আমার প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা ছিলো ফাঁকিবাজিতে ভরা । তবে আমার শিক্ষকরা ছিলেন চমতকার। বইএর বাইরে তাদের কাছে যা শিখেছি তাই ভাঙ্গিয়েই জীবন চলছে । প্রথমে সুলতা দিদি মনির কথা বলি। আমি যখন মিশন স্কুলে ভর্তি হলাম (এই স্কুলের ভালো নাম স্যাকরেড হার্ট জুনিয়ার হাই স্কুল) তখন আমার নিজের ভালো নাম জানতাম না। একটা মৌখিক ভরতি পরীক্ষা দিতে হয়েছিলো। মাদার ভিঞ্চিন্সা, সিস্টার জেমস আর সুলতা দিদি মনির কাছে।
বিস্তারিত»অস্থিতিশীল ইয়েমেন পরিস্থিতি ও আটকে পরা বাংলাদেশিদের আর্জি
ইয়েমেন এর প্রেজেন্ট পরিস্থিতি সবাই ফলো করতেছে কিনা আমি জানিনা। গত কয়েকদিনে যা বুঝলাম তাতে মনে হলো পরিস্থিতি কিন্তু খুব বাজে কিছুর দিকে যাচ্ছে। হৌদি নিয়ন্ত্রিত বিদ্রোহী গ্রুপ পুরো দেশটাকে এক ধরণের গৃহযুদ্ধের দিকে ঠেলে দিচ্ছিল। এই বিদ্রোহী গ্রুপ মূলত শিয়া অধ্যুষিত। স্বাভাবিক ভাবেই মধ্যপ্রাচ্যে এক মাত্র মিত্র হিসেবে তারা ইরানকে পাশে পেয়েছে। সুন্নী অধ্যুষিত সৌদি আরব এখন যে সাম্প্রতিক সামরিক পদক্ষেপ গুলো নিচ্ছে সেটার পেছনে তারা কারন হিসেবে ব্যাখা করেছে ,”
বিস্তারিত»রাধাকথন -১২
গমকে গমকে
বিজুরি চমকে।
সে কার ঠমকে
ফের ঘায়েল হলি,
হা কালা!
আকাশে
আজ সারাদিন
রাগ মেঘ –
ওস্তাদজির সারেংগিতে
ফুঁসে উঠছে ঝালা;
বৃষ্টির প্রথম ফোঁটার মতন
চোরচোর পায়
মোর আঙিনা দিয়ে
তবু আনবাড়ি গেলি হায়!
ঢাকার শুনানি, ঢাকায় শুনানি (খ)
(সর্বশেষ লিখা দিনলিপির শিরোনাম দিয়ে চালিয়ে দেয়ার সিদ্ধান্ত নিলাম)
অলস মস্তিষ্ক নাকি শয়তানের আখড়া। গত দেড় মাসে বিধ্বংসী ও শয়তানি কার্যকলাপ কিছু করেছি বলে মনে পড়ছে না। নাকি দেড় মাস যথেষ্ট সময় নয়? কফিতে ইদানিং দুধ চিনি দিচ্ছি। ইন্সট্যান্ট কফি পানিতে গুলে পান করতে রুচি হয় না। আষ্টেপৃষ্ঠে বেঁধে ফেলা জীবনধারায় ছোট একটি ব্যত্যয়। নিয়মগুলোর ব্যাখ্যা শুনে বন্ধুরা বিভিন্ন ভাবে তাকায়।
আমি ও ক্যাডেট কলেজ
এখনো মনে হচ্ছে এই তো সেদিনের কথা আব্বু আম্মুর হাত ধরে ক্যাডেট কলেজে ঢুকলাম। সেদিন ভুল করে হাফহাতা শার্ট পরে গিয়েছিলাম। গাইড নাহিদ ভাই আমাকে রুমে নিয়ে গেলেন এবং রুমে থেকে ফুলহাতা শার্ট পরে অডিটরিয়াম এ আসলাম। প্রিন্সিপাল কী যেন বক্তৃতা দিলেন কিছুই মাথায় ঢুকলনা। এরপর আব্বু আম্মু আমার রুম দেখলেন। তারপর একটা সময় বিদায় নিয়ে চলে গেলেন।
সেদিন খুব ঘোরের মাঝে ছিলাম।
বিস্তারিত»ওয়েস্ট ইন্ডিজঃ সোনালী অতীত, বিবর্ণ বর্তমান ও ধূসর (!) ভবিষ্যত!!
ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট দল, ওয়েস্ট ইন্ডিজ বা উইন্ডিজ (ইংরেজি: West Indies cricket team) বহুজাতিক ক্রিকেট দল নিয়ে গঠিত। ১৫টি ইংরেজিভাষী ক্যারিবিয় দেশ, ব্রিটিশ উপনিবেশ এবং ব্রিটিশ উপনিবেশবিহীন দ্বীপরাষ্ট্রসমূহের ক্রিকেট দলের অংশগ্রহণ ঘটেছে এতে।
–উইকিপিডিয়া
সদস্য দেশ ও অঞ্চলগুলো হচ্ছেঃ
১। এন্টিগা এবং বারবুডা
২। বার্বাডোজ
৩। ডোমিনিকা
৪। গ্রানাডা
৫। গায়ানা
৬।
হারানো বন্ধুরা
মুনির
সে হাসতে জানতো। অমন প্রান ফাটানো হাসি সবাই পারে না। বিষেশ আমি ছেলেবেলা থেকেই ব্যজারমুখো। তাই ওকে কিছুটা হিংসাই হতো। নিতান্ত সহজ সরল ভালোমানুষ বন্ধুটি আমাদের, কলেজের সীমানা পেরোবার আগেই তার মা কে হারিয়েছিল। এরপর বিশ্ববিদ্যালয়ের পর্ব ও পেশাদারী জীবন, ঘরকন্না সংসার ইত্যদির ঘুর্নিপাকে আমরা অনেকেই ছিটকে গেছি। সবার সাথে আগের মতন যোগাযোগ নেই। মাঝে মধ্যে ওর খবর পাই। মেলাতে পারি না।
বিস্তারিত»তিনখানা কবিতা
১
ফোন, টেক্সট কিংবা ইমেইল করা যাবে না – নিষেধ করেছো তাই।
ইনবক্স, ভাইবার কিংবা হোয়াটসএপ করা যাবে না – ব্লক রেখেছো তাই।
এমন কিছু কি করতে পারলে না, যেন মনেই না পড়ে আর তোমায়?
তাইলেই তো ল্যাটা চুকেবুকে যেতো একেবারে……
চাওয়াটা কি একটু হয় বেশি হয়ে গেল?
কি করেই বা আর তুমি করতে তা –
বিস্তারিত»হযবরল!
হসপিটাল থেকে ছাড়া পেয়ে সপ্তাহখানেক হলো বাসায় এসেছি, যদিও এখনো পায়ে প্লাস্টার নিয়ে বিছানা বন্দী। আরো প্রায় দু সপ্তাহ এ অবস্থায় থাকতে হবে। তবে সত্যি কথা বলতে আমি খুব সম্ভবত জীবনের অন্যতম সেরা সময় কাটাচ্ছি, কারন প্রায় ২৪ ঘন্টাই আমার পাশে শুয়ে থাকছে নক্ষত্র। ছেলের প্রতিটা নড়াচড়া, অভিব্যক্তি এখন আমার নখদর্পনে। এমন কি এটাও এখন প্রায় বুঝতে পারি কোনটা ওর ক্ষুধার কান্না, কোনটা কাপড় ভিজিয়ে ফেলার,
বিস্তারিত»ওয়াশিকুরের খুনীদের ফাঁসি চাই
এ বছরের ২৬ ফেব্রুয়ারি অভিজিৎ রায় ও বন্যা আহমেদের ওপর আক্রমণের পর আজ ৩০শে মার্চ ২০১৫ সকালে ধর্মীয় মৌলবাদিদের হামলায় ব্লগার মোঃ ওয়াশিকুর রহমান বাবু নিহত হলেন। ওয়াশিকুর রহমান অনলাইনে বেশি কিছুদিন ধরেই লেখালেখি করছিলেন।
বাংলা কমিউনিটি ব্লগ অ্যালায়েন্সের পক্ষ থেকে আমরা এই খুনের তীব্র নিন্দা জানাই ও খুনীদের ফাঁসি দাবি করি।
আমরা আরো আশা করি, সরকার লেখালেখির পরিবেশ নিশ্চিত করাসহ জননিরাপত্তা বিষয়ে আরো দৃশ্যমান ও জোরদার পদক্ষেপ নেবে।
বিস্তারিত»অভিজ্ঞতা অর্জন ও তা নিয়ে বৃন্দব্লগিং
আগে এমনটা হয়েছে কিনা, চোখে পড়ে নাই।
তবে হলে মনেহয় মন্দ হবে না ব্যাপারটা।
ধরা যাক দল বেঁধে কোথাও গেলাম বেড়াতে বা অভিজ্ঞতা অর্জনে। তারপরে পুরো ট্রিপটা ভাগ করে নিয়ে এক এক অংশের উপরে এক এক জন তাঁদের অভিজ্ঞতা / মতামত লিখলো।
একজন যাওয়াটা কভার করলো তো আরেকজন ফেরা। মাঝের টুকরো অভিজ্ঞতা/ইভেন্টগুলো অন্যরা ভাগ করে নিলো কে কোনটার উপরে লিখবে।
বিস্তারিত»এমছিযির প্রশ্ন
দুটি ক্ষুদ্র সাফল্যের কথা…
আমি গত ৪/৫ বছর যাবত “Serving The Humanity” নামের এক সমাজকল্যাণমূলক প্রতিষ্ঠানের সাথে যুক্ত আছি। এটা মুলতঃ কিছু প্রাক্তন এমসিসি ক্যাডেটদের নিয়ে গঠিত, যারা জনদরদী মনোভাবাপন্ন এবং প্রত্যেকেই নিজ নিজ পেশায় প্রতিভার উজ্জ্বল স্বাক্ষর রেখেছেন। এই প্রতিষ্ঠানটি এর বাইরেও কিছু পরোপকারী উৎসাহী ব্যক্তিদের নিয়ে জামালপুর জেলার মেলান্দহ উপজেলার দূরমুট নামক এক প্রত্যন্ত অঞ্চলে প্রথমে খুবই ছোট্ট পরিসরে একটা স্বাস্থ্যসেবা ক্লিনিক প্রতিষ্ঠা করে, যার উদ্দেশ্য ছিলো এলাকার মূলতঃ নারী ও শিশুদের কাছে অন্ততঃ গড় মানের চিকিৎসা সেবা প্রদান করা।
বিস্তারিত»প্রথম কান্না
ক্যাডেট ক্কলেজের প্রথম সপ্তাহ কাটলো ঘোরের মধ্যে। সবার ঘোর লাগা শুরু হয় মা বাবা চলে যাবার পর। আমার শুরু হাউসে পৌছানোর পরপরই।
ডরমিটরিতে বাক্সো রাখার প্রায় সাথে সাথেই একজন সিনিয়র ভাই ধরে নিয়ে গেলেন কমন রুমে। তাঁর উদ্দেশ্য সাড়ে বারো বছরের শিশুটিকে নিজের পায়ে দাঁড়াতে সাহয্য করা। তিনি আমাকে যখন ক্যারাম খেলা শেখাচ্ছেন, তার ফাকে কখন ঘন্টা পড়ে গেল জানিনা। খেলা শেষ করে রুমে ফিরে গিয়ে দেখি মা বাবা ফিরে গিয়েছেন।
বিস্তারিত»