আবার কলকাতা ৪

কলকাতা শহরের প্রধান সমস্যা ভাসমান মানুষ। প্রায় আশি হাজার লোক প্রতিরাতে রাস্তায় ঘুমায় এ শহরে। তাদের মধ্যে অন্ততঃ সত্তর ভাগের ঠিকানাই ফুটপাত। বাকীদের কেউ রেলস্টেশনে, কেউ বাসস্টপে এক দু’দিনের অতিথি। হয়তো গ্রাম থেকে এসে আর সেদিন ফিরে যাওয়া হলোনা। রাত কাটলো রেলস্টেশনে কিম্বা বাসস্টপে অথবা দোকানের বারান্দায়। সকাল বেলায় ব্যাপারটা বেশি চোখে পড়ে।
মির্জা গালিব স্ট্রিটের সকালটা ভালো হয়না। হোটেল থেকে বেরিয়ে ফুটপাথে কিম্বা দোকানের বারান্দায় গাদাগাদি করে মানুষ শুয়ে থাকতে দেখলে দম বন্ধ হয়ে আসে।

বিস্তারিত»

মিসিং ইউ : আনন্দ শঙ্কর

জলভারাতুর
বিষণ্ণ থোকা থোকা মেঘ দেখে
তোমাকে মনে প’ড়ে গেলো,
আনন্দ শংকর!
বিরহের যথার্থ সুর বেঁধেছিলে বলে
আজ সারা দুপুর
‘মিসিং ইউ’ শুনে
হৃদয় পোড়ে,
মেঘেদের মতন
সমস্ত আকাশে
বিচ্ছেদের স্বরলিপি ওড়ে… …

————————-
ফেসবুক। ১৬ মে ‘১৫

বিস্তারিত»

ক্যালাইডোস্কোপ

ডিসক্লেইমার : অনেকদিন পরে কিছু একটা লিখতে ইচ্ছা হচ্ছিল। একেবারেই আবোল তাবোল লেখা।

প্রস্তুতি

দিন শেষ হয়ে গেলে ঘর সাজানোর প্রস্তুতি চলে, কিংবা বলা যায় ঘরটা সেজে যায় আপন মনেই প্রকৃতির খেয়ালে। ঘরটি যথেষ্ট বদ্ধ হওয়ার দরকার ছিলো কিনা সেটা নিয়ে প্রশ্ন থাকলেও আপাতদৃষ্টিতে ঘরটিকে প্রয়োজনের চেয়েও বেশি সংকীর্ণ মনে হয়। তবে তার মাঝেও বড় ঘুলঘুলি অথবা ছোট জানালা ফাঁক দিয়ে আলো আসবার সরু পথ খোলা থাকে।

বিস্তারিত»

শৃঙ্খলিত আকাশ

আমার দুরন্ত আকাশ

বাঁধা পড়ে গেছে সময়ের ফ্রেমে,

নীল শেকলে বন্দী আমার

শুভ্র মেঘের ডানা।

 

এখানে তারারাও জ্বলে নেভে

সময় মেপে মেপে,

বিষণ্ণ চোখে চেয়ে থাকে

এক ফালি চাঁদ।

 

কখনও কখনও এখানে ওড়ে

এক ঝাঁক পাখি,

কিংবা গোটাকয় রঙ্গিন ঘুড়ি

আমি চেয়ে থাকি,

বিস্তারিত»

আবার কলকাতা ৩

টেলিফোন কেটে গিয়েছিলো। আবার ফোন বাজলো, রিসেপসন থেকে কেউ একজন বলল, স্যার রুমে বসে থাকবেন না। ভূমি কম্প হচ্ছে নিচে নেমে আসুন।ততক্ষণে ভূমিকম্প শেষ। আমাদের রুমে লাগেজ বয়ে নিয়ে গিয়েছিলো আবিদ নামের তরুন একজন ওয়েটার, আমি নিচে নামার পর ম্যানেজার তাকে বললেন, ‘আবিদ! স্যারকে ২০৮টা দেখিয়ে দাও। ওটা বড় আছে। শুনলাম ভুমিকম্পের পরপরই ২০৮এর গেস্ট চেক আউট করেছেন। ২০৮টা আমার পছন্দ হলেও বউ বাচ্চার উশখুশ দূর হলনা,

বিস্তারিত»

মেয়ে, আজ তোমায় বলবনা কিছু

মেয়ে আজ তোমায় আমি কিছুই বলবনা,
শুধু আসর খালি হয়ে গেলে,
শেষ মোমবাতিটাও যখন নিভে যাবে,
আমি একাকী ওই চাঁদটার সাথে জেগে থাকবো।
তুমি ক্লান্ত হয়ে তোমার বালিশে মাথা রেখো।

বিস্তারিত»

দিনলিপিঃ ইয়ার্ডলি অথবা চিনিটুশের শৈশব

এক

আমার আশেপাশে দেশী দোকানপাট কিছুই নেই কিন্তু ভারতীয় সব আছে। সুরে সুরে ইংরেজী বলা গুজরাটি, তামিল আর কর্ণাটকের লোকজন আছে চারপাশে প্রচুর। বিশাল আকারের প্যাটেল প্লাজায় কী নেই তাই ভাবি! বারোয়ারী মুদি দোকান থেকে শুরু করে রেস্তোরাঁ, চটকদার শাড়ীর দোকান, স্বর্ণকার অথবা টিউটোরিয়াল সবই আছে।

আজ তারার জন্য লিচু কিনতে চেরিয়ানে গেছি সকালবেলায়। চেরিয়ান সুপার মার্কেটটি আকারে বেশ বড়সড়, এতে সজনে ডাটা থেকে শুরু করে ফ্রোজেন ডালপুরি,

বিস্তারিত»

~ নাম জানা নেই এমন অসুখ ~

প্রিয় ফুল, প্রিয় রং, প্রিয় পাখী, প্রিয় নদী
ওসব কিছুই আমার নেই।

কখনো কোনো এক সময়ে
শীতের সকাল ভালো লাগতো,
বৃষ্টির দাপুটে ঝম ঝম ভালো লাগতো,
খরতপ্ত দুপুরের আলস্যও,
আর ছিলো মধ্যরাতের নির্জনতা।

শীতের পিঠা খেতে গেলে এখন শুধু ভূখা মানুষের কথা মনে হয়,
বৃষ্টি এলে খোলা আকাশের নীচে থাকা উদ্বাস্তুর কথা মনে হয়,
রোদের তেজে নিস্তেজ হয়ে নুয়ে আসা শ্রমিকের কথা মনে হয়,

বিস্তারিত»

অন্য কোন এক জীবনের গল্প

আমরা পরিচিত ছিলাম,
আমাদের মধ্যে শ্রোদ্ধার সম্পর্ক ছিল,
আমরা পরষ্পরের গুনমুগ্ধ ছিলাম,
আমাদের নিজেদের পৃথক জীবন ছিল।

সেই জীবন-যাপনের ফাঁকে একদিন –
হয়ত আরেকটু পরিচিত হতে,
অথবা খানিকটা অজানাকে জানতে,
খানিকটা বিনোদন পেতে,
একটুখানি ভিন্নতার আস্বাদ নিতে,
আমরা আলাপচারিতায় জড়ালাম।

এই আলাপচারিতা
আমাদের পারষ্পরিক শ্রোদ্ধাবোধ
আমাদের গুনমুগ্ধতা বাড়িয়ে দিল।
আমরা একে অন্যের বন্ধু হয়ে উঠলাম।

বিস্তারিত»

তস্করের হাতে চিঠিখানি

আকাশ থেকে অমনি
ঝরে পড়ে নীলখাম;

দ্যাখে তার ডাকনাম
এট ইমেইল ডট কম
লেখা আছে
সবগুলো গাছে —
সবুজ পাতার পরে
চারু চারু অক্ষরে

“হতচ্ছাড়া,
চুরি করেছিস,মনে নেই!
এখন কি
তোর কাছে গিয়ে
দিনের কথা পুরনো সেই
শুনে
মনের আমার
মন কেমন করে,
এখনো কি মেঘের মতন
অভিমান ঝরে,

বিস্তারিত»

মাছ বিভ্রাট

বিশাল হিউষ্টন, বিশালতর টেক্সাস। এখানে এলোপাতাড়ি ঘোরাঘুরি সোজা নয়। হুটহাট বেরিয়ে যাওয়া চলে না, রীতিমত প্ল্যান প্রোগ্রাম করতে হয়। লাগে প্রচুর সময়, এবং বেশ শক্ত পোক্ত একখানা গাড়ি। সঙ্গীসাথী জোটানো আরো কঠিন- এর চাকুরি তো ওর সর্দি, বাচ্চাকাচ্চাদের ব্যাপার তো লেগেই আছে সারা বছর। অগত্যা কবির বাণী ভরসা- একলা চলো রে। একে সময় কম, তায় পুরনো গাড়ী। তাই বিকেল-সন্ধ্যে-উইকএন্ডের ঘোরাঘুরি সীমিত রাখি ক্লিয়ারলেক, কেমা, গ্যালভাষ্টন,

বিস্তারিত»

ভালবাসার হলুদ ফুল

ঘনসবুজ পাতা আর উজ্জ্বল হলুদ ফুলের
পাতায় আর পাঁপড়িতে দেখি এক ভেনাসের মুখ।
ফাঁক ফোকর দিয়ে দেখা যায় ধুসর আকাশ,
তা দেখে মনের আকাশে নেমে আসে হাল্কা অসুখ।

ফুলের সৌরভ ভেসে আসে বাতাসে বাতাসে,
মৌ মৌ করে মন আরো কিছু অচেনা সুবাসে।
ফুলের ঔজ্জ্বল্য মনটাকে করে দেয় বেজায় ভালো,
পরশে মেখে যায় ভালবাসার কিছু নরম আলো।

 

বিস্তারিত»

~ প্রেম প্রণয় যদাপি দীপ্য বহমান | জীবন ঋতি নিয়ত ঋদ্ধিমান – চার ~

ধরা যাক একটা রুমে অগুন্তি সিডি রাখা আছে। গানের। গায়ে ঠিক লেবেল সাঁটা নেই কোনটায় কার গান কি গান।

যে পছন্দ করে রবীন্দ্র সংগীত সে বাড়ী ফিরে দেখলো বাজছে ম্যাডোনা। যে মাইকেল জ্যাকসন সে পেলো রাগ ভৈরবী। আর চরম সেতার ভক্ত পেলো শাকিরার লেটেস্ট ভলিউম।

বলা হলো এটাই জীবন। শোনো আমরন। কি করবেন আপনি ! এই মহাজাগতিক আলোকবর্ষের হিসেবে নগন্য একটা জীবন সমান সময় মাত্র।

বিস্তারিত»

মোম ও তুমি

মোম গলে যায় অগ্নিশিখায়,
তুমি গলে যাও নরম কথায়।
ফোঁটায় ফোঁটায় মোমের ক্ষয়,
জানি, কিসে তোমার কষ্ট হয়।

তুমি মোমের মত গলে গলে
আমার বুকে আটকে গেলে!
ফোসকা পড়ার ভয় ছিলনা,
গরম তাপের জ্বালা ছিলনা।

আমার বুকে জ্বলছে মোম,
জ্বলতে থাকে সর্বক্ষণ,
সেই আলোতে চলছি পথ,
স্মরণে রেখে সব শপথ।

 

বিস্তারিত»

ঢাকার শুনানি, ঢাকায় শুনানি (ঘ)

শুক্রবারে ধানমন্ডিতে কাকার বাসায় যাবার সময় দুই এক ফোঁটা বৃষ্টি মাথায় পড়েছিল। সেটা সহ্য হয়নি। দেশে আসার পর প্রথম রোগ বালাই কিংবা বলা চলে রোগ বালাইয়ের উপসর্গঃ হাল্কা জ্বর, গায়ে ব্যথা, মুখে অরুচি এইসব ধানাইপানাই। কিন্তু নিয়ম করে সন্ধ্যায় ও ভোররাতে জ্বরের আনাগোনা দেখে গতকাল গিয়েছিলাম ডাক্তারখানায়। টাইফয়েড ও প্যারাটাইফয়েড আমার খুব কাছের বন্ধু। ভাবলাম আবারো বাড়ি এলো কিনা?

এলাকার হাসপাতালের কাউন্টারের সামনে হেসে,

বিস্তারিত»