দু’টি চতুর্দশপদী কবিতা

প্রশ্নমালা

কবি! কেমনে লিখো হে এমন কবিতা?
লিখিতে কবে থেকে? ছাত্র থাকার কালে?
উনপঞ্চাশ বায়ু পঞ্চাশ পার হলে?
নয়! খুলে বলো তবে, রহস্য ছবিতা।
বলো কে সে মায়াবী আড়ালে আবডালে
কোন কাশবনের সেলফি তোলা ষোড়শী
গেঁথেছে তোমায় উছলতার বড়শী!
হয় কি মাতামাতি গোপন মহলে?
হতে পারে নাকি কভু গোধূলিতে ভোর
স্বপনে তোমায় দেখি, হবে নাকি মোর?
জীবনানন্দের মত হাঁস হয়ে এসো
ভোরের আলোটা ফোটার আগে মেশো
নেশা ওগো শব্দমালা গাঁথার, বলো না
দৃষ্টি পরশ আশায় ক’জন ললনা?

©টিটো মোস্তাফিজ
২৮ ডিসেম্বর ২০২৩

 

 

নরঢিবি

গ্রিলের ওপারে কিছু নারিকেল গাছ
পিছন দিকটায় বিবর্ণ ক্যানভাস
ফ্যাকাসে নীলিমা যে নিয়ত বদলায়
ছাতাপড়া, কালিমাখা কি পেঁজা তূলায়
কখনো পায়রার বাক-বাকুম ডাক
তুমুল বর্ষণে ভেজা অসহায় কাক
তিরতির করে কেঁপে ওঠে সরু পাতা
দেখে যে ভরে ওঠে কারো ছবির খাতা
ইটের আওয়াজে ভাঙ্গে বোবা আঁধার
নরঢিবি ইমারত বাড়িবে আবার
দিনভর অতি আচার কানের তালা
স্টোন ক্রাশার গ্র্যান্ডার অবিরাম চালা
নরঢিবি উঁচু হয় যাবে না কি চাঁদে
একফালি আকাশটা নিরবেই কাঁদে!

©টিটো মোস্তাফিজ

৩০ ডিসেম্বর ২০২৩

১৫ বার দেখা হয়েছে

মন্তব্য করুন

দয়া করে বাংলায় মন্তব্য করুন। ইংরেজীতে প্রদানকৃত মন্তব্য প্রকাশ অথবা প্রদর্শনের নিশ্চয়তা আপনাকে দেয়া হচ্ছেনা।