লিখছি নয়, পড়ছি

বিভিন্ন ব্যাস্ততায় লেখা হয়ে ওঠেনি বেশ কিছুদিন। তবে সময় পেলেই ব্লগে ঢু মেরে গেছি, অন্তত মন্তব্যগুলো মিস না করার চেষ্টা করেছি। সময় যেটুকু পাচ্ছি পড়ে পার করছি।

হুমায়ুন আজাদ এর বইগুলো আবার পড়ছি। বাংলাদেশে থাকলে একই অনুভূতি (বই পড়ার) হতো কিনা বলতে পারছি না। এই বিদেশের মাটিতে ব’সে, বিশেষ ক’রে এই স্বাধীনতার মাসে ছাপ্পানো হাজার বর্গমাইল পড়ার অনুভূতি কিছুটা আলাদা বৈকি। তারপর পড়লাম ফালি ফালি ক’রে কাটা চাঁদ। এখন পড়ছি নারী আর আবুল বাশার এর ফুলবউ। মজার ব্যাপার হচ্ছে একই সাথে মাসুদ রানা(আগুন নিয়ে খেলা ১,২)পড়ছি। কে কি মনে করলো তাতে কিছু যায় আসে না কিন্তু কাজী আনোয়ার হোসেন আমার প্রিয় লেখকদের একজন হয়ে থাকবেন। আর মাসুদ রানা আমার প্রিয় সিরিজ। যেমন ফেলুদা, শার্লক হোমস। সস্তা লেখক হুমায়ুন আহমেদ এর মিসির আলিও আমার অসম্ভব প্রিয়; না হিমু না, শুভ্র ও না। আর হ্যাঁ আইজ্যাক আসিমভ এর ফাউন্ডেশন সিরিজটাও বাদ দেই কি করে! আবারও পড়লাম এরি মাঝে।

আমি ঠিক বলতে পারছিনা এই প্রজন্মের ছেলেপেলেরা সায়েন্স ফিকশন পছন্দ করে কিনা? একটা বয়সে জুল ভের্ণ পাগলের মতো গিলতাম। এখনো তিনি সমান প্রিয়। এরপর হুমায়ুন আহমেদ আর মুহাম্মদ জাফর ইকবাল এর সায়েন্স ফিকশন হাতে পেলাম। তখনো আসিমভ এর নাম শুনিনি। ঠিক কার কাছ থেকে সেবা থেকে প্রকাশ হওয়া ফাউন্ডেশনটা পেলাম মনে করতে পারছিনা (আমিই কিনেছিলাম কি?) পড়ার পর মনে হলো এই বইটা আগে পড়া হয়নি কেনো? বাংলাতেও এখন আসিমভের বিভিন্ন বইয়ের অনুবাদ পাওয়া যাচ্ছে। যারা কিনা সায়েন্স ফিকশনের নামে পাগল এবং এখনো দুই ভাইয়ের বলয়েই ঘোরাফেরা করছেন তারা একটু কষ্ট করে আসিমভের ফাউন্ডেশন টা চেষ্টা করে দেখতে পারেন। ভালো না লাগলে মূল্য ফেরত।

তসলিমা নাসরিন উল্টা কথা বলার জন্য বিখ্যাত হলেও এবং একই কারণে পশ্চিমাদের কাছে সমাদৃত হলেও তার লজ্জা আমার কাছে খুব খুবই সাধারণ মানের উপন্যাস মনে হয়েছে। অন্তত পুরষ্কার বা তিরস্কার পাবার মতো মনে হয় নি। তবে তার কলামগুলি খুব মনোযোগ দিয়ে পড়তাম, পড়েছি। আবারো সময় পেলে তার নির্বাচিত কলাম, নষ্ট মেয়ের নষ্ট গদ্য, যাবো না কেন, যাবো ইত্যাদি পড়ার ইচ্ছা আছে। দেশে থাকতে তার আত্মজীবনী আমার মেয়েবেলা (দ্বিখন্ডিত), উতল হাওয়া, , সেই সব অন্ধকার পড়েছিলাম। খারাপ লেগেছে বলবো না, কিন্তু কুরুচিপূর্ণ মনে হয়েছে। তার বাবা কোন মহিলার সাথে শুয়েছেন, তার মা গিয়ে ধরে এনেছেন তার বাবাকে ঐ মহিলার বিছানা থেকে। তার (তসলিমা নিজে) সাথে কে কে শুয়েছেন বা কে কে শুতে চেয়েছেন, তিনি কাকে ব্যাবহারের পর ছুড়ে ফেলেছেন, কে তাকে ব্যাবহারের পর ছুড়ে ফেলেছেন তার বিস্তারিত বিবরণ ছাড়া আর কিছু পাই নি অইসব বইগুলাতে। নেই, কিছু নেই কয়দিন আগে যোগাড় করেছি পড়ার জন্য, শুরু করিনি এখনো।

আনন্দবাজার নিয়ে কিছু বলি। ব্যাক্তিগতভাবে আমি মনে করি বাঙলা সাহিত্য বিকাশ ও পরিচর্যায় আনন্দবাজার প্রকাশনী বিগত অর্ধশতক ধরে প্রভূত অবদান রেখে চলেছে। বিশেষ করে দেশ এর বা তার সমমানের কোন সাময়িকী বা ম্যাগাজিন আমাদের দেশে এ পর্যন্ত বের হয়নি; আদৌ হবে কিনা তাতেও আমার ঘোর সন্দেহ রয়েছে। সাহিত্যে অবদানের জন্য এই প্রকাশনী সংস্থাটি প্রায় প্রতি বছর লেখকদের আনন্দ পুরষ্কার দিয়ে থাকে। আমরা যতই এই প্রকাশনী বা পুরষ্কার নিয়ে মাতামাতি করি না কেন বাংলাদেশের সাহিত্যিকদের এই পুরষ্কার দেবার ব্যাপারে দাদাদের চরম অনীহা রয়েছে। অবশ্য ভিনদেশীদের পুরষ্কার পাবার জন্য বাংলাদেশের সাহিত্যকরাও কাঁদছেন না আশা করি। কোনো বাংলাদেশের বাঙালিকে এই পুরষ্কার পেতে অপেক্ষা করতে হয়েছে ১৯৯২ সাল পর্যন্ত। তসলিমা নাসরিন ১৯৯২ সালে নির্বাচিত কলাম এর জন্য আনন্দবাজার পান। যে কজন সাহিত্যিক একাধিকবার এই পুরষ্কার পাবার দুর্লভ সম্মান পান তাদের মধ্যেও তসলিমা নাসরিন রয়েছেন। একাধিকবার এই পুরষ্কার পেয়েছেন অন্নদাশঙ্কর রায়, শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়, জয় গোস্বামী। ১৯৯২ সালের দিকে তসলিমা নাসরিন বাংলাদেশে ঠিক ততটা পরিচিত ছিলেন না। সেই সময় তসলিমা নাসরিনের সেই পুরষ্কারপ্রাপ্তি বাংলাদেশে বেশ আলোড়ন তুলেছিলো।

ঠিক কি কারণে কে জানে তসলিমাকে পুরষ্কার দেওয়ার পরের বছরেই ১৯৯৩ সালে আনন্দবাজার গোষ্ঠী বাঙলা একাডেমি কে আনন্দ পুরষ্কার দেবার ধৃষ্ঠতা দেখায়। তুলনাটা এভাবে করা যায় বাংলাদেশের লেখক শিবির  যদি যুক্তরাজ্যের বৃটিশ কাউন্সিলকে পুরষ্কার দেয় তাহলে কেমন দেখাবে? আরো মজার ব্যাপার হচ্ছে এ ধরণের ফাজলামি তারা অন্য কারো সাথে করেনি, মানে কখনো কোন প্রতিষ্ঠানকে আনন্দবাজার পুরষ্কার দেবার ধৃষ্ঠতা দেখায়নি । বাঙলা একাডেমি সেই পুরষ্কার প্রত্যাখ্যান করে সুবিবেচকের কাজ করে।

তসলিমাকে পুরষ্কার দেওয়াকে যৌক্তিক প্রমাণ করার জন্য তারা ১৯৯৪ সালে শামসুর রাহমানকে আনন্দ পুরষ্কার দেয় যৌথভাবে অন্নদাশঙ্কর রায় এর সঙ্গে। ১৯৯৬ সালে আনন্দ পুরষ্কার পান আখতারুজ্জামান ইলিয়াস তার খোয়াবনামা এর জন্য। আমার এখনো মনে আছে বইমেলায় বই কিনতে গেলে খোয়াবনামার উপর স্টিকার দেখতে পাই আনন্দ পুরষ্কার প্রাপ্ত। (বই আগেই ছাপা হয়ে যাওয়ায় আনন্দ পুরষ্কার প্রাপ্ত এই কথাটা লেখা সম্ভব হয়ে ওঠেনি, তাই স্টিকারের ব্যাবস্থা) যদিও আমি ঐ স্টিকারটি তুলে ফেলে দিই। খোয়াবনামা আমার প্রিয় উপন্যাসের একটি। কিন্তু বলার অপেক্ষা রাখে না চিলেকোঠার সেপাই অধিকতর গুরুত্বপূর্ণ একটি উপন্যাস। ২০০০ সালে আনন্দবাজার আবার দেওয়া হয় তসলিমা নাসরিনকে তার আমার মেয়েবেলা আত্মকাহিনীর জন্য। যারা আমার মেয়েবেলা পড়েছেন তারা জানেন ঐটাতে কি লেখা আছে। ২০০৮ সালে হাসান আজিজুল হককে আনন্দ পুরষ্কার দেওয়া হয় তার আগুনপাখি উপন্যাসটির জন্য।

আমার এখনো মনে আছে দেশ পত্রিকার কোন এক বিশেষ সংখ্যায় রফিক আজাদ এর নাম ছাপা হল রফিক অজাদ

তারপর একসময় (বি এন পি র প্রথম টার্মে) নীরদ চৌধুরীর সেই বিখ্যাত খেজুর সম্পর্কিত লেখার কারণে বাংলাদেশ দেশ আমদানি নিষিদ্ধ করে। যদিও ঐ সংখ্যাটি আমার সংগ্রহে ছিল। যতদূর মনে পড়ে তিনি বলেছিলেন, বাঙালি মুসলমানের প্রিয় ফল খেজুর। বলেছিলেন, তথাকথিত বাংলাদেশ।

এতোকিছু বলার পরেও দেশ আমার প্রিয়। আনন্দবাজার থেকে প্রকাশিত বই পড়ে আমি আরাম পাই, প্রচ্ছদের ছবি দেখে আমি আরাম পাই, ছাপা দেখে আরাম পাই, এবং মূল্য দেখে আরাম পাই। বাংলাদেশের অধিকাংশ প্রকাশনী বা তাদের বই, বা বইয়ের মূল্যের কথা না হয় না বলি। আনন্দবাজার থেকে প্রকাশিত বইয়ের  প্রতিটি সংস্করণে বা মুদ্রণে কতগুলি বই ছাপা হচ্ছে তার একটা হিসাব দেওয়া থাকে। বাংলাদেশে তার বালাই থাকে না। একবার তো হেরোইন হুমায়ুন আহমেদের কোন এক বই ছাপা হবার আগেই প্রথম সংস্করণ শেষ হয়ে যায়। এরকম ঐতিহাসিক ঘটনা কেনো যে গ্রিনিজ রেকর্ডে স্থান করে নিলো না এই ভেবেই দিশা পাই না।

আমরা অনেকেই ভালো বই খুঁজে থাকি। নিম্নে দেওয়া হোলো এযাবৎ আনন্দবাজার পুরষ্কার পাওয়া লেখক বা তাদের বইয়ের তালিকাঃ

 

পুরস্কার বিজয়ী

 

সাহিত্য আকাদেমি এর দ্বারা পুরস্কৃত লেখকরা কোন বইয়ের জন্য পুরষ্কার পেয়েছেন তা দেওয়া থাকায় পাঠকরা সহজেই ঐ বইগুলি যোগাড় করতে পারবেন। বাঙলা একাডেমি কোন বইয়ের কারণে কাকে পুরষ্কার দিলো কোন কিছুই বলা নেই। যেমন হুমায়ুন আজাদকে ১৯৮৬ সালে বাঙলা একাডেমি পুরষ্কার দেওয়া হয় বাঙলা ভাষায় গবেষণার জন্য। এই প্রজন্ম বা ভবিষ্যৎ প্রজন্মর এটা ধরে নেওয়া অমূলক হবে না যে তিনি সাহিত্যকর্মের জন্য ঐ পুরষ্কারটি পেয়েছিলেন।

Sahitya Akademi Award winners and their works in Bengali language

Year Book Author Category of Books
1955 Shreshtha Kavita Jibanananda Das Poetry
1956 Arogya Niketan Tarashankar Bandopadhyay Novel
1957 Sagar Theke Phera Premendra Mitra Poetry
1958 Anandibai Ityadi Galpa Parashuram Short Stories
1959 Kolkatar Kachhei Gajendra Kumar Mitra Novel
1961 Bharater Sakti-Sadhana O Sakta Sahitya Sashi Bhushan Dasgupta A Study of the Sakti-cult
1962 Japane Annada Shankar Ray Travelogue
1963 Ghare Pherar Din Amiya Chakravarty Poetry
1964 Jata Durei Jai Subhas Mukhopadhyay Poetry
1965 Smriti Satta Bhabishyat Bishnu Dey Poetry
1966 Nishi-Kutumba Manoje Basu Novel
1967 Tapasvi O Tarangini Buddhadeb Basu Verse play
1969 Mohini Aaraal Manindra Ray Poetry
1970 Adhunikata O Rabindranath Abu Sayeed Ayyub Literary criticism
1971 Manimahesh Umaprasad Mukhopadhyay Travelogue
1972 Shesh Namaskar Santosh Kumar Ghosh Novel
1974 Ulanga Raja Nirendranath Chakravarty Poetry
1975 Asamay Bimal Kar Novel
1976 Na Hanyate Maitreyee Devi Novel
1977 Babarer Prarthana Shankha Ghosh Poetry
1978 Vivekananda O Samakalin Bharatvarsha, Vol. I, II and III Sankari Prasad Basu Biography and cultural history
1979 Aranyer Adhikar Mahashweta Devi Novel
1980 Shamba Samaresh Basu `Kalkut’ Novel
1981 Kalikata Darpan, Pt. I Radharaman Mitra Local history and culture
1982 Amritasya Putree Kamal Das Novel
1983 Jete Pari Kintu Keno Jabo Shakti Chattopadhyay Poetry
1984 Kalbela Samaresh Majumdar Novel
1985 Sei Samay (Part II) Sunil Gangopadhyay Novel
1986 Raj Nagar Amiya Bhusan Majumdar Novel
1987 Khujte Khujte Eto Dur Arun Mitra Poetry
1988 Bari Badle Jai Ramapada Choudhuri Novel
1989 Manabjamin Shirshendu Mukhopadhyay Novel
1990 Tista Parer Brittanta Debes Roy Novel
1991 Sada Kham Moti Nandi Novel
1992 Marami Karat Alok Ranjan Dasgupta Poetry
1993 Shahjada Darasukoh Shyamal Gangopadhyay Novel
1994 Aleek Manush Syed Mustafa Siraj Novel
1995 Kavita Sangraha Naresh Guha Poetry
1996 Tal Betal Ashok Mitra Essays
1997 Herbert Nabarun Bhattacharya Novel
1998 Anubhav Dibyendu Palit Novel
1999 Naba-Nita Nabaneeta Dev Sen ProsePoetry
2000 Pagli Tomar Sange Jay Goswami Poetry
2001 Panchashati Galpo Atin Bandyopadhyay Short Stories
2002 Ami O Banabehari Sandipan Chattopadhyay Novel
2003 Krantikal Prafulla Ray Novel
2004 Baul Fakir Katha Sudhir Chakraborty Essay
2005 Haspatale Lekha Kabitaguchha Binay Majumdar Poetry
2006 Dhrubaputra Amar Mitra Novel
2007 Amar Samay Alpa Samarendra Sengupta Poetry
2010 Bangali jibane Rabindranath Sourin Bhattacharya Essay
2011 Bane Aaj Concherto[1] Manindra Gupta[2] Poetry

 

 

আরেকটি উল্লেখযোগ্য পুরষ্কার হচ্ছে জ্ঞানপীঠ পুরষ্কার।

Jnanpith Award recipients

Year State Name Works Language Picture
1965 Kerala G. Sankara Kurup Odakkuzhal (Flute) Malayalam
1966 West Bengal Tarashankar Bandopadhyaya Ganadevta Bengali
1967 Karnataka Kuppali Venkatappagowda Puttappa (Kuvempu) Sri Ramayana Darshanam Kannada
1967 Gujarat Umashankar Joshi Nishitha Gujarati
1968 Sumitranandan Pant Chidambara Hindi
1969 Uttar Pradesh Firaq Gorakhpuri Gul-e-Naghma Urdu
1970 Andhra Pradesh Viswanatha Satyanarayana Ramayana Kalpavrikshamu (A resourceful tree:Ramayana) Telugu
1971 Bengal Bishnu Dey Smriti Satta Bhavishyat Bengali
1972 Bihar Ramdhari Singh ‘Dinkar’ Urvashi Hindi
1973 Karnataka Dattatreya Ramachandra Bendre Nakutanti (Naku Thanthi) (Four Strings) Kannada
1973 Orissa Gopinath Mohanty Paraja Oriya
1974 Maharashtra Vishnu Sakharam Khandekar Yayati Marathi
1975 Tamil Nadu P. V. Akilan Chitttrappavai Tamil
1976 Bengal Ashapurna Devi Pratham Pratisruti Bengali
1977 Karnataka K. Shivaram Karanth Mookajjiya Kanasugalu (Mookajjis dreams) Kannada
1978 Uttar Pradesh Sachchidananda Hirananda Vatsyayan ‘Ajneya’ Kitni Navon Men Kitni Bar (How many times in many boats?) Hindi
1979 Assam Birendra Kumar Bhattacharya Mrityunjay (Immortal) Assamese
1980 Kerala S. K. Pottekkatt Oru Desathinte Katha (Story of a land) Malayalam
1981 Amrita Pritam Kagaj te Canvas Punjabi 80 px
1982 Uttar Pradesh Mahadevi Varma Yama Hindi
1983 Karnataka Maasti Venkatesh Ayengar Chikkaveera Rajendra (Life and struggle of Kodava King Chikkaveera Rajendra) Kannada
1984 Kerala Thakazhi Sivasankara Pillai Kayar {Coir} Malayalam
1985 Gujarat Pannalal Patel Maanavi Ni Bhavaai (માનવીની ભવાઇ) Gujarati
1986 Sachidananda Rout Roy Oriya
1987 Maharashtra Vishnu Vaman Shirwadkar (Kusumagraj) Natsamrat Marathi
1988 Andhra Pradesh Dr. C. Narayana Reddy Vishwambhara Telugu
1989 Qurratulain Hyder Akhire Shab Ke Humsafar Urdu
1990 Karnataka V. K. Gokak (Vinayaka Krishna Gokak) Bharatha Sindhu Rashmi Kannada
1991 Bengal Subhas Mukhopadhyay Padatik (The Foot Soldier) Bengali
1992 Naresh Mehta Hindi
1993 Sitakant Mahapatra “for outstanding contribution to the enrichment of Indian literature, 1973–92”[8] Oriya
1994 Karnataka U. R. Ananthamurthy for his contributions to Kannada literature Kannada
1995 Kerala Dr. M. T. Vasudevan Nair for his contributions to Malayalam literature Malayalam
1996 Bengal Mahasweta Devi Hajar Churashir Ma Bengali
1997 Ali Sardar Jafri Urdu
1998 Karnataka Girish Karnad “for his contributions to Kannada literature and for contributions to Kannada theater (yayati)”[9] Kannada
1999 Nirmal Verma Hindi
1999 Gurdial Singh Punjabi
2000 Assam Indira Goswami Assamese
2001 Gujarat Rajendra Keshavlal Shah Gujarati
2002 Tamil Nadu D. Jayakanthan Tamil
2003 Maharashtra Vinda Karandikar Marathi
2004 Jammu & Kashmir Rahman Rahi Subhuk Soda, Kalami Rahi and Siyah Rode Jaren Manz Kashmiri[10]
2005 Uttar Pradesh Kunwar Narayan Hindi[6]
2006 Goa Ravindra Kelekar Konkani[6]
2006 Uttar Pradesh Satya Vrat Shastri Sanskrit[7][11]
2007 Kerala Dr. O. N. V. Kurup for his contributions to Malayalam literature Malayalam[12]
2008 Uttar Pradesh Akhlaq Mohammed Khan ‘Shahryar’ Urdu[12]
2009 Uttar Pradesh Amar Kant Hindi[1]
2009 Uttar Pradesh Shrilal Shukla Hindi[1]
2010 Karnataka Chandrashekhara Kambara for his contributions to Kannada literature Kannada[1]

 

জ্ঞানপীঠ প্রাপকগণ

বছর নাম সাহিত্যকর্ম ভাষা
১৯৬৫ জি শঙ্কর কুরুপ ওডাক্কুঝল (বাঁশি) মালয়ালম
১৯৬৬ তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় গণদেবতা বাংলা
১৯৬৭ উমাশঙ্কর যোশী নিশীথা গুজরাতি
১৯৬৮ সুমিত্রানন্দন পন্ত চিদম্বরা হিন্দি
১৯৬৯ ফিরাক গোরখপুরী গুল-এ-নগমা উর্দু
১৯৭০ বিশ্বনাথ সত্যনারায়ণ রামায়ণ কল্পবৃক্ষশমু (এক সমৃদ্ধ বৃক্ষ: রামায়ণ) তেলুগু
১৯৭১ বিষ্ণু দে স্মৃতি সত্ত্বা ভবিষ্যৎ বাংলা
১৯৭২ রামধারী সিং ‘দিনকর’ ঊর্বশী হিন্দি
১৯৭৩ দত্তাত্রেয় রামচন্দ্র বেন্দ্রে নাকুতান্তি (চার তার) কন্নড়
১৯৭৩ গোপীনাথ মোহান্তি পরজা ওড়িয়া
১৯৭৪ বিষ্ণু সখারাম খান্দেকর যযাতি মারাঠি
১৯৭৫ আকিলান চিত্রাপ্পাবাই তামিল
১৯৭৬ আশাপূর্ণা দেবী প্রথম প্রতিশ্রুতি বাংলা
১৯৭৭ কে শিবরাম করন্থ মুকাজ্জিয়া কানাসুগালু (মুকাজ্জির স্বপ্ন) কন্নড়
১৯৭৮ সচ্চিদানন্দ হীরানন্দ বাৎস্যায়ন ‘অজ্ঞেয়’ কিতনি নাও মেঁ কিতনি বার (কত নৌকায় কত বার) হিন্দি
১৯৭৯ বীরেন্দ্র কুমার ভট্টাচার্য মৃত্যুঞ্জয় অসমিয়া
১৯৮০ এস কে পোট্টেক্কাট ওরু দেসাত্তিন্তে কথা (একটি দেশের কথা) মালয়ালাম
১৯৮১ অমৃতা প্রীতম কাগজ কে ক্যানভাস পাঞ্জাবি
১৯৮২ মহাদেবী বর্মা যম হিন্দি
১৯৮৩ মাস্তি ভেঙ্কটেশ আয়েঙ্গার চিক্কাবীরা রাজেন্দ্র কন্নড়
১৯৮৪ থাকাজি শিবশঙ্কর পিল্লাই কয়ার মালয়ালাম
১৯৮৫ পান্নালাল প্যাটেল মানবী নি ভবাই (માનવીની ભવાઇ) গুজরাতি
১৯৮৬ সচ্চিদানন্দ রাউত রায় ওড়িয়া
১৯৮৭ বিষ্ণু বামন শিরওয়াদকর (কুসুমাগ্রজ) মারাঠি
১৯৮৮ ড.সি নারায়ণ রেড্ডি বিশ্বম্ভর তেলুগু
১৯৮৯ কুরাতুলেইন হায়দার আখিরে সবকে হামসফর উর্দু
১৯৯০ ভি কে গোকাক ভারত সিন্ধু রশ্মি কন্নড়
১৯৯১ সুভাষ মুখোপাধ্যায় বাংলা
১৯৯২ নরেশ মেহতা হিন্দি
১৯৯৩ সীতাকান্ত মহাপাত্র ওড়িয়া
১৯৯৪ ইউ আর আনন্দমূর্তি সংস্কার কন্নড়
১৯৯৫ এম টি বাসুদেবন নায়ার রান্ডামুজাম (দ্বিতীয় সুযোগ) মালয়ালম
১৯৯৬ মহাশ্বেতা দেবী বাংলা
১৯৯৭ আলি সরদার জাফরি উর্দু
১৯৯৮ গিরিশ কারনাড কন্নড়
১৯৯৯ নির্মল বর্মা হিন্দি
১৯৯৯ গুরদয়াল সিং পাঞ্জাবি
২০০০ ইন্দিরা গোস্বামী অসমিয়া
২০০১ রাজেন্দ্র কেশবলাল শাহ গুজরাতি
২০০২ ডি জয়কান্থন তামিল
২০০৩ বিন্দা করন্দিকর অষ্টদর্শন (কবিতা) মারাঠি
২০০৪ রহমান রাহি সভুক সোডা, কালামি রাহিসিয়া রোদে জারেন মাঞ্জ কাশ্মীরি[৫]
২০০৫ কুঁয়ার নারায়ণ হিন্দি[৩]
২০০৬ রবীন্দ্র কেলেকর কোঙ্কণি[৩]
২০০৬ সত্যব্রত শাস্ত্রী সংস্কৃত[৪][৬]
২০০৭ ও এন ভি কুরুপ মালয়ালম[৭]
২০০৮ আখলাক মহম্মদ খান ‘শাহরিয়ার’ উর্দু[৭]

 

পরিশেষে পুস্তক পাঠকদের শুভেচ্ছা। ও হ্যাঁ এর মাঝে আরেকটি বই পড়লাম আহমদ ছফাযদ্যপি আমার গুরু, প্রফেসর রাজ্জাক সাহেবকে নিয়ে লেখা। হুমায়ুন আজাদ একটি সাক্ষাতকার নিয়েছিলেন রাজ্জাক স্যারের। দেখি সেটা যোগাড় করতে পারি কিনা!

 

৪,০৩১ বার দেখা হয়েছে

২৬ টি মন্তব্য : “লিখছি নয়, পড়ছি”

  1. আমিন (১৯৯৬-২০০২)

    পড়লাম আপনার লিস্ট। তসলিমা নাসরিন বিষয়ে একমত। নারী অধিকাররে ব্যাপারে সাহসী কন্ঠের জন্য তাকে ব্রাভো দেয়া যায় কিন্তু তার লেখাগুলোকে কোন হিসাবে আমি অতি উচ্চ কিছু মনে করি না। এমনকি রুচিকে বাইরে ফেলে মোটা দাগে সাহিত্য মান বিচারেও তিন চারটা লেখা পড়ার পরে তার লেখাগুলোকে মনে হবে একঘেয়ে বিরক্তি কর।
    হুমায়ুন আজাদের নেয়া রাজ্জাক সাহেবের সাক্ষাৎকার টি নিচের লিংক থেকে পড়তে পারেন।

    http://tinyurl.com/2wyvqm5

    জবাব দিন
    • রাজীব (১৯৯০-১৯৯৬)

      আবারো ধন্যবাদ তোরে। অন্য সাক্ষাতকারগুলা বা ঐ বইটার কোন সফট কপি তোর কাছে আছে কি?
      আর এইটা তো সংক্ষেপিত।
      যদ্যপি আমার গুরু তে ইন্টারেস্টিং তথ্য আছে। না পড়া থাকলে বলিস, আমি মেইল করে দিবো।


      এখনো বিষের পেয়ালা ঠোঁটের সামনে তুলে ধরা হয় নি, তুমি কথা বলো। (১২০) - হুমায়ুন আজাদ

      জবাব দিন
      • আমিন (১৯৯৬-২০০২)

        আপনার পাঠানো ছাপ্পান্ন হাজার বর্গমাইল পাইছিলাম। ঐটা পড়া শেষ হয় নাই। ফালি ফালি করে কাটা চাঁদ পড়তেসি । যদ্যপি আমার গুরু পাঠাইলে খুশি হব। সমস্যা হইলো বস এইখানে আমি থাকি কানাডার ভোলায়। দেশে কেউ গেলে তারে দিয়া বই আনানো যয়। নইলে পড়ার ব্যবস্থা নাই। সাক্ষাৎকারের সফটব কপি নাই। রাজ্জাক সাহেব সম্পর্কে প্রথম জানি আহমদ মোস্তফা কামালের একটা প্রবন্ধে। সেই আগ্রহের কারণেই লিংকেরলেখাটা যত্ন নিয়ে পড়া হইছিলো।
        বইপাঠানোর লাইগা আগাম থেংকস।

        জবাব দিন
  2. আহসান আকাশ (৯৬-০২)

    মাত্র কিছুদিন আগে তসলিমা নাসরিনের 'দ্বিখন্ডিত' পড়লাম। পড়ার পর থেকেই এই বইটা সম্পর্কে আরো বেশি জানতে ইচ্ছে করছিল, কিন্তু অনলাইনে তেমন কোন ভাল রিভিউ খুঁজে পাইনি। একদিকের বক্তব্য শোনার কারনেই হয়ত বইটা পড়ার সময় তসলিমার প্রতি আমার এক ধরনের সহানুভূতি তৈরী হচ্ছিল । ওর অন্য আত্মজীবনীমূলক বইগুলো পড়েও একই অবস্থা হয়েছে। তবে এটা খুব সহজে বোঝা যায় যে সে একজন 'এটেনশন সিকার' ।

    দ্বিখন্ডিততে হুমায়ুন আজাদের প্রসঙ্গে আমি সবচেয়ে বেশি কনফিউশড হয়েছি। কারন হুমায়ুন আজাদের উপর মৌলবাদি হামলা প্রসঙ্গে হুমায়ূন আহমেদের একটা বক্তব্য নিয়ে আজাদ ভক্তরা আহমেদকে পারলে ছিড়ে ফেলে। কিন্তু হুমায়ূন আজাদ নিজে তসলিমার উপর মৌলাবাদিদের বিভিন্ন ধরনের হামলার সময়ে আসলে কি ভূমিকা নিয়েছিলেন? হুমায়ূন আজাদ ভক্তদের কাছ থেকে এটা আমার জানার খুব শখ। আর হঠাৎ করে তসলিমা নাসরিনকে আনন্দ পুরষ্কার দেয়ার সত্যিকারের পিছনের কারনটা কি সেটাও ঠিক বুঝতে পারিনি।


    আমি বাংলায় মাতি উল্লাসে, করি বাংলায় হাহাকার
    আমি সব দেখে শুনে, ক্ষেপে গিয়ে করি বাংলায় চিৎকার ৷

    জবাব দিন
    • রাজীব (১৯৯০-১৯৯৬)

      আহসান তুই এক্টা বইএর খোজ নিয়ে দেখতে পারিস তস্লিমা নাস্রিনের পক্ষে বিপক্ষে, ৯৪ ,৯৫ এর দিকে বের হয়।
      হুমায়ুন আজাদের কোন লেখা ওতে ছিলো কিনা মনে নাই, তবে আহমদ ছফার ছিল।
      তবে যতদূর মনে পড়ে হুমায়ুন আজাদ তস্লিমার সাথে শুতে চেয়েছেন এই দাবী তস্লিমাও করেন নাই।
      আর হুমায়ুন আজাদ জাতির বিবেক না বা নিজেরে তথাকথিত সুশীল সমাজের নেতা হিসাবে দাবী করেন নাই, গাছ কাটার বিরুদ্ধে গাছ জড়াইয়া ধইরা ছবি তুলেন নাই।
      শামসুর রাহমান রে যেমন বাংলাদেশের প্রধান কবি বলা হইতো, তাই তার উপরে এম্নিতেই অনেক দায় আইসা পড়তো তার উপর তিনি আবার পত্রিকার সম্পাদক ও ছিলেন। হুমায়ুন আজাদের নামের আগে বা পরে তেমন কোন বিশেশণ ও ছিল না একমাত্র প্রথাবিরোধী বাদে। অন্তত তিনি হুমায়ুন আহমেদ যেইটা করছে মানে হুমায়ুন আজাদকে মারা সঠিক হইছে বা পাক সার লেখলে মাইর খাইতে হইবো এইরকম কিছু হুমায়ুন আজাদ তস্লিমারে নিয়া বলেন নাই।
      আড় তুই যদি শুধু তস্লিমার পুরশকার পাবার লিশট দেখিস তবে তাস্কি মাইরা যাবি।
      বাংলা ভাশায় হুমায়ুন আজাদের নারী বা তার কাছাকাছি পরযায়ের কোন কাজ হইছে তথাকথিত নারীবাদীদের কারো দিয়া????


      এখনো বিষের পেয়ালা ঠোঁটের সামনে তুলে ধরা হয় নি, তুমি কথা বলো। (১২০) - হুমায়ুন আজাদ

      জবাব দিন
      • আহসান আকাশ (৯৬-০২)

        হুমায়ুন আজাদ তসলিমার সাথে শুতে চেয়েছিল এরকম কোন কথা আমি অন্তত পড়িনি, সেরকম কিছু আমি বোঝাতেও দ্বিখন্ডিত থেকে খুঁজে বের করে হুমায়ূন আজাদ সম্পর্কে তসলিমার বক্তব্যটা পরে তুলে দিব।সেটার সত্য মিথ্যাটাই জানতে চাচ্ছিলাম। দুইজনের কারো সম্পর্কেই আমি তেমন কিছু জানি না, কিছু লেখা পড়েছি শুধু। হুমায়ুন আজাদকে আমি কোন দায়বদ্ধতার মাঝেও ফেলতে চাইনি।

        পুরষ্কার পাবার লিস্ট দেখেছি, ওর বিরুদ্ধে ফতোয়া দেয়ার পরে, দেশে আন্দোলন শুরু হবার পরে আন্তর্জাতিক মিডিয়ায় ভাল মার্কেট পাইছে বোঝা যায়, এর পর থেকে বিভিন্নজন বিভিন্ন কারনে তারে পুরষ্কার দিয়েছে, কিন্তু আমি বুঝতে পারিনা প্রথম পুরষ্কার (আনন্দ পুরষ্কার) টা সে কিভাবে পাইলো?


        আমি বাংলায় মাতি উল্লাসে, করি বাংলায় হাহাকার
        আমি সব দেখে শুনে, ক্ষেপে গিয়ে করি বাংলায় চিৎকার ৷

        জবাব দিন
        • রাজীব (১৯৯০-১৯৯৬)

          আহমদ ছফা একটা কথা বলেছিলেন যে বাঙলা একাডেমী পুরষ্কার প্রত্যাখ্যান কয়ার তারা তসলিমাকে পুরষ্কার দেয়। কিন্তু আনন্দবাজার বলছে (উইকি) ৯২ এ তারা তসলিমাকে দেয় আর বাঙলা একাডেমীকে ৯৩ সালে।
          আর দ্বিখণ্ডিত র কোন পৃষ্ঠায় জানাতে ভুলিস না।


          এখনো বিষের পেয়ালা ঠোঁটের সামনে তুলে ধরা হয় নি, তুমি কথা বলো। (১২০) - হুমায়ুন আজাদ

          জবাব দিন
          • আহসান আকাশ (৯৬-০২)

            তসলিমার উপর বইমেলার স্টলে যখন হামলা হয় তখন হুমায়ুন আজাদ পাশে দাড়িয়ে দেখছিলেন, এই ধরনের কিছু একটা বলা আছে। বইটা হাতে পেলে এটা সহ আরো কয়েকটা পৃষ্ঠা নম্বর বলবো...

            অফটপিকঃ আজকেই দ্বিখন্ডিত নিয়ে কথা বললাম আর আজকেই খবর পেলাম মিনার মাহমুদ আত্মহত্যা করেছে...


            আমি বাংলায় মাতি উল্লাসে, করি বাংলায় হাহাকার
            আমি সব দেখে শুনে, ক্ষেপে গিয়ে করি বাংলায় চিৎকার ৷

            জবাব দিন
            • রাজীব (১৯৯০-১৯৯৬)

              হুমায়ুন আজাদ কি একাই পাশের স্টলে ছিলেন? না তিনি তসলিমার প্রেমিকা ছিলেন?
              কেন এভাবে বললাম বলি।
              বাঙলা একাডেমীর মধ্যে ঘটনা ঘটেছিলো। তো দায় টা কার? সেইসময়ের পরিচালকের উপর দায়ভার বর্তায়।
              আর সেইসময় ছাত্ররা ঐ ঘটনা ঘটায়। আর একটা সময়ে বই মেলার গেটে ইচ্ছাকৃত ভীড় করতো কুৎসিত রুচির ছেলেরা। যাদের কাজ ছিল মেয়েদের গায়ে হাত দেয়া। আমাদের সময়ে আমি কোনদিন ২১শে ফেব্রুয়ারিতে বইমেলায় যাই নি।
              আর তসলিমার উপর যখন ঝামেলা শুরু হয় তখন ক্ষমতায় ছিলো বি এন পি। আর জামাত যে তাদের মন্ত্রণাদাতা এইটা সবাই জানে।
              নিচে লিস্ট দিলাম। ঐ সময় মহাপরিচালক তসলিমারে বলেছিলো, অইসব বই লিখেন কেনো যা লিখলে আপনার বিরুদ্ধে মিছিল হয়।
              মিছিল কিন্তু একাডেমীর মধ্যে হয়েছিলো। তাইলে এর দায়ভার কার?
              বাংলা একাডেমীর স্পেশাল অফিসার, পরিচালক ও মহাপরিচালক

              স্পেশাল অফিসার

              জনাব মোহম্মদ বরকতুল্লাহ : ০২.১২.১৯৫৫ থেকে ২৮.০২.১৯৫৭

              পরিচালক

              ড. মুহম্মদ এনামুল হক : ০১.১২.১৯৫৬ থেকে ১২.০৯.১৯৬০

              প্রফেসর সৈয়দ আলী আহসান : ১৫.১২.১৯৬০ থেকে ১৪.০২.১৯৬৭

              ড. কাজী দীন মুহম্মদ : ১৪.০২.১৯৬৭ থেকে ১৪.০৩.১৯৬৯

              প্রফেসর কবীর চৌধুরী : ২৫.০৩.১৯৬৯ থেকে ০২.০৬.১৯৭২

              মহাপরিচালক

              প্রফেসর মযহারুল ইসলাম : ০২.০৬.১৯৭২ থেকে ১২.০৮.১৯৭৪

              ড. নীলিমা ইব্রাহিম : ১২.০৮.১৯৭৪ থেকে ০৬.০৬.১৯৭৫

              ড. মুসত্মাফা নূরউল ইসলাম : ০৬.০৬.১৯৭৫ থেকে ০৫.০৫.১৯৭৬

              ড. আশরাফ সিদ্দিকী : ০৪.০৬.১৯৭৬ থেকে ৩০.০৬.১৯৮২

              কাজী মুহম্মদ মনজুরে মওলা : ৩১.১২.১৯৮২ থেকে ১১.০৩.১৯৮৬

              প্রফেসর আবু হেনা মোসত্মফা কামাল : ১১.০৩.১৯৮৬ থেকে ২৩.০৯.১৯৮৯

              প্রফেসর মাহমুদ শাহ কোরেশী : ০১.০১.১৯৯০ থেকে ০৫.০২.১৯৯১

              প্রফেসর মোহাম্মদ হারুন-উর-রশিদ : ০৬.০২.১৯৯১ থেকে ১৯.০৩.১৯৯৫

              প্রফেসর আবুল মনসুর মুহম্মদ আবু মুসা : ১৯.০৩.১৯৯৫ থেকে ১৫.০২.১৯৯৭

              প্রফেসর ড. সৈয়দ আনোয়ার হোসেন : ১৭.০২.১৯৯৭ থেকে ১৬.০২.২০০১

              প্রফেসর রফিকুল ইসলাম : ৩০.০৪.২০০১ থেকে ৩১.১২.২০০১

              প্রফেসর আবুল মনসুর মুহম্মদ আবু মুসা : ০৬.০২.২০০২ থেকে ০৫.০২.২০০৫

              প্রফেসর ড. আবুল কালাম মনজুর মোরশেদ : ২৪.০২.২০০৫থেকে ১৬.১১.২০০৬

              প্রফেসর ড. সৈয়দ মোহাম্মদ শাহেদ : ১৩.০৫.২০০৭ থেকে ১২.০৫.২০০৯

              জনাব শামসুজ্জামান খান : ২৪.০৫.২০০৯ থেকে


              এখনো বিষের পেয়ালা ঠোঁটের সামনে তুলে ধরা হয় নি, তুমি কথা বলো। (১২০) - হুমায়ুন আজাদ

              জবাব দিন
              • আহসান আকাশ (৯৬-০২)

                হুমায়ুন আজাদের প্রতি আমার কিন্তু কোন বিদ্বেষ নেই ভাইয়া, আমি শুধু তসলিমার অভিযোগের সত্য মিথ্যা জানতে চাচ্ছিলাম। আর সে যাই লেখুক না কেন, শুধুমাত্র কিছু লেখার জন্য তার বিরুদ্ধে ফতোয়া দিয়ে মাথার দাম ঘোষনা করা হবে, মিছিল হবে, তার উপর সরাসরি হামলা হবে এটা কোন ভাবেই মানতে পারি নাই, ঐ সময়ের অন্যান্য লেখক/সাহিত্যিকদের অবস্থান আর কার্যক্রম সম্পর্কে জানতে ইচ্ছে করে। আর জামাত যে এর পিছনে মূল হোতা ছিল সেটা তো পরিষ্কার।


                আমি বাংলায় মাতি উল্লাসে, করি বাংলায় হাহাকার
                আমি সব দেখে শুনে, ক্ষেপে গিয়ে করি বাংলায় চিৎকার ৷

                জবাব দিন
  3. ওয়াহিদা নূর আফজা (৮৫-৯১)

    ভাল লেখা রাজীব।
    তসলিমা নাসরিন সম্পর্কে আমিও কিছুদিন আগ পর্যন্ত তোমার বা আমিনের মতোই ভাবতাম। কিন্তু এখন বাংলাদেশের লেখালেখির জগৎটা কিছুটা বুঝবার ফলে আমি বরং মহিলার উপর খুব সহানুভূতিশীল। কেন বলছি। তসলিমা নাসরিনের সুন্দর সুন্দর শব্দচয়নের মাধ্যমে বাক্যগঠন করে ভাবপ্রকাশের ক্ষমতা আছে এ বিষয়ে কোন সন্দেহ নেই। অনেকেরই তা থাকে। কিন্তু তসলিমা এই অনেকের থেকে আলাদা কারণ যখন এই ক্ষমতাটা অনেক বেশি ভারী মনে হয় তখন মানুষ নিজেকে প্রকাশ করতে চায়। এখন পারিবারিকভাবে বা নিজে কোনভাবেই পত্রিকার সাথে জড়িত নয় এমন একজনের পক্ষে নিজেকে প্রকাশ করার পথটা খুব একটা মসৃণ নয়। আর একজন মেয়ের পক্ষে এই পথটা আরেকটু জটিল। কারণ আমাদের দেশের লেখালেখি জগতের পুরুষেরা চায় না নারীরা তাদের বিষয়গুলো নিয়ে লিখবে। কোন নারী রাজনীতি-অর্থনীতি নিয়ে লিখলে তারা সেটা পছন্দ করবে না। তারা দেখতে চায় নারী লেখকদের খুব ডেয়ারিং দেখতে পছন্দ করে। তবে সেটা প্রেম-ভালবাসা বা সনাতনী চিন্তা-চেতনার বিপরীতে। অল্পবয়সে বোধহয় না বুঝেই তসলিমা নাসরিন এই ফাঁদে পা দিয়েছিলেন। তার একটা বড় দোষ অতিমাত্রার এটেনশন সিকার। তাই যখন লিখছিলেন তখন চারপাশের প্রচুর হাততালি দেখে কাণ্ডজ্ঞান হারিয়ে ফেলে ভেবেছিলেন হয়তো জীবনটা সব সময় এমনই যাবে। আমি বলব উনি বুদ্ধিমান, জ্ঞানী এবং মানুষ হিসেবে আরেকটু ভাল হলে উনার লেখনী দিয়ে বাস্তবিক পক্ষেই একটা বড় ভূমিকা রাখতে পারতেন।


    “Happiness is when what you think, what you say, and what you do are in harmony.”
    ― Mahatma Gandhi

    জবাব দিন
    • রাজীব (১৯৯০-১৯৯৬)

      আপা তসলিমা নাসরিনের একটা মজার তথ্য দেই।
      তার লজ্জা কাকে উৎসর্গ করা জানেন?
      তার আমার মেয়েবেলা কাকে উৎসর্গ করা জানেন?
      তার মাকে।
      আর এখন তার নেই, কিছু নেই

      এর শুরুতে লেখা
      মা,
      তুমি যখন বেঁচে ছিলে,
      কত বই লিখেছি, কত কত মানুষকে উৎসর্গ করেছি।
      তোমাকে কোনো বই উৎসর্গ করার কথা কোনোদিন ভুল করেও ভাবিনি।
      আজ তোমাকে এই বইটি উৎসর্গ করতে চাইছি আমি, সম্ভবত তুমি নেই বলেই চাইছি।
      বেঁচে থাকলে চাইতাম না।
      তোমার অযোগ্য অপদার্থ কন্যা

      বলেন কি বলবো এরে!


      এখনো বিষের পেয়ালা ঠোঁটের সামনে তুলে ধরা হয় নি, তুমি কথা বলো। (১২০) - হুমায়ুন আজাদ

      জবাব দিন
    • রাজীব (১৯৯০-১৯৯৬)

      তসলিমার একটা সরকারী চাকুরী ছিলো।
      রুদ্র ছিলো।
      মিনার মাহমুদ ছিলো। আজ টিভিতে দেখলাম মিনার মাহমুদ আত্মহত্যা করছে।
      আরো অনেকেই ছিলো।


      এখনো বিষের পেয়ালা ঠোঁটের সামনে তুলে ধরা হয় নি, তুমি কথা বলো। (১২০) - হুমায়ুন আজাদ

      জবাব দিন
    • নূপুর কান্তি দাশ (৮৪-৯০)

      @ শান্তা:
      তসলিমার ব্যাপারে তোমার সংগে একমত। তসলিমাকে আমি এগিয়ে রাখবো তাঁর সাহসের জন্যে, স্পষ্টবাদিতার জন্যে। মেয়েরা কথা কয়ে উঠলেই যে সমাজের ভ্রু কুঞ্চিত হয় সে সমাজে তিনি নিজের কথা বারবার বলে গেছেন। সেজন্যেই তো দেশছাড়া হতে হলো।নিজের সময়ের চেয়ে অনেক এগিয়ে ছিলেন তিনি, এটাই তাঁর সমস্যা।

      জবাব দিন
      • ওয়াহিদা নূর আফজা (৮৫-৯১)

        নানারকম হিপোক্রেটিক আচরণের কারণে আমার অবশ্য তসলিমা সম্পর্কে ভাল ধারণা নেই। আর সময়ের থেকে অগ্রগামী বলছেন কেন? ধর্ম নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে তাই? এটা তো অনেক পুরোনো ব্যাপার। আপনি আবুল ফজলের লেখা পড়ে দেখতে পারেন।


        “Happiness is when what you think, what you say, and what you do are in harmony.”
        ― Mahatma Gandhi

        জবাব দিন
        • রাজীব (১৯৯০-১৯৯৬)

          মুক্ত বুদ্ধির চরচা খ্যাত আবুল ফজল আবার কিন্তু কোরানের কথা, হাদিসের কথা লিখেছেন।
          শেশ পরযন্ত অবস্থান ঠিক রাখতে পেরেছেন খুব অল্পজনই। আহমদ শরীফ, আরজ আলী প্রমুখ।


          এখনো বিষের পেয়ালা ঠোঁটের সামনে তুলে ধরা হয় নি, তুমি কথা বলো। (১২০) - হুমায়ুন আজাদ

          জবাব দিন
        • নূপুর কান্তি দাশ (৮৪-৯০)

          @শান্তা:
          না, ধর্ম নিয়ে বলেছেন বলে নয়। নারীদের নিয়ে, নিজেকে নিয়ে খোলামেলাভাবে বলতে পারার জন্যই আমার মনে হয় তসলিমা সময়ের চেয়ে এগিয়ে ছিলেন। যা আমরা সবাই জানি, সবাই বুঝি কিন্তু বলার সময়, মানার সময় অন্যটা করি। তসলিমা সেটাই আঙুল দিয়ে দেখিয়েছেন।
          আবুল ফজলের লেখা পড়েছি, ধর্ম নিয়ে কাটাকাটা সোজাসাপ্টা কিছু লিখেছেন কিনা বলতে পারছিনা।

          জবাব দিন
          • ওয়াহিদা নূর আফজা (৮৫-৯১)

            আসলে আবুল ফজলকে উল্লেখ করেছিলাম কিছুটা সিম্বলিক ভাবে। আসল যে কথাটা বলতে চাচ্ছিলাম তা হলো বিংশ শতাব্দির মাঝামাঝি সময়টাতে বাংলাদেশের তরুণদের একাংশ সক্রিয় জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের সাথে জড়িত ছিল। ধর্ম তাদের জীবনকে কোন প্রভাবিত করতে পারেনি। তারা যথেষ্ট আধুনিক মনস্ক ছিলেন। আমি আমার আব্বার জেনারেশনকে এইভাবেই দেখে এসেছি। ছোটবেলায় উৎসব ছাড়া ধর্মের সাথে সেভাবে আমাদের পরিচয় ঘটানো হয়নি। মূল্যবোধও গড়ে দেওয়া হয়েছে ধর্মকে পাশ কাটিয়ে। তাই তসলিমা নাসরিনের লেখায় যে সমাজ বা যেসব পুরুষদের ছবি দেখতে পেয়েছিলাম তা আমার কাছে ছিল সম্পূর্ণ অপরিচিত। আমি আমার চারপাশে অনেক সত্যিকার অর্থেই আধুনিক নারীদের দেখেছিলাম। সে তুলনায় তসলিমা নাসরিনকে মনে হতো খুব আধুনিক সাজতে চাচ্ছে সত্যিকার অর্থে আধুনিকতার সংজ্ঞা না বুঝেই। আর তার মতাদর্শের সাথেও আমি অনেকাংশে একমত হতে পারিনি। বিভিন্নরকম এ্যবিউসের ঘটনা ঘটে কিন্তু জেন্ডারের থেকেও পাওয়ার ডিসক্রিমেশনের জন্য। সুতরাং অভিযোগের পেছনে বেশি শক্তিব্যয় না করে নিজে্র আরেকটু ক্ষমতায়ন হওয়ার পেছনে শক্তি ব্যয় করা উচিত।


            “Happiness is when what you think, what you say, and what you do are in harmony.”
            ― Mahatma Gandhi

            জবাব দিন
  4. তাওসীফ হামীম (০২-০৬)

    তসলিমা নাসরিন নাকি প্রায় তিন বছর আগের সুকুমারি দাসের একটা লেখা চুরি করেছিলেন,বিচিন্তায় তখন নিয়মিত লিখতেন,মিনার মাহমুদ দুটি লেখা পাশাপাশি ছেপে দেন। এর পর থেকেই তাদের দ্বন্দ্ব শুরু হয়( অমি পিয়াল ভাই থেকে জানলাম)
    দ্বিখণ্ডিত পড়লাম এইতো সেইদিন,জতখানি বুঝলাম বাংলা ভাষার সকল গুনি কবি,লেখক নাকি ওনার ঘাটে জল খেয়েছেন,হেলাল হাফিয,ইমদাদুল মিলন,রুদ্র ,শামসুল হক নাকি তাকে মেয়ে বানিয়ে ঘুরে ফিরেছেন দক্ষিনবঙ্গ।
    যাই হোক ওনার আর একটা বই আছে ফরাসি প্রেমিক। ওই বইটা আমার কাছে খুব ভালো লেগেছে। ফালি ফালি করে কাটা চাঁদ সুন্দর বই।
    সবকিছু ভেঙে পড়ে" পারলে এই বইটা একটু পড়ে নিয়েন। হয়ত আপনার ভালো লাগবে।
    অনেকদিন লেখার জন্য অপেক্ষা করছি,আর রাজিব ভাই আসলেন এমন একটি সুন্দর,আর তথ্যবহুল লেখা নিয়ে। আমার পক্ষ থেকে একটা ধন্যবাদ নিবেন রাজিব ভাই।


    চাঁদ ও আকাশের মতো আমরাও মিশে গিয়েছিলাম সবুজ গহীন অরণ্যে।

    জবাব দিন
  5. রাজীব (১৯৯০-১৯৯৬)

    তসলিমার ঐ লেখার ব্যাপারে সেই সময় কলকাতাতেও লেখালেখি হয়।
    আনন্দবাজার হইল লাথি দেয়া দুধেল গরু।
    চিন্তা করে দেখ সাহস কতো বড় বাংলা একাডেমীরে পুরশকার দেয়!
    আবুল বাশার আমার খুব প্রিয় লেখক। কিন্তু আনন্দবাজার তারে নিয়া মাতামাতি করে ভিন্ন কারণে।
    খোয়াবনামা খুব খুব ভালো এক্টা উপন্যাস। কিন্তু ঐ বইয়ের অন্যতম টারনিং পয়েন্ট ছেলের সাথে সত মায়ের শারিরিক সম্পরকের ব্যাপারটা।
    আবার দেখ শামসুর রাহমানের সাথে অন্নদাশঙ্কর রায় রে দিছে যারে তারা আগেই দিছিলো।
    নীরদ মিয়া তো বাংলাদেশরে তথাকথিত বাংলাদেশ পরযন্ত বলেছে।
    তুই যদি ইভেন শরতচন্দ্রে যাস সেও আমাগো মুসল্মান কইছে, বাংআলি কয় নাই।
    আর বঙ্কিম বাবু তো যবন কইছে। ঐদিন দেখলাম সে নাকি মুহসিন ফান্ডের টাকায় পড়ছে।
    হুমায়ুন আজাদের প্রায় সব লেখাই পড়ছি। খালি বাংলা ভাশা নিয়া তার যে গবেশণা মুলক বই আছে ( ইউনিতে পাঠও) ঐটা পড়িনাই; সংরহে ছিল। আর হ্যা তার করা রবীন্দ্রনাথের প্রধান কবিতার ভূমিকা পড়ছি। দাম বেশি থাকায় তখন কিন্তে পারিনাই।
    সব কিছু ভেংগে পড়ে অসাধারণ বই।
    ফালি ফালি করে কাটা চাদের ব্যাপারে একই কথা।
    এক্টি খুনের শপন ও
    ৫৬ হাজার নিয়া এক্টা লেখা লিখতেছি গত কয়েকদিন ধইরা।
    মাইনশের সমস্যা হইল প্রথম পড়ে পাক সার জমিন সাদ বাদ।
    ঐ বই পড়তে যেই পরিপক্কতা দরকার হয় তা অরজন কইরা অই জিনিসে হাত দেয়াও পাপ।
    আর নারীর খেত্রেও একই কথা।


    এখনো বিষের পেয়ালা ঠোঁটের সামনে তুলে ধরা হয় নি, তুমি কথা বলো। (১২০) - হুমায়ুন আজাদ

    জবাব দিন
  6. নূপুর কান্তি দাশ (৮৪-৯০)

    রাজীব,
    তুমি এতগুলা বাংলা বই প্রবাসে জোগাড় করলা কেমনে? এমন পরিশ্রমী ব্লগ দেয়ার জন্যে অসংখ্য ধন্যবাদ। তোমার পড়াশোনার ব্যাপ্তি দেখে খুব খুব ভালো লাগলো। লিংকগুলো জুড়ে দেয়াতে ভালো হলো খুব।

    সৈয়দ মুজতবা আলী বেশ ক'বছর ICCR (Indian Council for Cultural Relations)- এরও ডিরেক্টর ছিলেন। ICCR বিদেশী ছাত্রদের শিক্ষাবৃত্তি এবং সাংস্কৃতিক যোগাযোগের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান (সম্ভবত মওলানা আবুল কালাম আজাদের ব্রেইন চাইল্ড)।
    উইকিতে এই তথ্য দেখলামনা। দিল্লীতে ICCR অফিসে গিয়ে বোর্ডে দেখি সৈয়দ মুজতবা আলীর নাম লেখা।বেশ অবাক হয়েছিলাম, এই লোক কত কিছু করলেন এক জীবনে।

    জবাব দিন
    • রাজীব (১৯৯০-১৯৯৬)

      লজ্জা দিয়েন না ভাই।
      অনেক কিছুই নেট থেকে প্রাপ্ত।
      এখানকার লাইব্রেরী বেশ রীচ।
      আর এখন বই পড়ি হারড, সফট দুইটাই।
      আইপ্যাডের কল্যাণে সফট কপি পড়া অনেক ইজি হয়ে গেছে। আর বড় মেয়ে যদি আইপ্যাডের দখল নেয় তবে আই ফোন তো আছেই।
      আর মুজতবা আলী বস।


      এখনো বিষের পেয়ালা ঠোঁটের সামনে তুলে ধরা হয় নি, তুমি কথা বলো। (১২০) - হুমায়ুন আজাদ

      জবাব দিন

মন্তব্য করুন

দয়া করে বাংলায় মন্তব্য করুন। ইংরেজীতে প্রদানকৃত মন্তব্য প্রকাশ অথবা প্রদর্শনের নিশ্চয়তা আপনাকে দেয়া হচ্ছেনা।