মেনকা কেমন আছে?

    মেনকা কেমন আছে?
    মো ও খা ও

    রাতে জোছনাারা ঢুকে পরে আমার ঘরে
    জানালার ফাঁক চুয়ে নিসংকোচে,
    লুটোপুটি খায় মসৃন শুভ্রতায়
    আছডে পড়ে মেঝে বালিশ বিছানায়
    নির্মল শব্দহীন কোমল মায়ায়,
    আদর আলোয় সোহাগ মেখে
    প্রশ্ন শুধায় তোমার মেনকা কেমন আছে?

    কি মাতাল মদিরা মেখে
    উচ্ছন্ন করেছিলো বাগান ঘাস ফুল,
    ভগবান চমকে উঠেছিল
    যুবতীর উদ্ধত ভালোবাসায়,

বিস্তারিত»

অমীমাংসিত

২১শে ফেব্রুয়ারী, ২০০৬, রাত প্রায় ১.৩০। ঝিনাইদহ ক্যাডেট কলেজের আশেপাশে দূরে কোথাও মাইকে ভাঙা কণ্ঠে শহীদ দিবসের গান অনবরত বেজেই চলেছে। মাঝেমধ্যে ঢাকা-কুষ্টিয়া মহাসড়কে হর্ণ বাজিয়ে দ্রুতবেগে ছুটে যাচ্ছে বাস অথবা ট্রাক। দূর থেকে আগত এসব শব্দ যেন এক ধরণের ছন্দ তুলে এই নিস্তব্ধ, ছায়াঘেরা, নিরাপদ প্রাঙ্গণে ধীরে ধীরে মিলিয়ে যাচ্ছে। এবারের শীতটা যেন একটু বেশীই জেঁকে ধরেছে। কলেজের কয়েকজন গার্ড শেডের তলায় খোশমেজাজে আগুন পোহাচ্ছে,

বিস্তারিত»

আমার কলেজের শিক্ষকেরা (উপাধ্যক্ষ)

দীর্ঘ বিরতির পর আবার কিবোর্ড হাতে নিয়ে বসলাম। খাওয়া-দাওয়া, ঘুমের মত সবচেয়ে জরুরী কাজগুলো আমাকে এতোটাই ব্যস্ত রেখেছে যে সময় করে উঠা যাচ্ছে না। সবার যেমন সময় নির্দিষ্ট, আমারও সময় নির্দিষ্ট। যে চিন্তা থেকে লেখাটা শুরু করেছিলাম তা বোধহয় সময় করে শেষ হবে না। তবুও দেখা যাক, কতদূর যাওয়া যায়। কি জানি একটা ইংরেজি প্রবাদ আছে না, ওই যে পথিক… অনেক দূর… দুত্তোরি, লেখা শুরু করি,

বিস্তারিত»

আমার কলেজের শিক্ষকেরা (অধ্যক্ষ)

আমার শিক্ষক ভাগ্য ছোটবেলা থেকেই ভালো। বরাবরই আমি গুরুজন শিক্ষকদের কাছ থেকে কিছু না কিছু শিখেছি। এ অধ্যায়ে আমি আমার কলেজে পাওয়া শিক্ষকদের স্মৃতিচারণ/স্মরণ করবো। আমি আমার শিক্ষকদের কাছে কৃতজ্ঞ। শুধুমাত্র পেশাগত শিক্ষক নয়, অন্য যারা আমাকে কাজের মাধ্যমে, কথার মাধ্যমে, আচরণের মাধ্যমে আমার স্মৃতির মণিকোঠায় জায়গা করে নিয়েছেন তাদের প্রতি শ্রদ্ধা থেকেই এ লেখা লিখছি। কারণ উনাদের ঋণ আমি শোধ করতে পারবো না।

বিস্তারিত»

সিসিবি’র এই ঋণ কোনদিন শোধ হবে না…

ব্লগিং তো দূরের কথা, সিসিবিতে যোগ দেয়ার আগে আমি বাংলা টাইপই করতে পারতাম না। সেই আমি আজ বই প্রকাশ করার সাহস দেখাতে পারছি! ভাবা যায়! এর কৃতিত্ব পুরোটাই সিসিবি এবং সিসিবির সকল সদস্যের। আপনাদের অনুপ্রেরণা, প্রশ্রয় এবং ভালবাসা ছাড়া এটি কখনোই সম্ভব হত না। সিসিবি’র এই ঋণ কোনদিন শোধ হবার নয়।

—-

হে সিসিবিবাসী,

আমার উপন্যাস- ‘বলের বদলে গ্রেনেড’

বিস্তারিত»

মস্করা (মশক রা)

চারপাখা নিয়ে মোরা তিনজোড়া ঠ্যাং
মানুষের কানে কানে করি প্যান প্যান।
রক্ত তোমার খাসা, খেতে ভারি মিষ্টি
অযথাই হুড়ো দিয়ে ক্যান করো অনাসৃষ্টি।

খাবো আমি অল্প, দেহে যতটুকু সয়
তোমাদের মত নাকো করে অপচয়।
পেটে খেলে পিঠে সয় এইখানি মন্ত্রে,
দীক্ষিত মোরা বসি মানবযন্ত্রে।

তোমাদের ঢাকাতে আমাদের থাকাতে
দেখো কত হুল্লোড়, কত সাজ-রব,
কামানের আঘাতে আমাদের মারতে
দ্যাখ আজ কত লোক!

বিস্তারিত»

পরাণ

পরাণ
মো ও খা ও।

হারিয়ে গেলে কোথায় বল তাহার দেখা পাই
বুকের মাঝে বসত করে চোখের সমুখ নাই,
বীনা তারে সুরের সাধন কোন সে পাখি গায়
থামলে বাদন শুন্য আসর গায়েন কোথা যায়।

আখির পলক মনের ঝলক ভাবনা মনে যত
পাপড়ি দোলায় সুখের মেলায় সপ্ন অবিরত,
টানলে রশি বাশের বাঁশি গাইবে না আর গান
থামবে গাড়ী অচিন বাড়ী চড়বে কাধে যান ।

বিস্তারিত»

করো না এমন করোনা।

ক‌রোনা এমন ক‌রোনা
‌মো ও খা ও।

এমন ক‌রে কি বে‌চে থাকা যায়
একা একা ঘ‌রে,
তোর সা‌থে হ‌বে না দেখা এখন
‌কি হ‌বে প‌রে?
‌চো‌খের আকাশে সু‌খের সাতরঙ
কত কথা ব‌লে,
যত খুনসু‌টি ব‌ন্দি বু‌কের মা‌ঝে
‌‌ঢে‌কে‌ কি রাখা চ‌লে?

নদী‌তো বই‌ছে এখ‌নো ছ‌ন্দে ছ‌ন্দে
আকাশে উঠে‌ছে চাদ,
ক‌ন্ঠে না মি‌লি‌লে সুরে সু‌রে গান
‌মি‌টি‌বে কি সুখ সাধ।

বিস্তারিত»

কতোদূর এগোলো মানুষ

‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ নামের এক শব্দবন্ধের সঙ্গে আমাদের তারুণ্যের বেড়ে ওঠার অনেক স্মৃতি জড়িত। মনে পড়ে, তখন হঠাত করেই পত্র-পত্রিকা, মিডিয়া, বিজ্ঞাপন কিংবা জনমুখে ‘ডিজিটাল’ শব্দের ব্যবহার বেড়ে গেলো। সে সময়ে মানুষের মস্তিষ্কে তা এমন অভিঘাত তুলেছিলো যে শহর কিংবা মফস্বলে বিভিন্ন দোকানপাটের নামের সঙ্গে দেদার্চে ডিজিটাল শব্দটি যুক্ত হওয়া শুরু করলো। ‘মায়ের দোয়া ফুচকা’ হয়ে গেলো ‘ডিজিটাল ফুচকা শপ’, ‘আল্লাহর দান বিরিয়ানি’ হয়ে গেলো ‘ডিজিটাল বিরিয়ানি হাউজ’ এমন অজস্র উদাহরণ রয়েছে।

বিস্তারিত»

ক্যাডেট রম্যের দ্বিতীয় সংস্করণ ও ই-বুক প্রকাশ

‘ক্যাডেট রম্য’ নামে আমার একটা বই আছে। ২০১৬ সালের বইমেলায় বইপত্র প্রকাশন থেকে বইটি প্রকাশ পেয়েছিলো। মাত্র আটদিন বইটি মার্কেটে ছিলো। চাহিদা থাকা সত্ত্বেও মেলার পর বিভিন্ন কারণে বইটার হার্ড কপি আর প্রকাশ করা হয় নি। বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন মানুষ বইটির খোঁজ করেছেন। ‘ক্যাডেট রম্য’ নামে প্রথম আলোর অধুনালুপ্ত ফান সাপ্লিমেন্ট রস+আলো এবং দৈনিক ইত্তেফাকের ফান সাপ্লিমেন্ট ঠাট্টায় ২০১১-২০১৪ সময়কালে লিখেছি। ফলে, ‘ক্যাডেট রম্য’-এর এক ধরণের পাঠক শ্রেণী গড়ে উঠেছিলো।

বিস্তারিত»

দূরের পাল্লা

আথেন্স-সভ্যতা সংস্কৃতি সৌন্দর্যের কেন্দ্রভূমি আথেন্স, আজ মৃত্যুভয়ে কম্পমান। বিশাল পারস্য বাহিনী ধেয়ে আসছে, ম্যারাথনের প্রান্তরে ক্ষুদ্র গ্রীক বাহিনী তাদের মখোমুখি। কিন্তু গ্রীসের কি সাধ্য মহাশক্তিধর পারস্যের বিজয় রথের চাকা রুখবে! পরাজয় মানেই নির্বিচার হত্যাযজ্ঞ আর ধ্বংসের বর্বর তান্ডব। এমনি ঘোর দুঃসময়ে হঠাৎ নগরদ্বারে এ কার কন্ঠ? এ যে সৈনিক ফিডিপাইডিস-ম্যারাথন প্রান্তরের মরনপণ লড়াইয়ের বার্তা নিয়ে ছুটে এসেছে। কি নিদারুন সংবাদ নিয়ে এসেছে সে? “উল্লাস করো হে নগরবাসী- আমরা জিতেছি!” এটুকু বলেই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে বীর সৈনিক।

বিস্তারিত»

ঘন্টা কাহিনী

ঘন্টার ইতিহাস প্রাচীন। কবে কোথায় এর উৎপত্তি জানিনা। তবে সব দেশে সব কালেই যেন এর ব্যবহার ছিল। গীর্জা মন্দির থেকে রেল ইষ্টিশান হয়ে বেড়ালের গলা – কোথায় নেই! ইশকুল এবং জেলখানাতে ওটা থাকবেই। শেষোক্ত প্রতিষ্ঠান দুটোর মধ্যে কি একটা অন্তঃমিল আছে যেন।

আকার প্রকারে ঘন্টা সমাজে দুই গোত্র- একটা মোচার খোলের মতো, ভেতরে হাতুড়ি ঝুলছে। উঁচু ঘন্টাঘরে কায়দা করে জিনিসটা ঝোলানো। দড়িদড়ার সাহায্যে ওটাকে এদিক ওদিক দুলিয়ে বাজাতে হয়।

বিস্তারিত»

আসমত ভাইয়ের শিঙ্গা

গিডিয়নের শিঙ্গা নামে এক খানা বিখ্যাত উপন্যাস আছে। লেখার নামটি ধার করেছি সেখান থেকে। বিষয়বস্তু অবশ্য একেবারেই ভিন্ন। শিঙ্গা অর্থাৎ বিউগল যথেষ্ট পুরোনো জিনিষ, সেই আদ্দিকাল থেকে যুদ্ধের ময়দানে এটার ব্যবহার হয়ে আসছে। যন্ত্রটা বাজানো বেশ কঠিন, এতে দম ও কৌশল দুটোই লাগে। যুদ্ধের ময়দান আর সামরিক কুচকাওয়াজ ছাড়াও শিঙ্গার বাদন যে অন্য কাজেও লাগে তা জানলাম আসমত ভাইয়ের কল্যাণে।

ঝিনাইদহ ক্যাডেট কলেজ- দেশের অন্যতম সেরা বিদ্যাপীঠ।

বিস্তারিত»

বইটির নাম ”Bookie Gambler Fixer Spy” ৪র্থ পর্ব

এড হকিন্স এর লেখা Bookie Gambler Fixer Spy বইটির দুইটি অধ্যায় আমার পরিচিত ক্রিকেটপ্রেমীদের জন্য অনুবাদ শুরু করেছি। ঠিক অনুবাদ নয়, ভাবানুবাদ। আকারে বেশি বড় হয়ে যাবার কারণে কিছু অনুচ্ছেদ আমি বাদ দিয়েছি।

যাই হোক, আজ সেটার তৃতীয় কিস্তি শেয়ার করছি। মনে রাখবেন স্পয়লার এলার্ট কিন্তু আগেই দিয়ে রাখছি। নিজ দায়িত্বে পড়বেন। কারণ ‘It will change the way you look at cricket!’

বিস্তারিত»

বইটির নাম ”Bookie Gambler Fixer Spy” ৩য় পর্ব

এড হকিন্স এর লেখা Bookie Gambler Fixer Spy বইটির দুইটি অধ্যায় আমার পরিচিত ক্রিকেটপ্রেমীদের জন্য অনুবাদ শুরু করেছি। ঠিক অনুবাদ নয়, ভাবানুবাদ। আকারে বেশি বড় হয়ে যাবার কারণে কিছু অনুচ্ছেদ আমি বাদ দিয়েছি।

যাই হোক, আজ সেটার তৃতীয় কিস্তি শেয়ার করছি। মনে রাখবেন স্পয়লার এলার্ট কিন্তু আগেই দিয়ে রাখছি। নিজ দায়িত্বে পড়বেন। কারণ ‘It will change the way you look at cricket!’

বিস্তারিত»