পার্ক সার্কাসের পশ্চিম কোনায় যেখানে পার্কস্ট্রিট আর সার্কাস এভিনিউ মিলে একটি ত্রিভুজ রচনা করেছে সেখান থেকে বেরিয়ে পার্কস্ট্রিট আর আচার্য জগদিশ চন্দ্র বসু (এজেসি) রোডের প্রায় সমান্ত্রাল একটি সড়ক পশ্চিমে জওহার লাল রোড পর্যন্ত গিয়েছে। আড়াই কিলোমিটার দীর্ঘ সড়কটির নাম শেক্সপিয়ার সরণী। এই সড়কেরই পুরনো নাম থিয়েটার রোড। এখন অবশ্য কলামন্দিরের কাছে একটি যাত্রীছাউনি ছাড়া থিয়েটার রোড নামটি আর কোথাও চোখে পড়েনা।
বিস্তারিত»কুয়ো
কুয়োটা বেশ গভীর ছিলো, কালো জলে টলমল।নির্বিকার সুনসান গোপনে ঠায় বসে ছিলো,অস্তিত্ব জানান দেয়ার তাড়া ছিলোনা।ইটের গাঁথুনিতে বার্ধক্যের ছাপ লাগা প্রৌঢ় জলাধার।
শুন্য ভিটের এক কোণায় দিব্যি নিরুপদ্রব পড়ে ছিলো। দেয়াল বেয়ে খাপছাড়া বেড়ে ওঠা লতাপাতার অলংকার।গত কিছুদিনের প্রবল বর্ষায় পানি একদম মুখে এসে ঠেকেছে। জীবনের অস্তিত্ব বলতে শুধু একঘেয়ে ডেকে যাওয়া ব্যাঙ, একটা-দুটা ঝি ঝি, খুব কাছের কোন গাছে একলা বসে থাকা শ্যামা পাখি।
বিস্তারিত»ইতিহাস প্রসঙ্গ: সত্য ও মিথ্যার মাপকাঠি -পর্ব ২

ইতিহাস প্রসঙ্গ: সত্য ও মিথ্যার মাপকাঠি -পর্ব ২
————- ড. রমিত আজাদ
(পূর্ব প্রকাশিতের পর থেকে)
জগৎবিখ্যাত বিজ্ঞানী আলবার্ট আইনস্টাইন স্কুলজীবনে লেখাপড়ায় ভালো ছিলেন না। তদুপরি পরিণত বয়সে তিনি হয়ে ওঠেন এক অনন্যসাধারণ প্রতিভা। তাই একবার এক সাংবাদিক উনাকে প্রশ্ন করেছিলো, “আপনি তো স্কুলজীবনে লেখাপড়ায় ভালো ছিলেন না, অথচ আজ আপনি জগৎবিখ্যাত বিজ্ঞানী। এখন আপনি কি মনে করেন যে বিদ্যালয় শিক্ষার কোন প্রয়িজন নাই?”
বিস্তারিত»স্মৃতিচারণ ও শ্রদ্ধাঞ্জলি
বাংলার শিক্ষক জনাব সাইফুল ইসলামের হাত ধরে আধুনিক বাংলা কবিতার সাথে আমার প্রথম সখ্যতা। দুর্বোধ্যতার কন্টকমুকুট শোভিত হয়ে, রক্ত-ঝরানো পথ হেঁটে আধুনিক বাংলা কবিতা শতদল মেলেছে তখন। আমার কিশোর বুদ্ধি ও মনন তখনও সেই মদিরা পানের জন্য ঠিক পরিপক্ব হয়ে উঠেনি। অথচ সীমাহীন আগ্রহ ও এক ধরণের মোহন ঘোরের ভেতর দিয়ে হেঁটে যাই। কলেজ লাইব্রেরীর নীরব কিউবিকলে গোপন প্রেমপত্রের মতো করে চুপিসারে উল্টে যাই সুধীন কিম্বা বিষ্ণু দে।
বিস্তারিত»এক বিস্ময় বালকের গল্প
তুমি তো তা জানলে না
জানলেনা আকাশের মত বিশাল-
এক বেদনাময় ভঙ্গুর হৃদয়ের
তিলে তিলে শেষ হয়ে যাওয়ার গল্প।
তোমার এখনও জানা হয়নি-
রোমান্টিকতায় রোমিও কে হার মানানো
এক চঞ্চল বালকের
ধীরে ধীরে মলিন হয়ে যাওয়ার গল্প।
সেই বালকের অনেক কথা-
তোমার অজানাই রয়ে গেছে।
চোখের জলকে সঙ্গী করে যে কাটায় –
রাতের পর রাত।
সিসিবিয়ানদের আড্ডার ভিডিও ব্লগ
আড্ডার আইডিয়াটা এসেছিল অরূপের সাথে আলাপচারিতার ফাঁকে।
ডিবেট ফোরামের কয়েকজনা একবার একসাথে বসলাম আড্ডায়।
ব্যাক্তি জীবনে সবাই অপরিচিত বা প্রায় অপরিচিত।
অথচ খুব অল্প সময়ের মধ্যেই যে খুব কাছাকাছি চলে এলাম, সে আমাদের একই প্ল্যাটফর্মে চলা ফেরার কারনেই।
অদ্ভুত এক অভিজ্ঞতা!!!
চোখের দিকে তাকালে যাকে অপরিচিত লাগে, পিছন ফিরে বসলেই তাঁকে মনে হয় কত দিনের চেনা!!!
ঐ আড্ডাটা শুরু করতে দেরী করে ফেলেছিলাম।
বিস্তারিত»অনুগল্প: দংশন
(মুজাহিদ নামক শূকরছানাটির ফাঁসি উপলক্ষে গল্পটি এখানে দিলাম)
“সুমিত্রা রহমান”- কি অদ্ভুত নাম এই বাংগালি মেয়েছেলেটার!
শুরুতে কেমন একটা হিন্দুয়ানী ভাব, শেষে মুসলমান টাইটেল|মাথায় আবার টিপও পরে!
সীতাপুর সাব ডিভিশনের দায়িত্বে আছেন মেজর শেহজাদ রাজা, জেনারেল নিয়াজী স্বয়ং হাতে তুলে এখানে পাঠিয়েছেন তাকে| ইস্ট পাকিস্তান এ্যাসাইনমেন্টের আগে তিনি ছিলেন চেরাটে, কমান্ডো স্কুলের ইন্সট্রাকটর হিসেবে| বাংগালিদের সম্পর্কে খুব একটা ধারণা নেই,
ইতিহাস প্রসঙ্গ: সত্য ও মিথ্যার মাপকাঠি – পর্ব ১

ইতিহাস প্রসঙ্গ: সত্য ও মিথ্যার মাপকাঠি – পর্ব ১
——————————- ড. রমিত আজাদ
ইতিহাস আমার প্রিয় বিষয়গুলোর একটি। বিষয়টির উপর আমার প্রথম আগ্রহ জন্মে আমার শ্রদ্ধেয় শিক্ষক মরহুম মাজহারুল হক স্যারের প্রাঞ্জল লেকচার শুনে। আমরা তখন সপ্তম শ্রেণির ছাত্র, স্যার আমাদের পড়ানো শুরু করলেন সিন্ধু সভ্যতা থেকে। উনার কাছ থেকেই প্রথম জেনেছিলাম যে, আমাদের এই উপমহাদেশেই এতো পুরাতন একটি সভ্যতা ছিলো। স্যারের কাছ থেকেই প্রথম জেনেছিলাম যে আমাদের এই উপমহাদেশ আঠারো শতকের মাঝামাঝির (অর্থাৎ পলাশীর ট্রাজেডির আগে) আগ পর্যন্ত একটি ধণাঢ্য অঞ্চল ছিলো,
বিস্তারিত»ত্রিরঙ্গ-চতুরঙ্গে মানসপটে ফৌজদারহাটের পঞ্চভুত
পাহাড়-সমুদ্র-সমতট। পাহাড় তো নয়, ঢেউ খেলানো ভূমির বাঁক যেনো ছন্দবদ্ধ তালে-লয়ে অবিরাম আছড়ে পড়ছে খোল-করতাল-মাদলে-বীণায় মনের গহীণ সন্তর্পে। সমতটের বিস্তৃতি অন্তর্গত ভাবনা-চিন্তা-চৈতন্যে ক্রমশ: বাড়িয়ে যেতে থাকে তার বিস্তার। আর সমুদ্র ! বিশালত্বে উদ্বেল সুপ্রসারিত দু’হাত মেলা মনের ক্যানভাসে, আঁকে ছবি অন্তহীন, ভেঙে দিয়ে গোপন সব প্রকোষ্ঠ। এই তিনের সাথে জুড়ি দেয়া অবারিত উদার আকাশ ত্রিবৈচিত্রের নিয়ত উন্মীলন সংগী। আর কি চাই !
একটি মানুষ।
বিস্তারিত»দু’খানা না-গদ্য, না-কবিতা…
এক : দূরত্ব
অনিতা শারমিন নিতা।
আমার ব্যাচমেট আবার আমার এক বন্ধুর ছোটবোন
এবং ডাকসাইটের সেলিব্রিটিও বটে।
টুকটাক যোগাযোগ আছে মুখবই-এ
সেই সুবাদে মাঝে-সাঝে তাঁকে নিউজ-ফিডে পাই।
তার আজকের একটা স্ট্যাটাসে দেখলাম সে লিখেছে:
[স্ট্যাটাস শুরু]
\\ক্রীং ক্রীং ক্রীং
বন্ধু: কি খবর?
আমি: দোস্ত এই weatherএ মন টিকে না রে
বন্ধু: কি চাও?
অসভ্যতা
দেখব জগত যেইনা বাহির পা ফেলেছি
নামলো দেওয়া হঠাৎ করে
আকাশ যেন করল পেশাব মুখের পরে
ভিজিয়ে দিল সবর্ শরীর
কেউ কি করে এমন তরো অসভ্যতা ?
করে করে নিতুই করে
আকাশ করে ,
তাইতো সবাই চলতে পথ
নামলে দেওয়া
মাথার পরে ছাতা ধরে।
ভ্রম
শুধুই উচ্চারিত শব্দে
‘ভালবাসি’ কে বলেছে কবে?
যতটুকু বলেছে মুখে
চোখদুটি বলেনি কি
শতগুণ বেশি?
শুধুই বৃষ্টিতে কি ভিজেছে এ তনু
হৃদয়ের ঝড়-জলে ভেজেনি কি কিছু?
মেঘ কেটে এই বুকে
জাগেনি কি নীলাকাশ?
বাজেনি কি মেঠো পথে নূপুরের ঝঙ্কার?
খোলাচুলে এই পথে যায়নি কি সেইজন?
বিস্তারিত»ফর ইয়ং বয়েজ: হাউ টু বিহেভ উইথ গার্লস??
Our education system teaches us how to buy a living, NOT how to live
আমার অধিকাংশ স্ট্যাটাসে ছেলেদেরকে বকাঝকাই করেছি, আজ হঠাৎ একটু ভিন্ন কথা মনে হচ্ছে| মেয়েদের সাথে কিভাবে আচরণ করতে হবে এর বিস্তারিত কোন গাইডলাইন আমি আমার জীবনে পাইনি| শুধু জানতাম,ওদের সাথে কোন খারাপ আচরণের ঘটনা মায়ের কানে গেলে আমার পরদিন সূর্যের আলো দেখা লাগবেনা|
ক্যাডেট কলেজের ছাত্র ছিলাম,
বিস্তারিত»দিনলিপিঃ সিসিবিয়ানদের আড্ডার গল্প
মায়ের দেয়া কল্কাপাড়ের শাড়ি পরবো নাকি কর্ণ স্টা্রচে ইস্তিরি করা কড়কড়ে সুতির একখানা টিউনিক পরবো ভাবতে ভাবতেই সন্ধ্যা ঘনিয়ে এলো। সিসিবির সরব ব্লগারদের প্রায় কাউকেই চিনিনা তাই দু’ চারজন নিরব পাঠককে কল করে বলি, চলে এসো ক্লাবে। জোরসে আড্ডা হবে সকাল সকাল! কিন্তু আজই কি কারণে যেন কারো কারো ব্যস্ততা খানিক বেশী। কারো হয়তো মায়ের খুড়তুতো দিদির মেয়ের পাকা দেখা আজই, কেউবা ঢাকার বাইরে মধুচন্দ্রিমায়।
বিস্তারিত»মতি
আজ হঠাৎ মতির কথা মনে পড়ল। রংপুর ক্যাডেট কলেজে মতি আমাদের স্কুল জীবনের সহপাঠী ছিল। আমাদের সাথে মতির সহপাঠ কলেজের শেষ দিনটি পর্যন্ত দীর্ঘায়িত হয় নি। গ্রাম্য প্রকৃতির মতির নিতান্ত গোবেচারা চেহারায় রূপোর টাকার মতো তেমন উজ্জ্বল কোন বৈশিষ্ট্য আমার চোখে পড়ে নি। আমরা ছিলাম ভিন্ন ভিন্ন হাউসের বাসিন্দা। আমার তিনতলার ওমর ফারুক হাউস, মতির নিচতলার শহীদ জাহাঙ্গীর হাউস। মাঝখানে তিতুমীর হাউসের গা বেয়ে নামা প্রশস্ত সিঁড়ির দু-দু’টি স্তর।
বিস্তারিত»