একাত্তরে দুইটি “নেয়ার ডেথ” অভিজ্ঞতা ও এর সাথে সংস্লিষ্টগণ

একাত্তরে স্বাধীনতা যুদ্ধ চলা কালে অন্তত দুইবার আমার আব্বা নিশ্চত মৃত্যুর খুব কাছ থেকে বের হয়ে এসেছিলেন।

প্রথম ঘটনাটা এইরকমঃ
সানাউল্লাহ নামে নড়াইল তুলারামপুরের বাসিন্দা এক রাজাকার কমান্ডার ছিলেন নড়াইল সদরের দায়িত্বে। তাঁর কিছু প্রতিনিধি তৎকালীন নড়াইল বাসস্ট্যান্ডে থেকে তাঁর আইজ এন্ড এয়ার হিসাবে লক্ষ রাখতেন যারা আসা যাওয়া করছেন তাঁদের মধ্যে পাকিস্তানবিরোধি বলে সন্দেহভাজন কেউ আছেন কিনা।
জুন মাসের প্রথম দিকে আমাদেরকে মায়ের মাতুলালয় লোহাগড়া থানাধীন পাচুরিয়া গ্রামে নিরাপদ আশ্রয়ে রেখে আব্বা জীবিকার সন্ধানে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওয়ানা হলেন। ততদিনে সানাউল্লাহ বাস থেকে সন্দেহভাজনদের নামিয়ে গুম করার কাজে কুখ্যাত হয়ে উঠেছেন। যাত্রার আগে স্থানীয় শুভাকাংখিগণ সতর্ক করে দিলেন যে সানাউল্লাহর দৃষ্টি এড়িয়ে খুব সাবধানে বাসস্ট্যান্ড এলাকা পার হতে, বাসে উঠতে হবে। কোন ক্রমেই সানাউল্লাহর চোখে পড়া চলবে না।
আব্বা বাসস্ট্যান্ডের কাছে পৌছে দেখলেন সানাউল্লাহ নিকটবর্তি স্কুলের মাঠে রাজাকার প্রশিক্ষন সুপারভাইজে ব্যস্ত। তাই সহজেই তাঁর চোখ ফাঁকি দিয়ে দ্রুত বাসে উঠে গেলেন। কিন্তু বিপত্তি বাধালো বাসস্ট্যান্ডে থাকা সানাউল্লাহর আইজ এন্ড এয়াররা।
তাদের কাছে আব্বাকে সন্দেহভাজন পাকবিরোধি মনে হওয়ায় একজন আব্বার সাথে কথাবার্তা চালিয়ে যাওয়ার অজুহাতে সাথে রয়ে গেল আর অন্যজন ছুটলো সানাউল্লাহকে খবর দিতে।
বাসের ড্রাইভার হেল্পার ঘটনাটা আচ করতে পেরে বাস স্টার্ট দিয়ে দিল বাস ভরার আগেই।
বার্তা বাহকের কাছে আব্বার বর্ননা শুনে সানাউল্লাহ বাসের দিকে তাকালো, আব্বাকে দেখলো এবং বাস থামাতে ইশারা দিল। ড্রাইভার কিছুই দেখেনি, এমন ভাব করে বাস ছেড়ে দিল।
তাঁরা জানতো, বাস থেকে সানাউল্লাহ যাঁদের নামিয়ে নেয়, তাঁরা কেউ ফিরে আসে না। তাঁদের মুহুর্তের একটা সিদ্ধান্ত সেইদিন আমার আব্বাকে অল্পের জন্য সানাউল্লাহ নামক ঐ রাক্ষসের হাত থেকে বাঁচিয়ে দিয়েছিল।

সানাউল্লাহর কি হলো?
যুদ্ধের শেষভাগে সানাউল্লাহ পালিয়ে ঢাকায় চলে যায়। পরবর্তিতে নাম এবং চেহারা-বেশভুষা পালটে ঢাকায়ই রয়ে যায়।
শোনা যায় বর্তমানে সে উত্তরা এলাকার কোন এক মসজিদে বদলে নেয়া নাম পরিচয়ে ইমামতি করে জীবিকা নির্বাহ করছে…

দ্বিতীয় ঘটনাটা এইরকমঃ
যুদ্ধের শেষদিকে, ঈদের আগেই আমরা গ্রাম থেকে ঢাকায় ফিরে আসি। থাকতাম আগামসিহ লেন-এ। শহিদ বুদ্ধিজীবি শহিদুল্লাহ কায়সারদের বাসা ছিলো নিকটেই, কায়েতটুলিতে। ১৪ই ডিসেম্বর বিকালের মধ্যেই স্থানিক নৈকট্যের কারনে খবর পেয়ে গিয়েছিলাম ওনাকে বাসা থেকে ডেকে নিয়ে গিয়েছে।
হয়ত এই কারনেই রাতে ঘুমুতে যাবার আগে আম্মা-আব্বা অবচেতন মনে একটু বেশি সতর্ক ছিলেন।
গভীর রাতে দরজায় কড়া নাড়ার শব্দ। অন্য কোন সময় হলে আব্বা হয়ত জানতে চাইতেন “কে এসেছে, এত রাতে?” কিন্তু কি এক অজ্ঞাত সতর্কতা কাজ করল, উনি কিছু বললেন না। দরজার কাছে গেলেন, ফাক দিয়ে অনুমান করতে চেষ্টা করলেন কে, কেন এসেছে। কিন্তু সাড়া দিলেন না।
বেশ কয়েকজনের উপস্থিতি বুঝতে পেরে দরজার সিটকানিতে হাত দিলেও তা খুলছিলেন না। আম্মার হয়ত বিকালের ঘটনা, শহিদুল্লাহ কায়সারকে নিয়ে যাবার ঘটনাটা মনে পড়ল। আব্বাকে থামালেন। ইশারা করলেন পিছনের দরজা দিয়ে বের হয়ে লুকিয়ে পড়তে। আম্মা দরজা খুললেন, ততক্ষনে মনিমামা (আব্বার মুহুরি) ঘুম থেকে উঠে এসে আম্মার সাথে যোগ দিয়েছে।
দেখা গেল সেই একই দল। স্বসস্ত্র। যারা শহিদুল্লাহ কায়সারকে কিছুক্ষন আগে তুলে নিয়ে গিয়েছে তারাই। খালেক মজুমদারের নেতৃত্বে।
বিকালের একই বক্তব্য, একই প্রমিজঃ উকিল সাহেব একটু যাবেন। সাথে গাড়ি আছে। যাবেন আর আসবেন।
দলনেতা খালেক মজুমদা্র একটু পিছনে, মুথ মাফলার দিয়ে জড়ানো। মনি মামা চিনে ফেললেন। কারন এই খালেক মজুমদার তখনও আমাদের প্রতিবেশি।
দুটো বাড়ি পরে গলির ভিতরে থাকেন। চিনে ফেলায় একটু অপ্রস্তুত। বাকিরা বাসা সার্চ করতে চাচ্ছে, এরইমধ্যে বাড়িয়ালার মেজছেলে সালাউদ্দিন মামা নেমে এসেছেন। খুব ভালো উর্দু বলেন। তিনি বুঝিয়ে শুনিয়ে ওঁদের বিদায় করলেন এই বলে যে আব্বা সত্যিই আজ বাসায় ফেরেন নাই। কাল ফিরলে উনি নিজে তাঁকে সাথে করে খালেক ভাই-এর কাছে নিয়ে যাবেন, ইত্যাদি…
আব্বা পিছনের বারান্দায় দাঁড়িয়ে সবই শুনছেন।
১) যদি শহিদ বুদ্ধিজীবি শহিদুল্লাহ কায়সারকে ধরে নেয়ার খবরটা জানা না থাকতো, এই সম্পর্কিত বাড়তি সতর্কতা না থাকতো, ২) যদি নক শুনেই আব্বা কথা বলে ফেলতেন, যদি দরজা খুলে ফেলতেন, ৩) যদি সঠিক সময়ে সালাউদ্দিন মামা নেমে না আসতেন, বাড়ি সার্চ করাটা না আটকাতেন –
খালেক মজুমদারের হাতে শহিদুল্লাহ কায়সারকে যে ভাগ্য বরন করতে হয়েছে, ঐদিনই কয়েক ঘন্টার ব্যবধানে আমার আব্বাকেও সেই একই লোকের হাতে সেই একই ভাগ্য বরন করতে হত।
কঠিন সময়গুলোতে সত্যিই জীবন আর মৃত্যু কতটা পাশাপাশি চলে!

শহিদুল্লাহ কায়সার এবং আরও অনেক বুদ্ধিজীবীকে ধরে নিয়ে গুম করার সাথে সংস্লিষ্টতা প্রমানিত হওয়ায় খালেক মজুমদা্রের শাস্তি হয়েছিল। কিন্তু ৩১ ডিসেম্বর ১৯৭৫ এক সামরিক ডিক্রি বলে দালাল আইন বাতিল করে সাজাপ্রাপ্ত অপরাধি খালেক মজুমদারকে মুক্তি দেয়া হয়। সর্বশেষে তাঁর সম্পর্কে যেটুকু শুনেছিলাম যে শহিদুল্লাহ কায়সারের রক্তের দাগ হাতে নিয়েই তিনি পুরোনো ঢাকায় বহাল তবিয়তে বসবাস করছেন।

আমার কথাঃ মুক্তিযুদ্ধোকালিন এজাতিয় আরও কিছু ঘটনা সবার সাথে শেয়ার করব ইচ্ছা রইল। এগুলো শেয়ার করতে চাচ্ছি এইজন্য যে, মুক্তিযুদ্ধো পরবর্তি প্রজন্ম এ থেকে আমাদের মত আম-জনতার সাফারিং সম্পর্কে কিছু ধারনা পাবে। সাধারনতঃ মুক্তিযুদ্ধোকালিন অভিজ্ঞতা, সাফারিং, ইত্যাদির বর্ণনা বিশিষ্টব্যক্তিবর্গের মুখে শুনে, লিখায় দেখে সেগুলোর ধরন সম্পর্কে একধরনের স্টেরিওটাইপিং পাঠক-শ্রোতা করে ফেলেছেন। আম-জনতার মুখের বর্ণনা তাথেকে কিছুটা কম রোমাঞ্চকর কিন্তু অধিক জীবনঘন হবে আশা করছি।

শুভেচ্ছা সবাইকে…

৩,২৪৮ বার দেখা হয়েছে

২৬ টি মন্তব্য : “একাত্তরে দুইটি “নেয়ার ডেথ” অভিজ্ঞতা ও এর সাথে সংস্লিষ্টগণ”

  1. রাজীব (১৯৯০-১৯৯৬)

    সিসিবিতে স্বাগতম।
    উষ্ণ অভ্যর্থনা জানাবে সানা ভাই।

    অত্যন্ত দরকারী পোষ্ট।

    যাদের পরিবারকে ৭১ ছুয়ে যায় নি তারা এর ব্যাপকতা বুঝবে না।

    তবে আশার কথা এই যে নতুন প্রজন্ম জানতে আগ্রহী।

    আঙ্কেল এখন কেমন আছেন?

    (কিছু টাইপো রয়ে গেছে। একটু দেখে নিয়েন ভাইয়া)


    এখনো বিষের পেয়ালা ঠোঁটের সামনে তুলে ধরা হয় নি, তুমি কথা বলো। (১২০) - হুমায়ুন আজাদ

    জবাব দিন
    • পারভেজ (৭৮-৮৪)

      স্বাগতঃ জানানোয় ধন্যবাদ, রাজীব।
      আমার কিন্তু ধারনা, একাত্তর সবাইকেই কম-বেশি ছুঁয়ে ছিল, কিন্তু কোন এক অনিবার্য মোহে, ইশারায় কেউ কেউ বিভ্রান্ত হয়ে এই ছোয়াটাকে অস্বীকার করা শিখে নিয়েছিল, নিয়েছে। সেই লিগেসিটা তাদের উত্তরসূরিরা এখনো টেনে যাচ্ছে।
      আব্বা আছেন ভালোই, তবে খুব ভাল না। বয়স তিরাশি প্লাস। ছেচল্লিশ বছর ধরে ডায়বেটিস, সাইত্রিশ বছর ইনসুলিন নিচ্ছেন। যেরকম আছেন, তারচেয়ে বেশি কিছু আশা করি না। মাঝে মধ্যেই রক্তের ইলেকট্রোলাইটে টানাপোড়েন বাধে। সানাউল্লাহর ঘটনাটা জানলাম ঐরকম একটা টানাপোড়েনের মধ্যে।
      ঘটনাটা বলি।
      দিনকয়েক আগে হঠাৎ আব্বার রক্তে পটাশিয়াম বেড়ে গেল। কমানোর জন্য আইভি ডেক্সট্রোজ দিতে হবে ইনসুলিন মিশিয়ে।
      গভীর রাত। ড্রাইভারকে পাওয়া যাচ্ছে না। নিকটস্থ এক ক্লিনিকে একজন নার্সের খোঁজ পাওয়া গেল যিনি বাসায় এসে এই কাজটা করতে রাজী। তবে তাঁকে নিয়ে আসতে ও পৌছে দিয়ে আসতে হবে। আমার ডাক পড়ল এই ডিউটিটা করার জন্য।
      আইভি ফ্লুইড সংযুক্ত করার পর ঘন্টা খানেক লাগবে ওটা খালি হতে। মানুষতো আর চুপ করে বসে থাকতে পারেনা। এটা ওটা কথার ফাঁকে জানা গেল ভদ্রমহিলার বাড়ি নড়াইল, তুলারামপুরে।
      আব্বা জিজ্ঞাসা করলেন, "তুলারামপুরের সানাউল্লাহকে চেন?"
      পরবর্তি একঘন্টার আলাপচারিতায় যে তথ্য বের হয়ে এলো তা এতক্ষনে সবার জানা হয়ে গেছে।
      ভদ্রমহিলাকে ছেড়ে, ফেরার সময় ভাবছিলাম, আজকের ড্রাইভারের ডিউটিটা বেশ ভালোই ফলোদায়ক হলো।
      (হ্যাঁ, টাইপোর ব্যপারে যত্ন নিতে হবে)


      Do not argue with an idiot they drag you down to their level and beat you with experience.

      জবাব দিন
  2. রাজীব (১৯৯০-১৯৯৬)
    শোনা যায় বর্তমানে সে উত্তরা এলাকার কোন এক মসজিদে বদলে নেয়া নাম পরিচয়ে ইমামতি করে জীবিকা নির্বাহ করছে…

    আশা করছি এই প্রজন্মের কেউ বা কয়েকজন মিলে কাজটা করবে।


    এখনো বিষের পেয়ালা ঠোঁটের সামনে তুলে ধরা হয় নি, তুমি কথা বলো। (১২০) - হুমায়ুন আজাদ

    জবাব দিন
    • পারভেজ (৭৮-৮৪)

      সামি, দ্বিতীয় ঘটনাটা আমরা সবসময়েই জানতাম কিন্তু তা যে শেয়ার করার মত গুরুত্বপূর্ন তা সেভাবে আগে কখনো মনে হয়নি। আর প্রথমটা গত বেয়াল্লিশ বছরে আব্বা কাউকে বলার মত কিছু বলে ভাবেনই নি।
      একাত্তরে এমন কঠিন সময়, মৃত্যুর সাথে জড়াজড়ি করে চলা সময়, সবার এত বেশি বেশি ছিল, যে তা থেকে বেচে যাওয়া গুলোকে খুব বড় কোন সৌভাগ্য বলে এতদিন মনে হয় নাই। মৃত্যু, খুব খারাপ মৃত্যু-র এত এত ঘটনা আছে যেখানে এইসব 'নেয়ার ডেথ' ঘটনাগুলো নিতান্তই অনুল্লেখযোগ্য ছিল এতকাল।
      এরকম আরও অনেক গল্প আছে অনেকের কাছে। আশা করছি সেইসব ঝাপিও খুলবে ধীরে ধীরে...


      Do not argue with an idiot they drag you down to their level and beat you with experience.

      জবাব দিন
      • সামিউল(২০০৪-১০)

        হ্যাঁ ভাই, এইসব ঘটনা গুলো খুঁজে খুঁজে বের করতে হবে। আমরা যারা মুক্তিযুদ্ধ দেখিনি তাদেরও তো ইতিহাস জানতে হবে...

        আর ওই ভালমানুষের বেশে থাকা কুকুর গুলোকে ঝুলাতে হবে ফাঁসিতে।


        ... কে হায় হৃদয় খুঁড়ে বেদনা জাগাতে ভালবাসে!

        জবাব দিন
  3. রাজীব (১৯৯০-১৯৯৬)
    কিন্তু ৩১ ডিসেম্বর ১৯৭৫ এক সামরিক ডিক্রি বলে দালাল আইন বাতিল করে সাজাপ্রাপ্ত অপরাধি খালেক মজুমদারকে মুক্তি দেয়া হয়। সর্বশেষে তাঁর সম্পর্কে যেটুকু শুনেছিলাম যে শহিদুল্লাহ কায়সারের রক্তের দাগ হাতে নিয়েই তিনি পুরোনো ঢাকায় বহাল তবিয়তে বসবাস করছেন।

    :duel:


    এখনো বিষের পেয়ালা ঠোঁটের সামনে তুলে ধরা হয় নি, তুমি কথা বলো। (১২০) - হুমায়ুন আজাদ

    জবাব দিন
  4. আহসান আকাশ (৯৬-০২)

    ব্লগে স্বাগতম পারভেজ ভাই। আশা করি এরকম আরো অনেক লেখা পড়তে পারবো আপনার কাছ থেকে।


    আমি বাংলায় মাতি উল্লাসে, করি বাংলায় হাহাকার
    আমি সব দেখে শুনে, ক্ষেপে গিয়ে করি বাংলায় চিৎকার ৷

    জবাব দিন
  5. জিয়া নূরনবী (২০০২-২০০৮)

    ভাই সালাম নেবেন। রোমাঞ্চকর একটা লেখা।অনেক ধন্যবাদ ভাই লেখাটার জন্য।
    আঙ্কেল আরো অনেকদিন সুস্থতায় বেঁচে থাকুন এই দোয়া রইল।


    ব্জলে উঠুক বারুদ

    জবাব দিন
  6. স্যার, আপনার একাত্তর নিয়ে লিখাগুলো আমাকে কেন জানিনা অনেক বেশি ছুঁয়ে যায়, মনেহয় আমি ঘটনাগুলো চোখের সামনে দেখছি । এর আগে ইতনা গণহত্যা সংক্রান্ত আপনার লিখাটা পড়ে আমি হতবিহবল হয়ে গিয়েছিলাম । সে অনুভুতির ভাষা আমার জানা নেই । আজ এই লিখাটা পড়ে মনেহচ্ছে, সানাউল্লাহ আর খালেক মজুমদারের মুখে একদলা থুথু দেই, আর ঘৃণা তার জন্যও যার কারণে আজ শাস্তি পাওয়ার পরও এরা বাংলার মাটিতে সদম্ভে ঘুরে বেড়াচ্ছে ।

    আর আঙ্কেলের জন্য অনেক অনেক দোয়া রইলো, উনি যেন আরও অনেক বছর সুস্থতায় আমাদের মাঝে থাকেন ।

    জবাব দিন
    • পারভেজ (৭৮-৮৪)

      রুন, অনেক ধন্যবাদ - পড়ার এবং কমেন্ট করার জন্য। সাধারন মানুষের মুখের সাধারন কথা কখনো কখনো অসাধারন মনে হওয়ার কৃতিত্ব লেখকের নয়, পাঠকের। সাধারন লেখক যখন লিখে তাঁর মাথায় এটা থাকে না যে পাঠক কি খাবে অথবা কি খাবে না। তাই স্বাভাবিক কারনে সচরাচর এর তেমন কোন সাফল্য দেখা যায় না। কিন্তু কখনো কখনো কোন কোন পাঠক এর মধ্যে নিজের ধ্যন-ধারনা, দৃষ্টিভঙ্গির প্রতিফলন দেখতে পায়। পাঠকের এই দেখতে পাবার গুনের কারনেই সাধারন একটি লিখাকে কখনো কখনো অসাধারন মনে হয়।
      একজন গুনী পাঠকের জন্য নগন্য লেখকের শুভকামনা......


      Do not argue with an idiot they drag you down to their level and beat you with experience.

      জবাব দিন
  7. মাহমুদুল (২০০০-০৬)

    অনেকদিন পর লেখাটা পড়লাম। তবে এই রাজাকার দের কার্যকলাপ বোঝাতে যে ' ছিলেন', 'রাখতেন' শব্দগুলো ওদের জন্য বেশ সম্মানজনক হয়ে যায়।

    ভালো লেগেছে।


    মানুষ* হতে চাই। *শর্ত প্রযোজ্য

    জবাব দিন

মন্তব্য করুন

দয়া করে বাংলায় মন্তব্য করুন। ইংরেজীতে প্রদানকৃত মন্তব্য প্রকাশ অথবা প্রদর্শনের নিশ্চয়তা আপনাকে দেয়া হচ্ছেনা।