জামার পকেটে কিছু পোলাও এবং ভাঁজের ভেতর চোরকাঁটা

শাড়ীকে আমি বলি খুব উত্তেজক পোষাক। আপনি একমত হবেন কি হবেন না তা একান্ত আপনার ইচ্ছা- অনিচ্ছার স্বাধীনতা। তার, আপনার, উনার, সবার এতে সহমত কিংবা দ্বিমত যাই হোক, আমার দৃষ্টিতে সালোয়ার-কামিজ শাড়ীর চেয়ে অনেক শালীন পোষাক। পুরোটা শরীর অনেক ভালো মতোন ঢেকে থাকে এতে শাড়ীর চেয়ে। আপনি হয়তো এবার আনতে পারেন ওড়নার প্রসংগ। ওটা থাকলো কি থাকলো না, থাকলে কোথায় কি ঢং-এ থাকলো।

ধরুন শার্ট-প্যান্ট এর কথাই।

বিস্তারিত»

যশোর থেকে টিএসসি

যশোর থেকে টিএসসি

কতটা দূরে রমনা থেকে টিএসসি
কিংবা কতটা কাছে ছায়ানট উদিচী?
আমি ঠিক জানি না।

বটমূলের রক্ত পিশাচ বোমারু
কার্তিকেয় বীর্য খ্যাপা কুত্তা
বৈশাখির কলংক শিশ্ন সন্ত্রাসি
এরা বোধ করি একই ভাগাড়ের
হায়েনা শকুনের  সঙ্কর।

দর্শক ছিল কিছু ধামাধরা
দায়িত্বশীল যেন দায়ছাড়া
আলোকবর্তিকা লিটন নন্দী
অভিবাদন গ্রহণ কর হে কমরেড
হবে কি ন্যায় বিচার যদি হয়
প্রকাশ্যে উহাদের লিঙ্গচ্ছেদ?

বিস্তারিত»

শাড়ি, চুড়ি আর ললিপপ

শাড়ি, চুড়ি কে দুর্বলতার প্রতীক হিসেবে আন্দোলন করাটা অবশ্যই একটি বোকামি! শাড়ি-চুড়ি তো দুর্বলতার প্রতীক নয়ই বরং তা সৌন্দর্যের প্রতীক/নারীর প্রতীক! আমি ব্যক্তিগতভাবে বিশ্বাস করি, নারীরা (অন্ততপক্ষে) মানসিক দিক দিয়ে পুরুষদের চেয়েও অনেক বেশী সবল!

তবে পুলিশদেরকে শাড়ি-চুড়ি-ললিপপ দেয়ার পরিকল্পনাতে আমি কিছুটা খুশীই হয়েছিলাম। কেননা, যখন শাড়ি-চুড়ি কোন মেয়েকে দেয়া হয়, তা তার রূপকে appreciate করতেই দেয়া হয়। কিন্তু যখন তা ছেলেদের দেয়া হয়,

বিস্তারিত»

ঝড়ের রাতে (ইংরেজী ও বাংলা সংস্করণ)

A Stormy Night

by- Tito Mostafiz

The timid pet electricity
Gone with the wind.
The Nor -Wester
With thunder
And rain
And ice stone fall.
Starlights gone all.
Sky is blinking
The roaring lightning!
Trees uprooted
No birds but,
Broken branches
Broken huts flying.
War of the world’s
The homeless mosquitos
Bloody invasion
Skin sweating
Till morning
No sleeping.

বিস্তারিত»

নবীশী কুচকাওয়াজ

নবীশী কুচকাওয়াজ

ক্যাডেট কলেজে আসার পর পরই শুনেছিলাম নভিসেস প্যারেড বলে একটা ভীষন ব্যাপার আছে। নতুন ক্যাডেটদের বেশ ভাল করে সামরিক কায়দায় কুচকাওয়াজ শেখানো হবে। তারপর তিন হাউসের মধ্যে প্রতিযোগিতা। চ্যাম্পিয়ন হতে না পারলে নাকি কপালে বিশেষ দুর্ভোগ আছে। আগের বছরে আমাদের বড়ভাইদের দল চ্যাম্পিয়ন হতে পারে নি। ফলে তাদের কেমন সাজা হয়েছিল তার রোমহর্ষক বিবরন কিছু শুনেছি। সেই থেকে আমার নিত্য এক দুশ্চিন্তা।

বিস্তারিত»

জার্মানির জার্নাল ২

সকালে হোটেলের রিসেপসনে ডাক পড়লো। ওলফ ওয়ান্ডারস নামে সিমেন্স থেকে একজন ভদ্রলোক এসেছেন। ওলফের সাথে রাতে কথা হয়েছিল। নিজেকে পরিচয় দিয়েছিলেন লিয়াজো অফিসার হিসাবে। রিসেপসনে এসে জানা গেল তিনি শুধু লিয়াজো অফিসারই নন, সিমেন্স ট্রেনিং ইন্সটিটিউটের এক জন শিক্ষকও বটে। তিনি আমাদের শেখাবেন হাইকম টেলিফোন এক্সচেঞ্জের নেট ওয়ার্কিং। ওলফের চেহারায় একটা সারল্য আছে, আর আলাপ চারিতায় আছে বন্ধুতা। পরিচয় পর্বের পর প্রত্যেককে একটি করে রেল পাশ আর পাতাল রেলের রূট ম্যাপ ধরিয়েদিলেন।

বিস্তারিত»

জার্নাল মালয়েশিয়াঃ আরো কিছু

মালয়েশিয়া নিয়ে লেখা লেখি প্রায় শেষ। আর বড়জোর ২ – ১ কিস্তি। এর পর অন্য কোথাও পাঠকদের নিয়ে যাবার আশা রাখি।

পাসির সালাক গ্রামের একটা ইতিহাস আছে অগে বলেছিলাম।

ইংরেজের রাজ্য বিস্তারের কাল তখন। মালয় উপদ্বীপেও তার সদম্ভ উপস্থিতি। ছোট খাট স্থানীয় রাজ্য গুলো  আপাতঃ স্বাধীন কিন্তু আসলে করদ রাজ্য বিশেষ। কোন কোন রাজ্যে আবার সরাসরি ইংরেজের শাসন। অনৈক্য আর পিছিয়ে পড়া জনগন নিয়ে তেমন কার্যকর প্রতিরোধ গড়ে উঠে না।

বিস্তারিত»

শীতের ছবিঃ ছবির শীত

যাহ, উইন্টার শেষ হয়ে গেল! প্রতিবছর শীতের শুরুতে ভাবি জম্পেশ কিছু ছবি তুলব। গ্রামীণ এলাকায় থাকি… উঁচু-নিচু খোলা মাঠ, ফার্ম হাউজ, গাছপালা নিয়ে দারুণ সব স্নো-স্কেপ মাথায় আসে। কিন্তু দুঃখজনক ভাবে সেসব ছবি মাথাতেই থেকে যায়।  আলসেমির কারণে আর ঠান্ডার ভয়ে ফটোওয়াক তেমন একটা  হয়ে ওঠে না। এবারো একই ঘটনা!

 

 

আসলে বরফের মধ্যে ছবি তোলার ঝামেলাও অনেক।

বিস্তারিত»

অনন্তের স্বপ্ন

কী চাইনা মাপতে মাপতে যখন ভুলে গিয়েছিলাম –
কী চাই আমার?
অথবা,
কী চেয়েছিলাম অন্য কোন এক জীবনে?
ঠিক তখনি, তোমার আবির্ভাব।

 

প্রচণ্ড খরা শেষে আমি তখন ঝড়ের প্রতীক্ষায় –
সবকিছু ভেঙে চুড়ে ফেলবার মত –
যে ঝড়ে পথ হারায় সবাই।
তুমি এলে, আর,
আকাশ ভেঙে বৃষ্টি নামলো।
জন্মজন্মান্তরের ব্যাকুলতা তোমার কণ্ঠে –
আমার কানের পাশে মুখ নামিয়ে বললে,

বিস্তারিত»

স্বপ্নমাখা নকশীকাঁথা

গায়ে জড়ানো নকশী কাঁথাটার বুননে
কতগুলো স্বপ্ন জড়িয়ে আছে কে জানে!
কতগুলো আঙুলের দু’পিঠ আর তালুর
স্পর্শ আছে সেলাই এর প্রতিটি লাইনে।

কাঁথা মুড়ে শুয়ে যে কবি একান্ত নিভৃতে
মনে মনে রূপরেখা এঁকে চলে কবিতার,
আর দরদী আঙুলের নরম ছোঁয়া যার
কাব্যময় করে তোলে নকশী কাঁথাটাকে,
তারা উভয়ে কিছু কিছু স্বপ্ন দেখে থাকে।
সেসব লুকিয়ে থাকে কাঁথার ভাঁজে ভাঁজে।

বিস্তারিত»

অলপোয়েট্রি.কম

Capture

 অলপোয়েট্রি.কম
কবি হবার তেষ্টায়
মরে গেলুম চেষ্টায়
কাব্য সমুদ্রে লোনা জল।

জ্বি, আপনি ঠিকই ধরেছেন। এটি হতে পারতো আমার এই পোষ্টের সম্ভাব্য শিরোনাম। ক্যাডেট কলেজে থাকা অবস্থায় পানিসমেন্টের হুমকিও আমাকে এক লাইন কবিতা গোছের কিছু লেখাতে পারেনি।মাঝে মাঝে একটু ভাব জেগে উঠত বটে। কিন্তু ঐ যে কে যেন বলেছিল- “ সব শালাই কবি হতে চায়,

বিস্তারিত»

পাঠ প্রচেষ্টা – বনলতা সেন

জীবনানন্দ পড়ার মতন দুঃসাহসে প্রবৃত্ত করার জন্যে মাহবুব ভাইকে দায়ী করতে চাই আমি সবার আগে। আর আপনাদের যদি কিছুমাত্রও ভালো লাগে এ পাঠ তাহলে ধন্যবাদটিও তাঁরই প্রাপ্য।

বনলতা সেন

হাজার বছর ধরে আমি পথ হাঁটিতেছি পৃথিবীর পথে,
সিংহল সমুদ্র থেকে নিশীথের অন্ধকারে মালয় সাগরে
অনেক ঘুরেছি আমি; বিম্বিসার অশোকের ধূসর জগতে
সেখানে ছিলাম আমি; আরো দূর অন্ধকারে বিদর্ভ নগরে;

বিস্তারিত»

এক পশলা বৃষ্টির মত

ইদানিং ভীষণ বাজে ভাবে কেটে যাচ্ছে দিনগুলো- পিএইচডি’র থিসিস শেষ করা, নিয়মিত ক্লাসের পড়ানো+গ্রেডিং, ইত্যাদি নিয়ে দৌড়ের উপর আছি। তার উপরে দেশে বিনা-বিচারে খুন, প্রকাশ্য রাজপথে যৌন সন্ত্রাস, রাজনৈতিক নেতাকর্মীর হাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি+শিক্ষক নির্যাতন, ইত্যাদি চরম হতাশাজনক খবর অনুভূতিগুলোকে কুড়ে কুড়ে খেয়ে যাচ্ছিল। সিসিবি’তে বড় ভাইদের লেখার বন্যাও খুব একটা নাড়া দিতে পারছিল না। এমন সময়ই বেঙ্গল টাইগাররা পরপর দুই ম্যাচে পাকিস্তানের জাতীয় ক্রিকেট দলকে গো-হারা হারিয়ে দিল।

বিস্তারিত»

মেডেল মেডেল খেলা – একটি দুষ্টু কবিতা

– “কেমন ছিলাম?”
– “আসল পুরুষ!”
– “মেডেল কোথায়?”
– “ঐ দেখোনা, বাম বাহুতে”
– “ও মা! সেকি?
বাহুতে মেডেল
যায় নেয়া কি?
আচ্ছা যখন দিয়েছই,
থাক না ওটা
লাল টুকটুক আরেকখানা
চুমুতে গড়া মেডেল আঁকা
চাই যে আমার বুকের প’রে”
– “সেকি কথা? এক ইভেন্টে
দুইটি মেডেল যায় কি দেয়া?”

বিস্তারিত»

দর্প হরণ পার্ট টু

“ আমার গায়ে বল মারছে কে? পিটিয়ে সবগুলার হাড্ডি গুড়ো করে ফেলবো” চিৎকার শুনে পেছনে ফিরে তাকালাম। দেখলাম আমাদের ক্লাসের দস্যুরানী ফুলনদেবী নীতু ক্লাসের এক কোনায় রংবাজি করছে,এক হাতে তার বিশেষ অস্ত্র স্টিলের স্কেল, আরেক হাতে পানির বোতল। আর তার সামনে জড়োসড়ো ভঙ্গিতে নিরীহ কয়েকটি ছেলে। এটি আমাদের ক্লাসের মোটামুটি কমন একটি দৃশ্য।
নীতু মেয়েটার কথা একটু বলি, আমাদের ক্লাস সিক্সের ক্যাডেট কোচিং এর সবচেয়ে বাঁদর মেয়ে এই নীতু।

বিস্তারিত»