জাতিসংঘের ‘উন্নয়ন গবেষণা প্রধান’ ড. নজরুল ইসলাম কে যেমন দেখেছিঃ একজন সহপাঠীর দৃষ্টিতে

এটি মূলতঃ একটি স্মৃতিচারণমূলক লেখা। ড. নজরুল ইসলাম বর্তমানে জাতিসংঘে সিনিয়র ইকনমিস্ট হিসেবে কর্মরত আছেন। অতি সম্প্রতি জাতিসংঘ তাকে ‘উন্নয়ন গবেষণা প্রধান’ (চীফ অভ ডেভেলপমেন্ট রিসার্চ) হিসেবে নিয়োগ দান করেছে। এটা আমাদের জন্য গর্বের একটি বিষয়। আমি স্কুল-কলেজ জীবনে তার সহপাঠী ছিলাম। তাকে খুব ঘনিষ্ঠভাবে চিনি। অর্ধ শতাব্দীরও কিছু বেশি সময় আগের স্মৃতির ঝুলি হাতড়িয়ে এসব কথা আজ মনে হলো। নজরুলের সাম্প্রতিক সাফল্যে আমি এতটাই অভিভূত হয়েছি যে আমার মনের ভেতর থেকে তাগিদ অনুভব করেছি,

বিস্তারিত»

স্বাভাবিক সৌজন্যের বৈপরীত্য

অনুকূল ভাবনাঃ

আমাদের জীবনের কিছু অদৃশ্য ছাতার কথা ভেবে গত ০৯ মার্চ ২০১৯ তারিখে একটা কবিতা লিখেছিলাম। সেটা একটি ইংরেজী কবিতার ওয়েবসাইটে প্রকাশিত হয়েছিল। গতকাল একজন আমেরিকান গল্পলেখক আমাকে জানালেন যে তিনি একটি গল্প লিখছেন, সে গল্পের জন্য তিনি একটি ‘ছাতা’ বিষয়ক কবিতা খুঁজছিলেন। সার্চে তিনি আমার ‘An Invisible Umbrella’ শীর্ষক কবিতাটির সন্ধান পেয়েছেন, যেটা তার গল্পের সাথে সম্পূর্ণ সাযুজ্যপূর্ণ (তার ভাষায়, ‘it fits perfectly into my story’)।

বিস্তারিত»

সমব্যথী

যারা কারো কথা ভেবে নীরবে এখানে ওখানে
দু’এক ফোঁটা অশ্রু ফেলে গোপনে গোপনে,
আবার চকিতে চোখ মুছে মুখে ম্লান হাসি হাসে,
আমি তাদের ব্যথার ভাষাটা বুঝি।

যে নারী রসুইঘরে পঞ্চব্যঞ্জন রাঁধতে রাঁধতে
প্রবাসী সন্তান কিংবা অন্য কারো কথা ভেবে,
দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে আবার রান্নায় মনোযোগী হন,
আমি তার দীর্ঘশ্বাসের কারণটার কথা জানি।

যে কিশোরী রাফ খাতায় অঙ্ক কষতে কষতে
হঠাৎ একটি মুখ এঁকে ফেলে,

বিস্তারিত»

তখন এই ভালো….

তুমি একটা কিছু বললেই,
আমি চুম্বকের মত আকর্ষিত হই,
অভিভূত হই, আলোড়িত হই।
তোমার অদেখা মুখটা খুঁজতে থাকি,
চোখ দুটো খুঁজি, চোখের তারা খুঁজি।
আমার কান দুটো অতন্দ্র প্রহরীর মত
জেগে থাকে, বৃষ্টির শব্দ শোনার মত
তোমার সুরেলা কন্ঠ শোনার জন্য।

কিন্তু এসব কোন কিছুই যখন হবার নয়,
এ দু’চোখ তোমাকে
খুঁজে পাবে না,

বিস্তারিত»

হ্রস্ব জীবন, দীর্ঘ প্রতিবিম্ব

ঝুলে থাকে সে ঝুলে থাকা একটি পাতায়,
কিংবা কখনো নিশ্চুপ বসে থাকে
কোন সবুজ ঘাসের উঁচু করে থাকা মাথায়।
কখনো শিশির বিন্দু হয়ে, ধানের শীষে…
নয়তো জলে ভাসমান কোন পদ্মপাতায়,
কিংবা হিল্লোলিত কোন পুষ্পকোরকে।

যেখানেই সে থাক, যেভাবেই থাক,
তার স্মৃতি রয়ে যায় এক মুগ্ধ কবির নয়নে।
মৃদুমন্দ বাতাসে আন্দোলিত হতে হতে,
একটা সময় সে টুপ করে ঝরে পড়ে,

বিস্তারিত»

অকবিদের কবিতা

অকবিদের কবিতা-
হয়তো সবই যাচ্ছে তা,
উর্বর বাংলার জনসংখ্যার মত
অগণিত…
অসহায়…
জন্মায় আগাছার মত।

তবুও আশায় থাকি-
একদিন আগাছার মধ্য থেকেই
সবার অলক্ষ্যেই-
কেউ কেউ উচ্চশির হবে,
মহীরুহ হয়ে দাঁড়িয়ে রবে,
গাছ আগাছার মাঝে, সগৌরবে!!!

অকবি’র কথাঃ একথা অনস্বীকার্য, সিসিবি’তে যারা কবিতা লিখেছেন এবং এখনও লিখছেন, তাদের সবার কবিতার মান (আমার নিজেরগুলো মতই) উচ্চ নয়।

বিস্তারিত»

মেলবোর্নের দিনলিপি – ৬ঃ মাউন্ট ড্যান্ডিনং রেঞ্জে এক পড়ন্ত বিকেলে

এর আগের পর্বটি দেখতে পাবেন এখানেঃ মেলবোর্নের দিনলিপি – ৫ঃ নতুন বছরের (২০২০) প্রথম কয়েকটা দিন

প্রতি বছরের জানুয়ারী, ফেব্রুয়ারী ও মার্চ মাসের প্রথম শুক্রবারে ব্রাইটন বীচের বেলাভূমি সংলগ্ন ভূমিতে খোলা আকাশের নীচে “Soul Night Market” এর আয়োজন করা হয়। Night Market বা “নৈশ বাজার” কেবল নামেই, আসলে এটা শুরু হয় মধ্যাহ্নের পর পরই, শেষ হয় সূর্যাস্তের ঘন্টাখানেকের মধ্যেই।

বিস্তারিত»

নারী ও প্রকৃতি

নারী ও প্রকৃতি

নারী ও প্রকৃতি
একে অপরের প্রতিকৃতি,
শোভায়, স্বভাবে, মননে, মেজাজে
দেখি তাদের আমি একই সাযুজ্যে।

তারা উভয়ে প্রাণের ধারক ও বাহক,
ঝড় ঝঞ্ঝায়, ক্ষুধায় প্রতিপালক।
গর্ভে, ক্রোড়ে, বক্ষে, আঁচলে রেখে
লালন করে নবজাতককে সস্নেহে।

সকল সৌন্দর্যের উৎস প্রকৃতিমাতা
নারী তার থেকে আহরণ করে স্নিগ্ধতা।
ঋতুতে ঋতুতে প্রকৃতি যে রূপ বদলায়,

বিস্তারিত»

কতোদূর এগোলো মানুষ

‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ নামের এক শব্দবন্ধের সঙ্গে আমাদের তারুণ্যের বেড়ে ওঠার অনেক স্মৃতি জড়িত। মনে পড়ে, তখন হঠাত করেই পত্র-পত্রিকা, মিডিয়া, বিজ্ঞাপন কিংবা জনমুখে ‘ডিজিটাল’ শব্দের ব্যবহার বেড়ে গেলো। সে সময়ে মানুষের মস্তিষ্কে তা এমন অভিঘাত তুলেছিলো যে শহর কিংবা মফস্বলে বিভিন্ন দোকানপাটের নামের সঙ্গে দেদার্চে ডিজিটাল শব্দটি যুক্ত হওয়া শুরু করলো। ‘মায়ের দোয়া ফুচকা’ হয়ে গেলো ‘ডিজিটাল ফুচকা শপ’, ‘আল্লাহর দান বিরিয়ানি’ হয়ে গেলো ‘ডিজিটাল বিরিয়ানি হাউজ’ এমন অজস্র উদাহরণ রয়েছে।

বিস্তারিত»

যৌথ প্রয়াস (অনুবাদ কবিতা)

সে বুদ্ধি আঁটে, আমি সাহস দেই।
সে শেখায়, আমি শিখি।
(এভাবেই) আমরা কাজ করি।

সে মাপ নেয়, আমি চেরাই।
সে ধরে, আমি ছিদ্র করি।
(এভাবেই) আমরা বিনির্মাণ করি।

আমরা যোগাই, আমরা গজাল ঠুকি।
আমরা পালাবদল করি, করে সরি।
আমরা (একে অপরের) প্রশস্তি করি।

মূলঃ Moira Cameron
অনুবাদঃ খায়রুল আহসান

কবি পরিচিতিঃ কানাডার টরন্টো তে জন্ম হলেও,

বিস্তারিত»

ক্যাডেট রম্যের দ্বিতীয় সংস্করণ ও ই-বুক প্রকাশ

‘ক্যাডেট রম্য’ নামে আমার একটা বই আছে। ২০১৬ সালের বইমেলায় বইপত্র প্রকাশন থেকে বইটি প্রকাশ পেয়েছিলো। মাত্র আটদিন বইটি মার্কেটে ছিলো। চাহিদা থাকা সত্ত্বেও মেলার পর বিভিন্ন কারণে বইটার হার্ড কপি আর প্রকাশ করা হয় নি। বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন মানুষ বইটির খোঁজ করেছেন। ‘ক্যাডেট রম্য’ নামে প্রথম আলোর অধুনালুপ্ত ফান সাপ্লিমেন্ট রস+আলো এবং দৈনিক ইত্তেফাকের ফান সাপ্লিমেন্ট ঠাট্টায় ২০১১-২০১৪ সময়কালে লিখেছি। ফলে, ‘ক্যাডেট রম্য’-এর এক ধরণের পাঠক শ্রেণী গড়ে উঠেছিলো।

বিস্তারিত»

মেলবোর্নের দিনলিপি – ৫ঃ নতুন বছরের (২০২০) প্রথম কয়েকটা দিন

এর আগের পর্বটি দেখতে পাবেন এখানেঃ মেলবোর্নের দিনলিপি-৪ঃ ঘরোয়া জন্মদিন পালন এবং ঘরের বাহিরে ইংরেজী নতুন বর্ষবরণ


(আমি দিনভর সময়ে সময়ে ব্যালকনিতে এসে আমার প্রিয় আকাশটাকে দেখে গিয়েছি)

আগের রাতে দেরী করে ঘুমালেও, বেশ সকাল সকাল ঘুম ভেঙে যাওয়ায় ইংরেজী ২০২০ সালের প্রথম প্রত্যুষে ব্যালকনিতে এসে দেখি তখনো মেঘের কোলে রোদ হাসেনি, তবে দূর থেকে আসা রাঙা প্রলেপ মেঘের গায়ে গায়ে লেগে আছে।

বিস্তারিত»

নক্ষত্রবাসী

ছোটবেলায় বাবা অফিস থেকে সন্ধ্যায় ফিরতেন।
হাতমুখ ধুয়ে উঠোনে রাখা একটা ইজী চেয়ারে
গা এলিয়ে তিনি আমায় ডেকে নিতেন।
আমি তার পেছনে দাঁড়াতাম,
তিনি মুখে মুখে ইংলিশ ট্রান্সলেশন ধরতেন,
পাটিগণিতের আর্যা ধরতেন,
মুখে মুখে অংক কষাতেন,
আকাশের নক্ষত্রপুঞ্জের সাথে পরিচয় করিয়ে দিতেন,
ওরিয়ন, গ্রেট বীয়ার, পোল স্টার, আরো কতো কি!

সেই থেকে আমার অভ্যেস হয়ে গিয়েছিল,

বিস্তারিত»

মেলবোর্নের দিনলিপি-৪ঃ ঘরোয়া জন্মদিন পালন এবং ঘরের বাহিরে ইংরেজী নতুন বর্ষবরণ

এর আগের পর্বটি পাবেন এখানেঃ মেলবোর্নের দিনলিপি (৩)… আজ বাইরে কোথাও যাচ্ছিনা, তাই ইতিহাস নিয়ে কিছুটা ঘাঁটাঘাটি

আমরা যখন অস্ট্রেলীয় ভিসার জন্য অপেক্ষমান ছিলাম, তখন হঠাৎ একদিন আমাদের বিয়াই সাহেব (মেজ বৌমার বাবা) আমাদেরকে টেলিফোন করে জানালেন যে ওনারাও নিতান্ত আকস্মিকভাবেই সিঙ্গাপুর এয়ারলাইন্সের একটা ভাল অফার পেয়ে মেলবোর্নে যাওয়া-আসার টিকেট করে ফেলেছেন। ওনাদের যাত্রার তারিখ ২৭ ডিসেম্বর রাতে, ফেরত আসার তারিখ ১৬ জানুয়ারী ২০২০ রাতে।

বিস্তারিত»

পথ হারানো শিশুর মতন

সুখে দুঃখে যাকে খুঁজি,
সে তো আছে আমাতে ডুবি,
রক্তধারায় শিরায় শিরায়
মগজে মননে,
শয়নে স্বপনে,
তবু তারে খুঁজি অবচেতনে।

ব্যথা বেদনায় তারেই খুঁজি,
নিশীর আঁধারে, দিবার আলোতে,
নিদ্রা সজাগে, মন্দ ভালোতে,
হাসির ঝিলিকে, অশ্রুজলে।
এক পথ হারানো শিশু যেমন
মাকে খোঁজে, চোখের আড়ালে!

ঢাকা
১২ জুন ২০২০

বিস্তারিত»