আর্কেডিয়া

(উৎসর্গঃ কবি রফিক আজাদ শ্রদ্ধাভাজনেষু)

ভুল করে তুমি একদিন নেমেছিলে বুঝি ভুল জলে
অথবা সে ভুল নয়, হৃদয়ের প্রিয় অপচয়,
কারুচারীর জন্মগত অভিশাপে!
শরীরের বাঁকে বাঁকে কে করেছিল একদিন মরণের খোঁজ
আরক্ত নবীন প্রেম, দুর্দান্ত প্রবল প্রতাপে!

সর্বগ্রাসী ক্ষুধার জ্বালায় একদিন ভাত দে বলে
চেঁচিয়ে কে উঠেছিল? করেছিল মানচিত্র ছিঁড়ে-খুঁড়ে
জটিল ক্ষুন্নিবৃত্তির সন্ধান!
প্রিয় শাড়ীগুলো দেখে সে-ই ফের উঠেছিল গান গেয়ে
অথবা কালের ঘুংঘুর বেঁধেছিল অসম্ভবের পায়ে!

বিস্তারিত»

যদি উপেক্ষা করতে না পারো, ভালবেসো না

“পথে চলে পারে পারাপারে
উপেক্ষা করিতে চাই তারে;
মড়ার খুলির মতো ধরে
আছাড় মারিতে চাই, জীবন্ত মাথার মতো ঘোরে
তবু সে মাথার চারিপাশে!
তবু সে চোখের চারিপাশে!
তবু সে বুকের চারিপাশে!
আমি চলি, সাথে সাথে সেও চলে আসে!”
– জীবনানন্দ দাশ
=======================

যদি উপেক্ষা করতে না পারো,

বিস্তারিত»

এক হিতৈষীর শুভাকাঙ্খা

যেদিন থেকে জানলাম,
শুধু শুভাকাঙ্খা কিংবা সমর্থন দেয়াই নয়,
সমব্যথী কিংবা হিতৈষী হওয়াও নয়,
অন্য, অন্য আরও কিছু দরকার,
তোমার বন্ধুত্বের স্বীকৃতি পেতে –
আমি ঠিক করলাম,
আমি তোমাকে বন্ধন মুক্ত করে দেবো।

জানি না কোন অতিমানবীয় কিংবা
অলৌকিক গুন আমায় অর্জন করতে হবে
অথবা অপার্থিব কোন রূপ
আমায় ধারন করতে হবে,
তোমার বন্ধুত্বের শর্ত পূরণ করতে,

বিস্তারিত»

পথ খোঁজা রাতগুলো

প্রতি রাতে চেয়ে দেখি ঘুরে-ফিরে,
ফেলনা সব খেলনা খুঁজে, যুদ্ধের আয়োজন চলে।

গাছের পাতায় হাওয়ার মাতম শেষ হলে- কাকেদের ঘরে শান্তি আসে।
তাদের ঘুম না ভাঙ্গিয়ে চুপিচুপি হেঁটে যায় কেউ,
চোখ মেলে ঊর্ধ্বাকাশে।

বেচাকেনার হাট বসে সাইনবোর্ড ছাড়া;
কে কেনে আর কে বেচে, বুঝে ওঠার আগেই মিলিয়ে যায় হাট।
পড়ে থাকে জঞ্জাল, মানুষের ঘাম।
রাস্তা বয়ে চলে সংবাদের গাড়ি,

বিস্তারিত»

স্মৃতিটুকু রয়ে যায়….

বালকেরা ভুলে যায়, বালিকারা নয়।
পুরুষেরা ভুলে যায়, রমণীরা নয়।
প্রথম চিঠির, প্রথম পরশের স্মৃতিটুকু,
বালকের, পুরুষের উড়ুউড়ু মন থেকে
যত দিন যায়, তত ক্ষয়ে ক্ষয়ে যায়।

বালিকারা, রমণীরা মনের তোরঙ্গতলে
সযতনে সেসব স্মৃতি ভাঁজ করে রাখে।
অলস সময়ে আকাশে কালো মেঘ হলে
তারা আপন মনে সে তোরঙ্গ খুলে বসে।
পরতে পরতে সযতনে ভাঁজ করে রাখা
স্মৃতির সে সম্ভারগুলো খুলে খুলে দেখে,

বিস্তারিত»

ভিন্ন দেবীদর্শন

রাজপুত্তুর নই,
তাই, কারও জন্যই,
সাত-সমুদ্দুর তেরো-নদী
পেরুনো হয়নি কখনো।

তবে তোমার জন্য ঠিক ঠিকই
সাত জ্যাম ঠেলে,
তেরো রাস্তা পেরিয়ে,
দেবী-দর্শনে হাজির হতাম,
যখনই অনুমতি মিলতো –
মনে পড়ে, সেসব দিন?

সেই সব আগুন ঝরা দিন –
যখন লাল টুকটুক ঘোড়ায় চড়ে নয়,
পাল উড়িয়ে জাহাজে করেও নয়,
আমি পৌছুতাম,

বিস্তারিত»

বিভক্তি

আমাদের সীমাবদ্ধতা, আমরা সবকিছুতেই দুটি দিক খুজে পাই।
ঠিক যেন মুদ্রার দুই পিঠ, মাথা আর লেজ।
মানুষ খোঁজতে যাই, নারী আর পুরুষ।
ধর্ম বুঝতে যাই, আস্তিক আর নাস্তিক।
আস্তিকতার কথা বলবেন, একইশ্বর কিংবা বহুইশ্বর, অইত মুসলমান আর হিন্দু।
কেবল একইশ্বরের কথা শুনাতে চাচ্ছেন, হুম তাও জানি ইসলাম এবং ক্রীশ্চান।
বাদদিন ধর্মের কথা, বর্ণের কথা বলেন, অহ্ সাদা আর কালো।

বিস্তারিত»

জ্বর মস্তিষ্কে অনুর্বর কিছু ভাবনা……

এই ছোট আয়তনের শহরে,
বড় বড় দালান গুলো আকড়ে ধরে থাকে
বড় বড় কর্তা ব্যক্তিরা,
তারা এ শহর ছেড়ে আর অন্যকোন নোংরা মফস্বল শহরে যেতে চান না।
আর তাদের কে ঘিরে হু হু ঢল নামে মানুষের দলের।
সেই মানুষের জন্য আরো গড়ে উঠে দালান-কোঠা, দোকান-পাট
প্রয়োজনে বাড়িয়ে তোলে আরো প্রয়োজনীয়/অপ্রয়োজনীয় স্থাপনা।
আয়তনে ছোট্ট শহর হয় জনসংখ্যার হিসেবে অন্যতম।

বিস্তারিত»

মনে আছে

তুমি একটা গল্পের কথা বলেছিলে।
ছোট্ট গল্প, তবু গল্পটা মনে নেই।
তবে, গল্প বলার ভঙ্গিটা মনে আছে,
গল্প শোনার দিনক্ষণটাও মনে আছে।

ঢাকা
০৫ ফেব্রুয়ারী ২০১৬
সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

বিস্তারিত»

শুভ যাত্রা

চলতে চলতে হঠাৎ থমকে

জিজ্ঞেস করি আপন মন কে,

“যাচ্ছ কোথাও, না আসছো ফিরে?

পথ কি মেলে, পথের শেষে?”

 

পথ – সে তো বৃত্তরেখা

কেন্দ্র কবেই গেছে মিলিয়ে!

পথ কি চলে, না আমরা চলি?

মুখ টিপে হাসে কানা গলি –

 

ছুটতে ছুটতে স্বপ্ন হয়ে-

স্বপ্নের খোঁজে –

বিস্তারিত»

বৃষ্টি, সারস ও অন্যান্য

এইসব টুপটাপ বৃষ্টির রাতে,

সারস পাখির মত তোমার কাঁধে মাথা গুঁজতে সাধ হয়।

মাটির সোঁদা গন্ধ তখন তোমার-

পাঞ্জাবীর কলারে,

উৎসের খোঁজে-

প্রথমে তোমার গাল,

তারপর,

অ্যাডাম’স অ্যাপেল পেরিয়ে দেখা মেলে-

সব উপরের বোতাম দুটির।

 

ধরা পড়ে যাওয়া চাহনি নিয়ে

তোমার দিকে তাকাতেই-

আমার চিবুকে আলতো হাত রেখে বল,

বিস্তারিত»

ভাল থাকা

কতদিন হয়ে গেল –
তোমার কাছে জানতে চাওয়া হয়নি,
“কেমন আছো তুমি?”
অথবা, “সব ভাল তো?”

সেই যে শেষবার, কবে যেন,
জিজ্ঞাসা করেছিলাম,
আর তুমি বলেছিলে:
“খুবই ভাল আছি, আর হ্যা,
আপনার কি দরকার জেনে,
আমি কেমন থাকি বা না থাকি……”

সেই থেকে তোমাকে
আমি আর জিজ্ঞাসা করি না,
কারন, ঠিকই তো,

বিস্তারিত»

ইঁদুর মরন

ইঁদুর মরন

আচ্ছা এই যে ইঁদুর টা মারা গেল
সে কি খুব ভালো হলো।
কাল রাতে উৎপাত করেছে ঘরে
সুর সুর শব্দে ভেঙেছে নিশব্দ
বাতিটা জ্বালাতেই পালিয়েছে
লজ্জায় নাকি প্রানভয়ে?

তা কেন? ওরাতো এ ঘরে ই থাকে
আমাদের সাথে । বেশ তো দেখাও হয়,
জানি দেখা হলেই ওরা লুকোয়
সেঁত আমার ছাত্রীরা করে
হয়তো ওরা সালাম ঠুকে না
তবে তাও সঠিক বলতে পারবো না
ভাষাতো আমাদের এক না
চ্যা চু করে যে পালায়,

বিস্তারিত»

স্বাধীনতার শৃংখল

স্বাধীনতা মানে কিন্তু বিশৃংখলতা নয়,
স্বাধীনতার মাঝে আছে এক শৃংখল।
যে শৃংখলে ঠিক শেকলের ঝনঝনানি শব্দ না পাওয়া গেলেও
বাঁধন কিন্তু ঠিকই কাজ করে।
যে বাঁধনে দম আটকানো হাঁশফাঁস করা
প্রকোষ্ঠের গুমোট বাতাসের ছোয়া তুমি পাবে না।
স্বাধীনতার মাঝেও আছে অন্যরকম
আটকে পরার আনন্দ, অন্যভাবে।
বিশৃংখলা কথাটার সাথে কেমন যেন
বেতাল একটা ভাব আছে-
গানের শ্রুতিমাধুর্য্য যে কারণে নষ্ট হয়,

বিস্তারিত»

শিলাজিৎ-এর “যা পাখি উড়তে দিলাম তোকে…” শোনার পর

যদি ভুলে যাওয়া যেতো
প্রথম ভাললাগা
প্রথম ছোঁয়া
প্রথম চুম্বন…

যদি ভুলে থাকা যেতো
উদ্ভিন্ন পংক্তিমালা
স্বলজ্জ আনত নয়ন
কবিতার উত্তাপ…

যদি ভুলে যাওয়া যেতো
মুখোমুখি বসা
হাতে হাত রাখা
শরীরের ঘ্রান…

যদি ভুলে থাকা যেতো
অস্বীকার
প্রত্যাখ্যান
উপহাস…

আমি ভুলতে পারি না
আমি ভুলতে চাইও না
তুমি পারো?

বিস্তারিত»