সমকামি বিয়ে, অজাচার, ও কিছু নৃবৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভংগী

বিয়ের কোন সার্বজনীন সংগা নেই। দেয়া অসম্ভব। একেক সমাজে বিয়ে একেক অর্থ বহন করে। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম সেমিস্টারে একটা কোর্সে বিয়ে ছিল পাঠ্য বিষয়। পড়িয়েছিলেন শাহীন ম্যাডাম, কেমব্রিজ থেকে রেকর্ড সং্খ্যক নাম্বার পাওয়া সমাজবিজ্ঞানের এই ছাত্রীর সেই ক্লাসের পর চিন্তা চেতনায় আমুল ধাক্কা লেগেছিল। মাত্র বিজ্ঞান বিভাগ থেকে পাশ করে আসা গতানুগতিক আমি সমাজ বিজ্ঞানের এই অগতানুগতিক বিষয় কে হজম করতে পারিনি তখনো।

সমকামী বিয়ে নিয়ে কিছু লিখতে ইচ্ছে হলো।

বিস্তারিত»

দিনলিপিঃ ইফতারের গল্প

আমার বিশালবপু ছোট মামা ভোজনরসিক মানুষ। বলা বাহুল্য রোজার মাসে বিকেল চারটের পর থেকে তার মেজাজ টং হয়ে থাকে। এসময়ে তার মুখোমুখি হতে মামী পর্যন্ত তিনবার ভাবতে বসেন। পাঁচটার পর থেকে তিনি নিজে হেঁশেলের আশেপাশে উঁকিঝুঁকি দেবেন খাবারের তদারকি করতে। এরপর ঘরে তিনখানা পাখা ছেড়ে দিয়ে তিনি শয্যাশায়ী। দিন ফুরোলে ইফতারের দশ মিনিট আগে সাদা নকশাদার পাঞ্জাবীর সাথে জরি চুমকির একখানা গোল টুপি পরে খাবার টেবিলে তিনি হাজির।

বিস্তারিত»

দখিন দিকে সূর্য নাকি?

কেমন আজব সকাল দেখি
দখিন দিকে সূর্য নাকি?
বিড়াল বসা গাছের ডালে,
ফিশ বোলে কি চড়ুই নাকি?

কচলে দুচোখ কিচেন রুমে
গিয়ে দেখি বিশাল ঘুমে
শুয়ে আছে সাপের ছানা!
নেউল তাকে জড়িয়ে ধরে
শুয়ে আছে কেমন করে?

কি হল আজ ভাবছি যখন,
ঠিক তখনি ‘ক্রিং’ টেলিফোন
ধরে শুনি আমার নাকি
বউ ভেগেছে দিয়ে ফাকি!

বিস্তারিত»

বর্ষা ও প্রাইভেসি

সকালে উঠেই চোখ কচলে যদি দেখি, দূর আকাশে
ঘন কালো মেঘের আনাগোনা, আর চারিদিক থেকে
ধেয়ে আসছে অথৈ আঁধার, তখন থেকেই আমার
মনের মাঝে একটা ময়ূর পেখম মেলতে শুরু করে।

শ্রাবনের প্রথম শীতল বারিধারাকে স্বাগত জানাতে
প্রকৃতির গাছ গাছালিগুলো যেন উন্মুখ হয়ে থাকে।
ঘনসবুজ ডালপালাগুলো আনন্দে হেলেদুলে নাচে,
পাখীরা খুশীতে হঠাৎ হঠাৎ গান গায়, আসে যায়।

বর্ষার কালো মেঘ দেখলেই,

বিস্তারিত»

সমস্যা আছে

ভরা যৌবনেও যে বাঙালি কবিগুরুর সন্ধান পায়নি,
তার চিত্তের মাঝে দৈন্য আছে, কিছু সমস্যা আছে।
যে বাঙালি যুবক তার কবিতা কিংবা গল্প পড়েনি,
সে তো জানলোনা সে কতটুকু আত্মবঞ্চিত হয়েছে।
প্রেমে পড়েও যে বাঙালির প্রেমিক চিত্ত রবীন্দ্র সংগীত শুনে
একটুও দোলায়িত হয়নি্, সত্য ও সুন্দরের সন্ধান করেনি,
নদী ও জ্যোতস্নাকে ভালোবাসেনি, বিরহী পাখীর কূজনে
প্রিয়ার কন্ঠ শোনেনি, সে যুবকের কিছু সমস্যা আছে।

বিস্তারিত»

প্রসঙ্গ: জঙ্গীবাদ, ক্যাডেটীয় ভ্রাতৃত্ববোধ এবং কিছু বিক্ষিপ্ত ভাবনা

[শিরোনাম দেখে যদি কেউ ধরে নেন ক্যাডেট কলেজ এবং এক্স ক্যাডেটদের বিষোদাগার করবার জন্য লিখছি, তাহলে অনুরোধ করব দয়া করে লেখাটা নির্মোহভাবে পড়ুন। আমার পুরো লেখাটার উদ্দেশ্যই সমস্যাটার মূল বোঝার চেষ্টা করা এবং সমাধানের পথ খোঁজা]

এক

আমাকে যদি সত্যিকার অর্থে আমার জীবনের সবচাইতে বড় সৌভাগ্যগুলোর মধ্যে পাঁচটা বেছে নিতে বলে, তাহলে সম্ভবত আমি প্রথমেই বলব ক্যাডেট কলেজের কথা। কথাটার মাঝে আবেগ যতটুকু তারচেয়ে নির্মোহভাবে প্রাপ্তির হিসাব নিকাশ কোন অংশে কম নয়।

বিস্তারিত»

কোয়াড্রোলজি ~ পর্ব ১ | আমরা যদি না জাগি মা . . .

স্কুলছাত্র মুনীরের গায়ে আগুন, লেগুনায় আগুনে ছয় জন অগ্নিদগ্ধ, ককটেল আক্রান্ত চলন্ত মাইক্রোবাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে, সিএনজিতে আগুন চালক অগ্নিদগ্ধ, শাহবাগে বাসে পেট্রল বোমা ঊনিশ জন ঢাকা মেডিক্যাল বার্ণ ইউনিটে, বাসে অগ্নিদগ্ধ যুবকের মৃত্যু । এ যেনো ছোটোবেলার অবিরাম গল্প বলা প্রতিযোগিতার মতন এক বিরামহীন রুপকথার কুরুক্ষেত্র ।

ত্যাগের মহিমায় বাঙ্গালীর ইতিহাস অনেক গৌরবের । পৃথিবীর বুকে অনন্য । সময়ের প্রয়োজন ও সামাজিক বিবর্তন দেশে দেশে এমন ত্যাগের প্রয়োজন হাজির করেছে,

বিস্তারিত»

অডিও ব্লগঃ পথ ছিল যত জুড়িয়া জগত

প্রথমে ভাবলাম এপ্রিল শাওয়ার বুঝি ছলনাময়ী নারীর মত তার ষোলকলার একটি দেখাতে ব্যস্ত। দুপুর থেকেই লেকপাড়ের এই শহর জুড়ে ঘনঘোর আঁধার। যদিত্ত ন’আনা ছ’আনা বৃষ্টির অধিক কিছুই ছিলনা আকাশের ঝুলিতে। বাদলাদিনের শোধ তুলতে দিনশেষে মৃতপ্রায় ফিকে রোদ এসে জানিয়ে গেছে স্বীয় অধিকার। তারপর আবারও রথের মেলায় হারিয়ে যাওয়া ক্রন্দসী বালিকার মত অবিরাম রিমঝিম। লাল ঝুঁটির একটা কাডর্িনাল তার চিলেকোঠার রাজবাড়িতে ঘোরলাগা মানুষের মত তাকিয়ে আছে দূরে কোথাও।

বিস্তারিত»

মানুষ যেনো কোরো না আমায়!

‘মানব’ ও ‘অধিকার’। এই শব্দ দু’টো কেন যেন আমায় টানে না। অনেকদিন ধরে মানবাধিকার নিয়ে প্রতিবেদন লেখা এবং বিশ্লেষন করার পরও ‘মানবাধিকার’ শব্দের কোন অর্থ মালুম হয়নি। আসলে মানবকে মানব না মনে করলে এই শব্দটির আভিধানিক অর্থ খোঁজার অর্থ আমি দেখি না। প্রায় সাতাত্তর বছর ধরে এ পৃথিবীর মানুষ অধিকারের কথা শুনে আসছে। মানবাধিকারের ঝান্ডাবাহী অনেক দেশ ও সংস্থা প্রতিনিয়তই শুনিয়ে আসছে যে মানুষের অধিকার থাকতে হবে এবং তা সমুন্নত রাখতে হবে।

বিস্তারিত»

এ ট্রিবিউট আফটার দ্যা ফাদার্স ডে

এ ট্রিবিউট আফটার দ্যা ফাদার্স ডে

সোলায়মান চাচাকে আমি দীর্ঘদিন থেকে চিনতাম। লাবু ক্লাস সেভেন এবং এইটে, ১৯৮৮ এবং ১৯৮৯-এ, রংপুর ক্যাডেট কলেজের ওমর ফারুক হাউজের ৩১২ নম্বর রুমে আমার রুমমেট ছিল। আশ্চর্যজনক কো-ইন্সিডেন্স হলো আমার বাবা এবং লাবুর বাবা তাদের টিন-এইজে ঠাকুরগাঁ হাইস্কুলে রুমমেট ছিলেন। বাবার মুখে শুনেছি সোলায়মান চাচা খুব ভাল ফুটবল খেলতেন। লাবুও ভাল ফুটবলার। ১৯৯৩ সালে ‘ইন্টার ক্যাডেট কলেজ ফুটবল মিট’-এ লাবুর ফুটবলের চমৎকারিত্ব কখনো ভোলার নয়।

বিস্তারিত»

খইমুদ্দির খাট

খইমুদ্দি কখনো কোনদিন খাটে শোয়নি।
এবাড়ী ওবাড়ী গেছে দিনমজুর হিসেবে,
গায়ে গতরে খেটেছে। কাঠমিস্ত্রীর সাথে
শ্রমিক হিসেবে ফুট ফরমাস খেটেছে,
একটা একটা করে অংশ জোড়া লাগিয়েছে।
এভাবেই সে তাদের ঘুমের ব্যবস্থা করেছে।

আনমনে খইমুদ্দি অবাক বিস্ময়ে ভেবেছে,
কি করে এমন খাটের উপর মানুষ ঘুমায়!
খইমুদ্দির জীবনের আধেক রাত কেটেছে
একটি গোয়াল ঘরের স্যাঁতস্যাঁতে কোণে,
বাকী আধেক বাঁশতলার একটি ছাপড়ায়,

বিস্তারিত»

নিঃসঙ্গ এক ফুল

বনের মাঝে কত রঙের ফুল ফোটে,
নীল-বেগুনি, লাল-সাদা আর হলদেটে।
রঙ্গিন ফুলের রঙ্গিন শোভার মাঝখানে,
কোনটা হাসে, কোনটা কাঁদে কে জানে?

প্রজাপতি, ফড়িং এর দল সব ছোটে,
রঙের নেশায়, মধুর আশায়, তা বটে।
পাখনা মেলে হাওয়ায় ভেসে যায় উড়ে,
ফুলের মধু খেয়ে বেড়ায় ঘুরে ঘুরে।

পুষ্পরেনু জড়িয়ে তাদের হাল্কা গায়ে,
বয়ে নিয়ে পাখায় পাখায়,

বিস্তারিত»

আর্থার অ্যাশের উইম্বলডন বিজয়ের ৪০ বছর পূর্তি!

দীর্ঘ ২৭ বছর কারাগারে কাটিয়ে মুক্তির পর নেলসন ম্যান্ডেলা যে গুটিকতক মানুষের সাথে দেখা করার আগ্রহ প্রকাশ করলেন- তাদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন সাবেক উইম্বলডন চ্যাম্পিয়ন আর্থার অ্যাশ! দক্ষিণ আফ্রিকার বর্ণ-বৈষম্য ও সারা পৃথিবীর জাতিগত ভেদাভেদ দূর করার অভিপ্রায়ে এই দু’জন কিংবদন্তীর মধ্যে দারুণ বন্ধুত্ব গড়ে উঠেছিল! পরবর্তীতে তাঁরা এইডস এর ব্যাপারে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য কাজ করেছেন। শেষ পর্যন্ত সেই এইডস এর করাল গ্রাসেই ১৯৯৩ সালে আর্থার অ্যাশ এর জীবনের অবসান ঘটে।

বিস্তারিত»

প্রথম দিন

১। নোঙ্গর তোলা

উনিশ শো আটাত্তরের জুন, বাংলা তেরোশো পঁচাশি সনের আষাঢ় মাস। সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশ সবে সাত বছরের কিশোর তখন। মৌসুমী হাওয়ায় বঙ্গোপসাগরের জলভরা মেঘ এসে বাংলার সবুজ প্রান্তরের উপরে ফেলেছে প্রগাঢ় ছায়া। দুরন্ত ছেলের মত থেকে থেকে মাটির বুকে আছড়ে পড়ে ঝমাঝম বৃষ্টি। আবার ক্ষনিকের বিরতিতে সূর্য তার রাজ্যপাট দেখে যায়। এই মেঘবৃষ্টি রৌদ্রছায়ার খেলায় বিভোর যখন চরাচর, আমি এবং আমার মতো আরো জনা পঞ্চাশেক কিশোরের জীবনে এক আশ্চর্য্য ভ্রমনের শুরু ঠিক অখন।

বিস্তারিত»

আবোলতাবোল বাজনা – ৩

রাগ ভীমপলাশী। শুনলেই কেন জানি বিষণ্ণ হয়ে পড়ি। এত দীর্ঘ বাদনের শেষপর্যন্ত যেতে পারাটা চ্যালেঞ্জিং হবে।
প্রচুর বিচ্যুতি এবং ভুলভালসমেত নিবেদন করছি। আলস্য এবং অক্ষমতা কবুল করতঃ ক্ষমাপ্রার্থনা করছি।

বিস্তারিত»