মেয়ে আজ তোমায় আমি কিছুই বলবনা,
শুধু আসর খালি হয়ে গেলে,
শেষ মোমবাতিটাও যখন নিভে যাবে,
আমি একাকী ওই চাঁদটার সাথে জেগে থাকবো।
তুমি ক্লান্ত হয়ে তোমার বালিশে মাথা রেখো।
দিনলিপিঃ ইয়ার্ডলি অথবা চিনিটুশের শৈশব
এক
আমার আশেপাশে দেশী দোকানপাট কিছুই নেই কিন্তু ভারতীয় সব আছে। সুরে সুরে ইংরেজী বলা গুজরাটি, তামিল আর কর্ণাটকের লোকজন আছে চারপাশে প্রচুর। বিশাল আকারের প্যাটেল প্লাজায় কী নেই তাই ভাবি! বারোয়ারী মুদি দোকান থেকে শুরু করে রেস্তোরাঁ, চটকদার শাড়ীর দোকান, স্বর্ণকার অথবা টিউটোরিয়াল সবই আছে।
আজ তারার জন্য লিচু কিনতে চেরিয়ানে গেছি সকালবেলায়। চেরিয়ান সুপার মার্কেটটি আকারে বেশ বড়সড়, এতে সজনে ডাটা থেকে শুরু করে ফ্রোজেন ডালপুরি,
বিস্তারিত»তস্করের হাতে চিঠিখানি
আকাশ থেকে অমনি
ঝরে পড়ে নীলখাম;
দ্যাখে তার ডাকনাম
এট ইমেইল ডট কম
লেখা আছে
সবগুলো গাছে —
সবুজ পাতার পরে
চারু চারু অক্ষরে
“হতচ্ছাড়া,
চুরি করেছিস,মনে নেই!
এখন কি
তোর কাছে গিয়ে
‘দিনের কথা পুরনো সেই‘
শুনে
মনের আমার
মন কেমন করে,
এখনো কি মেঘের মতন
অভিমান ঝরে,
ভালবাসার হলুদ ফুল
ঘনসবুজ পাতা আর উজ্জ্বল হলুদ ফুলের
পাতায় আর পাঁপড়িতে দেখি এক ভেনাসের মুখ।
ফাঁক ফোকর দিয়ে দেখা যায় ধুসর আকাশ,
তা দেখে মনের আকাশে নেমে আসে হাল্কা অসুখ।
ফুলের সৌরভ ভেসে আসে বাতাসে বাতাসে,
মৌ মৌ করে মন আরো কিছু অচেনা সুবাসে।
ফুলের ঔজ্জ্বল্য মনটাকে করে দেয় বেজায় ভালো,
পরশে মেখে যায় ভালবাসার কিছু নরম আলো।
বিস্তারিত»
মোম ও তুমি
মোম গলে যায় অগ্নিশিখায়,
তুমি গলে যাও নরম কথায়।
ফোঁটায় ফোঁটায় মোমের ক্ষয়,
জানি, কিসে তোমার কষ্ট হয়।
তুমি মোমের মত গলে গলে
আমার বুকে আটকে গেলে!
ফোসকা পড়ার ভয় ছিলনা,
গরম তাপের জ্বালা ছিলনা।
আমার বুকে জ্বলছে মোম,
জ্বলতে থাকে সর্বক্ষণ,
সেই আলোতে চলছি পথ,
স্মরণে রেখে সব শপথ।
বিস্তারিত»
ঢাকার শুনানি, ঢাকায় শুনানি (ঘ)
শুক্রবারে ধানমন্ডিতে কাকার বাসায় যাবার সময় দুই এক ফোঁটা বৃষ্টি মাথায় পড়েছিল। সেটা সহ্য হয়নি। দেশে আসার পর প্রথম রোগ বালাই কিংবা বলা চলে রোগ বালাইয়ের উপসর্গঃ হাল্কা জ্বর, গায়ে ব্যথা, মুখে অরুচি এইসব ধানাইপানাই। কিন্তু নিয়ম করে সন্ধ্যায় ও ভোররাতে জ্বরের আনাগোনা দেখে গতকাল গিয়েছিলাম ডাক্তারখানায়। টাইফয়েড ও প্যারাটাইফয়েড আমার খুব কাছের বন্ধু। ভাবলাম আবারো বাড়ি এলো কিনা?
এলাকার হাসপাতালের কাউন্টারের সামনে হেসে,
বিস্তারিত»আর্ট এগজিবিশন : লেসনস এন্ড টিপস্
এই লিখাটা আদৌ লিখবো কি লিখবো না, তা নিয়ে নিজের সাথে ভালোই যুদ্ধ করে কাটালাম বেশ কয়েকটা সপ্তাহ।
কিসের যুদ্ধ? কেন যুদ্ধ??
না লিখার পক্ষে প্রধান নিয়ামক ছিল, মটিভেশনের অভাব।
– ডাইরেক্ট ইন-ডাইরেক্ট মিলিয়ে অলরেডি ৩টা ব্লগ লিখেছি এই এক ইভেন্ট নিয়ে। সেগুলোর ট্রাফিক ও কমেন্ট দিনে দিনে কমে এসেছে। বোঝা যাচ্ছে, পাঠকরা এই এক বিষয়ে বেশী কচলানো পছন্দ করছেন না।
ছবির কবিতার গল্প
শুরুর আগে
সিকি শতাব্দী আগের কথা। এফসিসি থেকে বেরিয়ে আমরা মেডিকেল কলেজে ঢুকেছি। অ্যানাটমি, ফিজিওলজি, বায়োকেমিস্ট্রির বুট ক্যাম্প চলছে প্রতিদিন। ডিসেকশন হলের ঝাঁঝাল-মিষ্টি, “একবার শুকলে ভোলা যায়না” গন্ধ গায়ে মেখে বাসায় ফিরি। রাতে অন্য মানুষের হাড় গোড় বিছানায় নিয়ে ঘু্মিয়ে পড়ি। পরদিন ভোরে আবার লাল চোখে ঝিমাতে ঝিমাতে আইটেম পরীক্ষা দিতে হাজির হই। প্রাণান্তকর অবস্থা!
শুরু
দীর্ঘ সময় চাপের ভেতর থাকলে প্রাকৃতিক নিয়মেই আত্মরক্ষার জন্য মানুষ ডাইভারশন খুঁজে নেয়।
বিস্তারিত»দিনলিপিঃ আবোলতাবোল
ব্রাউন থ্রেশার ডাকা মাদারস ডে’র সকাল। আগের রাতে সুপ্তি কল করে বলেছে ও কি আসতে পারে আমাদের একটুখানি দেখতে? আমি বললাম, এই না রাতে ফিরলে ডালাস থেকে, এখনই আবার এতো দূর থেকে ড্রাইভ করে আসবে ‘একটুখানি’ দেখতে? আমার কন্ঠের সংশয় টের পেয়ে ও বলল, তোমাদের ওদিকে প্যাটেল ব্রাদার্সে যাবো বাজার করতে, তাই ভাবলাম একটু দেখা করে যাই মা-মেয়ের সাথে!
অতিথি নারায়ণ বলে কথা তাই বারণ করতে পারিনা মুখের ওপর।
বিস্তারিত»মর্নিং ওয়াক
মোরগের সুতীক্ষ্ণ চিৎকারে ঘুম ভাঙল। নাহ, ঢাকা শহরের ইট পাথরের জঙ্গলে সত্যিকারের মোরগ পাব কোথায়, মোবাইল ফোনের ভার্চুয়াল মোরগ। জানালা দরজা সব হাট করে খুলে ঘুমিয়েছিলাম, একটু ঠাণ্ডাই বোধহয় লেগে গেল। সকালের আলসেমি ভেঙ্গে নেমে পড়লাম রাস্তায়। আজ কেন জানি রোজকার হাঁটার পথ বা পার্কের একঘেয়ে চক্করে মন টানছিল না একেবারেই। শুধু দূর থেকে দেখা ছিল, এরকম এক অচেনা কাঁচা পথে নেমে পড়লাম।
ক’দিন হল টুকটাক বৃষ্টি পড়ছে।
বিস্তারিত»শিল্প বনাম অশ্লীলতাঃ প্রেক্ষাপট নারী নির্যাতন
১
আচ্ছা শিল্প কী?
আপনি দ্য হুইসেলব্লোয়ার মুভিটি দেখেছেন? বসনিয়ার যুদ্ধ-পরবর্তী প্রেক্ষাপট নিয়ে ছবিটি তৈরি হয়েছিল। সেখানে দেখি অল্পবয়সী মেয়েরা মানব পাচারের মাধ্যমে কিভাবে পতিতালয়ে আটকে যায়। শান্তিরক্ষার নামে জাতিসঙ্ঘের যে কর্মীরা সেসময় সেখানে কাজ করতেন, রাতের বেলা তারাই আবার হতেন ওদের ভোক্তা। হ্যাঁ, সেক্স বা যৌনতা ছবিটির একটি মূল উপজীব্য। তবে তার উপস্থাপন এমন ছিল যে আপনি ঐসব কিশোরী মেয়েদের মানুষ ভাববেন।
শব্দের নীরব সান্ত্বনা
কবির অরক্ষিত মনে,
শব্দরা দাঁঁড়িয়ে থাকে নিঃশব্দ প্রহরীর মত।
মনের আনাচে কানাচে কিছু কিছু শব্দ থাকে
ইতস্ততঃ ছড়িয়ে ছিটিয়ে, আর কিছু ডুবে থাকে
মনের অতল গভীরে। ডাক দিলে নিমেষেই চলে আসে।
কবির পাশে যখন কেউ থাকেনা, তারাই কবিকে ঘিরে রাখে।
কবি কখনো আহত হলে,
সেইসব শব্দরা চলে আসে বিশ্বস্ত দেহরক্ষীর মত।
নীরবে পাশে দাঁড়িয়ে শোনায় যত সান্ত্বনার বাণী।
নিজেকে খুবই ভাগ্যবান মনে হচ্ছে………
ঘণ্টাখানেক আগে মস্কো বিমানবন্দরে নামলাম। অপেক্ষা করছি পরবর্তী বিমানের জন্য, জার্মানীর ডুসেলডর্ফে যাবো। সময় কাটানোর জন্য নেটে গিয়ে স্তব্ধ হয়ে গেলাম ছবিটা দেখে-

ছবির এই মানুষগুলোও আমার মতো বাংলাদেশী, এরাও গন্তব্যের অপেক্ষা করছে। অথচ আমাদের মাঝে কত পার্থক্য!
আল্লাহর কাছে অশেষ কৃতজ্ঞতা আমাকে এই মানুষগুলোর মতো জীবনের কঠিন পরীক্ষায় পড়তে হয়নি।
অন্তরের অন্তঃস্থল থেকে দোওয়া করি এদের কষ্ট দ্রুত লাঘব হয়ে যাক।
বিস্তারিত»অনিশ্চিতের প্রতীক্ষায়
মুখের বলিরেখাগুলো বলে দেয়,
কতটা পথ তুমি পেরিয়ে এসেছো।
সে পথটা যে কুসুমাস্তীর্ণ ছিলোনা,
চোখের অভিব্যক্তিই তার প্রমাণ।
মুখে প্রতিবাদ নেই, চোখে আছে।
দুটো ঠোঁট যেন সেলাইয়ে জোড়া
দুটো চোখ যেন কত বিস্ময়ভরা,
উষ্মায় ভুরু দুটো কুঁচকে গেছে।
হে অনিশ্চিতের পথযাত্রী,
তোমার বাকী পথটুকু মসৃণ হোক!
মশালের ন্যায় জ্বলজ্বলে চোখদুটো
বোঁজার সময় এক পশলা বৃষ্টি হোক!
সবই ভালো, সবাই ভালো
এই দেশেতে সবাই ভালো, সবই ভালো
ফরমায়েশী কবি ভালো
সূর্য কিবা রবি ভালো
রাতের বেলা চাঁদের বুকে
সাঈদী সাবের ছবি ভালো।
হাবুল ভালো, আবুল ভালো
ইসলামাবাদ, কাবুল ভালো
টিএসসিতে নারীর গায়ে
হাতবুলানো বাবুল ভালো।