বৃষ্টি-৮

কংকাবতী তোমার ফোনে আজ
অবিরল বৃষ্টির শব্দ লেগে ছিলো

এক ফালি বিদ্যুত!
ক্বড় ক্বড় করে
ভেঙে গেলো আকাশ –
তারপর কলকল
বিষ্টির পাল এসে
আমাদের কথোপকথনে
উঁকি দিয়ে গেলে
এলোমেলো কথার সুযোগে
লাল-সবুজ ট্রাফিক বাতি
নেমে গেছে টলমল পায়,
যেদিকে দুচোখ যায়
এঁকেবেঁকে চলেছে
শহর দাপাবে বলে

অনিয়মের
হুড়োহুড়ি লেগে গিয়ে
সোনা-রূপোর কাঠি
জায়গাবদল ভুলে গেলে
কি ক্ষতি
তোমার শিয়রে
না হয় আজ
বর্ষা বয়ে আনা
এই ফোন জেগে থাক!

বিস্তারিত»

ইস্তানবুল,কিছু অভিজ্ঞতা এবং আমি (১)

আজকে আবারও হটাৎ করেই লিখতে বসা। আসলে গণহারে এক্সামগুলোতে কাঁচা কাঁচা সব বাঁশ খেতে খেতে লেখতে বসার সময়ই হয় না। সেই সাত সকালে উঠে কাঁধে এক ঝোলা নিয়ে সাত সমুদ্র তের নদী পার হয়ে যেতে হয় ইউনিভার্সিটিতে। সারাটা দিন কানের পাশে তুর্কী ভাষায় প্যাঁচাল শুনতে শুনতে যখন দেখি কানটা  প্রায় ঝালাপালা হয়ে যাচ্ছে তখন ঘড়ির কাঁটায় প্রায় ৬ টা বাজে। এটা হল আমার নিত্ত নৈমিক ব্যাপার।

বিস্তারিত»

নিজের খেয়াল রেখো…

জামান স্যারের সঙ্গে আমার পরিচয় ক্যাডেট কলেজে। সেনাবাহিনীর কঠোর নিয়মতান্ত্রিক এ প্রতিষ্ঠানে যখন প্রথম ভর্তি হই, তখন থেকেই বাবা-মাকে ছাড়া থাকার কষ্ট অনুভব করতাম। সেই কষ্ট কিছুটা হলেও কমে গেল, যখন জামান স্যারকে কাছে পেলাম। ক্যাডেট কলেজে আবাসিক থাকতে হয়। এক রাতে মায়ের চিঠি পড়ে কাঁদতেই পেছন থেকে মাথার ওপর একটা হাত অনুভব করি। তাকিয়ে দেখি জামান স্যার। আমার দিকে তাকিয়ে মমতামাখা কণ্ঠে বলেন, ‘ক্যাডেট কলেজে সবাইকেই বাবা-মা ছাড়া থাকতে হয়।

বিস্তারিত»

রেডবুক সংক্রান্ত এবং কিছু বিষয়

কয়েকটি বিষয়ে সিসিবির সম্মানিত সদস্যদের দৃষ্টি আকর্ষন করছি। কিছু নির্দেশনা আমরা সিসিবি রেডবুকে যোগ করতে যাচ্ছি।

১. সিসিবির হোম পেইজে একই লেখকের একইসাথে অনেক লেখা প্রকাশিত হয়ে থাকলে প্রথম পাতার বৈচিত্র্য কিছুটা নষ্ট হয়। আবার দুঃখজনক হলেও সত্য ইদানিং কালে সিসিবিতে নিয়মিত লেখক কিংবা নতুন লিখছেন এরকম লেখকদের লেখার হারও বেশ হতাশাজনক। এই দুটি বিষয়ই মাথায় রেখে আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি প্রথম পাতায় একই লেখকের তিনটির বেশি লেখা প্রকাশ না করার।

বিস্তারিত»

যন্ত্রণা

তোমার ভালবাসা পাবার জন্য বার বার হয়েছি সম্পাদিত
তাও তুমি বুঝো নি
সঞ্চিত ভালবাসা উজাড় করে দিয়েছি না পাবার যন্ত্রণায়
তাও তুমি বুঝো নি
রোদ্দুর হয়েও মেঘের কুয়াশায় বার বার সিক্ত হয়েছি
তাও তুমি বুঝো নি
বহুকাল ইটের চাপায় থেকে সবুজ থেকে হলুদ হয়েছি
তাও তুমি বুঝো নি …।।

এই ভাবে আর কতকাল তুমি না বুঝে থাকবে
আমি যে বাষ্প হয়ে বাতাসে হারিয়ে যাচ্ছি তোমার অপেক্ষায় থেকে ।।

বিস্তারিত»

রক্ত-ইতিহাসের পূর্ব ইতিহাস: দায়ের শিকার তরুণ নবাব স্রাজউদ্দৌলা (ইতিহাস পাঠশালা:বাংলার নবাবী আমল)

১৭৫৭ সালের ২৩ জুন ছিল বাংলার ক্ষমতার ইতিহাসের এক জঘন্য কালো অধ্যায়। পলাশীর আম বাগানে বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব স্রাজউদ্দৌলা’র করুণ পরাজয় নিয়তি অবধারিত। ব্যক্তিজীবনে উচ্ছৃঙ্খল, স্বধীণচেতা, কিছুটা অপরিণামদর্শী ও একগুয়ে স্বভাবের হলেও উচ্চাভিলাসি এ দেশপ্রেমিক তরুণ ইংরেজ আগ্রাসনের কড়াল গ্রাস থেকে বাংলাকে মুক্ত করে স্বাধীনভাবেই শাসন করতে চেয়েছিলেন এই বঙ্গদেশকে। কিন্তু ইতিহাসের রক্তের দায় শোধ করতে গিয়েই বড় অসময়ে নিজের জীবন বিপন্ন করতে হয়েছে এই নবাবকে।

বিস্তারিত»

আমার সকল প্রেমগাথাঃ১(প্রথম প্রেম)

ছোটবেলা থেকেই আমার একটা বড়সড় সমস্যা আছে। সেটা হইল দুর্বলতা। নারীজাতির প্রতি দুর্বলতা। এই দুর্বলতাটা প্রতীয়মান হয় আমি যখন ক্লাস টু তে পড়ি। আমাদের বাসায় একটা ক্যালেন্ডার ছিল। সেখানে তখন কার যুগের কোন এক মডেল এর ছবি ছিল। আমি হা করে সেই মডেলটির দিকে তাকিয়ে থাকতাম। গোসল করার সময়, খাবার সময় ঘুমের সময় চিন্তা করতাম, আহ কি সুন্দর একটা মেয়ে। আমার বউখানা যদি এমন হইত!!মামা খালারা যখন প্রেম করতো আমি ভাবতাম আমি যে কবে এমন করে প্রেম করব,

বিস্তারিত»

আধাঁর

বিদ্যুৎ যাওয়ার অপেক্ষায়,
বসে আছি সেই কতক্ষন!
মাঝে দুবার গেল,
অথচ কি আশ্চর্য! চলে এল।
মিনিট দুই না হতেই।
একদম অসহ্য লাগছে,
শক্তি সংরক্ষক বিজলী বাতিটিকে।
আমার মাঝে এই আমাকেই,
কাটছে ভেংচি, করছে উপহাস।
পরিত্রান চাই, লুকোতে চাই,
পালাতে চাই। তাই,
আধাঁর চাই আধাঁর,
মনের গভীরে ঘুঁট পাকাচ্ছে যে আধাঁর,
নিকষ, কালো,

বিস্তারিত»

নাম সমগ্র

সঙ্গত কারনে পোস্ট সরিয়ে নেয়া হইল। লেখক অনেক মাইর খেয়েছেন তার ক্লাসমেট দের হাতে  :duel: :duel: :gulli: :gulli: :gulli2: :gulli2: :chup: :chup: :brick: :brick: :brick:

বিস্তারিত»

অরক্ষিত রাজপথে তোমাকে স্বাগত হে প্রিয়তমা

প্রিয়তমা,
তোমাকে গোলাপ দেয়ার সময় নেই এখন
এখন বড় দুঃসময় আমার বাংলার
এখন অরক্ষিত রাজপথে আমার ভাইয়ের রক্ত
আল্পনা এঁকে দেয় প্রিয়তমা
প্রিয়তমা,
এখন মিছিলে যাওয়ার সময়
রক্ত গঙ্গার স্রোতে আগুনে আগুনে বিক্ষুদ্ধ জনতার মিছিলে যাওয়ার সময়
আরো একটি কবিতা লিখবো প্রিয়তমা
আবার যেদিন রাজপথে মুক্তমনাদের ছড়াছড়ি হবে
আবার যেদিন স্লোগানে স্লোগানে প্লাকার্ড হাতে
সোনার বাংলা গড়ার অঙ্গীকার থাকবে
আবার যেদিন হাসিনা-খালেদা এক প্লেটে খাবে ভাত
নিজামি আযম পিষ্ট হবে ধ্বংস হবে মৌলবাদ
প্রিয়তমা তোমাকে কবিতা শোনাবার সময় কোথায় বলো
এখন একটি কবিতা হবে সবার জন্য
শব্দের তরঙ্গে ভেসে যাবে স্তদ্ধ বিকেলের নিজর্নতা
কথার খই ফুটে উঠবে আমলাতান্ত্রিক জটিলতার সব ভয়াবহ সমীকরনে
প্রিয়তমা
এখন যৌবন দীপ্ত মিছিলের আগামি প্রভাতে শব্দের গাঁথুনীতে হবে ভাস্কর্য,হবে দাবানল,হবে জেগে ওঠার নতুন মন্ত্র
আগামি জন্মে তোমার গর্ভে যে ভ্রুনের জন্ম হবে প্রিয়তমা
আমি তার নিঃশ্বাস নেবার জন্য একটি বাংলা রেখে যেতে চাই
আর একটি প্রান ঝরে গেলে রাজপথে
প্রিয়তমা আমি রাজনীতির পেটে লাত্থি দিতে চাই
ধ্বংস করতে চাই পাশবিকতার সব দেয়াল
প্রিয়তমা একটি রক্ত জবাও ফুটলে
তোমার আঙিনায়
আমি তার জন্য নিরাপদ এক আবহাওয়া চাই
আমি তাকে পুষ্টি দেবার জন্য জল চাই।

বিস্তারিত»

ভাদর জোছনা

এমন কোমল রাতে-
কবিরাও ভয় পেয়ে ভুলে যায় কবিতা লিখতে
চিত্রকর ছবি আঁকে না।
গায়কের গলা খুলে যায় মাঝে মাঝে
কখনো কখনো থেমে যায় থমকে…
এমন রাতে-
শুধু চোখ কথা কয়
মন কথা কয়
ইচ্ছা করলেই শোনা যায় না !

এমন রাত-
চাঁদের রাত-
আলো-ছায়ার মায়াবী খেলা
অনেকে হয়তো চোখেও দেখেনা !

বিস্তারিত»

সে কি আসে, সে কি আসে!


আলোকচিত্র: সে কি আসে, সে কি আসে?, কাজী সাদিক(৮৪-৯০)

এমনি কত সোনাঝরা বিকেল এসে মিশে গেছে – নদীময় বয়ে গেছে আমাদের জীবনের চোরাস্রোত।হঠাৎ চুমুর বেগুনী উদ্ভাসে দুলে উঠেছে জারুল ফুল, সঘন উত্তাপে আ হা আমাদের জোড়া ঘড়ি থেমে যাবার ষড় করে কতবার পরাস্ত হয়েছে।অভিমানের কোন ধার ধারেনি কোন নদী, চোখ থেকে অশ্রুর শেষ ফোঁটাটুকুও লুটে নিয়ে গেলে হু হু করে উঠেছে খটখটে শুকনো হৃদয়।তুমি চলে গেছো রিকশায় ভর করে,

বিস্তারিত»

কাইন্ডলি কাইন্ডলি জী

 

ক্যাডেট কলেজের প্রথম দিন। বাবা-মা, খালা-খালু, নানা-নানি, মামা-চাচা সবাইকে নিয়ে ক্যাডেট কলেজে হাজির। কেমন যেন ভয় ভয় লাগছিল। আমার খালাতো ভাই আর চাচা ক্যাডেট কলেজে পড়ার সুবাদে ক্যাডেট কলেজের অনেক গল্প শুনেছি। আর আমরা সবাই যেমন একটু বাড়িয়ে বলতে ভালবাসি নিজের বীরত্ত দেখাতে, আমার চাচা বা ভাই ব্যতিক্রম ছিলেন না। তারাও নিজের বীরত্ত দেখাতে বা শোনাতে ক্যাডেট কলেজের সিনিয়র ভাইদের সম্পরকে এমন গল্প শুনিয়েছেন যে আমি ক্যাডেট কলেজে ঢোকার আগেই ভয়ে মরে যাচ্ছিলাম।

বিস্তারিত»

কিছু কৈশোর………… (২য় খন্ড)

(শিরোনামটা আমার প্রিয় লেখক হুমায়ুন আহমেদের একটা আত্মজৈবনিক বই থেকে অনুপ্রাণিত।)

আমাদের বকক/২৫ ব্যাচের শশী একদিন বলছিলো, ওর বাবা ওকে ক্যাডেট কলেজে দেবার প্রধান কারন ছিলো এখানে কোন রাজনীতি নেই। কোন দল নেই বলে একদলের সাথে অন্যদলের কোন কোন্দল ও নেই। বুয়েট’র এখন যে বাজে দশা, তাতে রাজনীতির অভিজ্ঞতা ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে এসে শশী ভালো ঝামেলায় পড়ে গেছে মনে হয়। তবে রাজনীতি না থাকলেও আমরা যখন কলেজে পড়তাম মজা করবার জন্য কিছু দল আমদানী করে রাজনীতি করেছিলাম।

বিস্তারিত»

মিলেনিয়াম: সময়ের সেলাই

আমরা বেঁচে আছি সময়ের এপার ওপার ফোঁড়ে, গ্রাসের ঝড়ো তান্ডবে !
ভাঙ্গনের ঝনকার কানে যায় না। আমাদের মনের কানে তালা পড়েছে !
আমরা আর চোখেও দেখি না প্রায় ! আমাদের জ্বিভ লকলক করে বড় হচ্ছে!
চাবুক খাওয়া ঘোড়ার মতো তাই সব দৌড়ের উপরে !

মেয়েটাকে একসময় চিঠি লিখত ছেলেটি কালেভাদ্রে, কৈশোরের আটানব্বইয়ে ।
কথার পরে কথা সাজিয়ে, তাতে মনের ছোঁয়া মিশিয়ে
হোমিওপ‌্যাথির গুড়ার মতো আদর করে খামে পুরে,

বিস্তারিত»