ছেলেটার নাম ছিল বকুল। রাতে সবার অগোচরে ফুটে, দিনভর সুগন্ধ ছড়িয়ে গাছতলায় নির্বিবাদে পড়ে থাকবে, এ ধর্ম যে ফুলের- অন্তত তার নামে এ ছেলের নাম রাখা উচিৎ হয় নি, এটা শালিকতলী গ্রামের লোকেরা দিনে দিনে টের পেতে থাকে। বকুল সমবয়সীদের চেয়ে আকারে বেশ খানিকটা ছোট ছিল। উচ্চতাজনিত ত্রুটি’টি পরবর্তীতে সে সাহস দিয়ে পূরণ করে নেয়ার কাজে বেশ আগ্রহী- এটা বোঝা যায় যখন আমাদের বকুলের বয়স ছয়ে গিয়ে পড়ে।
বিস্তারিত»আলো এবং অন্ধকারের উপাখ্যান
আমার আকাশ থেকে আলো করে চুরি
সাজাও নক্ষত্ররাজি তোমার আকাশে,
এটা ঠিক শোভনীয় নয়
এটা নয় মানবিক।
তবু ক্ষমা করে দিলাম,
একটু আলোই তো করেছ চুরি
আমার দশ দিগন্তের অন্ধকারে
কেউ বসাতে পারোনি ভাগ।
ঊষা থেকে গোধূলি পর্যন্ত
অবাধ আলোর মিছিল থেকেই
নিয়ে নেব আলোর ভাঁড়ার,
বিস্তারিত»কী হবে?
সূর্যটা শেষমেষ
সাগরের তরল বুকেই ডুবে যায়!
আগুনের ফুলকিগুলো
শেষমেষ ছাই হয়ে জলে মিশে যায়।
কী হবে কাঠিন্য দিয়ে,
তারল্যের বুকেই যদি লিখা থাকে
শেষ ঠিকানাটা।
সব কিছু দ্রবীভূত হয়,
যদি রসায়নটা ভালো করে জানা থাকে।
দিগন্তে যে সূর্যটা হারিয়ে যায়,
ভূঁই ফুঁড়ে সে আবার বের হয় পরদিন।
আবার আলো জ্বালে, উত্তাপ ছড়ায়,
পজিটিভিটি
নিজেকে একেবারে মেলে ধরতে পারি না
আর কারো কাছে, শুধুমাত্র তুমি ছাড়া।
আমার জীবনের সকল অর্জনগুলোর সার-সংক্ষেপটাকে
সামেশন করে যখন কারো কাছে নিবেদন করতে যাই,
কি করে যেন ফলাফলের আগে
একটা মাইনাস চিহ্ন বসে যায়।
তোমার কাছেই শুধু পজিটিভ মূল্য পায়
আমার সকল অকিঞ্চিৎকর নিবেদন।
ঢাকা
০৬ মে ২০১৫কাছেই
স্বর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।
‘ওম মনিপদ্মে হুম’ – পর্ব ৩

‘ওম মনিপদ্মে হুম’ – পর্ব ৩
ড. রমিত আজাদ
(পূর্ব প্রকাশিতের পর থেকে)
তিব্বতে অবস্থানকালীন প্রথম বছরটি অতীশ দিপংকরের জন্য ছিলো অতীব গুরুত্বপূর্ণ। তিনি মহাযান বৌদ্ধ দর্শনের প্রকৃত ডকট্রাইনগুলো প্রচার পূর্বক তার ভিত্তি স্থাপনে আত্মনিয়োগ করলেন। উনার প্রথম তিন বছরের কাজগুলোকে নিম্নরূপে সংকলিত করা যায়।
১। পশ্চিম তিব্বতের শাসক কর্তৃক উনাকে জানানো সাদর অভ্যর্থনা এবং উনার প্রতি আনুগত্য প্রকাশ।
বিস্তারিত»মা
পড়বে মনে এতটাই
কখনো বুঝিনি,
কত বিস্তৃত হলে দিগন্ত
আগলে রাখে ধরনিকে বাহুমেলে,
কত গভীর হলে জলধি
বেধে রাখে এত জল বক্ষতলে,
কে বোঝে?
ঐ যে উচিয়ে খোলা আকাশ
ছুয়েছে মাটি ঘাস নীলে,
ঐ যে নিভে রবি ডোবে অস্তাচলে
গোধূলির হলুদাভ লালে
কিছুই সত্য নয় ।
যা দেখি সত্যি সবই
তোমাকে দেখেছি বলে
মনে পড়ে এতটাই।
~ প্রেম প্রণয় যদাপি দীপ্য বহমান | জীবন ঋতি নিয়ত ঋদ্ধিমান – পাঁচ ~
ইচ্ছের ঘোড়া দাবড়েইতো আমাদের নিত্য দিনের যাপন।
স্বপ্নের ভেতর ইচ্ছের ঘোড়ার গায়ে যখন তখন পাখা পর্যন্ত গজিয়ে যায়। আর সেই ঘোড়া কেবল দৌড়ে -ঝাঁপিয়ে চলে না। মন চায় তো অনায়াসে সেই পংখীরাজ যে কোনো গন্তব্যে দেয় দিব্যি উড়াল।
আর বাস্তবে ! জীবন ভর হাঁটলেন কেবল পাশাপাশি। সেই ইচ্ছে ঘোড়ায় লাগাম, জিন কিছুই পরাতেও শিখেন নি । চড়তে শিখাটাও খুব বেশী কঠিন ছিলো কি রপ্ত করে নেয়া !
বিস্তারিত»দিনলিপিঃ স্যাডেল ইয়োর ড্রিমস বিফোর ইউ রাইড ‘এম
দেশে যাতায়াতের জন্য এমিরেটস এয়ারলাইন্স আমাদের পছন্দের। ওদের প্লেনে উঠলেই দেশ দেশ একটা ভাব চলে আসে। তারা অনলাইনে এমিরেটসের মুভি লিস্টের পাত্তা লাগায়, সামনের দিকে সিটের বুকিং দেয় সাথে সাথেই। বাড়ির বাইরে পা দেয়া মাত্র আমার খাই খাই একটা ফিলিং শুরু হয়ে যায় সব সময়। যাত্রায় ভোজন নাস্তি’ কথাটি আমি খুব মানি। ভারী খাবার খাইনা বটে কিন্তু সামান্য বাদাম বা প্রেটসেলস অথবা আধা কাপ কমলার জুসে বেশ চলে যায়।
বিস্তারিত»~ জলরং মাখা চাঁদ ~
আকাশেতে জাদুমাখা ছিলো কি ?
অমন রঙ্গীন মেঘের ক্যানভাসে
আঁধার ভাসিয়ে দেয়া চাঁদ
রাতময় মাতোয়ারা হলে পরে,
রূপোলী শিশির ফোঁটার মতোন
বুনো ঝোঁপ লাউডগা মেঠোপথ
ঘাসেদের গায়ে মেখে নীল কল্পলোক
মায়ার মোহন গল্পের রাত জুড়ে
আঁধারের কাঁপা কাঁপা হাত ধরে
কাঁচভাঙ্গা হেসেছিলো জোনাকী ?
০১ জুন ২০১৫
[ ছবিস্বত্ত্ব ~ তরিকুল লাভলু ]
বিচ্ছিন্ন আবেগ
জানতাম ‘ভালোবাসি’
বলতে নেই কখনো
তবুও অস্ফুট আবেগে
কখনো একবার রাতভর প্রলাপ ;
হৃদয় উজাড় করে …
তার ফেলে যাওয়া
পায়ের চিহ্ন মিশে গেছে
এক পথিকের পথে
যে নিঃশব্দে নিয়ে গেছে তারে
শুধু এক বিষণ্ণ দীর্ঘশ্বাসে …
পূর্বে প্রকাশিত
বিস্তারিত»সিসিবির ইন্টার কন্টিনেন্টাল আড্ডার প্রি এনাউন্সমেন্ট + ফ্রী কবিতা
এইটা মূল এনাউন্সমেন্ট না।
তাই এটাকে প্রি-এনাউন্সমেন্ট নাম দিলাম।
এরকম একটা অনুষ্ঠানের হোস্ট হতে CCCL-এর সক্ষমতা ও ইচ্ছার ব্যাপারে খোঁজ নিলাম।
বুঝলাম, ওরা এতে আপত্তির কিছু দেখছে না।
আজ রাতে বাকি ফর্মালিটিটা শেষ করা সম্ভব হলো না।
তাছাড়া সিসিবির দীর্ঘ্যদিনের অভিভাবক লাভলু ভাই-এর সম্মতিও এখনও নেয়া হয় নি।
ওগুলোর পর, চুড়ান্ত ঘোষণা দেবো।
আর তা খুবই শীঘ্রই।
আপাততঃ আমি যেভাবে ভাবছি,
বিস্তারিত»আবার কলকাতা ৬
পিয়ারলেস হাসপাতালে যাবার কথা কেউ আমাকে বলে দেয়নি। এই হাসপাতালে পৌছানোর লম্বা চওড়া কাহিনীর সার সংক্ষেপ হলঃ
২০১৩’র অক্টোবর থেকে দীপার ভয়াবহ এলার্জি সমস্যা। বলা নেই কওয়া নেই হঠাৎ করে চুলকাতে চুলকাতে হাত পা, লাল হয়ে যাচ্ছে। সিএমএইচের ডাক্তাররা সাধ্যমতন চেষ্টা করলেন, কাজ হলোনা। স্কয়ার হসপিটালের এক সিঙ্গাপুর ফেরত ডাক্তার কিছুদিন নাড়া চাড়া করলেন। তাঁর ওষুধে এলার্জি কমে গ্যসট্রিক বেড়ে গেল l সব মিলিয়ে একই অবস্থা।
বিস্তারিত»বার বার হেরে যাবার গল্প
দুহাজার তিন সালে সায়েন্স গ্রুপ থেকে আমি এইচ এস সি পাস করি, 3.60 আউট অফ 5 এর ভয়াবহ সিজিপিএ নিয়ে| ঝিনাইদহ ক্যাডেট কলেজের ছাত্র ছিলাম, আন্ত: ক্যাডেট কলেজ প্রতিযোগিতাগুলোর কারণে প্রায় সবাই চিনত| ক্যাডেট কলেজের শেষ এক বছর এক্সট্রা কারিকুলামই শুধু করেছি, কারিকুলামটা আর করা হয়ে ওঠেনি| সায়েন্স বিভীষিকার মত লাগত, বিশেষ করে কেমিস্ট্রি| আমার বড় চাচা কেমিস্ট্রি গোল্ড মেডালিস্ট শিক্ষক, কেমিস্ট্রিকে বাবা বলতেন “পারিবারিক সাবজেক্ট”| সেই কেমিস্ট্রিতে পেলাম বি ,
বিস্তারিত»পাঠ প্রচেষ্টা : এক আশ্চর্য সঙ্গমের স্মৃতি
এক আশ্চর্য সঙ্গমের স্মৃতি – ১
———————–
সৈয়দ শামসুল হক
বারান্দায় বসে আছি আমরা। রাত ১১-৩০।
ছাইদান রাখো না ঘরে, তাই পিরীচ
দিয়েছিলে। ছাই উড়ছে মৃত জোনাকির মতো ।
লোকে যা জানে না, মেলে ধরছি প্রণয়ের ক্ষত;
যেন তুমি চিকিৎসক জোছ্নার ক্লিনিকে আজ, তোমার সমুখে।
থামের অন্ধকারে, হাতের চাঁদনামা চিবুকে
কি সাবধানে ধারণ করে আছো মমতা
যা তোমার।
সূর্য সারথি
সূর্য সারথি রথ
চলছিল পথ
সে ছিল বহুদূরে
এক অচিনপুর
নিদারুন একা
নিবার্সিত অভিমান
কালের ক্রন্দন
ক্রোধ ভরে তিরস্কার
গহীন আধাঁর ।
দেখেনি সূর্য আকাশ
আবৃত ছিল মেঘে
রংধণু জলরঙ
আসহবেনীকলা
অবেলায় পথহারা
নীল বেদনা ছিল
ভরা বুক সমুদ্র
অতল উত্তাল দ্রোহে
সংসপ্তক।
বিস্তারিত»