আহবান

Sunset at the beach

Hello there, mind shifter
stare back and see
the sun is going after you
after a sliced afternoon
sending its reflection
horizon to almost offshore
only to see your face
Hello dear, please look back
don’t flap your scarf
let the crimson light fall
on your horizontal leaps.

 

বিস্তারিত»

মেনকা কেমন আছে?

    মেনকা কেমন আছে?
    মো ও খা ও

    রাতে জোছনাারা ঢুকে পরে আমার ঘরে
    জানালার ফাঁক চুয়ে নিসংকোচে,
    লুটোপুটি খায় মসৃন শুভ্রতায়
    আছডে পড়ে মেঝে বালিশ বিছানায়
    নির্মল শব্দহীন কোমল মায়ায়,
    আদর আলোয় সোহাগ মেখে
    প্রশ্ন শুধায় তোমার মেনকা কেমন আছে?

    কি মাতাল মদিরা মেখে
    উচ্ছন্ন করেছিলো বাগান ঘাস ফুল,
    ভগবান চমকে উঠেছিল
    যুবতীর উদ্ধত ভালোবাসায়,

বিস্তারিত»

আমার বুকে তোমার বসত

আমি ডাকলেই তুমি সাড়া দাও, কখনো দ্রুত,
কখনো কিছুটা বিলম্বে হলেও, পরে বুঝতে পারি,
সে সময়টাই ছিল উপযুক্ত। এমন ভাবে সাড়া দাও,
যেন চোখের আড়ালেই ছিলে, শুধু ডাকের অপেক্ষায়।
সাড়া পাই তবে কায়া দেখি না, কারণ তুমি কায়াহীন।
আমি তো এতদিনে বিলক্ষণ বুঝে গেছি,
অদৃশ্য কার কাছে চাইতে হয়, তার কায়া না দেখেও!

তোমাকে ছিলাম ভুলে বহুদিন,

বিস্তারিত»

ঢাকার বৃষ্টি

#কবিতা

ঢাকার বৃষ্টি————-

আজ সকালে আকাশটাতে সূর্যের দেখা নাই,
শহরটাতে ছায়ার মিছিল ভাললাগা খুঁজে পাই।
বাতাস জুড়ে কেমন জানি আলসি আলসি ভাব,
যখন তখন নামবে বৃষ্টি আষাঢ় মাসের স্বভাব।

আজ দুপুরে টাপুর টুপুর নামলো অনেক বৃষ্টি,
গুমোট গরম কেটে গিয়ে ঠান্ডা হলো দেশটি।
ময়লা শহর ধুয়ে মুছে বেমালুম হলো সাফ,
বরিষনে ধনী গরীব কেউ পাবেনা মাফ।

বিস্তারিত»

সিনহা-র জন্য এলিজি

পিছনে নল রেখে আসা বুলেট জানেনা
কোথায় তার গন্তব্য,
সে কস্মিনকালেও বুঝবেনা ফোনের অপেক্ষায়
বসে আছেন স্বামীহারা বৃদ্ধা মা…
আড্ডার জন্য কফি হাতে বসে আছে
উচ্ছ্বল বন্ধু এবং কলিগরা।

পাহাড় জয় করা সূর্যসন্তান কত সহজেই
লুটিয়ে পড়ে সমতলে,
ঘাতক তৈরী করে তার চরিত্রহননের মিথ্যা গল্প;
কমান্ডোরা আজ হয়ে যায় মাদকাসক্ত,
মুক্তিযোদ্ধা উপাধি পায় দেশদ্রোহীর!

বিস্তারিত»

কালান্তর

কালান্তর

বানরের লাঠি ঝুলতে দেখে
নেইনি যে গাছকে গণনায়
সে না কি সোনালু ফুল!

অফিস টাইম বলে চিনেছি
যে নরম ঘাসপাতা
সে না কি অভিজাত পর্তুলিকা!

গালগল্প করার বৈঠকখানা
এখন না কি ড্রইংরুম
যদিও আঁকার নেই রেওয়াজ!

অনায়াস ভাব প্রকাশে
ব্যবহার করি যে শব্দমালা
তারা না কি গালিগালাজ!

© টিটো মোস্তাফিজ

৩১ জুলাই ২০২১

বিস্তারিত»

পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া

টিন এজার খুব বেজার
না দিলে খেলতে গেম
শুকিয়ে তোমার আমসত্ত্ব
বাঁধিয়ে রাখে পারলে ফ্রেম

রইবে তায় অপেক্ষায়
জমবে কখন মৌতাতে
বন্ধু নামের গড্ডালিকার
গেমার সবে এক সাথে

ক্লাসের নামে অনলাইনে
ট্যাব খোলা তার গোটা কয়
চ্যাটিং পড়ার বকলমে
হেডফোনে কান ঢাকা রয়

ঘরে বন্দী ভবিষ্যত
ক্লাশ রুমে মাকড়সার জাল
মুখোস গুলো প্রকাশ্য আজ
প্রলম্বিত শঙ্কা কাল।

বিস্তারিত»

কয়েকটি কবিতা


ক্রমশ কেমন একা হয়ে যায় জীবন। মনে হয়, কোথাও যেন নিস্তার নেই আর। একাকীত্ব জোনাকির মতো জ্বলে, নেভে, বুকের ভেতর কামড়ে ধরে। মুখের ওপর মুখোশ চাপিয়ে অনুভূতিহীন এক অবয়ব নিয়ে হাঁটি শহরের রাস্তায়। চারদিকে টের পাই এক ভীত সন্তস্ত্র জনপদ। কেউ কারো নয়। আম খেতে ইচ্ছে হয়। কিনি, কাটি, খাই, দাড়িতে মাখাই। ট্যাপ ছাড়ি, হাত ধুই৷ এ ঘর থেকে ও ঘরে যাই। জিমেইল খুলি,

বিস্তারিত»

সিঁড়ি

সিঁড়ি

আমরা সিঁড়ি তৈরী করি
উন্নয়নের কথা ভেবে
তাদের কিছু জড়
আর কিছু জীবিত।

জীবিত সিঁড়িদের কিছু
সুবিধা দিতে সদা প্রস্তুত
তাদেরি উপর দিয়ে
আমরা উঠে যাই উপরে
এ ভাবে যদি পেয়ে যাই
সৌভাগ্যের লিফট
অবহেলা আর উপেক্ষার
অন্ধকার আবর্জনায়
পড়ে থাকে সেই সিঁড়ি!

কখনো পিছু ফিরে দেখিনা
কিন্তু দুর্যোগ দুর্বিপাকে
ইমার্জেন্সি এক্সিটে
অকৃতজ্ঞের মত
বেরিয়ে আসি
তাদের বুক মাড়িয়ে!

বিস্তারিত»

আকবরনামা

নামটি শুনে কাঁপত সবাই
বিশ্বে যত দেশ
এখন আমি শুয়ে আছি
চোখটি বুজে বেশ!!

হীরা দিয়ে তৈরী হল
আমার ঘুমের ঘর
সেই ঘরেতে ঘুণ ধরেছে
হীরার তলে চর!!

দ্বীন এলাহির মালিক আমি
মানতো সবাই ডরে
উথাল-পাথাল লাগিয়ে দিতাম
সব প্রজাদের তরে!!

মুখের উপর চলত শাসন
অমান্যতে মরণ
তবু আমায় সব লোকেতে
করত নেচে বরণ!!

বিস্তারিত»

লক্ষন বিত্তান্ত

ভাল্লাগে না মনের দশা
তেতো আমি ঝগড়াটে
ঘেন্না করি নিজের পা
ঘেন্না করি নিজ হাতে
আনচান করে না মন
জমিন কোথায় মনোহর
ভয় জাগায় পৌনঃপুনিক
আলো আনা নিত্য ভোর

রাতের ঘুম ঘেন্না লাগে
বিগাড় লাগে সরল লোক
শোনাও কেন তোমরা সবে
খ্যাত ফালতু ভদ্র জোক
লিখতে কিছু ভাল্লাগে না
শান্তি না পাই আঁকতে
ভূড়িয়াল চতুর্দিকে
পারি নাকো সইতে

হতাশ আমি বুকটা খালি
হলাম বুঝি গ্রেফতার
অসুস্থ নই,

বিস্তারিত»

সমব্যথী

যারা কারো কথা ভেবে নীরবে এখানে ওখানে
দু’এক ফোঁটা অশ্রু ফেলে গোপনে গোপনে,
আবার চকিতে চোখ মুছে মুখে ম্লান হাসি হাসে,
আমি তাদের ব্যথার ভাষাটা বুঝি।

যে নারী রসুইঘরে পঞ্চব্যঞ্জন রাঁধতে রাঁধতে
প্রবাসী সন্তান কিংবা অন্য কারো কথা ভেবে,
দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে আবার রান্নায় মনোযোগী হন,
আমি তার দীর্ঘশ্বাসের কারণটার কথা জানি।

যে কিশোরী রাফ খাতায় অঙ্ক কষতে কষতে
হঠাৎ একটি মুখ এঁকে ফেলে,

বিস্তারিত»

প্রচন্ড শরৎ

একেবারে গোবেচারা ছেলেটা
একেবারে হতশ্রী-
করুণা যতটা আশা সামাজিকভাবে প্রয়োজন,
ততটাও আসবেনা আপনার!

তবে, ওর চোখ দেখলে…
একদম দুরন্ত মহাসাগরের মত
সহস্র একাদশীর চাঁদেও
চাঁদের বুকে পৌছুতে না পারার বেদনার মত চোখ
আর অল্প, আর অল্প একটু আকর্ষণেই
যে সব কিছু ছেড়ে ছুড়ে
উন্মাতাল ক্রোধে গ্রহত্যাগ করবে…

অমন দুরন্ত চোখের ছেলেদের
বেছে বুঝে আকর্ষণে জড়াতে হয়,

বিস্তারিত»

নীলপাখি

অলিন্দের খাঁচায় আমার
বাস করে নীলপাখি এক
পালানর উড়ুউড়ু ভাব তার
বানচাল করে দেই বারবার
বলি তাকে এখানেই থাক সোনা
কাউকে তোকে দেখতে দিবো না।

অলিন্দের খাঁচায় আমার
বাস করে নীলপাখি এক
বের হয়ে যেতে চায় বারবার
আমি তার গায়ে হুইস্কি ঢালি
আর সিগারেটের ধোঁয়া মাখাই
আর গণিকা, বারটেন্ডার কিংবা
মুদি দোকানের হিসাব সহকারী
জানতেও পায় না সে এখানে আছে।

বিস্তারিত»

তখন এই ভালো….

তুমি একটা কিছু বললেই,
আমি চুম্বকের মত আকর্ষিত হই,
অভিভূত হই, আলোড়িত হই।
তোমার অদেখা মুখটা খুঁজতে থাকি,
চোখ দুটো খুঁজি, চোখের তারা খুঁজি।
আমার কান দুটো অতন্দ্র প্রহরীর মত
জেগে থাকে, বৃষ্টির শব্দ শোনার মত
তোমার সুরেলা কন্ঠ শোনার জন্য।

কিন্তু এসব কোন কিছুই যখন হবার নয়,
এ দু’চোখ তোমাকে
খুঁজে পাবে না,

বিস্তারিত»