চলমান সময়টাকে জানতে হলে ……..

আমার লেখার কিছু নেই। যশমান লিখিয়ে+বলিয়েরা কিভাবে বাংলাদেশের চলমান সময়টাকে তৈরী করছেন, তা’ রেকর্ড করে রাখার জন্য প্রথম আলো থেকে একটা সংবাদের লিঙ্ক যোগ করে নিলাম আমার ব্লগে………

সময়ের চিহ্ন

বিস্তারিত»

উদগ্রীব কথার ফসিল

কথারা বুক পকেট থেকে সন্তর্পণে
এগুচ্ছিলো নিকটবর্তী কণ্ঠস্বরের পানে ।

দিকচিহ্ন ছিল না জানা ।
গন্তব্যের ঠিকানা
তা ও না …
বাহানা,
তবু সে শব্দের শরীরে সাজাবে ভাবনা,
বাতাসের গায়ে আঁচড় কেটে কয়খানা
রেখে যাবে চিহ্ন দ্যোতনা,
আর কিচ্ছু না ।

ওখানে কখনও এক বাক্স দেশলাই
দিয়েছিল ক্ষোভ জ্বালাই জ্বালাই ।
একবার আধ প্যাকেট কড়কড়ে সিগারেট
বুকের মধ্যে এনেছিল হাসফাঁস ক্যাবারেট ।

বিস্তারিত»

আমি বেয়ে চলেছি (অনুবাদ)

আমি বেয়ে চলেছি, আমি বেয়ে চলেছি,
সাগর পাড়ি দিয়ে আবার বাড়ী পানে
আমি বেয়ে চলেছি উত্তাল ঢেউ ধেয়ে,
তোমার কাছাকাছি যেতে, মুক্ত হতে!

আমি উড়ে চলেছি, আমি উড়ে চলেছি,
পাখির মত আকাশ চিড়ে উড়ে চলেছি,
উত্তুঙ্গ মেঘমালা ভেদ করে উড়ে চলেছি,
তোমার সাথে সাথে থাকতে, মুক্ত হতে!

শুনতে কি পাও, তুমি শুনতে কি পাও?
রাতের আঁধারে গভীর তিমিরে,

বিস্তারিত»

এখানে মূত্রদান করিবেন না

কোন এক কালে আমাদের এক শিক্ষক ছিলেন; পড়াতেন সিভিকস । তো তিনি ক্লাসে এসে প্রায়ই আমজনতার সিভিক সেন্স নিয়ে কথা বলতেন। আমরা যে তার সিভিক সেন্স বিষয়ক লেকচার উপভোগ করতাম না তা নয়। কিন্তু আমাদের জন্য বেদনাদায়ক দৃশ্য ছিলো এই যে লেকচার দিয়ে তিনি ক্লাসের কোণায় থুথু ফেলতেন থু করে।

একটি কৌতুক বলে নিই এই যাত্রা।
*** একজন চাষা আর ভদ্রলোকের তফাৎ কি?

বিস্তারিত»

অডিও ব্লগ: পাঠ-প্রচেষ্টা “ক্যামেলিয়া”

সাবিনার দশ মিনিটের পিয়ানো শোনার প্রতিক্রিয়ায় কৃতজ্ঞতা জানিয়ে প্রায় দশ মিনিটের এই কবিতা পাঠ… (বেশী বোরিং লাগলে, দুঃখিত!!)

ক্যামেলিয়া
নাম তার কমলা,
দেখেছি তার খাতার উপরে লেখা।
সে চলেছিল ট্রামে, তার ভাইকে নিয়ে কলেজের রাস্তায়।
আমি ছিলেম পিছনের বেঞ্চিতে।
মুখের এক পাশের নিটোল রেখাটি দেখা যায়,
আর ঘাড়ের উপর কোমল চুলগুলি খোঁপার নীচে।
কোলে তার ছিল বই আর খাতা।

বিস্তারিত»

বাঙলাদেশের টিভি বিতর্কের রূপ

টকশো কি এবং ক্যানো?
বাঙলাদেশের টিভি টকশো গুলোতে কি হয়?
দলীয় প্রপাগান্ডা ছড়ানো ছাড়া আর বেশি কি কিছু হয়!
এমনকি টকশোতে যারা অংশ নেন তাদের সম্পর্কে চলতি একটা নাম পর্যন্ত বাজারে চালু আছে, টকমারানী। হুমায়ুন আজাদ একদা বলেছিলেন, “বাঙলাদেশের প্রধান মূর্খদের চেনার সহজ উপায় টেলিভিশনে কোনো আলোচনা-অনুষ্ঠান দেখা। ওই মূর্খমন্ডলিতে উপস্থাপকটি হচ্ছেন মূর্খশিরোমণি।” (৫৩, প্রবচনগুচ্ছ)

এইতো ২ দিন আগের নিউজ

বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মার্কিন নাগরিক ব্লগার ও বিজ্ঞানমনস্ক লেখক অভিজিৎ রায় হত্যার দায় স্বীকার করেছে আল কায়দার উপমহাদেশীয় শাখা ‘আল কায়দা ইন দি ইন্ডিয়ান সাবকন্টিনেন্ট’

বিস্তারিত»

একটি খাকির আত্মকাহিনী

ক্যাডেট লাইফের খুব প্রিয় একজন বন্ধুকে নিয়ে লিখলাম । জানি না কেমন হয়েছে। তবে এত বড় লেখার প্রচেষ্টা এটাই প্রথম। আশা করি ভুল ত্রুটী গুলো শুধ্রে দিবেন।


আমি খাকী।খাকী বলতে শুধু খাকী রং বুঝবেন না।খাকী শার্ট ও প্যান্ট। লোকে আমাকে আদর করে ছোট্ট নাম খাকী বলে ডাকে। লোক বললে ভুল হবে।যাদের সাথে আমার আনাগোনা তারা অন্য এক জাতি।ক্যাডেট জাতি।আমার জন্ম কোন হাইফাই টেইলার শপে নয়।ছোট্ট একটা ঘরে অনেক সহোদর ভাইয়ের সাথে অনেকটা তাড়াহুড়া মুডে আমাকে বানাতে দেখেছি।

বিস্তারিত»

অডিও ব্লগঃ ক্রোধ অথবা অভিমানের সুর

বাড়ির মোড়ে একাকী দাঁড়ানো ম্যাগনোলিয়া ফুলের সাথে তার অভিমান হয়েছিল বড়। ছড়ানো ছিটানো খয়েরী পাইন কোনে পা মাড়িয়ে চলে এসেছে একাকী। সুগারবেরীর বাকলে চিবোনো সাদা চুইং গামের শব অথবা সিকামোর গাছের ডাল জ্বলন্ত সিগারেটের আগুনে পুড়েছে আক্রোশে।

লাল বুকের কাঠঠোকরা কাঁচের ভারী জানালায় ঠুকরে গেছে নিয়ম করে, চারদিকে তাকিয়ে বাদামী থ্রেশার চকিতে ডুব দিয়েছে নালার জলে। ক্লান্ত দিনের শেষে রাত নেমে এলে শোবার ঘরের একলা আকাশ আর নিভু নিভু তারার সাথেও অভিমানে ঠোঁট ফুলিয়েছে কিশোরী বালিকা।

বিস্তারিত»

ধানসিঁড়ি সমাচার

মায়াভরা ধানসিঁড়ি বেয়ে

জীবনানন্দ চলে গেছে বহুদূর

মায়াবতী ললনারাও

চলে গেছে সাথে।

 

আজ তার বালুময় বুকে

কোন প্রেম নেই,

এ নদীর উদোম বুকে

কি খোঁজে মাছরাঙা আজ?

 

এক আকাশ দূরে জীবনানন্দ

তার ধানসিঁড়ি বুকে নিয়ে

বেঁচে আছে বেশ,

তার অনেক নীচের দেশে

ধানসিঁড়ি মরে গেছে কবে

শঙ্খচিল,

বিস্তারিত»

~ প্রেম প্রণয় যদাপি দীপ্য বহমান | জীবন ঋতি নিয়ত ঋদ্ধিমান – দুই ~

দখিনা হাওয়ায় মন উচাটন । উত্তুরে হাওয়া হলে চন-মন । মনটাকে সামলে রাখা বড়ই দায় । এর ভেতরের জিহবাটা বড্ড বেশী লকলকে । এক্কেবারে বেদম বেহায়া । বয়সটা যে বাড়ছে মনকে তা বোঝাবে এমন সাধ্যি কার ! এই যদি চাঁদ দেখে বিচলিত হই তো রূপালী আলোয় থমকে থাকি ! জলের শব্দে মূর্ছা যাই তো, বৃষ্টি পতনে আপনি নিপতনে সিদ্ধ মন ! … নূপুর কিংবা কংকণ ঝন-ঝন !

বিস্তারিত»

অল্প

একটু আগুন দেবেন?
ক্ষমতা আপনার আসীম অপার।
পারেন পোড়াতে সবুজ বন-
ভয়াবহ দ্বাবানলে মাংস পোড়া ঘ্রান
অগনন হারিণ শাবকের,
দগ্ধ মাটির হাহাকারে নিরব নির্বিকার।
অথবা নিমেষে আঙ্গুলের ইশারায়
ধুলিকনা হয় সাজানো নগরী,
অযুত স্বপ্নের হাতে বোনা জাল
অন্ধকারে ছিন্ন ভিন্ন প্রেতপূরী।
বিপুল শক্তি অমিত ক্ষমতা-
তার লক্ষভাগের ছিটেফোঁটা কনা,
তাও তো চাইনি আমি।

বিস্তারিত»

কারিকা

শুধু ছোঁয়া নয় আস্তানা গেড়েছে

আকাশের চাঁদ আর মঙ্গল  সুকতলা হতে  চাঁদি

বিষাদ আর বিষাদে ভরা  তবু।

বিস্তারিত»

ছবি থেকে গল্প

এখনো “প্রয়াস”-এর সাফল্যাক্রান্ত হয়ে আছি।
তাই লিখালিখি থেকে প্রয়াসের প্রভাব কাটছে না।
ওখানে দেখা ছ’টি ছবি দেখে তা একটা ধারাবাহিক গল্পের প্লট বলে মনে হয়েছিল।
পরে বুঝলাম, সেই গল্পের শেষটা খোঁজা দরকার।
খুজতে গিয়ে ২০১৫-তে আঁকা দুটো ছবি পেলাম।
এবং ভেবে দেখলাম, দুই ছবি দিয়ে দুই ধরনের শেষ টানা যায় গল্পের।
হয়তো ছবি দু’টো একত্রে তৃতীয় আরেকটা সমাপ্তিও হতে পারে।

বিস্তারিত»

ব্যস্ত নাগরিকের আংশিক দিনলিপি

সকালবেলা নিজের ভাঙ্গা গাড়ি হাঁকিয়ে বাজারে যাচ্ছিলাম। এক জায়গায় দেখলাম আইল্যান্ডের উপর এক পাগলিনী ঘুমিয়ে আছে। ঘুমের ঘোরে ডান হাতখানি ঝুলে আছে শূন্যে, রাস্তার সীমানায়। বেখেয়াল হলে আমার আমার গাড়ি ভেঙ্গে নিয়ে যেতে পারত তার বেসামাল হাত। উচিত ছিল গাড়ি থামিয়ে তার হাতখানি নিরাপদ করে দেওয়া,আমি থামিনি। হাজার হোক, মেয়েমানুষ তো, পাছে লোকে কিছু বলে। মনে আশা, হয়ত কোন দয়াবান/ দয়াবতী তার হাতখানি ঠিক করে দিয়েছেন।

বিস্তারিত»

অলিম্পিয়াযেন্ট্রাম মিউনিখ

হাউজি খেলার একটা ভালো দিক আছে। এক জোড়া ছন্দ-বদ্ধ শব্দের মধ্যে দিয়ে ইতিহাসের দুই একটা দিনতারিখ মনের মধ্যে ঢুকে পড়ে।আমার কৈশোরে এক হাউজি আসরে এভাবেই আমার মনের মধ্যে ঢুকে গিয়েছিলো মিউনিখ অলিম্পিক…… সেভেন এন্ড টু 72 । পরে মিউনিখ অলিম্পিকের খোঁজ খবর নিয়েছিলাম। দু’টি কারণে মিউনিখ অলিম্পিকের কথা মানুষ ভুলবেনা।
এক। ব্ল্যাক সেপ্টেম্বর নামে প্যালেস্টাইনি এক সন্ত্রাসী সংঠনের হাতে ১১ জন ইসরাইলি ক্রীড়াবিদ আর এক জন জার্মান নিরাপত্তা কর্মীর মৃত্যু হয়েছিলো এই অলিম্পিকের সময়।

বিস্তারিত»