[ প্রথমেই বলে রাখি আমি পুরোদস্তুর একজন পাঠক। লেখালেখি আমার কর্ম নয়। ভাল লেখিও না। কিন্তু মাঝে মাঝেই কিছু গল্প উপন্যাস পড়ে আমার খুব ইচ্ছে করে এর পরে কি হল কিংবা এই একই ঘটনা যদি অন্য কারো মুখ থেকে আসত তাহলে কি হত। যেমন পদ্মা নদীর মাঝি উপন্যাসে কুবের আর কপিলা কোথায় গেল কিংবা সাতকাহনে দীপাবলি কি একাই কাটিয়ে দিল বাকি জীবন। আমার সাথে যদি লেখকদের চেনা জানা থাকত তাহলে আমি খুব অনুরোধ করতাম তাদের এই থিম নিয়ে লেখার জন্য।
বিস্তারিত»এলিয়াস স্যার এবং কিছু ঘটনা
প্রিয় ছোট ভাই মাশরুফ এবং কবীর এর পাম পট্টি খাইয়া প্রথম লিখা …ভুল ত্রুটি মার্জনীয় :
সময়কাল ১৯৯৭
এক বার আমি হাই টেবিলে বসেই সদ্য হাউস গারডেন থেকে তুলে আনা কাঁচা মরিচ এবং পেয়াজ সহযোগে হাত দিয়েই ডিনার শুরু করলাম | তো এলিয়াস স্যার আমার দিকে এগিয়ে আসছে দেখেও আমি না দেখার ভান করে গপ গপ করে গিলতে লাগলাম …… স্যার আমাকে বাপক গালিগালায করলেন এইভাবে
“ইয়াজীইইইইজ তুউউউমিইইইই কিইই আবার নতুন এইডাআআ কুন ধরনের বিদায়াতী শুরু করিলা …আল্লাহ দিলি তুমার হায়া লযযা শরম কি কুন দিন হবি নাআআ…হাই টেবিলি বসিয়া নিরলজ্জের মুতো হাত দিয়ে গিলতিসাও……
বিস্তারিত»ক্ষমা প্রার্থনা!!!
(আমার লেখা ‘টার্মেন্ড সুইট’ এ আজিজ ভাইএর মন্তব্য দেখে আমি চরম শরমিন্দা হয়ে গেলাম… :shy: আমি আসলে ‘টার্মেন্ড সুইট’ বিষয়টাকে আনতে চেয়েছিলাম। কিন্তু আবার পড়ে দেখলাম আমার লেখার মাধ্যমে কেমন করে জানি আমাদের তৎকালীন ইলেভেন ভাইদেরকে অবমূল্যায়ন করা হয়ে গেছে…প্রথম প্রথম ব্লগিং করছি তো, তাই লেখা ও ভাবনার মধ্যে কেমন গ্যাঁপ পড়ে গেছে…ভাষাগত মার্জনা এবং সর্বপরি তা প্রকাশের ত্রুটির কারনে আমি ব্লগের সবার কাছে এবং বিশেষ করে আমাদের ২৮তম ইনটেকের সকল ভাইএর কাছে ক্ষমা চাইছি…আমার এই লেখাটা ওনাদের সকলকে উদ্দেশ্য করে লেখা।
বিস্তারিত»গল্পঃ ইঁদুর
ইঁদুর
————–
রান্নার ঘরটাতে একটা হুটোপুটির মতন শব্দ হলো। বিছানায় শুয়ে শুয়ে সিলিং-এ নানারকম অদৃশ্য আঁকিবুকি কাটছিলাম আমি। খুব জোরে ঘুরতে থাকা পাখাটা অবশ্য প্রায়শই বাগড়া দিচ্ছিলো। মনে মনে একটা বাঘ কিংবা ভাল্লুক এঁকে শেষটানে হয়তো আঁকবো তার গোঁফ কিংবা লেজ, অমনি বিচ্ছিরি শব্দ করে ডেকে ওঠে সেটা। আর মনোযোগ নড়ে যায় আমার।
কি করে পাখাটাকে শাস্তি দেয়া যায় ভাবছিলাম,
বিস্তারিত»কিংবদন্তীর সুবেদার ওহাব
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ঘটনা।
ডিপার্টমেন্ট অফ মাস কমিউনিকেশন এন্ড জার্নালিজম এর কোন একটা ব্যাচের ক্লাস নিতে এসেছেন এ্যাসিসট্যান্ট প্রফেসর নাদির জুনায়েদ। ক্লাসে এসেই প্রশ্ন ছুড়লেন সুবেদার ওহাবের নাম কেউ শুনেছে কিনা। পুরো ক্লাস নিস্তব্ধ, নিরুত্তর। দ্বিতীয়বার একই প্রশ্নের উত্তরে যখন মৌনতা পেলেন তখন গেলেন খেপে। চিৎকার করে নিজের বিস্ময় আর রাগ প্রকাশ করলেন কেউ সুবেদার ওহাবকে চেনে না বলে – কেউ তার নাম পর্যন্ত শোনেনি বলে।
বিস্তারিত»নব্বইয়ের হ্যামলেট (লেখকের টুকিটাকি কথা)
পর্ব-সাজ্জাদ
ফারজানা তাবাসসুম বলছি
যোবায়ের-কথন
সচেতন পাঠক হিসেবে তো বটেই, এই সিরিজে লেখক হিসেবেও আমি মনে করি, এইখানে সিরিজ শেষ করাটা ঠিক হচ্ছে না। আরও কয়েকটা পর্ব আসা উচিত। শম্পার কথা যদি নাও গুনি, তবুও মিনহাজ আর জিসান কে নিয়ে অন্ততঃ আরও দুটো পর্ব আসলে ব্যাপারটা একটা কিছু হলেও দাড়াতে পারত।
উলটো পিঠের যুক্তিও আছে,
বিস্তারিত»টুশকি ৭
নিছক তুমি অথবা অনুভূতির সরলরেখা
(এইটা কিন্ত গল্পও নয়, কবিতাও নয়, প্রেম তো নয়ই। বরং এইটা গল্পের মত করে বলা কবিতা বা কবিতার মত করে পড়া গল্প। উলটা পালটা কিছু বলতে চাইলে আগে হ্যান্ডস ডাউন তার পর কথা।)
কলিং বেল চেপে চুপ করে দাঁড়িয়ে থাকি, মিষ্টি একটা পাখির ডাক ভেসে আসে। আমি জানি কিছুক্ষন এর মধ্যেই তুমি দৌড়ে আসবে। মুখে একরাশ হাসি, চোখে কৌতুক, “ঠিক বুঝেছি তুই এসেছিস,
বিস্তারিত»রুলস অব দ্যা গেইম
[ রেনোয়া নির্মীত ফিল্ম এর মধ্যে ‘রুলস অব দ্যা গেইম’ নামটি আমার ভীষণ প্রিয়। অনেকদিন থেকেই ভাবছিলাম নামটি কোথাও ব্যবহার করার। সুযোগ বুঝে মেরে দিলাম]
১.
জুই খুব সাধারণ মেয়ে। খুব সাধারণ তার জীবন যাপন। সে এখন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ে। তার বয়স কুড়ি। প্রথম নজরেই তার চেহারার যে বিষয়টি সবার নজরে পরে তা হল বিষন্নতা। আর কারো কথা জানি না তবে জুই প্রমান করতে পেরেছে যে বিষন্নতাও মানুষের সৌন্দর্য বাড়িয়ে দিতে পারে।
মিলা ফিভার
গত মার্চ মাসে লাইবেরিয়া আসার মাস দেড়েক পরে বাংলাদেশী অফিসার সৈনিকদের প্রথম একটা ভালোরকম গ্যাদারিং হল। সেখানে সাউন্ড সিস্টেমে অন্যান্য অনেক বাংলা গানের পাশাপাশি বাজানো হচ্ছিল মিলার “বাবুরাম সাপুড়ে” ও “যাত্রাবালা” গানদুইটা। গানের আবেদন নিবেদন আর মাদকতার প্রথম ধাক্কাতেই আমরা যার যার জায়গায় কাইত হয়ে পড়ে গেলাম।
লাসা, ম্যালেরিয়া, টাইফয়েড ইত্যাদি বাইপাস করে মহামারী আকারে শুরু হলো ‘মিলা ফিভার’। সিনিয়র জুনিয়র, ছোট বড় সবাই কম বেশি আক্রান্ত হল এই জ্বরে।
বিস্তারিত»রিক্সা পাথরায়…(রিক্সা রক্স!!!)
যানবাহনের মধ্যে রিক্সার কোন তুলনা নাই। বেনিয়ারা (সাদা চামড়া) যতই বলুক, ‘ও মাই গড, দ্যাট ইজ সো ইনহিউম্যান!!!’- রিক্সায় উঠে আয়েস করে সিগারেটে টান দিতে দিতে চলার সময় নিজেরে কেমন লর্ড লর্ড লাগে…আশপাশের দৃশ্য দেখতে দেখতে চলার জন্য রিক্সা এক কথায় অপ্রতিদ্বন্দী…
ঝড়-বৃষ্টি হলে অবশ্য একটু ঝামেলা পোহাতে হয়, তারপরও রিক্সা ইজ দি বেস্ট! রিক্সায় করে চলার পথে অনেক মজার মজার ঘটনাও ঘটে…আজকে দুইটা ঘটনা সবার সাথে শেয়ার করতে খুব ইচ্ছা করছে।
ঈশপের গল্প
ক্লাশ নাইনে আমাদের ব্যাচের একজন ছুটিতে বাসায় গেছে, যথারীতি পরদিন তার মা, তার খাকি ড্রেস নিয়ে ধুতে গেল, তার মা শার্টের পকেটে হাত দিয়ে একটা ভাঁজ করা কাগজ পেল, কাগজটা খুলে তার মা চোখ কপালে তুলে ” কি রে …… এটা তোর পকেটে আসলো কিভাবে?”
ও: ভাজা মাছ না খেতে পারার ভান করে” মামনি, ছুটিতে আসার সময় আব…… এটা আমার পকেটে ঢুকিয়ে দিল। আসি পড়ার সময় পায়নি,
মেজর ম্যাক্স : শুভকামনা
মেজর ম্যাক্স : অভ্যস্ততা ও অন্যান্য
মাকসুদ স্যারের সাথে আমাদের ইন্টারএ্যাকশনটা বেসিক্যালি হত সায়েন্স গ্যালারিতে। অন্যান্য কলেজে কিরকম জানিনা তবে আমাদের সায়েন্স গ্যালারি হল একটা বড় ক্লাসরুম যেখানে দুটো ফর্মই একত্রে বসে ক্লাস করতে পারে। এখানে স্যার আমাদের দুটো ফর্মকেই একসাথে নিয়ে বসিয়ে আংফাং নানান বিষয়ে বকবক করতেন। আমাদের আগ্রহটা বেশি ছিল সামনের আইএসএসবি নিয়ে।
বিস্তারিত»পূর্ণ সাধ আর অপূর্ণ ইচ্ছা –
পাখি হইতে চাই নাই কখনো৷ এমনকি সুপারম্যানও না৷
তবে ডেভিড কপারফিল্ডের একটা জাদু দেখেছিলাম৷ মঞ্চ থেকে বেরিয়ে দর্শকদের মাথার উপর দিয়ে খানিকক্ষন উড়ে বেড়িয়েছিলেন৷
এইটা দেখে … , না না, জাদুকর না, উড়তে সাধ হয়েছিলো ভীষন৷ একদম- মানুষের মতন- উড়তে- -৷
ছোট্ট থাকতে একটা পাহাড়ের কথা কল্পনা করতাম৷ অনেক উঁচু! সেইটার উপরে থাকবে একটা ঘর৷ প্রত্যেকদিন সকালে সেই ঘর থেকে বের হইলে –
বিস্তারিত»নব্বইয়ের হ্যামলেট (যোবায়ের-কথন)
পর্ব-সাজ্জাদ
ফারজানা তাবাসসুম বলছি
০০০০০০০
– হ্যালো যোবায়ের সাহেব বলছেন।
– বলুন
– দেখুন, আমি …… বলছি। গত দশদিন ধরে আপনি যেখানে যেখানে যান, ক্যান্টিন, দুলু ভাইয়ের দোকান, হল, হলের ক্যান্টিন, সবখানে আমরা একটা মেসেজ দিয়েছি, আপনি কি এটা পাননি। আপনার হলের প্রভোষ্ট এবং ডিন কেও মেসেজ দেয়া ছিল।
– পেয়েছি, কিন্তু দরকার মনে করিনি,