বিপন্নতার সাক্ষী

সমস্ত অহংকারগুলো ভেঙ্গে পড়ছে ।
একে একে সব । টুকরো কাঁচের মতো ।
অবহেলায় অনায়াসে ব্যবচ্ছেদ বিম্বিত
যেনো একরাশ হৃদয়ের ক্ষত !

বিহবলতায় ভাবি দুস্তর আমি ও তাহারা,
অনাগত দিনের লাগি রাখতে পারি কতোটা পাহারা !

বুঝি নির্বিচারে পড়ছে খসে পলেস্তরা,
আড়-আড়ম্বর, ঐতিহ্য, সন্তানেরা !

বিপন্ন বোধের প্রান্তরে প্রোথিত ও বুঁদ হয়ে,
জীবনেরে খুঁজি আজ ধবংসস্তুপ নাকি দেবালয়ে !

বিস্তারিত»

বিষাদ বিলাসী

প্রতিটি প্রদর্শিত হাসির গভীরে
আমি পাই চাপাকান্নার আওয়াজ।
শোকগাঁথা শোনাই কি আমার কাজ?

প্রতিটি উচ্চকিত অট্টহাসির পেছনে
আমি সচকিত ফিসফিসানি শুনি,
আমি কি কেবলই এক বিষন্ন মুনি?

রৌদ্র করোজ্জ্বল দিনেও আমি দেখি
আকাশের ঈশান কোণে মেঘের চক্রান্ত
আমি কি সত্যিই এতটা সংশয়াক্রান্ত?

মধুর সঙ্গীতগুলোই বারবার,
আমার হৃদয় করে যায় ছারখার
শেলীর কথাই কি তবে,

বিস্তারিত»

‘আমিই পুরুষ’

খোলা ময়দানে একা

প্রহরাহীন, প্রতিরোধহীন

অক্লেশে, আকাশে তাকিয়ে

বলতেই পারি

‘আমিই পুরুষ’।

 

গভীর রাতে একাকী পথে

কুকুরের ডাক অগ্রাহ্য করে,

নিশুত পাখির ভয় জাগিয়ে

চিৎকার করে বলতেই পারি,

‘আমিই পুরুষ’।

 

মিছিলে শ্লোগানে বুক চিতিয়ে

কালো রাজপথ বুকের রক্তে রাঙিয়ে,

বিস্তারিত»

ইস্যু যখন ইস্যু

প্রিন্ট-মিডিয়া কিংবা সোশ্যাল মিডিয়ায় ইস্যু কিভাবে হারায় ?? ইস্যু ২ ভাবে হারায় ।

১. কন্ট্রোভারসিয়াল বা ডিমোরালাইজিং কোন ইস্যুর পরপর যখন কোন এন্টারটেইনিং কিংবা গ্লোরিফাইং ইস্যু চলে আসে। পহেলা বৈশাখ ইস্যুর পরপর এখন যেমন বাংলাদেশের ক্রিকেট সিরিজ চলে আসা। ১৬ বছর পর বাংলাদেশ পাকিস্তানের সাথে ওয়ানডে জিতেছে এই ইস্যুতে এখন ফেসবুক গরম, পহেলা বৈশাখ মনে রাখার আর কি দরকার ??

২.

বিস্তারিত»

তিনটি আটপৌরে কবিতা

এক: বিচ্ছেদ-১
========
বন্ধু বলেছিল –
ছ’টা মাস যাক, শোক ও সক দুই-ই নাকি কেটে যাবে ধীরে ধীরে।
চারটা মাস তো কাটলো প্রায়
কৈ কিছুই তো কাটছে না আমার?

কাজের ফাঁকে আজ হঠাৎ এসে ভর করলে তুমি মাথার ভিতরে
কি এক শুন্যতায় ভরে গেল চারিটা ধার
খালি খালি হয়ে উঠলো বুকের গহ্ববর
জিভ শুখিয়ে কাঠ।

বিস্তারিত»

প্রাপ্তি

তোমার না মিশনে নাম আসছে?
জি মামা ।
কোন দেশে যেনো ? মালে না কি যেন বলছিলা !!
মালি ।
এটা রাজধানীর নাম না দেশের নাম?
না মামা, এটা দেশের নাম । মালির রাজধানী বামাকো ।
এটা কোন মহাদেশে ?
আফ্রিকা মহাদেশে ।
ওওও, কখনো নাম শুনি নাই, খুব একটা উন্নত না বোধ হয়, তাই না?
হতে পারে ।

বিস্তারিত»

অগম্য নৈকট্য

এই খরতপ্ত দিনে জল
তবু মেঘের শকটে চড়ে
একবার ছুঁয়ে যায় তোমাকে ।

আমার স্পর্শইচ্ছে
পারে কি আদৌ অতোটা
অর্ঘ্যনৈকট্যে যেতে !

বিস্তারিত»

জার্মানির জার্নাল ১

অনেকদিন আগে জার্মানি গিয়েছিলাম। ছিলামও মাস দেড়েক। সেই সময়ের অভিজ্ঞতা নিয়ে লিখছি জার্মানির জার্ণাল।

frankfurt-airport2
পৃথিবীর ব্যস্ত এয়ারপোর্ট গুলির অন্যতম ফ্রাঙ্কফুর্ট । আমরা যখন ওখানে পৌছালাম বাংলাদেশে তখন পড়ন্ত বিকেল আর ফ্রাঙ্কফুর্টে বুড়ো বাঘের মত শয়ে আছে শীতের দুপুর। তেজহীন সূর্যকে আগলে রেখেছে মেঘ, হঠাত দমকা বাতেসে কুয়াশা অথবা মেঘ সরে গেলে সূর্যের দেখা মেলে। আমাদের গন্তব্য মিঊনিখ এখান থেকে বিমানে ৪০ মিনিটের পথ।

বিস্তারিত»

অডিও ব্লগঃ কার্সড ফর ইটার্নিটি

অন্ধকার হাতড়ে ফোন তুলে যখন তোমাকে কল করলাম তুমি জানতেও পারোনি আমি তখন কবরের আঁধারে ডুবে ছিলাম। আমার শোবার ঘরের কাঁচের জানালার বাইরে তখন নিশুতি রাত। সামনের হলি গ্রোভ রোডে শুনশান নিরবতা। দূরে কোথায় যেন একটা এ্যাম্বুলেন্স চলে গেলো সাইরেন বাজিয়ে বাজিয়ে।

চল্লিশ মাইল দূরের শহরটিতে তুমি তখন শুয়ে পরেছো লুসিকে নিয়ে। তোমার পায়ের কাছে ধূসর রঙা বেডে গুটিশুটি মেরে শুয়ে আছে লুসি।

বিস্তারিত»

বাঘের দুধ

ক্লাস ইলেভেন, এ ফর্ম । একাডেমিক ব্লকের নিচের তলা । চতুর্থ পিরিয়ডের ঘন্টা পড়লো । ক্লাসে হাজারী স্যার কেমিস্ট্রি ফার্স্ট পার্ট খাতা নিয়ে আসলেন । খাতা দেয়া শুরু হলো ।

আশরাফ খাতা পেয়েই মুখ কালো করে বসে রইলো । সে ঘামছে আর বারবার কাউন্ট করছে । দুই তিন বার কাউন্ট করেই তার মুখ হাসি হাসি । এবার সে জিজ্ঞাসু দৃষ্টিতে এদিক সেদিক তাকাচ্ছে ।

বিস্তারিত»

আশা

কোন বিষাদগ্রস্ত হৃদয়ে
আশা যেন এক অন্তহীন কুজ্ঝটিকা,
বিভ্রান্তির আবহে এক অলীক কুহেলিকা।

কোমল যে হৃদয় একবার আশাহত হয়,
ভঙ্গুর কাঁচের ন্যায় খানখান হয়ে যায়,
তারে জোর করে জোড়ালেও দাগ রয়ে যায়।

পরাভূত মন, দহে অনুক্ষণ,
ব্যথিত হৃদয় পায় কিছু উপশম,
আশার উষ্ণ চাদর তারে ঢাকে যতক্ষণ।

ঢাকা
২৭ নভেম্বর ২০১৪
সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

বিস্তারিত»

মণ্ডল থেকে সরকারঃ পঞ্চম পর্ব

মণ্ডল থেকে সরকারঃ ১ম পর্ব


মণ্ডল থেকে সরকারঃ ২য় পর্ব


মণ্ডল থেকে সরকারঃ ৩য় পর্ব


মণ্ডল থেকে সরকারঃ ৪র্থ পর্ব


মণ্ডল থেকে সরকারঃ ৫ম পর্ব

মোঃ মতিউর রহমান সরকার আমার পিতা। তিনি ২য় মহাযুদ্ধের সময় সৃষ্ট বঙ্গীয় গৃহ রক্ষী দল ( The Bengal Home Guard) –

বিস্তারিত»

কল্পপুরের গাড়ি আর একটা ইনটেক বার্থডে…

ক্লান্ত শরীর নিয়ে বসে, দুপুর একটা বাজে। হঠাৎ-ই কল্পপুরের এক গাড়ি এসে হাজির। আরে, আজ না ১৫ই এপ্রিল, টাইম তো ২টা ছিল, তাইনা?

তড়িঘড়ি করে কল্পপুরের গাড়িতে চেপে বসলাম। গন্তব্য সেই ৬বছরের সম্পর্কে আঁটকে পড়া সবগুলো মুখের সাথে দেখা করা। আসলেই, আমার সেই ৬বছরের বন্ধুগুলো যেন ঐঠিক সেরকমই রয়ে গেছে আমার কাছে। এখন যতই ডিএসএলআর-এ ছবি তুলে ফাটিয়ে দিক, আমার কাছে আশিক সেই তব্দা খেয়ে তাকিয়ে থাকা গোবেচারা আশিক-ই আছে।

বিস্তারিত»

অতঃপর মখলেছের খায়েশ পূরণ

(গল্পের প্রতিটা চরিত্র কাল্পনিক। দয়া করে কোন বাস্তব ঘটনার সাথে মিল খুঁজতে গিয়ে বিভ্রান্ত হবেন না!)

অতঃপর মখলেছের খায়েশ পূরণ হইল! তবে মখলেছের খায়েশ পূরণ হওয়াটা অতটা সহজ ছিল না বটে। যদি শুরু থেকে দেখিতে হয়, তবে ভবপুর জেলার কুসুমপুর গ্রামে নজর ফেলিতে হইবে। আর প্রত্যুশের প্রথম দৃষ্টিটিই পড়িবে গ্রামের পেছনের নিরীহ পাটক্ষেতটিতে!

পাটক্ষেতের আইল ধরিয়া কিছুদূর ভিতরে গিয়া বসিলে বাহির থেকে দেখা যায় না,

বিস্তারিত»

অপার্থিব

ধুপ ধাপ হুলুস্থুল শব্দে ঘুম ভেঙ্গে যায় জাভেদের । ঘড়ির কাটা সাতটা ছুঁই ছুঁই । এই সাতসকালে রুমি পুরো রুমটা মাথায় নিয়ে নাচছে।
“ এই রুমি? কি শুরু করলি?” বিরক্তি ঝরে পরে জাভেদের কণ্ঠে ।
“ আজকে পহেলা বৈশাখ , ভুলে গেলি? আর তাছাড়া আজ অনেকদিন পর সায়মার সাথে দেখা হবে । এই জন্য আমি অনেক এক্সাইটেড। কতদিন ওকে দেখি না!”
“ কিইইইই !!!

বিস্তারিত»