আশা

কোন বিষাদগ্রস্ত হৃদয়ে
আশা যেন এক অন্তহীন কুজ্ঝটিকা,
বিভ্রান্তির আবহে এক অলীক কুহেলিকা।

কোমল যে হৃদয় একবার আশাহত হয়,
ভঙ্গুর কাঁচের ন্যায় খানখান হয়ে যায়,
তারে জোর করে জোড়ালেও দাগ রয়ে যায়।

পরাভূত মন, দহে অনুক্ষণ,
ব্যথিত হৃদয় পায় কিছু উপশম,
আশার উষ্ণ চাদর তারে ঢাকে যতক্ষণ।

ঢাকা
২৭ নভেম্বর ২০১৪
সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

বিস্তারিত»

মণ্ডল থেকে সরকারঃ পঞ্চম পর্ব

মণ্ডল থেকে সরকারঃ ১ম পর্ব


মণ্ডল থেকে সরকারঃ ২য় পর্ব


মণ্ডল থেকে সরকারঃ ৩য় পর্ব


মণ্ডল থেকে সরকারঃ ৪র্থ পর্ব


মণ্ডল থেকে সরকারঃ ৫ম পর্ব

মোঃ মতিউর রহমান সরকার আমার পিতা। তিনি ২য় মহাযুদ্ধের সময় সৃষ্ট বঙ্গীয় গৃহ রক্ষী দল ( The Bengal Home Guard) –

বিস্তারিত»

কল্পপুরের গাড়ি আর একটা ইনটেক বার্থডে…

ক্লান্ত শরীর নিয়ে বসে, দুপুর একটা বাজে। হঠাৎ-ই কল্পপুরের এক গাড়ি এসে হাজির। আরে, আজ না ১৫ই এপ্রিল, টাইম তো ২টা ছিল, তাইনা?

তড়িঘড়ি করে কল্পপুরের গাড়িতে চেপে বসলাম। গন্তব্য সেই ৬বছরের সম্পর্কে আঁটকে পড়া সবগুলো মুখের সাথে দেখা করা। আসলেই, আমার সেই ৬বছরের বন্ধুগুলো যেন ঐঠিক সেরকমই রয়ে গেছে আমার কাছে। এখন যতই ডিএসএলআর-এ ছবি তুলে ফাটিয়ে দিক, আমার কাছে আশিক সেই তব্দা খেয়ে তাকিয়ে থাকা গোবেচারা আশিক-ই আছে।

বিস্তারিত»

প্রথম দিনের গল্প

২০০৪ সালের ১৪ ই এপ্রিল ছিলাম ময়মনসিংহে। আমার খালার বাসায় চলে এসেছিলাম। পহেলা বৈশাখ ছিল সেদিন। ক্লাস সেভেন পড়ুয়া ছেলে হিসেবে এই দিনে একটু বাইরে গিয়ে ঘুরে বেড়ানোটাই স্বাভাবিক ছিল আমার জন্য। কিন্তু প্রচন্ড নার্ভাসনেস এর কারনে সেইদিন কোন কিছুই আর স্বাভাবিক লাগছিল না আমার। পরদিন জয়নিং ডেট.. মির্জাপুর ক্যাডেট কলেজে। চিন্তায় সেই রাতে ঘুম হয় নি ঠিকমতন। আচ্ছা, ধান ভানতে গিয়ে আমি শিবের গীত কেন গাচ্ছি?

বিস্তারিত»

কুকিং ইজ লাভ মেইড ভিসিবল

পূর্বকথনঃ দেশে থাকাকালীন সময়ে কাঁচা মাছ-গোস্ত ছুঁয়ে দেখার সৌভাগ্য হয়নি আমার। পড়াশোনা, কবিতা, ডিবেট, অথবা প্রেম বিষয়ক গুরুত্বপূর্ণ কাজে ব্যস্ত থাকার কারণে হেঁশেলে যাওয়ার ফুরসত মেলেনি কখনো। খাবারদাবারে মন ছিলনা বলেই হয়তো দেখতে প্যাকাটি ছিলাম। মা চিরকাল বলে এসেছেন আমার চড়ুই পাখির আহার!

পশ্চিমে এসে চারদিকে সব গুণী মানুষের ভীড়ে দেখলাম আমি একটা লেবু অবধি কাটতে পারিনা ভাল করে। বন্ধু সুদীপা সসারে আমার কাটা লেবু দেখে বলেছিল,

বিস্তারিত»

বিভাজন

একটি পিৎজা কয়েকজনে মিলে
ভাগাভাগি করে খেয়ে নেয়া যায়।
জলের একটি বোতল খুলে
কয়েকজন মিলে জল পান করা যায়।

কোথাও দাঁড়াবার একটু ঠাঁই খুঁজে পেলে
আরও কয়েকজনকে পাশে ডেকে নেয়া যায়।
একটু হাসি ঠোঁটের কোণে খেলেই যদি যায়,
আর ক’জনাকেও ডেকে তার ভাগ দেয়া যায়।

কিন্তু একটি মন, তা সে যতই বড় হোক না কেন,

বিস্তারিত»

নববর্ষের প্রীতিসম্ভাষণ

বাঙ্গাল কবিয়াল ভনে শোনে পূণ্যবান

আইলোরে আইলোরে নয়া বাঙ্গালা সন

যেসবের ফুল পোঁতা বাঙ্গালার মাটিত

বাঙ্গালার লাগি পুষে বহুত পিরীত

বাঙ্গাল বলিয়া সদা গরবীত হয়

তাহাদের সকলি শুভ হইবে নিশ্চয়

তাহাদেরই তরে মম প্রীতিসম্ভাষণ

নববর্ষে লভ সুখ, ধন ও মান।

 

বিস্তারিত»

বিদায় ভোকাবুলারি মাস্টার

কেবল ক্লাশ সেভেনে কলেজে ঢুকলাম।।  ছোট ছোট চুলে প্রায় টাক মাথায় ক্লাশে বসে আছি।। দিনটা মনে নাই। তবে সেটা ছিল ফিফথ পিরিয়ড।  খাটো মতন সাদা চুলের এক স্যারের প্রবেশ ক্লাশে।  সবাই চুপ।।  ফর্ম শান করান হল।  সব স্যার বলত ” seat easy” কিন্তু ইনি বললেন কিছুটা অন্যরকম ” seat to facile ”  আমরা কোন কিছু না বুঝে আগের মতই থাকলাম। স্যার ব্যাপার টা বুঝে বোর্ডে বড় বড় করে লিখলেন FACILE.

বিস্তারিত»

আর দীর্ঘশ্বাস নয় (অনুবাদ কবিতা)

আর দীর্ঘশ্বাস নয়,
হে রমণীকূল, আর কোন দীর্ঘশ্বাস ফেলো না।
পুরুষেরা তো চিরকালই শঠ ছিলো;
তাদের এক পা থাকে সাগরে তো আরেক পা তীরে,
কোনও একটা কিছুতে তারা চিরবিশ্বস্ত থাকে না।
তাই কোন দীর্ঘশ্বাস ফেলো না।
তাদের যেতে দাও,
আর তোমরা প্রফুল্ল থেকো,
দুঃখের সকল ধ্বনিমালাকে তুচ্ছ করে।

আর কোন সাদাসিধে গান করোনা,
আর কোন বিষন্ন অবসাদের
ভারী গান গেয়োনা।

বিস্তারিত»

এ তোমার ভিন্ন স্পর্শ

তোমা থেকে দুরে কতই না রাত কাটিয়েছি,
অথচ তোমার শীতল স্পর্শ
আমি অনুভব করেছি।

যখন আমি ছিলাম রুয়ান্ডায়,
অগনিত শিশু, নারী ও বৃদ্ধের অংগ
প্রত্যঙ্গহীন বিকলাঙ্গ লাসের সাথে
তোমার শীতল স্পর্শ
আমি অনুভব করেছি।

সুদান বা কঙ্গোতে দেখেছি-
অগনিত ক্ষুধার্ত-মানব সন্তানের
খাদ্য নিয়ে কাড়াকাড়ি।

অবরোধের নিস্পেষনের যাতাকলে পড়ে
ইরাক ও লিবিয়ার অন্নহীন,

বিস্তারিত»

দিনলিপিঃ Bon Appetit

বৃষ্টিভেজা শনিবারে বন্ধু অরিন্দমের সাথে থাই কুজিনে খেতে গিয়েছিলাম। মাইল পাঁচেক ড্রাইভ করতেই তার পছন্দের রেস্তোরাঁটিতে পৌঁছে গেলাম। আমরা ভোজনবিলাসী মানুষ কিন্তু খাই ক্যালরী মেপে। দু’জনের জন্য খাবার অর্ডার করলে কখনোই শেষ করতে পারিনা। তাই বলি, তোমার পছন্দের সুপ আর এপেটাইজার বলো, আমি অর্ডার করছি মেইন ডিশ। দু’জন মিলে ভাগাভাগি করে খাওয়া যাবে। ও চাইলো ফ্রাইড ক্যালামারি আর কোকোনাট সুপ। আমি চিংড়ি নাকি চিকেন নেবো এই নিয়ে ‘ইনি মিনি’

বিস্তারিত»

বৃষ্টি -১০

সমস্ত বিকেল ধরে
সাদাটে আকাশে
কে যেন
আঁকছেই
মেঘের পরে মেঘ,
খসখস খসখস –
৩বি ৪বি পেন্সিলে

জানলায়
থেকে থেকে’
সূঁচলো সরেখ বিদ্যুৎ।
গ্রীলের ছায়া
দেয়ালে ঝনঝন করে ওঠে –
মহাসাগর পাড়ি দিয়ে
হাইওয়ে ধরে ছোটে
টিনের চাল, থিরথির কচুপাতা
ডালের বড়া, মায়ের সবুজ শাড়ি

ধু ধু পার্কিং লটে
বৃষ্টির বাজনা দেখে
উনুনে-ফুটন্ত-ভাতের ঘ্রাণ আসে
আসে ডিমের সস্তা কারি;

বিস্তারিত»

বিদায় ক্রিকেটের কন্ঠস্বর

আমার টেলিভিশনে ক্রিকেট দেখার প্রথম অভিজ্ঞতা ছিল বিটিভির সাপ্তাহিক আয়োজন স্পোর্টস প্রোগ্রামে চ্যানেল নাইনের ক্রিকেট হাইলাইটস প্রোগ্রাম। যেটার উপস্থাপনা করতেন সাদা চুলের এক নাম না জানা ভদ্রলোক। একটা সময় পর্যন্ত কোমল কন্ঠের সাদা চুলওয়ালা ঐ ভদ্রলোকই ছিল আমার কাছে ‘ফেস অফ ক্রিকেট’, ‘ভয়েস অফ ক্রিকেট’।

এরপর ক্যাবল টিভির কল্যানে প্রচুর ক্রিকেট দেখা শুরু হলো, সেই সাথে পরিচিত হলাম প্রচুর কমেন্টেটর এর সাথে কিন্তু কেউই সেই সাদা চুলের মানুষটি যার নাম তত দিনে জেনেছি ‘রিচি বেনো’

বিস্তারিত»

চকোলেট ও চুমু

আর কিছুদিন পরেই জানি
আসবে তুমি আমার কাছে,
পকেটটাতে হাত ঢুকিয়ে
দেখবে তাতে কি কি আছে।

যাবার সময় তোমার গালে
থাকবে জানি খয়েরি দাগ,
আমার মুখে রেখে যাবে
তোমার মিষ্টি চুমুর স্বাদ।

বিস্তারিত»

এক হালি মুখপুস্তকিয় অনুব্লগ

১) উইকেন্ড এর এরকম কাজ কর্ম বিহীন রাতগুলোতে যখন কোথাও যাওয়া হয়না, তখন রুমেই বসে থাকি।কম্পিউটারের একঘেয়ে স্ক্রিনসেভারটার দিকে একদৃষ্টি তে তাকিয়ে আকাশ পাতাল ভাবি। কখনোই না দেখা পাওয়া মানুষ ও চরিত্র গুলোর কথা মনে করি.. ভরত-ভূমিসুতার কথা ভাবি। অনিমেষ-মাধবীলতার কথা ভাবি। অতীন-অলির কথা ভাবি। নাকশাল আন্দোলনের ঝামেলায় পরে অতীন যখন দেশ ছেড়ে এই মার্কিন মুলুকে চলে আসে তখন ও প্রায়ই একটা গান মনে মনে গুনগুন করে গাইতো..

বিস্তারিত»