জার্নাল মালয়েশিয়াঃ আরো কিছু

মালয়েশিয়া নিয়ে লেখা লেখি প্রায় শেষ। আর বড়জোর ২ – ১ কিস্তি। এর পর অন্য কোথাও পাঠকদের নিয়ে যাবার আশা রাখি।

পাসির সালাক গ্রামের একটা ইতিহাস আছে অগে বলেছিলাম।

ইংরেজের রাজ্য বিস্তারের কাল তখন। মালয় উপদ্বীপেও তার সদম্ভ উপস্থিতি। ছোট খাট স্থানীয় রাজ্য গুলো  আপাতঃ স্বাধীন কিন্তু আসলে করদ রাজ্য বিশেষ। কোন কোন রাজ্যে আবার সরাসরি ইংরেজের শাসন। অনৈক্য আর পিছিয়ে পড়া জনগন নিয়ে তেমন কার্যকর প্রতিরোধ গড়ে উঠে না। বিক্ষিপ্ত ভাবে কিছু প্রতিবাদ প্রতিরোধ হয়। এমনি এক সময়ে, পেরাক রাজ্যের সুলতান মুজাফফর শাহ পন্দক লাম নামে একজনকে তার প্রতিনিধি হিসাবে পাশ্চিম পেরাকের মুফতি পদে নিযুক্ত করলেন। পদে বসে পন্দক লাম পোষাকী নাম নিলেন মহারাজা লেলা, আর প্রতিজ্ঞা করলেন যে, ইংরেজকে আর একটুও ছাড় দেয়া হবে না। কিন্তু ব্রিটিশ সম্রাটের প্রতিনিধি জেমস বার্চ একের পর এক ফরমান জারী করে চলেছেন। স্থানীয় জনগনের রীতি নীতি ঐতিহ্য কোন কিছুই তোয়াক্কা করছেন না। তখন মহারা লেলা স্থানীয় সর্দারদের নিয়ে পরামর্শ করলেন, বার্চ কে প্রয়োজনে হত্যা করা হবে। এই সিদ্ধান্ত সুলতানকে কে জানিয়ে দেয়া হল।

সেদিনটি ছিল ১৮৭৫ সালের ২রা নভেম্বর। জেমস বার্চ এক নতুন ফরমান জারী করার জন্য পেরাকের একেবারে ভিতরের এই এলাকায় এসে হাজির, সাথে দেহরক্ষী, কেরানী, প্যায়াদা ইত্যদি মিলিয়ে ছোটখাট একটা দল ।  ইংরেজের ঘাঁটি উত্তর পশ্চিমে তাইপিং শহর, সেখান থেকে পেরাক নদী বেয়ে সহজেই এখানে আসা যায়। পাসির সালাক গ্রামের কাছে তখন একটা বাজার ছিলো। সেখানে নৌকা ভেড়ানো হলো। সাহেবের নৌকা দেখে নদীর পাড়ে ভীড় জমে গেছে।  প্যায়াদাকে পাঠানো হল ডাঙ্গায়, নতুন ফরমান ঝোলাবার জন্য। ওদিকে জনতার গুঞ্জন ধীরে ধীরে বাড়ছে। একদল দৌড়ে গেল মহারাজা লেলার বাড়িতে খবর দিতে।  সিদ্ধান্ততো আগেই নেয়া ছিল, সেই মত কাজ করার নির্দেশ হল।

বার্চ সাহেবের দূর্ভাগ্য, যে কোন সময় জনতার ক্রোধের বিষ্ফোরন ঘটতে পারে এটা তিনি বুঝতে পারেন নি।  এই অসময়ে কিনা তার ইচ্ছে হল স্নান করার। নদীর উপরে বড় ভেলায় ভাসমান ঘরে স্নানের ব্যাবস্থা।  বাইরে বন্দুক হাতে দেহরক্ষী।  ভেতরে সাহেব, আরামে জল ঢালার সময় হয়তো কোন সুরও ভাঁজছিলেন।  আকস্মাৎ বজ্রাঘাত। ভীড়ের ভেতর থেকে জনা কয়েক সড়কি ও তলোয়ার হাতে ছুটে আসে ভাসমান হাম্মাম খানার দিকে। দেহরক্ষী বেগতিক দেখে জলে ঝাঁপ দেয়। সাহেবকে সড়কিতে গেঁথে ফেলে বিদ্রোহীরা। পেরাক নদীর ঘোলা জলের স্রোতে ইংরেজের রক্ত মিশে যায়। তার অচেতন দেহ স্রোতে ভেসে যায়। বেশ কিছুটা দূরে আরেক নৌকায় বন্দুক ধারী সেপাই ছিল। তারা গুলি চালালে কয়েক জন জখম হয়, জনতা ছত্রভংগ হয়ে পালিয়ে যায়।

মহারাজা লেলা সংবাদ পেয়ে সুলতানকে জানান, এবং ঘটনায় তার কৃতিত্ব দাবী করেন। আর অন্যদিকে হত্যাকান্ডের প্রতিশোধ নিতে ইংরেজ ততপর হয়। যথাসময়ে সেনাদল আসে। স্থানীয় সর্দারদের নিয়ে প্রতিরোধের চেষ্টা হয়।  কিন্তু অসম সেই যুদ্ধে কে ই বা দাঁড়াতে পারে। লেলাকে গ্রেপ্তার করে তাইপিং নেয়া হলো। সাথে আরো অনেকে।  বেশ অনেক দিন বিচার অনুষ্ঠান চলে। অবশেষে ১৮৭৭ সালের ২০ শে জানুয়ারি তাইপিং শহরে আরো তিন জন সহ তাঁকে ফাঁসী দেয়া হয়।

এই ঘটনা পেরাকের ইতিহাসে খুবই গুরুত্তপুর্ন। মালয়ী্দের চোখে এটি হচ্ছে ইংরেজ বিরোধী সংগ্রামের প্রথম বলিষ্ঠ সূচনা, যার নায়ক মহারাজা লেলা।  তাঁর বিদ্রোহের আগুন কখনো নিভে যায়নি, সেই সংগ্রামের দীর্ঘ ইতিহাস বেয়ে অবশেষে ১৯৫৭ সালে মালয়েশিয়া স্বাধীন রাষ্ট্র হিসাবে আত্ম প্রকাশ করে। অন্যদিকে এই ঘটনার জের ধরে এখানে ইংরেজের সরাসরি হস্তক্ষেপ বহহুগুনে বেড়ে যায়।  বিভিন্ন কর্মকান্ড যেমন ভূমি জরীপ, জনমিতি, রেলপথ নির্মান ইত্যাদির চলতে থাকে। এসবের মাধ্যমে এদেশের ভুতাত্বিক নৃতাত্বিক সামাজিক সাংস্কৃতিক অনেক অজানা বিষয় বিশ্বের সামনে প্রকাশ পায়।

পাসির সালাকে যে যাদুঘরের কথা বলেছিলাম সেটি মূলত এই ঘটনাকেই স্মরনীয় করে রাখার জন্য।  এটি বানানো হয়েছে মহারাজা লেলার বসতবাটির কাছেই, নদীর কূল ঘেঁষে। ভেতরে পূরো ঘটনাটা তুলে ধরা হয়েছে বিভিন্ন ছবি ও ত্রিমাত্রিক মডেলের মাধ্যমে। এছাড়া সেই আদিকাল থেকে পেরাকের ইতিহাস সুন্দর ভাবে তুলে ধরা হয়েছে। এছাড়া আছে এদেশের ঐতিহ্যবাহী অস্ত্র কিরিচের প্রদর্শনী, বানান করা হয় keris। কুকরি, ভোজালি, মাশাতি এসব যেমন বিভিন্ন এলাকার ঐতিহ্য।  গড়্গ কৃপাণ তলোয়ার এসবের চল বহুকাল আগে থেকেই।  মহাভারতের অনুশাসন পর্বে ধনুক ও কৃপাণের মধ্যে কোনটি বেশী কাজের তা নিয়ে বেশ কৌতুহলোদ্দীপক আলোচনা আছে। যাহোক, কিরিচের আকার প্রকারে অনেক বৈশিষ্ট আছে। কতগুলি রীতিমত সর্পিল আঁকাবাঁকা। হাতল ছাতার বাঁটের মত সামান্য বাঁকানো। হাতলে ও ফলায় কারুকাজ করা, দামী পাথরও আছে। আমার কাছে অবশ্য এটাকে সাধারন তলোয়ারের মত কার্যকর যুদ্ধাস্ত্র মনে হয়নি। এদেশে আনুষ্টানিক ছবিতে রাজাদের হাতে একটা ছোট জিনিষ দেখা যায়, প্রথমে আমি ভেবেছিলাম রাজদন্ড। পরে জেনেছি ওটা আসলে খাপে ভরা কিরীচ, রাজার ক্ষমতার প্রতীক। মনে মনে ঢাকা যাদুঘরের কথা ভাবছিলাম, মনে পড়ল সেখানে টিপু সুলতান এবং নবাব সিরাজ উদ দৌলার তলোয়ার আছে। যাদুঘরের পাশেই যেখানে মহারাজা লেলার বসতবাটি ছিল, সেটি ভেঙ্গে নতুন ভাবে বানানো হয়েছে। আসল বাড়ির ছবি দেখেছি। ভেতরে যাওয়ার ইচ্ছে ছিল কিন্তু অনুমতি পেলাম না।

ভাষা নিয়ে কিছু

মনুষ্য কার্য্য মহামূল্য গুরু শিষ্য স্বর্গ নরক স্বামী স্ত্রী উত্তর ভুমি দধি- শব্দ গুলো নিশ্চই পরিচিত লাগছে। উচ্চারনে সামান্য পরিবর্তন হলেও মালয়ী ভাষায় এদের সহজেই চেনা যায়, আর উৎপত্তি সম্বন্ধেও কোন সন্দেহ থাকে না। প্রাচীন কালে দক্ষিন পূর্ব এশিয়ার বিস্তীর্ন এলাকা জুড়ে ভারতীয় সভ্যতার প্রভাব ছিল, মালয় উপদ্বীপও তার বাইরে ছিল না। যাদিও এখানে আংকরভাট বা বরোবদূরের মত পূরাকীর্তি নেই, ভাষায় সেই ছাপ এখনো স্পষ্ট। বাহাসা মালায়ূ- যার প্রথম শব্দ আসলে ‘ভাষা’রই অপভ্রংশ।  আমার ধারনা মালয়ী ভাষার শব্দ ভান্ডারের উল্লেখযোগ্য অংশই সংস্কৃত থেকে এসেছে। আরেকটা বড় ভাগ এসেছে আরবী থেকে, যা মুসলিম আমলের অবদান।  এছাড়া ইংরেজি শব্দ তো আছেই। লেখার জন্য এদের নিজস্ব বর্ণমালা নেই, হয়তো আগে ছিল। এখন রোমান অক্ষরে সব লেখা হয়। ইংরেজি শব্দের অনেকগুলোই আবার বানান পরিবর্তন করে আত্মীকরন করা হয়েছে। আগষ্ট, পোষ্ট, লিফট এসবের শেষের ‘ট’ বাদ।

আমার সামান্য জ্ঞানে মনে হয়েছে মালয়ী একটি সরল বর্গীয় ভাষা। ব্যাকরণ সহজ, স্থান কাল লিংগ ইত্যদির ভেদ খুবই কম। সবচেয়ে মজার বিষয় একবচন থেকে বহুবচনে রুপান্তর। শব্দটিকে পর পর দুবার লিখে মধ্যে একটা হাইফেন দিলেই হলো। যেমন শিশু হচ্ছে আনাক, শিশুরা হবে আনাক-আনাক। উচ্চারন বিভ্রাটও কিছু আছে, বানানের সাথে উচ্চারনের অমিল।  তাই এই ভাষা কেউ শিখতে চাইলে শুধু বই পড়ে হবে না, সঠিক উচ্চারন ধরিয়ে দেবার মত কাউকে নিতে হবে।  এটা অবশ্য সব ভাষার জন্যই সত্যি।  মালয়েশিয়া বিভিন্ন রাজ্য নিয়ে গঠিত, আঞ্চলিক বাকরীতি ও উচ্চারনে পার্থক্য থা্কা স্বাভাবিক। শুনেছি এদেশের সরকার একটি প্রমিত ভাষা ও ব্যাকরণ তৈরী করার চেষ্টা নিয়েছিলেন বার দুয়েক। বেশি দূর এগোয় নি। মালয়ী সহকর্মীদের অবশ্য এনিয়ে দেশ প্রসন্ন দেখি। এরা প্রায়শঃ ‘বাহাসা’ শেখার উৎসাহ দেন। তাদের ভাষ্য, ‘বাহাসা’ হচ্ছে পৃথিবীর সহজতম ভাষা, কোন ব্যাকরণের ঝামেলা নেই, শুধু কিছু শব্দ শিখলেই হলো। আর বিশেষ বাংলাদেশ থেকে আসা বিশাল কর্মীবাহিনী যেমন সহজে এই ভাষা আয়ত্ত্ব করে ফেলেছে, তাতে মনে হয় ব্যাপার আসলেই তাই।

নামকরন, সে মানুষেরই হোক বা স্থানের সেখানে সংষ্কৃতির প্রভাব থাকে। এখানে মুসলিম প্রধানত মালয়ী, চীনারা বৌদ্ধ ও খৃষ্টান, এবং তামিলরা হিন্দু ধর্মের। তামিলদের মধ্যে আবার খৃষ্টান ও মুসলিম আছেন। চীনাদের নাম সাধারনত চীনা ঐতিহ্যে রাখা হয়। মুসলিমদের নাম সাধারনত আরবী, তবে সাংষ্কৃত নামও দেখেছি। তামিল হিন্দুদের নাম তামিল ভাষায়। মজার ব্যাপার, যে কারো নামের আগে সম্মান সূচক শ্রী যোগ করার রেওয়াজ আছে, রাজাদের নামের আগে শ্রী পাদুকা, মহা মূল্য ইত্ত্যদি। জায়গার নামেও শ্রী যোগ হয়, যেমন শ্রী ইস্কান্দার, শ্রী মাঞ্জুং, শ্রী ভূমি, যদিও বানান করা হয় কখনো ‘সেরি’।  ব্রুনাই দেশের রাজধানী বান্দার সেরি ভাগওয়ান বলে সবাই জানেন, এটি আসলে বন্দর শ্রী ভগবান।  বন্দর মানে নদী বা সমুদ্র বন্দর নয়, শহর। সমুদ্র বলতে লাউত ও সামুদেরা দুটোই দেখেছি।  আরেকটা কথা, এদেশের জাতীয় ফুল জবা। প্রায় প্রতি বাড়ির সামনেই রক্তজবার ঝোপ।  আমার ধারনা এটাও ভারতীয় প্রভাব।

মালয়েশিয়ার সমাজে নানা রকম সম্মান সূচক উপাধী দেবার রীতি আছে। প্রধান উপাধি গুলো মোটামুটি উপর থেকে এইরকম- তূন, দাতো, তানশ্রী, দাতুক, দাতো শ্রী ও দাতো।  খেতাব দেবার অধিকারী হচ্ছেন স্বয়ং রাজা। এছাড়া সম্মানীত কারো নাম লেখার আগে YBh যোগ করা হয় (ইয়াং বারবাহাগিয়া), যার অর্থ অনেকটা হিজ এক্সিলেন্সি। রাজার নামের আগে পরে বেশ কিছু কথা যোগ করতে হয়। যেমন সমগ্র মালয়েশিয়ার বর্তমান রাজাকে আনুষ্ঠানিক ভাবে বলা হবে “ইয়াং দি-পারতুয়ান আগং আল-মুতাসিমু বিল্লাহ মুহিব্বুদ্দিন তুয়াঙ্কু আলহাজ্জ্ব আব্দুল হালিম মুয়াজ্জম শাহ ইবনে আল-মরহুম সুলতান বাদিশাহ”। উনার নাম আসলে আব্দুল হালিম। রাজার সম্মান অনেক তবে ক্ষমতা সীমিত। ধর্মীয় বিষয়গুলো অবশ্য রাজার অধীন।

সব দেশেই প্রতিকৃতি আইন আছে, যার বলে নানা প্রতিষ্ঠানে দেশের প্রধান ব্যাক্তি্বর্গ যেমন প্রধান মন্ত্রী, রাষ্ট্রপতি এঁদের  ছবি রাখা হয়। এদেশে ব্যাপারটা আরো ব্যাপক। এখানে অন্তত ছয়টি ছবি রাখতে হয়। যেমন পেরাক রাজ্যের কোন সরকারী দপ্তরে থাকবে যথাক্রমে সমগ্র মালয়েশিয়ার রাজা ও রানী, পেরাকের রাজা ও রানী, সমগ্র মালয়েশিয়ার প্রধান মন্ত্রী, এবং পেরাকের মূখ্যমন্ত্রীর ছবি।

 

১,৩২৫ বার দেখা হয়েছে

১০ টি মন্তব্য : “জার্নাল মালয়েশিয়াঃ আরো কিছু”

  1. সাইদুল (৭৬-৮২)

    মেলাকা, কুয়ালালামপুর আর জেনটিং (!) হাইল্যনড ঘুরেও যা শেখা হয়নি তোমার লেখা পড়ে তার চেয়ে বেশি জানলাম


    যে কথা কখনও বাজেনা হৃদয়ে গান হয়ে কোন, সে কথা ব্যর্থ , ম্লান

    জবাব দিন
  2. খায়রুল আহসান (৬৭-৭৩)

    খুব সাবলীল ভাষায় লেখা এ জার্নালটি পড়ে একেবারে মুগ্ধ হয়ে গেলাম। অনেক অজানা বিষয় জানতে পারলাম।
    ইন্দোনেশিয়ায় গিয়েছি, মালয়েশিয়ায় এখনো যাওয়া হয়নি। এ লেখাটা পড়ে যাওয়ার আগ্রহ অনেকটা বেড়ে গেলো।

    জবাব দিন
  3. পারভেজ (৭৮-৮৪)

    পাঠে আনন্দ থাকাটা অতি জরুরী।
    সেটা পুর্ন মাত্রায় ছিল।
    পাশাপাশি অনেক নতুন তথ্য জানা হলো। এটা বাড়তি লাভ।
    সাধারনতঃ তথ্যবহুল লিখাগুলো তথ্যভারাক্রান্ত হয়ে ঝুলে পড়ে।
    এই লিখাটির বিশেষত্ব হলো: এটা তথ্যবহুল কিন্তু তথ্যভারাক্রান্ত নয়।
    "একটানে পড়ে গেলাম" - বললে কম বলা হয়।
    আসলে শুধু পড়ি নাই, অনেক কিছু শিখেও নিলাম
    :boss: :boss: :boss:


    Do not argue with an idiot they drag you down to their level and beat you with experience.

    জবাব দিন

মন্তব্য করুন

দয়া করে বাংলায় মন্তব্য করুন। ইংরেজীতে প্রদানকৃত মন্তব্য প্রকাশ অথবা প্রদর্শনের নিশ্চয়তা আপনাকে দেয়া হচ্ছেনা।