দাজ্জালের আগমন ১

আমরা যারা ইসলাম র্ধমের অনুসারী আছি দাজ্জালের আগমন র্নিঃসন্দেহে একটি তাৎর্পযপূর্ণ ঘটনা।কারন হযরত মুহাম্মদ (সা) বলেন “দাজ্জাল সারা পৃথিবীকে মিথ্যা আর ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাবে।নবীজি তার বিভিন্ন হাদীসে দাজ্জালের সম্পর্কে বিভিন্ন বর্ণনা দিয়েছেন।দাজ্জালের সর্ম্পকে আমাদের জানতে হলে, তার তাৎপর্য বুঝতে হলে আমাদের মানব জাতির ইতিহাস জানতে হবে।ইসলাম মতে আল্লাহতালা ইচ্ছা পোষণ করলেন দুনিয়াতে তার প্রতিনিধি পাঠাবেন ।এই কথা ফেরেশতাদের জানালে তারা বলল “আল্লাহ এরা তো দুনিয়াতে যাবার পর ফিতনা ফ্যাসাদে লিপ্ত হবে।” তবুও আল্লাহ আদম আর হাওয়াকে সৃষ্টি করলেন এবং ফেরেশতাদের বললেন,আদমকে সিজদাহ করতে সবাই সিজদাহ করল শুধুমাত্র ইবলিস বাদে। সে ছিল ফেরেশতাদের মাঝে শ্রেষ্ঠ আল্লাহ তাকে অভিশাপ দিলেন । সে আল্লাহর কাছে থেকে একটা জিনিষ চেয়েনিল তা হল কেয়ামত র্পযন্ত আয়ু আর আদমকে বিপথে নেওযার শক্তি।আল্লাহ এই শয়তানের ধোকা থেকে মানুষ জাতিকে রক্ষা করার জন্য যুগে যুগে নবী-রাসুল পাঠিয়ে মানুষদের সাবধান করেছেন। মানুষ সাবধান হয়েছে তখন পৃথিবিতে শান্তি বিরাজ করেছে।আর যখন মানূষ এই পথ থেকে সরে এসেছে অশান্তি আর রক্তপাতে মাটি সিক্ত হয়েছে।আর তখন আল্লাহ আবার তার নবী পাঠিয়েছেন। আল্লাহ মুসা(আ) কে পাঠিয়েছিলেন বনী ইসরাইল জাতির নবী হিসেবে কিন্তু তারা তার পথ না মেনে কিছুদিনের মধ্যেই আল্লাহর পথ থেকে সরে আসে।আল্লাহ তাদের মাঝে হযরত ইসা(আ) প্রেরণ করেন। তিনি শুধুমাত্র এসেছিলেন বনী ইসরাইল (ইহুদী) জাতিকে ঠিক পথে নিয়ে আসতে নতুন কোন জীবন ব্যবস্থা নিয়ে নই। তাই তিনি তার শিষ্যদের বলেছিলেন এই জীবন ব্যবস্থা ইহুদী বাদে কারো কাছে প্রচার না করতে। কিন্তু তার শিষ্য পল সেই কাজটাই করল হযরত ইসা(আ) ক্রুশ বিদ্ধ হওয়ার পর সে ইউরোপে পালিয়ে যেয়ে এই র্ধম প্রচার শুরু করল যা আমরা আজ আমরা জানি খ্রীষ্টান ধর্ম নামে।আসলে হযরত ইসা(আ) কে পাঠানো হয়েছিল বিপথে চলে যাওয়া ইহুদী জাতিকে সঠিক পথে আনার জন্য কিন্তু তার আনিত বিধি- বিধান একটি পূর্ণাংগ ধর্ম ছিলনা।কারণ এতে ছিল আধ্যাত্মিক দিক কিন্তু সাধারণ জীবন পরিচালনের বিধি বিধান ছিলনা।কিন্তু এই অপূর্ণ ধর্মমত সে সময় ইউরোপের মানুষ দলে দলে গ্রহণ করে নেয়।কারণ সে সময় ইউরোপো চরম পৌত্তলিকতা আর ধর্ম গুরুদের দাপটে মানুষের প্রাণ ওষ্ঠাগত।কিন্তু তারা এটা বোঝেনি জীবনের সাধারণ বিধান ছাড়া একটি ধর্ম সম্ভব নয়।এর ফলে দিনে দিনে খ্রীষ্টান ধর্মের ভিতরে ধর্ম য়াজক আর পোপদের অসভ্বাবিক ক্ষমতার লোভের কারণে অসন্তোষ দানা বাধতে থাকে।কারণ কোন ধর্ম তার অনুসারীদরে পূর্ণ একট জীবন বিধান না দিলে দিনে দিনে তাতে বিভিন্ন ধরনের ভুল এবং মনগড়া বিধি নিষেধ ঢুকে পড়ে ।আর ঠিক এটাই হল খ্রীষ্টান ধর্মের ক্ষেত্রে।ফলে দিনে দিনে ধর্মগুরু আর পোপদের দাপটে সাধারণ মানুষ এমন কি রাজা মহারাজারাও নিরস্ত্র হয়ে পড়ল।তাই ম্যাকাভেলি লিখেছিলেন কিভাবে ভাল রাজা হওয়া যায়।আর ইউরোপে যখন চলছে অরাজকতা ঠিক তখনই আল্লাহ প্রেরণ করলেন আমাদের নবী হযরত মুহাম্মদ (সা) কে।তার আনিত জীবন ব্যবস্থা ইসলাম হল একটি পরিপূর্ণ জীবন ব্যবস্থা।মানুষ দলে দলে এই ইসলামের দিকে ছুটে আসল।কারণ তদকালীন সময়ে পৌত্তলিকতা সহ যেসব ধর্ম চালু ছিল তা মানুষকে দুনিয়া ও পরকালের কোনটাতেই পথ দেখাতে পারছিলনা।এরপরে হাজার বছর হল ইসলামের প্রচার ও প্রসার চলতে থাকে।কিন্তু ইসলামের অনুসারীরাও ব্যর্থ হয় নিজেদের সঠিক পথে রাখতে।আবার হত্যা,যুদ্ধ বাড়তে থাকে।আর তার পরিপ্রেক্ষেতে আমরা এখন এমন একটি সমাজে বসবাস করছি যেটা নবীজির বর্ণিত সেই দাজ্জালের যুগ।
আসলে হাদীসে বর্ণিত দাজ্জাল কোন দানব নয় যদিও বর্ণনা ওভাবেই আসছে।আসলে নবিজি তার সাহাবীদের বুঝার সুবির্ধাতে ওভাবে বলেছেন আমার লেখার পরবর্তি অংশে আমি সেটা প্রমাণ করে দেব।
প্রথমেই আসি দাজ্জাল এর শাব্দিক অর্থ্‌।দাজ্জাল মানে চাকচিক্যময় কিন্তৃ আসলে জিনিষটা খুব কুচ্ছিত।তাহলে শাব্দিক ভাবেও এটা কেন দানব বোঝায় না।আসলে দাজ্জাল বর্তমান পম্চিমা সভ্যতা।কারণ এটা বাইরে দিক থেকে খুর চাকচিক্যময় কিন্তু ভিতরে অন্য জিনিষ্।এই সভ্যতা আমাদের একটি সুন্দর জীবনের আশা দেয় কিন্তু খোদ পশ্চিমা দেশগুলোর বর্তমান দারিদ্য আর কর্মহীনতা প্রমাণ করে ওটা আসলে একটা প্রলোভন মাত্র।
তাহলে শাব্দিক অর্থও এটাই ইংগিত করে দাজ্জাল আর পশ্চিমা সভ্যতা একে অন্যের পরিপূরক।

হাদিসের বর্ণনার সাথে মিলালে দাজ্জালের ছবিটা মোটামুটি এরকমই দেখায়।তাহলে আসলেই কি দাজ্জাল এমন কোন দানব হবে।অবশ্যই না কারণ নবিজির হাদিস গুলো ছিল প্রগাঢ় ইংগিতপুর্ণ।
নবীজি বলেছেন “দাজ্জাল এক চোখ বিশিষ্ট আর তার গায়ে খুব পাতলা লেম থাকবে।আর সে তোমাদের জান্নাত আর জাহান্নাম চেনাবে সে যেটাকে জান্নাত বলবে সেটা হবে জাহান্নাম আর যেটাকে জাহান্নাম বলবে সেটা হল জান্নাত।”
আমরা কিছু হলেই বলি পশ্চিমানীতি একচোখা।আসলেই পশ্চিমানীতি শুধু লাভ দেখে আর কিছু নয়।তার একটাই নীতি লাভকে সর্বোচ্চ করা।তাহলে কি হাদিসের সাথে মিলে গেল্।আর বাম হাতে কিছু করাকে আমরা বুঝি শয়তানের কাজ।আর আমরা বর্তমানে দেখি পশ্চিমা দেশের অনেক লোক ইসলাম গ্রহণ করছে আর পশ্চিমাদের তথাকথিত জাহান্নাম আসছে।আর পশ্চিমাদের তথাকথিত জান্নাত ছেড়ে মানুষ পালাচ্ছে।
আসলে নবীজি এই হাদিসগুলা আমাদের জন্য রেখে গেছেন কারণ তার সাহাবীদের পুজিবাদী অর্থনীতি বোজানো সম্ভব ছিলনা।তাই হাদীসের বর্ণনা আসছে এভাবে।তিনি এগুলো রেখে গেছেন আমাদের বোঝার জন্য।
(চলবে)……………..

৭,৭৪৩ বার দেখা হয়েছে

৭৩ টি মন্তব্য : “দাজ্জালের আগমন ১”

  1. vaia, ektu correction ace. Iblish fereshta cilo na. Iblish cilo jeen, tar naam cilo Ajajil. Nijer ibadater puroskarshorup se fereshtader dole tader somo morjadar sthan lav korecilo. Aguner toiri Ajajil Allahr hukume matir toiri Adamke sijdah korte osikriti janai. Ete Allah osontusto hoye Ajajil ke fereshtar soman morjada kere niye Iblish akhya den. Iblish kruddho hoye protigga kore- jei Adamer upolokkhe tar ei durdosha, Allahr kace ei onador, sei Adamke o se Allahr sunojore thakte debe na. Nijer purbo ibadater jonno se tokhon kiyamot obdhi ayu ar tumi onno jesob kotha bolle, segulo cheye nei.

    জবাব দিন
  2. আহসান আকাশ (৯৬-০২)

    পরের পর্বের অপেক্ষায় থাকলাম... থিমটা পছন্দ হয়েছে, দেখা যাক আরো কি কি মিল পাওয়া যায়।

    অফটপিকঃ লেখার সময় প্যারাগুলো পারলে আরেকটু ছোট করো, প্যারা বেশি বড় হয়ে গেলে পড়তে অস্বস্তি লাগে।


    আমি বাংলায় মাতি উল্লাসে, করি বাংলায় হাহাকার
    আমি সব দেখে শুনে, ক্ষেপে গিয়ে করি বাংলায় চিৎকার ৷

    জবাব দিন
  3. আহমদ (৮৮-৯৪)

    লেখটাকে যতদূর পার ফিলসফিক্যাল করার চেষ্টা কর। আবেগকে বর্জন কর। প্রয়োজনে নিজের লেখা অবসরে নিজেই পড়ে দেখো, তারপরে নাহয় পোষ্ট কর, যাতে করে আবেগের উচ্ছাসটা বাদ দিতে পার। পরের পর্বগুলোর জন্য অপেক্ষা করছি।


    চ্যারিটি বিগিনস এট হোম

    জবাব দিন
  4. কামরুল হাসান (৯৪-০০)

    আমি তোমার মত ধর্ম বিশারদ নই কিন্তু এটুকু বুঝি, এ ব্যাপারে অন্যদের জ্ঞান দিতে গেলে আগে নিজের জ্ঞান পরিষ্কার করে নিতে হয়। 'ভাসা ভাসা জ্ঞান' যে লিখছে তার জন্য যেমন ক্ষতিকর, যারা পড়বে তাদের জন্য তারচেয়েও বেশি ক্ষতিকর।

    তবুও আল্লাহ আদম আর হাওয়াকে সৃষ্টি করলেন এবং ফেরেশতাদের বললেন,আদমকে সিজদাহ করতে সবাই সিজদাহ করল শুধুমাত্র ইবলিস বাদে। সে ছিল ফেরেশতাদের মাঝে শ্রেষ্ঠ আল্লাহ তাকে অভিশাপ দিলেন ।

    ইবলিশ তো ফেরেশতা ছিল না। সে ছিল জিন। অনেক ইবাদতের পর তাকে ফেরেস্তাদের সমমর্যাদা দেয়া হয়েছিল।
    নিজের ধর্ম নিয়ে লেখার সময় অন্য ধর্মকে অবজ্ঞা করলে লেখার বিশ্বাসযোগ্যতা থাকেনা। কিন্তু তোমার পোস্টে খ্রিস্টান ধর্মের প্রতি স্পষ্ট বিষেদাগার। তার উপর মুসলমান হয়ে ইসা (আঃ)কে ক্রুশ বিদ্ধ করে মারা হয়েছে এটা তোমার বলার কথা না। কারণ কোরআন শরীফে দেখলাম বলা আছে ইসাকে ক্রুশ বিদ্ধ করা হয়নি। তার আগেই তাঁকে আল্লাহ তুলে নিয়েছিলেন। নাকি আমি ভুল বলছি?
    লাইনে লাইনে বানান ভুল। পড়তে গিয়ে প্রতি মূহুর্তে বিরক্ত লাগছিল। একটু সময় নিয়ে, দেখে শুনে লিখলে কী হয়?


    ---------------------------------------------------------------------------
    বালক জানে না তো কতোটা হেঁটে এলে
    ফেরার পথ নেই, থাকে না কোনো কালে।।

    জবাব দিন
  5. রায়হান আবীর (৯৯-০৫)

    পশ্চিমাদের আবিষ্কার ইন্টারনেট, কম্পিউটার ব্যবহার করিয়া পশ্চিমাদের ইয়া মারার ব্যাপারটা বড়ই চিত্তাকর্ষক। পশ্চিমাদের দাজ্জাল প্রমান কইরা আমরা কার দিকে যাবো? সৌদি না আফগানিস্তান?

    তাছাড়া বাজারে ইদানিং "দাজ্জাল" নামে একটি বই ব্যপক আকারে প্রচলিত। বইটা পড়ার সৌভাগ্য হয়নাই, তবে বাসে বাসে সেই বইয়ের ক্যানভাসারদের কথা আর এই ব্লগের কথার মাঝে [দাজ্জাল যে পশ্চিমা বিশ্ব সেটি প্রমানের মাঝে] কোন ধরণের পার্থক্য খুঁইজা না পাইয়া কষ্ট পাইলাম!!!

    কিন্তু এই অপূর্ণ ধর্মমত সে সময় ইউরোপের মানুষ দলে দলে গ্রহণ করে নেয়

    লেখকের উদ্দেশ্যে একটা লাইন ধইরাই বলি- জানার আছে অনেক কিছু! দলে দলে কেউই বাপের ধর্ম ছাইড়া অন্য ধর্ম গ্রহণ করেনাই 🙂

    আমাদের জীবন দীপান্বিত হোক!

    জবাব দিন
  6. শিবলী (১৯৯৮-২০০৪)

    সাদিক্‌, কেমন আছো ভাইয়া ????
    আসলে কোন কিছু লেখার পর তা নিজে কয়েকবার পড়ে দেখাটা আমি মনে করি লেখকের জন্যই উপকারী । আর যেহেতু তুমি এমন একটা বিষয় নিয়ে লিখতে চাচ্ছ......যেটা মূলত সবাইকে আকৃষ্ট করবে এবং যা নিয়ে বিতর্কের উদাহরণ খুব নিকট অতীতেই বিদ্যমান...তাই অনুরোধ করি.........যাই লেখ, একটু ভালভাবে জেনে , নিজে বুঝে এবং সঠিকভাবে লিখো । নইলে হিতে বিপরীতও হতে পারে ।

    আশা করি পরের পর্বটা আরো সুন্দর হবে । অপেক্ষায় রইলাম ।

    জবাব দিন
  7. নূপুর কান্তি দাশ (৮৪-৯০)

    ধর্ম, সভ্যতা এই শব্দ দুটো বোধ করি সমার্থক নয়।
    ধর্ম বড়জোর সভ্যতার একটি উপাদান।
    পৃথিবীটাকে শুধু কয়েকটি ধর্মের অনুসারীতে বিভক্ত করে
    পরষ্পর বিরোধী দল হিসেবে ভেবে নেয়াটা বেশ বিপজ্জনক বৈ কি।
    আমি শুধু আপত্তি জানাবো যে ছবিটি এখানে ব্যবহার করা হয়েছে সেটিকে নিয়ে।
    এটা পরিষ্কার যে, এটি একটি জন্মগতভাবে deformed শিশু, যে হয়তো জীবিত ভাবেই আসেনি পৃথিবীতে। কথিত দানবের সংগে এই দুর্ভাগা মানবশিশুর তুলনা খুঁজে পাওয়ায় ( বা দেখানোয়) পুরো লেখাটির কোন আবাদেনই আর রইলোনা আমার কাছে।
    ছবিটা জুড়ে দেবার পক্ষে কোন যুৎসই রেফারেন্স (বা যুক্তি) এলে ভালো লাগবে।

    জবাব দিন
    • সাদিক (২০০০-২০০৬)

      ছবিটা আমি ফটোশপে করছি আর আপনি যা বলেছেন তা আমার জানা ছিলনা এজন্য ছবিটা আমি পরিবর্তন কের দিয়েছি।
      আর ধর্ম আর আমাদের সমাজ সব্যতাকে আলাদা করার ফল হচ্ছে আজকের বিশ্বের এ ভগ্ন অবস্থা।

      জবাব দিন
      • মাসরুফ (১৯৯৭-২০০৩)

        আজকের বিশ্বের সবার এ "ভগ্ন অবস্থা" নাকি একটি বিশেষ সম্প্রদায়ের লোকের শনির দশা একটু নিরপেক্ষভাবে চিন্তা করে দেখলে ভালো লাগে।তোমার কাছে যেমন আজকের বিশ্বকে ভগ্ন দশা বলে মনে হয়-আমার কাছে এই হাজার হাজার সমস্যা-সম্বলিত বিশ্বকেই স্বর্গাদপি গরিয়সী বলে মনে হয়।গিভেন দা চয়েস,আই উড র‌্যাদার স্টে ইন দিস ওয়ান্ডারফুল আর্থ দ্যান গোইং টু সাম ইমাজিনারি প্লেস।

        ধর্ম থেকে সমাজ-সভ্যতাকে যেসব দেশ আলাদা করে নিছে তাদের সাথে যেসব দেশ ধর্মকেই সমাজব্যবস্থা হিসেবে চালাইতেছে-এই দুই দলের দেশের মধ্যে কোনগুলা উন্নত সেইটা নিরপেক্ষভাবে একবার বিচার কইরা দেখার অনুরোধ জানাই।উদাহরণস্বরূপ সৌদি আরবের সাথে স্ক্যান্ডিনেভিয়ান যে কোন দেশের(নরওয়ে,সুইডেন ইত্যাদি) তুলনা কইরা দেখ।দুই দেশের মানুষের জীবনযাত্রার মান একটু তুলনা কর।

        তোমার ভালোর জন্যেই বলি, একটা থিয়োরি দিলেই হয়না- সেইটার পেছনে যথোপযুক্ত এবং গ্রহণযোগ্য প্রমাণও লাগে।তুমি যদি সেইগুলা হাজির কর,কথা দিচ্ছি আমি অন্ততঃ মাইনা নিবো।আর হ্যাঁ-পরের পর্বে কলেজের ডিবেটের বস্তাপচা ক্লিশেড ডায়ালগের মত "জেগে জেগে ঘুম" আমি ঘুমাচ্ছিনা।যা জিজ্ঞাসা করা হইছে তা টু-দা-পয়েন্ট উত্তর দাও,তাতে তোমার গ্রহণযোগ্যতা বাড়বে বই কমবেনা।

        জবাব দিন
      • নূপুর কান্তি দাশ (৮৪-৯০)

        ফটোশপের ব্যাপারটা একেবারেই বুঝিনি আমি। 😛

        ধর্ম আর আমাদের সমাজ সভ্যতাকে আলাদা করার ফল হচ্ছে আজকের বিশ্বের এ ভগ্ন অবস্থা।

        আমার তো উল্টোটিই মনে হয়। পৃথিবীতে ধর্মের সংখ্যা কত আমার জানা নেই। সেসকল ধর্ম প্রত্যেক মানুষের সংস্কৃতির অংগ হয়ে উঠেছে ধীরে ধীরে, আবার ধর্মকে ছাড়িয়ে গিয়েও মানুষ তার চলার রাস্তা করে নিতে পেরেছে; তাকে জোর আলাদা করে দিলে যে ফল হবে, চাপিয়ে দিলেও তাই হবে। তুমি অবশ্য শুধু একটি ধর্মের কথাই বলছো বোধ হয়। না কি 'ধর্ম' শব্দটি এখানে সামগ্রিক অর্থে এসেছে?
        যদি সামগ্রিক অর্থে বলে থাকো তাহলে বলতেই হচ্ছে সব ধর্ম সমাজ সভ্যতার সাথে তাল মিলিয়ে চলতে পারেনি, (যদিও তাদের অনুসারী রয়ে গেছে কম বেশী) তাই স্বতঃই তারা ছিটকে পড়েছে।

        ধর্মের মাপে জীবন হবে, না জীবনের মাপে ধর্ম: বুঝিনা। আমার সন্দেহ যায় না।

        জবাব দিন
  8. মরতুজা (৯১-৯৭)

    দাজ্জ্বাল সম্পর্কে আগ্রহী হলে এখানে ক্লিক করে দেখতে পারেন সবাই।

    লেখা ইন্টারেস্টিং হয়েছে। দাজ্জ্বলের সাথে পশ্চিমা বিশ্বের মিলের বষয়টা আগে কখনও শুনিনি। চলুক।

    জবাব দিন
  9. মাসরুফ (১৯৯৭-২০০৩)

    আসলে দাজ্জাল বর্তমান পম্চিমা সভ্যতা।কারণ এটা বাইরে দিক থেকে খুর চাকচিক্যময় কিন্তু ভিতরে অন্য জিনিষ্।এই সভ্যতা আমাদের একটি সুন্দর জীবনের আশা দেয় কিন্তু খোদ পশ্চিমা দেশগুলোর বর্তমান দারিদ্য আর কর্মহীনতা প্রমাণ করে ওটা আসলে একটা প্রলোভন মাত্র।

    পশ্চিমা সভ্যতার ভালো দিক বা খারাপ দিক কোনটাই অস্বীকার করছিনা-যে কোন সভ্যতারই দুটো দিকই থাকে।কিন্তু ভাই সাদিক,আমি মনেপ্রাণে আশা করব তুমি ওই "প্রলোভনে" পড়বানা।উদাহরণ হিসেবে নিচের জিনিসগুলো চেষ্টা করে দেখতে পারোঃ

    ১) ভুলেও পশ্চিমা কোন দেশে উচ্চতর শিক্ষা গ্রহণ করতে যাবা না(জ্ঞানার্জনের জন্য চীনদেশে অবশ্য যাইতে পারো-যতদূর জানি চীনে যাওয়া হালাল,যদিও বর্তমান চীন-বিশেষ করে বেইজিং এলাকায় পশ্চিমাভাব প্রবল।সৌদি আরবেও ফাটাফাটি একটা ইউনিভার্সিটি খুলছে কিন্তু সেইখানেও নাকি শিক্ষক-শিক্ষিকারা অনেকেই পশ্চিমা!)।

    ২)পশ্চিমাদের উদ্ভাবিত মতবাদ/জ্ঞান-বিজ্ঞান/সাহিত্য ইত্যাদি সমস্বরে বর্জন করবা।বিশেষ করে বিবিসি/সিএনএন দেখা তো ভয়াবহ পাপ! (আল জাজীরা দেখতে পারো কিন্তু সেইখানের নিউজ-কাস্টার/প্রতিবেদক অনেকেই তো পশ্চিমা!)

    আপাতত এই দুইটাই মাথায় আসছে।তোমার এই পোস্ট দেখে আমি হতাশ- দেশের অন্যতম সেরা প্রতিষ্ঠান ক্যাডেট কলেজে(যেখানের ট্রেনিং প্রসেসটাও আসছে ব্রিটিশ "ইটন কলেজের" অনুকরণে) পড়াশোনা করা একটা ছেলের লেখার সাথে যদি বাস-ট্রেনের অর্ধশিক্ষিত ক্যানভাসারদের বক্তৃতা-বিবৃতির কোন পার্থক্য না থাকে তাহলে আসলে কিচ্ছুই বলার নাই।

    হে মোর দুর্ভাগা দেশ!

    জবাব দিন
    • শিবলী (১৯৯৮-২০০৪)

      বস ওদের উদ্ভাবিত কম্পিউটার, ইন্টারনেট বর্জন , ওদের তৈরী ঔষধ বর্জন, ওদের সাহায্যে আমাদের অর্থনৈতিক উন্নতির পরিকল্পনা বর্জন------এই সব প্রকল্পও হাতে নেয়া যেতে পারে.........

      জবাব দিন
      • মাসরুফ (১৯৯৭-২০০৩)

        বর্তমান মুসলিমদের উন্নতি যে এখনো সুদূর পরাহত তা মোটামুটি এই টাইপের পোস্ট পড়লে পরিষ্কার বোঝা যায়।সত্যিকারের জ্ঞানার্জনের বিন্দুমাত্র চেষ্টা নাই,খালি আছে কিভাবে সুইসাইড বম্বার প্রডিউস করতে হয় আর সবকিছুতে ইহুদি-নাসারা-পশ্চিমাদের চক্রান্ত পাইতে হয় এই নিয়ে।ভাবতে অবাক লাগে,এই মুসলিমদের হাত দিয়েই বীজগণিত,কেমিস্ট্রি,জ্যেতির্বিজ্ঞান,চিকিৎসাশাস্ত্রের বড় বড় আবিষ্কারগুলো হয়েছে একসময়-এদের লেখা বই বিভিন্ন ভাষায় অনূদিত হয়ে জ্ঞান-বিজ্ঞানের প্রসারে সহায়তা করেছে সারাবিশ্বে।

        পশ্চিমাদের খারাপ জিনিস আছে অনেক কিছুই-আমেরিকার প্যালেস্তাইন পলিসি,তাদের সামাজিক মূল্যবোধের অবক্ষয়,ভোগবাদী সমাজের অন্তঃসারশূণ্যতা-এইগুলার কোনকিছুই আমি অস্বীকার করছিনা।কিন্তু তারপরেও কিভাবে কিছু মানুষ এই ইন্টারনেট ব্যবহার করে গোটা একটা সভ্যতাকে(যেটি কিনা বর্তমান বিশ্বে জ্ঞান-বিজ্ঞান,সাহিত্য,দর্শন,প্রযুক্তি,অর্থনীতি ইত্যাদি সবকিছুতেই নেতৃত্ব দিচ্ছে) এইরকম একচোখা দৃষ্টিতে দেখে কাল্পনিক একটা মতবাদ দিয়ে বসে,এটা ভেবে সত্যিই অবাক হই।

        ভাই সাদিক,ঠান্ডা মাথায় বসে একবার নিজের লেখা নিজে পড়ে দেখ হয়তো আমার হতাশার কারণটা বুঝতে পারবা।পশ্চিমা সভ্যতার অনেক খারাপ দিক আছে সেগুলো নিয়ে যৌক্তিক সমালোচনা অবশ্যই করা যেতে পারে।কিন্তু যে পোস্ট তুমি দিলা,এতে বহু মানুষই(এদের মধ্যে তোমার শুভানুধ্যায়ীর সংখ্যাও কম নয়) তোমার চিন্তাধারার প্যাটার্ন নিয়ে শঙ্কিত হয়ে পড়বে।

        আশা করি তোমার শুভবুদ্ধির উদয় হবে।ভাল থেকো।

        জবাব দিন
        • Masruf vai, kono comments korar age amader o akta jinish jana dorkar, ajke amra amader dhormo somporke koijon jani. koijon amra QURAN porte pari,r kojon-e ba QURAN bujhe pori,!!!!!! ALLAH SUBHANAU A TAALA amader keno duniate pathalen?kenoi ba malaek ra bollo tara(mane manush) prithibi te hanahani o roktopat korbe.? ALLAH bollen ami prithibite amar kholifa pathate chai, tahole ai ''kholifa'' ki ? tao amader jana uchit.ALLAH aro bollen ;ami jinn o manush ke sudhumatra amar 'ibadat' er jonno srishty korechi;taholle ibadat ki tao amader jante hobe.
          Ajke ami nijeke 'muslim' bole dabi kori,aj ami mone kori amar 'eeman' ache..nijeke'mumin 'bolteo amar didha hoi na.othcho ALLAH TAALA.. bollen;(sura hujurat,aya 15).. '' prokrito mumin tarai,jara biswas sthapon kore,tarpor ar kono sondeho poshon korena o nijeder jann o shompod die ALLAH r pothe JIHAD(sorbattok prochesta) kore, erai sottonistho;tahole jihad mane ki tao amader jana uchit.
          accha akjon non-muslim jodi muslim hote chae tahole take 'KALEMA' porie tarpor muslim korano hoi,tahole ai kalema ki jinish je akbar porlam r muslim hoe gelam..koi bola hoi na to je tumi age namaj poro,roja rakho.hajj koro,ba jakat dao..tahole kalemar obossoi ak bishal tatporjo ache.ISLAM er 5 ta foundation er moddhe kalema holo '1st'..baki sob gulo holo 000000,,, akhon jodi samne kalema na thake tahole porer 'zero'gulor kono value nai,, tahole ''TAWHID'' ba'KALEMA' mane ki je;; LA ILAHA ILLALLAHU MUHAMAMDUR RASULULLAH(SM)..tar mane ALLAH chara kono ILAHA nei n MUHAMMAD(pubh) prerito rasul tahole ILAHA mane ki.. ILAHA sobder ortho onek vast..tar mane ALLAH chara kono SOVEREIGNTY kono HUKUMDATA nai,kono BIDHANDATA nai,ko MABUD nai, kono SRISTIKORTA nai,kono PALONKARTA nai...etc..tar mane jiboner jei khetre ekbar ALLAH r BIDHAN o tar RASUL er SUNNAH ba TORIKA chole esheche sekhane r karo toiri kora BIDHAN k na mana etai TAWHID ba KALEMAR dabi..karon eta na kora definitely'SHIRK', tahole we have to know about SHIRK..because ALLAH TAALA sposto vabe janie diechen.'' tini shokol gunah maf korben kintu SHIRK maf korben na'' ALLAH aro bollen ''Jara ALLAH r bidhan anoshare shomaj porichalona korena,tara OBISWASI(KAFIR)..akhon amrai boli amra ashole ki korchi..ai sesh jamana te obossoi amader bodhodie hoya uchit bole mone kori..tana hole ALLAH jemon RAHMAN temni KOTHIN SHASTIDATA..jai hok aj r barabona.tobe ektai kotha bolte chai je ALLAH r TAWHID k SOVEREIGNTY k na janle,na bujhle''DAJJAL'' ke chena possible noi. no never.......TAI apnader sobai k ''THE ARRIVALS'' documentary r part 1,2,3 dekhar jonno onurodh janacchi..r shei sathe ahoban korchi sobai amra SOTTER pothe chole ashi..search for the TRUTH plz,,know the TRUTH..and maintain THE TRHTH plz.......plz pray for me...lastly.......''THE TIME HAS CAME FOR THE REVOLUTION. WE ALL HAVE TO PREPARE.....A GREAT BATTLE!! .............SALAM TO ALL OF U........

          জবাব দিন
          • Sadik, vaia kamon acho? tumi ki 26th inake er? jahok tomar likha porei ei bepare kichu likhte anupranito holam.kono kono information e ektu vul hoeche ..tobe ja bolte chaecho ta ami jani abong khub valovabei jani, jai hok je ja bole boluk tumi mon kharap korbana karon sottota ke onekei amra bojhar chesta kori na ba bujhte chaina.. tobe sotto sob shomoi sotto.. ALLAH sotto ke mitthar upor chure maren abong mittha ke durivuto koren.. asakori tumi aro onek janbe.amra kivabe muslim hote pari jekhane amra amader jibone ALLAH R SOVEREIGNTY k mene nei ni ba tar jonno amader kono chintao nei..now we r not the SLAVE OF ALLAH but we r the slave of the man's law,slave of machine,slave of the money,slave of power,slave of my 'nafs',slave of my fame etc.etc ..so how !!! how can be the muslim we r, how??!! we r all for nothing because we left behind our ''1st and last duty''to garsp the HOLY QURAN and the HOLY HADITH. and to spread the truth in the world,and FIGHT FOR THE NAME OF ALLAH..so until we r not doing that we cant be the muslim,we r traditional muslim.we have got it by born...we cant realise it value.ISLAM is the complete code of life, its not the partial code of life.. ISLAM is the only religion that can make peace in this world,,, now we r sectarian,we divide ourselves, so i think we should change ourselves.... tumi ki ''THE ARRIVALS'' documentary dekhecho? jodi na dekhe thako tobe amar sathe jogajog korte paro..valo theko ALLAH HAFIZ.........

            জবাব দিন
          • মাসরুফ (১৯৯৭-২০০৩)

            @ শিবলী নোমান সাহেব,আপনার দীর্ঘ এবং অযাচিত ওয়াজ নছিহতের জন্যে ধন্যবাদ।তবে দুঃখের বিষয়,আপনার পুরো বক্তব্যে নতুন কিছু খুঁজে পেলাম না-বিশেষ করে ১ আর ০ এর ক্লাসিক উদাহরণটা তো সেই প্রাচীনকালের-জেসিসি হাউজ মস্কের মুয়াজ্জিন মাসুদ ভাই ১৯৯৭ সালে ক্লাস সেভেনে থাকতে দিতেন আমাদের। আমাদের সবাইকে আপনি সত্যকে খোঁজার আহবান করলেন-খুবই ভাল কথা।অন্যদের কথা জানিনা তবে নিজের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে বলতে পারি-আপনার লাইনের পড়াশোনা একেবারে যে করিনি তা না।আর সেই পড়াশোনা অনুযায়ী সত্য খুঁজে পেয়েছি কিনা জানিনা, তবে নিম্নশ্রেনীর গাঁজাখুরী গল্প আর ক্লাস ফাইভের পরিবেশ পরিচিতির চাইতেও নীচুস্তরের ভুলভাল তথ্যাবলী কিভাবে লক্ষ লক্ষ মানুষকে অন্ধ বানিয়ে রেখেছে সেটি পর্যবেক্ষন করে বিলক্ষণ বিষ্মিত হয়েছি।আর আমি খুবই শান্তিপ্রিয় মানুষ,আপনার "গ্রেট ব্যাটেল" বা "রেভোলিউশন"এর আহবান থেকে আমাকে দূরে রাখলেই খুশি হব।ধন্যবাদ।

            জবাব দিন
          • আমিন (১৯৯৬-২০০২)

            মশায় শিবলি নোমান যদিও আপনি মাসরুফকে বলেছেন, তারপরেও আমি একটু নাক গলালাম। আপনি জেনে খুশি হবেন বায়েজীদ সাহেবের বই তার সাথে থাকা ডকুমেন্টরীগুলো দেখেছি। তবে তারপরে আমার মূল্যায়ন শুনলে আপনি হয়তো খুশি হবেন না। তবু বলি, ডকুমেন্টারি টা আমার কাছে খুবই স্থূল এবং হাস্যকর বলা হয়েছে। বইয়ে যেসব আর্গুমেন্ট করা হয়েছে বেশিরভাগ এতটাই হাস্যকর এবং সরলীকৃত তা খন্ডাতে বিতার্কিক হবার প্রয়োজন পরে না।আপনি যদি পয়েন্ট ধরে আলোচনা করতে চান তাহলে উত্থাপন করতে পারেন, কিন্তু দয়া করে পয়েন্ট ছাড়া ওয়াজ নসিহত করবেন না।
            দাজ্জালের আগমন নিয়ে আমি চিন্তিত নই। বরং এসব প্রচারের পিছনে মেকানিজম টা আমাদের বুঝা দরকার। বাংলাদেশে দাজ্জাল বিষয়ক বইটা প্রচারণার কাজটা করছে হিজবুত তাহরীর নামে একটি নিষিদ্ধ সংগঠন। যেসব লোকেরা দেশকে মধ্যযুগীয় খেলাফতে নিয়ে যাবার স্বপ্নে বিভোর। আর সেই খেলাফতের গল্প সাধারণ মানুষ তো এমনি এমনি খাবে না। অতএব খুব সুন্দর করে বানানো হলো বই যাতে মোটামুটি দক্ষতা দেখিয়ে পশ্চিমা সভ্যতাকে দাজ্জাল বলা হলো। মোটামুটি বললাম এই জন্য কারণ দেশের বিপুল অর্ধশিক্ষিত লোকদের মাথা ঘুরিয়ে দেবার মত। কিন্তু একজন বুঝনেওয়ালা যে কেউ একটু চিন্তা করলে এর বুজুরুকী ধরতে পারবে। বইয়ের মত হাইপোথিসিস ধরে আমাদের কলেজের প্রিন্সিপাল কিংবা আমাদের প্রধানমন্ত্রীকেও দাজ্জাল বানানো সম্ভব...।
            যা হোক ভাই সাহেব আমি আপনাকে আরেকটু সাহায্য করতে পারি। রেঁনেসা যুগের শুরুতে মুসলিম দের কাছ থেকেও অনেক কিছু (জ্ঞান) নেয়া হয়েছিলো। আপনি একটু হাদীস কোরান ঘেটে দেখুন। যদি বলা হয়ে থাকে দাজ্জালের জন্ম মুসলিম ঘরে তাহলে এটাকে এনালোজী করে বসিয়ে দিন..... 😀

            জবাব দিন
  10. আমিন (১৯৯৬-২০০২)

    ভাই সাদিক, লেখাটা আমি স্কিম থ্রু করে গেছি কারণ প্রথম কয়েক লাইন পড়ার সময় পড়ার আগেই জানতে পারছিলাম কী আসবে পরের লাইনে। তোমার লেখাটা "দাজ্জালের বয়স ২৭১ বছর" এই জাতীয় বাজারে প্রচলিত একটা বই থেকে হুবহু তুলে দেয়া প্রায়। একটা জিনিস নিয়ে লেখার আগে লেখককে নির্মোহভাবে ভাবতে হয় সেটা প্রায় পুরোটাই অনুপস্থিত।আরো অনেক কিছু বলা যেত..তবে তোমাকে নিরুৎসাহিত করছি না। শুধু বলি এখানে কিছু প্রকাশের আগে এ পক্ষ ও পক্ষ বিশ্লেষণ করে লেখ..।
    বিষয়টা ইন্টারেস্টিং সন্দেহ নাই। তবে ঐ দাজ্জাল সম্পর্কিত বইটা আমি যোগাড় করে পড়ছিলাম। গোপাল ভাঁড়ের চাইতে কম কৌতুক কর মনে হয়নি সেটা....। তোমার আগের কয়েকটা লেখা ভালো লেগেছিলো বলেই কিছু সদুপদেশ ব্যয় করলাম। ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে দেখছো ভালো ঐতিহাসিক দিকগুলোও খারাপ না কিন্তু খণ্ডিত ইতিহাস..। আরেকটু ঘাটাঘাটি করে সুন্দর করে লিখ। পরের পর্বের প্রতীক্ষায় রইলাম । (ঐ বইয়ের কথা ঢালাওভাবে আসলে পরের পর্বের দরকার নাই।)

    জবাব দিন
  11. আসাদুজ্জামান (১৯৯৬-২০০২)

    থিমটা ভাল। তবে রেফারেন্স সমৃদ্ধ হলে লেখক এবং পাঠক উভয়েই উপকৃত হত। কারণ এইটা সাহিত্য নয়। ঐতিহাসিক এবং ধর্মী্য় উভয় দিক দিয়েই দুর্বলতা স্পষ্ট। আরও অনেক পরিশ্রম করতে হবে। হাল ছাড়া যাবে না। প্রচুর পড়ে এবং জেনে তবেই শুদ্ধ করতে হবে। গুডলাক...।

    জবাব দিন
  12. আহসান আকাশ (৯৬-০২)

    দাজ্জালকে নিয়ে এরকম গবেষনাধর্মী বই ও আছে নাকি !!!


    আমি বাংলায় মাতি উল্লাসে, করি বাংলায় হাহাকার
    আমি সব দেখে শুনে, ক্ষেপে গিয়ে করি বাংলায় চিৎকার ৷

    জবাব দিন
  13. রাব্বী (৯২-৯৮)

    লেখা সম্পর্কেঃ দাজ্জাল এবং পশ্চিমা সভ্যতার তুলনা খুব সরলীকৃত, রসাত্মক এবং সস্তা মনে হলো। মূলতঃ লেখার প্রস্তাবনা এবং লাইন অব আরগুমেন্ট ত্রুটিপূর্ন। পশ্চিমা সভ্যতা, সংস্কৃতি, অর্থনীতি এবং রাজনীতির কোন কোন নীতি এবং প্রপঞ্চগুলো দাজ্জাল মডেলকে সমর্থন করে এবং সেগুলো কিসের ভিত্তিতে কি ক্যাপাসিটিতে কতটুকু সমর্থন করলে পশ্চিমা সভ্যতাকে দাজ্জাল বলা যায় তা অথেন্টিক রেফারেন্সসহ জানতে চাচ্ছি। পশ্চিমা সভ্যতা কি জিনিস? পশ্চিমা দেশগুলোতে যে মুসলমান জনগোষ্ঠি এবং ইসলামিক সাব-কালচার আছে, দাজ্জাল মডেলে তাদের স্থান কোথায়?

    ধর্মের চোখ দিয়ে অন্য সংস্কৃতি/সভ্যতাকে ছোট করার কৌশল অবলম্বন করে নিজেকে সেরা প্রমানের চেষ্টা চরম আহম্মকি।

    ছবি সম্পর্কে: আপত্তি জানালাম।


    আমার বন্ধুয়া বিহনে

    জবাব দিন
  14. মাহফুজ (৯২-৯৮)

    ব্যক্তিগতভাবে আমি মনে করি ধর্ম মেনে চলা বা ধর্ম না মানা একজন মানুষের সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত ব্যাপার। গত প্রায় দুই বছরে আমি এই ব্লগে ইসলাম ধর্মের পক্ষে অথবা ঈশ্বরহীনতার পক্ষে বেশ কিছু লেখা পড়েছি। কোনটা আমি গ্রহণ করব, আর কোনটা আমি করব না সেটা আমার ব্যাপার। তবে সমষ্টিগতভাবে চিন্তা করলে ধর্মের পক্ষে বা বিপক্ষে আলোচনা সবসময় সঙ্ঘাত ডেকে আনে, কারণ একটা পর্যায়ে আমরা মূল প্রসঙ্গ থেকে দূরে সরে গিয়ে অনেক সময় ব্যাক্তিগতভাবে আক্রমণ করে বসি। এই ব্লগে শুধু মুসলমান সদস্যই নেই, অন্যান্য ধর্মের অনুসারীও আছেন; নিরীশ্বরবাদীও আছেন (আমি নিরীশ্বরবাদীকে অবিশ্বাসী বলি না, কারণ তিনি যা বলছেন তার পিছনেও তার বিশ্বাসের একটি ভিত্তি আছে); যার যার বিশ্বাস এর ভিত্তিতে যে যার অবস্থানে থেকে আমরা এমন কিছু যেন না করি যা অন্য বিশ্বাসী সম্প্রদায়কে আঘাত করে। সবার বিশ্বাসের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করাই প্রকৃত ভাল মানুষের মত আচরণ।

    জবাব দিন
    • মাসরুফ (১৯৯৭-২০০৩)

      আপনার বক্তব্যের একটা অংশ নিয়ে ছোট্ট একটা মন্তব্য(মূলত জুবায়ের অর্ণবের) তুলে ধরছিঃ

      আপনি বলেছেনঃ
      আমি নিরীশ্বরবাদীকে অবিশ্বাসী বলি না, কারণ তিনি যা বলছেন তার পিছনেও তার বিশ্বাসের একটি ভিত্তি আছে

      নাস্তিকতা/নিরীশ্বরবাদও একটা বিশ্বাস হলে ক্রিকেট না খেলাটাও একধরণের খেলা,ডিনার না করাটাও একধরণের খাদ্যগ্রহণ, ওয়াইন না খাওয়াটাও এক ধরণের ড্রিংকিং।"কোনকিছু বিশ্বাস না করাটাও আসলে এক ধরণের বিশ্বাস"-এটা একটি বহুলপ্রচলিত ভ্রান্ত ধারণা।

      ধর্মের পক্ষে বা বিপক্ষে আলচনা করতে গিয়ে আপনি যে সংঘাতের কথা বললেন সেটি সত্য।তবে সেক্ষেত্রে ওই ব্যক্তি আক্রমণ থেকে বিরত থাকা এবং মূল প্রসঙ্গ থেকে দূরে সরে না যাওয়াটাই অধিকতর যুক্তিযুক্ত সমাধান বলে আমি আমার ক্ষুদ্র জ্ঞানে মনে করি।ভাল থাকবেন ভাই।

      জবাব দিন
  15. সাকিব (২০০২-২০০৮)

    দাজ্জাল এর ধারণা ইসলামের তথাকথিত রুপকথার মধ্যে অন্যতম, এবং সম্ভবত সবচেয়ে হাস্যকর। :khekz:
    কিন্তু লেখক সেটাকে আর হাস্যকর ভাবে উপস্থাপন করেছেন :thumbup:
    সত্যিকার অর্থেই নির্মল বিনোদন :khekz:

    জবাব দিন
  16. আছিব (২০০০-২০০৬)

    দোস্ত,লেখাটা আরেকটু পরিশীলিত হওয়া উচিত ছিল। স্পর্শকাতর এসব বিষয়ে লিখতে গেলে অনেক তথ্যের প্রয়োজন হয়। আর তুই চাইলেই রেফারেন্স ছাড়া কোন বইএর থিম নিজের লেখায় মেরে দিতে পারিস না! যত্নশীল হ প্লিজ 🙁

    জবাব দিন
  17. নাজমুল (০২-০৮)

    কিছুই বলার নাই 🙁
    ধর্ম প্রচার করতে গিয়া মানুষ রে পেইন দিয়া মাইরা ফালায় x-(
    একটা হালাল গল্প বলি 😀
    আমাদের এইখানে এক বাঙ্গালী ভাই আছে, উনি বার এ কাজ করে B-)
    তো ওনার এখানে মুসলমান পাকিস্তানী ভাইরা আসে
    তারা মদ খাইয়া টাল হইলেও, একটা ব্যাপারে খুব সাবধান থাকে,
    ভাই রে গিয়া বললো হালাল তো কিছু নাই ঠিকনা??
    ভাই বললো নাই 🙁
    তারা বললো তাইলে "ভেজি বার্গার" দেন =)) =)) =)) =)) =))

    জবাব দিন
  18. ভাই আপনি লিখেছেন ইউরোপে যখন চলছে অরাজকতা ঠিক তখনই আল্লাহ প্রেরণ করলেন আমাদের নবী হযরত মুহাম্মদ (সা) কে।তার আনিত জীবন ব্যবস্থা ইসলাম হল একটি পরিপূর্ণ জীবন ব্যবস্থা। আমার প্রস্ন মেহাম্মাদকে কেন ইউরোপে না পাটিয়ে আরবে পাটালেন? তখনতো আরবে ধর্ম নিয়ে হানাহানি ছিলনা। আরবে কুনো পোপ ও ছিল না ওরাতো শান্তিপুরন ভাবে যে যার মত ধর্ম পালন করে যাচ্ছিলো। .........।?

    জবাব দিন
  19. রাজীব (১৯৯০-১৯৯৬)

    ব্যাপক এক্তা লেখা। সেইরকম বিনোদন।
    প্লিজ কেউ এই লেখাকে কোনদিন দিলিট করতে বলবা না।
    যার যার মন খারাপ থাকবে এই লেখাটা পড়লেই মন ভাল হয়ে যাবে ১০০ ভাগ গ্যারান্টি।


    এখনো বিষের পেয়ালা ঠোঁটের সামনে তুলে ধরা হয় নি, তুমি কথা বলো। (১২০) - হুমায়ুন আজাদ

    জবাব দিন
  20. কি আর বলব এখানে সব জ্ঞানীগুনির পদচারনা । এখানে কেউ নিজেরে নাসতিক ভাইবা গর্বিত , কেউ নিজেরে মুসলিম ভাইবা গর্বিত আবার কেউ নিজেরে মানুষ ব্ইলা চরিতার্থ । আমার কথাগুলা ব্যক্তিগতভাবে কারো জন্যে না সামস্টিক ভাবে বলছি ।
    ১। যারা নাস্তিকঃ বোকার রাজ্যে আপনাদের স্বাগতম , কারন এত সুন্দর সুশৃংখল সৃষ্টি আকাশ , মাটি , পানি ,বায়ু , মহাবিশ্ব , এত বাহারী জীবজন্তু গাছপালা , অথচ তার নাকি কোন সৃষ্টিকর্তা নেই , চরম হাস্যকর যেখানে পার্থিব জিনিসের একটা সুঁচ এর ও সৃষ্টিকর্তা থাকে । তাদের মধ্যে অনেকেই বলেন কোর্আন অন্য আট দশটা দর্শনের মত আর এর লেখক নবীজি । কোর্আনে ৪২ টির বেশি বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে এবং এর প্রায় ছয় ভাগের এক ভাগ আয়াত বিজ্ঞান নিয়ে আলোচনা করে যা বৈজ্ঞানিক ভাবে অকাট্য প্রমানিত । যাই হোক যে নাস্তিক তাকে নাস্তিক থাকতে দিন কারন , পৃথিবীতে আর যাই হোক জোর করে কাউকে কিছু বিশ্বাস করানো সম্ভব না ।
    ২।যারা মুসলিমঃ মুসলিম হল তারাই যারা নিজেদের ইচ্ছাকে আল্লাহর কাছে আত্মসমর্পন করে , অর্থাত্‍ তাদের জীবনের সকল খেতরে যেমন , পরিবার , রাষ্ট , সমাজ পরিচালনার জন্য আল্লাহর দেয়া বিধান মানা । অর্থাত্‍ কোর্আন কে সংবিধান করা । অথচ এখন তারা সংবিধান হিসেবে মানছে গনতন্ত্র ,সমাজতন্ত্রের মত নানা তন্ত্র , মন্ত্র , বাদ ও ism এ যা মানুষের তৈরি । এখন আপনারাই বলুন এরা কি মুসলিম ।
    ৩। যারা মানুষঃ মানুষের ধর্ম হল মানবতা আর এই মানবতার মধ্যে পড়ে দয়া ,মায়া ,মমতা ,সততা ,সত্যবাদিতা ইত্যাদি অনেক মানবীয় গুন ।এখন আপনারাই চিন্তা করুন এ গুনগুলো আছে কার কাছে ? অত্এব বর্তমানে মানুষ বলতেও কেউ নেই পৃথিবীতে ।

    একমাত্র ইসলাম ই পারে পুনরায় মানুষের এই মানবতা কে জাগিয়ে তুলতে , কেননা এটি সৃষ্টিকর্তা প্রদত্ত ভারসাম্য পূর্ন বিধান । সঠিক ইসলাম জানতে বর্তমানের মুসলিমদের দেখে লাভ নেই দেখুন সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ মানব মহানবী সঃ কে । আর পড়ুন কোর্আন ও হাদিস অর্থবুঝে তাহলেই ইসলাম সম্পর্কে ভূল ধারনা ভাংবে ।

    জবাব দিন

মন্তব্য করুন

দয়া করে বাংলায় মন্তব্য করুন। ইংরেজীতে প্রদানকৃত মন্তব্য প্রকাশ অথবা প্রদর্শনের নিশ্চয়তা আপনাকে দেয়া হচ্ছেনা।