স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি

১। ক্যাডেট কলেজ ব্লগের সাথে পরিচয়ের ৭ বছর পূর্ণ হতে চললো। এই ৭ বছরে কখনো অনলাইন হয়েছি কিন্তু সিসিবিতে ঢুঁ দেইনি এরকম ঘটনা চেষ্টা করেও মনে করতে পারছি না। সময় এবং সুযোগ থাকলে তাই সবসময়ই সিসিবির সাথে আপডেট থাকা হয়।

২। এই পুরো সময়ে প্রায় দেড়শোর মত ব্লগ লিখেছি, যার অধিকাংশই রীতিমত আবোল তাবোল বকর বকর। মানের চেয়ে পরিমানের দিকেই সব সময় নজর ছিল আমার, এতে করে সিসিবির সার্বিক মানের হয়ত বেশ ক্ষতি হয়েছে কিন্তু অন্যান্যদের আশ্রয় প্রশ্রয়ে সময় পেলেই নিয়মিত ইচ্ছেমত লিখে গিয়েছি। লেখা দেয়া সবসময়ই আমার জন্য ছিল সিসিবির সাথে আমার যুক্ত থাকার মাধ্যম। যখনই পোস্ট দেয়ার মাঝে একটা লম্বা বিরতি পড়ে যায় তখন মাথায় একটা পোকা কুটকুট করতে থাকে অনেকদিন কিছু লেখা হচ্ছে না।

৩। একদম শুরুর লেখা থেকে এই লেখা পর্যন্ত একটা জিনিষের কোন পরিবর্তন হয়নি, সেটা হলো লেখা দেবার পরে অন্যান্যদের মন্তব্যের জন্য অপেক্ষা। লেখা দেয়ার পেছনে আমার মূল অনুপ্রেরনা সবসময়ই যদিও ছিল নিজের মানষিক শান্তি তার পরেও মন্তব্য পেতে সবসময়ই ভাল লাগে। তাই লেখা দিয়ে একটু পর পর নতুন কোন মন্তব্যের জন্য খোঁজ নেয়া আমার সবসময়ের অভ্যাস।

৪। নিজের পোস্টে মন্তব্য পাওয়ার এই আকুতি থেকে বুঝতে পারি বাকিদেরও একই ইচ্ছা থাকার কথা। তাই সবসময়ই চেষ্টা করি যে লেখাটা পড়ি সেটায় মন্তব্য করতে, কিছু বলতে না পারলে অন্তত একটা ইমো দিয়ে লেখককে এতটুকু জানিয়ে দিতে যে লেখাটা আমি পড়েছি।

৫। আমার প্রিয় বিষয় সবসময়ই দিনলিপি। দিনিলিপিগুলো পড়ে সবচেয়ে আনন্দ পাই, মন্তব্যও করতে পারি প্রান খুলে। আর সবচেয়ে কঠিন বিষয় হলো কবিতা, সত্যি কথা বলতে আমার কবিতা পড়ার শুরু এবং শেষ এই সিসিবিতেই। কবিতা পড়ে আমি শুধু বুঝি আমার ভাল লেগেছে বা খারাও লেগেছে, মন্তব্যেও তাই এর বেশি বলা হয় না। কিন্তু সবসময় ভাল/দারুন/অসাধারন এই ক্লিশে কমেন্টগুলো করতে প্রায়ই দ্বিধা হয়। অনেক ক্ষেত্রেই কবিতা পড়ে কিছু বুঝি না, তখন অন্যান্য পাঠকদের মন্তব্যের জন্য অপেক্ষা করি যদি কোন কূল কিনারা পাওয়া যায়। সেখান থেকেও কিছু না পাওয়া গেলে শেষ পর্যন্ত হয়ত আর মন্তব্য করাই হয় না। এ জন্য বলা যায় কবিতা পোস্টেই মনে হয় আমার ইন্টার‌্যাকশন সবচেয়ে কম। তবে তাই বলে কবিতা পোস্ট নিয়ে আমার কোন আপত্তি নেই, কবিতার রস আস্বাধন করতে না পারা নিজের ব্যর্থতা।

৬। মন্তব্য করার ক্ষেত্রে আরো বেশি গুরুত্ব দেই নতুন ব্লগারদের পোস্টের ক্ষেত্রে। ব্যস্ততার কারনে কখনো যদি অন্যান্য পোস্টে মন্তব্য নাও করতে পারি নতুন লেখকদের কোন পোস্ট দেখলে সেটায় মন্তব্য করার যথাসাধ্য চেষ্টা করি। মন্তব্যে উৎসাহিত হয়ে তার কাছ থেকে যদি আর একটা লেখা পাওয়া যায় সেটাই সিসিবির প্রাপ্তি বলে মনে করি।

৭। শুধুমাত্র এক শ্রেনির লেখকদের লেখায় আমি ইচ্ছাকৃত ভাবে মন্তব্য করা থেকে বিরতি থাকি, যারা নিয়মিত পোস্ট দেয়, নিজের লেখায় মন্তব্যে অংশগ্রহন করে কিন্তু অন্য কোন লেখায় তাদের কোন উপস্থিতি দেখা যায় না। জানি না এটি কতটুকু সঠিক বা ভুল কিন্তু ভবিষ্যতেও এই পদ্ধতি চালিয়ে যাব।

শেষ পর্যন্ত এটিও আমার আরেকটি আবোল তাবোল বকর বকর পোস্টই হয়ে গেল, অনেকদিন লেখা দেয়া হচ্ছিলো না তাই এই ফাঁকিবাজি। তবে এই ফাঁকিবাজির ভিতরে সিসিবির সব সম্মানিত সদস্যের কাছে একটা অনুরোধ, লেখা পড়লে মন্তব্য করুন। ভাল খারাপ যাই লাগুক জানান। অল্প কিছু মন্তব্যই হয়ত লেখককে উৎসাহিত করবে নতুন আরেকটি লেখা দেবার। আর যারা লেখক তারা নিজ আনন্দে নিশ্চিন্ত মনে লিখতে থাকুন, মন্তব্য পান বা না পান কিছু কিছু পাঠক আপনার লেখা অবশ্যই পড়ছেন। লেখার মান নিয়ে বেশি চিন্তা করেন না, সিসিবি তো আর পরীক্ষার খাতা নয়, আমাদের ইচ্ছে মত লেখার কবিতার(সহ সবকিছু) খাতা।

যাদেরকে এতক্ষন এই আবোল তাবোল বকর বকর বিরক্ত করেছে তাদেরকে এই বর্ষায় হালকা মানষিক প্রশান্তি দেবার জন্য নিচের ইন্সট্রুমেন্টালটা দিলাম। বৃষ্টির ব্যাকগ্রাউন্ডসহ এটিসহ আরো কয়েকটা ইন্সট্রুমেন্টাল কিছুদিন আগ পর্যন্তও আমার রুমে বাজতো।

শুভেচ্ছা!

৫,১৭০ বার দেখা হয়েছে

৫০ টি মন্তব্য : “স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি”

  1. সাইদুল (৭৬-৮২)

    আহসান, একেবারে মুগ্ধ হয়ে গেলাম। তোমার আমার আবল তাবোল বকর বকরের এই প্লাট ফর্মে, তুমি বেশ সাহসী কথাবার্তা লিখেছো। নিজের সম্পর্কে সত্যি কথা লিখতে সাহস লাগে। বাইরে বৃষ্টি হচ্ছে তোমার ভেতরের বৃষ্টির সাথে তা মিলে মিশে একাকার।


    যে কথা কখনও বাজেনা হৃদয়ে গান হয়ে কোন, সে কথা ব্যর্থ , ম্লান

    জবাব দিন
    • আহসান আকাশ (৯৬-০২)

      ধন্যবাদ স্যার। সিসিবি হলো আমাদের একান্ত আপ্ন জায়গা, এখানেই যদি নিঃসংকোচে সব কিছু বলতে না পারি তাহলে আর কোথায় বলবো! 🙂


      আমি বাংলায় মাতি উল্লাসে, করি বাংলায় হাহাকার
      আমি সব দেখে শুনে, ক্ষেপে গিয়ে করি বাংলায় চিৎকার ৷

      জবাব দিন
  2. জুনায়েদ কবীর (৯৫-০১)
    দিনিলিপিগুলো পড়ে সবচেয়ে আনন্দ পাই, মন্তব্যও করতে পারি প্রান খুলে। আর সবচেয়ে কঠিন বিষয় হলো কবিতা, সত্যি কথা বলতে আমার কবিতা পড়ার শুরু এবং শেষ এই সিসিবিতেই।

    স্কাই, ভাই আমার...তুই মেলায় গিয়ে আমার হাত ছেড়ে দিয়েছিলি কেন রে?? 😛


    ঐ দেখা যায় তালগাছ, তালগাছটি কিন্তু আমার...হুঁ

    জবাব দিন
  3. মোকাব্বির (৯৮-০৪)

    হেহেহেহ খুব চালাকি করে কুমিরের ছানা দেখিয়ে চলে গেলেন! x-( তবে এই কথাগুলো মুখে মুখেই বলা হয়েছে। লিখে দেয়ার জন্য একটি ধন্যবাদ আপনার প্রাপ্য! ;)) প্রমিলা বিশ্বকাপ নিয়ে ভাবছিলাম একটু মাতামাতি করবো কিন্তু হচ্ছে না! 🙁


    \\\তুমি আসবে বলে, হে স্বাধীনতা
    অবুঝ শিশু হামাগুড়ি দিল পিতামাতার লাশের ওপর।\\\

    জবাব দিন
  4. খায়রুল আহসান (৬৭-৭৩)

    স্বপ্রণোদিত জবানবন্দী পড়তে বেশ ভালো লাগলো। আবার বেশ কিছু বিষয় কমনও পড়েছে, যেমনঃ
    "লেখা দেবার পরে অন্যান্যদের মন্তব্যের জন্য অপেক্ষা.....তাই লেখা দিয়ে একটু পর পর নতুন কোন মন্তব্যের জন্য খোঁজ নেয়া আমার সবসময়ের অভ্যাস।"
    "তাই সবসময়ই চেষ্টা করি যে লেখাটা পড়ি সেটায় মন্তব্য করতে"
    "তখন অন্যান্য পাঠকদের মন্তব্যের জন্য অপেক্ষা করি যদি কোন কূল কিনারা পাওয়া যায়"
    "নতুন লেখকদের কোন পোস্ট দেখলে সেটায় মন্তব্য করার যথাসাধ্য চেষ্টা করি"
    "লেখার মান নিয়ে বেশি চিন্তা করেন না"
    এখানে আমার বয়সী (মন্তব্যকারী) পাঠক বা লেখক প্রায় নেই বললেই চলে। তাই তোমার মত লেখিয়েদের লেখা পড়ে তারুণ্যের স্পন্দন অনুভব করতে পছন্দ করি।
    ইন্সট্রুমেন্টালটা দারুণ ভালো লেগেছে। ওটা জুড়িয়ে দেবার জন্য বাড়তি কিছু ধন্যবাদ তোমার অবশ্যই প্রাপ্য। ওটা শুনতে শুনতেই এই লেখাটা লেখলাম।

    জবাব দিন
  5. নাফিস (২০০৪-১০)

    অনেক কিছুই কমন পরেছে। 🙂

    ক্লিশে কমেন্ট গুলো আমি আবার রেগুলার করি 😛 ব্লগটা ইউনিক হইছে। ব্লগের ভেতর ব্লগ। স্বপ্নের ভেতর স্বপ্ন। পুরাই ইনসেপশন মুভি 😀

    জবাব দিন
  6. নূপুর কান্তি দাশ (৮৪-৯০)

    আকাশ, একদম সময়োপযোগী লেখা।
    আমি চেষ্টা করি যতটা সম্ভব অংশ নেবার, ব্যস্ততার কারণে কত ভালো ভালো লেখায় কিছুই যে বলা হয়ে উঠলো না সেই অপ্রাধবোধ তাড়া করে।
    মন্তুব্য দেবার ক্ষেত্রে আমি খুব পক্ষপাত দেখাই কবিতার প্রতি। গদ্য বা কোন নিবন্ধ টাইপের লেখায় একটু আলসেমি করি। 😛

    জবাব দিন
    • আহসান আকাশ (৯৬-০২)

      শিশু ভালই আছে, বয়সের সাথে সাথে দুষ্টামি সমানুপাতিক হারে বাড়ছে 🙂

      নিজে লাইনে থাকো, অন্যকে থাকতে উতসাহিত কর


      আমি বাংলায় মাতি উল্লাসে, করি বাংলায় হাহাকার
      আমি সব দেখে শুনে, ক্ষেপে গিয়ে করি বাংলায় চিৎকার ৷

      জবাব দিন
  7. আমিন (১৯৯৬-২০০২)

    লেখাটি পড়তে গিয়ে বুঝলাম সিসিবিতে আমিও প্রায় সাত বছর ধরে আসি। সিসিবিতে যখন ঢোকা শুরু করি সেই সময়টা খুব আনন্দের ছিল। দিনের খুব একটা বড় অংশ এখানে কাটত। তারপরে ২০০৮ থেকে ২০১০ সালে সম্ভবত আমার জীবনের সবচেয়ে কঠিন মুহূর্তগুলোতে সিসিবি আমাকে অনেক ঝামেলার উপশম হয়েও এসেছিল।
    আমি সব সন্দ করি। আমার পছন্দ দিনলিপি আবোল তাবোল টাইপ পোস্ট গুলো। তবে সিরিয়াস বিষয়ে নিয়ে ইন্টেলেকচুয়াল টকও যে অপছন্দ এমন নয়। কবিতার ব্যাপারে আমার অবশ্য হীনমন্যতা কাজ করে। কবিতা ভালো মত বুঝি না এমনিতেই। কমেন্ট করে নিজের অজ্ঞতা জাহির করতে ভয় লাগে।
    একটা সময়ে আমার নিজের জীবনের বড় টাইম যেমন সিসিবি দখল করেছিল তেমনি সিসিবির মাধ্যমে আখোচনা পাল্টা আলোচনায় একটা সৌহাদ্যময় পরিবেশও তৈরি হয়ে গিয়েছিলো। আজ সাত বছর পরে সেই সময়ের কমিউনিটি আগের মত নেই বলাই বাহুল্য। আমার নিজের ক্ষেত্রে বলতে পারি, শাহবাগ পরবর্তী মানুষজনের আলোচনা দেখে সব ধরণের জিনিসের প্রতি বিবমিষা এসেছিল। তারপরে ফেসবুকে খোমাখাতায় শো অফের যুগে ব্লগিং জিনিসটা মনে হয় ফ্যাশনের সাথে যায় না এমনই মনে হয়।

    ইদানিং নিজের ভার্চুয়াল একটিভিটি এতটাই কমিয়ে ফেলেছি যে মানুষের কথার সাথে দ্বিমত হলে নিজে একবার আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে গিলে ফেলি। আড় তাছাড়া সাম্প্রতিক ক্যাডেট ব্রাদারহুড শিপের কিছু আবালপনা নিয়ে এতটাই বিরক্ত যে সেটা নিয়ে কিছু না লেখা পর্যন্ত ব্লগ ব্লগিং সব বাদ রাখবো ভেবেছিলাম। তবুও এই ব্লগের কমেন্ট লম্বা কমেন্ট ফেদে বসলাম।

    সিসিবি নিয়ে নিজের মজার একটা ঘটনা শেয়ার করি। তখন ২০১০ সাল। নতুন বিয়ে করেছি। বউ নিয়ে কক্সবাজার ঘুরে চট্টগ্রামে। সেখানে মেয়র ইলেকশন সুনশান পাহারা। এর মাঝে ক্যান্টনমেন্টে বন্ধুর গেস্ট হাউসে উঠলাম। চট্রগ্রামে নামার পরেই মনে খচখচ করছিল যে ফয়েজ ভাইয়ের সাথে দেকা না করে যাবই না। সেই সুনশান পরিস্থিতির মধ্যেও স্টেশনে বাস ধরার চাপ মাথায় নিয়েও ফয়েজ ভাইয়ের সাথে দেখা করে তবেই আসি। তবে দেখা করার পরে আমার স্ত্রী যখন জানতে পারে যে ফয়েজ ভাইকে আগি কখনো সামনাসামনি দেখিনি শুধু ব্লগের পরিচয়ের জেরে এমন চাপাচাপি করে দেখা করে গেলাম, সম্ভবত বিবাহিত জীবনে আমাকে নিয়ে খাওয়া অনেক ধাক্কার মধ্যে সেটি ছিল প্রথম।

    পুনশ্চ: ১) ফেসবুকে সেইভাবে না থাকায় জুনিয়র গানারসের ব্যাপারে খুব বেশি জানতাম না। শুভকামনা রইলো।

    ২) সিসিবিতে আগে আমরা এডু স্যার এডু স্যার কইয়া মজা লইতাম। এইখানে আমাদএর সময়ে থাকা সত্যিকারের এডু স্যারকে ক্যাডেট ব্লগার হিসাবে দেখে খুব ভালো লাগছে।

    জবাব দিন
  8. পারভেজ (৭৮-৮৪)

    "শুধুমাত্র এক শ্রেনির লেখকদের লেখায় আমি ইচ্ছাকৃত ভাবে মন্তব্য করা থেকে বিরতি থাকি, যারা নিয়মিত পোস্ট দেয়, নিজের লেখায় মন্তব্যে অংশগ্রহন করে কিন্তু অন্য কোন লেখায় তাদের কোন উপস্থিতি দেখা যায় না। জানি না এটি কতটুকু সঠিক বা ভুল কিন্তু ভবিষ্যতেও এই পদ্ধতি চালিয়ে যাব।"

    এইটা আসলেই বেস্ট...

    সব মিলিয়ে চমৎকার একটা উপস্থাপনা.........


    Do not argue with an idiot they drag you down to their level and beat you with experience.

    জবাব দিন
  9. টিটো মোস্তাফিজ

    :thumbup:

    ৭। শুধুমাত্র এক শ্রেনির লেখকদের লেখায় আমি ইচ্ছাকৃত ভাবে মন্তব্য করা থেকে বিরতি থাকি, যারা নিয়মিত পোস্ট দেয়, নিজের লেখায় মন্তব্যে অংশগ্রহন করে কিন্তু অন্য কোন লেখায় তাদের কোন উপস্থিতি দেখা যায় না। জানি না এটি কতটুকু সঠিক বা ভুল কিন্তু ভবিষ্যতেও এই পদ্ধতি চালিয়ে যাব।

    :just: :gulli2: :gulli2: :gulli2:


    পুরাদস্তুর বাঙ্গাল

    জবাব দিন

মন্তব্য করুন

দয়া করে বাংলায় মন্তব্য করুন। ইংরেজীতে প্রদানকৃত মন্তব্য প্রকাশ অথবা প্রদর্শনের নিশ্চয়তা আপনাকে দেয়া হচ্ছেনা।