তোমাকেই ভালবেসে
এই আমি যুগে যুগে
হয়রাণ হয়ে যাবো
নিশিদিন খুঁজে খুঁজে……
(অপ্রকাশিত গানের কথা)
কথা ও কন্ঠ: বাপ্পী খান
সুর : নিয়াজ আহমেদ অংশু
তোমাকেই ভালবেসে
এই আমি যুগে যুগে
হয়রাণ হয়ে যাবো
নিশিদিন খুঁজে খুঁজে……
(অপ্রকাশিত গানের কথা)
কথা ও কন্ঠ: বাপ্পী খান
সুর : নিয়াজ আহমেদ অংশু
এই দেশেতে সবাই ভালো, সবই ভালো
ফরমায়েশী কবি ভালো
সূর্য কিবা রবি ভালো
রাতের বেলা চাঁদের বুকে
সাঈদী সাবের ছবি ভালো।
হাবুল ভালো, আবুল ভালো
ইসলামাবাদ, কাবুল ভালো
টিএসসিতে নারীর গায়ে
হাতবুলানো বাবুল ভালো।
ফেসবুক ও টিয়াপাখি
‘তোর সঙ্গে আর কথা নেই’ ফেসবুক মেসেঞ্জারে পৃ-র বারতা পেয়ে একটু নড়েচড়ে বসলাম। ঢাকার ফুরফুরে বিকেল মুহূর্তে কেমন ম্লান হয়ে আসে।
‘কথা নয় নেই, দেখা তো হোক!’
‘কোন কথা নেই। নেই, নেই!’ যেন ফুঁসে উঠে সেলফোন।
বারদুয়েক ফোন করি অতএব, সাড়া মেলেনা। অজ্ঞাত অপরাধের হিসেবনিকেশ করতে করতে ঢাকার বুকে নেমে আসি। এ বিশাল জনসমুদ্রে নিজেকে আরো একা মনে হয় আর তাতে স্বস্তিবোধই করি খানিক।
কত কিছু নিয়েই না ব্লগ লিখার তাগিদ থাকে।
কখনো নিজের দিক থেকে আবার কখনো অন্যদের কাছ থেকেও।
অথচ এক এক সময় এমন এক একটা বিষয়ের মুখোমুখি হই যে সব তাগিদ পিছনে ফেলে সেটা নিয়েই বসে যেতে হয়।
এই রকমের একটা পরিস্থিতির মুখোমুখি হলাম আজ আবার।
বলছিলাম এমেকের বোনদের আয়োজনে আজ অনুষ্ঠিত ও আমার অংশ নেয়া “জরায়ু মুখ ক্যান্সার” সম্পর্কিত এওয়ারনেস জাগানো প্রোগ্রামটির কথা।
কিন্তু সেই পেরে ওঠা আর কখনো হয় না … … …
আমাদের চারপাশে অগণন আকাঙ্ক্ষার দীর্ঘ তালিকা । এর মাঝে কিছুই চাই না আমি বাদ দেবো । এই ইঁদুর দৌড়ে এতোটাই মগ্ন আমরা যে তাতে আমাদের মনের গহীনের সুকোমল অংশটুকুকে যার পর নাই অনায়াস গ্রাস করে নিচ্ছে অদৃশ্য এক এথলেটিক ট্র্যাক । আমাদের অজান্তে । কিংবা কখনো কখনো আমাদের সাগ্রহ সমর্পণে ।
এই প্রাপ্তির লাগামহীন তেষ্টা সারাক্ষণ অন্তর্গত আবেগ ও সুকুমার অনুভূতিগুলোকে দাবড়ে হটিয়ে দিচ্ছে জীবনের মঞ্চ থেকে ।
বিস্তারিত»দেশে মা খালাদের দেখেছি কেউ অসুস্থ হলে আতপ চালের ভাত, কচি মুর্গির ঝোল, আর সুপ রাঁধতে ব্যতিব্যাস্ত হয়ে পরেন। সাথে কাঁচা পেঁপে সহযোগে শিঙ্গি মাছের সুরুয়া অথবা জাম আলু আর মাগুর মাছের জড়াজড়ি কোন প্রেপ থাকে। অসুস্থতার কারণ যা’ই হোকনা কেনো ঝোলে ভাতে মাখামাখি আয়োজনে রোগীর প্রতি উপচানো ভালবাসা দেখাতে সবাই তৎপর হয়ে ওঠে। আর কেউ মারা গেলে তো বাঙ্গালী বাড়িতে উনুনই জ্বলেনা পাঁচদিন। আত্মীয়স্বজন আর বন্ধুদের বাড়ি থেকে প্রতিবেলা খাবার থেকে শুরু করে থারমোফ্লাস্কে চা অবধি পৌঁছে যায় সেই বাড়িতে।
বিস্তারিত»
জীবনে সুখ থাকে, সুখের সম্পর্ক থাকে,
থাকে ভালোবাসার মানুষ;
ছোট্ট একটা শান্তির নীড় থাকে,
সেই নীড়ে থাকে কমলতার পরশ ।
বিস্তারিত»ঘরের অন্ধকার কোনা
কথা বলেই চলে;
কুয়াশার স্যাঁতস্যাঁতে স্বরে
চোখ বুজে গুটিসুটি মেরে পড়ে থাকি,
সে বলেই চলে, জল জঙ্গল,
বুনো হাস, নক্ষত্র আর মৃত্যুর গল্প

ঢাকায় আমাদের কোন বাড়ি নেই। ভাড়ার বাসায় উদ্বাস্তুর মত জীবন যাপন।এক চিলতে বারান্দায় প্রথমে কয়েকটা টব রেখেছিলাম মাঝে মধ্যে বারান্দায় বসে চায়ে চুমুক দেয়ার জন্যে। বড় লোকদের পাড়ায় এসে মনে হল বারান্দায় বসে চা খাওয়ার চল টা উঠে গিয়েছে। সুন্দর সুন্দর বারান্দা শূন্য পড়ে থাকে। পরে বুঝেছি এই সব বাড়ির মালিকদের অঢেল বিত্ত, তবে ছেলেমেয়েরা কাছে অথবা দেশে না থাকায় তাদের ভরসা,
(কিছু ফরমায়েশি ও প্রমিজড লিখা জমে গেছে। ওগুলো লিখে পোস্ট করার আগেই এই রেডি লিখাটা দিয়ে দিলাম। এইটা বেশ কিছুদিন আগে খসড়া করা ছিল। নীচে নামতে নামতে কিছুটা সময় পাওয়া যাবে। ততদিনে ওগুলো নামিয়ে ফেলবো বলে আশা করছি…)
-এখানে এসেছেন কেন?
-তুমি জানো না বুঝি?
-না বললে জানবো কি করে?
-না ই যদি জানো, তবে থাক না তা অজানাই
কি আর এমন হ্রাস-বৃদ্ধি হবে তাতে?
আর মালয়েশিয়া নয়- আসুন ঘুরে আসি উত্তরাপথে…
মধ্যযুগীয় ঘরবাড়িগুলোর পাথুরে দেয়াল আর গীর্জার চূড়োয় আছড়ে পড়ছে বিষন্ন একটা সুর। হেমন্ত শেষের ঝরা পাতা নেচে যায় উত্তর সাগরের হিমেল দোলায়। কালো পাথরে বাঁধানো পথ- তার উপরে ভারী পোষাকে ত্রস্ত ব্যাস্ত পথচারীর দল। মৃত কচ্ছপের খোলের মত বিবর্ণ আকাশ। বেলা দুপুর না বিকেল, নাকি সন্ধ্যে- বোঝা যায় না।
ট্রন্ডহাইম শহরের কথা বলছি। ইয়োরোপের উত্তর পাশ্চিম প্রান্তে স্কান্দিনেভিয় উপদ্বীপ।
কয়েক বছর আগেও ধারাভাষ্যকারদের গুরুত্বের ব্যাপারে অনেককেই হয়ত অনেক কিছু বুঝিয়ে বলতে হত। তবে, বর্তমানে ধারাভাষ্যকারদের তারকা খ্যাতি এবং জনপ্রিয়তা এটাই প্রমাণ করে যে এখনকার দর্শকেরা এঁদের অবদানের ব্যাপারে যথেষ্ট সচেতন। সত্যি কথা বলতে কি- যে কোন খেলাকে আকর্ষণীয় ও উপভোগ্য করতে খেলোয়াড়, খেলার মান, মাঠের দর্শক, সম্প্রচারের পাশাপাশি দক্ষ ধারাভাষ্যকারের গুরুত্ব কোন অংশেই কম নয়, বরং কিছু কিছু ক্ষেত্রে বেশিই! বাংলাদেশে এখনো তেমন সাড়া ফেলতে না পারলেও পৃথিবীর অনেক দেশেই ক্রীড়া ধারাভাষ্যকার বেশ লোভনীয় পেশা!
বিস্তারিত»মা কে নিয়ে দিবস কিসের
মা তো প্রতিদিনের
দিবস পালন করে কি আর
কমবে বোঝা ঋণের?
মা আমার পাশে থাকুক
এই তো আমি চাই
মায়ের পায়ের নিচে যেন
হয়গো আমার ঠাই ।
চলে যায়, উড়ে যায়..
শাবকেরা বড় হলে উড়ে যায়,
তাদের শাবকেরাও উড়ে যায়,
পক্ষীমাতার বুক খালি করে উড়ে যায়…
নীড় খালি পড়ে থাকে, পক্ষীমাতার চোখে ভাসে
দু’ফোঁটা নীর, আর বুকে বাজে শুন্যতার হাহাকার!
যে বুকের উষ্ণতা দিয়ে সে তাদের ঢেকে রাখে,
পরম আদরে ঠোঁটে তাদের আধার ধরে রাখে,
সেই বুক খালি হয়ে আসে, একদিন নিমেষে,
যখন তারা চলে যায়,
কখনো আমার মাকে
শামসুর রাহমান
কখনো আমার মাকে কোনো গান গাইতে শুনিনি।
সেই কবে শিশু রাতে ঘুম পাড়ানিয়া গান গেয়ে
আমাকে কখনো ঘুম পাড়াতেন কি না আজ মনেই পড়ে না।
যখন শরীরে তার বসন্তের সম্ভার আসেনি,
যখন ছিলেন তিনি ঝড়ে আম-কুড়িয়ে বেড়ানো
বয়সের কাছাকাছি হয়তো তখনো কোনো গান
লতিয়ে ওঠেনি মীড়ে মীড়ে দুপুরে সন্ধ্যায়,
পাছে গুরুজনদের কানে যায়।