কতোদূর এগোলো মানুষ

‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ নামের এক শব্দবন্ধের সঙ্গে আমাদের তারুণ্যের বেড়ে ওঠার অনেক স্মৃতি জড়িত। মনে পড়ে, তখন হঠাত করেই পত্র-পত্রিকা, মিডিয়া, বিজ্ঞাপন কিংবা জনমুখে ‘ডিজিটাল’ শব্দের ব্যবহার বেড়ে গেলো। সে সময়ে মানুষের মস্তিষ্কে তা এমন অভিঘাত তুলেছিলো যে শহর কিংবা মফস্বলে বিভিন্ন দোকানপাটের নামের সঙ্গে দেদার্চে ডিজিটাল শব্দটি যুক্ত হওয়া শুরু করলো। ‘মায়ের দোয়া ফুচকা’ হয়ে গেলো ‘ডিজিটাল ফুচকা শপ’, ‘আল্লাহর দান বিরিয়ানি’ হয়ে গেলো ‘ডিজিটাল বিরিয়ানি হাউজ’ এমন অজস্র উদাহরণ রয়েছে।

বিস্তারিত»

তাল পিঠা

দমকা হাওয়ায় নিভে গেল বিজলী বাতি। এ তল্লাটে এমনটি ঘটে না সচরাচর। পাশের বাড়ির এক ঝাপটা বাতাস নাসারন্ধ্র পথে ডুব দিলো অনেক গভীরে। বজ্রপাতের আলো আঁধারের মাঝে ঝপঝপ বৃষ্টি। হারিকেনের টিমটিমে আলোয় কাঁসার থালা হাতে বুবু। কলা পাতার উপরে লাল চাপড়া আর বড়ার সুবাস আসছে। মা পিঠা বানিয়েছে। জিভে জল চলে এলো! হঠাৎ টরটর করে ওঠে ফ্যানটা। পটরপটর করে থিতু হবার চেষ্টায় টিউবলাইট। আরেকটু দেরী করে এলে ক্ষতি ছিল না বিজলী!

বিস্তারিত»

ক্যাডেট রম্যের দ্বিতীয় সংস্করণ ও ই-বুক প্রকাশ

‘ক্যাডেট রম্য’ নামে আমার একটা বই আছে। ২০১৬ সালের বইমেলায় বইপত্র প্রকাশন থেকে বইটি প্রকাশ পেয়েছিলো। মাত্র আটদিন বইটি মার্কেটে ছিলো। চাহিদা থাকা সত্ত্বেও মেলার পর বিভিন্ন কারণে বইটার হার্ড কপি আর প্রকাশ করা হয় নি। বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন মানুষ বইটির খোঁজ করেছেন। ‘ক্যাডেট রম্য’ নামে প্রথম আলোর অধুনালুপ্ত ফান সাপ্লিমেন্ট রস+আলো এবং দৈনিক ইত্তেফাকের ফান সাপ্লিমেন্ট ঠাট্টায় ২০১১-২০১৪ সময়কালে লিখেছি। ফলে, ‘ক্যাডেট রম্য’-এর এক ধরণের পাঠক শ্রেণী গড়ে উঠেছিলো।

বিস্তারিত»

এক কুড়ি হাইকু

হাইকু ২০১

পোর্টহোলে চোখ
গোলাপী ডলফিন খেলে
নির্জন সৈকত

হাইকু ২০২

সুপার পিঙ্ক মুন
ঘরে নাইকো চাল ডাল মা
খিদা লাগিচে

হাইকু ২০৩

নিষ্ঠুর এপ্রিল
পূর্ণীমায় কাল ছোপ
স্তব্ধ পৃথিবী

হাইকু ২০৪

তাজ্জব মুঠোফোন
অকাতর জ্ঞান বিতরন
রাজা উজির বধ

হাইকু ২০৫

মুক্ত পৃথিবী
প্রস্থান বা আগমনে
স্পর্শ চাই প্রিয়

হাইকু ২০৬

সরু মেঠোপথ
থেমে থেমে ত্রস্ত পায়
বেজী ফিরে চায়

হাইকু ২০৭

ঘরবন্দী মানুষ
শেষ রাতে পাখি ডাকে
ফুল কুঁড়ি জাগে

হাইকু ২০৮

সঙ্গনিরোধ কাল
নিজ ভাল পাগল বোঝে
গাড়ল তেজপাতা!

বিস্তারিত»

লক্ষ দার্শনিক

ফেসবুকের কল্যাণে আজ আমাদের দেশে লক্ষ লক্ষ দার্শনিক ! আমি না হয় দর্শক হয়ে এভাবেই দার্শনিকদের কাছ থেকে ক-খ শিখলাম ।

প্রবাদবিশ্বকোষকে ছাড়িয়ে যাওয়া আমার গুরুবিশেষ এহসান ভাই অশ্রুতপূর্ব একটি বিশেষ উক্তি দিয়েছিলেন যা আমার মনে মহামন্ত্র হয়ে আছে । সেটা না বললে সামনের এত কথা পাঠকের মাথার বহু ওপর দিয়ে উড়োজাহাজ হয়ে উড়ে যাবে ।
কথাটা মনের বুকপকেটে রেখে দিয়েন –

বিস্তারিত»

আর্তনাদ বড় অসময়ে আজ

হাতের ব্যথা এখনও অনুভব করি সগৌরবে ।

REVERSE HOUR – এ এতোগুলা জুনিয়র যদি এত্ত গুলো push up দেওয়ায়, তবে কই যাবো? দুর্বল মানুষ এমনিতেই ।

হে কক্ষ নং ৭ অফ ৪৫তম ব্যাচ অ্যান্ড Monir Hasan ….. have I given you such টাইপ punishment !!!!

কিছু কষ্ট খুবই মধুর !!! খুবই পেতে ইচ্ছে করে ।।

আমি বলবো না- হে আমার ৪৪তম ব্যাচের সুখ- দুঃখের সাথী,,

বিস্তারিত»

কি করে অকৃতজ্ঞ হও?

স্বপ্ন দেখে দিন যায়, আধো ঘুমে রাত যায়,
সহজেই ভুলে যাওয়া বেকুব অকৃতজ্ঞ মানুষের কাছে সম্মান পাওয়ার স্বপ্ন ,
দুই দিনের দুনিয়ায় অনেক ধনী হবার স্বপ্ন।

আবার অবাক চোখে তাকিয়ে দেখি 
জেগেও দেখি, ঘুমিয়েও দেখি

একবারও কি স্বপ্নে দেখেছি পালনকর্তার সামনে দাঁড়ানোর মুহূর্তের কথা !!

###

সন্ধ্যার ক্লান্ত ঘরে ফেরা মানুষ দেখি
এবং আয়েশরত মানুষ
সন্ধ্যা-প্রভাত ভ্রমণ পিয়াসী মানুষ,

বিস্তারিত»

সূর্য উঠিবে কবে ?

লালনের কথাগুলো একটু সময় নিয়ে বুঝবে কে ??

ফেসবুকে কেউ শিখতে আসে কি ? বিনোদনের জায়গা এটা ।
কেমন বিনোদন? দুনিয়ার মত ।

“আসবার কালে কি জাত ছিলে
এসে তুমি কি জাত নিলে,
কি জাত হবা যাবার কালে
সে কথা ভেবে বল না।।

ব্রাহ্মণ চন্ডাল চামার মুচি
এক জলেই সব হয় গো শুচি,

বিস্তারিত»

পোষ্য

আজকে স্বপ্ন দেখছিলাম আমার চামড়ার নিচে স্টোমডিয়াম ( তেলাপোকার ডিম) ভর্তি। চুলকালেই ঘামাচির মতন উঠে আসছে। মাঝে মাঝে দুই একটার মধ্যে শিশু তেলাপোকাও আরাম করে বসে থাকে, ছাদ ভাঙ্গলেই বিরক্ত হইয়ে ছুটাছুটি শুরু করে। অথচ আমি যেই স্বপ্নটা দেখছিলাম সেইটা কিন্তু খুব সুন্দর, মিষ্ট মিষ্ট একটা স্বপ্ন। আমি স্বপ্ন দেখি অনেক লম্বা লম্বা, ( যেইটা আসলে অলস মানুষ হিসেবে আমার বৈশিষ্ট্য) অনেক ডিটেইলে; যদিও ঘুম থেকে উঠার পরে তার খুব কমই মনে থাকে,

বিস্তারিত»

ছেলেমানুষের ভবিষ্যত

ছেলেমানুষেরা যে একগুঁয়ে, মাথামোটা আর অনমনীয়, ব্যাপারটার একটা ভালো উদাহরণ ফ্যাশন ইন্ডাস্ট্রি।ফ্যাশন জগতে মেয়েদের কাপড় চোপড় নিয়ে যে পরিমান পরীক্ষা নিরীক্ষা করা হয় তার দু ভাগও ছেলেদের পোষাক নিয়ে করা হয় কিনা সন্দেহ! কারনটা কি? এই সেক্টরে মেধবী মানুষজন নাই? নাকি বাজার চায়না? অথবা হয় ছেলেদের ফ্যাশনে আগ্রহ নাই, একটা হলেই হল নয়ত তাদের নতুনে আগ্রহ নেই, নতুন কিছু বের করলেও বাজারে বিকোয়না, এর বাইরে তো আর কোন কারন হতে পারেনা,

বিস্তারিত»

মঁ ভেলো -১

মানুষের কতরকম শখ থাকে; কেউ ছবি আঁকে, কেউ গান গায়, কেউ গান শোনে। কেউ জিনিষপত্র জমায়, কেউ কেউ বিলায়ও। কেউ বাড়ি গাড়ি করে, কেউ করে শপিং! আমি ভালবাসি মানুষ, জীবন, গতিময়তা, অভিজ্ঞতা, মুহুর্ত। কংক্রিটের এই জঙ্গলে শুধুমাত্র টিকে থাকতে, টপকে উঠতে মানুষ যখন তার সবটুকু দিয়ে ছুটতে থাকে, আমার সেখানে এই ইঁদুর দৌড় থেকে দূরে, আরো দূরে চলে যেতে ইচ্ছে করে। আর তাই সুযোগ পেলেই আমি আমার প্রিয় বন্ধুটাকে নিয়ে বেড়িয়ে পড়ি,

বিস্তারিত»

আমরা সবাই রাজা

লিজার্ড লগ পার্কে পৌঁছুতে মনে হলো কোন অলিম্পিক ভিলেজে এসেছি বুঝি। উনিশশো ছিয়ানব্বইতে আটলান্টা অলিম্পিকে বিভিন্ন ইভেন্ট দেখার পাশাপাশি ঘুরে ঘুরে শহরের সাজসজ্জা দেখেছিলাম। ইসিএফ অস্ট্রেলিয়া আয়োজিত ক্যাডেটস ডে আউটের বর্ণাঢ্য আয়োজন দেখে অলিম্পিকের পুরনো স্মৃতি ফিরে এলো মনে। পার্কে আমরা পৌঁছুতেই চারপাশের উৎসবমুখরতা চোখে পরে! এখানে শীতের শেষে গাছে গাছে নবীন পাতা আর রংবাহারী ফুলের মেলায় আলো ছড়াচ্ছে প্রিয় সব মুখ। ব্যানার, ফেস্টুন, বেলুন আর কলেজের পতাকায় বর্ণময় বসন্ত সকাল!

বিস্তারিত»

সময়ের ভালোবাসা

কেমন করে সময় গুলো যেন ফুরিয়ে যাচ্ছে

কারন সময় কারো জন্য কখনো অপেক্ষা করে না,

আমি তাল রেখে জোড় করে কদম মিলাচ্ছি

আথচ বারে বারে তাল বেতাল হয়ে যাচ্ছি।

 

রাস্তার পাশে বসেছে উষ্ণ চায়ের আড্ডা

আথচ আমি আজ তার স্বাদ নিতে ভুলে গেছি,

এক সময় মন প্রাণ ছুটে যেত কবিতায়

আজ কবিতার কথায় নষ্টালজিক হয়ে গেছি।

বিস্তারিত»

ভয়াল নেশা- ইয়াবা

ঈদানীং খবরের কাগজ খুললেই দেখা যায়, কোথাও না কোথাও ইয়াবাসহ কেউ না কেউ গ্রেপ্তার। ক’বছর আগেও এমন ছিল না। বর্তমানে এই নেশা ছড়িয়ে পরেছে ব্যাপক হারে। আর এই নেশা সেবনকারী কিন্তু সমাজের কোন বিশেষ পর্যায়ের নয়। এটার বিস্তৃতি সমাজের উপরস্তর থেকে একদম নীচুস্তর পর্যন্ত। এ যেন সবার-আপামর-

এই নেশার বিক্রেতারা কিন্তু এখন আর দূস্প্রাপ্য নয়। তাদেরকে কিন্তু এক্কেবারেই হাতের নাগালেই পাওয়া যায়। তারা কিন্তু আবার ঈদানীং পয়সার চিন্তাও করে না।

বিস্তারিত»

শব্দহীণ পাথরের শব্দ

আমি পথের পদাবলী ধরে
তোমার কাছে পৌঁছুঁবো,
সে পথও তুমি খোলা রাখোনি ।
হৃদয়ের নিভৃতে ক্ষীণ আশা জাগে
এই বুঝি তোমার সান্নিধ্য পাব,
কিন্তু সে পথের দরজা তুমি খোলনি ।

আমার এই দেহটা যেদিন
অসাঢ় নিথর হয়ে পরে থাকবে
সেদিন তুমি শুধু স্মৃতি হাতড়াবে ।

আজ বরং এই বেচেঁ থাকা মানুষটির দিকে তাকাও
শব্দহীন পাথরের শব্দ শুনতে চেষ্টা করো,
দেখবে পাথর জীবন পাবে, ভালোবাসবে ।

মনে মনে বলি,

বিস্তারিত»