১৯৭১ সালে পশ্চিম পাকিস্তানের শোষন, শাসন ও ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে পূর্ব পাকিস্তানে যে আন্দোলন দানা বেধে উঠছিল তা তদানিন্তন আইয়ুব ক্যাডেট কলেজকেও প্রভাবিত করেছিল। কলেজের অধ্যক্ষ এম বকীয়তুল্লাহর নেতৃত্বে অ্যাডজুটেন্ট ক্যাপ্টেন রশীদ, শিক্ষকবৃন্দ,কর্মচারীবৃন্দ এবং সকল ক্যাডেট অহিংস এবং অসহযোগ আন্দোলন সক্রিয়ভাবে সমর্থন করেন। দেশের রাজনৈতিক অবস্থা ক্রমেই জটিল এবং অস্থিতিশীল হয়ে ওঠার প্রেক্ষিতে উর্দ্ধতন কতৃপক্ষের নির্দেশে ১৯৭১ সালের ৯ মার্চ আইয়ুব ক্যাডেট কলেজ বন্ধ করে দেয়া হয় এবং ক্যাডেটদের বাড়ি পাঠিয়ে দেয়া হয়।
বিস্তারিত»সিসিবি’র এই ঋণ কোনদিন শোধ হবে না…
ব্লগিং তো দূরের কথা, সিসিবিতে যোগ দেয়ার আগে আমি বাংলা টাইপই করতে পারতাম না। সেই আমি আজ বই প্রকাশ করার সাহস দেখাতে পারছি! ভাবা যায়! এর কৃতিত্ব পুরোটাই সিসিবি এবং সিসিবির সকল সদস্যের। আপনাদের অনুপ্রেরণা, প্রশ্রয় এবং ভালবাসা ছাড়া এটি কখনোই সম্ভব হত না। সিসিবি’র এই ঋণ কোনদিন শোধ হবার নয়।
—-
হে সিসিবিবাসী,
আমার উপন্যাস- ‘বলের বদলে গ্রেনেড’
বিস্তারিত»তিনিও ছিলেন পাশেঃ জ্যঁ ক্যুয়ে

৩ ডিসেম্বর, ১৯৭১।
সকাল বেলা।
অর্লি বিমানবন্দর, প্যারিস।
কিছুক্ষণ আগে লন্ডন থেকে ১৭ জন যাত্রী এবং ৬ জন বিমান ক্রু বহনকারী পাকিস্তান এয়ারলাইন্স এর করাচিগামী বোয়িং ৭২০ বি বিমানটি এখানে ল্যান্ড করেছে। এয়ারলাইন্স এর ভাষায় যার নাম পি কে- ৭১২। করাচি যাবার আগে এটি আরও থামবে যথাক্রমে রোম এবং কায়রোতে।
প্যারিসে আরও পাঁচজন নতুন যাত্রী উঠল। এর মধ্যে পঞ্চম জন উঠলেন একেবারে শেষ মুহূর্তে।
বিস্তারিত»থার্ড বেঙ্গলের প্রতিরোধ যুদ্ধ
থার্ড বেঙ্গলের প্রতিরোধ যুদ্ধ
ব্রিগেড কমান্ডারের ডাক পেলে বরাবরই মনটা চনমনে হয়ে ওঠে লেফটন্যান্ট কর্নেল ফজলে করিমের। কমান্ডারের অফিসে ঢুকে সব সময় অনার বোর্ডের দিকে নজর চলে যায়। ২৩ ব্রিগেডে এখন পর্যন্ত যারা ব্রিগেড কমান্ডার হয়েছেন সবার নাম সেখানে জ্বল জ্বল করছে।করিম স্বপ্ন দেখেন একদিন তাঁর নামটাও থাকবে ওখানে। তবে অনার বোর্ডের ডিজাইনটা পছন্দ হয়না তাঁর। ব্রিগেড কমান্ডার হলে অনার বোর্ডটা পাল্টাবেন। কমান্ডারের টেবিলটাও একটু ঘুরাতে হবে।
বিস্তারিত»সিনিয়ার টাইগার্সের বিদ্রোহ
৩০ মার্চ সকাল আটটার আগে সিও’র অফিসের বারান্দায় অবিশ্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে দাঁড়িয়ে লেফটেন্যনাট হাফিজ উদ্দিন আহমেদের মনে হল তিনি এক অসম যুদ্ধের নাগালে চলে এসেছেন । আগের দিন জগদীশপুর ক্যাম্পে, ব্রিগেড কমান্ড ভয়েসের প্রায় অসঙ্গত যে সমস্ত কথপকথন আচমকা তাঁর কানে এসে গিয়েছিল, হঠাত করে সেগুলি তাঁর কাছে পরিস্ফুট হতে শুরু করল। রাত বারোটার দিকে ইউনিটে ফিরে আসতে আসতে ইউনিটের চারিপাশে তিনি যে পরিখা কাটা দেখেছিলেন,
বিস্তারিত»বলের বদলে গ্রেনেড! (শেষ পর্ব)
বলের বদলে গ্রেনেড (১০ম পর্ব)
বলের বদলে গ্রেনেড (৯ম পর্ব)
বলের বদলে গ্রেনেড (৮ম পর্ব)
১৫।
দিলু মামার বাসা খুঁজে পেতে বেশি বেগ পেতে হল না।
বাবার নির্দেশমতো মহেশপুর বাস স্ট্যান্ডে নেমে কিছুটা হেঁটে ওরা শ্রীরামপুর বাজারে উপস্থিত হল। সেখানে এক বড় দোকানে জিজ্ঞাসা করতেই ওরা মামার বাসা দেখিয়ে দিল।
মামার বাসায় ওরা যখন উপস্থিত হল ততক্ষণে প্রায় সন্ধ্যে হয়ে এসেছে।
বিস্তারিত»বলের বদলে গ্রেনেড (৭ম পর্ব)
১৩।
এপ্রিল, ১৯৭১
অস্থায়ী বাংলাদেশ সরকার গঠনের খবর শুনে অন্যান্য স্থানের মতনই গোপালগঞ্জেও সবার মধ্যে নতুন করে উদ্দীপনা জেগে উঠল। কেননা, সরকার গঠনের মাধ্যমে চলমান স্বাধীনতা যুদ্ধ আনুষ্ঠানিক মর্যাদা পাবে। এতে করে বহির্বিশ্বেও এর গ্রহণযোগ্যতা বৃদ্ধি পাবে। ইতোমধ্যে প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমেদের নির্দেশে শিলিগুড়ির অল ইন্ডিয়া রেডিওকে বদলে নাম রাখা হয়েছে স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র।
বিস্তারিত»বলের বদলে গ্রেনেড (৬ষ্ঠ পর্ব)
বলের বদলে গ্রেনেড (৫ম পর্ব)
৯।
জ্বর এবং চাচার কঠোর নিষেধাজ্ঞার কারণে পরবর্তী কয়েকদিন অনিকের ঘর থেকে বের হওয়া বন্ধ হয়ে গেল। অবশ্য, কিছুটা দেরি হলেও খুলনা এবং দেশের প্রায় এলাকার খবর ঠিকই জানতে পারছিল। কেননা, রেডিও বা পত্রিকা তো ছিলই, এর পাশাপাশি ওর বন্ধুদের মধ্যে প্রায় প্রতি বেলাতেই কেউ না কেউ আসত।
বিস্তারিত»বলের বদলে গ্রেনেড (৪র্থ পর্ব)
৭।
আজকের সকালটা কেমন বিষণ্ণ! অনিক মনে মনে ভাবল। সকালে নাস্তা করার পর সেই কখন থেকে টেবিলে বসে পড়ার চেষ্টা করছে, কিন্তু কিছুতেই মন বসাতে পারছে না।
গতকাল গোপালগঞ্জ থেকে চিঠি এসেছে। এবার অনেকদিন পর বাবা-মা’র কাছ থেকে চিঠি এল। অবশ্য শুধু বাবার কথা বলাই ভাল,
বিস্তারিত»বলের বদলে গ্রেনেড (৩য় পর্ব)
৪।
পরদিন সকাল বেলা।
ওয়ার্ম আপ শেষে সবাই মাঠের মাঝখানে দাঁড়িয়ে আছে। সুনীলদা অনিককে ডেকে বললেন,
-এখন থেকে তুই পয়েন্টে ফিল্ডিং করবি। শুধু প্র্যাকটিসের সময় নয়, ম্যাচের সময়েও।
-কেন, সুনীলদা?
-পয়েন্ট এবং গালি’তে দলের সবচেয়ে ভাল ফিল্ডারকে থাককে হয়। শার্প ক্যাচের ব্যাপারটি তো আছেই, বিপক্ষ দলের ব্যাটসম্যান রান চুরি করতে চাইলে রান আউটের সুযোগ পাওয়া যায়।
বই নিয়ে আলোচনা- রক্তে ভেজা একাত্তর
বই এর নামঃ রক্তে ভেজা একাত্তর
বই এর ধরণঃ মুক্তিযুদ্ধের দিনলিপি, সম্মুখ সমরের স্মৃতিচারণ
লেখকের নামঃ মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ, বীর বিক্রম
প্রকাশকের নামঃ মফিদুল হক, সাহিত্য প্রকাশ, ৮৭, পুরানা পল্টন লাইন, ঢাকা-১০০০
প্রচ্ছদঃ অশোক কর্মকার
উৎসর্গঃ ঈস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট এর প্রথম ব্যাটালিয়ন দি সিনিয়র টাইগার্স এর স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী সকল সহযোদ্ধার উদ্দেশ্যে নিবেদিত
প্রথম প্রকাশঃ ফাল্গুন ১৪০৩,
