আর্ট এগজিবিশন : লেসনস এন্ড টিপস্‌

এই লিখাটা আদৌ লিখবো কি লিখবো না, তা নিয়ে নিজের সাথে ভালোই যুদ্ধ করে কাটালাম বেশ কয়েকটা সপ্তাহ।
কিসের যুদ্ধ? কেন যুদ্ধ??

না লিখার পক্ষে প্রধান নিয়ামক ছিল, মটিভেশনের অভাব।
– ডাইরেক্ট ইন-ডাইরেক্ট মিলিয়ে অলরেডি ৩টা ব্লগ লিখেছি এই এক ইভেন্ট নিয়ে। সেগুলোর ট্রাফিক ও কমেন্ট দিনে দিনে কমে এসেছে। বোঝা যাচ্ছে, পাঠকরা এই এক বিষয়ে বেশী কচলানো পছন্দ করছেন না।
– ভবিষ্যতের জন্য সবচেয়ে কাজের হবে যেটা মানে এই ব্লগখানা যেহেতু লিখবোই বলে ঠিক করে রেখেছিলাম আর সেটা মূলতঃ অন্য এক্সক্যাডেটদের জন্য, তাই চাচ্ছিলাম যে আগের ব্লগগুলোও ইসিওএফ-এ শেয়ার হোক ধারাবাহিকতা রক্ষার স্বার্থে।
কিন্তু নিজের ব্লগ নিজে শেয়ার করতে সংকোচ হয়। তাই আশায় ছিলাম, অন্য কেউ যদি তা করে দেয়। একদিন দেখলাম এক ছোটবোন শেয়ার করেছেও। দেখে যতটা খুশি হয়েছিলাম, মিনিট পাঁচেকের মধ্যে তারচেয়ে বেশী হতাশ হলাম, যখন দেখলাম ঐ ছোটবোনটির এক বান্ধবি কঠোর ভাষায় লিখেছে,
“তুই কি পোস্ট শেয়ার করার দায়িত্ব পাইছিস নাকি???? কী ঘটনা??”
রাবীন্দিক ভাষায় বলতে ইচ্ছে হলো “ভাগ্যটা ঘোলা জলের ঢোবা…” – যাঁদের জানানোর জন্য এই প্রচেষ্টা, তারা কেউ আগ্রহী নয় এতে একেবারেই। থাক তবে এসব, কি হবে আর লিখে?

তবে লিখার পক্ষেও যুক্তি আছে। এখন আলাদা করে বলছি না। তবে ঠিক ঠিকই বোঝা যাবে তা, ব্লগের শেষে পৌছে।

দোটানায় সময় পার করতে করতে গত পরশু আলাপ হলো: চির উৎসাহী ও অঢেল প্রেরণার উৎস “সাবিনা চৌধুরি” আপুর সাথে।
বললাম, “লেসন ও টিপস দেয়ার ইচ্ছা ছিল। কিন্তু পাঠকদের সম্ভাব্য অনাগ্রহ অনুমান করে লিখতে চাইছি না”।
সাবিনা সব শুনলো। শুনে লিখার পক্ষেই রায় দিল। বললো, “এটা বড় কোন সমস্যা না। এই যে একটা রেকর্ড থাকবে, কেউ পড়ুক না পড়ুক – এটার একটা আর্কাইভ ভ্যালু কিন্তু আছেই”।

সাবিনার কাছ থেকে উৎসাহ ও প্রশ্রয় পেয়ে লিখাটা দেবো বলেই সিদ্ধান্ত নিলাম, কপালে যাই থাকুক না কেন? আর, এরই ধারাবাহিকতায় এই লিখালিখিটা।

তবে শুরুর আগে একটা আইটেম দিয়ে ফেলি যা রিপোর্টিং-এ বা ফলোআপ ব্লগে বাদ পড়েছিল।

রিপোর্টিং-এর সময় বুঝেছিলাম, শিল্পীদের বক্তব্য রাখা উচিৎ। মাজেদের বক্তব্য রেকর্ড করে পোস্টও করলাম। কিন্তু জিতূ কিছু বলতে চাইলো না আমার কাছে। অগত্যা জিতুর বক্তব্য ছাড়াই রিপোর্টটা পাবলিশ করতে হয়েছিল।

এগজিবিশন শেষ হবার পর একাত্তর টিভিতে প্রচারিত ইভেন্ট কাভারেজের ভিডিও পেলাম ইউটিউবে। দেখলাম ওখানে জিতুর অনেক কথা আছে যা আমার আগে থেকেই জানা। বুঝলাম, এগুলোই আসলে ছবির পেছনের সেই সব কথা যা আমি শিল্পীর কাছে জানতে চাইতাম। বিশ্বাস না হয়, এই দেখুন…

এবার আসল প্রসঙ্গে আসি। তবে তার আগে কিছু ফ্যাক্ট (বা তথ্য) দিয়ে নেই:
# এখনও সেলিব্রিটি হন নাই, এমন শিল্পিদের ছবি বিক্রির জন্য “এইট্টি-টুয়েন্টি” রুলটা কাজ করে (৮০-২০)। তাই ছবির প্রাইসিং এমন হওয়া দরকার যেন ২০% বিক্রিত ছবি থেকেই সব ছবির পিছনে করা খরচটা যেন উঠে আসে।
# সৌখিন শিল্পিদের যৌথ প্রদর্শনির জন্য আইডিয়াল ভেন্যু হলো ক) শিল্পাঙ্গন, খ) দৃক গ্যালারী। এই দুটোর গড় দৈনিক খরচ সাড়ে ছয় হাজারের মত।
# বৃহঃপতি-শুক্র-শনিবার হলো প্রদর্শনির জন্য আইডিয়াল তিনটি দিন। প্রসঙ্গতঃ, সম্প্রতি জানলাম, অতি তরুন ও সৌখিন এক শিল্পীর প্রদর্শনি হয়ে গেল দৃকে ঐ তিন দিন। এমনকি শিল্পাঙ্গনে হওয়া এই প্রদর্শনিটিরও মূল ক্রেতা-ক্রাউডটাও কিন্তু ছিল ঐ তিনদিনেই।
# যৌথ প্রদর্শনির ক্ষেত্রে চার থেকে ছয় জনের ১০ থেকে ১৫ টি করে ছবি নিয়ে মোট ৬০ টি ছবি প্রদর্শনিতে অন্তর্ভুক্ত করা সম্ভব।
# গোটা প্রদর্শনির জন্য প্রকাশ্য স্পন্সর পাওয়া অসম্ভব না হলেও শিল্পীর জন্য ব্যক্তিগত স্পন্সর পাওয়া খুব কঠিন না। শিল্পী স্পন্সরের পছন্দে একটি ছবি উপহার দেবেন, এইটাতে সম্মত হলে স্পন্সর বা স্পন্সরদের কাছ থেকে গ্যালারী ভাড়া প্লাস ছবি বাধাই-এর খরচ প্লাস পাবলিকেশন প্লাস আপ্যায়ন খরচের টাকা পাওয়া খুব কঠিন হওয়ার কথা না।
# আজকাল এগজিবিশনে ছবির দাম প্রকাশ্যে দেয়া থাকে না। আলাদা প্রাইস লিস্টে তা রাখা হয়। এর দুইটা সুবিধা। ১) দরকার মত বলা যায়, এটা ব্যাবসার জায়গা না। আর ২) ক্লিয়ারিং সেলের জন্য ডিসকাউন্টি দেয়াটা সহজ হয়ে যায়।
# বিক্রিত ছবিতে কোন কিছু লিখে নয় বরং একটি লাল ফোটা দিয়ে চিহ্নিত করা হয়। লাল ফোটাটি দেখে দর্শক ও ক্রেতা বুঝে নেন যে ওটা বিক্রি হয়ে গেছে।

ভবিষ্যতে যদি কেউ যৌথ ভাবে আর্ট এগজিবিশন করতে ইচ্ছুক হন, এখানে একটা উদাহরন দিয়ে তা বর্ননা করছি।

ধরা যাক ছয়জন শিল্পী ১০ টি করে ছবি দিয়ে শিল্পাঙ্গনে তিনদিনের জন্য প্রদর্শনিটি করতে চাচ্ছেন।
শিল্পাঙ্গনের চারটি রুম এই ভাবে ভাগ করা সম্ভব:
১) প্রবেশ পথের রুম ছাড়া প্রতিটি রুমে দুজন করে শিল্পীর ৮-৯টি করে ছবি রাখা যেতে পারে।
২) প্রবেশ পথের রুমে সকল শিল্পীর স্পন্সারকে উপহার দেয়া ছবিটি রাখা যেতে পারে। তার মানে এই রুমটি হবে “নট ফর সেল রুম”। স্পন্সারের জন্য এটা পাবলিসিটি ভ্যালুও দেবে।
৩) তিনটি রুমের জন্য দুই ইউনিট করে মোট ছয়জন স্পন্সার খোজা যেতে পারে। তবে এক প্রতিষ্ঠান একাধিক ইউনিট স্পন্সার করতে পারবে। কেউ দুটি ইউনিট স্পন্সার করলে তাঁকে একটি “রুম-স্পন্সার” হিসাবে গন্য করার সুযোগ থাকবে।
৪) স্পন্সরের পাবলিসিটি করার শর্তসাপেক্ষ সুব্যবস্থা করা যাবে।
৫) এইবার কস্ট ইস্যুজ: (ধরা যাক)
– গ্যালারী ভাড়া : ২০,০০০ টাকা
– ষাটটি ছবি বাধাই-এর খরচ : ৩০,০০০ টাকা
– প্রিন্টিং ও পাবলিসিটি : ২০,০০০ টাকা
– অপ্যায়ন, যাতায়ত ও অন্যান্য : ২০,০০০ টাকা
মোট : ৯০,০০০ টাকা
এই যদি হয় খরচের সম্ভাব্য ব্রেকডাউন, তাহলে প্রতি ইউনিট স্পন্সারশিপ-এর জন্য ১৫,০০০ টাকা ধার্য্য করা সম্ভব।

এইভাবে প্রদর্শনিটির আযোজন করা হলে শিল্পীকে রোলড অবস্থায় মানে আনফ্রেমড দশটি ছবি আনা ছাড়া আর কিছুই করতে হবে না। সে একটি ছবি স্পন্সরকে উপহার দিয়ে বাকি নয়টি তিনদিনের জন্য ডিসপ্লের সুযোগ পাবে। ঐ তিনদিন যা বিক্রি হবে তার পুরো টাকাটাই সে নিয়ে নিতে পারবে। উপরোন্ত, অবিক্রিত ছবি গুলো ফ্রেমড হয়ে তার কাছে রয়ে যাবে।

এইবার ডিসকাউন্টে ক্লিয়ারিং সেলের ব্যাপারটা একটু বুঝিয়ে বলি।
যেহেতু প্রথম দিকের ক্রেতার জন্য সব ছবি থেকে পছন্দ করার সুযোগ থাকছে, তার ক্রয়টা প্রিমিয়াম প্রাইসেই হওয়াটাই যুক্তিযুক্ত।
শেষ দিকের ক্রেতাকে পছন্দের সুযোগ দেয়া যাচ্ছে না বলেই মূল্যছাড়ের মাধ্যমে আকৃষ্ট করার সুযোগটা তৈরী করা যাচ্ছে। অন্যান্য এজাতিয় স্বল্প পরিচিত শিল্পীদের প্রদর্শনিতেও এটা একটা প্রচলিত প্র্যাকটিস। এর মাধ্যমে মোট বিক্রয়ের সংখ্যা বাড়ানো সম্ভব।

ছবির প্রাইসিং নিয়ে কিছু কথা।

প্রথম অবস্থায় বেশ প্রিমিয়াম প্রাইসিং করাটা যুক্তিযুক্ত। কারন একজন শিল্পী কেবলই কিছু শ্রমে একটা রং-ক্যানভাসে করা ফ্রেমড ছবিই শুধু দিচ্ছেন না। তিনি তার ক্রেতার কাছে তার একখানা গোটা কনসেপ্টই তুলে দিচ্ছেন, যে কনসেপ্টে তিনি সহ অন্য কেউ আর জীবনেও কোন ছবি আকবেন না। আকতে পারবেন না। শুধু একটা ছবি নয়, আইডিয়া বিক্রিটাই এখানে প্রধান বিষয়। ধরা যাক, “সুখটান” নামে জিতুর এই যে ছবিটা আছে, সে নিজেও আর কোনদিন “সুখটান” নামে কোন ছবি আর আঁকতে পারবে না। একান্তই যদি আঁকে, প্রথমতঃ সেই ছবিটার নাম দিতে হবে “সুখটান-২”, কোন ক্রমেই কেবলই “সুখটান” নয়। এটা যে একজন শিল্পীর কতবড় একটা ত্যাগ স্বীকার, তা ঐ শিল্পী ছাড়া আর কেউ কোনদিনও বুঝবেন না।

"সুখটান"

“সুখটান”


দ্বিতীয়ত, “সুখটান-২” কে হতে হবে “সুখটান” থেকে সিগনিফিক্যান্টলি ভিন্ন। যেমন: ক) যথা সম্ভব নারী চরিত্র না রাখা, খ) রাখলেও সাইড ভিউ-এ বা এই এংগেলে তাকে না রাখা গ) হাত, ঠোঁট, মুদিত চক্ষু, চুল – এইসব বিশেষ আকর্ষনের ক্ষেত্রগুলিতে পর্যাপ্ত পরিবর্তন আনা। ইত্যাদি।
ব্যাপারগুলা কিন্তু খুব সহজ না!!!
আর ক্রেতাও বুঝবেন, তিনি কেবলই একটা ছবি কিনছেন না, তিনি শিল্পীর শিল্প-স্বত্তার একটি অংশ চিরদিনের মত তার কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন করে নিজের সাথে নিয়ে যাচ্ছেন এমনভাবে, যেখানে ঐ শিল্পীরও নিজের আর কোন দিন কোন দাবী থাকবে না। ব্যাপারটা নিষ্ঠুর হলেও সত্য। আর সত্য বলেই ছবির প্রাইসিং-এ এর প্রতিফলন থাকাটা খুবই বাঞ্চনিয়।

এবার শেষ কথা।
এই প্রদর্শনিটিকে আমি কেবলই দুজন সৌখিন শিল্পীর একটি “সখ-পুরোনের” ইভেন্ট হিসাবে দেখি নাই। ক্যাডেট কলেজে শিক্ষার্থিদের শিল্পী প্রতিভা চিহ্নিত করার যে একটি সুযোগ আছে, এটাকে তা ব্যবহারের একটি সম্ভবনা হিসাবে দেখতে চেয়েছি। অনেক গুন থাকার পরেও আমার চার প্রতিভাধর শিল্পী বন্ধু শিল্প জগত থেকে হারিয়ে গেছে। এই রকম একটি কমুনিটি আর্ট এগজিবিশিন আয়োজনের প্র্যাকটিস নিয়মিত ভাবে করা গেলে একসময়ে আবিষ্কৃত অনেক প্রতিভাই হয়তো আবার আঁকাআঁকিতে ফিরে আসবেন। নতুনরাও তাঁদের চর্চ্চা চালিয়ে যাবেন।

কি দারুনই না হবে ব্যাপারটা। ভাবতেই গায়ে শিহরন খেলে যায়!!!

আর কে না জানে, ক্রিয়েটিভ কাজে নিয়োজিত থাকার চেয়ে উন্নত মানের ও আনন্দময় সময় বা “কোয়ালিটি টাইম” আসলেই খুব বেশী নাই……

প্রয়াস নামক আর্ট এগজিবিশনটি নিয়ে আগে লিখা ব্লগগুলি:

১) জিতু-মাজেদের আর্ট এগজিবিশন নিয়ে আপডেটেড রিপোর্ট

২) এইবার দুই এক্সক্যাডেটের “প্রয়াস” নিয়ে পুর্নাঙ্গ ব্লগ

৩) ছবি থেকে গল্প

৩,৫১৮ বার দেখা হয়েছে

২৩ টি মন্তব্য : “আর্ট এগজিবিশন : লেসনস এন্ড টিপস্‌”

  1. অরূপ (৮১-৮৭)

    বস :boss: :boss: :boss: :boss: :boss: :boss: :boss: :boss: :boss:
    বিজনেস ফরম্যাটটা ভালো বাইর করছেন। আমার একটা সাজেশন ফ্রেমিং খুবই ইম্পর্ট্যান্ট একটা ফ্যাক্টর।
    এই প্রদর্শনীতে বেশ কয়েকটা ছবি দেখে মনে হয়েছে, এর ফ্রেমিং আলাদা হলে ছবিটা একটা ভিন্ন মাত্রা পেত।
    পারভেজ ভাই লেখাটার জন্য ধন্যবাদ আপনার প্রাপ্য। ধন্যবাদ।


    নিজে কানা পথ চেনে না
    পরকে ডাকে বার বার

    জবাব দিন
    • পারভেজ (৭৮-৮৪)

      "আমার একটা সাজেশন ফ্রেমিং খুবই ইম্পর্ট্যান্ট একটা ফ্যাক্টর।"
      - অবশ্যই খুবই ইম্পর্টেন্ট ফ্যাক্টর।
      কিন্তু জানো তো ব্যাপারটা টেকনিকাল।
      আর এই টেকনিকাল বিষয়ে আমার মত নন-টেকনিকাল মানুষের পেটে "বুমা" মেরেও কোন কিছু বের হবে না।
      যাহোক, টেকনিকাল বিষয়টা যথার্থ "টেকনিকাল" মানুষের দৃষ্টিতে পড়েছে।
      এটা খুবই খুশির কথা একটা।
      যেদিন "প্রয়াস-২" লঞ্চিং-এর ঘোষনা আসবে, তোমাকে সেখানে ফ্রেমিং-এডভাইজার হিসাবে অবৈতনিক নিয়োগ দেয়াটা মোটামুটি কর্তব্যের পর্যায়ে পড়ে যাবে বলেই তো মনে হচ্ছে।
      মনে মনে রেডি থেকো। এখন থেকেই। বলে রাখলাম...

      আর হ্যাঁ, ধন্যবাদে সাবিনার ভাগ আছে কিন্তু। ও না উৎসাহ দিলে এই লিখাটা শুরু করতাম কিনা, সন্দেহ।
      অনেকের নিরুৎসাহ আমাকে যে ভালোই অলস করে দিয়েছিল, বলার না। এখন নির্দ্বিধায় স্বীকার করতে পারি তা।

      সাবিনা, ধন্যবাদে তোমার ভাগ টা নিয়ে নাও, যেখানেই থাকো না কেনো...............


      Do not argue with an idiot they drag you down to their level and beat you with experience.

      জবাব দিন
      • অরূপ (৮১-৮৭)

        পারভেজ ভাই, আমি কোন এক্সপার্ট না, সত্যি বলতেছি। জাস্ট ফ্যাক্টারটা মাথায় আসছিল এগজিবিশনের দিন তাই চান্সে বলে ফেললাম।
        অবৈতনিক সকল কাজে আমার উৎসাহ অপরিসীম। 😀 😀
        সাথে জিতুকেও ধন্যবাদ ... সাথে মাজেদকেও


        নিজে কানা পথ চেনে না
        পরকে ডাকে বার বার

        জবাব দিন
        • পারভেজ (৭৮-৮৪)

          মাথায় আসলেই তো এডভাইজ করা যায় ব্রাদার। না আসলে ক্যামনে এডভাইজ করবা, বলো?
          এক্সপার্ট তো বলি নাই। এডভাইজার বলছি সেইজন্যেই।

          বাই দ্যা ওয়ে, জিতু আর মাজেদ তো বংশ-পরম্পরায় ধন্যবাদ পেয়েই যাবে। সে আর এমন অবাক কি?
          নিজেরা নিজেরা এগজিবিশন করার যে দুঃসাহসি পদক্ষেপ নিয়েছে, এটা ওদের প্রাপ্যও।

          জানো, আমি স্বপ্ন দেখি, প্রয়াস-২ এর জন্য ছবি ও স্পন্সার আহবানের।
          তাতে অনেকের ছবি জমা পড়ার। অনেক স্পন্সার পাওয়া যাওয়ার।
          আমাদের রাত জেগে সেখান থেকে পার্টিসিপেন্ট বাছাই করার।
          স্পন্সারের সাথে বার্গেইন করার।
          প্রয়াস-২ লঞ্চিং-এর।

          আর তাতে অন্যকোন সেলিব্রিটি না, আমাদের খুবই আপন, জিতু আর মাজেদ সেই প্রয়াস-২ এ প্রধান ও বিশেষ অতিথি হিসাবে এসে ফিতা কাটার।
          কত প্রতিকুলতা ডিঙ্গিয়ে "প্রয়াস" নামিয়ে ছিল, সেই গল্প বলছে তারা প্রধান ও বিশেষ অতিথির ভাষনে।
          ভাবা যায়?

          এইগুলা কি কেবলই স্বপ্ন থেকে যাবে?
          সত্যি হবে না?
          দেখা যাক......... (সম্পাদিত)


          Do not argue with an idiot they drag you down to their level and beat you with experience.

          জবাব দিন
  2. আমার পর্যবেক্ষণ:
    # গ্যালারীর সাইজ দেখে ছবির সংখ্যা নির্ধারণ করা ভালো। কারণ, অনেক ছবি একসাথে হিজিবিজি করে টাঙ্গালে সেটা মনোমুগ্ধকর নাও হতে পারে। তার চাইতে একটি সুন্দর ছবির চারদিকে যথেষ্ঠ স্পেস রেখে আর একটা ছবি টাঙ্গানো যেতে পারে। কারণ, ছবির চারদিকের স্পেস ছবির সৌন্দর্য বাড়িয়ে দিতে পারে অনায়াসে।
    # প্রদর্শনীর জন্য ছবি বাছাই খুবই গুরুত্বপূর্ণ। যৌথ প্রদর্শনীর জন্য আরো বেশি। কারণ, একটি প্রদর্শনী একই টোনে, একই ভাষায় হওয়াটা জরুরি। তাতে দর্শক ক্লান্ত হবে না। (অনেক শিল্পী নিজস্ব চিন্তাভাবনার প্রতিফলন ঘটাবে এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু সবার মধ্যে রসায়ন জমাটা জরুরি। চারুকলার গ্রুপ এক্সিবিশনগুলো সিনিয়রদের চাইতে অনেক সময় ভালো হয়, তার কারণ এটাই। অনেক শিল্পী একই টোনে অনেক রঙে অনেক বিষয়ে ছবি আঁকে)

    জবাব দিন
    • পারভেজ (৭৮-৮৪)

      দুইটা পর্যবেক্ষণই খুব মনে ধরেছে।
      আর আপনাকে অনেক ধন্যবাদ এই পার্টিসিপেটটা করার জন্য এবং এর মাধ্যমে আমাদের চিন্তা ভাবনায় গতি দেবার জন্য।

      আর হ্যাঁ, শিল্পাঙ্গন খোজার প্রাথমিক ধারনাটা যে আপনার কাছ থেকেই পেয়েছিলাম, এই একনলেজমেন্টটা এখনও করা হয়ে ওঠে নাই।
      খুবই দুঃখিত।
      আর কি অবাক কান্ড দেখেন তো? সেই শিল্পাঙ্গনেই কিনা এগজিবিশনটা অনুষ্ঠিত হলো শেষ পর্যন্ত.........

      কৃতজ্ঞতা স্বীকার যখন করলামই, বাকিটাও করে ফেলি।
      বিক্রিত ছবিতে লাল ফোটা দেয়া আর প্রাইস ট্যাগ না লাগিয়ে পৃথক প্রাইস লিস্ট মেইন্টেইন করার ধারনাগুলিও আপনার কাছ থেকেই পেয়েছিলাম।
      সশরীরে এসে প্রদর্শনি দেখা যাওয়াটাও ছিল একটা প্রশংসনীয় অভিজ্ঞতা।

      কেবল একটি ফোন পেয়ে এতটা উৎসাহ দেখানোর মত উদারতা সবার থাকে না।
      আপনি অনেক ভাল একজন মানুষ, দাদা।
      ভাল থাকবেন.........


      Do not argue with an idiot they drag you down to their level and beat you with experience.

      জবাব দিন
        • পারভেজ (৭৮-৮৪)

          আরে না, কি যে বলেন? লজ্জায় ফেলার কিছু নাই।

          আসলে আর্ট এগজবিশন দেখার জন্য যে আগ্রহের দরকার পড়ে, তা সবার থাকে না।
          আর যা বললাম, তা প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতার আলোকেই বললাম।

          এই এগজিবিশনের আগের রাত্রে দুই শিল্পীর একজনকে দেখেছিলাম কমুনিটি সম্পর্কে ভালোই ঘনিষ্ট অনেককে ইন-পার্সন গিয়ে দাওয়াত দিতে, কার্ড দিতে, আসতে বলতে।
          অথচ কার্ড পাওয়া ভাগ্যবান ব্যাক্তিবর্গের অর্ধেকের কাছাকাছিই তা ফেলে যান।
          সাথে করে নেয়ার ভদ্রতাটুকুও দেখান নাই।
          যারা সাথে করে কার্ড নিয়ে গিয়েছিলেন, ঐ পাঁচ দিনে তাদেরও সিকি ভাগের বেশী মেলায় দেখেছি বলে মনে পড়ে না।
          অথচ আমার ডাকে আপনি গিয়েছেন, লুৎফুল গিয়েছে, আরও অনেকে গিয়েছে।

          বাই দ্যা ওয়ে, এটাও এজাতিয় চিত্র প্রদর্শনির একটা লেসন।
          দাওয়াত পেলেও সবাই এতে আসে না।
          তাই অকারনে ইনডিসক্রিমিনেট দাওয়াত দিয়ে সময়, শ্রম ও অর্থ ব্যয় করাটা অর্থহীন.........


          Do not argue with an idiot they drag you down to their level and beat you with experience.

          জবাব দিন
  3. সাবিনা চৌধুরী (৮৩-৮৮)

    :hatsoff: :hatsoff: :hatsoff: :hatsoff: :hatsoff:

    আমি সবাইকেই লিখতে উৎসাহিত করি, ভাইয়া! কিন্তু কেউই লিখতে চান না এটিই হল সত্য। তোমার লেখায় নিজের নামখানি দেখতে পেয়ে সম্মানিত বোধ করছি, ভাইয়া! মাজেদ এবং জিতুর এই আয়োজনের সাথে পরিচয় করিয়ে দেবার জন্য তোমার এই ধারাবাহিক প্রয়াস প্রশংসনীয়।

    যাঁদের নিয়ে তোমার এতো আয়োজন একবারের জন্য হলেও তাঁদের উপস্থিতি প্রত্যাশিত ছিল সিসিবিতে। আশা করি তোমার এই প্রয়াস শিল্পীদের উৎসাহিত করেছে।

    জবাব দিন
    • পারভেজ (৭৮-৮৪)

      তুমি ঐদিন না বললে, জীবনেও এটা লিখতাম না, জানো?
      তাই তোমার প্রতি আমার অনেক কৃতজ্ঞতা।
      আর হ্যাঁ, তোমার এই উৎসাহ দেয়াটা সত্যিই প্রশংসার দাবীদার।

      "যাঁদের নিয়ে তোমার এতো আয়োজন একবারের জন্য হলেও তাঁদের উপস্থিতি প্রত্যাশিত ছিল সিসিবিতে"
      আসলেই কি ব্যাক্তি জিতু বা ব্যক্তি মাজেদকে নিয়ে আমার এই আয়োজন?
      মনে হয় না।
      আমি এক্সক্যাডেট-সৌখিন শিল্পীদের, সে যেই হোক না কেন, এগজিবিশনের এই ধারনাটার ফ্যান। সেটা এগিয়ে নেওয়ার স্বেচ্ছা-শ্রমিক।
      ব্যাক্তি ওদের চেয়ে আমার মন কিন্তু অনেক বেশী পড়ে ছিল, আমার সেই তিন বন্ধুর কাছে - যারা ওদের বয়সটাতে এরকম করা যে যায়, তা জানতোই না।

      ঐ তিন বন্ধুর একজন এখানে আছে। সবাই তাঁকে চেনো।
      সে হলো আমাদের মাহবুব (৭৮-৮৪)

      জিতু বা মাজেদ এলো কি এলো না, কি এসে যায় আমার - বলো?
      নিশ্চয়ই অন্য কোন প্রায়োরিটি আছে ওদের।
      মাহবুব তো আছে। তুমি আছো, অরূপ আছে। আরও কত কে আছে...
      এই বা মন্দ কি?


      Do not argue with an idiot they drag you down to their level and beat you with experience.

      জবাব দিন
  4. সাইদুল (৭৬-৮২)

    পাঠকরা এই এক বিষয়ে বেশী কচলানো পছন্দ করছেন না।

    ব্যাপারটা যে তোমার বেলায় ঠিকনা এটি এতক্ষণে নিশ্চয় বুঝতে পেরেছো। আসলে সবাই সব কিছু উতসাহ নিয়ে পড়েনা। তবে ক্যাডেট কলেজ ব্লগের কথা আলাদা, এখানে যারা লেখে এবং পড়ে তারা প্রায় সবাই সব লেখাতেই একটু না একটু দাঁত বসাতে পারে।
    এই লেখাটি ভবিষ্যতের শিল্পিদের অনেক সুবিধা করে দিল


    যে কথা কখনও বাজেনা হৃদয়ে গান হয়ে কোন, সে কথা ব্যর্থ , ম্লান

    জবাব দিন
    • পারভেজ (৭৮-৮৪)

      ২০ ঘন্টা এতিমের মত পড়ে থাকা মাত্র ১৩৮ বার ভিউ হওয়া ব্লগটাতে অবশেষে "হাতির পাড়া" পড়লো?
      এরপরেও যদি বলেন, "লেবু কচলানো হাইপোথিসিস" ঠিক না, কিছছু বলার নাই।
      অবশ্য ৩৮ বার শেয়ার হওয়াটা আপনার শেষ বাক্যের সাথে ভালই যায়। মানে কনসিস্টেন্স।
      যারা পড়েছে, সংখ্যা যত কমই হোক, চেয়েছে নতুনরা এটা জানুক।
      সেই দিক দিয়ে আমি সফল। আমি কিন্তু চেয়েছি, তরুনরা জানুক, এটা করা সম্ভব......


      Do not argue with an idiot they drag you down to their level and beat you with experience.

      জবাব দিন
  5. খায়রুল আহসান (৬৭-৭৩)

    মনের দোদুল্যমানতা অতিক্রম করে শেষ পর্যন্ত এ লেখাটি প্রকাশের জন্য সাধুবাদ। আর এর পেছনে অকুন্ঠ উৎসাহ যোগানোর জন্য সাবিনাকেও ধন্যবাদ। সাবিনা ঠিকই বলেছে যে লেখাটির তো একটি আর্কাইভ ভ্যালু আছে। এ ধরণের লেখা শিল্পীদের ভীষণ অনুপ্রাণিত করে।

    জবাব দিন
  6. জুনায়েদ কবীর (৯৫-০১)

    সব লেখা তো আর পাঠকের জন্য হয় না, কিছু লেখা থাকে নিজের জন্যও। সবচেয়ে বড় কথা ক্যাডেট কলেজ ব্লগ এমন একটি প্ল্যাটফর্ম যেখানে যে কোন এক্স-ক্যাডেট নির্দ্বিধায় যে কোন টপিকে লেখা দিতে পারে। এটা যে আমাদের নিজেদেরই বাড়ি, আর সকল সদস্যই বিশাল একটি পরিবারের অংশ! 😀

    লেখাটির জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আমি নিশ্চিত এটা ভবিষ্যতে অনেকেরই কাজে আসবে।


    ঐ দেখা যায় তালগাছ, তালগাছটি কিন্তু আমার...হুঁ

    জবাব দিন
    • পারভেজ (৭৮-৮৪)

      প্রচলিত জনপ্রিয় ধাচের না বরং খানিকটা একাডেমিক ধাচের হয়েছে লিখাটা।
      ট্রাফিক কম হবে, এটা নিয়ে কিন্তু আমি চিন্তিত ছিলাম না।
      আমি চিন্তিত ছিলাম, "কারো বিরক্তির কারন হবো না তো" - এটা ভেবে।
      এমনিতেই পাঠক উপস্থিতি কম।তার মধ্যে "বিরক্তি-উদ্রেককারি ব্লগার" ট্যাগ-প্রাপ্ত হলে তো ভাবনারই কথা হতো সেটা।
      তাই না?


      Do not argue with an idiot they drag you down to their level and beat you with experience.

      জবাব দিন
  7. লুৎফুল (৭৮-৮৪)

    কথা হলো যে ... লেখাটা হয়েই গেলো ... অনেকের জানা হলো ... কারো কারো কাজেও লেগে যাবে সময়ে ...
    আর হ্যা ফ্রেমিং-এর ব্যাপারটা নিয়ে জিতুর সঙ্গে এক লাইন কথা আমারও হয়েছিলো ...

    সাধুবাদ । লেখার জন্য ।

    জবাব দিন
    • পারভেজ (৭৮-৮৪)

      প্রথম ব্লগটিতে দেখেছিলাম, একজন লিখেছিলেন, ছবিগুলোর নামকরনে তিনি হেলপ করেছেন।
      ফ্রেমিং-এও নিশ্চয়ই কারো হেলপ নেয়া হয়ে থাকবে তাহলে।
      বোঝা যাচ্ছে আরও একটু বেশী হেলপ নেয়া উচিৎ ছিল।

      এটাও একটা লেসন।
      ভবিষ্যতে প্রদর্শনি করার জন্য এজাতীয় বিবিধ বিষয়গুলিতে বিভিন্ন জনের কাছ থেকে মতামত নিয়ে নেয়াটা খুবই কাজের হবে বলেই মনে করছি।
      ফ্রেমিং নিয়ে আলাপ করার জন্য এই যে অন্ততঃ দুজন পাওয়া গেল এখানে, এটাও এই ব্লগটা লিখার একটা কোল্যাটারাল বেনিফিট...
      😀 😀 😀


      Do not argue with an idiot they drag you down to their level and beat you with experience.

      জবাব দিন
  8. নূপুর কান্তি দাশ (৮৪-৯০)

    প্রদর্শনীর সময়টায় ঢাকায় না থেকে বিরাট মিস হয়ে গেল আসলে। আমিও নিশ্চয় বারবার ফিরে ফিরে যেতে চাইতাম আর নানা বয়সের আড্ডা দিতে চাইতাম।
    রুম্মান এরও একটা প্রদর্শনী হয়েছিলো সেটাও মিস করেছিলাম খুব।
    প্রদর্শনী এবং তৎসংক্রান্ত লজিস্টিক ব্যাপার স্যাপার গুলো নিয়ে লিখতেও প্রচুর উৎসাহ দরকার হয়। বেশ কাছ থেকে দেখেছেন সমস্ত ব্যাপারটাকে। শুরু থেকে শেষ -- এবং শেষেরো পরে বিজনেস মিটিং এর স্টাইলে এ প্রসঙ্গের অবতারণা দেখে ভালো লাগলো।

    এবং আপনার ভাবনার একটা দিক হঠাত নজর কাড়ল আজ -- যেমন আপনি বেশ লজিকাল। সমস্ত ব্যাপারটাকে লজিকালি এবং লজিস্টিকালি দেখেন। ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট আপনার ডিপার্টমেন্ট।

    জবাব দিন
    • পারভেজ (৭৮-৮৪)

      চমৎকার বলেছো ভাইডি...

      লজিকাল থাকতে চাওয়ার একটা বড় সুবিধা হলো, ফলাফল সম্পর্কে পূর্বাভাষ পাওয়া যায়। আর তা যাই হোক, ইতি বা নেতিবাচক, তার সাথে এডজাস্ট করার একটা প্রস্তুতি নেয়া যায়।
      লক্ষ করে থাকবে, প্রথম ব্লগটির একটি আপডেটে আশংকা জানিয়েছিলাম, কিছু ছবি হারানোর বিনিময়ে অভিজ্ঞতা অর্জনটাই হবে এই প্রদর্শনিতে শিল্পীদের টার্মিনাল এচিভমেন্ট।
      মনে তো হয়, সেই রকম কিছুই ঘটেছে।
      শুনলাম ২৮টা ছবি বিক্রয় হয়েছে।
      তাহলে রেভিনিউ এর পরিমান ৭০-৮০ হাজার টাকার মত।
      ভেন্যু ভাড়া + ৬২ ছবির ফ্রেমিং + প্রিন্টিং ও পাবলিসিটি + আপ্যায়ন + বিবিধ = ৭০-৮০ হাজার টাকার বেশী ছাড়া কম হবার কথা না।

      কি দাড়াচ্ছে, প্রদর্শনির আগে আর প্রদর্শনির পরের অবস্থা?
      প্রি প্রদর্শনি সিচুয়েশন = জিতু + মাজেদ + ৬২টি ছবি ... ... ... (১)
      আর প্রদর্শনির পরের অবস্থা:
      পোস্ট প্রদর্শনি সিচুয়েশন = জিতু + মাজেদ + ৩৪টি ছবি + অভিজ্ঞতা ... ... ... (২)

      যদি ছবি বিক্রির টাকায় খরচ উঠে থাকে তাহলে, (১) = (২)
      তারমানে, ফলাফল হলো:
      জিতু + মাজেদ + ৬২টি ছবি = জিতু + মাজেদ + ৩৪টি ছবি + অভিজ্ঞতা
      অভিজ্ঞতা = ৬২টি ছবি - ৩৪টি ছবি = ২৮টি ছবি (উত্তর)
      যদি কষ্ট কাভার করতে পকেট থেকে "এক্স" পরিমান টাকা দেয়া লেগে থাকে,
      ফলাফল: অভিজ্ঞতা = ২৮টি ছবি + এক্স (উত্তর)
      আর যদি কষ্ট কাভার করার পর "ওয়াই" পরিমান অর্থ সারপ্লাস হয়ে থাকে,
      ফলাফল: অভিজ্ঞতা = ২৮টি ছবি - ওয়াই (উত্তর)

      লজিক ঠিক আছে তো???
      😀 😛 😀 😛 =)) =)) =))


      Do not argue with an idiot they drag you down to their level and beat you with experience.

      জবাব দিন

মন্তব্য করুন

দয়া করে বাংলায় মন্তব্য করুন। ইংরেজীতে প্রদানকৃত মন্তব্য প্রকাশ অথবা প্রদর্শনের নিশ্চয়তা আপনাকে দেয়া হচ্ছেনা।