বীরাঙ্গনার স্বপ্ন

বিজয় দিবসের প্রাক্কালে
মুমুর্ষু  এক বীরাঙ্গনা বল্লেন
শত  লজ্জা অপমান সয়ে
আজও  আমি বেঁচে আছি
পাশে  ঠেলে মরণ
কবে আসবে?
সেই  মাহেন্দ্রক্ষণ!

করজোড়ে  নতজানু
মাগিবে পাকিস্তান
দাসী হতে চাই প্রভু
ভিখ দাও চরণ।

[ পুরাদস্তুর বাঙ্গালের ভবিষ্যত বাণীঃ এক দিন বাংলাদেশের অঙ্গরাজ্য হবার জন্য কেঁদে কেটে একাকার হবে পাকিস্তান ]

বিস্তারিত»

কমোডে বসে লেখা

হাগলে আরামবোধ হয়, যেমন ফরাসী পতাকায়
কিংবা কুরবানীর গরুর জন্য ব্যথিত হৃদয়ের
উহু আহা শুনলে; আরো ভালো লাগে অতিকায়
মস্তকের রঙধনু প্রীতি; অথবা লোমশ ভাতৃদ্বয়ের
রগরগে গল্পে পুলকিত হই। ‘পাদ’ শব্দটি
অশ্লীল বলে মেনে নিয়েছে রাষ্ট্র, যদিও সানি লিওন
কখনো নয়।হঠাৎ জেগে ওঠা যৌন উত্তেজনার মতো স্থায়ী প্রতিটি
বিপ্লব বা আন্দোলন আমাদের, তাই বীর্যস্খলন শেষেই নিওন
আলোর মধ্যেই আরামসে ঘুমিয়ে পড়ি।

বিস্তারিত»

প্রলাপ – শ্যুবার্ত এর সিম্ফনি ৭ শুনে

সংলাপ গুনে দেখিনি তো!
মনমতো
কিছু দৃশ্য, কিছু কথা
নাজুক নীরবতা নিয়ে
নিশ্চয়
একদিন প্রচ্ছদ হবে তুমি;
অনাগত সন্তানের মত
আমার প্রথম কাব্যগ্রন্থের প্রুফ হবে
পা-ছোঁড়া অস্থিরতা

স্কেচপেন তোমাকে এঁকে
পাবেনা কূল,
উল্টো চক্ষুশূল
হয়ে আসে
সূর্যোদয় কিংবা বৃষ্টির মতন
স্বার্থপর, মনোরম মুহূর্তেরা

এরপর চটির ওই একফালি
ছিঁড়ে যাওয়া ঢেকে দিয়ে
বিব্রত শাড়িটি
মরমে মরে গেছে —

বিস্তারিত»

হ্রস্ব দ্বিপ্রহর, দীর্ঘ বিক্ষিপ্ততা

কার্তিকের এই হ্রস্ব দ্বিপ্রহরে আমি অস্থির থাকি।
মনে হয়, গাছপালা ফুল পাখি প্রকৃতির সবকিছু
যেন বিষন্নমনে তপস্যায় বসা, গোধূলির খোঁজে।
খুঁজতে খুঁজতেই বিকেলটা হারিয়ে যায় অবেলায়।

দুপুরের পরেই সন্ধ্যা ঘনিয়ে আসে। টেবিলে বিক্ষিপ্ত
পড়ে থাকে কাগজ কলম, যাবতীয় বিল আর পত্রাদি।
অগোছালো মনের মতই ইতস্ততঃ ছড়ানো ছিটানো।
ত্রস্ত মনে যা গোছানোর কথা ভেবে অস্থির হয়ে উঠি।

আলস্য ঘিরে ধরে।

বিস্তারিত»

~ বিচ্ছেদের অরণ্যলোক ~

শহরের সব পার্ক, উদ্যান,
সুদূর অতীত গন্ধ মাখা
প্রাচীন বৃক্ষ কিংবা জলাশয়,
মৌ মৌ আড্ডার ক্যাফে,
থিয়েটার, নাট্যশালা, আর্ট গ্যালারী,
ছায়ামাখা ফুলার রোড,
ভার্সিটির কড়িডোর, ক্যান্টিন,
সর্বত্রই স্মৃতির ব্যপক সন্ত্রাসী বাড়াবাড়ি।

নাট্যমঞ্চের আধো আলো চেয়ারে,
চীনে রেঁস্তোরার টেবিল কাভারে,
বা ধরো যতনে ভাঁজ করা ন্যাপকিনে
স্পর্শের আভা, এমন কি সেই চেনা
সুরভির রেশ,

বিস্তারিত»

গ্রীকপুরাণ এর ছোঁয়া

নারীর মন

কহিলা ম্লান হেসে
হিফাস্টাস দেবে
নারীর মন বুঝে
কার সাধ্য ভবে!

 

মিনোটর

জীবন নামের গোলক ধাঁধায়
মিনোটর ই শেষ কথা
থেসিউস হানিমুনে
সে তো ভাই রুপকথা।

 

অগ্ন্যাশয়ে আততায়ী

অগ্ন্যাশয়ে আততায়ী
বাজায় তালি নিন্দুক
কল্প থেকে বাস্তবেতে
প্যানডোরার সিন্দুক।

বিস্তারিত»

এক জনমের পূর্নতা

মোহমুক্তির পরে একদিন
তুমি যে চলে যাবে,
সে আমি জানতাম।
তোমার সেই চলে যাওয়াটা যে
বেদনাবিধুর হবে,
সেটাও জানতাম।
আর তাই একদিন ঘটতে যাওয়া
তোমার বিদায় দিনটাকে
মানিয়ে নিতে কি কি বলবো,
কি কি ভাবে বলবো –
তার সব নিয়ে একখানা মুসাবিদাও
করে রেখেছিলাম মনে মনে।

বুঝতেই পারছো, আমাদের যে সম্পর্কটা
হয়েছিলই ভাঙ্গার জন্য,

বিস্তারিত»

নাচঘরে দেখা হবে

flamenco-dancer-dance-series-ii-78376
‘নাচঘরে দেখা হবে’ এই বলে
জনৈক সন্ন্যাস হারিয়ে গেলো বিলীন সাগরে
নীল পাহাড়ের আড়ালে ক্রমশ লুকালো আর
নর্তকী বসে রইলো পাথরের মেঝেতে, প্রিয় সাজঘরে।

অবিরত এইসব কবিতাকল্প, সংকেতময় এক্রসটিকে
নিজেতে মুগ্ধ হই, তুমিও প্রশ্নবোধক টানো আমারই দিকে।

বিস্তারিত»

~ অনিবার্য রেষারেষি ~

আবারো আসছে শীত
শুকনো পাতার গায়ে ভর করে
গাছেদের জমানো দুঃখগুলো
একে একে পড়বে ঝরে।

এরপর বসন্ত এলে, নতুন সুখের গান
রঙ্গিন পাতার চাদর মুড়ে
ছোটাবে বর্ণিল কথার বান।
গাছের শরীর জুড়ে জমবে আসর
জীবন হাসবে রঙে।
আবারো সাজাবে বৃক্ষ
তার প্রাণের ঐকতান
বাঘা অর্কেষ্ট্রার কুশলী ঢঙে।

আর এই আমি !

বিস্তারিত»

ভালবাসার দেড়যুগ!

কাল রাতে তোমাকে স্বপ্নে দেখবো বলে
সারামাস অপেক্ষার প্রহর গুনেছি।

আজ ২৬শে মে,
বহু প্রতিক্ষিত সেই দিন!
অতিক্রান্ত হলো আমাদের বিয়ের ১৮টি বছর!

চারচক্রযানে চেপে নিঃসঙ্গ আমি বেড়িয়ে পড়েছি,
আজ কোনো দিক নির্দেশনার প্রয়োজন নেই আমার।
চলমান বর্তমানকে সযত্নে পাশ কাটিয়ে,
স্মৃতি-বিস্মৃতির প্রশস্ত মহাপথ ধরে
দ্রুত এগিয়ে যাই আমি সামনের দিকে;
তারপর, সহসাই এক আলোড়িত ঘুর্ণিমোড় নিয়ে
অতীত স্মৃতির মহাকালকে সামনে রেখে
পেছন ফিরে রওনা হই আমি।

বিস্তারিত»

নিউরনে আলাপনঃ পনেরো

: তুমি কোথায়, বলো তো?
: আয়নার সামনে গিয়ে দাঁড়াও। দেখবে ঠিক তোমার পেছনে দাঁড়িয়ে আছি।
তোমার চুলের সুবাস নিচ্ছি। তোমার ঘাড়ে নিঃশ্বাস পড়ছে। টের পাচ্ছো?
তুমি ঘুরে দাঁড়ালেই তোমাকে ধ’রে ফেলবো।
: তুমি এমন ক’রে বলো … আমার বুক ধুকপুক ক’রে … মনে হয় স্বপ্ন দেখছি না তো?
: আজ মনটা ফুরফুরে বলেই হয়তো এমন …
: ঘুম ভাল হলো?

বিস্তারিত»

Strange Darkness

জীবনানন্দ দাসের অসাধারন কবিতা ” অদ্ভুত আঁধার এক ” ইংরেজীতে অনুবাদ করে অল পোয়েট্রিতে প্রকাশ করলাম। অনুবাদ কেমন হল, এ ব্যাপারে মতামত আশা করি।

 http://allpoetry.com/poem/12382384-Strange-Darkness-by-Tito-Mostafiz

 

Strange darkness landed
on the earth today.
The blinds can see
more than anybody.
The world is obsolete
without their advice
who has no love or affection
in their hearts.

বিস্তারিত»

দাবা ও জুয়া

Jean_Metzinger,_1915,_Soldat_jouant_aux_échecs_(Soldier_at_a_Game_of_Chess),_oil_on_canvas,_81.3_x_61_cm,_Smart_Museum_of_Art
দেখেছো তোমার পুরাণ আমাকে পোঁড়ায়
আমি ভাসি নির্নিমেষ নিঃঘ্রাণে
আমিও কুয়াশায় বশ হারানো লোকের মতো
স্থানু থাকি, নির্বান্ধব সন্ধ্যায় কাঠের ক্যাম্পে বসে
একা একা বদল করি সাদা কালো সাইড
বড়ে-মন্ত্রী , দাবার গুটি,
উভয় পক্ষে বেটে দেই ট্রাম, তাসের স্পেড
তার পর বাজি ধরি তোমার নামে
জিতে গেলে সুউচ্চ প্রাসাদ বানাবো
হেরে গেলে মেনে নেবো নিঃশর্ত নির্বাসন
দুর দ্বীপে আবাস বানাবো,

বিস্তারিত»

মোহ, ভালবাসা নয়…

যখন থেকে বুঝলাম
ওসব তোমার প্রেম নয় –
মোহাক্রান্ত কালের উচ্ছ্বাস ছিল,
আমার কাছে তুমি আর
প্রেমিকা নয়, ধীরে ধীরে
এক “যেকোনো নারী” হয়ে উঠতে থাকলে।

নারী আর প্রেমিকা এক নয়,
জান তা নিশ্চয়?
পুরুষের অত্যুৎসাহে
নারী বিরক্ত হয়,
প্রেমিকের অত্যুৎসাহে
প্রেমিকা উদ্বেলিত হয়।
বিরক্ত? কখনো নয়…

মোহাক্রান্ত কালে
যেসব অত্যুৎসাহে তুমি
উদ্বেলিত হয়ে উঠতে,

বিস্তারিত»

মায়া

তোমার কাননে আজ লেগেছে বসন্তের হাওয়া,
তাই দখিনা বাতাসের মৃদুমন্দ আসা যাওয়া।
কৃষ্ণচূড়ার ডালে ডালে জ্বলে ফাগুনের আগুন,
সৌরভে মৌতাতে শোনা যায় ভ্রমরের গুনগুন।

আমার আকাশে আজ শুধু আষাঢ়ের ঘনঘটা,
তাই শার্সিতে আছড়ে পড়ে বৃষ্টির ভারী ফোঁটা।
বাতাসের ঝাপ্টাটা আমায় ভিজিয়ে দিয়ে যায়,
তবু জানালাটা খোলা রাখি যেন কিসের মায়ায়!

ঢাকা
১১ নভেম্বর ২০১৫
সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

বিস্তারিত»