খেয়াল করলাম গত অগাস্টে এখানে রেজিস্ট্রেশন করেছি। কিন্তু লেখা হয়নি একটুও। সেটা বেশ অবাক করা কারণ এ কয়মাসে আমার জীবনে একটা উজ্জ্বল অংশ এই লেখালেখি করাটাই। এই সময়ে অনেকটা সিরিয়াস হয়ে গেছি নিজের লেখা নিয়ে, চিন্তা নিয়ে, ভাবনা নিয়ে। সেগুলো এখানে কেন শেয়ার করিনি জানি না। অনেক সময় নজরের আড়ালে থাকলে অনেক গুরুত্বপূর্ণ জিনিশই খুঁজে পাওয়া যায় না। এখন হঠাৎ করেই মনে হলো ক্যাডেট কলেজ ব্লগেও লেখাগুলো ধীরে ধীরে দিবো।
বিস্তারিত»সহজ ভাষায় ইংরেজ়ী- পর্ব দুই!!
[গতকাল থেকেই মনটা খারাপ…কিছুতেই ভাল হচ্ছে না। আমি জানি আমার মতন বাকি সবারই একই অবস্থা…কি করা যায়-ভাবতে ভাবতে মনে হল, আরে তাই তো ইরফানকে স্মরন করা যায়…ওর কথা মনে পড়লে মেজাজ খারাপ হতে পারে, তবে মন খারাপ ভাবটা যে কেটে যাবে তাতে কোন সন্দেহ্ নেই…!!!]
-‘হ্যালো, ইরফান, কই তুই?’- মোবাইলে জিজ্ঞাসা করলাম আমি।
-‘আনরাইপ মার্কেট-কাঁচা বাজারে!!’
-‘কাঁচা বাজারে?? তুই ওখানে কি করিস?’
পরানের গহীন ভিতর
এই লেখাটা লেখার আমার কোন ইচ্ছে ছিলো না। কিন্তু আমি জানি আমি না লিখলেও আজ আরো অনেকে এই নিয়ে লিখতে চাইবে। এবং তাদের যে কারোটাই আমার চেয়ে অনেক বেশি মন খারাপ করা লেখা হবে। আর মন খারাপ করে থাকতে আমার একদম ভালো লাগে না। অন্যরা মন খারাপ করুক এটাও আমি চাইনা।
এর আগে কামরুল (কামরুলতপু) এই নিয়ে লিখেছে। ওর লেখাটা আমি কোনদিন একবারে শেষ পর্যন্ত পড়তে পারিনি।
মাতু রোগ
হোসেন ভাইয়ের এই ব্লগটা দেখে এক কাহিনী মনে পড়ে গেল। তাঁর ব্লগেই কমেন্ট দেয়াটা যুক্তিযুক্ত ছিল, কিন্তু বেশী প্রচারের লোভ মৃত্তিকার তৈরী আমি সামলাইতে পারলাম না।
গ্রোয়েন স্ক্র্যাচিং ডিজিজ (ভালো নাম জানি না 😛 ) ক্যাডেট কলেজে অল্পবিস্তর সবারই হয়। কিন্তু আমাদের ব্যাচে সবার প্রথম হইছিল যার, তার নাম ধরা যাক মধু। ঢুলুঢুলু চোখে জড়িয়ে জড়িয়ে কথা বলত বলে তার নিকনেম ছিল মাতাল।
বিস্তারিত»আচার ০০৫: পরবাসীর রোজনামচা
ল্যাপটপের কোনার ঘড়িতে সময় দেখাচ্ছে সকাল ৭ টা বেজে ০৪ মিনিট। গতরাত ঘুমাইনি। একটা ছোট ডাইনামোমিটার ডিজাইন করেছি, এখন কাজ হচ্ছে বিভিন্ন কম্পোনেন্ট জোড়া লাগানো। কিছু কিনে এনেছি আর কিছু বানাতে হচ্ছে মেশিন শপে আর র্যাপিড প্রোটোটাইপিং মেশিনে। রাতে দুটো জিনিস বানাতে দিয়েছিলাম র্যাপিড প্রোটোটাইপিং মেশিনে এবং আরও কিছু কাজ ছিল। কখন সকাল হয়ে গেছে টের পাইনি। র্যাপিড প্রোটোটাইপিং মেশিনটাকে আমার চমৎকার লাগে। মেশিনের কম্পুটারে আপনি যে জিনিস বানাতে চান তার ক্যাড মডেল দিতে হবে,
বিস্তারিত»শিমুল মুস্তাফার আবৃত্তিঃ মকবুল সমুদ্রে যাবে-
শিমুল মুস্তাফার প্রসঙ্গে কে যেন একবার বলেছিলেন, সম্ভবত লুৎফর রহমান রিটন, নাকি অন্য কেউ ভুলে গেছি, যে, এত ছোট্ট একটা শরীর থেকে এত জোরালো শব্দ কেমন করে বের হয় ভাবতেই অবাক লাগে!
গানের মতই আবৃত্তি বিষয়ক কোন জ্ঞান নাই আমার। শুনে শুনেই যতটুকু বুঝি সেটুকুই, মানে হলো, শোনার জন্যে তৈরি দু’খান কানের কল্যাণে বুঝবার জন্যে তৈরি একটা প্রাণ পেয়ে গেছি আমি, সেটাই ভরসা!
বিস্তারিত»ইংরেজির গোড়াপত্তন (প্লাস একটা সুসংবাদ)
আমার বাবা সবসময় আফসোস করতেন, আমরা নাকি ভাল ইংলিশ শিখি নাই। তাঁদের সময় (ব্রিটিশ+পাকিস্তান পিরিয়ডে) মানুষ বেশ ভাল ইংরেজি চর্চা করতো, স্বাধীনতার পরে এই চর্চাটা দারুণরকম কমে গেছে। কথা সত্য, তবে আমি যে ইংরেজিতে একদম খারাপ না, সেটা আমার বাবার মুখে কখনো স্বীকার করাতে পারিনি। :((
আমার এবং এই ব্লগের সবার ইংরেজির মান ভাল বলে আমার বিশ্বাস। এর কারণটা ক্যাডেট কলেজ।
ক্যাডেট কলেজে ইচ্ছায়-অনিচ্ছায় আমরা ইংরেজির একটা দৃঢ় প্রশিক্ষন পেয়ে এসেছি।
ছোট ছোট ঘটনা – দুই
এক.
এবারো সময় ক্লাশ সেভেন, স্হান ফজলুল হক হাউস । যান বাঁচানো ফরজ তাই সংগত কারণে ঘটনার নায়কের নাম উল্লেখ করা থেকে বিরত থাকলাম । ক্লাশ সেভেন থেকেই আমাদের জনৈক বন্ধু স্ক্র্যাচিং এ পারদর্শী্ ছিল । আর মাঝে মাঝে স্হান কাল পাত্র ভুলে মনের আনন্দে গীটার বাজাতো । একদিন তখনকার কলেজ গেমস প্রিফেক্টের রুমে তার ডাক পরল । খেলাধূলার কোন একটা ব্যাপারে তাকে নসিহত করা হচ্ছে ।
কিছু ঘটনা – ২
অনেকদিন আগে এমজিসিসি নিয়া কিছু ঘটনা লিখেছিলাম।কালকে হঠাত আরেকটা মনে পড়ে গেলো।
(যারা পড়েন নাই, তাদের জন্য আগের লিঙ্ক)
হঠাত কালকে আমাদের যুবায়েদ ফোন করে বল্লো “ওই ২৬ তারিখে ফ্রি থাকিস”
আমিঃ কেন?
যুবায়েদঃ “আমার বিয়ের রিসেপশন। সেনা কুঞ্জে।“
আমিঃ “ঠিক আছে। চলে আসবো। নো প্রব্লেম।“
সহজ ভাষায় ইংরেজী!
-‘দোস্ত, কাল যে আইলানা?? কি হইছিল??’
-‘আই ওয়েন্ট টু ইট আ ম্যারেজ ইয়াস্টার্ডে!!’
ইট আ ম্যারেজ! আমি চট্ করে বুঝে ফেললাম ইরফান কি বলতে চাইল। ব্যাটা ক্র্যাক!! বছর খানেক আগে ওর হঠাৎ করে মনে হল ইংরেজী ভাষাটা ইচ্ছা করে বেশী কঠিন করা হয়েছে…! সাদা পশ্চাৎধারীরা বানিয়েছে বলেই কি ওদের মতন করে বলতে হবে?? ভাষা হচ্ছে মনের ভাব প্রকাশ করার জন্য এবং তা ব্যাকরণের দোহাই দিয়ে কঠিন করার কোন মানে হয় না…অকাট্য যুক্তি!
বিস্তারিত»অন্ধকারে শোনা গেল ধুপ ধাপ শব্দ আর চিত্কার !!
১৯৭৫ সাল। তখন ক্লাস এইটে পড়ি আমরা। ২১তম ব্যাচে বান্দর হিসাবে চিহ্নিত হয়ে গেছি আমি আর ফয়সাল (অপু)। দুইটা কি তিনটা এক্সট্রা ড্রিল ইতোমধ্যে আমাদের একাউন্টে জমা হয়ে গেছে। ওই সময় ইডিতে ২১তম ব্যাচে আমরা দুজন সিনিয়র ছিলাম। পের অবশ্য ইজাজ আহমেদসহ অনেকেই আমাদের ডিঙ্গিয়ে গেছে।
প্রেপে পড়াশুনা? এটা আবার কি? লাইব্রেরি থেকে ইস্যু করে আনা গল্পের বই তাহলে আছে কি জন্য? আর সেটারও যদি স্টক ফুরিয়ে যায়,
বিস্তারিত»আবার জমল মেলা…
১.
শুক্রবার সকাল।
আজ সেই সিসিবি শুক্রবার।আগের মিটিংয়েই সিদ্ধান্ত হয়েছিল যে আজকে সিসিবির সদস্যদের সমাবেশ হবে।পরে অবশ্য অ্যাডজুটেন্ট স্যার ফোন দিয়ে জানিয়ে দিলেন যে,শুধু সমাবেশ নয়,আজকের দিনটি সিসিবির সদস্যরা কলেজের মতো করে কাটাবে,অনেকটা কলেজের শিডিউল ফলো করে।ভয়ে ভয়ে প্রশ্ন করলাম,
মরিতে চাহিনা আমি সুন্দর এ ভুবনে…
হুর সবাই পেতে চায়, কিন্তু কেউ মরতে চায় না…
অনেকদিন আগে কোন এক ব্লগারের ব্লগে পড়েছিলাম কথাটা। আসলেই কেউ মরতে চায় না। হুজুররাও না, সংশয়বাদীরা আরও না। কারণ হুজুরদের তাও হুর পাবার আশা আছে, সংশয়বাদীদের তাও নাই… 🙁
ইদানিং কাম কাইজ নাই। সারাদিন রাস্তায় রাস্তায় টো টো করি। কানে থাকে হেড ফোন…তা দিয়ে রেডিওতে আরজেদের প্যানপ্যানানি শুনি। কিংবা শুনি ফুয়াদ ফিচারিং কোন গান…
বিস্তারিত»ছোট ছোট ঘটনা – এক
এক.
সময় ক্লাস সেভেন 2য় টার্ম । সোহরাওয়ার্দী হাউসের দোতলার তের নম্বর রুমে নাদান আমরা সবাই থাকি । আমাদের পাশের রুমেই অল্টারনেট সিনিয়রদের রুম । নেমপ্লেট দিয়ে দেয়ালে বারি দিলেই ছুটে যেতে হয় ফাই ফরমাস খাটার জন্য । বন্ধু মাহমুদ হোসেন, আর সবার মত কলেজে খাপ খাওয়ানোর চেষ্টা করছে । ঘটনার শুরু একদিন রাতে আফটার লাইটস আউট সে রুমে এসে দেখে বন্ধু জান্নাতুল ওর বেডে ঘুমিয়ে আছে ।
উদ্ভট ফ্যান্টাসী-২
আগের পর্ব
৪/
আজকের সিসিবি সমাবেশ টা একটু অন্যরকম হল। অন্যান্য বারের চেয়ে পরিবেশটা একটু ভারী। কারন- গ্যালাক্সীর সিনেটের নতুন বিল। যেটাতে ক্যাডেট কলেজকে ভার্চুয়াল করে দেয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে। যাতে ক্যাডেটরা কলেজ লাইফ এর টেষ্ট নিবে শীতল ঘরে ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে।
বন্যঃ “ফাজলামো পাইছে? সবগুলা কাউন্সিলররে গ্রিশিন গ্রহে বন্দী করে রাখা উচিত।“
মাশরুফঃ “দাড়ান, এইবার এমন কিছু করতে হবে,