লক্ষন বিত্তান্ত

ভাল্লাগে না মনের দশা
তেতো আমি ঝগড়াটে
ঘেন্না করি নিজের পা
ঘেন্না করি নিজ হাতে

আনচান করে না মন
জমিন কোথায় মনোহর
ভয় জাগায় পৌনঃপুনিক
আলো আনা নিত্য ভোর

রাতের ঘুম ঘেন্না লাগে
বিগাড় লাগে সরল লোক
শোনাও কেন তোমরা সবে
খ্যাত ফালতু ভদ্র জোক

লিখতে কিছু ভাল্লাগে না
শান্তি না পাই আঁকতে
ভূড়িয়াল চতুর্দিকে
পারি নাকো সইতে

হতাশ আমি বুকটা খালি
হলাম বুঝি গ্রেফতার
অসুস্থ নই,

বিস্তারিত»

সমব্যথী

যারা কারো কথা ভেবে নীরবে এখানে ওখানে
দু’এক ফোঁটা অশ্রু ফেলে গোপনে গোপনে,
আবার চকিতে চোখ মুছে মুখে ম্লান হাসি হাসে,
আমি তাদের ব্যথার ভাষাটা বুঝি।

যে নারী রসুইঘরে পঞ্চব্যঞ্জন রাঁধতে রাঁধতে
প্রবাসী সন্তান কিংবা অন্য কারো কথা ভেবে,
দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে আবার রান্নায় মনোযোগী হন,
আমি তার দীর্ঘশ্বাসের কারণটার কথা জানি।

যে কিশোরী রাফ খাতায় অঙ্ক কষতে কষতে
হঠাৎ একটি মুখ এঁকে ফেলে,

বিস্তারিত»

প্রচন্ড শরৎ

একেবারে গোবেচারা ছেলেটা
একেবারে হতশ্রী-
করুণা যতটা আশা সামাজিকভাবে প্রয়োজন,
ততটাও আসবেনা আপনার!

তবে, ওর চোখ দেখলে…
একদম দুরন্ত মহাসাগরের মত
সহস্র একাদশীর চাঁদেও
চাঁদের বুকে পৌছুতে না পারার বেদনার মত চোখ
আর অল্প, আর অল্প একটু আকর্ষণেই
যে সব কিছু ছেড়ে ছুড়ে
উন্মাতাল ক্রোধে গ্রহত্যাগ করবে…

অমন দুরন্ত চোখের ছেলেদের
বেছে বুঝে আকর্ষণে জড়াতে হয়,

বিস্তারিত»

নীলপাখি

অলিন্দের খাঁচায় আমার
বাস করে নীলপাখি এক
পালানর উড়ুউড়ু ভাব তার
বানচাল করে দেই বারবার
বলি তাকে এখানেই থাক সোনা
কাউকে তোকে দেখতে দিবো না।

অলিন্দের খাঁচায় আমার
বাস করে নীলপাখি এক
বের হয়ে যেতে চায় বারবার
আমি তার গায়ে হুইস্কি ঢালি
আর সিগারেটের ধোঁয়া মাখাই
আর গণিকা, বারটেন্ডার কিংবা
মুদি দোকানের হিসাব সহকারী
জানতেও পায় না সে এখানে আছে।

অলিন্দের খাঁচায় আমার
বাস করে নীলপাখি এক
পালানর উড়ুউড়ু ভাব তার
বানচাল করে দেই বারবার
ধমক দিয়ে বলি এখানেই থাক
কেন ঝামেলা পাকাতে চাস?

বিস্তারিত»

তখন এই ভালো….

তুমি একটা কিছু বললেই,
আমি চুম্বকের মত আকর্ষিত হই,
অভিভূত হই, আলোড়িত হই।
তোমার অদেখা মুখটা খুঁজতে থাকি,
চোখ দুটো খুঁজি, চোখের তারা খুঁজি।
আমার কান দুটো অতন্দ্র প্রহরীর মত
জেগে থাকে, বৃষ্টির শব্দ শোনার মত
তোমার সুরেলা কন্ঠ শোনার জন্য।

কিন্তু এসব কোন কিছুই যখন হবার নয়,
এ দু’চোখ তোমাকে
খুঁজে পাবে না,

বিস্তারিত»

কয়েকটি সাম্প্রতিক কবিতা

কেন ভালোবাসি,কেন নিভে যাই,
কেন ফিরে আসি,শুধু ক্ষতি বাড়াই।

তুমি তো জানো, কেন এ ক্রন্দন,
তুমি তো জানো প্রেম কেন হয়ে যায় ক্লিশে।
আমাদের অনুযোগ
প্রাত্যহিক মিলনে যায় মিশে।

আর যা মেশে না, আর যা অমিল হয়ে রয়,
কিছু তা তোমার মতো,
সত্য কিন্তু অবধারিত নয়।


আত্মবিনাশের পথ পেলে অবশেষে,
ক্ষতি নেই,

বিস্তারিত»

একটি নিঁখুত গোলাপ

একটি নিঁখুত গোলাপ

আমায় পাঠিয়েছে সে
নিঁখুত একটি গোলাপ
তরতাজা একদম
পছন্দের বার্তাবাহক
হৃদয় নিংড়ানো ভালোবাসায়
পরিশুদ্ধ সুগন্ধি শিশির
ভেজা নিটোল গোলাপ।

আমি জানি সেই ফুলের ভাষা
“আমার ভঙ্গুর পাতা জানে হায়
এ খামে ভরা তার হৃদয় “
বলে সে নিটোল গোলাপ।

বুঝিনি কেন, কেউ কখনো
পাঠালো না নিঁখুত লিমুজিন?
তবে কি ললাট লিখনেরই ভুল?
আমার জন্য কেবল
একটি নিঁখুত গোলাপ ফুল!

মূল: One Perfect Rose by Dorothy Parker

ভাবানুবাদ: টিটো মোস্তাফিজ

বিস্তারিত»

বায়স

বায়স

কী এক হতভাগা পাখি

রাজ্যের যত ময়লা
খেয়ে করে পরিস্কার

তারই বাসায় চুরি করে
কোকিল ডিম পাড়ে

ডাকাতি করে ভালোবাসা

অথচ চোর দুর্নামটি
গেল না কোনমতে

কবে না কি নিয়েছিল
ময়ূরের পুচ্ছদেশ

কিংবা কারো সস্তা
রঙিন কাঁচের চুড়ি!

দেখো হে ভেবে
আর কবার

গল্পটা এবার
পাল্টানো দরকার…

বিস্তারিত»

আমার কাছে কোনটা কেমন?

আমার কাছে কোনটা কেমন?

তোমার কাছে মেঘটা কেমন?
আমার কাছে তৃষ্ণার মতন।
তোমার কাছে বৃষ্টি কেমন?
আমার কাছে সুরের মতন।
তোমার কাছে পাহাড় কেমন?
আমার কাছে বাউল লালন।
তোমার কাছে ঝিনুক কেমন?
আমার কাছে প্রেমের মতন।
তোমার কাছে কুয়াশা কেমন?
আমার কাছে ছন্দ পতন।
তোমার কাছে জোনাকী কেমন?
আমার কাছে অরূপ রতন।

বিস্তারিত»

ধোঁয়ার পলিটিক্সকে

সিগারেট পুরুষালী, তুই কে হে অসভ্য মেয়ে
নিকোটিন কেন? র‍্যাটম খা, সিরিঞ্জে বিষ নে,
তোর স্বাধীনতা দেখে নষ্ট হয় পাড়ার মেয়েরা
তোর ধূমপানে জল আসে পুরুষের শিশ্নে!

অবশ্য বিড়ি কৃষকের, নিচু শ্রেণী, তামাকেও চলে-
গ্রাম্য মেয়ে হতি, কালো দাঁত পুঁড়ে যাওয়া জর্দাতে
তাতেও আপত্তি নেই, তবু সিগারেট কেন? তাও রাস্তায়?
সমাজ নষ্ট হয়,

বিস্তারিত»

হ্রস্ব জীবন, দীর্ঘ প্রতিবিম্ব

ঝুলে থাকে সে ঝুলে থাকা একটি পাতায়,
কিংবা কখনো নিশ্চুপ বসে থাকে
কোন সবুজ ঘাসের উঁচু করে থাকা মাথায়।
কখনো শিশির বিন্দু হয়ে, ধানের শীষে…
নয়তো জলে ভাসমান কোন পদ্মপাতায়,
কিংবা হিল্লোলিত কোন পুষ্পকোরকে।

যেখানেই সে থাক, যেভাবেই থাক,
তার স্মৃতি রয়ে যায় এক মুগ্ধ কবির নয়নে।
মৃদুমন্দ বাতাসে আন্দোলিত হতে হতে,
একটা সময় সে টুপ করে ঝরে পড়ে,

বিস্তারিত»

অকবিদের কবিতা

অকবিদের কবিতা-
হয়তো সবই যাচ্ছে তা,
উর্বর বাংলার জনসংখ্যার মত
অগণিত…
অসহায়…
জন্মায় আগাছার মত।

তবুও আশায় থাকি-
একদিন আগাছার মধ্য থেকেই
সবার অলক্ষ্যেই-
কেউ কেউ উচ্চশির হবে,
মহীরুহ হয়ে দাঁড়িয়ে রবে,
গাছ আগাছার মাঝে, সগৌরবে!!!

অকবি’র কথাঃ একথা অনস্বীকার্য, সিসিবি’তে যারা কবিতা লিখেছেন এবং এখনও লিখছেন, তাদের সবার কবিতার মান (আমার নিজেরগুলো মতই) উচ্চ নয়।

বিস্তারিত»

দুটি কবিতা

~সুরঞ্জনা~

 

হেমন্তের নক্ষত্রখচিত রাত
সুরঞ্জনা চলে গেছে
রাখেনি কবির অনুরোধ
পিছু ফিরে দেখেনি
লক্ষ্মী পেঁচা ঝরা পালক
কুয়াশায় ভেজা জোনাকির আলো
ধূসর পান্ডুলিপি জীবনের আনন্দ

 

©টিটো মোস্তাফিজ
২২ অক্টোবর ২০২০
রাজশাহী

 

 

♦♦♦

 

 

~বরিষণ দিনে~

 

বিস্তারিত»

নারী ও প্রকৃতি

নারী ও প্রকৃতি

নারী ও প্রকৃতি
একে অপরের প্রতিকৃতি,
শোভায়, স্বভাবে, মননে, মেজাজে
দেখি তাদের আমি একই সাযুজ্যে।

তারা উভয়ে প্রাণের ধারক ও বাহক,
ঝড় ঝঞ্ঝায়, ক্ষুধায় প্রতিপালক।
গর্ভে, ক্রোড়ে, বক্ষে, আঁচলে রেখে
লালন করে নবজাতককে সস্নেহে।

সকল সৌন্দর্যের উৎস প্রকৃতিমাতা
নারী তার থেকে আহরণ করে স্নিগ্ধতা।
ঋতুতে ঋতুতে প্রকৃতি যে রূপ বদলায়,

বিস্তারিত»

পরাণ

পরাণ
মো ও খা ও।

হারিয়ে গেলে কোথায় বল তাহার দেখা পাই
বুকের মাঝে বসত করে চোখের সমুখ নাই,
বীনা তারে সুরের সাধন কোন সে পাখি গায়
থামলে বাদন শুন্য আসর গায়েন কোথা যায়।

আখির পলক মনের ঝলক ভাবনা মনে যত
পাপড়ি দোলায় সুখের মেলায় সপ্ন অবিরত,
টানলে রশি বাশের বাঁশি গাইবে না আর গান
থামবে গাড়ী অচিন বাড়ী চড়বে কাধে যান ।

বিস্তারিত»