জোকোস ফ্রম ক্যাডেটস ট্রল

০১

কোনো এক কলেজে বজলার নামক এক স্টাফ ছিল…………
তো একদিন প্যারাডে এক ক্যাডেট রে ধরছে…… কজ তার বেল্ট ঢিলা…
……
……
……
বজলারঃ আপনার বেল্ট ঢিলা কেন?????
ক্যাডেটঃ স্টাফ, আমার বেল্ট এর রানার নাই …তাই টাইট হয় না……
বজলারঃ বেল্ট এর রানার না থাকলে কি টাইট করা যায় না?????? আপনে ৫ টা পুশ আপ দেন……….
ক্যাডেটঃ স্টাফ, বেল্ত টাইট না হইলে আমি কি করমু????
বজলারঃ আপনেরে যা বলছি তাই করেন……… পুশ আপ দেন……
ক্যাডেটঃ পুশ আপ দিতাছি… বেল্ট কিন্তু টাইট কইরা দিতে হইব………
বজলারঃ আচ্ছা দিব নে…………
(অতঃপর ক্যাডেট টি পুশ আপ  দিল)
ক্যাডেটঃ(রাগান্বিত হয়ে) ধরেন বেল্ট …..টাইট কইরা দেন……… 
( বজলার কিছুক্ষন বেল্ট টি হাতাহাতি করল…………)
………
……….
……….
বজলারঃ এই বেল্ট এর তো রানার ই নাই……… টাইট কেমনে হইব????? 

………………. ক্যাডেট শকস ……….. 
……………… বজলার রকস……….

 

০২

এগেইন বজলার………… 
কোনো এক ব্যাচের সেভেন ডেজ এক্সারশনে ……
এডজুট্যান্ট ঃ বজলার…… ক্যাডেট দের বাসে উঠতে বল…… গুইনা report দাও……
বজলারঃ ওকে….. স্যার 
……
…… 
……. 
বজলারঃ সবাই বাসে উঠেন…………আপনারা কয়জন????

ক্যাডেটঃ জি স্টাফ … আমরা ৪৯ জন……
…………
………….
(বজলার কিছুক্ষন গুনাগুনি করল)
বজলারঃ বাসে তো ৪০ জন আছে……… বাকি party কই????
” যারা যারা নাই হাত তুলেন তো দেখি”……………

 

০৩

বার্ন দ্যা লাইট।
রাউন্ড দ্যা ফ্যান।
এভরিবডি ইন দ্যা কমন রূম ইজ ইন খালি গা।
– জনৈক শিক্ষক। 

 

০৪

এক ক্যাডেট ক্লাস চলাকালীন কথা বলছিল।
স্যার ক্ষেপে গিয়ে বললেন, ” ইউ ক্যাডেট। ইফ ইউ এগেইন টক, দেন আই উইল গিভ ফ্রন্ট রোল। ”  …. 

 

০৫

একদা ক্লাস টুয়েলভের এর এক ক্যাডেট ডাইনিং হলে হাত দিয়া পরটা খাইতেছিল ………… তখন মেস ও আই সি  আসলো……………দেখলো………বললো………
…….
……..
………
………
………..
ও আই সিঃ ” হেই ক্যাডেট, হোয়াই আর ইউ ইটিং হ্যান্ডস???? ”  

 

০৬

জানি না সিসিবির রমিত ভাইদের ব্যাচের কাহিনী কিনা এইটা>>>
Screen Shot 2014-09-12 at 19.03.35০৭

একটা আপেল একটা কমলাকে কি বলবে???
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
আরে ছাগল…কিছুই বলবে না….আপেল কোনদিন কথা কয়???

 

০৮

আমাদের এক্স মেডিকেল অফিসার এর বোরিং জোকস:
.
.
একবার প্রিন্সিপাল’স হাউস ইন্সপেকশন চলতেছে। তো তিন তলার হাউস এ ইন্সপেকশন চলছে। হঠাত হাউস এ আগুন লাগলো। সব ক্যাডেট কোনভাবে বের হইছে। এখন স্যারদের বাঁচাতে হবে। তো ডিসিশন নেওয়া হল যে স্যারেরা উপর থেকে লাফ দিবে, নিচ থেকে ক্যাডেটরা ক্যাচ ধরবে। তারপর সবাই লাফ দিতে থাকল। সবাইকে বাঁচানো গেল, কিন্ত এডজুটেন্ট বাঁচল না। কারন কি???
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
কারন এডজুটেন্ট যখন লাফ দিচ্ছিল তখন সবাই ক্যাচ ধরা বাদ দিয়ে স্যালুট দিয়ে দাঁড়িয়ে ছিল……। 

 

০৯

কলেজে পিটি’র ফল-ইন এ লেট করলে স্টাফদের আনন্দ আর দেখে কে! লেট করলেই নাম নোট করার সুযোগ। আর নাম নোট না করলে তো স্টাফ দের ভাত হজম হয় না। আর লেট না করলেও ক্যাডেটদের ব্রেড হজম হয় না। তাই ডেইলিই পিটি’র ফল-ইন এ 10/12 জন লেট থাকে। এরকম একদিন পিটি’র আগে আকরাম স্টাফ (বজলার এর লেটেস্ট ভার্সন) লেট পার্টির নাম নোট করতেছে। সবার কাছে নাম শুনে নাম নোট করতেছে। হঠাৎ স্টাফ বলে “এই জুবায়ের আপনের নাম বলেন।”
  
ক্যাডেট শকস

………….


তখন জুবায়ের নাম বলল। তারপর স্টাফ বলল, “নাম্বার(ক্যাডেট নাম্বার) বলেন”। জুবায়ের বলল, “01684632163”
  
স্টাফ শকস 
ক্যাডেট অলোয়েজ রকস !!!

 

১০

একবার কোন এক ক্লাস টুয়েলভের এর ক্যাডেট পকেট এ হাত দিয়ে ঘুরাঘুরি করতেছিল। তো এক স্যার দেখতে পেয়ে বলল, ” ইউ বয় …… হোয়াই আর ইউ মুভিং ইনসাইড ইউর পকেট? ” 

১১

জনৈক ম্যাডাম আমাদের বাংলা পড়াতেন। একদিন ক্লাসে ঢুকেই বাংলা ব্যাকরণ বইটি খুলে বললেন, “বয়েজ, তোমরা সবাই লিঙ্গ বের কর।”
কেউ আস্তে আর কেউবা জোরে হেসে উঠলো।
ম্যাডামের ডায়লগ,” বয়েজ, তোমরা বড় হচ্ছ। অসভ্যের মত আচরণ করবে না।”

 

১২

একদিন অডিটোরিয়ামে এডজুটেন্ট ক্যাডেটদের সাথে কথা বলতেছিল। তো ওই সময় এডজুটেন্ট হঠাত বলল, “ক্যাডেটস ডোন্ট লাফ। ”
তখন এই কথা শুনে স্টেজ এর সামনে দাঁড়ানো … সাইফুল স্টাফ উল্টা ঘুরে চিল্লাইয়া বলল, “এই ক্যাডেট লাফাচ্ছে কে??? কার এত বড় সাহস!!!”….শুইনা সব ক্যাডেট শকস…!!!

 

 

১৩

একবার কলেজ এ ইভিনিং প্রেপ টাইম এ লড শেডিং হচ্ছে …… কোনো কারেন্ট নাই……… প্রচণ্ড গরম………

……
তো ক্লাস ১২ এর কিছু ক্যাডেট একাডেমিক ব্লকের ছাদে উইঠা কাঁঠাল খাইতেছে…… 
এমন সময় এম ডি এম (জুনিওর টিচার, নতুন জয়েন করছে) আসলো ……………

এন ডি এম : এই তোমরা এইখানে কি কর?????

ক্যাডেটঃ স্যার, কাঠাল খাইতেছি……

এন ডি এম : কাঁঠাল খাইতেছ??? এটা তো বিশাল ফল্ট…..আমি এখন কি করবো??????

ক্যাডেটঃ এসেই যখন পরছেন তখন আর কি করবেন??? চুপচাপ বইসা আমাদের সাথে কাঠাল খাওা শুরু করেন…………..  

এন ডি  এম শকস…..
ক্যাডেটস রকস….. 

 

১৪

এগেইন বজলার:
একবার আমাদের জাহাংগীর স্টাফ, হেলাল স্টাফ আর বজলার স্টাফকে পুলিশ ধরে নিয়ে গেছে শিশু ক্যাডেট নির্যাতন এর জন্য। তো জেলে তিনজন মিলে প্ল্যান করছে কিভাবে পালানো যায়। জাহাংগীর স্টাফ সিএসএম। তিনি বুদ্ধি দিলেন যে উত্তর দিক দিয়ে পালাতে হবে। এখন জাহাংগীর স্টাফ বলল, ” দেয়াল বেশী লম্বা হলে মই দিয়ে উঠে পালাব।” হেলাল স্টাফ বুদ্ধি দিল, “দেয়াল বেশী মোটা হলে শাবল দিয়ে গর্ত করে পালাব।” তখন বজলার স্টাফ বলল, “তাহলে মনে হয় আমরা পালাতে পারব না।” বাকি দুইজন জানতে চাইল, “কেন? কি হইছে?” বজলার বলল,
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
“আরে উত্তর দিকে তো কোন দেয়ালই নাই।”
বজলার রকস…   
বাকি দুইজন শকস… 

 

১৫

তখন পড়ি ক্লাস এইটে। ওয়াল ম্যাগাজিন এর কাজ চলছে। আর মাত্র ১০ ঘন্টা আছে পাবলিশ হওয়ার। কিছু একটা সমস্যা হয়েছিল। তার আগে বলে রাখা ভাল যে, আমি সেই ক্লাস সেভেন থেকে হাউসের প্রত্যেকটা ওয়াল ম্যাগাজিন এর সাথে জড়িত থাকি। সারা রাত জাগি। সমস্যাটা নিয়ে কথা চলছে। জনৈক ভাই আমাকে বলছেন, “কি করা যায় বল।” আমি আমার মতামত দিলাম। উনার পছন্দ হল না। আমি আবার বললাম। তারপরে তিনি ক্ষেপে গিয়ে বলেই ফেললেন, “আমি তোমার থেকে এই কলেজের ভাত ৩ বছর বেশি খাইছি। আমারে শিখাইতে আইসো না।”…………. 

 

১৬

একবার হাউস ইনসপেকশনের আগে জনৈক হাউস লীডার গেছে জুনিয়র করিডোর চেক করতে।
তিনি জনৈক ক্যাডেটের মোজা নোংরা দেখে বললেন ‘অই মোজা ধোও নাই ক্যান?
ক্যাডেট তখন বলল ‘ভাইয়া ধুইছিতো। হাউস লীডার তখন
বললেন, ‘আমারে শিখাও কোনটা নোংরা মুজা আর কোনটা পরিস্কার মুজা। আমি তোমার চেয়ে পাঁচ বছর আগে থেকে মুজা ধুইনা . . . . . 

 

১৭

ক্যাডেট কলেজের মেডিকেল অফিসার গুলো যেমন:
ক্যাডেটঃ স্যার, আমার ব্রেন টিউমার হইছে।

মেঃ অফিঃ ওকে, নো প্রোবলেম।
তোমাকে প্যারাসিটামল ও পেইন কিলার দিচ্ছি। সেরে যাবে। আর শোন তোমার দুই দিন পিটি প্যারেড এক্সকিউজ!. . . . . 

(এই টা ধ্রুব। এইটা না যে মেডিক্যাল অফিসাররা চিলিৎসা জানেন না। কিন্তু অদ্ভুত ছিলো নিদান, প্যারাসিটামল, সর্বরোগের চিকিৎসা) 

 

১৮

রাত বিরাতে মোবাইল ইউজ করা ক্যাডেট দের; স্পেশালি ক্লাস টুয়েলভের এর ডেইলি স্কেজুয়েলের  এর একটি পার্ট …………
..
.. 
তো এরকম এক রাতে মোবাইল চালাচ্ছি……….. এমন সময় দরজায় কে জানি নক করলো…….. ভাবলাম রুমমেট………… কানে এয়ারফোন নিয়াই দরজা খুললাম …… খুইলাই চক্ষু চড়কগাছ… দেখি সে আর কেও নয়…… আজকের এন ডি এম  ..  .. স্যার হল আমাদের পরিসংখ্যানের শিক্ষক… আমিও পরিসংখ্যানের ছাত্র, সে হিসাবে তিনি আমাকে অনেক স্নেহ করেন……… স্যার কিছুক্ষন হ্যাং হইয়া ছিলেন…… ক্যাডেট কলেজ এ কি মোবাইল পারমিট কইরা দিল নাকি??!!
….. স্যার বললেন, ” এইটা কি????
আমি আর কি কমু?? আমার তখন চিন্তা যে প্যারেন্টস কল টা কেমনে ঠেকান যায়……………
.
.
আমিঃ  স্যার নকিয়া E63……… খুব ভাল সেট।
স্যারঃ ” হুম… মোবাইল টা দাও……”
ভাল ছেলের মতন মোবাইল তা দিয়া দিলাম…… 
স্যারঃ  ” এয়ারফোন টা দাও……”
আমিঃ  স্যার, এয়ারফোন দিয়া কি করবেন??? 
স্যারঃ  ” অই ছাগল…… গান কি তোমার *** দিয়া শুনব?????!! ভাল গান টান আছে তো???”
আমিঃ  জি স্যার…… 


আমি শকস!!!!
এন ডি এম রকস!!!
(বিঃদ্রঃ স্যার ঐ সেট টি পরে নিজেই চালাইছেন…… ভাগ্য ভাল রিপোর্ট  করেন নাই…….. )

(আমাদের সময় মোবাইল বাজারে আসে নাই) 

 

১৯

একবার জুম্মার নামাযে কলেজ মসকে এ ঘুমাইতাছি……………… কারন ইমাম যেই কথা কয় সেইটার কোনো আগা মাথা নাই………………… তো প্রতিবারের মতন এইবারো কি নিয়া জানি গেজাইতাছিল…… হঠাৎ ইমাম এমন একটা কথা কইল শুইনা ঘুম থেকে উইঠা পড়লাম………… 
.
.
.
.
.
.
.
.
.
“মানুষের মাঝে মাঝে কবরে যাওয়া দরকার…… তাইলে মানুষের মধ্যে ঈমান আসবে”

.

.

.

.

.

(আসলে বোঝাইতে চাইছিলেন যে মানুষের মাঝে মাঝে কবর যিয়ারত করা দরকার)…………

 

২০

সম্প্রতি টুয়েলভে ওঠা এক ক্যাডেট টেবিলমেট কেনার জন্য বাসায় ফোন করে বলছে “হ্যালো, আব্বু পকেটমানি পাঠিও তো……কলেজে টেবিল কিনতে হবে।”

উত্তরে ক্যাডেটের বাবা বলল “ঠিক আছে বাবা, বেশি করেই টাকা পাঠাচ্ছি……ভালো কাঠের একটা মজবুত টেবিল কিনিও……..”
ক্যাডেটস শকস ——-
ফাদার রকস ——- 

(আমাদের সময় এইসব ছিলো না। ধারণা করছি চিকি বেচাকেনার ব্যাপার ) 

আপাতত শেষ।

আজ হঠাৎ করেই এই পেইজের সন্ধান পেলাম।
কিছু জোক কাহিনী ভালো লাগলো শেয়ার দিলাম।
কৃতজ্ঞতাঃ ক্যাডেটস ট্রল

 

৩২ টি মন্তব্য : “জোকোস ফ্রম ক্যাডেটস ট্রল”

  1. সামিউল(২০০৪-১০)

    ভাই কিছু কিছু জোকস আসলেই ভাল ছিল। আর লেইমও লাগছে দুয়েকটা।
    আর প্রতিটি জোকসের পরে "অমক শকস, তমক রকস" চরম বিরক্তিকর লাগছে। আপনি এগুলা কপি করছেন জানি। আপনের দোষ নাই। কিন্তু ভাই কিছু কিছু পেইজের কথায় কথায় "শকস/ রকস" ক্যামন জানি ছ্যাবলামি লাগে। মাইন্ড খাইয়েন না।
    জোকসগুলা শোনানোর জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।


    ... কে হায় হৃদয় খুঁড়ে বেদনা জাগাতে ভালবাসে!

    জবাব দিন
    • রাজীব (১৯৯০-১৯৯৬)

      কথা ঠিক।
      এমন না যে আমি চমৎকৃত হইছি।
      আমি তো ভাবছিলাম এইটা এই যুগের হাওয়া।
      আমারে কি কখনো এইশব ওয়ার্ড ব্যবহার করতে দেখছিস?
      আমাদের সময়ের চালু শব্দ আজিব এইটাই আমি কখনো ব্যবহার করি নাই।


      এখনো বিষের পেয়ালা ঠোঁটের সামনে তুলে ধরা হয় নি, তুমি কথা বলো। (১২০) - হুমায়ুন আজাদ

      জবাব দিন
    • মোকাব্বির (৯৮-০৪)

      ক্যাডেট ট্রল পেইজের এই শকস রকস ক্যাচ ফ্রেইজটা আমিও দেখসি। আমি প্রথমে ভাবসিলাম এইটা মনে হয় বাজারে চলতেসে। পরে চিন্তা কইরা দেখলাম ক্যাচ ফ্রেইজ ব্যাচ টু ব্যাচ পরিবর্তন হয় আর কলেজ তো বাদই দিলাম। সহতম, চরম বিরক্তিকর ছ্যাবলামি টাইপের অনেকটা গেঞ্জাম মাসুদ থুক্কু আঞ্জাম মাসুদের অনুষ্ঠানের যেকোন কৌতুক নাটকের শেষে "এ্যাঁ" যোগ করার মত!


      \\\তুমি আসবে বলে, হে স্বাধীনতা
      অবুঝ শিশু হামাগুড়ি দিল পিতামাতার লাশের ওপর।\\\

      জবাব দিন
  2. পারভেজ (৭৮-৮৪)

    বুঝলাম, যুগ বদলালেও দুষ্টামির স্ট্রাকচার খুব একটা বদলায় নাই।
    ক্যাডেট বনাম অথরিটির এই ছয় বছর ব্যাপী চোর-পুলিশ খেলাটা যে কতটা স্বাস্থ্যকর, এখন তার একটা স্টাডি হওয়া উচিৎ।


    Do not argue with an idiot they drag you down to their level and beat you with experience.

    জবাব দিন
  3. সাবিহা জিতু (১৯৯৩-১৯৯৯)

    ক্যাডেটস ট্রোলস পুরান পেইজ। তারপরও বারবার পড়তে মজা লাগে।

    “মানুষের মাঝে মাঝে কবরে যাওয়া দরকার…… তাইলে মানুষের মধ্যে ঈমান আসবে”

    :pira2:


    You cannot hangout with negative people and expect a positive life.

    জবাব দিন
    • রাজীব (১৯৯০-১৯৯৬)

      আমি আগে দেখি নাই।
      গতকাল নাজমুল কি একটা লাইক বা শেয়ার দিছে তখন দেখলাম মনে হয়।

      বাট কিছু পেইজ তো আছে আবার লুল টাইপ।
      ক্রাশ আর কি জানি আছে না, পাত্র-পাত্রীর বিজ্ঞাপন দেয়।


      এখনো বিষের পেয়ালা ঠোঁটের সামনে তুলে ধরা হয় নি, তুমি কথা বলো। (১২০) - হুমায়ুন আজাদ

      জবাব দিন
  4. সামিউল(২০০৪-১০)

    আরে ভাই, আপনেরে তো আমি চিনি। এইসব আপনিও পছন্দ করেন না। আপনি আমার একটা লেখার শিরোনামে "ক্রাশ" ছিল বলে অনেক পরে পড়ছেন লেখাটা। :p
    আপনে জীবনেও এগুলান ইউজ করবেন না জানি।
    তবে আইজকালকার পোলাপানের এই এক দোষ, কোন কথা কতবার ব্যবহার করলে তার মজা থাকে, তারা সেটা বোঝেনা। আর কোনটা কোথায় ইউজ করবে তাও ঠিকমত জানেনা।


    ... কে হায় হৃদয় খুঁড়ে বেদনা জাগাতে ভালবাসে!

    জবাব দিন
  5. শকজ এবং রকজ বিষয়ক ব্যাপারটা আপনাদের বিরক্ত করেছে এ ব্যাপারে Cadet's Troll যথেষ্ট অনুতপ্ত। আসলে এই পোস্টগুলো পেজের প্রথম দিকের পোস্ট। তখনও জানি না কীভাবে কোয়ালিটি পোস্ট দেওয়া যায়। (হয়তো এখনো জানি না 😀 ) তখন পেজ গুলোর ট্রেন্ডই ছিল শকজ এবং রকজ। যাই হোক, from now onward, no shocking and rocking. 😛

    জবাব দিন

মন্তব্য করুন

দয়া করে বাংলায় মন্তব্য করুন। ইংরেজীতে প্রদানকৃত মন্তব্য প্রকাশ অথবা প্রদর্শনের নিশ্চয়তা আপনাকে দেয়া হচ্ছেনা।