প্যারেন্টিং নিয়ে আমার ভাবনাঃ অতীত ও বর্তমান

১।

প্যারেন্টিং অত্যন্ত কঠিন। সম্ভবত পৃথিবীর সবচেয়ে কঠিনতম কাজের একটি। একেবারে শূন্য থেকে শুরু করে একটি বাচ্চাকে একটু একটু করে লালন-পালন করার মাধ্যমে কঠিন ও বিপদসংকুল পৃথিবীর জন্য প্রস্তুত করা মোটেই চাট্টিখানি কথা নয়। ছোট বেলায় কথায় কথায় বড়রা বলত- ‘যেদিন বাবা-চাচা-মামা হবি, সেদিন ঠিকই বুঝবি!’ বাবা না হলেও বহুদিন হলো চাচা হয়েছি। সমবয়সীরা (অনেকে একাধিক বাচ্চার) বাবা-মা হয়ে গেছে। কিন্তু, আমি তো বুঝিই না,

বিস্তারিত»

সারায়েভো সাফারি (Sarajevo Safari)!

”মানুষের মত এত অমানুষ জানোয়ার এই পৃথিবীতে নেই!”
সতর্কীকরণঃ নিচের লেখাটি নিজ দায়িত্বে পড়বেন। দুর্বল মনের অধিকারী হলে না পড়াই ভালো।

—————————

আজ একটি ডকুমেন্টারির ব্যাপারে জানতে পারলাম। নাম ‘সারায়েভো সাফারি’ (Sarajevo Safari)। এ বছরের আল-জাজিরা বলকান ডকুমেন্টারি ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে মুক্তি পাবে। ডকুটির টেকনিক্যাল তথ্যঃ

Genre: feature documentary film
Duration: 75 min
Year: 2022
Screenplay: Miran Zupanič
Director: Miran Zupanič
Featuring: Stana Ćišić,

বিস্তারিত»

মাতৃগৃহ

মাতৃগৃহ
মোহাম্মদ ওবায়েদুল্লাহ খান ওয়াহেদী।

হরষি পুলক মাতিয়া হঠাৎ কাদিয়া উঠিল মন
পাগলপারা কস্তুরি খুঁজি মৃগয়া মরিয়া যেমন,
আপন হৃদয় গন্ধে মাতাল মরমি বিভোর সুখে
বাজিয়া উঠিল বীণা অন্তরে সুরের পরশ বুকে।
মধুর মধুর কত স্মৃতি মর্মে মাতিয়া গল্প কহে,
আনন্দ বেদনা মাখা সুখের তরনি নদীতে বহে।।

মায়ায় ভরা কুটির জনক জননীর আদর মাখা
দাদা দাদি কাকা কাকি স্নেহ মায়ার চাদর ঢাকা,

বিস্তারিত»

ইশ্বরের দখলদার

জেনিন ঘিরে ফেলেছি
কোন শালাই আর বেরুতে পারবে না
একটা ইঁদুরও নয়
বন্ধ করে দিয়েছি
গুহা, পর্বত – সব
হারামখোর সন্ত্রাসীগুলোকে না খাইয়ে মারবো
এবার বুলডোজার পাঠাবো
ঐযে, ঐযে – ন্যাংটো শয়তানটা
পরনে কাপড় নেই
ধ্বসে পড়া ইট-সুরকির মধ্যে হেঁটে যাচ্ছে
সেও তো এক সন্ত্রাসী
বাঁচিয়ে রাখলে বড় সন্ত্রাসী হবে
তোকেও মারতে হবে
আমাদের সাথে লড়তে আসিস!

বিস্তারিত»

বিদায়, কাজীদা!

১৯ জানুয়ারি ২০২২।
সন্ধে ছ’টা।
ঢাকা।

‘ধুশ…শালা!’ শাহবাগ সিগন্যালে অপেক্ষা করতে করতে তৃতীয়বারের মত গাল দিয়ে উঠল সোহেল। প্রায় ১৫ মিনিট হয়ে গেছে গাড়ি বন্ধ করে থেমে আছে। সিগন্যাল ছাড়ার নামই নেই! অথচ, ট্রাফিক সিগন্যাল একাধিকবার লাল, হলুদ পার হয়ে সবুজ হয়েছে। হলে হবে কী? রাস্তায় দাঁড়িয়ে অনেকগুলো ট্রাফিক পুলিশ হাত তুলে, বাঁশী দিয়ে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ করছে। তাহলে কোটি কোটি টাকা খরচ করে অটোমেটেড সিগন্যাল বসিয়ে লাভ কী হলো?!

বিস্তারিত»

প্রকাশিত হয়েছে উপন্যাস ‘বলের বদলে গ্রেনেড’

খবরটি সিসিবিবাসীর সাথে শেয়ার না করলে বেঈমানি হয়ে যাবে। বই প্রকাশ করা তো দূরের কথা- সিসিবি’র ভালোবাসা, প্রশ্রয় ছাড়া আমার হয়ত লেখালিখি করার সাহসই হতো না! খবরটি হলো অবশেষে প্রকাশিত হয়েছে আমার উপন্যাস ‘বলের বদলে গ্রেনেড’। অবশ্য, ক’জন এই ব্লগটি পড়বেন বা আদৌ পড়বেন কী না সে ব্যাপারে আমার যথেষ্ট সন্দেহ আছে! কুছ পরোয়া নেহি। পরাজয়ে ডরে না কবীর!

বই সংক্রান্ত তথ্যাদিঃ

বইয়ের নাম: বলের বদলে গ্রেনেড
লেখক: জুনায়েদ কবীর (জেসিসি,

বিস্তারিত»

মেনকা কেমন আছে?

    মেনকা কেমন আছে?
    মো ও খা ও

    রাতে জোছনাারা ঢুকে পরে আমার ঘরে
    জানালার ফাঁক চুয়ে নিসংকোচে,
    লুটোপুটি খায় মসৃন শুভ্রতায়
    আছডে পড়ে মেঝে বালিশ বিছানায়
    নির্মল শব্দহীন কোমল মায়ায়,
    আদর আলোয় সোহাগ মেখে
    প্রশ্ন শুধায় তোমার মেনকা কেমন আছে?

    কি মাতাল মদিরা মেখে
    উচ্ছন্ন করেছিলো বাগান ঘাস ফুল,
    ভগবান চমকে উঠেছিল
    যুবতীর উদ্ধত ভালোবাসায়,

বিস্তারিত»

অমীমাংসিত

২১শে ফেব্রুয়ারী, ২০০৬, রাত প্রায় ১.৩০। ঝিনাইদহ ক্যাডেট কলেজের আশেপাশে দূরে কোথাও মাইকে ভাঙা কণ্ঠে শহীদ দিবসের গান অনবরত বেজেই চলেছে। মাঝেমধ্যে ঢাকা-কুষ্টিয়া মহাসড়কে হর্ণ বাজিয়ে দ্রুতবেগে ছুটে যাচ্ছে বাস অথবা ট্রাক। দূর থেকে আগত এসব শব্দ যেন এক ধরণের ছন্দ তুলে এই নিস্তব্ধ, ছায়াঘেরা, নিরাপদ প্রাঙ্গণে ধীরে ধীরে মিলিয়ে যাচ্ছে। এবারের শীতটা যেন একটু বেশীই জেঁকে ধরেছে। কলেজের কয়েকজন গার্ড শেডের তলায় খোশমেজাজে আগুন পোহাচ্ছে,

বিস্তারিত»

আমার কলেজের শিক্ষকেরা (উপাধ্যক্ষ)

দীর্ঘ বিরতির পর আবার কিবোর্ড হাতে নিয়ে বসলাম। খাওয়া-দাওয়া, ঘুমের মত সবচেয়ে জরুরী কাজগুলো আমাকে এতোটাই ব্যস্ত রেখেছে যে সময় করে উঠা যাচ্ছে না। সবার যেমন সময় নির্দিষ্ট, আমারও সময় নির্দিষ্ট। যে চিন্তা থেকে লেখাটা শুরু করেছিলাম তা বোধহয় সময় করে শেষ হবে না। তবুও দেখা যাক, কতদূর যাওয়া যায়। কি জানি একটা ইংরেজি প্রবাদ আছে না, ওই যে পথিক… অনেক দূর… দুত্তোরি, লেখা শুরু করি,

বিস্তারিত»

আমার কলেজের শিক্ষকেরা (অধ্যক্ষ)

আমার শিক্ষক ভাগ্য ছোটবেলা থেকেই ভালো। বরাবরই আমি গুরুজন শিক্ষকদের কাছ থেকে কিছু না কিছু শিখেছি। এ অধ্যায়ে আমি আমার কলেজে পাওয়া শিক্ষকদের স্মৃতিচারণ/স্মরণ করবো। আমি আমার শিক্ষকদের কাছে কৃতজ্ঞ। শুধুমাত্র পেশাগত শিক্ষক নয়, অন্য যারা আমাকে কাজের মাধ্যমে, কথার মাধ্যমে, আচরণের মাধ্যমে আমার স্মৃতির মণিকোঠায় জায়গা করে নিয়েছেন তাদের প্রতি শ্রদ্ধা থেকেই এ লেখা লিখছি। কারণ উনাদের ঋণ আমি শোধ করতে পারবো না।

বিস্তারিত»

সিসিবি’র এই ঋণ কোনদিন শোধ হবে না…

ব্লগিং তো দূরের কথা, সিসিবিতে যোগ দেয়ার আগে আমি বাংলা টাইপই করতে পারতাম না। সেই আমি আজ বই প্রকাশ করার সাহস দেখাতে পারছি! ভাবা যায়! এর কৃতিত্ব পুরোটাই সিসিবি এবং সিসিবির সকল সদস্যের। আপনাদের অনুপ্রেরণা, প্রশ্রয় এবং ভালবাসা ছাড়া এটি কখনোই সম্ভব হত না। সিসিবি’র এই ঋণ কোনদিন শোধ হবার নয়।

—-

হে সিসিবিবাসী,

আমার উপন্যাস- ‘বলের বদলে গ্রেনেড’

বিস্তারিত»

মস্করা (মশক রা)

চারপাখা নিয়ে মোরা তিনজোড়া ঠ্যাং
মানুষের কানে কানে করি প্যান প্যান।
রক্ত তোমার খাসা, খেতে ভারি মিষ্টি
অযথাই হুড়ো দিয়ে ক্যান করো অনাসৃষ্টি।

খাবো আমি অল্প, দেহে যতটুকু সয়
তোমাদের মত নাকো করে অপচয়।
পেটে খেলে পিঠে সয় এইখানি মন্ত্রে,
দীক্ষিত মোরা বসি মানবযন্ত্রে।

তোমাদের ঢাকাতে আমাদের থাকাতে
দেখো কত হুল্লোড়, কত সাজ-রব,
কামানের আঘাতে আমাদের মারতে
দ্যাখ আজ কত লোক!

বিস্তারিত»

পরাণ

পরাণ
মো ও খা ও।

হারিয়ে গেলে কোথায় বল তাহার দেখা পাই
বুকের মাঝে বসত করে চোখের সমুখ নাই,
বীনা তারে সুরের সাধন কোন সে পাখি গায়
থামলে বাদন শুন্য আসর গায়েন কোথা যায়।

আখির পলক মনের ঝলক ভাবনা মনে যত
পাপড়ি দোলায় সুখের মেলায় সপ্ন অবিরত,
টানলে রশি বাশের বাঁশি গাইবে না আর গান
থামবে গাড়ী অচিন বাড়ী চড়বে কাধে যান ।

বিস্তারিত»

করো না এমন করোনা।

ক‌রোনা এমন ক‌রোনা
‌মো ও খা ও।

এমন ক‌রে কি বে‌চে থাকা যায়
একা একা ঘ‌রে,
তোর সা‌থে হ‌বে না দেখা এখন
‌কি হ‌বে প‌রে?
‌চো‌খের আকাশে সু‌খের সাতরঙ
কত কথা ব‌লে,
যত খুনসু‌টি ব‌ন্দি বু‌কের মা‌ঝে
‌‌ঢে‌কে‌ কি রাখা চ‌লে?

নদী‌তো বই‌ছে এখ‌নো ছ‌ন্দে ছ‌ন্দে
আকাশে উঠে‌ছে চাদ,
ক‌ন্ঠে না মি‌লি‌লে সুরে সু‌রে গান
‌মি‌টি‌বে কি সুখ সাধ।

বিস্তারিত»

কতোদূর এগোলো মানুষ

‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ নামের এক শব্দবন্ধের সঙ্গে আমাদের তারুণ্যের বেড়ে ওঠার অনেক স্মৃতি জড়িত। মনে পড়ে, তখন হঠাত করেই পত্র-পত্রিকা, মিডিয়া, বিজ্ঞাপন কিংবা জনমুখে ‘ডিজিটাল’ শব্দের ব্যবহার বেড়ে গেলো। সে সময়ে মানুষের মস্তিষ্কে তা এমন অভিঘাত তুলেছিলো যে শহর কিংবা মফস্বলে বিভিন্ন দোকানপাটের নামের সঙ্গে দেদার্চে ডিজিটাল শব্দটি যুক্ত হওয়া শুরু করলো। ‘মায়ের দোয়া ফুচকা’ হয়ে গেলো ‘ডিজিটাল ফুচকা শপ’, ‘আল্লাহর দান বিরিয়ানি’ হয়ে গেলো ‘ডিজিটাল বিরিয়ানি হাউজ’ এমন অজস্র উদাহরণ রয়েছে।

বিস্তারিত»