বাগ প্রবলেম

পোকাগুলি অকারনেই নড়েচড়ে বসে, মাথার ভেতর, লেখার শব্দগুলির ভেতর। আর তাতেই ক্রমশ পাল্টে যেতে থাকে যা বলতে চেয়েছিলাম, যা ভাবছিলাম।

লিখলাম সম্ভাবনা, তুমি দেখলে সম্ভব না …  এই পোকাগুলি খুবই নির্দোষ নির্দয় টাইপের। এরা অকারনেই ফিকশন লেখায় রেফারেন্স খোজে। লেখককে বিব্রত করে। আছে মাঝারি গোছের কিছু পোকা, এরা ক্রমাগত যন্ত্রনা করতেই থাকে। দিনরাত কুটকুট করে কাটে। যন্ত্রনায় চিৎকার করে বলতে চাওয়া কথা গুলি হয়ে যায়,

বিস্তারিত»

থাকুক বাকী

ঠকবাজের মাঝে খাঁটি জনকে
চিনতে পারলাম না;
কাছের মানুষটিকে আজো, হায়!
বুঝতে পারলাম না।

ধরো যদি সত্যি বলি-
মুখ দেখেই, মন পড়তে পারি;
তখন তুমি আমায়
যদি আর চাঁদমুখ না দেখাও!

আমি তাই মিথ্যেবাদী;
ছিটে-কথার ঝাঁজ থাকুক বাকী,
আশি শতাংশ-ই ঢের বাপু
সবটা হলে বলবে – অমানুষ একটা!

বিস্তারিত»

আমরি বাংলাদেশ

যতদূর যাও, যেখানেই যাও
দেখিবে আনিন্দ্য সুন্দর আমরি বাংলাদেশ
আছে চির সবুজের স্নিগ্ধতা ,
 

যদি ফিরি পৃথিবীতে পূর্ণবার
খুঁজে নেবো ঠিকানা তমার-আমরি বাংলাদেশ
বৈশাখ জৈষ্ঠ মিলে আছে তোমার গ্রীষ্মের প্রখরতা ।
 

আকাশ উদাস, চোখ ছল ছল-
আঝড়ে ঝড়ে জল আর জল ,
বর্ষার বৃষ্টি আনে প্রসন্নতা ,
 

এতো স্রোষ্টার সৃষ্টি,

বিস্তারিত»

দোষ কার!!

পত্রিকা না পড়ার না কারণে দেশে-বিদেশে কি হচ্ছে কিছুই জানিনা, এতদিন তাও ফেসবুক থেকে অনেক আপডেট আসতো, এখন তাও বন্ধ একাউন্ট ডি-একটিভেট করে দেয়ার জন্য। ভাগ্য ভালো টুইটারে হালকা হালকা খোজ নেই, সেখান থেকেই জানতে পেরেছিলাম আরেকজন ব্লগারকে কুপিয়ে মারা হয়েছে। এবং নিউজ পড়তে পড়তে আচমকা বাবুর কোপ খাওয়া ছবিটা চোখে পড়লো। আমি সাইকো মুভির পাগল ছিলাম, ডেক্সটারের পাগল ছিলাম। টিভিতে অনেক ধরণের কাটা-ছেড়া মানুষ দেখেছি কিন্তু সেই দিনের ওই ছবিটা মাথা থেকে সরাতে পারিনা।

বিস্তারিত»

নূর মোহাম্মাদ

নূর মোহাম্মাদ

সকাল থেকেই তোঁতাবিবির কথা মনে হচ্ছিল নুর মোহাম্মাদের। সে মহেষখোলা ছেড়েছে এপ্রিলে আর এখন সেপ্টেম্বর। বঊএর সাথে অনেক দিন দেখা নাই। অসুখ বিসুখ মানুষের মন নরম করে দেয়। সাতদিন আগে টাইফয়েড শুইয়ে দিয়েছে তাঁকে। জ্বর জারির সাথে খুব একটা পরিচয় ছিলো না তার। এই জ্বর তাকে অকম্মা বানিয়ে ছেড়েছে। স্ট্যান্ড টু’র (সূর্যাস্ত ও সূর্যোদয়ের আগে নিয়ম করে সতর্ক অবস্থান নেওয়া) মত নিয়ম করে সকাল বিকাল কাঁপিয়ে জ্বর আসে।

বিস্তারিত»

দৃশ্যত অদৃশ্য প্রেম

কালো কোন ছবির ফ্রেমে
রঙিন স্বপ্ন বুনবো বলে –
তোমায় তাতে বাঁধবো যেন
তোমার পাশে ছায়ার মত
সারাটাক্ষণ দেখবে আমায়,
ভাববে না আর কারো কথা,
সব্বাইকে বলবো, ‘ দ্যাখো,
আমার পাশেই স্বপ্ন আমার,
দুজনকে কেমন মানায়, বলো? ’

 

ফ্রেমে বন্দী যুগল ছবি
একদিন সেই সীমানা ছেড়ে –
প্রজাপতির পাখায় নেমে –

বিস্তারিত»

গরমিল

এক শীতের সকালে একটি সূর্যমুখীর সাথে গল্প করছিলাম,
বলেছিলাম, তুমিতো সারাদিন সূর্যের দিকে তাকিয়ে থাকো,
এবার একটু বিশ্রামে যাও, তোমার হয়ে আমি তাকিয়ে থাকবো।
সে বলেছিল, আমার যে সাধনা, তাতো তোমার মাঝে নেই,
পারবে কি পলকহীন তাকিয়ে থাকতে? এর উত্তর আর দেয়া হয়নি।

এক গ্রীষ্ম-মধ্যাহ্নে একটি উদাস ঘুঘুর ডাক শুনে দৌড়ে গিয়েছিলাম,
বলেছিলাম, সেই কখন থেকে এমন বুকফাটা ডাক ডেকে যাচ্ছো,

বিস্তারিত»

অণু গল্পঃ সামাজিক/অসামাজিক

দিনের কমপক্ষে ১২-১৩ ঘন্টা আমি অনলাইনেই কাটাই। নিজের গুণগান গাইবো না, তবে সামাজিক মিডিয়াতে আমি মোটামুটি একজন সেলিব্রিটি। আমার ফেসবুকে ফলোয়ারের সংখ্যা ১০ হাজারের উপরে। টুইটারেও আমাকে ফলো করার লোক কম নয়। জুতো সেলাই থেকে চন্ডীপাঠ, কাগজের প্লেন থেকে শুরু করে রকেট সাইন্স- যা নিয়েই লিখি না কেন- মুহুর্তের মধ্যে হাজার হাজার লাইক, কমেন্ট শুরু হয়ে যায়! এমনকি ‘কী সুন্দর সকাল’ টাইপ স্ট্যাটাস বা টুইট করলেও তা ছোটখাট আলোড়ন তোলে!

বিস্তারিত»

ইয়েস্টারডে ওয়ান্স মোর.. এগেইন

কয়েকদিন আগে সাবিনা আপার দেয়া ব্লগটা, যার নাম ছিলো ইয়েস্টারডে ওয়ান্স মোর, সেটা দেখে মাথার মধ্যে ঘুণপোকার মত গানটা ঢুকে গেল। কিছুতেই বের করতে পারতেসিলাম না। ইউটিউবের ট্যাব বন্ধ করলেও মাথার ভিতর থেকে আর বন্ধ হয়না। শেষমেষ বিরক্ত হয়ে ঠিক করলাম, যাচ্ছেইনা যখন কাজেই ব্যটাকে হারমোনিকাতে পাচার করা যায় কীনা দেখি। সেই প্রচেষ্টার অংশ হিসেবেই আমার এই আনাড়ি বাজানো। নূপুর দা, সাবিনা আপার মত লেভেলের শিল্পী/বাজিয়েদের পাশাপাশি একটা অডিও ব্লগ প্রচেষ্টা নিলাম সেটাই আমার জন্য বিশাল ব্যাপার।

বিস্তারিত»

অণু ব্লগঃ হারলী ডেভিডসনের ঈগল

ফ্ল্যাট ক্রিক কান্ট্রি ক্লাবের ঝিমনো বিকেল। কাছেই লেকের পাশ দিয়ে লম্বা ওয়াকিং ট্রেইল ধরে হাঁটছে গুটিকয় ছেলেমেয়ে। দু’ চারজন হ্যান্ডসাম বুড়ো রঙচঙ্গা টি-শার্ট পরে অলস ভঙ্গীতে গলফ খেলছেন অদূরে। লিটল ওল্ড লেডিরা ডেকে বসে কফির মগে চুমুক দিচ্ছেন অথবা কুরুশ কাঁটায় মোজা বানাচ্ছেন নাতনীর জন্য। গোলাপী রুজ আর লাল লিপস্টিকে বয়স ঢাকবার প্রাণান্তকর প্রচেষ্টা তাদের কারো কারো। মিস ডরোথির সোনালী ঘড়িতে থমকে আছে সময়। বান্ধবী রুথ কে তিনি কুইল্ট বানাবার জন্য উৎসাহিত করছেন আসছে সামারে।

বিস্তারিত»

বিমূর্ত বিলাস

মনোরমা মরালীর মত লম্বা গ্রীবায় তোমার
তালুর পেছনটা দিয়ে একটু ছোঁয়া দিতে চাই,
ইচ্ছে হয় চিকণ থুতনিটাকে একটু ধরে দেখি,
আংগুলের ডগা দিয়ে ওজন মাপার মত করে।
টিপছাড়া কপালের মাঝখানটাতে নিখুঁতভাবে
একটি উজ্বল টিপ এঁকে দিয়ে দেখি কতটা জ্বলে!
আরক্তিম কপোল যুগলে খুঁজে পাই কিনা দেখি
একটি তৃষ্ণার্ত অলির বসার মত কোন স্থান।
কালো চোখের তারার ঝিকিমিকি দেখে দেখে
নির্নিমেষ কাটাতে চাই জীবনের বাকীটা প্রহর।

বিস্তারিত»

আমার শিক্ষকগণ ১

আমার প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা ছিলো ফাঁকিবাজিতে ভরা । তবে আমার শিক্ষকরা ছিলেন চমতকার। বইএর বাইরে তাদের কাছে যা শিখেছি তাই ভাঙ্গিয়েই জীবন চলছে । প্রথমে সুলতা দিদি মনির কথা বলি। আমি যখন মিশন স্কুলে ভর্তি হলাম (এই স্কুলের ভালো নাম স্যাকরেড হার্ট জুনিয়ার হাই স্কুল) তখন আমার নিজের ভালো নাম জানতাম না। একটা মৌখিক ভরতি পরীক্ষা দিতে হয়েছিলো। মাদার ভিঞ্চিন্সা, সিস্টার জেমস আর সুলতা দিদি মনির কাছে।

বিস্তারিত»

অস্থিতিশীল ইয়েমেন পরিস্থিতি ও আটকে পরা বাংলাদেশিদের আর্জি

ইয়েমেন এর প্রেজেন্ট পরিস্থিতি সবাই ফলো করতেছে কিনা আমি জানিনা। গত কয়েকদিনে যা বুঝলাম তাতে মনে হলো পরিস্থিতি কিন্তু খুব বাজে কিছুর দিকে যাচ্ছে। হৌদি নিয়ন্ত্রিত বিদ্রোহী গ্রুপ পুরো দেশটাকে এক ধরণের গৃহযুদ্ধের দিকে ঠেলে দিচ্ছিল। এই বিদ্রোহী গ্রুপ মূলত শিয়া অধ্যুষিত। স্বাভাবিক ভাবেই মধ্যপ্রাচ্যে এক মাত্র মিত্র হিসেবে তারা ইরানকে পাশে পেয়েছে। সুন্নী অধ্যুষিত সৌদি আরব এখন যে সাম্প্রতিক সামরিক পদক্ষেপ গুলো নিচ্ছে সেটার পেছনে তারা কারন হিসেবে ব্যাখা করেছে ,”

বিস্তারিত»

রাধাকথন -১২

গমকে গমকে
বিজুরি চমকে।

সে কার ঠমকে
ফের ঘায়েল হলি,
হা কালা!

আকাশে
আজ সারাদিন
রাগ মেঘ –
ওস্তাদজির সারেংগিতে
ফুঁসে উঠছে ঝালা;

বৃষ্টির প্রথম ফোঁটার মতন
চোরচোর পায়
মোর আঙিনা দিয়ে
তবু আনবাড়ি গেলি হায়!

বিস্তারিত»

ঢাকার শুনানি, ঢাকায় শুনানি (খ)

(সর্বশেষ লিখা দিনলিপির শিরোনাম দিয়ে চালিয়ে দেয়ার সিদ্ধান্ত নিলাম)

অলস মস্তিষ্ক নাকি শয়তানের আখড়া। গত দেড় মাসে বিধ্বংসী ও শয়তানি কার্যকলাপ কিছু করেছি বলে মনে পড়ছে না। নাকি দেড় মাস যথেষ্ট সময় নয়? কফিতে ইদানিং দুধ চিনি দিচ্ছি। ইন্সট্যান্ট কফি পানিতে গুলে পান করতে রুচি হয় না। আষ্টেপৃষ্ঠে বেঁধে ফেলা জীবনধারায় ছোট একটি ব্যত্যয়। নিয়মগুলোর ব্যাখ্যা শুনে বন্ধুরা বিভিন্ন ভাবে তাকায়।

বিস্তারিত»