Strange Darkness

জীবনানন্দ দাসের অসাধারন কবিতা ” অদ্ভুত আঁধার এক ” ইংরেজীতে অনুবাদ করে অল পোয়েট্রিতে প্রকাশ করলাম। অনুবাদ কেমন হল, এ ব্যাপারে মতামত আশা করি।

 http://allpoetry.com/poem/12382384-Strange-Darkness-by-Tito-Mostafiz

 

Strange darkness landed
on the earth today.
The blinds can see
more than anybody.
The world is obsolete
without their advice
who has no love or affection
in their hearts.

বিস্তারিত»

দাবা ও জুয়া

Jean_Metzinger,_1915,_Soldat_jouant_aux_échecs_(Soldier_at_a_Game_of_Chess),_oil_on_canvas,_81.3_x_61_cm,_Smart_Museum_of_Art
দেখেছো তোমার পুরাণ আমাকে পোঁড়ায়
আমি ভাসি নির্নিমেষ নিঃঘ্রাণে
আমিও কুয়াশায় বশ হারানো লোকের মতো
স্থানু থাকি, নির্বান্ধব সন্ধ্যায় কাঠের ক্যাম্পে বসে
একা একা বদল করি সাদা কালো সাইড
বড়ে-মন্ত্রী , দাবার গুটি,
উভয় পক্ষে বেটে দেই ট্রাম, তাসের স্পেড
তার পর বাজি ধরি তোমার নামে
জিতে গেলে সুউচ্চ প্রাসাদ বানাবো
হেরে গেলে মেনে নেবো নিঃশর্ত নির্বাসন
দুর দ্বীপে আবাস বানাবো,

বিস্তারিত»

মোহ, ভালবাসা নয়…

যখন থেকে বুঝলাম
ওসব তোমার প্রেম নয় –
মোহাক্রান্ত কালের উচ্ছ্বাস ছিল,
আমার কাছে তুমি আর
প্রেমিকা নয়, ধীরে ধীরে
এক “যেকোনো নারী” হয়ে উঠতে থাকলে।

নারী আর প্রেমিকা এক নয়,
জান তা নিশ্চয়?
পুরুষের অত্যুৎসাহে
নারী বিরক্ত হয়,
প্রেমিকের অত্যুৎসাহে
প্রেমিকা উদ্বেলিত হয়।
বিরক্ত? কখনো নয়…

মোহাক্রান্ত কালে
যেসব অত্যুৎসাহে তুমি
উদ্বেলিত হয়ে উঠতে,

বিস্তারিত»

মায়া

তোমার কাননে আজ লেগেছে বসন্তের হাওয়া,
তাই দখিনা বাতাসের মৃদুমন্দ আসা যাওয়া।
কৃষ্ণচূড়ার ডালে ডালে জ্বলে ফাগুনের আগুন,
সৌরভে মৌতাতে শোনা যায় ভ্রমরের গুনগুন।

আমার আকাশে আজ শুধু আষাঢ়ের ঘনঘটা,
তাই শার্সিতে আছড়ে পড়ে বৃষ্টির ভারী ফোঁটা।
বাতাসের ঝাপ্টাটা আমায় ভিজিয়ে দিয়ে যায়,
তবু জানালাটা খোলা রাখি যেন কিসের মায়ায়!

ঢাকা
১১ নভেম্বর ২০১৫
সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

বিস্তারিত»

নিউরনে আলাপনঃ চৌদ্দ

: ঘুমিয়ে পড়েছিলে?
: এই সময়টা ঘুম ঘুম লাগে। তবুও তোমারই আশায় ছিলাম মনে হল। বুঝতে পেরেছিলে?
: আমারো ঘুম পাচ্ছিলো খুব … কিন্তু ভাবছিলাম কতগুলো গান-এর কথা তোমাকে বলবো।
: আমিও আজ কতগুলো গান বেছে রেখেছি তোমার জন্যে!
: কী আশ্চর্য! ভাবনাগুলো কেমন মিলে যায় … একই সময়ে …
: হুম, ‘দিবে আর নিবে, মিলাবে মিলিবে’ …
: জানো,

বিস্তারিত»

শুভ জন্মদিন হুমায়ুন আহমেদ

IMG_20151104_143551

 

 

 

 

 

 

 

[ হুমায়ুন আহমেদের জন্মদিন উপলক্ষে লেখা একটি Bilingual Poem. অলপোয়েট্রিতেও প্রকাশিত ]

Ode to Humayun Ahmed

You  taught us
to enjoy rain
and crying is not
a matter of shame.

আজ আমার খুব
কাঁদতে ইচ্ছা করছে
কষ্টের বাষ্পগুলো সব
ঝরে পড়ুক নিঃশেষে।

বিস্তারিত»

~ বেভুল বিটোভেনে এখন ~

জীবনকে ক্ষ্যাপা ষাঁড়ের শিঙে
আমূল বিদ্ধ করে
দেখতে চেয়েছিলাম
কতোটা রক্তপাত ধারন করে
তার লৌকিক শরীর !

কোষের ভিতর
নুনের পরিমান মাপতে মাপতে
ক্লান্ত জিভের চামড়া খুঁইয়েছি ।
বুঝিনি –
কতোটুকু ছিলো তার ঘাম,
কতোটা রক্তস্নান !

বোধের মরফিনে
ডুবে থাকা অনুভূতির ঢল
তখনো অবাক
ঝরায় অশ্রুজল !

চামড়ার পোষাক খোয়ানো
নাংগা জিভখানা অকস্মাৎ
বুঝে ফেলে অশ্রুতে
জল ও নুনের মিশ্রণ অনুপাত ।

বিস্তারিত»

তারপর…

একদিন ঝড়ো রাতে তুমি এসেছিলে,
চুপচাপ কাছে এসে পাশে বসেছিলে।
বোশেখের আমগুলো ঝরে পড়েছিলো,
প্রদীপের শিখাটুকু নিভে গিয়েছিলো।

তারপর…
মনে পড়ে?

তারপর আর তেমন কিছু নয়…

আঁধার মাঝেই উঠে তুমি রসুইঘরে গেলে,
উনুন ফুঁকে পাটখড়িতে আগুন ধরালে।
সেই আগুনে নিভে যাওয়া সলতে জ্বালালে,
আবার পাশাপাশি আলোয় বসে গল্প শোনালে…

ঢাকা
০৪ নভেম্বর ২০১৫
সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

বিস্তারিত»

নিউরনে আলাপনঃ তেরো

: কোথাও কোন লেখা পড়লে বুঝি তুমি আসলেই কত সুন্দর লেখো …
: কী যে বল না তুমি? আমারগুলো এমনি এমনি লেখা, তাতে এমন কী যায় আসে?
মূল্যের দিক থেকে তো সমুদ্রের তীরের বালুকণাও না …
: সে তুমি বুঝবে না … শুধু আমার মন জানে … তোমার মুগ্ধ পাঠকেরাও তো বলে …
তুমি কত ভালো লিখছো সত্যি বুঝতে পাচ্ছো তো?

বিস্তারিত»

কেমন হতো যদি এমন হতো ????

কিছু কিছু দেখা না হলেই বুঝি ভাল হতো ……………
কিছু কিছু কথা না বললেই বুঝি ভাল হতো ………………
কিছু কিছু স্পর্শও না ছুঁলেই বুঝি বেশি ভাল হত…………

সেসব এর অভাব কি তবে এতটা মরমে মরমে মারতো ????

কিছু কিছু দিন না আসলেই বুঝি ভাল হতো ……………
কিছু কিছু ঘটনা না ঘটলেই বুঝি ভাল হতো ……………
কিছু কিছু অ্যাডভেঞ্চার না করলেই বুঝি বেশি ভাল হতো ……

বিস্তারিত»

রুবাইয়াত-ই-মোস্তাফিজ

এক

কি হবে সব ঠিক করেছ

অনেক  অনেক আগে

তবু প্রভু সাজা দেবে

ন্যায় বিচার কি হবে?

 

দুই

দেখছি ভেবে ভেবে

শুরুর থেকে এবে

বদলোকে  সব জিতে

ভালোয় ডুবে দুখে।

তিন

তালা দিলি কেন ওরে

বিবেকের জালামুখে

এভাবে কি নিরাপদে

ধনে মানে রবি সুখে?

বিস্তারিত»

হংসধ্বনি — পণ্ডিত রনু মজুমদার

পায়ে পায়ে উঠে আসে জল;
যদিও মৌন সমতল
ছিল আদিতে।
কিসের ঈষৎ স্পর্শে অত:পর
বৃত্তাকার বিক্ষেপ —
বিকেন্দ্র বিচ্ছুরণ!

আলতো চুম্বন ছুয়ে গেলে পাড়
সে কোন পাহাড় হয়ে
নেমে আসে সুর,
ধেয়ে আসে প্রশান্ত গড়ানে
বাঁশরীর হাত ধরে

পায় পায় জল উঠে আসে —
স্পর্ধায় লাফিয়ে লাফিয়ে
পাকিয়ে ওঠে
হাওয়ার প্রবল আহবানে,

বিস্তারিত»

নিউরনে আলাপনঃ বারো

: দেখেছো, আমি না ডাকলে বুঝি মনে পড়ে না?
: মনের ভেতরেই তো আছো …
: কত কথা মনের মধ্যে পুষে রাখি, কত আবোল-তাবোল বকি, কিন্তু আসল কথাটিই যেন বলা হয় না! তুমি কেমন আছো?
: আছি, এই তো … চলছে।
: জানো, একদিন বৃষ্টির দিন …
আমরা দু’জন বেশ ভাল করে দু’কাপ চা নিয়ে বসব …
দু’জনের না বলা গল্পগুলো দু’জনকে বলার জন্য …

বিস্তারিত»

~~ নাগর – এক ও দুই ~~

[ আঞ্চলিক ভাষায় এই প্রেম উপাখ্যানটির মূল শিরোনাম “নাগর”। ধরা যাক ওটা হলো গিয়ে গ্রন্থের নাম। তার ভেতর ছোটো ছোটো কবিতাগুলো প্রতিটি ভিন্ন ভিন্ন শিরোনামে উপস্থাপিত। ]

ক বি তা এ ক

~ জিগাই ~
(নাগরকে উদ্দেশ্য করে গ্রামবাসীর উচ্চারিত প্রশ্ন)

কেউয়া যায়?
কেডায় !

ভাতের জলের লাহান টগবগায় চান্দি
এই রহম আগুইনা রইদ ভাইঙা;

বিস্তারিত»