ডেডবডি (পর্ব-২)

# এই লেখাটি বাংলাদেশ হতে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে অংশগ্রহণকারী সকল “ব্লু হেলমেটধারী”দের জন্য উৎসর্গকৃত যাঁরা শান্তির জন্য সর্বোচ্চ ত্যাগের ঝুঁকি নিয়ে জাতিসংঘের পক্ষে যুদ্ধ-বিধ্বস্ত এলাকায় দায়িত্ব পালন করেন।

    ২২ মে ২০……

    ৮। জুবা এয়ারপোর্টে ইমিগ্রেশনের জন্য দাঁড়িয়ে রয়েছি…মনের মাঝে গান বাজছে… “যখন সময় থমকে দাঁড়ায়…” এই দেশে আর যাই হোক, সময়ের কোন অভাব নেই মনে হচ্ছে। একজন করে আসছে…আমাদের কাগজপত্র দেখছে…তারপর অ-নে-ক-ক্ষ-ণ অপেক্ষার পরে আরেকজন আসছে।

বিস্তারিত»

এক টুকরো আনন্দ

২০১৮ সালে ঘোষিত “বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার ২০১৭”-প্রাপ্ত এক্স-ক্যাডেট আর্কিটেক্ট শাকুর মজিদ ভাইয়ার নাম যদি কোন এক রিসার্চ আর্টিকেলে রেফারেন্স হিসেব থাকে, এবং সেই একই আর্টিকেলে এলফাবেটিক অর্ডারে ঠিক আগে-পরের একটা রেফার্ড আর্টিকেলের লেখক হিসেবে যদি আমি নিজের নামটাকে খুঁজে পাই, তাহলে সেই মুহূর্তে এর চেয়ে বড় আনন্দ আমার মত এক ক্ষুদ্র শিক্ষক-রিসার্চারের আর কি হতে পারে? আমি নিতান্তই সামান্য এক মানুষ; আর শাকুর মজিদ ভাইয়ার মতন এত বড় একজন লেখক-নাট্যকার-ফটোগ্রাফারকে অভিনন্দন জানানোর জন্য যে মাপের প্রফেশনাল রিসার্চার বা আর্টিকেল-অথর হওয়া প্রয়োজন,

বিস্তারিত»

কপ্লিকেটেড আইডেন্টিটি ক্রাইসিস

আইডেন্টিটি ক্রাইসিস বিষয়ে জ্ঞান দেবার উদ্দেশ্যে এই লেখা নয়। লেখাটা হঠাত মনে পড়ে যাওয়া বিভিন্ন সময়ের কিছু ঘটনার মধ্য দিয়ে পাওয়া সামান্য কিছু আনুধাবন নিয়ে। কারনে-অকারনে কেউ যখন তাদের পরিচয়কে টুইস্ট করে, ভিজিটিং কার্ডে, ব্যানারে, বা সোশ্যাল মিডিয়ায়, এবং ক্ষেত্র বিশেষে স্বল্প-পরিচিতদের মহলে আত্মপরিচয়কে অহেতুক ফেব্রিকেট করে নিজেকে জাহির করেন, সেখান থেকে তাদের প্রতি সৃষ্ট আনুশোচনা থেকেই আমার আজকের এই লেখা। তবে লেখার গতিতে বিষয়টাতে ডানে-বামে কিছু শাখা-প্রশাখা গজিয়েছে হয়তো বা;

বিস্তারিত»

শিক্ষকের ডায়রিঃ পর্ব-১

শিক্ষকতার অভিজ্ঞতা নিয়ে এটাই আমার প্রথম লেখা নয়। এবিষয়ে আগেও লিখেছি। তবে ডায়রি শিরনামে এবারেই প্রথম। কর্পোরেট জীবন ছেড়ে শিক্ষকতায় নাম লিখিয়েছিলাম টাইম পাস করার জন্য, এবং অপ্রিয় হলেও সত্যি যে, মূলতঃ পেটের তাগিদেই। এই অমল-ধবল প্রফেশনটাকে ভালবেসে ফেলেছি বলেই অন্য কোন পথে রুটি-রুজির চিন্তা বা চেষ্টা কোনটাই আর করা হয়নি। অবিশ্বাস্য হলেও এটাই সত্যি যে, জনপ্রিয়তা নয়, বরং শিক্ষক হিসেবে ছাত্রদের আস্থা এবং ভালবাসা অর্জনটাকেই বেশি গুরুত্ব দিয়েছি।

বিস্তারিত»

মধুর আমার মায়ের হাসি

১. চিরুনি
২. হ্যাঙ্গার
৩. ঝাঁটা (ঝাড়ু বলা ঠিক হবে না)
৪. স্যাণ্ডেল
৫. লাকড়ি/খুন্তি/ডাল-ঘুটনি
৬. রুটি বানানোর বেলন
৭. বোনাসঃ কিল/চড় (কিলগুলার কথাই বেশি মনে পড়ছে এই মুহূর্তে)

তারপরেও, মা তো মা-ই। অনেক মনে পড়ে। আজ মনে হচ্ছে একটু বেশিই মনে পড়ছে। এস.এস.সি. পরীক্ষার পরে ক্যাডেট কলেজ থেকে ছুটিতে এসে বাসায় থাকা দীর্ঘ ছুটিতেও মা তাঁর এই একমাত্র অধমটার উপরে হাতের জোরের প্র‍্যাক্টিস চালিয়েছেন।

বিস্তারিত»

না মানুষ

সাদা মগজ,
জেব্রাক্রসিংয়ের সাদা দাগ,
আর এক ছটাক তাজা রক্ত,
ঘুটান দিলেই মিল্কশেক
দুধ আর স্ট্রবেরির মিল্কশেক।।

কি চমৎকার,
অসাধারণ দৃশ্য।
ক্যামেরাবন্দীর তোড়জোড়।
কিছুক্ষণ বাদে ঝাড়ুদার পানি দিয়ে
ধুয়ে যাবে, নগরপিতার রাস্তা বলে কথা!!
নগর আর নাগরের…

এসব আর ভাবায় না,
অদ্ভুত ফ্রস্টবাইটে অনুভূতিশুন্য
ইন্দিয়গুলো নিঃসাড়।।

একসময় দৃশ্যগুলো খারাপ লাগতো,

বিস্তারিত»

চোখ মেলো, দৃষ্টি ফেরাও

প্রত্যুষে যে পাখির ডাক কানে বাজে
কখনো কি দেখেছো তাকে
সবুজ পাতার আড়ালে
বিকেলের সন্ধ্যের ফিকে আলো দীর্ঘ ছায়ায়
দেখেছো সেই একাঙ্গি রমণী।
আঁধারের নির্জনতায়
কতো পুষ্প স্বপ্ন কুঁড়িতেই হারায়।।

নিয়তির দোয়াত কলম শক্ত মাটিতে
আঁকে স্মৃতিচিহ্ন
কখনো দেখেছো বিরস দুপুরে
দাঁড়কাকের অস্থির চাহনি।
সাগরের ধারে স্মৃতির পাড়ে
পথিকের পদচিহ্ন
মুছে যায় সময়ের স্রোতের ধারায়।।

বিস্তারিত»

“লাভ কঙ্কারেথ অল”

সমসাময়িক কিছু ঘটনায় খণ্ড-খণ্ড চিন্তাপ্রসূত নিচের পয়েণ্টগুলোকে আর কম্পাইল করতে ইচ্ছে হলো না।

১. ছাত্রদের নকল ধরার চেয়ে পরীক্ষার হলে একজন শিক্ষকের উপস্থিতি এমন হওয়া উচিত যাতে করে কেউ নকল করতেই না পারে।

২. নকল বা নকলের প্রমান বা যথেষ্ট সন্দেহ জাগায় এমন মুহূর্তে এক্সপালশন ছাড়াও নানা পন্থায় শাস্তি দেয়া যেতে পারে। যেমন, একটা দীর্ঘ সময় খাতা আটকে রাখা, মূল খাতার পুরোটা কেটে দেয়া &

বিস্তারিত»

বন্ধুপর্ব-১

আচ্ছা, ভদ্রলোকের সংজ্ঞা কি? এই জাতীয় মানুষদের কি আসলে কখনো সংজ্ঞায়িত করা যায়? মনে হয়, তা কখনোই করা যায় না। তবে হ্যা, আমরা প্রায়ই বলে থাকি, সে/তিনি একজন ভদ্রলোক। মনে তো কত প্রশ্নই আসে। ভদ্রলোকেরা কি পাব্লিসিটিতে নামেন? নাকি নীরবে নিভৃতেই কাজ করে যান? আমার তো মনে হয়, সময়ই তা বলে দেয়। ডানপিটে স্বভাবের মানুষের দ্বারা যেমন প্রকাশ্য প্রতিবাদ কিংবা সরব আন্দোলনে পরিবর্তন হয়, আবার অপর পক্ষে নীরবে নিভৃতে কাজ করে যাওয়া এই মানুষদের ধৈর্য্য সহকারে কাজ করে যাওয়ার মধ্য দিয়েই কিন্তু আসে বাস্তব মানের পরিকল্পনা এবং তা/সেগুলো বাস্তবায়নের পথনির্দেশনা।

বিস্তারিত»

মহীয়সী অঘটনঘটনপটিয়সী

১৯২২। আর্নেস্ট হেমিংওয়ে তখন সুইজারল্যান্ডের লোজ্যান-এ। টরন্টো ডেইলি স্টার পত্রিকার প্রতিনিধি হিসেবে গেছেন ব্রিটেন, ফ্রান্স, ইটালি ও তুরস্কের মধ্যে চলমান ‘লোজ্যান কনফারেন্স’ কাভার করতে। জীবিকার তাগিদে তিনি সাংবাদিকতা করছেন বটে কিন্তু অন্তরে দুর্মর আকাঙ্ক্ষা সাহিত্যিক হবার। তখনো পর্যন্ত লেখক হিসেবে খ্যাতিমান হওয়া তো দূরের কথা, হেমিংওয়েকে কেউ চিনতই না।

অধিকাংশ নবীন লেখকের একটা বৈশিষ্ট্য হলো, সমঝদার কেউ প্রশংসা করলে তারা যেন বর্তে যায়।

বিস্তারিত»

নেহাত সাধারণ

কে‌টে গেছে দিন বকুল ত‌লে খে‌লে মার্বেল গু‌টি
স্কুল ফে‌লে ডাংগু‌লি পি‌টে অম‌নি হ‌য়ে‌ছে ছু‌টি,
ভা‌বি‌নি আকাশ ছু‌তে হ‌বে বা‌ড়ি‌য়ে হাত চা‌দে
মা‌টি‌তে ছিল দৌড়ঝাপ উঠি‌নি দালানের ছা‌দে।
‌ছিল দিন সাদামাঠা সকা‌লে সুরুজ রাত্রি‌তে চাদ
মাঠভরা ধান পুকু‌রের মাছ ব্যাঞ্জনে অমৃত স্বাদ,
নদী‌তে নে‌য়ে শি‌খে‌ছি সাতার গুলটি‌তে শিকার
মগডা‌লে উঠে আম পারা নাও বে‌য়ে নদী পাড়।

কাট‌লো দিন হে‌লে ফে‌লে এখ‌নো তেম‌নি বেভুল
হয়‌নি মাপ‌জোক শেখা জ্বী’ভর পা‌লি‌য়েছি ইস্কুল,

বিস্তারিত»

আমার ভুত দর্শন

দিন-তারিখ মনে নেই, সালটা ছিলো ২০০৩। বাবার বদলির চাকরির সুবাদে আমাদের প্রায়ই এ জেলা থেকে সে জেলা করতে হতো। এটুকু বেশ মনে আছে, বাসাটার পাশে একটা প্রকান্ড হাসনাহেনা গাছ ছিলো। পূর্ণিমা-অমাবস্যায় বাসাটা ফুলের গন্ধে ম ম করতো।

 

বাবা ছিলেন সরকারী কলেজের অধ্যাপক। কলেজ থেকে অল্প দূরে একটা ভাড়া বাসায় উঠেছিলাম আমরা। একতলা ছোট বাসা, সাথে লাগোয়া উঠান, আর বাসার পেছনে আম-কাঁঠাল-মেহগণি গাছের জঙ্গল।

বিস্তারিত»

এ সময়ে সুনামগঞ্জ ভ্রমন

সুনামগঞ্জ কে এ সময়কার অন্যতম বিখ্যাত ট্যুরিস্ট স্পট বললে কম বলা হবে না।  অত্যন্ত সুন্দর এই জেলার টাংগুয়ার  হাওর এর কথা প্রায় সবাই জানি। এখনকার দিনে আমরা কম বেশি প্রায় সবাই অবসরে ঘুরতে যেতে চাই, না গেলেও জেনে রাখি ভবিষ্যৎ এর জন্য বাকেট লিস্ট।  এ কারনেই আজকের পোস্টটি দিচ্ছি।

আমার ঘোরাঘুরির শখ দিন দিন স্বভাবে পরিণত হচ্ছে। যদিও শত ব্যস্ততার কারণে বর্ষার সময় সিলেট এলাকা ঘুরার কোনভাবেই অবসর বের করতে পারলাম না।

বিস্তারিত»

অনুকথনঃ একালের অনুধাবন

আমি “জনপ্রিয়তা” ভয় পাই। এর তীব্র প্রকাশ থাকলেও, তা আমার বিচারে নিতান্তই ক্ষণস্থায়ী। বরং মানুষের “ভালবাসা”-য় সিক্ত হওয়া অনেক স্বস্তিদায়ক। “জনপ্রিয়তা” এবং “রাগ” দুটোরই প্রকাশ যে কেবল অনেক বেশি তীব্র বা তীক্ষ্ণ, তাই শুধু নয়, এদুটোই অতি প্রকাশ্যও বটে; তবে দুটোই ক্ষণস্থায়ী। এই মুহূর্তের জনপ্রিয়তা ঠিক পরের মুহূর্তেই পতন এবং অপমানের কারন হয়ে যেতে পারে। অপরপক্ষে “ভালবাসা” এবং “ঘৃণা” দুটোই নিরব; আমার অনুধাবনে এদুটো কখনোই তেমন প্রকাশ্য নয়।

বিস্তারিত»

২১ আগষ্টের রায়, ব্যক্তিস্মৃতি আর টুকরো রাজনীতি ভাবনা

২১শে আগষ্টের গ্রেনেড হামলা মামলায় ফাঁসির দন্ডাদেশ পাওয়া আব্দুস সালাম পিন্টু আমাদের টাঙ্গাইলের মানুষ। উনার পরিবারের সাথে একটা ফানি পারিবারিক সম্পর্ক হয়েছিলো আমাদের। সর্বশেষ যে বাসায় আমরা ভাড়াটিয়া হিসেবে ছিলাম সেই বাসায় আমাদের ঠিক আগেই ভাড়া থাকতেন উনারা। তো সেই জেনারেল এরশাদের সময়ে মোবাইল তো দূরে থাকুক ফোনেরও এত বিস্তৃতি ছিলোনা। ফলে রাজনীতিক পিন্টু”ভাই” যে বাসা বদলে ফেলেছেন তা তার দলের অনেকেই জানতে পারেননি। ফলে উনার সাথে দেখা করতে অনেক মানুষকে আসতে দেখেছি বাসায়।

বিস্তারিত»