চাকুরী জীবনে বহুবার বিদেশ ভ্রমণ করেছি, কখনো কর্তব্য পালন উপলক্ষে, কখনো বা কর্তব্য পালন শেষে বহির্বাংলাদেশ ছুটি নিয়ে আশে পাশের দুই একটি দেশ ঘুরে দেখেছি। পাশের দেশ ভারত থেকে শুরু করে পশ্চিমে মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশ, আর পূর্বে অস্ট্রেলিয়া ও দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার কয়েকটি দেশ আগেই দেখা ছিলো। অবসর গ্রহণের পর সস্ত্রীক ও সবান্ধব এক সপ্তাহ ধরে নেপাল ঘুরে এসেছি। তার পরের বছর ভাবলাম, বহুদিন ধরে আমেরিকা প্রবাসী আত্মীয় স্বজন ও কিছু অন্তরঙ্গ বন্ধুবান্ধব তাদের আতিথেয়তা গ্রহণের আমন্ত্রণ জানিয়ে আসছে।
বিস্তারিত»থাকুক বাকী
ঠকবাজের মাঝে খাঁটি জনকে
চিনতে পারলাম না;
কাছের মানুষটিকে আজো, হায়!
বুঝতে পারলাম না।
ধরো যদি সত্যি বলি-
মুখ দেখেই, মন পড়তে পারি;
তখন তুমি আমায়
যদি আর চাঁদমুখ না দেখাও!
আমি তাই মিথ্যেবাদী;
ছিটে-কথার ঝাঁজ থাকুক বাকী,
আশি শতাংশ-ই ঢের বাপু
সবটা হলে বলবে – অমানুষ একটা!
আমরি বাংলাদেশ

যতদূর যাও, যেখানেই যাও
দেখিবে আনিন্দ্য সুন্দর আমরি বাংলাদেশ
আছে চির সবুজের স্নিগ্ধতা ,
যদি ফিরি পৃথিবীতে পূর্ণবার
খুঁজে নেবো ঠিকানা তমার-আমরি বাংলাদেশ
বৈশাখ জৈষ্ঠ মিলে আছে তোমার গ্রীষ্মের প্রখরতা ।
আকাশ উদাস, চোখ ছল ছল-
আঝড়ে ঝড়ে জল আর জল ,
বর্ষার বৃষ্টি আনে প্রসন্নতা ,
এতো স্রোষ্টার সৃষ্টি,
বিস্তারিত»গরমিল
এক শীতের সকালে একটি সূর্যমুখীর সাথে গল্প করছিলাম,
বলেছিলাম, তুমিতো সারাদিন সূর্যের দিকে তাকিয়ে থাকো,
এবার একটু বিশ্রামে যাও, তোমার হয়ে আমি তাকিয়ে থাকবো।
সে বলেছিল, আমার যে সাধনা, তাতো তোমার মাঝে নেই,
পারবে কি পলকহীন তাকিয়ে থাকতে? এর উত্তর আর দেয়া হয়নি।
এক গ্রীষ্ম-মধ্যাহ্নে একটি উদাস ঘুঘুর ডাক শুনে দৌড়ে গিয়েছিলাম,
বলেছিলাম, সেই কখন থেকে এমন বুকফাটা ডাক ডেকে যাচ্ছো,
অণু গল্পঃ সামাজিক/অসামাজিক
দিনের কমপক্ষে ১২-১৩ ঘন্টা আমি অনলাইনেই কাটাই। নিজের গুণগান গাইবো না, তবে সামাজিক মিডিয়াতে আমি মোটামুটি একজন সেলিব্রিটি। আমার ফেসবুকে ফলোয়ারের সংখ্যা ১০ হাজারের উপরে। টুইটারেও আমাকে ফলো করার লোক কম নয়। জুতো সেলাই থেকে চন্ডীপাঠ, কাগজের প্লেন থেকে শুরু করে রকেট সাইন্স- যা নিয়েই লিখি না কেন- মুহুর্তের মধ্যে হাজার হাজার লাইক, কমেন্ট শুরু হয়ে যায়! এমনকি ‘কী সুন্দর সকাল’ টাইপ স্ট্যাটাস বা টুইট করলেও তা ছোটখাট আলোড়ন তোলে!
বিস্তারিত»ইয়েস্টারডে ওয়ান্স মোর.. এগেইন
কয়েকদিন আগে সাবিনা আপার দেয়া ব্লগটা, যার নাম ছিলো ইয়েস্টারডে ওয়ান্স মোর, সেটা দেখে মাথার মধ্যে ঘুণপোকার মত গানটা ঢুকে গেল। কিছুতেই বের করতে পারতেসিলাম না। ইউটিউবের ট্যাব বন্ধ করলেও মাথার ভিতর থেকে আর বন্ধ হয়না। শেষমেষ বিরক্ত হয়ে ঠিক করলাম, যাচ্ছেইনা যখন কাজেই ব্যটাকে হারমোনিকাতে পাচার করা যায় কীনা দেখি। সেই প্রচেষ্টার অংশ হিসেবেই আমার এই আনাড়ি বাজানো। নূপুর দা, সাবিনা আপার মত লেভেলের শিল্পী/বাজিয়েদের পাশাপাশি একটা অডিও ব্লগ প্রচেষ্টা নিলাম সেটাই আমার জন্য বিশাল ব্যাপার।
বিস্তারিত»অণু ব্লগঃ হারলী ডেভিডসনের ঈগল
ফ্ল্যাট ক্রিক কান্ট্রি ক্লাবের ঝিমনো বিকেল। কাছেই লেকের পাশ দিয়ে লম্বা ওয়াকিং ট্রেইল ধরে হাঁটছে গুটিকয় ছেলেমেয়ে। দু’ চারজন হ্যান্ডসাম বুড়ো রঙচঙ্গা টি-শার্ট পরে অলস ভঙ্গীতে গলফ খেলছেন অদূরে। লিটল ওল্ড লেডিরা ডেকে বসে কফির মগে চুমুক দিচ্ছেন অথবা কুরুশ কাঁটায় মোজা বানাচ্ছেন নাতনীর জন্য। গোলাপী রুজ আর লাল লিপস্টিকে বয়স ঢাকবার প্রাণান্তকর প্রচেষ্টা তাদের কারো কারো। মিস ডরোথির সোনালী ঘড়িতে থমকে আছে সময়। বান্ধবী রুথ কে তিনি কুইল্ট বানাবার জন্য উৎসাহিত করছেন আসছে সামারে।
বিস্তারিত»বিমূর্ত বিলাস
মনোরমা মরালীর মত লম্বা গ্রীবায় তোমার
তালুর পেছনটা দিয়ে একটু ছোঁয়া দিতে চাই,
ইচ্ছে হয় চিকণ থুতনিটাকে একটু ধরে দেখি,
আংগুলের ডগা দিয়ে ওজন মাপার মত করে।
টিপছাড়া কপালের মাঝখানটাতে নিখুঁতভাবে
একটি উজ্বল টিপ এঁকে দিয়ে দেখি কতটা জ্বলে!
আরক্তিম কপোল যুগলে খুঁজে পাই কিনা দেখি
একটি তৃষ্ণার্ত অলির বসার মত কোন স্থান।
কালো চোখের তারার ঝিকিমিকি দেখে দেখে
নির্নিমেষ কাটাতে চাই জীবনের বাকীটা প্রহর।
রাধাকথন -১২
গমকে গমকে
বিজুরি চমকে।
সে কার ঠমকে
ফের ঘায়েল হলি,
হা কালা!
আকাশে
আজ সারাদিন
রাগ মেঘ –
ওস্তাদজির সারেংগিতে
ফুঁসে উঠছে ঝালা;
বৃষ্টির প্রথম ফোঁটার মতন
চোরচোর পায়
মোর আঙিনা দিয়ে
তবু আনবাড়ি গেলি হায়!
ওয়েস্ট ইন্ডিজঃ সোনালী অতীত, বিবর্ণ বর্তমান ও ধূসর (!) ভবিষ্যত!!
ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট দল, ওয়েস্ট ইন্ডিজ বা উইন্ডিজ (ইংরেজি: West Indies cricket team) বহুজাতিক ক্রিকেট দল নিয়ে গঠিত। ১৫টি ইংরেজিভাষী ক্যারিবিয় দেশ, ব্রিটিশ উপনিবেশ এবং ব্রিটিশ উপনিবেশবিহীন দ্বীপরাষ্ট্রসমূহের ক্রিকেট দলের অংশগ্রহণ ঘটেছে এতে।
–উইকিপিডিয়া
সদস্য দেশ ও অঞ্চলগুলো হচ্ছেঃ
১। এন্টিগা এবং বারবুডা
২। বার্বাডোজ
৩। ডোমিনিকা
৪। গ্রানাডা
৫। গায়ানা
৬।
হযবরল!
হসপিটাল থেকে ছাড়া পেয়ে সপ্তাহখানেক হলো বাসায় এসেছি, যদিও এখনো পায়ে প্লাস্টার নিয়ে বিছানা বন্দী। আরো প্রায় দু সপ্তাহ এ অবস্থায় থাকতে হবে। তবে সত্যি কথা বলতে আমি খুব সম্ভবত জীবনের অন্যতম সেরা সময় কাটাচ্ছি, কারন প্রায় ২৪ ঘন্টাই আমার পাশে শুয়ে থাকছে নক্ষত্র। ছেলের প্রতিটা নড়াচড়া, অভিব্যক্তি এখন আমার নখদর্পনে। এমন কি এটাও এখন প্রায় বুঝতে পারি কোনটা ওর ক্ষুধার কান্না, কোনটা কাপড় ভিজিয়ে ফেলার,
বিস্তারিত»দুটি ক্ষুদ্র সাফল্যের কথা…
আমি গত ৪/৫ বছর যাবত “Serving The Humanity” নামের এক সমাজকল্যাণমূলক প্রতিষ্ঠানের সাথে যুক্ত আছি। এটা মুলতঃ কিছু প্রাক্তন এমসিসি ক্যাডেটদের নিয়ে গঠিত, যারা জনদরদী মনোভাবাপন্ন এবং প্রত্যেকেই নিজ নিজ পেশায় প্রতিভার উজ্জ্বল স্বাক্ষর রেখেছেন। এই প্রতিষ্ঠানটি এর বাইরেও কিছু পরোপকারী উৎসাহী ব্যক্তিদের নিয়ে জামালপুর জেলার মেলান্দহ উপজেলার দূরমুট নামক এক প্রত্যন্ত অঞ্চলে প্রথমে খুবই ছোট্ট পরিসরে একটা স্বাস্থ্যসেবা ক্লিনিক প্রতিষ্ঠা করে, যার উদ্দেশ্য ছিলো এলাকার মূলতঃ নারী ও শিশুদের কাছে অন্ততঃ গড় মানের চিকিৎসা সেবা প্রদান করা।
বিস্তারিত»চির অধরা
ঘড়িতে রাত ১টা বাজে। আর আমার চোখে তখন কেবল সূর্য ডুবুডুবু করছে। রাত জাগাটা আমার বরাবরেরই অভ্যাস। ফজরের আযান না শুনলে ঘুম আসেনা। আজ কি জানি হল মাথায় একটা ভূত চাপল। খুব ইচ্ছা করছিল ওকে একটা মেসেজ পাঠাই। প্রায় ২ বছর হল কোন কথা বলি না। সেই ক্লাশ এইট এ ওকে প্রপোজ করেছিলাম। তারপর SSC ভ্যাকেশনে কিছুটা কথা হয়। কথা খুব বেশি না হলেও ওকে আমি কখনও ভুলতে পারিনি।
বিস্তারিত»পাঠপ্রচেষ্টা – নূরলদীনের সারাজীবন (প্রস্তাবনা)
আজকে এ এক দুঃসাহস দেখাতে সাধ হল। ‘নূরলদীনের সারাজীবন’ এর প্রস্তাবনা পাঠ করবার। আবেগসর্বস্বতা দিয়ে শীল্পোত্তীর্ণ পাঠ করা সম্ভব নয় — পাঠকে শিল্পে পরিণত করার স্পর্ধা কখনো কখনো হয় কিন্তু ওই পর্যন্তই। অনেক যত্ন আর অনুশীলন দিয়ে একটি পাঠকে নির্মাণ করবো সে-পরিমাণ সাধনা তো করিনি। তবু – গেল কুড়ি পঁচিশ বছরে যতবার যতকণ্ঠে শুনেছি তারই যেন অক্ষম পুনরাবৃত্তি এ পাঠ। মনে পড়ছে চট্টগ্রামের ‘বোধন আবৃত্তি সংস্থা’-র অনুষ্ঠানগুলোর কথা।
বিস্তারিত»ভালোবাসার গান
হাইসা হাইসা আইসা তুমি আমার ভাঙ্গা নায়ে,
বইলা পাশে হাইসা হাইসা কুনুদিক না তাকায়ে।
ভাইবা আকুল তার লাইগ্যা কি দিবাম তোমারে,
আসমান পানে চাইয়া রইলাম, ডাকলাম আল্লারে,
আল্লাহ কইলো দিয়া দিতে আমার কইলজাডারে!
নায়ের তলায় ফুডা একটা ছিল বডডো মস্ত,
তুমি আইসা নায়ে বইসা দিয়া তোমার হস্ত,
চাইপা ধরলা ফুডাটারে শাড়ীর আঁচল দিয়া,
মুক্তমনে বাইলাম আমি বাউল গান গাইয়া।