মাকে মনে পড়ে

[এই লকডাউনে সিসিবিতে আমার চলমান দিনলিপি “করোনার দিনগুলি”-র ১৪তম পর্বে এই লেখাটা ছেপেছিলাম। সেখানে এক শ্রদ্ধেয় এক্স-ক্যাডেট লেখক বড় ভাইয়ের মন্তব্য ছিল, এটাকে আমি আলাদাভাবে একটা ব্লগ আকারে রাখতে পারতাম। সেই চিন্তা থেকেই এই লেখাটাকে আলাদা একটা ব্লগ হিসেবে ছাপানোর ইচ্ছে হলো। অবশ্য এই লেখাটা ফেসবুক ভিত্তিক ইদানিংকালের বেশ জনপ্রিয় ক্রিয়েটিভ প্লাটফর্ম “পেন্সিল” গ্রুপেও ছেপেছিল। কিন্তু যেহেতু এই লেখাটা একটু পুরোনো, সোশ্যাল মিডিয়ায় আমার টাইমলাইনে প্রথমবার ২১শে এপ্রিল ২০২০ তারিখে লিখেছিলাম,

বিস্তারিত»

বড় লোকের বিটি লো

[লেখাটা গত ২০ এপ্রিল ২০২০ তারিখে লিখেছিলাম; আজ ১ জুলাই ২০২০ তারিখে সিসিবিতে পোস্ট করা হলো।]

খুব বোরিং এবং আনকনভেনশনাল একটা লেখা এটা। তাই আগেই ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছে। লেখার টাইটেল-টা নিশ্চয়ই বলে দিচ্ছে, লোক-সঙ্গীত এবং তার কন্ট্রোভার্সিয়াল প্রেজেন্টেশন নিয়ে লিখতে যাচ্ছি। আমার কথাগুলো খুব বিরক্তিকর মনে হলে, নির্দ্বিধায় এই লেখা এ্যাভয়েড করে যান। আর লোক-সঙ্গীত নিয়ে কিছু ভাবনা ভালবাসায় দুচার মিনিট সময় কাটাতে চাইলে,

বিস্তারিত»

অন্য নায়কেরা

নিশুতি নিঃশব্দ রাত, গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন কান্দাই শহর। হঠাৎ রাতের আঁধার চীরে ভেসে আসে তেজী ঘোড়ার খুরের শব্দ। ঘুমে টুটে যায় যত অত্যাচারী শোষক ক্ষমতাধর বদ লোকের, তাদের বুকে জাগে ভয়ের কাঁপন। কারন এই ঘোড়ার সওয়ার আর কেউ নন, স্বয়ং দস্যু বনহুর- গরীবের বন্ধু, অত্যাচারী মাথায় উদ্যত গড়্গ। জমকালো পোষাকে অস্ত্র হাতে প্রিয় ঘোড়া তাজের পিঠে চেপে বের হয়েছেন নৈশ অভিযানে। কে জানে আজ রাতে কোন মানবতার দুশমনের হবে শেষ বিচার!

বিস্তারিত»

বাবা এণ্ড কোং … ২১শে জুন ২০২০

সার্টিফিকেটে লেখা জন্ম তারিখ অনুযায়ী ব্যাক্তিজীবনে প্রফেসর সুলতান আলমের জন্ম হয়েছিল ১৯৪৮-এর ডিসেম্বরের ৫ তারিখে। কিন্তু বাবা হিসেবে এই একই মানুষটার জন্ম হয় ১৯৭৬ সালের জানুয়ারি মাসের ৮ তারিখে ভোর ৩টার দিকে। আবার বাবা হিসেবে আমার জন্ম ২০১২-এর ৩০শে সেপ্টেম্বরের প্রথম বিকেলে। ঘড়ির কাঁটায় সময়টা মনে নেই, তবে লাঞ্চের পরপরই ছিল সেই মুহূর্তটা, এটুকু মনে আছে। সেদিন লাঞ্চটা ঠিকমত করতে পারিনি, সেজন্যই সম্ভবত পড়ন্ত দুপুর বা প্রথম বিকেল,

বিস্তারিত»

ঘন্টা কাহিনী

ঘন্টার ইতিহাস প্রাচীন। কবে কোথায় এর উৎপত্তি জানিনা। তবে সব দেশে সব কালেই যেন এর ব্যবহার ছিল। গীর্জা মন্দির থেকে রেল ইষ্টিশান হয়ে বেড়ালের গলা – কোথায় নেই! ইশকুল এবং জেলখানাতে ওটা থাকবেই। শেষোক্ত প্রতিষ্ঠান দুটোর মধ্যে কি একটা অন্তঃমিল আছে যেন।

আকার প্রকারে ঘন্টা সমাজে দুই গোত্র- একটা মোচার খোলের মতো, ভেতরে হাতুড়ি ঝুলছে। উঁচু ঘন্টাঘরে কায়দা করে জিনিসটা ঝোলানো। দড়িদড়ার সাহায্যে ওটাকে এদিক ওদিক দুলিয়ে বাজাতে হয়।

বিস্তারিত»

আসমত ভাইয়ের শিঙ্গা

গিডিয়নের শিঙ্গা নামে এক খানা বিখ্যাত উপন্যাস আছে। লেখার নামটি ধার করেছি সেখান থেকে। বিষয়বস্তু অবশ্য একেবারেই ভিন্ন। শিঙ্গা অর্থাৎ বিউগল যথেষ্ট পুরোনো জিনিষ, সেই আদ্দিকাল থেকে যুদ্ধের ময়দানে এটার ব্যবহার হয়ে আসছে। যন্ত্রটা বাজানো বেশ কঠিন, এতে দম ও কৌশল দুটোই লাগে। যুদ্ধের ময়দান আর সামরিক কুচকাওয়াজ ছাড়াও শিঙ্গার বাদন যে অন্য কাজেও লাগে তা জানলাম আসমত ভাইয়ের কল্যাণে।

ঝিনাইদহ ক্যাডেট কলেজ- দেশের অন্যতম সেরা বিদ্যাপীঠ।

বিস্তারিত»

সুবচন নির্বাসনে

১৯৯২ সালে ক্যাডেট কলেজে যাওয়ার আগে বাবার সাথে বেইলি রোডের মহিলা সমিতি মঞ্চে একটা নাটক দেখেছিলাম- নাম ছিল “সুবচন নির্বাসনে”। নাটকটিতে তিনটা প্রবাদ বাক্য (সুবচন) মিথ্যা প্রমানিত হয়।

নাটকে একজন স্কুল মাস্টারের তিন ছেলেমেয়ে- বড় ছেলে স্বপন সেকেন্ড ডিভিশনে এমএ পাশ করে একটা অফিসে চাকরির ইন্টারভিউ দেয়, সেখানে তাঁর থার্ড ডিভিশনে পাশ করা এক বন্ধু ঘুষ দিয়ে চাকরিটা বাগিয়ে নেয়। “সততাই সর্বোতকৃষ্ট পন্থা”

বিস্তারিত»

মেলবোর্নের দিনলিপি (৩)… আজ বাইরে কোথাও যাচ্ছিনা, তাই ইতিহাস নিয়ে কিছুটা ঘাঁটাঘাটি

এর আগের পর্বটি পাবেন এখানেঃ মেলবোর্নের দিনলিপি (২)… ‘মেরী ক্রিস্টমাস ডে’ – ২৫ ডিসেম্বর ২০১৯

গতরাতে মেরী ক্রিস্টমাস উপলক্ষে নগরীর আলোকসজ্জা দেখে বাসায় ফিরে ঘুমাতে ঘুমাতে অনেক দেরী হয়ে গিয়েছিল, তাই আজ, ২৬ ডিসেম্বর ২০১৯ এ আর কোথাও বের হবোনা বলে মনে মনে ঠিক করলাম, স্ত্রীকেও রাজী করালাম। আর বের যখন হবোই না, তখন ঘরে বসে ল্যাপটপ খুলে বসার অসামান্য সুযোগ পেয়ে গেলাম।

বিস্তারিত»

বিষাক্ত প্রশ্বাস

আজ শ্বাসের দাম নেই,
নেই জীবনের দাম।
দাম আছে অক্সিজেন সিলিন্ডার,
গ্যাস মাস্ক, গ্লাভস আর হ্যান্ড স্যানিটাইজার।

ফুসফুসের মালিক অক্সিজেনে কর বসিয়েছে
আর অক্সিজেন ভিতরে যায় না
জোর করে ঠেলে ঢুকানো লাগছে।

বাতাস বড়ো বিষাক্ত
নির্মল বাতাস আজ শ্বাস নেয়ার
অনুপযোগী।

নিয়ন্ত্রণহীন ট্রাক আর মানুষ
এখন
একই কথা
শত হাত দূরে থাকুন!

বিস্তারিত»

ভয়

নিম্নচাপের ধাক্কায়, গভীর রাতে রুম থেকে ভয়ে ভয়ে বের হলাম। ড্রাইং রুম থেকে টয়লেটের মাঝামাঝি একটু খোলামেলা। আলো-আঁধারি মাখা ওই অংশটা আগে অতটা অনুভব করিনি, যতটা আমি অনুভব করছিলাম, ঐ গভীর রাতে, একলা। সুতরাং ওই জায়গাটা যতই কাছে চলে আসতে লাগলো ততই একটা ছমছমে অনুভূতি (শিরদাঁড়া বেয়ে ঠান্ডা সাপ নেমে যাওয়ার মত), raw একটা অনুভুতি আমাকে আচ্ছন্ন করে ফেললো। শুধু তাই না, মাটিতে অবস্থিত চারদিক ঘেরাও করে রাখা দেয়ালের ছোট্ট একটা কাঠামো (হয়তো তাতে ময়লা আবর্জনা রাখা বা অন্য কোন কাজে ব্যবহার করার জন্য) যা কিনা দিনের আলোতে প্রাণহীন নিরীহ কাঠামো ছিল আমার চোখে,

বিস্তারিত»

বইটির নাম ”Bookie Gambler Fixer Spy” শেষ পর্ব

এড হকিন্স এর লেখা Bookie Gambler Fixer Spy বইটির দুইটি অধ্যায় আমার পরিচিত ক্রিকেটপ্রেমীদের জন্য অনুবাদ শুরু করেছি। ঠিক অনুবাদ নয়, ভাবানুবাদ। আকারে বেশি বড় হয়ে যাবার কারণে কিছু অনুচ্ছেদ আমি বাদ দিয়েছি।

যাই হোক, আজ সেটার তৃতীয় কিস্তি শেয়ার করছি। মনে রাখবেন স্পয়লার এলার্ট কিন্তু আগেই দিয়ে রাখছি। নিজ দায়িত্বে পড়বেন। কারণ ‘It will change the way you look at cricket!’

বিস্তারিত»

হিবিজিবি-২

২০২০

বিশে বিশে বিষক্ষয়,
মনে বড় যমভয়,
কখন এসে দরোজাতে
জানান দেয় করাঘাতে।।

মরে যত পশুশ্রেণী
শেষ হোক ইতরপ্রাণী।
তবু কি সব শেষ?
করে মনে জিজ্ঞেস।।

মন বলে শেষের শুরু
আসলেই কি তাই?

আকাট হটাৎ প্রশ্ন করি
কুঁচকিয়ে নিজ দুই ভুরু।।

বিস্তারিত»

রোজায় খাদ্যাভ্যাস কেমন হওয়া উচিত?

কলেজে রমজান পালনের সুযোগ হয় নি। তবে প্রতি বছর আমরা মহাসমারোহে পালন করতাম শবে বরাতের রোজা। ভোররাতে পাঞ্জাবি গায়ে চাপিয়ে ডাইনিং হলে সবাই মিলে সেহরি খাওয়ার স্মৃতি এখনো টাটকা। মেন্যু — ভাত, ডাল, সবজি ও মুরগী বা মাছ। আর আসর থেকে শুরু হতো ইফতারের জন্যে অপেক্ষা। মেন্যু—একাধিক ফল, চপ, বেগুনি, পেয়াজু, হালিম, মুড়ি, জিলাপি ইত্যাদি। এদেশের অধিকাংশ সামর্থ্যবান পরিবারে সেহরি-ইফতারের মেন্যু অনেকটা এরকমই। অথচ রোজাদারের জন্যে এরকম মেন্যু অত্যন্ত অস্বাস্থ্যকর।

বিস্তারিত»

পাঠ প্রতিক্রিয়া ও পুস্তক সমালোচনাঃ “তিনটি সেনা অভ্যুথান ও কিছু না বলা কথা” -শেষ ভাগ

১ম ভাগের পর এই ভাগেই আলোচনা শেষ করবো। বেশি দীর্ঘ হয়ে যাচ্ছে, আর আমার ধৈর্যও কম। ১৯৭৫ এর ঘটনা খুব সাধারণ ঘটনা বলে আমার কাছে মনে হয়নি। হটাত করে কয়েকজন মধ্যম সারির অফিসারের মনে হলো, আর দুম করে ক্যু করে বসলো বিষয়টা এমন না। দিনক্ষণ খুব সুচিন্তিত ভাবে নির্বাচিত করা হয়েছিল বলে আমার মনে হয়েছে। ১৫ আগস্ট ভারতের স্বাধীনতা দিবস। বাংলাদেশে বর্ষাকাল। ভারতীয় সৈন্যবাহিনী আক্রমণ করলে সময় লাগবে।

বিস্তারিত»

পাঠ প্রতিক্রিয়া ও পুস্তক সমালোচনাঃ “তিনটি সেনা অভ্যুথান ও কিছু না বলা কথা” -১ম ভাগ

আমার লেখা এলোমেলো হবে বলে প্রথমেই ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি। এটি আসলে উপরের উল্লেখিত বইটি পড়ার পর আমার অনুভূতি এবং লেখক ও লেখার কিঞ্চিৎ বিশ্লেষণ। বইটির নাম ও বিষয়বস্তু যথেষ্ট বিতর্কিত। বিতর্কিত এই অর্থে যে, এই বিষয়টি খুবই সফিস্টিকেটেড। স্পর্শকাতর বিষয় এই জন্য যে এটি সেনাবাহিনীর সাথে সম্পর্কিত। এই স্পর্শকাতর বিষয়টি নিয়ে পারতপক্ষে কেউ কথা বলতে চায় না। সে সার্ভিসে থাকুক বা নাই থাকুক। আমি শুধুমাত্র জানার জন্যই এই বইটি পড়ি।

বিস্তারিত»