তুমি কবি নও

ব্যথা পেলে মানুষ কাঁদে, সশব্দে বা নীরবে।
প্রিয়জনের বিদায়ে কাঁদে, শোকাহত হলে কাঁদে।
ভেঙ্গে পড়লে নিভৃতে বসে কাঁদে, ফুঁপিয়ে কাঁদে।
প্রেমে ব্যর্থ হয়ে কাঁদে। আনন্দে ও প্রার্থনায় কাঁদে।
তুমি কবি নও, এসব কান্না যদি শুনতে না পাও।

চাপা কান্না বাষ্প হয়ে ঊর্ধ্বগামী হয়ে যায়।
বারবার ঢোক গিলে তা লুকোতে হয়।
দু’চোখে অশ্রুর ফোঁটা মুক্তো হয়ে ঝুলে থাকে।

বিস্তারিত»

তোমার শখের পসরা

আমার ঘরের নিভৃত একটি কোণে
রয়েছে তোমার এক নিজস্ব ভূবন।
সেখানে কখনো প্রবেশ করিনি আমি।
তবে বাহির থেকে দেখেছি কি সুন্দর করে,
সাজিয়ে রেখেছো তোমার শখের পসরা
একটি আলমারীর ক্ষুদ্র পরিসরে, থরে থরে।

কতনা যতন করে রেখেছো সেখানে,
ছোট ছোট সব শখের পজেশনগুলো,
শাড়ীর পরতে পরতে, এভাঁজে ওভাঁজে,
গোপন কুঠুরির কোন গোপনতম স্থানে।
আর পরখ করে দেখ সেসব অমূল্য রতন
যখনি সময় পাও,

বিস্তারিত»

~ প্রেম প্রণয় যদাপি দীপ্য বহমান | জীবন ঋতি নিয়ত ঋদ্ধিমান – সাত ~

সেই তারুণ্যের একটা সময় প্রেম ছিলো আগ্নেয়াস্ত্রের সাথে । বুকের ভেতর পাহাড় পাহাড় বারুদ । মনের মধ্যে ক্ষুদিরাম, তীতুমীর, চে’গুয়েভারার আগুন চাপা ছাই । আমার সমস্তটুকু আমি তো আমি নই – ফিলিস্তিনের ভোর, গাজার দুপুর, বাংলাদেশের গাছ-নদী-আকাশ-সবুজ ধানের মাঠময় প্রাণবান রক্তিমাভায় আঁকা গোধূলি বেলা । আসাদের রক্তমাখ শার্ট আমার প্রাণের পতাকা ।

দুই হাত দুই অদম্য মারণাস্ত্র । পাঁচ পাঁচ দশটা আঙ্গুল ভর্তি ট্রিগার ।

বিস্তারিত»

অঙ্ক

রংপুর থেকে ঢাকার দূরত্ব ৩০০ কিলোমিটার। সেখান থেকে দুপুরের খাবার খেয়ে ০৩৩০-০৪০০’টায় ঢাকার পথে রওনা দিলে পৌঁছুতে পৌঁছুতে রাত ‘সাড়ে এগারো’টা’ বাজে।
সিলেট থেকে ঢাকার দূরত্ব ২৪০ কিলোমিটার। সেখান থেকে দুপুরের খাবার খেয়ে ০৩৩০-০৪০০’টায় ঢাকার পথে রওনা দিলে পৌঁছুতে পৌঁছুতে রাত ‘এগারো’টা’ বাজে।
কুমিল্লা থেকে ঢাকার দূরত্ব ১০০ কিলোমিটার। সেখান থেকে দুপুরের খাবার খেয়ে ০৩৩০-০৪০০’টায় ঢাকার পথে রওনা দিলে পৌঁছুতে পৌঁছুতে রাত ‘বারো’টা’

বিস্তারিত»

কিন্তু তুমি ভুল করেছ

কিন্তু তুমি ভুল করেছ
ভুল মানুষের কুলকুলিয়ে চুল পেকেছে
পাকলো না হয়, তোমার তাতে কি যায় আসে?
কোন খেয়ালে আলতো হেঁটে বসলে পাশে!

তোমার কেন ইচ্ছে হবে আটকে যেতে
জালের খোপে মাছের মতো আটকে যেতে
কিন্তু তুমি ভুল করেছ
জালের চোখে জলের নেশা খুঁজতে এসে!

ক্লেশের জীবন শ্লেষের তীরে ছিন্ন হলে
ধুসর দু’চোখ ঠাই খুঁজে পায় অস্তাচলে
জ্বোনাক ফোঁটার সন্ধ্যেবেলায়— রাত্রি নামে;

বিস্তারিত»

সিসিবিতে রিয়েলটাইম নোটিফিকেশান ও সোশাল লগইন ফীচার সংযোজন প্রসঙ্গে

লেখক ও পাঠক সদস্যদের মাঝে যোগাযোগ ও অংশগ্রহণ আরো প্রাণবন্ত ও সহজতর করার লক্ষ্যে সম্প্রতি ক্যাডেট কলেজ ব্লগে দুটো নতুন ফীচার যোগ করা হয়েছে। পাশাপাশি সদস্যদের ব্যবহারের সুবিধার্থে লগইন করার পর ইউজার মেনুগুলোকে টপবারে একটি মেনুর আওতায় নিয়ে আসা হয়েছে।

(১) সোশ্যাল লগইন ফীচার

এই ফীচারের মাধ্যমে রেজিস্টার্ড সদস্যবৃন্দ এখন থেকে ফেইসবুক অথবা গুগল+ এর মাধ্যমে সিসিবিতে লগ-ইন করতে পারবেন অথবা নতুন নিবন্ধন করতে ইচ্ছুক ব্যক্তিগণ তাদের ফেসবুক অথবা গুগল একাউন্ট দিয়ে নিবন্ধন করতে পারবেন।

বিস্তারিত»

অচল।

যত নৈবেদ্য ছিল
কিছুই গ্রহন করো নি
কেটে গেছে সময় তবু
পূজায় পূজায়।
যত প্রেম ছিল
কখনো অর্পন করনি
রিক্ত হয়েছে চাতকি হৃদয়
ব্যাথায় ব্যাথায়।

চক্ষু দিয়েছ দৃষ্টি দাওনি দেখার
কর্ণ দিয়েছ শক্তি দাওনি শোনার
এহেন জনম কেন
কেন এত উপহাস?
মুক বধির অবলা আবাস তবু
উগ্রে শৃঙ্গার সবর্নাশ,
নির্যাসে নিপতিত কষ
ধারায় ধারায়।

বিস্তারিত»

মমতা – আনন্দ শঙ্কর

কথাগুলো কি করে
গান হয়ে যায়
কি করে কী-বোর্ডে
ওঠে সুর
তোমার মমতামেদুর
মেসেজ আসে —
উদ্ভাসিত ফেস, বুক

আনন্দ, মমতার
এমন শঙ্কর
দেখিনি আগে
ছিল কোথা
সুখের এ অসুখ!

বিস্তারিত»

~ প্রেম প্রণয় যদাপি দীপ্য বহমান | জীবন ঋতি নিয়ত ঋদ্ধিমান – ছয় ~

সত্যিকারের প্রেম ছিলো আমাদের সেই কালে । সেই অতীতের কথা বলছি। লাইলী-মজনু, শিরি-ফরহাদ, ইউসুফ-জুলেখা, রাধা-কৃষ্ণ, রোমিও-জুলিয়েট । আহা ! কি সব প্রেম ! কি ? তাও ভাবছেন আমাদের মানে, কোন কালের কথা বলছি ! তাহলে অন্যকে আর টেনে কি লাভ ! নিজের কথাই বলি । প্রেম শব্দটার সাথে আমার প্রথম পরিচয় হলো যখন ।

ক্লাস থ্রির ফাইনাল পরীক্ষা দিয়ে নানা বাড়ী গিয়েছি ।

বিস্তারিত»

আশা জাগানিয়া কথকতা

বিগত দুই সপ্তাহ গরমে আমরা বঙ্গ সন্তানরা খুবই কাহিল। সম্প্রতি অধিক বৃষ্টিতে প্রধান দুই মহানগরীর জনজীবন নর্দমা এবং বৃষ্টির পানির মাখামাখিতে পর্যুদস্ত। সফরকারী ভারত দলের সামনে প্রথমদিনে বেকায়দায় পড়া বাংলাদেশ দলকে বঙ্গমাতার আশীর্বাদপুষ্ট বৃষ্টি কিছুটা রেহাই দিয়েছে বটে। দিনকাল কাটছে ব্যস্ত। অসাবধানে পড়ে গিয়ে গিন্নি পা মচকে ফেলেছেন, সংসারের অবস্থাখানা তাই একটু নড়বড়ে। আমি বাঙ্গালি বীরপুঙ্গব, কুটোটি নেড়ে খেলেও আমার ইজ্জত যাবে, তাই অবস্থার আশু কোন প্রতিকার নেই।

বিস্তারিত»

দিনলিপিঃ মোহনভোগ, জাজা এবং মাতা-পুত্রী সমাচার

গ্রিটসের মোহনভোগ রান্না করেছিলাম ব্যাপক আয়োজন করে। গ্রিটস হলো হলুদ ভুট্টার গুড়ো, যা বিভিন্ন দেশে ভিন্ন ভিন্ন নামে পরিচিত। আমাদের দেশের সুজির চাইতে একটু বড় দানার এই গ্রিটস ইউরোপ, আফ্রিকা অথবা এশিয়ার দেশ গুলোতে কোথাও পোলেন্টা, কোথাও মাহলামা আবার কোথাওবা কুকু নামে পরিচিত। নরম আর সহজপাচ্য বলে আমেরিকার বুড়োবুড়িদের কাছে সকালের নাস্তায় গ্রিটস পছন্দের খাবার। সামান্য মাখন ছড়িয়ে, নুন আর গোল মরিচে গ্রিটস খেতে আমার মন্দ লাগেনা।

বিস্তারিত»

রস, রঙ্গ, সংসার এবং মানিক।

পর্ব ১ঃ দর্শনানেন্দ্রিয় এবং নগদ নারায়ণ

একদা কোন এক কাক-ডাকা ভোরে মানিকের দজ্জাল স্ত্রী ঘুমন্ত মানিকের পশ্চাদ্বেশে সর্বশক্তি দিয়া ঝাঁটা মারিয়া বসিল এবং হুমকি দিল- “মিনসে যদি অদ্য বাজারে না যান, আমি এক্ষুণি নরেন্দ্রকে লইয়া ভবানিপুর চলিয়া যাইব…!”
নিরুপায় মানিক পশ্চাদ্বেশ মালিশ করিতে করিতে বাজারের পানে রওনা করিল।

গিন্নীকে সন্তুষ্ট করিবার অভিপ্রায়ে মানিক তাহার ধূমপানের নিমিত্তে সযত্নে রক্ষিত তহবিল ভাঙ্গিয়া দুই হাজার আটশ’

বিস্তারিত»

‘ওম মনিপদ্মে হুম’ – পর্ব ৪

‘ওম মনিপদ্মে হুম’ – পর্ব ৪
ড. রমিত আজাদ

সমুদ্রজয়ী বাঙালীরা: ভারত উপমহাদেশে বাঙালীরাই প্রথম সমুদ্রভ্রমণকারী শক্তিশালী জাতি। পান্ডু রাজার ঢিবিতে স্টিটাইট (Steatite)পাথরের কতকগুলি চিহ্ন খোদিত একটি গোলাকার সীল পাওয়া গিয়েছে।মনে করা হয় যে সীলটির খোদিত চিহ্নসমূহ চিত্রাক্ষর(Pictpgraph)এবং সীলটি ভূমধ্যসাগরীয় ক্রিট দ্বীপের, প্রায় সাড়ে তিন হাজার বছর পূর্বে নির্মিত। এই সীল ও প্রাপ্ত অন্যান্য নিদর্শন থেকে মনে করা হয় প্রাচীন সভ্যতার ক্রীট দ্বীপের সাথে বাংলাদেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক ছিলো।

বিস্তারিত»

আবার কলকাতা ৭

ঢাকা থেকে বন্ধুরা বলে দিয়েছিল, জোড়াসাঁকো ঠাকুর বাড়ি বললে যেকোনো ট্যাক্সিওয়ালা চোখ বুজে নিয়ে যাবে রবীন্দ্রনাথের বাড়ি। কলকাতায় এসে বুঝলাম এখানকার ট্যাক্সিওয়ালাদের এখন চোখ ফুটেছে। চোখ বুজে ঠাকুর বাড়ি যাবার দিন শেষ। প্রথম যে ট্যাক্সি ধরলাম তার চালক বলল, ‘দাদা, ঠাকুর বাড়িতো বুঝলাম, ঠিকানাটা বলুন’। দুই-তিন জন ক্যাবচালকের কাছে একই রকম জবাব পেয়ে, সোহাগ ট্রাভেলস অ্যান্ড ট্যুরস-এর (জি হ্যাঁ, আমাদের সোহাগ পরিবহনের সাথে সম্পর্কিত) সোনাভাই’র শরণাপন্ন হলাম।

বিস্তারিত»

স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি

১। ক্যাডেট কলেজ ব্লগের সাথে পরিচয়ের ৭ বছর পূর্ণ হতে চললো। এই ৭ বছরে কখনো অনলাইন হয়েছি কিন্তু সিসিবিতে ঢুঁ দেইনি এরকম ঘটনা চেষ্টা করেও মনে করতে পারছি না। সময় এবং সুযোগ থাকলে তাই সবসময়ই সিসিবির সাথে আপডেট থাকা হয়।

২। এই পুরো সময়ে প্রায় দেড়শোর মত ব্লগ লিখেছি, যার অধিকাংশই রীতিমত আবোল তাবোল বকর বকর। মানের চেয়ে পরিমানের দিকেই সব সময় নজর ছিল আমার,

বিস্তারিত»