in fact will put you in the same footing with the extremists for releasing hatred).Your focus of message is good but it will be better without those venoms against people's religion.

        জবাব দিন
        • @atiashahnaz..thanks for ur excellent thoughts. Actually I cant forget that approach hatred of Hindu in BD brought by Tushar!! and lots of people encouraged it ( may be they r Hindu). But if same thing happened in other ways, should we point out such thing about Hindu secret books?? Is it any decent ways to make response our humanity? Muhammad (S), Swami Vivekananda, Buddhodev, ISA (AS)..which greatest man in history encouraged us to make genocide or permit this?
          If Tushar didn't point out like this, then I m sure I would like to be shamed if I would hurt my Hindu or other religion belonging society. But now!! lots of discussion. Why Tushar? I do believe minimum one of hindu gets this behave in Bangladesh. But your way of thinking will not make us think about good solution.It will not touch our heart. It will make more fire among us. Please write something by which people can be touched and felt their emotion. Or they can think their wrong.
          There is a one class of people who are too much extreme about their value, moral (based on religion). They try to proof their God is best (in every sphere). And opposite class always make to insult this. Does it teach us anything? Be moderate please. Religion is a belief to be good and try to maintain a honest nice society. By being moderate and good we people can wake up our good mind; not like this hatred ways.

          জবাব দিন
  12. আসিফ মাহমুদ

    ... নাস্তিকতাও কি এক ধরনের ধর্ম নয়??।"ধর্ম" শব্দ টাকে আমরা অনেক ক্ষুদ্র করে ফেলেছি।হয়তো আমাদের নিজেদের ই কোন ঠিক নেই বলে...যখন মানুষের আপন সত্তা হারিয়ে যায়,তখন মানুষ অন্য সত্তাকে ভর করে নিজের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে চায়...বেঁচে থাকার জন্য সত্যকে মিথ্যা বানায় মানুষ,এটাও কি মানুষের ধর্ম নয়??আসলে ধর্ম কি,এটাই আমার কাছে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন...


    ...একদিন সবকিছু মুছে যায় হিমেল হাওয়ায়, স্মৃতিমাত্র লিখে নাম...সেইখানে আমিও ছিলাম...

    জবাব দিন
    • রাজীব (১৯৯০-১৯৯৬)

      এইটা নিয়া জুবায়ের অর্ণবের একটা ক্লাসিক লেখা আছে। ঐটা পড়লে বুঝবা নাস্তিকেরাও যে কতো ধর্মপ্রাণ। তারা ৫ বেলার জায়গায় ৫০ বেলা প্রার্থনা করে; এমনকি মেরু অঞ্চলের নাস্তিকদের জন্যও চমৎকার বিধান আছে।


      এখনো বিষের পেয়ালা ঠোঁটের সামনে তুলে ধরা হয় নি, তুমি কথা বলো। (১২০) - হুমায়ুন আজাদ

      জবাব দিন
  13. নাজমুল (০২-০৮)

    অনেক দিন পড় কমেন্ট করতে ঢুকলাম, এতদিন খালি পোষ্ট এর কমেন্ট গুলা পড়েছি,
    প্রথমেই তুষার কে সিসিবে তে স্বাগতম এবং ধন্যবাদ এধরণের একটি ইস্যু তুলে ধরার জন্য।

    আমি হাদিস জানিনা কোরআন বুঝিনা, জানতাম কোরআন একমাত্র বই যা পড়লে সওয়াব হয় তাই পড়তাম। কিন্তু বুঝে পড়লে ডাবল সওয়াব পেতাম কিন্তু এত লোভ কখনো করিনাই।

    আমি তুষার এর দেয়া কোরআনের রেফারেন্স নিয়ে কিছু বলবোনা, আমি বলতে চাই ও কি বোঝাতে চেয়েছে। আমার মনে হয়েছে ওর প্রধাণ ইস্যু বাংলাদেশের হিন্দুদের প্রতি মুসলমানদের আচরণ।
    ছোটবেলা থেকেই শিখেছি, হিন্দুদের বাসায় না খাওয়ার জন্য।। এত পিছনে যাওয়ার দরকার নাই, গতকাল্কে এক জায়গায় খেতে গেলাম, আমি চামুচ দিয়ে ভাত নিচ্ছিলাম, আমাকে বলা হলো ''আরে হাত দিয়া নাও, মুসলমানের হাত। সমস্যা নাই'' কি জন্য জানিনা খুব মেজাজ খারাপ হয়ে গেল।

    যাই হোক, ধর্ম কত খারাপ কিংবা কত ভালো এইসব আলোচনায় সাধারণত কখনো কোনো সমাধান হয়না, সবাই যদি ভদ্র এবং সুন্দরভাবে ব্যাক্তি আক্রমণ্না করে কথা বলে তাহলে ব্যাপার গুলা খুব সুন্দর হয়।

    জবাব দিন
    • রাজীব (১৯৯০-১৯৯৬)

      হা হা হা নাজমুল।
      ভালো বলেছিস।
      কিন্তু এই পোলা দেখি কোন এটিকেট জানে না।
      নাম বাঙলা করছে; আর কিছু কি করতে হবে না!
      একশনে যাও নাজমুল।


      এখনো বিষের পেয়ালা ঠোঁটের সামনে তুলে ধরা হয় নি, তুমি কথা বলো। (১২০) - হুমায়ুন আজাদ

      জবাব দিন
  14. জিয়া হায়দার সোহেল (৮৯-৯৫)

    ইসলামের বিরুদ্ধে কথা বলতে পারলে খুব উঁচু স্তরের আতেল হওয়া যায়। ভাসা ভাসা নলেজ নিয়া আমরা অনেক সময় অনেক কথা বলি যা ঠিক নয়। এই লিখাটা কোন ইসলাম রিলেটেড ব্লগে দেয়া উচিত ছিল।

    জবাব দিন
  15. শরিফ (০৩-০৯)

    যদি কেউ কিছু মনে না করেন আমি একটা লিঙ্ক দিতে চাই । আমাদের রুয়েটের এক বড় ভাই এক সময় প্রবল নাস্তিক ছিল । এখন তিনি আবার মুসলিম হইছেন । মুসলিম হবার পড়ে তিনি কিছু কথা শেয়ার করেছেন । তার সেই কথার লিঙ্ক এখানে শেয়ার করছি যদিও আমি লেখাটা খুব সামান্য পড়েছি ।
    //199.91.153.121/iyq6108xe6eg/9l6qgn3ubuu7vw1/Open+Challenge.pdf

    জবাব দিন
    • রাজীব (১৯৯০-১৯৯৬)

      হায় মাবুদ তোমার এই লিঙ্ক বা ১৯ নিয়া এইখানেই একটা লেখা আছে রায়হান আবীরের।


      এখনো বিষের পেয়ালা ঠোঁটের সামনে তুলে ধরা হয় নি, তুমি কথা বলো। (১২০) - হুমায়ুন আজাদ

      জবাব দিন
        • রাজীব (১৯৯০-১৯৯৬)

          রায়হান তোর কথা উড়াইয়া দেবার মতো না।
          তবে কিনা জানতে দোষ কি!
          তুই ও কিন্তু ডাউনলোড করেছিস। আমিও করেছি।
          যদি সেইরকম কিছু থাকতো তাইলে কলেমা পইড়া মুসলমান হইতে বাধা ছিলো না।
          যদিও আমি আশা করিনা তোর লেখা পইড়া কেউ নাস্তিক হয়ে যাক। এক বই বা লেখা পইড়া যাগো এই রকম নাস্তিক বা আস্তিক হয় তাদের সম্পর্কে সাবধান।
          আমি ১৯ নিয়া পইড়া আসলাম।
          মূলত কোরানের ৭৪ নম্বর সূরা মুদাসসির এর ৩০ নম্বর আয়াতে এ সম্পর্কে বলা হয়েছে।
          বাঙলা অনুবাদে (আমার সংগ্রহে যা আছে)
          হাফেয মুনীর উদ্দিনের টায় আছে
          "তার উপর (আছে) ঊনিশ;"
          ডঃ জহুরুল হকের টায় আছে
          "তার উপরে রয়েছে "উনিশ"
          "
          আরেক অনুবাদে (এরা সৌদি বাদশাহ, জহুরুল হক, ইস্লামি ফাউন্ডেশন ফলো করেছে)
          "এর উপর নিয়োজিত আছে উনিশজন ফেরেশতা।"
          পিকটালের ইংরেজিতে আছে
          "Above it are nineteen.
          "
          ইউসুফ আলীর ইংরেজিতে আছে
          "Over it are Nineteen."
          সৌদি বাদশাহর করা কোরানে আছে
          "এর উপর নিয়োজিত আছে উনিশ জন ফেরেশতা।
          "
          হিলালি, মুহসিন খানের ইংরেজিতে আছে
          "Over it are nineteen (angels as guardians and keepers of Hell)"
          এ কে এম ফজলুর রহমান মুন্সীর বাঙলায়
          "ছাকারে দেখাশোনায় আছে উনিশজন পাহারাহার।
          "
          তাফসির ইবন কাসীরে রয়েছে
          "সাকার- এর তত্ত্বাবধানে রয়েছেন ঊনিস জন প্রহরী।"
          ঠিক এই উনিশের মত কোরানের অসংখ্য জায়গায় ১, ৭, ৭০ ইত্যাদি।
          নিঃসন্দেহে এই উনিশ জাহান্নামের প্রহরীর সংখ্যা বুঝাতে বলা হয়েছে।
          পরে আরো বিস্তারিত বলা যাবে প্রিয় ভাইয়েরা।


          এখনো বিষের পেয়ালা ঠোঁটের সামনে তুলে ধরা হয় নি, তুমি কথা বলো। (১২০) - হুমায়ুন আজাদ

          জবাব দিন
    • রাজীব (১৯৯০-১৯৯৬)

      নিচে রায়হানের উত্তরে দেখো আমার উত্তর। ওর লেখাটাও পড়েছো আশা করি।
      সামান্য সঙ্খাতত্তের উপর কোরানের মাহাত্য প্রমাণ কইরো না।
      বিশ্বাসী আছো, থাকো।
      যদি বইপত্র লাগে। লিঙ্ক দিয়া দিবো তোমারে। এইসব ছাইপাশ পইড়ো না।


      এখনো বিষের পেয়ালা ঠোঁটের সামনে তুলে ধরা হয় নি, তুমি কথা বলো। (১২০) - হুমায়ুন আজাদ

      জবাব দিন
  16. Tushar

    amr kache likhata pore khub vlo legeche !
    ami jodio Hindu ( although I consider myself as a human being), Quran ba Gita kno religious book nie-a amr bisesh knowledge nei ! But I think so, "religion sometimes creates division among us "
    This is just my opinion only, nothing else !

    ami etao bolte chai, amr max vlo frndrai kintu muslim. Ami vabtam j BD te hindu/muslim soby shoman. Kintu jokhon amr babar promotion holo na years after years, ami bujhte pereche j "hindu bole e ter junior ta promotion pelo, kintu babar hoi ni"

    I am studying in New York now. tai bangali jak pai take e nijr frnd bole mone kori. Dukho ki jano vai, seidin amr ek frnd amk "malaun" bole gali dise. Ami knodin tak muslim/hindu/christian bole mone korini, mome koreche amr frnd hishebe, 1 jon bangali hishebe. Kintu hindu bole hoito oi katha amk shuntei holo........mone mone kosto pelam r bollam, "jara bojhe na, tader j bojhano o jai na"

    Sani vai, ami ashole chorom shoitti kthata bolechen !

    Lastly bolbo, sudhu cadetrai hoito parbe ai chorom shottoa upolobdhi korte...
    soby ank vlo thakben !

    Miss u SCC !
    Miss my cadet life !

    জবাব দিন
  17. "বড়ভাই" আপনার মন্তব্য অনেক অনেক মনে ধরলো । "পৃথিবীর কেউই আসলে সাদা বা কালো না। সবাই ধূসর। নিজের প্রয়োজনে সবকিছুকে ব্যবহার করে সবাই। সবার ধর্মই তাই আলাদা। হয়তো জানবে যে অন্যের মা কে গালি না দিয়েও নিজের মা কে প্রশংসা করা যায়।" এতদিন বুঝার চেস্টা করতাম আমি আসলে কি?? আস্তিক,নাস্তিক নাকি মানবতাবাদী ?? আপনার মন্তব্যে উত্তরটা পেয়ে গেলাম,বাকি সবার কথা জানি না কিন্তু আমি ধূসর 🙁 । যাই হোক আপনার সাথে কোনোভাবে যোগাযোগ করা যাবে কি ??? কৌতূহল আর কিছু না 🙂 ।

    জবাব দিন
  18. রাজীব (১৯৯০-১৯৯৬)

    আমি এই লেখাটা ই সি এফে শেয়ার দেই।
    মন্তব্যগুলি অনেকেরই আকর্ষণীয় মনে হতে পারে ভেবে কপি পেষ্ট করলাম।

    Afif Mohammad Abdul Huy ‎"আর তাদেরকে হত্যা করো যেখানে পাও সেখানেই এবং তাদেরকে বের করে দাও সেখান থেকে… (আল কোরআন, ২ : ১৯১)

    আর তোমরা তাদের সাথে লড়াই করো, যে পর্যন্ত না ফেতনার অবসান হয় এবং আল্লাহর দ্বীন প্রতিষ্ঠিত হয়। (আল কোরআন, ২ : ১৯৩), " ei ayat duti bishesh obosthar poriprekkhite najil hoechilo, ei jonno islam-ke misunderstood korar kono karon nai
    25 June at 15:14 · Like · 7
    Afif Mohammad Abdul Huy Quran-er ayat nie jader songsoy, tader je ki pornaam hobe...
    25 June at 19:16 · Like
    Afif Mohammad Abdul Huy lagar kothao na, ora prokashshe Allah'r biruddhe jooddho ghoshona koreche
    25 June at 19:18 · Like · 1
    Rahat Jobayar bal falainna post er jonnei CCB charsilam...ekhono dekhi eki baal felano choltese
    26 June at 08:16 · Like · 9
    Afif Mohammad Abdul Huy yes vai, eta oti dukkhojonok je cadet-ra amader mohan jibon bidhan Islam-er biruddhe obosthan nei...
    26 June at 13:01 · Like · 3
    Rajvi Hasan এখানে এগুলা চলতেই থাকবে । এরপর ক্যাচাল লাগবে আর শেষে প্রতিবাদকারী কে ক্ষমা চাইতে হবে । কিছুদিন পর একই ব্যক্তি আবার এই টাইপ পোষ্ট দিবে । এটাই নিয়ম ।
    26 June at 13:07 via Mobile · Like · 3
    Afif Mohammad Abdul Huy Alas... 🙁
    26 June at 13:09 · Like

    Rajib Ahmed জুম্মার দিন জুম্মা মোবারক দিয়া পোষ্ট দিলে তো অন্য ধর্মের কারো কোন প্রব্লেম হয় না। মুহাম্মদ নবীরে নিয়া পোষ্ট দিলেও তো অন্য ধর্মের কারো জালাপোড়া হয় না। মেয়েদের অপমান কইরা পোষ্ট দিলেও তো কারো প্রব্লেম হয় না।
    তাইলে ধর্ম (ইসলাম) নিয়া কথা বললেই কারো কারো সংবেদনশীল চামড়ায় মাত্রাতিরিক্ত দাহ হয় কেনো এটা বুঝে ওঠা দুষ্কর। তাই সেই চেষ্টাও করিনি।
    Rahat Jobayar তুমি আর কিছু না বুঝলেও এইটা মনে হয় বুঝতে পারছো যে আমিও বি সি সির। আর আমি যে তোমার সিনিওর এইটাও মনে হয় তোমার মাথায় ঢুকাতে হবে না। তাই বইলা আমারে ভাই ভাই কইরা মুখে ফেনা তুলতে হবে এই দাবিও করি না। কথা পছন্দ না হইলে জানাবা। কিন্তু যেখানের সেখানের লোম ধইরা আমার পোষ্টে আইসা টানাটানি করবা না ভবিষ্যতে।
    Afif Mohammad Abdul Huy তোমার মনে হয় অনেক কিছু বলার আছে। উপরে লিঙ্ক দেওয়া আছে ঐখানে (সিসিবি) গিয়া বইলা আসতে পারো কিভাবে বিধর্মী, মুরতাদ আর কাফেরদের আল্লা ডলা দিবে। তোমার বাণীতে অনেকে সত্য ধর্ম গ্রহণে উৎসাহিত হবে আশা করি।
    Rajvi Hasan ক্লিয়ার না তোমার কমেন্টে।
    26 June at 14:52 · Like · 1
    Afif Mohammad Abdul Huy ‎Rajib Ahmedvaia, Islam nie kotakkho kora hole amra jara Imandar Muslim achi tader jonno eta birat ekta aghat hoe, karon ei prithibir booke Islam-e ekmatro sotto dhormo, sotto-ke kotakkho korle socheton manush-der aghat lagbe etai to savabik.
    26 June at 15:00 · Like · 1
    Lumzan Hasan রাহাত ভাই খুব কষ্ট পেলাম আপনার কমেন্টস দেখে। আমার মনে হয় সবাই সিসিবিতে সব ধরণের পোষ্ট দেয় কারণ সবার ধারণা, এখানে হয়তোবা অন্য ব্লগ গুলার মত গালাগালি কিংবা বাজে কথা কম হবে। কিন্তু দূর্ভাগ্যবশত সিসিবিতেও সেইম জিনিস গুলা হইসে বা হচ্ছে এবং হবে। আমি মনে করি সিসিবিতে যেহেতু মেম্বাররা ধর্ম নিয়ে আলোচনায় সুস্থ পরিবেশকে অসুস্থ করে ফেলছে সে জন্য সেখানে ধর্মীয় কোনো পোষ্ট দেয়ার ব্যাপারে একটু ভেবে চিনতে দেওয়া উচিত। সেই হিসেবে আমি আফিফ ভাই এর ব্যাপারে বলবো উনি খুব শান্ত ভাবে ওনার কথা গুলো বলেন কোনো ধরণের ব্যাক্তি আক্রমণ ছাড়া, যা আসলেই প্রশংসার যোগ্য।

    রাহাত ভাই আমি সরি আমি আপনার জুনিয়র কিন্তু আপনার কমেন্টস দেখে খুব খারাপ লাগলো।

    আমি মনে করি রাজিব ভাই এর এই পোষ্টটা এখানে শেয়ার করা উচিত হয়নাই।
    আমার মনে হয়না এখানে আর আগের মত হাদিস কালাম কিংবা ধর্মীয় কথাবার্তা শেয়ার করে, সো এই পোষ্টটাও শেয়ার দেয়া উচিত হয়নাই।
    26 June at 15:03 · Unlike · 2
    Afif Mohammad Abdul Huy thank bro... Lumzan Hasan, tobe ekta kotha, "সিসিবিতে যেহেতু মেম্বাররা ধর্ম নিয়ে আলোচনায় সুস্থ পরিবেশকে অসুস্থ করে ফেলছে সে জন্য সেখানে ধর্মীয় কোনো পোষ্ট দেয়ার ব্যাপারে একটু ভেবে চিনতে দেওয়া উচিত।", er karon holo, onekei islam-ke valo vaabe bujhte parchen na, tara Islam-ke missunderstood korchen, jodi aste dhire sobaike Islamer mahatto bujhano jae, tahole CCB-er poribesh osoostho-to hobei na, borong aro shanti moy hoe uthbe, karon mohan dhormo islam shanti chara ar kichu boe ane na... 🙂
    26 June at 15:17 · Like
    Shariful Islam Sozal রাহাত ভাই এর এই কথাটা ভাল লাগলো না ভাইয়া । আমার কোথায় কিছু মনে করবেন না রাহাত ভাইয়া । আমাদের রুয়েটের এক বড় ভাই এক সময় প্রবল নাস্তিক ছিল । এখন তিনি আবার মুসলিম হইছেন । মুসলিম হবার পড়ে তিনি কিছু কথা শেয়ার করেছেন । তার সেই কথার লিঙ্ক এখানে শেয়ার করছি যদিও আমি লেখাটা খুব সামান্য পড়েছি ।//www.facebook.com/l.php?u=http%3A%2F%2Fwww.mediafire.com%2F%3F9l6qgn3ubuu7vw1&h=tAQHHRqKUAQFWFUK4y9xM0TLC1797d0puVoO_RvzeYcYcYw

    MediaFire
    www.mediafire.com
    Open Challenge.pdf
    26 June at 15:23 · Like
    Afif Mohammad Abdul Huy appreciable
    26 June at 15:31 · Like
    Khairuzzaman Biplob apnader bishoy-bostu pore ami vishon lozzito both korsi!! apnara bigyan o buzhen na abar islam o buzhen na!! kono zatee ke heyo protiponno kora ki islam shommoto? jodi islam sommoto hoy tahole islam manobotar dhormo noy!!! aar eto eto porashuna kore eishob mandhatta amoler bishoy niye matha ghamanor kono mane nai!! apnara eki shathe beyadop ebong murkho!! have respect for others as well as for yourself!!! sorry for being harsh!!!!
    26 June at 16:04 · Like · 3
    Afif Mohammad Abdul Huy Islam 1400 bochor purbe asleo eta eseche porom koununamoy srishtikortar pokkho theke, jini amader srosta, jini amader otit, bortomaan, vobisshot sob janen, tai tini-e janen kishe ache amader kollan ar kishe ache okollan, so Islam is the best, ar Islam-e onno kono gotro-ke heo kora hoe ni, keu jodi kore ta tar nijer dosh, Islame-er dosh noe.
    26 June at 16:30 · Like · 2
    Rajvi Hasan ‎Rajib Ahmed vai jumma mobaraok shoho aro kisu kisu kotha bollen.... 1 ta simple kotha apnar mathay onek din thekei dhuktese na je jara jumma mobarok dey, tara onno dhormo nia baje montobbo kore naa.... apni adab den, nomoskar den jeita khushi boila wish koren, keu kisu bolbe na... but apni 1 ta dhormo nia baje kotha bolte paren na... apni ei ECF e 1 ta post dekhan to jekhane onno dhormo nia keu baje kotha bolse.... parben na... apni ekmatro bakti je 2 din por por ei jhamel ta create koren... r keu kore na... ami jani na eta apni willingly koren naki eta kono disease.... jetai hok, evabe cholle senior er man rakha shomvob hobe na...
    26 June at 16:48 · Like · 3

    Rajib Ahmed ‎Afif Mohammad Abdul Huy এটা ইস্লামের বিরুদ্ধে কোন পোষ্ট না। বাংলাদেশে র এক খুব পরিচিত সমস্যা। তোমার যদি মনে হয় বাংলাদেশে এই ধরণের কোন ঘটনা আদৌ ঘটেনা তাইলে তোমার মতামত ঐ লেখায় দিয়ে আসতে পারো। এটা ঠিক যে লেখক তার নিজস্ব দৃষ্টিকোণ থেকে সমস্যার বিচার করেছেন। তুমি তাতে একমত না হলে বা তোমার ভিন্ন নিজেও এই লেখাটির বিপরীতে তোমার লেখা দিতে পারো।
    যার যার বিশ্বাস বা অবিশ্বাস তার তার কাছে। তোমার কাছে ইসলাম শ্রেষ্ঠ ধর্ম; খুব ভালো। সেটা আমাকে বলে লাভ নাই। তোমার কিছু বলার থাকলে তুমি লেখ। খেয়াল করে দেখো আমি একটা সময় পর্যন্ত কোন মন্তব্য করি নাই। তুমি একা একাই করে গেছো। কেউ মন্তব্য না করলেই তো এই লেখা মেইল খানেক নিচে পইড়া যাইত।
    কিন্তু তা তুমি কর নাই। ইমানদার মুসলমান হিসাবে তোমার মসি তুমি চালাইয়া গেছো। সিসিবি তে এইটা নিয়া বেশ আলোচনা হচ্ছে। এখানে এইটা নিয়া আমার আলোচনা বা তর্ক করার বিন্দুমাত্র ইচ্ছা নাই।
    তুমি ভালো থাকো।
    26 June at 18:29 · Like
    Afif Mohammad Abdul Huy asole vaia ami CCB khub kom visit kori, tai ekhane cmnts korlam
    26 June at 18:31 · Like

    Rajib Ahmed ‎Lumzan Hasan নাজমুল ব্যাপারটা মানে লেখা শেয়ার করাটা কে পসিটিভলি দ্যাখ। আমি ফাসাদ বাধানোর জন্য শেয়ার দিয়া বেড়াই না। তোকে লেখার আগে সিসিবিতে চেক কইরা দেখলাম লেখাটা ১০৯৬ বার পঠিত আর বিভিন্ন মাধ্যমে শেয়ার দেয়া হইছে ১৮৫ বার। তোর কি মনে হয় না এইটাই যথেষ্ট কারণ হতে পারে লেখাটা এখানে শেয়ার করার জন্য! লেখাটা নিয়ে প্রশ্ন ওঠা অস্বাভাবিক নয়, এবং উঠেছেও। কিন্তু তাতে মূল বক্তব্য কিন্তু মিথ্যা হয়ে যাচ্ছে না।
    26 June at 18:37 · Like

    Rajib Ahmed ‎Rajvi Hasan তোমারে একটা রিকোয়েস্ট করি আমার নাম দেখলেই কোন লেখা বা শেয়ারে ক্লিক করবা না।
    কয়দিন আগে একজন ইসলাম বিশ্বাসীর লেখা শেয়ার দিছি। কই তখন তো কিছু বল্লা না।
    তুমি আরেকটা কাজ করতে পারো; চেক কইরা দেখলাম তুমি আমার ফেসবুকে ফ্রেন্ড। তুমি আমারে আনফ্রেন্ড কইরা ব্লক কইরা রাখো। খুব খুশি হবো। ধর্মবিশ্বাস নিয়া জুনিওরদের কাছে গালাগালি খাইতে চাই না। তুমি ভালো থাকো।
    তোমাদের দেখি আর অবাক হই।
    আমার এক বন্ধু (সি সির) প্রতিবেলা নামায পড়ার আগে আমাকে বলতো, কি রাজীব পড়বি নাকি? কই আমার তো কখনো মনে পড়ে না আমি তার দিকে কখনো ব্যাঙ্গাত্তক হাসি দিছি কখনো!
    26 June at 18:43 · Like

    Rajib Ahmed ‎Shariful Islam Sozal ভালো লিঙ্ক দিছো; আমি ডাউনলোড কইরা রাখছি। কয়েক পাতা পড়ে যা বুঝলাম এই বইটা বিশ্বাসীদের জন্য উপকারী বই নিঃসন্দেহে।
    26 June at 18:45 · Like
    Nafees Ahmed Romel As an ex-cadet everyone is having the right to post here, whatever he/she wishes. If someone don't like then he/she can ignore. No one is bound to read all the post. Personally I don't have the Energy to read the whole article on CCB.
    Biplob - your conception about Islam is not correct. If you are interested then please study. In a simple word, Allah send us here for his worship. Ur so called onno zatee is doing mockery with the creator, creating the idols with their own hand & worshipping them. Can't you see this. The number of times It is mentioned that Allah is merciful and compassionate in Quran, same number of times it is mentioned about the Hell Fire.
    Afif & Rajib I did not read the whole article but I hope you don't do any mistake in interpretation regarding Quran & Hadith. All the best wishes. Nafees A. Romel (FCC 92-98).
    26 June at 18:54 via Mobile · Like · 4
    Khairuzzaman Biplob dear nafees please mention which conception is not correct??
    26 June at 18:58 · Like

    Rajib Ahmed ‎Afif Mohammad Abdul Huy কষ্ট করে সিসিবিতে কোরো। ওইটা ওপেন অনেক। বাইরের অনেকেও অংশ নেয়। এইটা শুধু ক্যাডেটদের। আর এখানে অনেকে অনেক ব্যাপারে মাইন্ড করে বা করতে পারে এসব আলোচনায়।
    26 June at 19:03 · Like
    Afif Mohammad Abdul Huy ok vaia
    26 June at 19:05 · Unlike · 1
    Rajvi Hasan ‎Rajib Ahmed bhai, ekhane keu apnake namaj porte bole nai... islam manteo bole nai... bola hoise islam sommondhe baje kotha na bolte.... etai ki apnar kase onno dhormer proti bengattok??? kauke jumma mubarak/ salaam dile ki onno dhormo ke chhoto kora hoy??? hoy na... taile jumma mubarak e apnar keno ato apotti??? keu onno dhormer post dile to keu apotti kore na... kintu jokhon ta 1 ta dhormo ke nia tana tani kore tokhon ta apottikor...

    r 1 ta kotha, apnio to amake unfriend/block korte paren... amake korte boltesen kan???
    26 June at 19:08 · Like · 1
    Nafees Ahmed Romel Biplob Bhai, I apologise at first, u r senior to me. Regarding Indians specially- idol worshipers, I gained the knowledge from my own experience. In my 12 years carrier 80% of the time I worked with them. What Quran says about idol worshipers is correct. They can't be trust and they are our enemy. As an example you just ask the people who are working there, what is their condition. Very soon 30% of them will be replaced by Indians. Allah has sealed their heart, they are nothing but the followers of Satan. And for Satan as well his followers Humanity is not applicable. I am typing from my cell, that's why took long time in replying.
    26 June at 19:08 via Mobile · Like · 3
    Nafees Ahmed Romel Working in Airtel
    26 June at 19:10 via Mobile · Like · 1
    Nafees Ahmed Romel Cadets should be united all the times
    26 June at 19:11 via Mobile · Like
    Nafees Ahmed Romel Good night all. Sweet dreams.
    26 June at 19:12 via Mobile · Like · 1
    Afif Mohammad Abdul Huy Good night vaia
    26 June at 19:15 · Like

    Rajib Ahmed ‎Rajvi Hasan এইখানে আমি একটা লিঙ্ক শেয়ার করছি মাত্র। আর তোমার কথা অনুযায়ী ফাসাদের উপকরণ সরবরাহ করি নিয়মিত। সেই হিসাবে আমি হুমকি স্বরূপ। তো তুমিই তো আমারে ব্লক করবা; নাকি? আর আমি তোমার অতি ভালো লাগার কমেন্টটা আমি পোষ্টটার কমেন্টের পরিপ্রেক্ষিতে করছি। ঐটা নিয়া টানাটানি করতেছো ক্যান!
    আমার পোষ্ট ইগ্নোর করতে পারতেছো না কোনভাবেই! দয়া কইরা আমারে মাপ কইরা দেও।
    26 June at 19:26 · Like
    Khairuzzaman Biplob please don't hate others cause to them you are others and you will be hated too!!@ Nafees Ahmed Romel i have huge experience working with others(to you it may be idol worshipers) never felt anything disturbing or bothered anyway be happy don't hurt others!!
    26 June at 19:30 · Unlike · 1
    Rajvi Hasan ‎Rajib Ahmed bhai, 1 ta link share korsi matro bolle shob shesh hoye jay na... eta jehetu open forum shobar right ase post korar ... tai bole onnoke aghat kore/ ja khushi tai post kora jay na.... ami jodi PORN er link dei, mene neoa hobe to???
    27 June at 06:44 · Like · 1
    Rasheduzzaman Rajib ‎Rajib Ahmed cool pls......u r a bit aggressive
    27 June at 20:10 · Like
    Zia Hyder CCB er koijon blogger achen jey Islam kinba onno dhormo shomporke deep knowledge achey... So airokom kottakkho kore likha gula aghat deya chara ar kono result cary korey na... Ai blog er jara shotti uttor dite parbe shekhane post korle bhalo hoi.. Anyway I am really shocked to see Bro Rajib Ahmed to show his arrogance against islam..Hope to see his words against all religion.Here we, maximum follows Islam and if u write against only Islam then it shows nothing but ur hypocrisy ...
    Friday at 07:35 · Like · 7
    Rahat Jobayar ami ekta jinish blte chai. Ei desher constitution amdr religious practice, belief er right dey. Kajei ushkanimulok kotha ba lekha bad den. Agn ei forum e open debate psbl na, cz aktu porei seniority namok issue chole ashbe. So, better ja nie kotha tulle behuda jhamela bare, sheshob tuilen na. Je jar dhormo palon koren, na korle na koren, keu upodesh dite gele posondo hole shunen, na shunte ecche krle bolen vai, nt interested. Jene na jene criticise krben na. Amra shobai 2 kolom lekhapora kore mohagyane hoe gesi, eishob valo na. Maximum, minimum, optimum je jae hok, plz respect each others boundary.
    20 hours ago via Mobile · Like · 2
    Rahat Jobayar kharan, ami kail thikka 3x er link postamu. Sexual fantasy to dhormo-borno nirbishesh shobar ase, tai oitato offensive hbr kotha na. Tate vai bon je karo lagle amr kisu korar nai. Open forum boila kotha. Jara like koren na, tara ignore korlei paren, tai to bola hoitese eikhane, tai na? Ok. Ar valo link dimu, jeta thousand times share or commented, so eikhaneo to share kora dorkar. Plz vodrotar kotha blte ashben na keu. Nobody is impotent. Porn er link dile c c jotoi koren, 1st e khocha maira thik e dekhe niben. Kajei oitai houk..
    20 hours ago via Mobile · Like · 2
    Afif Mohammad Abdul Huy ‎:( 🙁
    10 hours ago · Like
    Nafees Ahmed Romel Rahat tomar Jodi porn link post kore shanti lagey go ahead. I will be waiting to see. Musolmaner ek joban. Kal ashte 5.5 hours remaining.
    10 hours ago via Mobile · Like
    Nafees Ahmed Romel Thukku ... Cadet er ek joban....
    10 hours ago via Mobile · Like · 1
    Rahat Jobayar anyways, zoom reload dia loi, then..
    9 hours ago via Mobile · Like


    এখনো বিষের পেয়ালা ঠোঁটের সামনে তুলে ধরা হয় নি, তুমি কথা বলো। (১২০) - হুমায়ুন আজাদ

    জবাব দিন
    • শরিফ (০৩-০৯)

      রাজিব ভাই অন্য গ্রুপের কমেন্ট এখানে দেয়ার কারণটা ঠিক কি কারণে দিয়েছেন ঠিক বুঝলাম না । আপনি বোধহয় এই কাজটি সর্বপ্রথম করলেন । যে গ্রুপের ঘটনা সেই গ্রুপেই মীমাংসা হওয়া উচিত । এখন যদি আমি এই গ্রুপের অনেক বিতর্কিত পোস্টের কমেন্ট (যেমনঃ শহিদুল আহসান ভাই এর পোস্ট, ঐ যে মুহম্মদ (সঃ) কে নিয়ে বিভিন্ন মনীষীর উদ্ধৃতি পোস্টের কমেন্ট ) অন্য গ্রুপে যেয়ে এইভাবে শেয়ার দেই তাইলে ব্যাপারটা ভাল দেখাবে না ।

      জবাব দিন
  19. মাহমুদ (১৯৯০-৯৬)

    রাজীব,

    তুই এই ক্যাচালটা এইখানে শেয়ার কেন দিলি আমি ঠিক বুঝতে পারলাম না। এ-ই থেকে আমাদের কি শেখার আছে? বা, কিভাবে এইটা পোষ্টের বক্তব্যকে সাপোর্ট/বিরোধীতা করে?

    এই পোষ্টের বক্তব্যের ব্যাপারে আমার মত হচ্ছে, এইটা একটা খুবই দূর্বল এবং সম্পূর্ণ অযৌক্তিক একটা ইসলাম-বিরোধী পোষ্ট। এই ইসলাম-বিরোধীতা ইচ্ছামূলক না অনিচ্ছাকৃত সেটা আমার বিবেচ্য নয়। কিন্তু যুক্তির বিচারে, তথ্যের বিচারে, তথ্য-বিশ্লেষণের বিচারে সর্বক্ষেত্রে এটার কোনরূপ গ্রহনযোগ্যতা নেই। এবং আমার এই সিদ্ধান্ত আমি মুসলিম কি না সেটা মাথায় না রেখেই।


    There is no royal road to science, and only those who do not dread the fatiguing climb of its steep paths have a chance of gaining its luminous summits.- Karl Marx

    জবাব দিন
    • আসাদুজ্জামান (১৯৯৬-২০০২)
      এই পোষ্টের বক্তব্যের ব্যাপারে আমার মত হচ্ছে, এইটা একটা খুবই দূর্বল এবং সম্পূর্ণ অযৌক্তিক একটা ইসলাম-বিরোধী পোষ্ট। এই ইসলাম-বিরোধীতা ইচ্ছামূলক না অনিচ্ছাকৃত সেটা আমার বিবেচ্য নয়। কিন্তু যুক্তির বিচারে, তথ্যের বিচারে, তথ্য-বিশ্লেষণের বিচারে সর্বক্ষেত্রে এটার কোনরূপ গ্রহনযোগ্যতা নেই। এবং আমার এই সিদ্ধান্ত আমি মুসলিম কি না সেটা মাথায় না রেখেই।

      :thumbup: (সম্পাদিত) (সম্পাদিত) (সম্পাদিত)

      জবাব দিন
  20. ধর্ম মানুষকে যে অমানুষ করে দেয় তার সহজ উদাহরণ এখানে যারা প্রমাণ করতে উঠে পড়ে লেগেছেন ইসলাম এবং এর রীতিনীতি পালনকারীদের পক্ষে সাফাই গাইতে থাকা বাংলাদেশের তরুনেরা। আচ্ছা, আপনারা বুকে হাত দিয়ে সত্যি কথাটা বলুনতো, আপনি সর্বাগ্রে নিজেকে মানুষ ভাবেন না একটা ধর্মের কয়েকটা নিয়ম-কানুন অন্ধের মত পালন করেন বলে সেই ধর্মকারী হিসেবে নিজেকে ভাবেন? সহজকরে বলি, নিজেকে সবার আগে মানুষ ভাবেন না মুসলমান ভাবেন? আমি জানি আপনি বা আপনারা নিজেকে মুসলমানই ভাবেন। এই শিক্ষাটাই তো আপনাকে মানুষ না বানিয়ে মুসলমান বানিয়ে দিল, বিশাল পৃথিবীর মধ্যে আপনাকে একঘরে করে দিল। কখনও কি ভেবেছেন কীকরে আপনি মুসলমান হলেন? কে আপনাকে মুসলমান করে গড়ে তুলল? আপনার পরিবার এবং পরিপার্শ্ব নয় কি? আপনি নিজে কি ইসলাম ধর্মটা নিজের জন্য পছন্দ করে নিয়েছিলেন যেভাবে আমরা বাজারে গিয়ে পছন্দ করে জামা কিনি বা মোবাইল কিনি? না, আপনি সেটা করেননি, বরং আপনার পরিবারের আপনার উপর চাপিয়ে দেয়া ধর্মীয় রীতিনীতিগুলোকেই আপনি অবচেতনভাবেই নিজের আপনার বলে ভেবে নিয়েছেন কোনরকম প্রশ্ন ছাড়াই।আপনি হয়ত বলবেন, অনেকে জেনে বুঝে পরিনত বয়সেই ইসলাম গ্রহণ করেছে এবং করছেন। হ্যাঁ, করতেই পারে, সেটা কত শতাংশ আপনি নিজেও জানেন।আপনি তো অন্য এক পরিবারেও জন্ম নিতে পারতেন যেখানে হয়ত ইসলাম পালিত হয় না, সেক্ষেত্রে আপনার পরিচয় কী হত? নিশ্চয় মুসলমান নয়। দেখুন মানুষ যেহেতু আপনার সদাশয় আল্লাহ সৃষ্টি করেছেন, এবং তিনি নিশ্চয়ই দুনিয়ার সমস্ত দেশের, সমস্ত বর্ণের মানুষদেরকেই সৃষ্টি করেছেন। কী বলেন আপনি? তবে তিনি তো সবাইকেই মুসলমানদের ঘরে জন্ম দিয়ে সবাইকে মুসলমান করেই পাঠাতে পারতেন এই ধরাধামে। এত ঝামেলা করার কীইবা দরকার ছিল। আপনার কী মনে হয়না পৃথিবীতে যে এত শত শত ধর্ম মানুষের মাঝে আছে, এবং সেই সমস্ত ধর্মও স্রষ্টার বন্দনা করে, তার মানে আল্লাহতাআলার নির্দেশেই তো এসমস্ত ধর্মের উদ্ভব হল।এখন আপনি একজন ইসলাম পালন করেননা ব্যক্তিকে যদি কাফের বলে নীচু ভাবেন, অথবা তার মতবাদকে কুফরী মতবাদ বলেন, এবং তাকে আপনার পালনীয় ধর্মটিকেই মেনে নিতে বলেন তবে সদাশয় আল্লাহতাআলা তাদের জন্য ঐ সমস্ত ধর্ম দিলেন কেন? ইসলাম পৃথিবীতে আল্লাহর নির্দেশেই যদি ছড়িয়ে পড়ে তবে আল্লাহর এক নির্দেশেই পৃথিবীর সব মানুষ ইসলামকে কবুল করে নিচ্ছে না কেন? আল্লাহ কী বুড়িয়ে যাচ্ছেন তাই আল্লাহর শক্তি কমে যাচ্ছে?
    আপনি আরবের একটা সংস্কৃতিকে নিজের আপনার বলে ভাবছেন। নিজেকে মানুষ না ভেবে ভাবছেন মুসলমান, তাই কোন জমায়েতে আপনি মঙ্গল কামনা করছেন, সমৃদ্ধি কামনা করছেন মুসলিম উম্মাহর। সেই সাথে আপনি মনে মনে চাইছেন নিপাত যাক আমেরিকা কিংবা ইহুদি রাষ্ট্র ইসরায়েল। আপনি নিজেও জানেননা ধর্ম আপনার দুচোখকে অন্ধ করে দিয়েছে, আপনার মনুষ্যত্বকে ধ্বংস করে দিয়ে সেখানে জন্ম দিয়েছে ঘৃণার। তাই আপনি সমগ্র মানবজাতির কল্যাণ চাইতে পারেননা। আপনি এমনকী নিজের ভাষাটাকেও ভালবাসতে পারেন না। অপরকে সম্ভাষণ জানানোর জন্যও আপনাকে বেছে নিতে হয় আরবীয় শব্দ। নিজ পুত্র-কণ্যার নাম দিতে গিয়ে কিনে আনতে হয় অন্য ভাষার অভিধান।
    কোন নতুন দেশ সম্পর্কে জানতে গেলে আপনি কিন্তু ঘুরে ফিরে জানতে চান সেখানের লোকেদের মধ্যে মুসলমান কয়জন।কোন নতুন মানুষের সাথে পরিচয় হলে যদি জানতে পারেন ঐ লোকটিও আপনার মতই ইসলাম পালন করেন তবে আপনি বিগলিত হয়ে পড়েন, এমনকি যদি ঐ ব্যক্তি একজন ধূর্ত, প্রতারকও হয়ে থাকে। ধর্মের কারণে আপনি মানুষের আপনও হতে পারছেন না।
    আপনি এখানে ইসলামের পরধর্মের প্রতি সহনশীলতার প্রসঙ্গে কোরানের বা বিদায় হজ্জ্বের ভাষণের কথা উল্লেখ করেছেন। কিন্তু আপনি কি সত্যিই বিশ্বাস করেন ইসলাম পরধর্মের প্রতি সহনশীল? ইসলাম কি আপনাকে বলেনি যতক্ষণ পর্যন্ত না একজন কাফের ইসলাম গ্রহণ না করবে, সে কখনও জান্নাতের মলয় বাতাস, হুর,গেলমান থেকে বঞ্চিত থাকবে? অমুসলিম কাফের কি আল্লাহতালার সেই সুনজর পাবে যা একজন সাধারণ মুসলিম আখিরাতে পাবে? না পাবেনা। আপনিও জানেন সেটি। তারা দোজখের তপ্ত কড়াইয়ে পুড়তে থাকবে।এভাবে পুড়তে থাকবে মাদার তেরেসা, গান্ধী,আপনাকে ছোটবেলায় মারাত্মক জীবানুর হাত থেকে সুরক্ষাপ্রদানকারী টীকার আবিষ্কারক সমস্ত মানুষগুলো, বা আমেরিকা, থাইল্যাণ্ড, সিংগাপুর, ভারতে আপনার জীবন বাঁচিয়ে দেওয়া ডাক্তারগুলো যারা হয়তো ইসলাম তাদের জীবনে পালন করেননি। ইসলাম কি আসলেই পরধর্মের প্রতি সহনশীলতার কথা বলেছে? তবে কেন যে কাবা ঘরে পৌত্তলিক আরবরা তাদের দেবদেবীদের প্রার্থণা করত, সে ঘর থেকে সেইসমস্ত মূর্তি অপসারণ করে তাদের নাম-নিশানা পর্যন্ত মুছে ফেলা হয়েছিল। কাফেররা যদি ইসলাম মেনে নিতে না চায় তো তাদের সাথে সহাবস্থান করে থাকতে পারেনি কেন সহনশীল ইসলাম?

    তার মানে কী এই যে সারা পৃথিবীতে ইসলাম পালন করেনা এরকম কোটি কোটি মানুষেরা ইসলাম আপন না করে নেয়ার অপরাধে মহাপাপ করে ফেলেছে? সদাশয় আল্লাহর নির্দেশেই যেহেতু সমস্ত কিছু ঘটে এবং যেভাবে শূন্য থেকেই তিনি সমস্ত কিছু সৃষ্টি করেছিলেন, ঠিক সেভাবেই এক লহমায় দুনিয়ার এই তাবত কোটি মানুষকে ইসলামের আলোয় আলোকিত করে দিলেই তো ল্যাঠা চুকে যেত।

    ইসলাম কী আদতেই অন্যের মতামতের প্রতি উদার দৃষ্টিভঙ্গীর পরিচয় দেয় প্রিয় তার্কিক বন্ধুরা? তবে কেন মুরতাদ শব্দটির প্রতি ইসলামের এত ঘৃণা। ইসলাম কি এতই পলকা যে কে না কে কী না কী বলল তাতে ইসলামের মহান বুনিয়াদ হুড়মুড় করে ভেঙ্গে পড়বে বালির ঘরের মত? তবে কেন ইসলামের সমালোচনাকারীর জন্য সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান? সালমান রুশদির জন্য মৃত্যুদণ্ডের ফতোয়া কেন তবে? মোহাম্মদকে নিয়ে কার্টুন আঁকলেই কি মোহাম্মদের চরিত্র স্খলন হয়ে যায় এত সহজে? আর মোহাম্মদ তো একজন মানুষ বটে, ইসলাম যদি ব্যক্তি পূজার বিরোধিতা করে থাকে তবে মোহাম্মদকে খোদাজ্ঞানে পূজা করাটা বিরোধযোগ্য নিশ্চয়। আর মানুষ মাত্রেরই যদি দোষ-ত্রুটি থেকে থাকে তবে মোহাম্মদও এর বাইরে নন। সুতরাং তাকে নিয়ে কেউ যদি সমালোচনাও করে থাকে এতে তো দোষের কিছুই নেয়। এ ব্যাপারটাকে সহ্য করতে পারেনা কেন ইসলাম?

    প্রিয় পাঠক, ধর্ম আমাদের অন্ধ করে দেয়। আপনি যে আর কিছু নন একজন সাধারণ মানুষ এটা ভুলিয়ে দেয়। আপনাকে ঘৃণার ভাগাড়ে নিক্ষেপ করে, অথচ মুখে শোনায় ভালবাসার কথা। আপনার ইসলাম যদি আপনাকে মানুষকেই ভালবাসতে না শেখায়, শুধু আরবের একটা সংস্কৃতিকে অন্ধভাবে প্রাত্যহিক জীবনে মেনে চলে এমন মানুষগুলোকেই ভাতৃজ্ঞানে ভালবাসতে বলে তবে সে ইসলাম মানবিক নয়। কোন ধর্মই মানবিক নয়।

    জবাব দিন
    • রাজীব (১৯৯০-১৯৯৬)

      সাধু সাধু
      চমৎকার লিখেছেন।
      ভুল খোজার চেষ্টা করলাম; না বৃথা চেষ্টা।
      :clap: :clap: :clap:


      এখনো বিষের পেয়ালা ঠোঁটের সামনে তুলে ধরা হয় নি, তুমি কথা বলো। (১২০) - হুমায়ুন আজাদ

      জবাব দিন
    • আসাদুজ্জামান (১৯৯৬-২০০২)
      কখনও কি ভেবেছেন কীকরে আপনি মুসলমান হলেন? কে আপনাকে মুসলমান করে গড়ে তুলল? আপনার পরিবার এবং পরিপার্শ্ব নয় কি? আপনি নিজে কি ইসলাম ধর্মটা নিজের জন্য পছন্দ করে নিয়েছিলেন যেভাবে আমরা বাজারে গিয়ে পছন্দ করে জামা কিনি বা মোবাইল কিনি?

      মানুষ যদি তার পরিবার থেকে ইসলাম শিক্ষা নাও পেতো, তারপরেও সে এই ভাবনা থেকে কখনো মুক্তি পেতো না যে, আমি কোথা থেকে এলাম, কিভাবে এলাম, কিভাবে যাবো, কোথায় যাবো? আর এই ভাবনাই মানুষকে স্রষ্টার অস্তিত্ব অনুভব করতে শিক্ষা দেয়। আর একেই বলে ফিতরত। আর ইসলাম এর সাথেই সাযুজ্যপূর্ণ।

      আর প্রত্যেকটি শিশুই এই ফিতরতের উপর জন্মগ্রহন করে। অতঃপর তার পরিবার-সমাজ তাকে মূর্তিপূজক, অগ্নিউপাসক, সূর্য বা চন্দ্রপূজক এবং ব্যক্তি-পূজক বানিয়ে দেয়। কথাটা এভাবে বলাই অধিক যুক্তিগ্রাহ্য। তবে হ্যাঁ, পরিবারের কারনে মানুষ দুনিয়াতে মুসলমান হিসাবে গড়ে উঠে এবং পরিগণিতও হয়।

      সময় পেলে সবগুলো প্রশ্নেরই উত্তর দেয়ার চেষ্টা করবো।

      জবাব দিন
    • আসাদুজ্জামান (১৯৯৬-২০০২)
      দেখুন মানুষ যেহেতু আপনার সদাশয় আল্লাহ সৃষ্টি করেছেন, এবং তিনি নিশ্চয়ই দুনিয়ার সমস্ত দেশের, সমস্ত বর্ণের মানুষদেরকেই সৃষ্টি করেছেন। কী বলেন আপনি? তবে তিনি তো সবাইকেই মুসলমানদের ঘরে জন্ম দিয়ে সবাইকে মুসলমান করেই পাঠাতে পারতেন এই ধরাধামে। এত ঝামেলা করার কীইবা দরকার ছিল। আপনার কী মনে হয়না পৃথিবীতে যে এত শত শত ধর্ম মানুষের মাঝে আছে, এবং সেই সমস্ত ধর্মও স্রষ্টার বন্দনা করে, তার মানে আল্লাহতাআলার নির্দেশেই তো এসমস্ত ধর্মের উদ্ভব হল।

      হাস্যকর যুক্তি। তার মানে যারা মুসলমান নয়, তাদের ঘরে কোন সন্তান আসবে না???? তাহলে আল্লাহ সদাশয় হলেন কিভাব????

      পৃথিবীতে শত শত ধর্ম আছে???? সবাই স্রষ্টার বন্দনা করে???? অনুসারীর সংখ্যা বিচারে যে ধর্মগুলো প্রধান তারা তো পাথরের দেব-দেবী, গৌতম বুদ্ধ, যীশু খ্রীষ্ট এইসবের বন্দনাকারী। এরাই তাহলে আপনাদের কাছে ঈশ্বর????

      জবাব দিন
  21. @শিশির, আপনি তো প্রশ্নগুলোর উত্তর না দিয়ে শুধু পাশ কাটিয়ে গেলেন। ' ফিতরত' একটা আরবী শব্দ। এটার উপর ঐশী গুরুত্ব দেয়ার কোন প্রয়োজন তো নেই। ' আমি কিভাবে এলাম, কোথা হতে এলাম, কোথায় যাবো' এই প্রশ্নগুলোর বা ধাঁধাগুলোর উত্তর না পেয়ে আকাশের ওপারে কেউ একজন আছেন বলে নিশ্চিত হতে যে পারে সে আরেকটু এগিয়ে এই প্রশ্নটা ভাবে না কেন যে আকাশের ঐ পারের ঐ 'সেজন' ও আসল 'কিভাবে', ' কোথা হতে' ইত্যাদি। এরকম প্রশ্নগুলো কিন্তু বৈজ্ঞানিক ইসলামে করতে মানা। আপনার উত্তরের আশায় রইলাম।

    জবাব দিন
    • আসাদুজ্জামান (১৯৯৬-২০০২)
      সময় পেলে সবগুলো প্রশ্নেরই উত্তর দেয়ার চেষ্টা করবো।

      অপেক্ষা করেন না। হয়তো প্রতিদিনই একটি করে উত্তর পাবেন।

      ‘ আমি কিভাবে এলাম, কোথা হতে এলাম, কোথায় যাবো’ এই প্রশ্নগুলোর বা ধাঁধাগুলোর উত্তর না পেয়ে আকাশের ওপারে কেউ একজন আছেন বলে নিশ্চিত হতে যে পারে সে আরেকটু এগিয়ে এই প্রশ্নটা ভাবে না কেন যে আকাশের ঐ পারের ঐ ‘সেজন’ ও আসল ‘কিভাবে’, ‘ কোথা হতে’ ইত্যাদি।

      এইগুলো ভাবার পর যদি উত্তর পাওয়া যায় যে উনি কোথা থেকে এসেছেন তাহলে কি আবার এই জিজ্ঞাসা আসবে না যে উনি যেখান থেকে এসেছেন সেটা কোথা থেকে আসলো??? প্রকৃতপক্ষে মানুষের যেমন ক্ষমতা নেই উড়ে উড়ে চাঁদে যাওয়ার (অনেক বেশি বললাম, উড়ারই ক্ষমতা হয়নি, যদিও ডেভিড কপারফিল্ড এবং কেউ কেউ জাদুর মাধ্যমে দেখিয়েছেন), তেমনি নিজে নিজে এই প্রশ্নগুলোর উত্তর পাওয়ার ক্ষমতাও রাখে না। শুধুমাত্র বিভিন্নকালে নবী-রাসূলদের মাধ্যমেই বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর এবং জীবনবিধান বিশ্বাসীদের জন্য সৃষ্টিকর্তার তরফ থেকে এসেছে এবং বিশ্বাসীদের জন্য এটুকুই যথেষ্ট যে তারা সৃষ্টিকর্তার এই কথা মেনে নেয় যে, আল্লাহ এক ও অদ্বিতীয়, তিনি অমুখাপেক্ষী, তাঁকে কেউ জন্ম দেননি এবং কাউকে তিনিও জন্ম দেন নি এবং কেউ তার সমকক্ষও নয়। যা হোক, আপনাদের বিজ্ঞানসম্মত উত্তর দিতে পারলাম না। হয়তো আপনাদের বিজ্ঞান ঈশ্বরকনার অস্ত্বিত্বের মত ঈশ্বরের অস্ত্বিত্বের সন্ধানও একসময় দিতে পারবে যার সন্ধান এখন পাচ্ছে না। হয়তো আপনাদের মত বিজ্ঞানমনস্ক মানুষ ততদিন বেঁচে থাকবেন না, আবার কে জানে হয়তো আপনাদের বিজ্ঞান অমরত্বও দান করতে সক্ষম হবে আর তখন বিজ্ঞানসম্মতভাবে ঈশ্বরের সন্ধান পেয়ে স্বীকার করবেন বা প্রীত হবেন না। যাই হোক, বিজ্ঞানের উপর যে অগাধ বিশ্বাস নিয়ে আছেন, সেই বিশ্বাস বা আস্থা মাত্রই অন্ধ তা বিজ্ঞানেই হোক আর ধর্মেই হোক।

      অপেক্ষায় থাকেন, হয়তো উত্তরগুলো দিতে পারবো ইনশাল্লাহ, তবে পাবার পরও নিজের মতের সাথে না মিললে আশা করি বলবেন না পাশ কাটিয়ে যাচ্ছি।

      জবাব দিন
  22. রাজীব (১৯৯০-১৯৯৬)

    ইসলাম শান্তির ধর্ম 😀
    দেখুন জাকির ভাই ব্লাসফেমি সম্পর্কে কি বলছেন, :((

    :grr:
    আবারো বলছি ইসলাম শান্তির ধর্ম।


    এখনো বিষের পেয়ালা ঠোঁটের সামনে তুলে ধরা হয় নি, তুমি কথা বলো। (১২০) - হুমায়ুন আজাদ

    জবাব দিন
  23. Apologies to all that the write up is in English..

    Salam Brother Tushar, appreciate the fact that you go through a lot of studies to prove Quran wrong or not suitable for the present world, I hope and pray that may be one day Allah will guide you and then you will clearly be able to see the light.

    I would just like to touch the Quranic Ayats in the posts only and explain to you how these were quoted/misquoted out of context/wrong translation to give a wrong meaning.

    Surah Baqarah- 190-193, these Ayats have a specific context and under those circumstances, it was an encouragement to the Muslims to fight back when they were being fought. Any Army General in the battlefield will tell such to boost the moral.

    Please read again the full 4 Ayats here and you will find-
    Fight only when you are being fought and do not cross the limit (meaning do not kill children and women and the old, do not cut trees, do not mutilate bodies, if they seek asylum take them to the place of security- etc)

    For instance, take 1971, a war was upon us and we had to defend.
    Suppose in that context Sheikh Mujib said, “Kill all Pakistani soldiers wherever you find them”
    How does it sound? It sounds perfect and the very logical.
    Now forget that it was in 71, think about any normal time and someone is quoting that Sheikh Mujib said “Kill all Pakistani soldiers wherever you find them”, how does it sound? It sounds inhuman and brutal, right?
    My brother, Have you seen the movie “Red Dawn(2012)”, it helped me to understand what went on us in 71, how a war was upon us and how we were being called terrorists by the Pak. You will see a bunch of teen agers resisted when a fight was upon them and they were being called terrorists.
    When you know the context then your perspective changes my friend.

    Another example I would like to present here…
    Surah 107 (Maun), Ayat 4, it says, “So woe to those who pray”.
    So if anyone quotes this Ayat and says Quran condemns those who pray and yes Quran does say that but if you read the full Surah then you will know- Woe to those Muslims who turn away from Orphans, do not feed the poor, delay their prayer etc.
    So my brother, it is very important to understand the context, do not cherry pick some ayats out of context and this will give a wrong understanding to those who do not know.

    2nd Part is Surah Maidah (5), Ayat 51 and Surah Al Imran (3), Ayat 28
    My brother where have you got the meaning of “Awliyaa” as “FRIEND”?
    Both the Ayats you can find the word “Awliyaa” which means Allies, protector. Awliyaa does not mean friend and hence is not the correct translation. You see the word Awliyaa- the same word we also use in Bangla, do we understand the meaning of awliyaa in Bangla language as friend? No we do not, we understand by Awliyaa is someone who is holy and good in deeds can help you with his suggestions/ advice or pray for you etc.., right?

    To me both the Ayats are miracles of the Quran, look at the present world, there is a bond between the America and Israel, no matter what-they are the helpers and protectors of each other and if you think America will help you by sacrificing Israel’s interest then you are living in a different world.

    Not touching any other points as this had already been very long, I hope you read with patience and with an open mind. Allah knows best.

    জবাব দিন
    • If we want to judge how good islam is as religion then we should judge it according to its authentic sources (Quran and the Sahih Hadiths). Our role model is the Last Messanger of Allah (pbuh), he who never mocked anyone but was mocked by others and showed the highest level of tolerance. We should not pick up some black sheeps in comunity and judge Islam. For example you are also a muslim (at least by born) but would it be justifeid if someone starts judging the religion by seeing you! Hope you get the point my friend. May Allah guide you.

      জবাব দিন

মন্তব্য করুন

দয়া করে বাংলায় মন্তব্য করুন। ইংরেজীতে প্রদানকৃত মন্তব্য প্রকাশ অথবা প্রদর্শনের নিশ্চয়তা আপনাকে দেয়া হচ্ছেনা।