হচ্ছে কি এসব?

অনেকদিন পর লিখছি। শেষ লেখাটা লেখার পর পরই ঠিক করে ফেলেছিলাম কি নিয়ে লিখবো।

সাধারণ নিয়মে বছরে ৩৬৫ দিন; লিপ ইয়ারের ঝামেলা যদি বাদ দেই। এই ৩৬৫ দিনের প্রতিটি দিনেই কোন না কোন দিবস পালন হচ্ছে পৃথিবীর কোথাও না কোথাও। আমি হাতে গোণা কয়টি বাদে বাকিগুলোর হিসাব রাখিনা; ২১শে ফেব্রুয়ারি, ২৫শে মার্চ,  ১৬ই ডিসেম্বর। ১লা বৈশাখ। এইতো। ব্যাক্তিগত দিনগুলির কথা না হয় বাদই দিলাম। মা দিবস, বাবা দিবস, নারী দিবস, শিক্ষা দিবস  ইত্যাদির তো কোন শেষ নেই। হঠাৎ করেই একটা দিবসের প্রতি নজর গেলো; বলা যায় নজর আটকে গেলো। এবং বেশ করে ভাবলাম। দিবসটি হচ্ছে শিক্ষক দিবস।

মৃত্যুর আগে কই ছিলাম, কেন আমাদের জন্ম এই পৃথিবীতে, মানুষ হিসাবে আমাদের করণীয় কি ইত্যাদি জটিল প্রশ্নে না গিয়ে সহজ বিষয়ে চলে যাই। মানুষের জন্ম প্রক্রিয়া প্রকৃতির আজব বিষয়গুলোর একটি।

লালনের একটা গান আছে – এমন মানব জনম কি আর হবে।

অনেকেই হয়তো জানে যে লালন হিন্দু ছিলেন। মুসলিম ঘরে প্রতিপালিত হয়েছেন। কিন্তু নিজে কোনো ধর্মে বিশ্বাসী ছিলেন এমন প্রমাণ আদৌ পাওয়া যায় না। তাই তো গেয়েছেন, যদি সুন্নত দিলে হয় মুসলমান, নারীর তবে কি হয় বিধান, পৈতে দিয়ে বামুন চিনি, বামুনী চিনি কিরূপে?

সব লোকে কয় লালন কি জাত এই সংসারে
ফকির লালন বলে জাতের কি রূপ
আমি দেখলাম না ভাই নজরে
সব লোকে কয় লালন কি জাত এই সংসারে
লালন বলে জাতের কি রূপ ২
আমি দেখলাম না দুই নজরে
সব লোকে কয় লালন কি জাত এই সংসারে ২
কেউ মালা কেউ তজ্বির গলে
তাতেই কি জাত ভিন্ন রে বলে
কেউ মালা কেউ তজ্বির গ..লে…এ.এ.এ.এ..
তাতেই কি জাত ভিন্ন রে বলে
যাওয়া কিম্বা আসার বেলায় ২
জাতের চিন্হ রয় কারে
সব লোকে কয় লালন কি জাত এই সংসারে ২
সুন্নত দিলে হয় মুসলমান
নারী জাতির কি বা বিধান
সু….ন্নত দিলে হয় মু..সলমা…আ.আ.আ.আ.ন
নারী জাতির কি হয় বিধান
আমি ব্রাম্মন চিনি পৈতার প্রমান ২
বামনি চিনব কেমনে
সব লোকে কয় লালন কি জাত এই সংসারে ২
জগত বেড়ে জাতির কথা
লোকে গল্প করে যথা তথা
জগত বেড়ে জাতির কথা…আ.আ..আ
লোকে গল্প করে যথা তথা
লালন ফকির জাতির ফাতনা ২
ডুবিয়েছে সাধ বাজারে
সব লোকে কয় লালন কি জাত এই সংসারে ২
লালন বলে জাতের কি রূপ ২
আমি দেখলাম না দুই নজরে
সব লোকে কয় লালন কি জাত এই সংসারে ৩

উনবিংশ শতকে হিন্দুরা যখন আধুনিক হতে লাগলো আমরা তখনো ইসলামী খেলাফত-খেলাফত করে পাগল ছিলাম। ঐ হিন্দুদের পিছনে টেনে নিয়ে গেছে রামকৃষ্ণ আর বিবেকানন্দ মিলে। ভাগ্যিস রামমোহন, রবীন্দ্রনাথ এরা ছিলেন। বাঙ্গালিদের উচিত যাদের প্রতি ঋণি থাকা তারা হলেন রাজা রামমোহন রায়, আর ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর। আর আমাদের স্বপ্ন দেখতে শিখিয়েছেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, আমাদের ভাষা দিয়েছেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।

আজ একবিংশ শতকে এসে মুসলমানরা যখন মানুষ হতে চাচ্ছে, আধুনিকতার দরজায় আঘাত করছে; তখন জাকির ভাইয়েরা দাঁড়িয়ে আছেন চাবুক হাতে। আধুনিক মানুষ কিভাবে ধর্মের উপর বিশ্বাস করবে যেখানে ধর্মীয় চিন্তাচেতনা মানুষকে এগিয়ে যেতে সাহায্য করে না। না কোনো ধর্মের বিশেদ্গার করা আমার উদ্দেশ্য নয়। কিন্তু ধর্ম যখন মানবিকতার গলা চিপে ধরে, তখন আর সেই ধর্ম যে মানুষের জন্য সেই বিশ্বাস আর রাখতে পারি না। এবং সেইসঙ্গে সবাই/ অনেকেই যখন সেইসব অমানবিকতাকে যৌক্তিকতা দেবার জন্য উঠেপড়ে লাগে, তখন বড়ই সন্ত্রস্ত হয়ে উঠি।বোবায় ধরা বলে একটা কথা আছে। ঘুমালে নাকি বোবা বুকের উপর চেপে বসে। ইদানিং আর ঘুমাতে হয় না; শয়নে, স্বপনে, জাগরণে ধর্ম নামক এক বোধ বুকের উপর চেপে বসে থাকে। পদে পদে ধর্ম আমাদের বলে দিচ্ছে কি করতে হবে, কিভাবে করতে হবে। কেন করতে হবে।

সুনীলের একটা কবিতা পড়েছিলাম অনেক আগে; দ্বারভাঙ্গা জেলার রমণী। পারলে ধর্ম বলে দেয় কিভাবে বিশেষ কর্মটি করতে হবে।

হাওড়া ব্রীজের রেলিং ধরে একটু ঝুঁকে দাঁড়িয়েছিল
দ্বারভাঙা জেলা থেকে আসা টাট্‌কা রমনী
ব্রীজের অনেক নিচে জল, সেখানে কোনো ছায়া পড়ে না
কিন্তু বিশাল এক ভগবতী কুয়াশা কলকাতার উপদ্রুত অঞ্চল থেকে
গড়িয়ে এসে
সভ্যতার ভূমধ্য অরিন্দে এসে দাঁড়ালো
সমস্ত আকাশ থেকে খসে পড়লো ইতিহাসের পাপমোচানবারী বিষণ্ণতা
ক্রমে সব দৃশ্য, পথ ও মানুষ মুছে যায়, কেন্দ্রবিন্দুতে শুধু রইলো সেই
লাল ফুল-ছাপ শাড়ি জড়ানো মূর্তি
রেখা ও আয়তনের শুভবিবাহমূলক একটি উদাসীন ছবি-
আকস্মাৎ ঘুরে গাঁড়ালো সে, সেই প্রধানা মচকা মাগি, গোঠের মল ঝামড়ে
মোষ তাড়ানোর ভঙ্গিতে চেঁচিয়ে উঠলো, ইঃ রে-রে-রে-রে-
মুঠো পিছলোনো স্তনের সূর্যমুখী লঙ্কার মতো বোঁটায় ধাক্কা মারলো কুয়াশা
পাছার বিপুল দেলানিতে কেঁপে উঠলো নাদব্রহ্ম
অ্যাক্রোপলিসের থামের মতো উরুতের মাঝখানে
ভাটফুলে গন্ধ মাখা যোনির কাছে থেমে রইলো কাতর হওয়া
ডৌল হাত তুলে সে আবার চেঁচিয়ে উঠলো, ইঃ রে-রে-রে-রে-
তখন সর্বনাশের কাছে সৃষ্টি হাঁটু গেড়ে বসে আছে
তখন বিষণ্নতার কাছে অবিশ্বাস তার আত্মার মুক্তিমূল্য পেয়ে গেছে…
সব ধ্বংসের পর
শুধু দ্বারভাঙা জেলার সেই রমণীই সেখানে দাঁড়িয়ে রইলো
কেননা ‌ঐ মুহূর্তে সে মোষ তাড়ানোর স্বপ্নে দেখছিল।।

না ধর্মঅধর্মের তাৎপর্য ব্যাখ্যা করার ইচ্ছা ও আমার নেই। পৃথিবীর প্রত্যেকটি ধর্মই সর্বদা নিজের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণে ব্যাস্ত; অন্য ধর্মের অস্তিত্ব মানতেও এরা নারাজ। কিভাবে অন্য ধর্মকে খাটো আর মিথ্যা প্রমাণিত করা যায় সেই চেষ্টার মাঝেই যেন সার্থকতা নিহিত; আর নিজ ধর্মকে সেবা করার এটাই যেন একমাত্র উপায়।

আসলেই একটাই তো জন্ম। আধুনিকতা বা মানবিকতা আমাদের মধ্যে জন্ম দিয়েছে প্রেম-ভালবাসার মতন অনন্য বোধ, এছাড়া সাহিত্যবোধ, শিল্পবোধ ইত্যাদি। আধুনিকতা আমাকে শিখিয়েছে, পাপকে ঘৃণা কর, পাপীকে নয়।

প্রিয় বাংলাদেশের দিকেই একবার তাকাই। সাত বছর হতে চলছে দেশ ছাড়া। সপ্তাহখানেক হল বউ আর বড় মেয়ে দেশে গেছে। যথারীতি দুজনের শরীর খারাপ করেছে। বাইরে থেকে যতকিছুই দিয়ে দিই না কেন গোসলের পানিও কি দিয়ে দেওয়া সম্ভব??? ৫ টাকার রিকশাভাড়া নাকি ৩৫/৪০ টাকা।বউকে বললাম আমার জন্য কয়েকটি কালো শার্ট কিনে এনো। সে বলল সবচেয়ে কমদামী শার্টের দামই নাকি ৮০০ টাকা; যেটা আগে ছিল ১৮০-২০০ টাকা। ভাবতে পারিনা। মাঝে মাঝে টিভিতে বা পেপারে যে কিছুই পড়িনি তা নয়। যে চাল ফেলে দেওয়া হতো (বস্তার নিচের)তাই এখন বিক্রি হচ্ছে। কিন্তু তাই বলে এতো! আমি পাউন্ড স্টারলিং এ আয় করেই যদি বলি এতো, তবে বাংলাদেশের মানুষের চলছে কিভাবে? ছোটবেলায় পড়া রূপকথার মতো সবার বাসায় কি টাকার গাছ গজিয়েছে! তবে কি কোনও মহাজাগতিক শক্তি দেশটিকে চালিয়ে নিচ্ছেন? কিন্তু দেশ কি চলছে? বছর দশেক আগে আমার শ্বশুর মারা যান এ্যাম্বুলেন্সে শুয়ে জ্যামে আটকা পড়ে। এখন অবস্থা যে আরো খারাপ তা বলার অপেক্ষা রাখে না। ঢাকায় আমাদের আছেটা কি, যে এই মরার ঢাকাতেই আমাদের পড়ে থাকতে হবে! আমাদের রাজনীতিবিদরা, নগরপরিকল্পনাকারিরা কেউই কি কিছু ভাব্বেন না, করবেন না। মাঝে মাঝেই তো মহাজাগতিক শক্তি ঢাকার মাটিতে নাড়া দেন। আমাদের ধার্মিক নেতা-নেত্রিরা এই আলামত বুঝতে পারেন না তা কি করে বলি!

মুসলিমদের ধর্মীয় পুণ্যের (শবে বরাতের) রাতে ঢাকার অদূরে কয়েকজন ছাত্রকে গ্রামবাসীরা ডাকাত সন্দেহে পিটিয়ে মেরে ফেললো। আইন রক্ষাকারী কয়েকজন সদস্য নাকি কাছেই ছিলেন। বিশাল জনতার সামনে গুটিকয় পুলিশ কিছুই না এটা সবাই জানি। কিন্তু জনতা কেন কথিত ডাকাতদের পুলিশের হাতে তুলে দিলো না??? অনেকেই অনেক কথা বলবেন বা বলে ফেলেছেন।

কেন ছেলেরা ঐ জায়গায় যাবে। তাদের উদ্দেশ্য সৎ ছিলো না। ইত্যাদি, ইত্যাদি। হয়তো তারা অইখানে মদ, গাঁজা খেতে গিয়েছিলো; বা অন্য কোনও নেশা বা নারীসঙ্গ লাভের উদ্দেশ্যে অইখানে গিয়েছিলো। কিংবা গ্রামবাসীদের দাবী অনুযায়ী ঐ ছেলেরা অইখানে ডাকাতি করতেই গিয়েছিলো। কিন্তু তাতে করেই কি ঐ কিশোরদের পিটিয়ে মারা যৌক্তিক হয়ে যায়!!!

তার কয়েকদিন পরেই নোয়াখালীতে পিটিয়ে মেরে ফেলা হল কয়েক যুবককে। পূর্বোক্ত ঘটনার প্রকৃত অবস্থা যারা অনুধাবন করতে পারেন নাই, তারা এবার ইউ টিউবে চাক্ষুষ করলেন কিভাবে মানুষ মারা হয়। (এখন মনে হয় ঐ ভিডিওটি ইউ টিউব থেকে ডিলিট করে দেওয়া হয়েছে। কারো কাছে থাকলে আমি পেতে পারিকি? সংগ্রহে রাখতে চাই) চারপাশে লোকজন দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখছে। আর কিছু মানুষ বাঁশ দিয়ে পেটাচ্ছে।

ঐদিনই ঐ একই এলাকায় এক কিশোরকে পুলিশ জনতার হাতে ছেড়ে দিলো। জনতা পিটিয়ে মেরে ফেললো ঐ কিশোরকে। এইটা ইউ টিউব থিকা ডাউনলোড কইরা রাখতে ভুলি নাই। আমরা কি এখনো মানুষ বলতে পারি আমাদের?

এবার নিজের একটা কথা বলি। অবাক হইলেও সত্যি যে লন্ডনে বেশ ইদুরের অত্যাচার রয়েছে। আমার আগের বাসার পাশেই ছিল হন্টেট হাউস। এরা প্রবলভাবে ভূতে বিশ্বাস করে।আরেকপাশের বাসায় ছিল বিড়াল। বাসার সামনেই রেল লাইন। ইদুর চলে আসে আমার বাসায়। বিরক্তিকর অবস্থা। মাঝে মাঝে ইদুর ধরে মারি।মারার প্রক্রিয়াটা বলি। ফাঁদ থেকে টেনে তুলে পলিথিনে ভরি। সিমেন্টের উপর গোটাকয়েক আছাড় দেই। মুখ থেকে রক্ত বের হয়ে আসে। মৃত্যু নিশ্চিতকরণের জন্য কেটলিতে পানি গরম করে ওটার গায়ের উপর ঢেলে দেই। তারপর বিনে ফেলে দিয়ে আসি। বেশ অনেকবার এরকম করি। তারপর রাতের বেলায় স্বপ্ন দেখতে থাকি আমাকেও একই কায়দায় মেরে ফেলা হচ্ছে। কয়েকবার একই স্বপ্ন দেখলাম রাতে।এরপর আর ইদুর মারিনি একটাও।

আমি অভিশাপ দেই যারা সেইসব নির্মম ঘটনার সাথে জড়িত ছিল আর যারা উপভোগ করেছে সেইসব দৃশ্য তারা যেন বাকি জীবন আমার মতোই দুঃস্বপ্ন দেখে যায় প্রতিরাতে।

বাংলাদেশের মানুষ যে অনেক বড় মাপের মুসলিম তা উপরের ঘটনাগুলি থেকে বোঝা না গেলেও সম্প্রতি ঘটে যাওয়া সৌদি আরবে ৮ বাঙ্গালির (কয়েকজন পাকিস্তানী ও ছিলেন) শিরোচ্ছেদের ঘটনার পর স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। আমাদের অনেক মুসলিম বাঙ্গালিই কোরান হাদিস থেকে বাণী খুঁজে খুঁজে শিরোচ্ছেদ আইনটি কতটা ভালো বা যুক্তিসঙ্গত, কতটা বিজ্ঞানসম্মত তা ব্যাখ্যা করে চলেছেন। মারেফুল কোরআন, ইবনে কাছির, ইত্যাদি থেকে উদ্ধৃতি দিচ্ছেন। এমনকি গতকালই কথা হল পশ্চিমা বিশ্বে অবস্থানরত এক বন্ধুর সাথে। তার কথা সৌদি আরবে গেছো কাজ করতে, কাজ করবা, দেশে টাকা পাঠাবা; চুরি-ডাকাতি করতে যাবা ক্যান, খুন করতে যাবা ক্যান? এগুলারে ধইরা ফাঁসি দেওয়াই দরকার। এখন ওগো নিয়ম কল্লা কাটা, তো কল্লা তো কাটবোই। বলিহারি যাই।

যদি কোনও দেশে যদি ইসলামি আইন বলবৎ না থাকে তবে তারা কিভাবে সেই আইন বাস্তবায়ন করে!

বেশি ভেতরে যাবো না। খুব সহজে কিছু বিষয় তুলে ধরি।

সৌদিতে কোন ধরণের সরকার ব্যাবস্থা চালু আছে?

ইসলামের কোথায় বলা আছে মেয়েরা ভোট দিতে পারবে না?

মেয়েরা যদি উটে আরোহণ করতে পারে তবে গাড়ী চালাতে পারবে না কেনো?

প্রতিবেশি ইসলামি রাষ্ট্রগুলির প্রতি সৌদি আরবের আচরণ কেমন?

কোন জাতি আমাদেরকে মিসকিন বলে সম্বোধন করে?

ভূমধ্যসাগরীয় যুদ্ধগুলোতে সৌদির কি অবস্থান ছিল?

ইহুদি, নাছারাদের সাথে সবচেয়ে বেশি বন্ধুত্ব কোন রাষ্ট্রের?

ইসলামের শত্রু আমেরিকাকে কোন রাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যে ঢোকার সুযোগ করে দিয়েছে?

বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে সৌদি আরবের অবস্থান কি ছিলো?

কবে সৌদি আরব আমাদের স্বাধীন রাষ্ট্র হিসাবে সৃকিতি দিয়েছে?

বাংলাদেশের কয়টি সেতু আরবদের অর্থ সাহায্যে হয়েছে?

যেখানে আফ্রিকা ও এশিয়ার দরিদ্র মুসলিম জনগণেরা না খেয়ে থাকে সেখানে কোন দেশের জনগণ বিলাস বহুল জীবন, মদ, নারী, জুয়ায় সময় কাটায়?

এখন আমার প্রশ্নের উত্তর চাই।

সেই রাষ্ট্র কিভাবে আমাদের জনগণকে কতল করে হত্যা করতে পারে???

নিচের ম্যাপগুলি ও চার্ট অনেকের ভাবনার খোরাক দিবে আশা রাখি।

 

 

 

 

 

 

নিচের অংশগুলো একাডেমিক। যাদের উপরের অংশটুকু পড়ে ভালো লাগেনি বা যারা এখনো কোরআন ও হাদিসের সেইসব অংশগুলো আউরাচ্ছেন নিচের অংশ তাদের জন্য নয়

 

নিচের আয়াতগুলি কোরআনের ২ নঃ সুরা আল বাকারার।

275. Those who eat Riba (usury) will not stand (on the Day of Resurrection) except like the standing of a person beaten by Shaitan (Satan) leading him to insanity. That is because they say: “Trading is only like Riba (usury),” whereas Allah has permitted trading and forbidden Riba (usury). So whosoever receives an admonition from his Lord and stops eating Riba (usury) shall not be punished for the past; his case is for Allah (to judge); but whoever returns [to Riba (usury)], such are the dwellers of the Fire – they will abide therein.

276. Allah will destroy Riba (usury) and will give increase for Sadaqat (deeds of charity, alms, etc.) And Allah likes not the disbelievers, sinners.

277. Truly those who believe, and do deeds of righteousness, and perform As-Salat (Iqamat-as-Salat), and giveZakat, they will have their reward with their Lord. On them shall be no fear, nor shall they grieve.

278. O you who believe! Be afraid of Allah and give up what remains (due to you) from Riba (usury) (from now onward), if you are (really) believers.

 

নিচের আয়াতটি কোরআনের ৩ নঃ সুরা আল ইমরানের

130. O you who believe! Eat not Riba (usury) doubled and multiplied, but fear Allah that you may be successful.

 

নিচের আয়াতটি কোরআনের ৪ নঃ সুরা আন নিসার

161. And their taking of Riba (usury) though they were forbidden from taking it and their devouring of men’s substance wrongfully (bribery, etc.). And We have prepared for the disbelievers among them a painful torment.

 

নিচের আয়াতটি কোরআনের ৩০ নঃ সুরা আর রূমের

39. And that which you give in gift (to others), in order that it may increase (your wealth by expecting to get a better one in return) from other people’s property, has no increase with Allah, but that which you give in Zakat seeking Allah’s Countenance then those, they shall have manifold increase.

 

সুদ সম্পর্কিত নিচের লিঙ্কটি উইকি তে আছে।সুদ খাওয়ার শাস্তি কি হতে পারে এবং এটা কি ধরণের পাপ তা অইখানে পাওয়া যাবে। বাঙ্কিং এর সাথে যারা জড়িত তাদের ৯৯% সুদের সঙ্গে জড়িত বলে আমি সেই শাস্তির কথা উল্লেখ করলাম না।

http://en.wikipedia.org/wiki/Riba

 

আরও কি বলা হয়েছে সুদ সম্পর্কে, দেখি।

Riba is considered amongst the Seven Heinous Sins (Al-Saba al-Mubiqat – السَبعَ الموبِقاتِ), namely:[1]

  • Believing in gods other than Allah.
  • Magic.
  • Murder.
  • Riba/usury.
  • Unlawfully taking orphans’ money.
  • Fleeing the battlefield.
  • Accusing chaste, pious women.

 

নিচের সাইটটিতে চোখ বুলালে দেখা যাবে সুদ সম্পর্কে কি বলা আছে।

http://islam1.org/khutub/Riba_Major_Sin.htm

 

আরেকটি হাদিসের উল্লেখ করছি

Bukhari :: Book 3 :: Volume 34 :: Hadith 275

Narrated Abu Huraira:

The Prophet said, “A time will come when one will not care how one gains one’s money, legally or illegally.”

 

সুদ খেলে কি হতে পারে

Bukhari :: Book 3 :: Volume 34 :: Hadith 298

Narrated Samura bin Jundab:

The Prophet said, “This night I dreamt that two men came and took me to a Holy land whence we proceeded on till we reached a river of blood, where a man was standing, and on its bank was standing another man with stones in his hands. The man in the middle of the river tried to come out, but the other threw a stone in his mouth and forced him to go back to his original place. So, whenever he tried to come out, the other man would throw a stone in his mouth and force him to go back to his former place. I asked, ‘Who is this?’ I was told, ‘The person in the river was a Riba-eater.”

সুদের ধরণ

Bukhari :: Book 3 :: Volume 34 :: Hadith 344

Narrated Az-Zuhri from Malik bin Aus:

that the latter said, “Who has change?” Talha said, “I (will have change) when our store-keeper comes from the forest.”

Narrated ‘Umar bin Al-Khattab: Allah’s Apostle said, “The bartering of gold for silver is Riba, (usury), except if it is from hand to hand and equal in amount, and wheat grain for wheat grain is usury except if it is form hand to hand and equal in amount, and dates for dates is usury except if it is from hand to hand and equal in amount, and barley for barley is usury except if it is from hand to hand and equal in amount.” (See Riba-Fadl in the glossary).

 

 

হত্যা বা মৃত্যুপণ সংক্রান্ত কুরআনের আয়াতগুলো নিম্নে দেওয়া হোলো।

সুরা আল বাকারা

178. O you who believe! Al-Qisas (the Law of Equality in punishment) is prescribed for you in case of murder: the free for the free, the slave for the slave, and the female for the female. But if the killer is forgiven by the brother (or the relatives, etc.) of the killed against blood money, then adhering to it with fairness and payment of the blood money, to the heir should be made in fairness. This is an alleviation and a mercy from your Lord. So after this whoever transgresses the limits (i.e. kills the killer after taking the blood money), he shall have a painful torment.

179. And there is (a saving of) life for you in Al-Qisas (the Law of Equality in punishment), O men of understanding, that you may become Al-Muttaqun (the pious – see V.2:2).

 

হত্যা বা মৃত্যুপণ সংক্রান্ত হাদিস (সব বুখারী)গুলো নিম্নে দেওয়া হোলো।

Bukhari :: Book 9 :: Volume 83 :: Hadith 6

Narrated ‘Abdullah:

The Prophet said, “No human being is killed unjustly, but a part of responsibility for the crime is laid on the first son of Adam who invented the tradition of killing (murdering) on the earth. (It is said that he was Qabil).

Bukhari :: Book 9 :: Volume 83 :: Hadith 7

Narrated ‘Abdullah bin ‘Umar:

The Prophet said, “After me (i.e. after my death), do not become disbelievers, by striking (cutting) the necks of one another.

Bukhari :: Book 9 :: Volume 83 :: Hadith 11

Narrated Usama bin Zaid bin Haritha:

Allah’s Apostle sent us (to fight) against Al-Huraqa (one of the sub-tribes) of Juhaina. We reached those people in the morning and defeated them. A man from the Ansar and I chased one of their men and when we attacked him, he said, “None has the right to be worshipped but Allah.” The Ansari refrained from killing him but I stabbed him with my spear till I killed him. When we reached (Medina), this news reached the Prophet. He said to me, “O Usama! You killed him after he had said, ‘None has the right to be worshipped but Allah?”‘ I said, “O Allah’s Apostle! He said so in order to save himself.” The Prophet said, “You killed him after he had said, ‘None has the right to be worshipped but Allah.” The Prophet kept on repeating that statement till I wished I had not been a Muslim before that day.

Bukhari :: Book 9 :: Volume 83 :: Hadith 14

Narrated Al-Ahnaf bin Qais:

I went to help that man (i.e., ‘Ali), and on the way I met Abu Bakra who asked me, “Where are you going?” I replied, “I am going to help that man.” He said, “Go back, for I heard Allah’s Apostle saying, ‘If two Muslims meet each other with their swords then (both) the killer and the killed one are in the (Hell) Fire.’ I said, ‘O Allah’s Apostle! It is alright for the killer, but what about the killed one?’ He said, ‘The killed one was eager to kill his opponent.”

Bukhari :: Book 9 :: Volume 83 :: Hadith 16

Narrated Anas bin Malik:

A girl wearing ornaments, went out at Medina. Somebody struck her with a stone. She was brought to the Prophet while she was still alive. Allah’s Apostle asked her, “Did such-and-such a person strike you?” She raised her head, denying that. He asked her a second time, saying, “Did so-and-so strike you?” She raised her head, denying that. He said for the third time, “Did so-and-so strike you?” She lowered her head, agreeing. Allah’s Apostle then sent for the killer and killed him between two stones.

Bukhari :: Book 9 :: Volume 83 :: Hadith 17

Narrated ‘Abdullah:

Allah’s Apostle said, “The blood of a Muslim who confesses that none has the right to be worshipped but Allah and that I am His Apostle, cannot be shed except in three cases: In Qisas for murder, a married person who commits illegal sexual intercourse and the one who reverts from Islam (apostate) and leaves the Muslims.”

Bukhari :: Book 9 :: Volume 83 :: Hadith 19

Narrated Abu Huraira:

In the year of the Conquest of Mecca, the tribe of Khuza’a killed a man from the tribe of Bam Laith in revenge for a killed person belonging to them in the Pre-lslamic Period of Ignorance. So Allah’s Apostle got up saying, “Allah held back the (army having) elephants from Mecca, but He let His Apostle and the believers overpower the infidels (of Mecca). Beware! (Mecca is a sanctuary)! Verily! Fighting in Mecca was not permitted for anybody before me, nor will it be permitted for anybody after me; It was permitted for me only for a while (an hour or so) of that day. No doubt! It is at this moment a sanctuary; its thorny shrubs should not be uprooted; its trees should not be cut down; and its Luqata (fallen things) should not be picked up except by the one who would look for its owner. And if somebody is killed, his closest relative has the right to choose one of two things, i.e., either the Blood money or retaliation by having the killer killed.” Then a man from Yemen, called Abu Shah, stood up and said, “Write that) for me, O Allah’s Apostle!” Allah’s Apostle said (to his companions), “Write that for Abu Shah.” Then another man from Quraish got up, saying, “O Allah’s Apostle! Except Al-Idhkhir (a special kind of grass) as we use it in our houses and for graves.” Allah’s Apostle said, “Except Al-idhkkir.”

Bukhari :: Book 9 :: Volume 83 :: Hadith 20

Narrated Ibn ‘Abbas:

For the children of Israel the punishment for crime was Al-Qisas only (i.e., the law of equality in punishment) and the payment of Blood money was not permitted as an alternate. But Allah said to this nation (Muslims): ‘O you who believe! Qisas is prescribed for you in case of murder, …..(up to) …end of the Verse. (2.178)

Ibn ‘Abbas added: Remission (forgiveness) in this Verse, means to accept the Blood-money in an intentional murder. Ibn ‘Abbas added: The Verse: ‘Then the relatives should demand Blood-money in a reasonable manner.’ (2.178) means that the demand should be reasonable and it is to be compensated with handsome gratitude.

Bukhari :: Book 9 :: Volume 83 :: Hadith 26

Narrated Abu Huraira:

That he heard Allah’s Apostle saying, “We (Muslims) are the last (to come) but (will be) the foremost (on the Day of Resurrection).” And added, “If someone is peeping (looking secretly) into your house without your permission, and you throw a stone at him and destroy his eyes, there will be no blame on you.”

Bukhari :: Book 9 :: Volume 83 :: Hadith 36

Narrated Sahl bin Abi Hathma:

(a man from the Ansar) that a number of people from his tribe went to Khaibar and dispersed, and then they found one of them murdered. They said to the people with whom the corpse had been found, “You have killed our companion!” Those people said, “Neither have we killed him, nor do we know his killer.” The bereaved group went to the Prophet and said, “O Allah’s Apostle! We went to Khaibar and found one of us murdered.” The Prophet said, “Let the older among you come forward and speak.” Then the Prophet said, to them, “Bring your proof against the killer.” They said “We have no proof.” The Prophet said, “Then they (the defendants) will take an oath.” They said, “We do not accept the oaths of the Jews.” Allah’s Apostle did not like that the Blood-money of the killed one be lost without compensation, so he paid one-hundred camels out of the camels of Zakat (to the relatives of the deceased) as Diya (Blood-money).

Bukhari :: Book 9 :: Volume 83 :: Hadith 37

Narrated Abu Qilaba:

Once ‘Umar bin ‘Abdul ‘Aziz sat on his throne in the courtyard of his house so that the people might gather before him. Then he admitted them and (when they came in), he said, “What do you think of Al-Qasama?” They said, “We say that it is lawful to depend on Al-Qasama in Qisas, as the previous Muslim Caliphs carried out Qisas depending on it.” Then he said to me, “O Abu Qilaba! What do you say about it?” He let me appear before the people and I said, “O Chief of the Believers! You have the chiefs of the army staff and the nobles of the Arabs. If fifty of them testified that a married man had committed illegal sexual intercourse in Damascus but they had not seen him (doing so), would you stone him?” He said, “No.” I said, “If fifty of them testified that a man had committed theft in Hums, would you cut off his hand though they did not see him?” He replied, “No.” I said, “By Allah, Allah’s Apostle never killed anyone except in one of the following three situations: (1) A person who killed somebody unjustly, was killed (in Qisas,) (2) a married person who committed illegal sexual intercourse and (3) a man who fought against Allah and His Apostle and deserted Islam and became an apostate.” Then the people said, “Didn’t Anas bin Malik narrate that Allah’s Apostle cut off the hands of the thieves, branded their eyes and then, threw them in the sun?” I said, “I shall tell you the narration of Anas. Anas said: “Eight persons from the tribe of ‘Ukl came to Allah’s Apostle and gave the Pledge of allegiance for Islam (became Muslim). The climate of the place (Medina) did not suit them, so they became sick and complained about that to Allah’s Apostle. He said (to them ), “Won’t you go out with the shepherd of our camels and drink of the camels’ milk and urine (as medicine)?” They said, “Yes.” So they went out and drank the camels’ milk and urine, and after they became healthy, they killed the shepherd of Allah’s Apostle and took away all the camels. This news reached Allah’s Apostle , so he sent (men) to follow their traces and they were captured and brought (to the Prophet). He then ordered to cut their hands and feet, and their eyes were branded with heated pieces of iron, and then he threw them in the sun till they died.” I said, “What can be worse than what those people did? They deserted Islam, committed murder and theft.”

Then ‘Anbasa bin Said said, “By Allah, I never heard a narration like this of today.” I said, “O ‘Anbasa! You deny my narration?” ‘Anbasa said, “No, but you have related the narration in the way it should be related. By Allah, these people are in welfare as long as this Sheikh (Abu Qilaba) is among them.” I added, “Indeed in this event there has been a tradition set by Allah’s Apostle. The narrator added: Some Ansari people came to the Prophet and discussed some matters with him, a man from amongst them went out and was murdered. Those people went out after him, and behold, their companion was swimming in blood. They returned to Allah’s Apostle and said to him, “O Allah’s Apostle, we have found our companion who had talked with us and gone out before us, swimming in blood (killed).” Allah’s Apostle went out and asked them, “Whom do you suspect or whom do you think has killed him?” They said, “We think that the Jews have killed him.” The Prophet sent for the Jews and asked them, “Did you kill this (person)?” They replied, “No.” He asked the Al-Ansars, “Do you agree that I let fifty Jews take an oath that they have not killed him?” They said, “It matters little for the Jews to kill us all and then take false oaths.” He said, “Then would you like to receive the Diya after fifty of you have taken an oath (that the Jews have killed your man)?” They said, “We will not take the oath.” Then the Prophet himself paid them the Diya (Blood-money).” The narrator added, “The tribe of Hudhail repudiated one of their men (for his evil conduct) in the Pre-lslamic period of Ignorance.

Then, at a place called Al-Batha’ (near Mecca), the man attacked a Yemenite family at night to steal from them, but a. man from the family noticed him and struck him with his sword and killed him. The tribe of Hudhail came and captured the Yemenite and brought him to ‘Umar during the Hajj season and said, “He has killed our companion.” The Yemenite said, “But these people had repudiated him (i.e., their companion).” ‘Umar said, “Let fifty persons of Hudhail swear that they had not repudiated him.” So forty-nine of them took the oath and then a person belonging to them, came from Sham and they requested him to swear similarly, but he paid one-thousand Dirhams instead of taking the oath. They called another man instead of him and the new man shook hands with the brother of the deceased. Some people said, “We and those fifty men who had taken false oaths (Al-Qasama) set out, and when they reached a place called Nakhlah, it started raining so they entered a cave in the mountain, and the cave collapsed on those fifty men who took the false oath, and all of them died except the two persons who had shaken hands with each other. They escaped death but a stone fell on the leg of the brother of the deceased and broke it, whereupon he survived for one year and then died.” I further said, “‘Abdul Malik bin Marwan sentenced a man to death in Qisas (equality in punishment) for murder, basing his judgment on Al-Qasama, but later on he regretted that judgment and ordered that the names of the fifty persons who had taken the oath (Al-Qasama), be erased from the register, and he exiled them in Sham.”

Bukhari :: Book 9 :: Volume 83 :: Hadith 44

Narrated Abu Huraira:

Allah’s Apostle gave a verdict regarding an aborted fetus of a woman from Bani Lihyan that the killer (of the fetus) should give a male or female slave (as a Diya) but the woman who was required to give the slave, died, so Allah’s Apostle gave the verdict that her inheritance be given to her children and her husband and the Diya be paid by her ‘Asaba.

Bukhari :: Book 9 :: Volume 83 :: Hadith 45

Narrated Abu Huraira:

Two women from Hudhail fought with each other and one of them hit the other with a stone that killed her and what was in her womb. The relatives of the killer and the relatives of the victim submitted their case to the Prophet who judged that the Diya for the fetus was a male or female slave, and the Diya for the killed woman was to be paid by the ‘Asaba (near relatives) of the killer.

Bukhari :: Book 9 :: Volume 83 :: Hadith 52

Narrated Abu Said Al-Khudri:

A Jew whose face had been slapped (by someone), came to the Prophet and said, “O Muhammad! A man from your Ansari companions slapped me. ” The Prophet said, “Call him”. They called him and the Prophet asked him, “Why did you slap his face?” He said, “O Allah’s Apostle! While I was passing by the Jews, I heard him saying, ‘By Him Who chose Moses above all the human beings.’ I said (protestingly), ‘Even above Muhammad?’ So I became furious and slapped him.” The Prophet said, “Do not give me preference to other prophets, for the people will become unconscious on the Day of Resurrection and I will be the first to gain conscious, and behold, I will Find Moses holding one of the pillars of the Throne (of Allah). Then I will not know whether he has become conscious before me or he has been exempted because of his unconsciousness at the mountain (during his worldly life) which he received.”

 

কুকুরকে আমরা খুব ঘৃণার চোখে দেখি।

দেখি হাদিস কি বলে।

Bukhari :: Book 3 :: Volume 34 :: Hadith 270

Narrated ‘Adi bin Hatim:

I asked Allah’s Apostle about Al Mirad (i.e. a sharp-edged piece of wood or a piece of wood provided with a piece of iron used for hunting). He replied, “If the game is hit by its sharp edge, eat it, and if it is hit by its broad side, do not eat it, for it has been beaten to death.” I asked, “O Allah’s Apostle! I release my dog by the name of Allah and find with it at the game, another dog on which I have not mentioned the name of Allah, and I do not know which one of them caught the game.” Allah’s Apostle said (to him), ‘Don’t eat it as you have mentioned the name of Allah on your dog and not on the other dog.”

 

Muslim :: Book 21 : Hadith 4732

‘Adi b. Hatim reported: I said: Messenger of Allah, I set off trained dogs and they catch for me (the game) and I recite the came of Allah over it (I slaughter the game by reciting Bismillah-i-Allah-o-Akbar), whereupon he said: When you set off your trained dogs and you recited the name of Allah (while setting them off), then eat (the game). I said: Even if them (the trained dogs) kill that (the game)? He (the Holy Prophet) said: Even if these kill, but (on the condition) that no other dog, which you did not set off (along with your dogs), participates (in catching the game). I said to him: I throw Mi’rad, a heavy featherless blunt arrow, for hunting and killing (the game). Thereupon he said: When you throw Mi’rad, and it pierces, then eat, but if it falls flatly (and beats the game to death), then do not eat that.

 

Muslim :: Book 21 : Hadith 4733

‘Adi b. Hatim reported: I asked Allah’s Messenger (may peace be upon him) saying: We are a people who hunt with these (trained) dogs, then (what should we do)? Thereupon he (the Holy Prophet) said: When you set of your trained dogs having recited the name of Allah, then eat what these (hounds) have caught for you, oven if it (the game) is killed, provided (the hunting dog) has not eaten (any part of the game). If it has eaten (the game), then you don’t eat it as I fear that it might have caught for its own self. And do not eat in case other dogs have joined your trained dogs.

 

আমরা যারা হালাল হালাল করতে করতে মইরা যাই তাদের জন্য

Bukhari :: Book 3 :: Volume 34 :: Hadith 273

Narrated ‘Aisha:

Some people said, “O Allah’s Apostle! Meat is brought to us by some people and we are not sure whether the name of Allah has been mentioned on it or not (at the time of slaughtering the animals).” Allah’s Apostle said (to them), “Mention the name of Allah and eat it.”

 

অনেকেই বলতে চায় নবী ইহুদীদের সাথে কোনোপ্রকার কারবার করেন নাই তাদের জন্য

Bukhari :: Book 3 :: Volume 34 :: Hadith 282

Narrated ‘Aisha:

The Prophet purchased food grains from a Jew on credit and mortgaged his iron armor to him.

Bukhari :: Book 3 :: Volume 34 :: Hadith 283

Narrated Qatada:

Anas went to the Prophet with barley bread having some dissolved fat on it. The Prophet had mortgaged his armor to a Jew in Medina and took from him some barley for his family. Anas heard him saying, “The household of Muhammad did not possess even a single Sa of wheat or food grains for the evening meal, although he has nine wives to look after.” (See Hadith No. 685)

 

কোনও কোনও বিশেষ বাহিনীতে নিম্ন মানের চাল দেওয়া হলে তা তারা দোকান বা অন্য জায়গা থেকে পরিবর্তিত করে নেয়। তাদের জন্য

Bukhari :: Book 3 :: Volume 34 :: Hadith 294

Narrated Abu Said:

We used to be given mixed dates (from the booty) and used to sell (barter) two Sas of those dates) for one Sa (of good dates). The Prophet said (to us), “No (bartering of) two Sas for one Sa nor two Dirhams for one Dirham is permissible”, (as that is a kind of usury). (See Hadith No. 405

 

আমি জানিনা শিঙ্গা দেওয়া বা নেওয়ার ব্যাপারটা সম্পর্কে কেউ জানে কিনা? বাংলাদেশে বেদে-বেদেনীরা এই কাজ করে থাকে। দেখি হাদিসে কি আছে।

Bukhari :: Book 3 :: Volume 34 :: Hadith 316

Narrated Ibn ‘Abbas:

Once the Prophet got his blood out (medically) and paid that person who had done it. If it had been illegal, the Prophet would not have paid him.

১,৭৫৯ বার দেখা হয়েছে

৪৬ টি মন্তব্য : “হচ্ছে কি এসব?”

    • রাজীব (১৯৯০-১৯৯৬)

      মনির
      কথাটা হইল, আমাগো কতল করার রাইট সৌদি হারামিদের নাই।
      আশা করি উপরের মন্তব্ব্যে কেউ সৌদি আর মুসলিম দের এক করে দেখবেন না। আল্লাহ্‌র দোহাই লাগে।


      এখনো বিষের পেয়ালা ঠোঁটের সামনে তুলে ধরা হয় নি, তুমি কথা বলো। (১২০) - হুমায়ুন আজাদ

      জবাব দিন
  1. নূপুর কান্তি দাশ (৮৪-৯০)

    রাজীব,
    তোমার পোস্টের মূল বক্তব্য বোধগম্য হয়েছে। তোমার শংকা, নিরাপত্তাহীনতা সর্বোপরি দেশের বর্তমান অবস্থা নিয়ে তোমার উৎকন্ঠা টের পেলাম ভালোভাবেই।প্রতিবারের মতো এবারো আড্ডাচ্ছলে প্রসংগগুলোকে তুলে এনেছো।
    কিন্তু লেখার শেষ দুই-তৃতীয়াংশ জুড়ে ইংরেজী ভাষায় একের পর এক হাদিসের উল্লেখটা কেমন যেন বাড়তি মনে হলো। কোন একটি স্পেসিফিক হাদিস নিয়ে প্রশ্ন বা আলোচনা করলেই যেন আরো বেশি মানানসই হতো।তুমি হয়তো আলোচলনায় না গিয়ে একধরণের প্রশ্ন ছুঁড়ে দিতে চেয়েছো পাঠকের উদ্দেশ্যে। কিন্তু তোমার ব্লগের শিরোনামের সংগে হাদিসের দীর্ঘ লিস্টি কেমন যেন বেমানান মনে হচ্ছে। ধরে ধরে প্রতিটি বাক্য পড়ার মনোযোগ আর ধরে রাখতে পারিনা।

    আর সিসিবিতে ধর্ম নিয়ে আলাপচারিতের/প্রশ্ন উত্থাপনের আগে বেশ কয়েকবার নানান পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছিলো বলেই বোধ হয় ঘরপোড়া গরুর মতো সবাই সামলে সুমলে আছে ,যার প্রতিফলন এই পোস্টে অপ্রতুল মন্তব্যে দেখা যাচ্ছে। বিশ্বাস-অবিশ্বাস নিয়ে আলোচনাও তাই আজকাল সিসিবির 'পরিবেশ' রক্ষার জন্যে এড়িয়ে চলা হয়।আমি যদিও ব্যক্তিগতভাবে বরাবারই ধর্ম বা স্পর্শকাতর ব্যাপারগুলো নিয়ে, শুধু কলহের পরিবেশ সৃষ্টি হবার ভয়ে, চুপ থাকার বিপক্ষে।

    তোমার এই লেখায় বারবার ফিরে এসে আমার মনে হলো, আরো নান্দনিক হতে পারতো তোমার উপস্থাপনা। পুরো কন্টেন্টে চোখ বুলালে লেখার শিরোনামটা আর প্রাসংগিক মনে হয় না।

    জবাব দিন
    • রাজীব (১৯৯০-১৯৯৬)

      নূপুর ভাই,
      আপনার কথার সাথে একমত।
      আমি আসলে কোরআন- হাদিসের উদ্রিতি দিয়াই কাজ সারতে চাইছি। ব্যাখ্যায় যাই নাই। আমাকে ভুল বুঝতে পারে তাই। যেটা করছি লিঙ্ক সহ দিয়া দিছি যাতে কেউ ডাউট দিতে না পারে। যারা বোঝার ঠিকই বুইঝা নিব। আমি আপনাকে ফোন দিবো সময় করে; বউ ছোট মেয়েরে রেখে দেশে গেছে। সাম্লাইতে হইতেছে।
      আমার মুল কথা একটাই
      আমাগো কতল করার রাইট সৌদি হারামিদের নাই।

      ফোনে কথা হবে বস।


      এখনো বিষের পেয়ালা ঠোঁটের সামনে তুলে ধরা হয় নি, তুমি কথা বলো। (১২০) - হুমায়ুন আজাদ

      জবাব দিন
  2. মরতুজা (৯১-৯৭)

    রাজীব ভাই,

    পুরা পোস্ট পড়ি নাই, কারন আমি জানি সময় নস্ট। আপনার বক্তব্য ঠিক না বেঠিক সে বিতর্কে যাব না, তবে আপনাদের মানে নাস্তিকদের ভিতরে বড় রকমের একটা সুপেরিওরিটি কমপ্লেক্স কাজ করে। আপনারা মনে করেন (ইসলাম ঠিক না ভুয়া সে বিষয়ে আমার কোন মন্তব্য নাই এখানে, ইসলাম মুহাম্মদের নিজের আবিষ্কার হইতেও পারে নাও পারে) আপনারা মহা সত্য উদ্ভাবন করে ফেলছেন আর সেই সত্য অন্যদের গিলতেই হবে এই পণ করে বসে আছেন।

    ঠিক যেমন মোল্লারা সবার গলায় ইসলাম ঢালা তাদের পবিত্র দায়িত্ত মনে করে, আপনারাও সেরকমই। এমনকি কোন কোন ক্ষেত্রে আরও বেশি খারাপ। আমি জানি এইসব বলে আপনার কোন ভাবান্তর হবে না, ঠিক যেমন মোল্লারা ডারউইন মানবে না। তবে ইদানিং টেকনোলজির বদৌলতে আপনারা ইন্টারনেটের পিছনে বসে নিজেদের এই বিষ খুব সহজে ঢালতে পারছেন।

    আপনারা মনে করেন "আমি তো সব বুঝেই গেছি, কিন্তু এই সব বাকি নাদান অশিক্ষিত বর্বর মুসল্মান্দের ঠিক পথে না আনতে পারলে আমার তো জীবন বৃথা"। কেন রে ভাই, থাকেন না নিজের মত। এত জ্ঞ্যানী হবার দরকার কি। মানুষের উপকার করেন, পরিবাররে সময় দেন তাতেই তো হয়। আমি বুঝি না আপনারা কি এত মজা পান।

    জবাব দিন
    • মাহমুদুল (২০০০-০৬)

      ভাইয়া এখনকার জেনেরাশন তো বেয়াদব (আমার মতে)।বেয়াদবি মাফ করবেন...

      আপনি যদি নাই পড়েন তাহলে কমেন্ট করার দরকার কি? রাজীব ভাই তো জ্ঞ্যানী হয়ে গেছে (আপনার মতে)...আপনিও কিন্তু নিজের অজান্তে (আমার মনে হয়) জ্ঞ্যানী হয়ে গেলেন...

      ভুল হলে মাফ করবেন...।


      মানুষ* হতে চাই। *শর্ত প্রযোজ্য

      জবাব দিন
      • মরতুজা (৯১-৯৭)

        রাজীব ভাই,

        আমি নিজেও মাঝে মাঝে দ্বন্দে পড়ে যাই, নিজে নাস্তিকতার দিকে চলে যাচ্ছি কিনা। কিন্তু যখন আপনারা নাস্তিকরা (জানিনা নাস্তিক শব্দে আপনার এলার্জি আছে কিনা, অনেকে পছন্দ করে না) অতি উগ্র হয়ে যান তখন খারাপ লাগে। আপনাদের আর তালেবানে কোন পার্থক্য দেখি না, অন্তত নিজেদের আদর্শ প্রচারের দিক থেকে।

        জবাব দিন
      • মরতুজা (৯১-৯৭)

        আর একটি কথা যোগ করতে ভুলে গিয়েছিলাম, আপনার এই পোস্ট পুরোটা না পড়ার আরেক্ট বড় কারন (মূল কারণও বলতে পারেন) সমন্বয়হীন বড় পোস্ট, বাংলা ইংরেজি মিশেল। পাঠক ধরে রাখতে না পারলে লেখার মূল উদ্দেশ্যই ব্যাহত হয়। ভেবে দেখবেন।

        জবাব দিন
    • মনির(৯৬-০২)

      মরতুজা ভাইকে লাল সালাম আমার মনের কথাগুলো বলে দেয়ার জন্য। এতদিন মনে করতাম এত জ্ঞানী নাস্তিকদের ভিড়ে আমার মত মূর্খ আস্তিকদের জায়গা নাই। আমি আস্তিক তাই আমি মূর্খ এই বিষয়টি মেনেই নিয়েছি্লাম। আপনের কথা শুনে পরিস্কার হল আমার মত মূর্খদের দলে কিছু নামকরা জ্ঞানী নাস্তিক ও পরে। ::salute:: ::salute:: ::salute:: ::salute:: ::salute::

      জবাব দিন
      • রাজীব (১৯৯০-১৯৯৬)

        মনির
        এটা নাস্তিকতা, আস্তিকতার বিষয় না। যদি তাই হইত তবে সরাসরিই বলতাম।
        লেখায় আমি কোরআন, হাদিসের কোন ব্যাখ্যা দিই নাই ইচ্ছা করে।

        এরকম একটা হাদিস আছে যে নবী বলেছেন, যার বাসার কাছে মসজিদ অথচ মসজিদ্ব জামাতে নামাজ আদায় করে না, তার ইচ্ছা হয় ঐ লোকদের বাসায় আগুন ধরিয়ে দিতে।
        পরে আমি সূত্র উল্লেখ করবো।
        এখন তোমার কি মনে হয় রাসূল সত্যি সত্যি আগুন দেওয়ার কথা বলেছেন?


        এখনো বিষের পেয়ালা ঠোঁটের সামনে তুলে ধরা হয় নি, তুমি কথা বলো। (১২০) - হুমায়ুন আজাদ

        জবাব দিন
  3. আজিজুল (১৯৭২-১৯৭৮)

    উপরুক্ত ব্যাপার গুলি পারশ্পরিক সংগতি পূর্ণ নয়।তাই বোধগম্যও নয়।
    ১।বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে বিচার বহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের উপর আলোকপাত করা হয়েছে ।
    সাথে ইসলাম ধর্মকে কটাক্ষ করা হয়েছে "আজ একবিংশ শতকে এসে মুসলমানরা যখন মানুষ হতে চাচ্ছে, আধুনিকতার দরজায় আঘাত করছে; তখন জাকির ভাইয়েরা দাঁড়িয়ে আছেন চাবুক হাতে।"
    অর্থাৎ মুসলমানরা আগে 'অমানুষ' ছিল। অথচ আধুনিক বিশ্বের ধারক বাহকদের দাদা-পরদাদারা যখন কাপড় পরাও শিখে নাই, তখন 'আল-কেমি' 'আল-জাবর' রা 'আল আযহার ' মত বিশ্ব বিদ্যালয় স্থাপন করে রসায়ন, অংক, জ্যোতির্বিদ্যায়ই শুধু উৎকর্ষ সাধন করেন নাই, মহিলাদের সম্পত্তির, তালাকের অধিকার প্রথিস্ঠা করে শরিয়তের বিধান প্রদান করেন।এব্রাহাম লিঙ্কনের ১৩০০ বছর পূর্বে দাশ প্রথা বিলুপ্ত করেন বিদায় হজ্জের বক্তৃতায়।
    ২। "ঢাকায় আমাদের আছেটা কি, যে এই মরার ঢাকাতেই আমাদের পড়ে থাকতে হবে!"
    - হায়রে বংগ সন্তান, নিজেরই উদৃতিতে 'সাত বছর' দেশ ছাড়া, তাতেই এই অবস্তা ! সুখের খোঁজে পিতৃ-মাতৃ, জাত-কুল, শেকড়- নাড়ী সব ছিড়ে বেরুনোর জোগাড় ! আর যুক্ত রাজ্যের 'সাদা'দের আমাদের প্রতি চাহনিতো আমি সেই ১৯৭৯ সন থেকেই দেখে আসছি!!!

    ৩।'সৌদি আরব' নামীয় দেশের বিরাজমান অনাচার এর সাথে ঐসলামিক/শরিয়া ভিত্তিক বিচার ব্যবস্তার উদৃতি সব গুলিয়ে ফেলে একাকার করা হয়েছে।
    আরবিরা কি করে বা কাকে তোষণ করে চলে, তার সাথে পবিত্র কোরান এবং হাদিসের উদ্রিতি কোন সামঞ্জস্য খুজে পাওয়া গেলনা। নেহায়েত "ইসলাম ফোবিয়া" ছাড়া !

    ৪।সুধ, মৃত্যু-পন, কুকুর ইত্যাদি নিয়ে কোরান-হাদিসের উদ্রিতির কারন ও সঠিক বোধগম্য নয়।(নিজের বিদ্যা জাহিরের মতও ব্যাপারটা নয়, কারন বিষয় ভিত্তিক গুগুলে কোরান ও হাদিস সার্চ দিয়ে কপি/ পেস্ট করা একটি সহজ পদ্ধতি)

    ৫।সবশেষে, আল্লাহ্‌ই মানুষের মনের খবর জানেন তবে - "আমরা যারা হালাল হালাল করতে করতে মইরা যাই তাদের জন্য" এই উধৃতিতে আমি অধুনা 'ইসলাম' নিয়ে ব্যংগ করার অনেকের যে প্রবণতা, তার গন্ধ পাই।

    পুনশ্চঃ ধর্ম,পালন করার - না করার অধিকার সকলেরই আছে।সাথে এটাও মনে রাখতে হবে " যেখানে আমার 'নাক' শুরু, সেখানে তোমার স্বাধীনতা শেষ " (Your liberty ENDS, where MY nose begins! )


    Smile n live, help let others do!

    জবাব দিন
  4. রাজীব (১৯৯০-১৯৯৬)

    Extremely sorry to make the comment in english; on mobile at the moment. Also sorry to give lot of quotations from holly books in english.
    I know very well that my writings jumps a lot. Sorry for that as well. 
    Normally i try my best to keep my writings within 1000 words. In this case i couldn't help myself. 
    The reason is that i was so much hurt to see the recent occurrences. 

    People don't or didn't like to raise their voices because this is very crucial issues. An everyone or most of us offended very much when any critical religious issue arise. That's why i made two part of my writing. 
    First part is to show that there's no means that saudi arabia can practice such kind of laws whatever it called sharia law or so. 
    2nd part is to show what our books says regarding certain thing like riba or kisas. Unfortunately we've taken those parts from which we may gain some interest. If you/we believe then we've to believe the whole of it. 
    Like lot of us i also believe that quran is the full code of life (sorry if  other believers or non believer get offended) and hadis is the explanation of that. 
    And regarding quran it said that allah himself is the Protector of that. 
    Even though we had 100/1000 aulias, scholars till today, and so many  ( finish later)


    এখনো বিষের পেয়ালা ঠোঁটের সামনে তুলে ধরা হয় নি, তুমি কথা বলো। (১২০) - হুমায়ুন আজাদ

    জবাব দিন
  5. শরিফ (০৩-০৯)

    সৌদিআরব এ ৮ বাঙালির শিরচ্ছেদ এর প্রসঙ্গ চলে এসেছে ।এক বড় ভাই এর একটি ব্লগ এ প্রসঙ্গে কিছু লেখা কপি-পেস্ট করলাম ।উনার লেখার মূল অংশ তুলে ধরলাম-----"এবারে আসা যাক বর্তমানে এই বাঙ্গালী ৮ যুবকের শিরোচ্ছেদের ঘটনা প্রসঙ্গে। এরা মূলতঃ অপরাধী ছিল। এমন নয় যে, তারা নিরপরাধ। যে অপরাধ তারা সংঘটিত করেছে তার জন্য প্রচলিত আইনেই তাদের বিচার হয়েছে। এমন নয় যে তারা তা জানেনা। জেনে বুঝে যারা অপরাধ করেছে এবং শাস্তির যোগ্য হয়েছে তাদের পক্ষে আপনি কথা বলার কে? আপনার দরদ এত উথলে উঠল কেন তাদের জন্য? যদি আপনার পিতা-সন্তানকে তারা এভাবে হত্যা করত তাহলে কি অপরাধীদের জন্য আপনার দরদ এভাবে প্রকাশ পেত? কখনই না।

    কেন এই দ্বিমুখী নীতি আপনাদের? আপনার এই দরদ যে নিহতের ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের অধিকারকে ভূলুন্ঠিত করল এটা আপনি চিন্তা করেছেন? এই তো কদিন আগে প্রেসিডেন্ট সাহেব নূরুল ইসলাম সাহেবের খুনীকে ক্ষমা করে দিলেন তখন নূরুল ইসলামের স্ত্রীর সেই বক্তব্য কি মনে পড়ে? তিনি বলেছিলেন--- "প্রেসিডেন্ট কি পারবেন তার স্ত্রী আইভীর খুনীকে ক্ষমা করতে?" একই প্রশ্ন যদি আপনাকে করা হয় আপনার উত্তর কি হবে?

    দেশের বিচারালয়গুলোতে দূর্বল, দূর্নীতিগ্রস্ত ব্যবস্থার কারণে যখন শত শত খুনী টাকা-পয়সা দিয়ে অবলীলায় বেরিয়ে যেয়ে আবার অপরাধে লিপ্ত হচ্ছে। আর নিহতের পরিবারের আহাজারিতে গ্রাম-গঞ্জের আকাশ বাতাস মাতম করছে। তখন আপনাদের কানে ঠুলি পড়ে থাকে। যখন দেশে দেশে সাম্রাজ্যবাদী শক্তির আগ্রাসনে লক্ষ-কোটি মানুষ নির্বিচারে মরছে, তখন আপনাদের মুখে বুলি ফোটে না। তখন কয়েকজন অপরাধী অপরাধ করে শাস্তি পেয়েছে তাই এত মায়াকান্না? নিহতের পরিবারের কাছে, মানবতার কাছে, বিবেকের কাছে আপনারা প্রত্যেকেই একেকটা শয়তানের দোসর, বিশ্বাসঘাতক মুনাফিক, বর্বর!!!! সত্য আপনাদের কাছে খেলনার বস্তু। মিথ্যা আর প্রতারণাই আপনাদের চিরন্তন সঙ্গী। আপনাদের মত এই রেসিস্ট, বর্বরদের ব্যার্থ মায়াকান্নার কারণে ন্যায়ের বাণীকে কখনোই ভূলুন্ঠিত হতে পারে না, কখনই নিহত ব্যক্তি ন্যায়বিচার পাবার অধিকার ক্ষুণ্ন করতে পারে না।

    দ্বিতীয়তঃ মাথা কাটাকে বর্বরতা বলেন? কেন, একজন জীবন্ত মানুষকে ঠান্ডা মাথায় যেভাবেই মারেন না কেন সেটা যে কোন সংজ্ঞায় বর্বরতাই হবে। সেটা ঘরের মধ্যে লুকিয়ে করেন আর বাইরে প্রকাশ্যে করেন। তাই অপরাধীর অপরাধ হেতু মৃতু্দণ্ড প্রাপ্তিকে কখনই বর্বরতা বলা যায় না। আপনি কেবল অপরাধীর জন্য যেটুকু করতে পারেন তা হল, তাকে কষ্ট না দিয়ে, অথবা যথাসম্ভব যন্ত্রণাহীনভাবে মৃত্য নিশ্চিত করতে। মৃত্যদণ্ডের আর যে কোন প্রক্রিয়ার চেয়ে শিরোচ্ছেদ মোটেই অধিক যন্ত্রণাদায়ক মৃত্য নয় অপরাধীর জন্য, বরং কম হওয়ার সম্ভবনাই বেশী।

    মানুষের সমস্ত নার্ভ সিষ্টেম চালিত হয় ব্রেন থেকে। মস্তিষ্ক যতক্ষন কোন অনুভূতি বুঝতে না পারে ততক্ষন সেই অনূর্ভতিটা মানুষ অনুভব করে না। সেই কারনেই মষ্তিষ্ক ই সকল কিছুর মূল বিষয়।

    যখন মানুষ যখন কোন আঘাত বা অনূর্ভতি পায় সেটা নার্ভ সিষ্টেম মস্তিষ্কে অনূর্ভতিটা বহন করে নিয়ে যায়। আর সকল নার্ভসিষ্টেম মানুষের ঘাড়ের স্পাইনালকর্ডের ভেতর দিয়ে মস্তিষ্কে চলে গিয়েছে। এখন যদি কারো ঘড়ের স্পাইনাল কর্ডের ভেতরের নার্ভ সিষ্টেম কাটা পরে তখন মস্তিষ্কে সেই অনূভৃতি যেতে পারবে না, ও মানুষ সেই অনূর্ভতি বুঝতে পারবে না।

    আবার ফাসিতে যে ঘটনাটা ঘটে সেটা হল, তখন মানুষ শ্বাস কষ্টের কারনে মৃত্যুর আগেই তার স্পাইনাল কর্ড ভেঙ্গে যাওয়ার কারনে সে মারা যায়। কারন ফাসিতে ঝুলানোর সাথে সাথেই ঘাড়ের হাড়টা সবার আগে ভেঙ্গে যায়।

    সেই কারনে যদি কাউকে শিরচ্ছেদ করা হয় তখন যে ঘটনাটা ঘটে সেটা হল তার কোন অনূর্ভতি মস্তিষ্কে যেতে পারে না, ফলে উক্ত ব্যক্তি কোন কিছুই আর তখন অনূভব করতে পারে না।

    সেই হিসাবে এটা অনেকটা কম কষ্টদায়ক মৃত্যু।

    আর শাস্তি বিধানের মূল কথা হল, যে শাস্তি যত কষ্ট দায়ক হবে মানুষ তখন সেই অপরাধ করতে ততটা ভয় পাবে, যা মানুষকে সেই অপরাধ করতে দূরে রাখতে সহায়তা করবে।

    শাস্তি মানে এটা না যে তাকে জামাই আদারে ডেকে মৃদু ভৎসনা করা।"

    জবাব দিন
    • নূপুর কান্তি দাশ (৮৪-৯০)

      প্রিয় শরিফ,
      'এক বড়ভাইয়ের' বক্তব্য যখন কপিপেস্ট করেছো, তখন ধরে নিচ্ছি এটা তোমারো বক্তব্য।
      নানান ধারার ব্লগে এসব নিয়ে নানান আলোচনা হচ্ছে। আশা করি সব অনুসরণ করছো।
      সৌদী আরবের বিচার-ব্যবস্থাকে কেন কেউ কেউ সমর্থন করছে, সেখানে ন্যায়বিচারের কথাটি জরুরী, না দেশটি সৌদি আরব বলেই এর পেছনে অন্ধ সমর্থন জরুরী বলে তারা মনে করছে এটা ভেবে দেখবে আশা করি।
      বাংলাদেশে ন্যায়বিচার হচ্ছেনা বলেই যে সৌদি বিচার ন্যায্য হচ্ছে, এখানে প্রেসিডেন্ট খুনীকে ক্ষমা করে দিয়েছেন বলেই ওখানে ঠিক ঠিক বিচার হচ্ছে সবকিছুর - এ হচ্ছে একধরণের স্থুল সরলীকরণ। আর প্রেসিডেন্টের ক্ষমাঘোষণার পর কেউ প্রতিবাদ করেনি বলে যে কথা তোমার ওই 'বড়ভাই' বলছেন তাও ডাহা মিথ্যা। নিজের যুক্তির প্রয়োজনে কোনকিছু চাপিয়ে দিলেই তা সত্য হয়ে যায় না।

      তারা সত্যি খুন করেছিলো কি না, খুন করে থাকলেও পর্যাপ্ত আইনী সহায়তা পেয়েছিলো কি না এ প্রশ্নগুলোর উত্তর জানার জন্যে ব্লগে ব্লগে সবাই উন্মুখ। এখন যখন তাদের প্রাণ দন্ড হয়েই গেছে, তখন সৌদি সরকার সেদেশের সরকারকে ন্যায়বিচারের evidence সমূহ দেখাতে দায়বদ্ধ নয়? তাদের মৃতদেহ কি দেশে আসছে?

      আর জনসমক্ষে তরবারি দিয়ে কল্লা নামিয়ে ফেলার প্রথা/আইনকে যারা জাস্টিফাই করছে, মনে করছে এতে নাকি অপরাধ বিলীন হয়ে যাবে (এবং এভাবে বাংলাদেশে অন্যায় ও সুবিচারের অভাবজনিত হতাশা থেকে মুক্তি পাবার চেষ্টা করছে) তাদের আরেকটু সমাজবিজ্ঞান পড়া উচিত ও মনোরোগ বিশেষজ্ঞ দেখানো উচিত।

      তোমাকে বলবো, কোন বড়ভাইয়ের বক্তব্য (আমিসহ) প্রশ্নাতীত নয়। কেবল কপিপেস্ট না করে নিজের মতামত জানাও।

      ভালো থেকো।

      জবাব দিন
      • শরিফ (০৩-০৯)

        ধন্যবাদ নূপুর কান্তি দাশ ভাই আপনার মূল্যবান কমেন্ট এর জন্য ।কেমন আছেন ভাই?এই বিষয়ে এ সম্পর্কে প্রথম আলোর নিউজ ছিল :

        সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে শিরশ্ছেদের মাধ্যমে আট বাংলাদেশি নাগরিকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে। গত শুক্রবার আসরের নামাজের পর স্থানীয় আইন অনুযায়ী রিয়াদের আল হাকাম প্যালেসের কাছে জাস্টিস স্কয়ারে জনসমক্ষে তাঁদের শিরশ্ছেদ করা হয়।

        ২০০৭ সালের এপ্রিলে এক সশস্ত্র ডাকাতি এবং এ সময় এক মিসরীয় নিরাপত্তাকর্মীকে হত্যার দায়ে তাঁদের শিরশ্ছেদ করে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে বলে সৌদি সরকারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে। যে আটজনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে তাঁরা হলেন—সুমন মিয়া, মো. সুমন, মামুন, শফিকুল ইসলাম, ফারুক, আবুল হোসেন, মতিয়ার রহমান ও মাসুদ। যোগাযোগ করা হলে সৌদি আরবে বাংলাদেশ দূতাবাসের কাউন্সেলর (শ্রম) এস এম হারুন-অর-রশীদ এক ই-মেইল বার্তায় প্রথম আলোকে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া ব্যক্তিদের পরিচয়সহ ঘটনার বিস্তারিত তথ্য দিয়েছেন। এ ঘটনায় অপর তিন বাংলাদেশিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড ও বেত্রাঘাতের আদেশ দেওয়া হয়েছে। তিনি আরও জানান, সৌদি আইন অনুযায়ী এজাতীয় মৃত্যুদণ্ডের ক্ষেত্রে মরদেহ ফেরত দেওয়া হয় না।

        সুমন মিয়ার বাড়ি কিশোরগঞ্জ জেলার পাকুন্দিয়া উপজেলার কামারপুর গ্রামে। তাঁর বাবার নাম মিলন মিয়া। মো. সুমন টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার পূর্বশুভা গ্রামের আবদুল হাইয়ের ছেলে। মাসুদের বাড়িও পূর্বশুভা গ্রামে। তাঁর বাবার নাম শামসুল হক। মামুনের বাড়ি টাঙ্গাইলের আবদুল্লাপাড়া গ্রামে। তাঁর বাবার নাম আবদুল মান্নান সরকার। শফিকুল ইসলাম টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার ভাতকুরার চালা গ্রামের খোয়াজ উদ্দিনের ছেলে।

        ফারুকের বাড়ি কুমিল্লা জেলার দাউদকান্দি উপজেলার পইয়াকান্দি গ্রামে। তাঁর বাবার নাম জামাল উদ্দিন। আবুল হোসেনের বাড়ি ফরিদপুরে। তাঁর বাবার নাম আহম্মদ বিশ্বাস। তবে তাঁর পুরো তথ্য পাওয়া যায়নি। আর মতিয়ার রহমানের বাড়ি ফরিদপুরের কোতোয়ালি থানার কৃষ্ণনগর গ্রামে। তাঁর বাবার নাম শাহিদ খান। বিভিন্ন মেয়াদে দণ্ডাদেশ পাওয়া বাংলাদেশিরা হলেন আবদুস সালাম, মাসুদ রানা ও আলমগীর। তাঁদের কারও পুরো ঠিকানা পাওয়া যায়নি।

        সৌদি সরকারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওই বিবৃতিতে বলা হয়েছে, দণ্ডিত ব্যক্তিরা একটি বৈদ্যুতিক গুদামঘরে ডাকাতি করছিলেন। তাঁরা সেখানেই শ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন। ডাকাতির সময় সংঘর্ষে মিসরীয় নিরাপত্তাকর্মী সাঈদ মোহাম্মদ আবদুল খালেক নিহত হন।

        আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠন অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল শিরশ্ছেদের ঘটনায় নিন্দা জানিয়েছে। তারা বলছে, চলতি বছর দেশটিতে ৪০ জনেরও বেশি ব্যক্তির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে। এর মধ্যে ১০ জনই বিদেশি নাগরিক। অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল অভিযোগ করেছে, সৌদি আরবে বিচার ও দণ্ডদানের প্রক্রিয়া আন্তর্জাতিক মান অনুসরণ করে হয় না।

        বাংলাদেশের মানবাধিকার সংগঠন আইন ও সালিশ কেন্দ্রও এ ঘটনার নিন্দা জানিয়েছে। সংগঠনের নির্বাহী পরিচালক সুলতানা কামাল বিবিসিকে বলেন, আইন মানুষের কল্যাণের জন্য। যেখানে মানুষকে শোধরানোর জন্য সর্বোচ্চ সুযোগ দেওয়া হয়, সেখানে সৌদি আইন যদি এমন শাস্তি দেয়, তাহলে প্রশ্ন ওঠে।
        বাংলাদেশ দূতাবাসের বক্তব্য:

        কাউন্সেলর (শ্রম) এস এম হারুন-অর-রশীদ ই-মেইল বার্তায় জানান, সৌদি কর্তৃপক্ষ কোনো বিদেশি নাগরিকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের আগে সংশ্লিষ্ট দূতাবাসকে অবহিত করে না। দণ্ড কার্যকর এবং মৃতদেহ স্থানীয়ভাবে দাফনের পর পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে দণ্ড কার্যকর ও গৃহীত ব্যবস্থা সংশ্লিষ্ট দূতাবাসকে অবহিত করা হয়।

        হারুন-অর-রশীদ আরও জানান, তিনি নিজে আল হায়ের জেলে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সুমন মিয়ার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। গত সপ্তাহ পর্যন্ত দূতাবাসের কর্মকর্তা ও আইন সহকারীরা আনুষ্ঠানিক ও অনানুষ্ঠানিক প্রক্রিয়ায় অসংখ্যবার আসামিদের সঙ্গে জেলখানায় সাক্ষাৎ করেন। সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে মামলার রায়ের কপিও সংগ্রহ করা হয়। আপিল আদালতে দূতাবাসের পক্ষ থেকে আসামিদের সম্ভাব্য সব ধরনের আইনি সহায়তা দেওয়া হয়।
        মৃত্যুদণ্ড মওকুফে রাষ্ট্রপতির চিঠি:

        ই-মেইল বার্তায় বলা হয়, শরিয়াহ আইন অনুযায়ী হত্যার শাস্তি মৃত্যুদণ্ড। কেবল নিহত ব্যক্তির পরিবার এ দণ্ড ক্ষমা করতে পারে। রিয়াদের মিসরীয় দূতাবাসের মাধ্যমে নিহত হাসান আল সাইদের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে দণ্ডপ্রাপ্তদের ক্ষমা করার জন্য অনুরোধ জানানো হয়। এ বিষয়ে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত রিয়াদের মিসরীয় রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে সাক্ষাৎ করলে মিসরের রাষ্ট্রদূত জানান, নিহত হাসান আল সাইদ মিসরের প্রত্যন্ত জনপদ শারকাইয়া এলাকার অধিবাসী। এই এলাকার অধিবাসীরা সাধারণভাবে হত্যার বদলে হত্যার নীতি একনিষ্ঠভাবে বিশ্বাস করে।

        এস এম হারুন-অর-রশীদ ই-মেইল বার্তায় আরও বলেন, পরবর্তী সময়ে মিসরীয় দূতাবাসের কর্মকর্তারা জানান, নিহতের পরিবার কোনোভাবেই হত্যাকারীদের ক্ষমা করতে রাজি নয়। ‘ব্লাড মানি’ দিয়ে দণ্ডপ্রাপ্তদের ক্ষমা করার জন্য মিসরীয় দূতাবাসের মাধ্যমে প্রস্তাব দেওয়া হলেও নিহতের পরিবার প্রস্তাব গ্রহণ করেনি।

        এ সময় দূতাবাসের মাধ্যমে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তদের ক্ষমা করার জন্য সৌদি আরবের বাদশাহর কাছে একটি পত্র দেন। এ নিয়ে সৌদি কর্তৃপক্ষ অনানুষ্ঠানিকভাবে জানায় যে, হত্যাকাণ্ডের জন্য দণ্ডপ্রাপ্তদের ক্ষমা প্রদানের এখতিয়ার রয়েছে কেবল নিহতের পরিবারের।

        ভাই এটি হচ্ছে সৌদি সরকার এর বিচার ব্যবস্থা ।
        ২০০৭ সালে সৌদি আরবে কমপক্ষে ৭৬ বিদেশিসহ মোট ১৫৮ জনের শিরশ্ছেদ করা হয় (৭৬ জন ছাড়া বাকী সব সৌদিয়ান)।
        ২০০৮ সালে শিরশ্ছেদ শিকার হওয়া ব্যক্তির সংখ্যা ১০২। এর মধ্যে প্রায় ৪০ জন বিদেশি (বিদেশী ছাড়া বাকী ৬২ জন সৌদিয়ান)।
        ২০০৯ সালে ১৯ জন বিদেশিসহ মোট ৬৯ জন (বিদেশী ছাড়া বাকী ৫০ জন সৌদিয়ান) এবং
        গত বছর কমপক্ষে ৬ বিদেশিসহ মোট ২৭ জনের শিরশ্ছেদ করা হয় (বিদেশী ৬ জন ছাড়া বাকী ২১ জন সৌদিয়ান)।২০১০ সালে এক বাংলাদেশী ট্যাক্সি-ড্রাইভারকে হত্যার কারণে এক সৌদি নাগরিকের শিরশ্ছেদ করা হয়েছিল ।
        http://news.smh.com.au/breaking-news-world/saudi-man-beheaded-for-killing-bangladeshi-20101030-177rn.html
        ঘটনা সংক্ষেপে এরকম, ২০০৭ সালের এপ্রিলে ঐ আট বাংলাদেশি সহ আরো বেশ কয়েকজন একটা গুদামে ডাকাতি করেন এবং ঐ গুদামের মিশরীয় গার্ডকে খুন করেন। চার বছর ধরে বিচার চলার পর তাদের মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয় ও সৌদি রাজধানী রিয়াদে প্রকাশ্যে শিরোচ্ছেদ করার মাধ্যমে এই দণ্ড কার্যকর করা হয়।ভিন্ন প্রসঙ্গে আসি ।এরপরের প্রসঙ্গ, অপরাধীদের আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেয়া হয়েছিলো কিনা। এক্ষেত্রে মনে হয় উত্তরটা বিচার ব্যবস্থার পক্ষেই যাবে। কারণ যদি অপরাধীদের আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ না-ই দেয়া হবে, তাহলে চার বছর ধরে আসলে ঠিক কী হলো? একটা বিচার কখন চার বছর ধরে চলে? যখন তার পক্ষে, বিপক্ষে বাদী, আসামীরা বা তাদের উকিলরা বিভিন্ন যুক্তি প্রমাণ উপস্থাপন করে। এখানে গায়ের জোরে বলার কোন সুযোগ নাই যে, অপরাধীদের আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেয়া হয় নাই। যেকোনো যুক্তিবোধসম্পন্ন মানুষই বুঝতে পারবে, এটা একটা ভুয়া দাবি। কারণ যদি তাদের সে সুযোগ না-ই দেয়া হবে, তাহলে তো আদালতে অভিযোগ আসার পরপরই তাদের মেরে ফেলার কথা। সেটা যেহেতু হয় নাই, কাজেই অপরাধীদের আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেয়া হয়েছে বলেই আমার মনে হয়েছে।Bi lingual lawyer was also appointed for them. Besides all those who work in Saudi Arab know Arabic quite well.যদি কাউকে শিরচ্ছেদ করা হয় তখন যে ঘটনাটা ঘটে সেটা হল তার কোন অনূর্ভতি মস্তিষ্কে যেতে পারে না, ফলে উক্ত ব্যক্তি কোন কিছুই আর তখন অনূভব করতে পারে না।সেই হিসাবে এটা অনেকটা কম কষ্টদায়ক মৃত্যু।
        কথা হচ্ছে, যা হওয়ার হয়ে গেছে। এখন বাস্তবতার নিরিখে বাংলাদেশ কী করতে পারে? প্রথমত, কোন অবস্থাতেই কোন খুনি বা অপরাধীর পক্ষ নেয়া উচিত হবে না। তবে তার আগে নিশ্চিত হওয়া উচিত তারা আসলেই খুনি কিনা। আর সেজন্য সৌদি আরবের সহায়তা প্রয়োজন। কাজেই, বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে সৌদি সরকারের উপর চাপ প্রয়োগ করা যেতে পারে কী উপায়ে তাদের বিচার হয়েছে তা প্রকাশ করার জন্য। দ্বিতীয়ত, যাদের শিরোচ্ছেদ করা হয়েছে, তাদের পরিবারের ভরণ-পোষণের দায়িত্বও সরকারকে নিতে হবে। এক্ষেত্রেও সৌদি আরবের উপর চাপ প্রয়োগ করা যায়, যাতে তাদের পরিবারকে আর্থিক সাহায্য করা হয়। তৃতীয়ত, নিহতদের পরিবার যদি চায়, তবে অবশ্য অবশ্যই তাদের লাশ ফেরত আনার জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা করতে হবে। সৌদি আরবের পলিসি কী, তা এখানে আলোচ্য বিষয় না। বিদেশের মাটিতে কয়েকজন বাংলাদেশি মারা গেছে। তারা ভালো, খারাপ যেমনই হোক, তাদের কবর এই বাংলাদেশেই হবে। লাশ পাঠানোর দায়িত্ব সৌদি সরকারের আর এটা নিশ্চিত করার দায়িত্ব বাংলাদেশ সরকারের। চতুর্থত, কোন অবস্থাতেই এমন কিছু করা যাবে না, যাতে সৌদি আরবে বাংলাদেশের শ্রম বাজার হুমকির মুখে পড়ে। ভবিষ্যতে যেন আর কোন বাংলাদেশিকে এরকম দুরাবস্থার মধ্যে পড়তে না হয়, তার জন্য আগে থেকেই যারা যে দেশে যাচ্ছে, সে দেশের আইন কানুন সম্পর্কে তাদের সম্যক অবহিত করতে হবে। আর এই কাজটা করতে হবে সরকারকেই। তা না হলে এরকম ঘটনার পুনরাবৃত্তির দায়ও সরকারের উপর পড়বে ।
        ধন্যবাদ ভাইয়া ।ভাল থাকবেন ।

        জবাব দিন
        • আহসান আকাশ (৯৬-০২)

          শরিফ তোমার আগের কমেন্টেই বলতে চেয়েছিলাম, কিন্তু নূপুর ভাই বলে দিয়েছেন বলে আর বলিনি, এখন আবার বলছি। অন্য কোথাকার লেখা বা খবরের পুরোটা কপি পেস্ট এখানে আবার পড়তে ভাল লাগে না। কোন কিছু শেয়ার করতে চাইলে তুমি সেটার লিঙ্ক উল্লেখ করে সে সম্পর্কে তোমার বক্তব্য দিতে পার।

          যতদূর জানতে পেরেছি তাতে যা বুঝেছি তা হলো সৌদি আরবে বিদেশিদের জন্য যে শ্রম ব্যবস্থা বিশেষত বাঙ্গালীদের জন্য, সেটা হলো দাস প্রথার আধুনিক সংস্করন, কোন এক মালিকের অধীনে কাজ করার জন্য ওয়ার্ক পারমিট নিতে হবে এবং শুধুমাত্র তার অধীনেই কাজ করতে হবে। সেই মালিক যতই অসুবিধা বা অনিয়ম করুক না কেন, অন্য কাজে যোগদানের কোন সুযোগ নেই, সেটা করতে হলে ঐ মালিকের কাছ থেকে অনুমতি নিতে হবে এবং অবশ্যই সেটা হয় টাকার বিনিময়ে, দাসদের এক প্রভুর কাছ থেকে অন্য প্রভুর কাছে বিক্রি হবার মত।

          কয়েকটি দেশ সৌদি আরবে তাদের শ্রমিকদের মানবাধিকার নিশ্চিত না হওয়ায় শ্রমিক পাঠানো বন্ধ করে দিয়েছিল... আর আমরা, আমাদের সরকার তাদের পক্ষে সাফাই গাইতে ব্যস্ত। আর শ্রম বাজার হারানোর ভয়ের কথা আর কি বলবো, কেউ কেউ তো এই ভয় দেখিয়ে যুদ্ধপরাধীদের বিচার পর্যন্ত বন্ধ করে দিতে চায়।


          আমি বাংলায় মাতি উল্লাসে, করি বাংলায় হাহাকার
          আমি সব দেখে শুনে, ক্ষেপে গিয়ে করি বাংলায় চিৎকার ৷

          জবাব দিন
          • শরিফ (০৩-০৯)

            ভাই সালাম নিবেন ।ভাই আমার লেখা একটা লিঙ্ক থেকে কপি পেস্ট করা নয় ।লেখা গুলো informative type.আমার মনে হয়েছিল এটি জানানো দরকার ।তাই বিভিন্ন জায়গা থেকে সংগ্রহ করে এখানে share করেছি ।।এই লেখা গুলো যেসব জায়গা থেকে সংগ্রহ করেছি ওই খানকার সম্পূর্ণ লেখা আমার ভাল লাগেনি ।তাই ওই লিঙ্ক গুলো share করিনি । আমি এই ব্লগ এ নতুন এসেছি ।ভুল ভ্রান্তি মার্জনার চোখে দেখবেন । ভাল থাকবেন ।

            জবাব দিন
  6. আহসান আকাশ (৯৬-০২)

    রাজীব ভাই, পোস্টটা বেশ কয়েকবার পড়তে এসেছি, বিশেষ করে হাদিস গুলো পড়ে শেষ করার জন্য। কিন্তু ধৈর্য্য কুলিয়ে ওঠেনি, আর এ কারনে এতক্ষন মন্তব্যও করা হয়নি। এভাবে এতগুলো হাদিসের ইংরেজি না দিয়ে এর বক্তব্যগুলো নিয়ে আপনার দৃষ্টি ভঙ্গি আলোচনা করলে হয়ত আরো সুবিধাজনক হত।

    ধর্ম নিয়ে আলোচনায় আমার কোন আপত্তি নাই, কিন্তু নিজে খুব বেশি কিছু জানি না বলে সে আলোচনায় সাধারনত অংশগ্রহন করি না, তবে যতক্ষন পর্যন্ত কেউ আমার উপরে তার নিজস্ব বিশ্বাস জোর করে চাপিয়ে দিতে না চাচ্ছে ততক্ষন পর্যন্ত আমি তার কথা শুনতে রাজি আছি, তবে বেশিরভাগ সময় সেটা মোড় নেয় সে কিভাবে অন্য সব ধর্ম থেকে শ্রেষ্ঠ সে দিকে, তখনই বিরক্ত হই। একই ভাবে বিরক্ত হই যখন ধর্মের অসারতা প্রমানে যখন কেউ কেউ ধর্মের ঝান্ডাধারীদের চেয়েও বেশি উগ্র হয়ে যায়, আরো বেশি সুপেরিওরিটি কমপ্লেক্সে ভোগে।

    সৌদি আরবে বাংলাদেশিদের শিরচ্ছেদের ঘটনা বিভিন্ন গ্রুপের লোকজন নিজেদের মত করে ইস্যু বানিয়ে কাজে লাগাচ্ছে। সবচেয়ে বেশি মেজাজ খারাপ হইছে ওই পার্টির উপরে যারা জিনিষটাকে সৌদি আরব করছে তো ঠিকই করছে বলে সৌদিদের গুনগানে ব্যস্ত।

    আপনার পোস্টে কমেন্ট করা অনেক কষ্টের, এত ডাইভার্স বিষয় কোনটা নিয়ে কি বলবো সব আউলায় যায় 😛 বিষয় ভিত্তিক ভাবে আলাদা ভাবে পোস্ট করলে আলোচনা করতেও সুবিধা হয়।


    আমি বাংলায় মাতি উল্লাসে, করি বাংলায় হাহাকার
    আমি সব দেখে শুনে, ক্ষেপে গিয়ে করি বাংলায় চিৎকার ৷

    জবাব দিন
    • রাজীব (১৯৯০-১৯৯৬)

      আহসান
      ভাল মত খেয়াল করে দেখ আমি ধর্মের বিরুদ্ধে কিছু বলি নাই।
      আমার লেখার প্রথম অংশে দেখ আমি একটাই কথা বলতে চেয়েছি সৌদি কোন হিসাবে কাজটা করে।
      খেয়াল কর ধর্মবাদিরা যেই সকল আয়াতের কথা উল্লেখ করে আমি কিন্তু তাই করেছি। এমনকি কেউ যাতে আমি উল্টাপাল্টা বানাইয়া মনগড়া কথা বলছি তা যাতে না বলতে পারে সেজন্য মূলটা সুত্রসহ দিয়া দিছি।
      আমি এমন অনেক ধর্মীয় বিষয় মানি যা অনেক ধর্মীয় দাদারা নিজেদের সুবিধার্থে জায়েজ করে নিয়েছে। আবার আমার কাছে এমন সব হাদিস আছে যা শুনলে মনে করবি কোন নাস্তিকের লেখা। আমার ই মেইল, .


      এখনো বিষের পেয়ালা ঠোঁটের সামনে তুলে ধরা হয় নি, তুমি কথা বলো। (১২০) - হুমায়ুন আজাদ

      জবাব দিন
      • আহসান আকাশ (৯৬-০২)

        রাজীব ভাই, আমি কিন্তু সরাসরি আপনাকে উদেশ্য করে কথাগুলো বলিনি, এটা আপনার লেখার ৪র্থ প্যারা প্রসংগে। আর ধর্মবিদরা তো অনেক উপরের লোক, আমরা নিজেরাই তো ব্যক্তি পর্যায়ে সুবিধামতন করে ধর্মের আচার করছি বা বাদ দিচ্ছি, ভাল বাংলায় (না ইংলিশে?) যাকে বলে মডারেটেড ধার্মিক হয়ে গিয়েছি।


        আমি বাংলায় মাতি উল্লাসে, করি বাংলায় হাহাকার
        আমি সব দেখে শুনে, ক্ষেপে গিয়ে করি বাংলায় চিৎকার ৷

        জবাব দিন
    • রাজীব (১৯৯০-১৯৯৬)

      আমার বক্তব্য কোরআন হাদিসের প্রেক্ষিতে ইচ্ছা কইরা দেই নাই। সময় পাইলে তোরে পারসোনালি বলবো, কেনো?


      এখনো বিষের পেয়ালা ঠোঁটের সামনে তুলে ধরা হয় নি, তুমি কথা বলো। (১২০) - হুমায়ুন আজাদ

      জবাব দিন
  7. সানাউল্লাহ (৭৪ - ৮০)

    নিচের এই লিংকটি পড়ার জন্য সবাইকে অনুরোধ করছি।

    Sri Lankan housemaids in Saudi appeal for help

    তো, পড়ার পর আমাদের প্রতিক্রিয়া কি? সৌদি শাসকরা ন্যায় বিচার করছে? এক্ষেত্রে কোথায় তাদের শরিয়া আইন? এরকম একচোখা হলে বাংলাদেশী ৮জনও যে ন্যায় বিচার পেয়েছে তার নিশ্চয়তা কোথায়? কে দেবে? এই বর্বর সৌদি রাষ্ট্রনায়ক আর আইনবেত্তারা? ধর্মের নামে যারা 'পুংলিঙ্গতন্ত্র' কায়েম করে রেখেছে?


    "মানুষে বিশ্বাস হারানো পাপ"

    জবাব দিন
    • রাজীব (১৯৯০-১৯৯৬)

      সানাউল্লাহ ভাই
      এতো চিল্লাইয়া এই কথাটাই তো বলতে চাইলাম।
      সবাই ধর্মের দোহাই দেয় তাই এত কোরআন, হাদিস থিকা কোট করছি।
      নবী ঐ দেশে আসছেন, কাবা ঐ দেশে আছে। কিন্তু ঐ দেশের মানুষ পুঙটাই রইয়া গেছে। এই সরল সত্য কথাটা কেউই বুঝতে চায় না।


      এখনো বিষের পেয়ালা ঠোঁটের সামনে তুলে ধরা হয় নি, তুমি কথা বলো। (১২০) - হুমায়ুন আজাদ

      জবাব দিন
    • রাজীব (১৯৯০-১৯৯৬)

      সানাউল্লাহ ভাই
      বিষয়টা নতুন কিছু নয়।
      তবে অসংখ্য ধন্যবাদ শেয়ার করার জন্য।
      নিজের মত দেই কি কইরা এরা এখনও রজমে বিশ্বাস করে।


      এখনো বিষের পেয়ালা ঠোঁটের সামনে তুলে ধরা হয় নি, তুমি কথা বলো। (১২০) - হুমায়ুন আজাদ

      জবাব দিন
  8. রাজীব (১৯৯০-১৯৯৬)

    লেখাটা বিষয়ে নিজের যা বলার ছিল তা কিছুটা উপরে বলেছি; এখন বাকিটুকু।
    যখন শেষ লেখাটা লিখি তার কয়েকদিন পর বা ঐ সময়েই ছিল শিক্ষক দিবস। আমার এই লেখার প্রাথমিক উদ্দেশ্য ছিল শিক্ষকদের কে এই ব্লগের সাথে কিভাবে সম্পৃত্ত করা যায়। আমি চাই এই ব্লগে যাতে আমাদের সকল শিক্ষকদের (ক্যাডেট কলেজ) লেখালেখি করার সুযোগ থাকে। দুষ্ট ক্যাডেটদের মত দুষ্ট স্যার ও আছেন। দুষ্ট ক্যাডেটরা যদি এই ব্লগে থাকতে পারে দুএকজন দুষ্ট স্যার থাকলে ক্ষতি কি?

    আরেকটা কথা বলতে চাই, ধর্ম, ধর্মবোধ, ধর্মনিষ্ঠা, পরকাল, পুনঃজন্ম, স্বর্গ, নরক, নির্বাণ ইত্যাদি নিঃসন্দেহে ধার্মিকদের জন্য অতীব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। কিন্তু এই কথাটা যেন আমরা ভুলে না যাই, মানবিকতা, মানবিক মূল্যবোধ বলে একটা বিষয় রয়ে গেছে।
    আমাদের নিজেদের কাছে জিজ্ঞাসা করে দেখা উচিত পাপপুণ্য, বেহেশত-দোযখই শুধু নয়; মানবিক আবেগ দিয়েও যেন আমরা ভাল-মন্দ এই বিবেচনা করতে পারি।


    এখনো বিষের পেয়ালা ঠোঁটের সামনে তুলে ধরা হয় নি, তুমি কথা বলো। (১২০) - হুমায়ুন আজাদ

    জবাব দিন
  9. নাজমুল (০২-০৮)

    ভাইয়া আপনি আমাকে জিজ্ঞাসা করার পর আমি বলেছিলাম যে, লেখাটা একটু খাপ ছাড়া হয়েছে,
    সবচেয়ে ভালো হতো আপনার লেখায় যতগুলো বিষয় উঠে এসেছে, সবগুলো একপোষ্টে না লিখে, বিষদাকারে আলাদা আলাদা পোষ্ট দিলে।
    যানি, সময় বের করা খুব সমস্যা, কিন্তু তাতে আমাদের জন্য ভালো হয়।
    তবে আপনার লেখার মূল বক্তব্যের সাথে একমত।
    সুদি আরব এর প্রতি কেন যেন আমাদের দেশের মানুষের একধরণের দূর্বলতা আছে, তার কারণ তাদের দেশে মানুষ হজ্জ্ব করতে যায়,মক্কা-মদিনা আছে সেইসব কারণে।
    ঠিক যেমন দূর্বলতা আছে পাকিস্তান ক্রীকেট টিমের জন্য,
    যতনা ওয়াসিম আকরাম কিংবা আফ্রিদীর জন্য মানুষ পাকিদের সাপোর্ট করে তার থেকে বেশি আমার মনে হয় তারা মুসলিম বলে।

    ধর্ম নিয়ে আলোচনায় আমার কোনো সমস্যা নাই, যতক্ষণ পর্যন্ত সেখানে খারাপ ভাবে কিছু উপস্থাপন করা হচ্ছেনা।
    সুন্দরভাবে বলে পজিটিভ নেগেটিভ সব ব্যাপারেই মানুষকে বোঝানো যায়।
    হুজুররা যেমন ননমুসলিমকেও কুরয়ানের বাণী শুনাইয়া মটিভেট করতে চায়, ইদানিং কিছু অবিশ্বাসীরাও হুজুরদের বলেন আর যার বিজ্ঞানের কোনো ধারণাও নাই তাকেও বিজ্ঞানের বিভিন্ন সূত্র,ল এসব বোঝাতে চায়।

    কুরআন এর কথা বার্তা যেমন কঠিন বিজ্ঞানের বিভিন্ন জিনিস বুঝতেও খুব কষ্ট হয় 🙁 🙁
    ইদানিং সব কিছুই পইড়া কষ্ট কইরা বুঝার চেষ্টা করতেসি 😛

    জবাব দিন
    • রাজীব (১৯৯০-১৯৯৬)

      নাজমুল
      তুই ভাল কইরা জানিস এত সময় নাই।
      এখানে কিন্তু বিষয় বেশি না।
      শিক্ষক দিবস। স্যারদের এইখানে সদস্যপদ দেবার ব্যাপারটা।
      বাংলাদেশের বর্তমানের আইন শৃঙ্খলার অবস্থা।
      সৌদিদের গলা কাটা এবং এর বৈধতা।
      ম্যাপ; চার্ট।
      কিছু কোরআন হাদিস থেকে উদৃতি।
      আমি ত রেফারেন্স দিয়া দিছি। তুই বাংলাগুলো ম্যানেজ কইরা আমারে পাঠা। আমি ইংরেজির পরিবর্তে বাংলা দিয়া দিব।
      আর কেন কোরআন হাদিসের সাথে নিজের ব্যাখ্যা দিই নাই; তুই ভাল কইরা জানিস।


      এখনো বিষের পেয়ালা ঠোঁটের সামনে তুলে ধরা হয় নি, তুমি কথা বলো। (১২০) - হুমায়ুন আজাদ

      জবাব দিন
      • রাজীব (১৯৯০-১৯৯৬)

        আরেকটা কথা নাজমুল
        কেন কোরআন হাদিসের ব্যাখ্যা দেই নাই সেইটা আরেকটু পরিষ্কার করে বলিঃ
        আমি ব্যাখ্যা করলে যুক্তির মদ্ধে থাকবো;
        কিন্তু যারা উল্টাটা বলবে কিনবা আরো অনেকে পুরা ব্যাপারটা ঘোলা করে ফেলবে।
        সোজা বাংলায় পরিবেশ নষ্ট করবে।
        এমনিতেই বিষয়টি যথেষ্ট নাজুক; রিস্ক তো নিতে পারি না।


        এখনো বিষের পেয়ালা ঠোঁটের সামনে তুলে ধরা হয় নি, তুমি কথা বলো। (১২০) - হুমায়ুন আজাদ

        জবাব দিন
  10. সানাউল্লাহ (৭৪ - ৮০)

    রাজীব,

    তুমি একাধিকবার শিক্ষকদের ব্লগের সদস্যপদ দেওয়ার বিষয়টি নিয়ে লিখেছো। তোমার এই ভাবনার সঙ্গে আমাদের কারোরই মনে হয় না ভিন্নমত আছে। ক্যাডেটদের স্বামী-স্ত্রীরা যদি সদস্য হতে পারে শিক্ষকরা কেন নন? খুবই যৌক্তিক প্রস্তাব।

    বিষয়টা এমন না যে তাদের সদস্য করা হবে না বলে এখানে সিদ্ধান্ত আছে। এখানে যে ক্যাডেটদের স্বামী বা স্ত্রীরা সদস্য হয়েছে তারা একটা প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে গেছে। ব্লগে যুক্ত হয়েছে, সিসিবিকে ভালোবেসেছে। দিনের পর দিন ব্লগে মন্তব্য করেছে এবং এর সঙ্গে একাত্ম হয়ে গেছে। তখন সিসিবির সদস্যদের অনেকেই দাবি তুলেছে তাকে বা তাদের সদস্য করে নিতে। কোনো শিক্ষক যদি সিসিবির সদস্য হতে আগ্রহী হন, তাকে তো আগে সিসিবিতে সক্রিয় হতে হবে। বাকিটা সময়ই বলে দেবে।


    "মানুষে বিশ্বাস হারানো পাপ"

    জবাব দিন
  11. রাজীব (১৯৯০-১৯৯৬)

    Sanaullah vai sorry to make it in english. Mobile now.
    With spouse of the cadets it's bit different.
    With the teachers it's something else bhaiya.
    They are part of cadet colleges; spouses are not.

    Don't you think it's sound bit odd to tell those teachers that come and love cc blog. Then we gonna think you're part of it or not.
    Sorry bhaiya if i sound rude.
    Thanks a lot.


    এখনো বিষের পেয়ালা ঠোঁটের সামনে তুলে ধরা হয় নি, তুমি কথা বলো। (১২০) - হুমায়ুন আজাদ

    জবাব দিন
  12. সানাউল্লাহ (৭৪ - ৮০)

    না রাজীব, খারাপ শোনায় না। বলে বলেও সদস্য করা যায় না। ব্লগ বা ফেসবুকে যে কেউ স্বেচ্ছায় যোগ দেন। তোমার কি ধারণা খুব বেশি শিক্ষক সিসিবিতে আসতে আগ্রহী হবেন? সিসিবি কিন্তু কাউকে ডেকে এনে সদস্য করে না। কোনো ক্যাডেটকেও না। এতে লাভ হয় না। ক্যাডেট নিজে আগ্রহী হলেই সিসিবির সদস্য হতে পারে। নিজে থেকে কোনো শিক্ষক আগ্রহী না হলে, সক্রিয় না হলে কিভাবে সদস্য হবেন?

    স্বামী বা স্ত্রীর বিষয়টাকে তুমি হালকা করে দেখছো। তুমি কলেজে থাকো ৬ বছর। কিন্তু যাকে বিয়ে করো তার সঙ্গে ঘর করবে হয়তো আমৃত্যু। 'ক্যাডেট পাগল' স্বামীকে নিয়ে ঘর করা সহজ কাজ মনে করো?


    "মানুষে বিশ্বাস হারানো পাপ"

    জবাব দিন

মন্তব্য করুন

দয়া করে বাংলায় মন্তব্য করুন। ইংরেজীতে প্রদানকৃত মন্তব্য প্রকাশ অথবা প্রদর্শনের নিশ্চয়তা আপনাকে দেয়া হচ্ছেনা।