বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ ও ইসলাম প্রসঙ্গে আমার ভাবনা

সম্প্রতি সিসিবিতে বেশ কিছু ব্লগ এসেছে বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ বিষয়ক, অন্যান্য কিছু ব্লগে আলোচনার প্রাসঙ্গিকতায় মন্তব্যেও এসেছে এ’ বিষয়টি। ক্যাডেটরা এতে ক্রমশঃ আগ্রহী হয়ে উঠছে, এটা আমার কাছে খুব উৎসাহ-জাগানীয়া। কারণ, দেশের সেরা প্রতিষ্ঠানের সেরা ছাত্রছাত্রীদের একটা দল আমাদের চারপাশের রাজনৈতিক বাস্তবতায় উদাসীন থাকবে- এটা মেনে নেওয়া কষ্টকর। আফটারঅল, আমাদের সকলের প্রতি বাংলাদেশ নামের দেশটি অনেক অর্থ, সম্পদ, লোকবল, ইত্যাদি ব্যয় করেছে ক্যাডেট কলেজে পড়াতে গিয়ে।

বিস্তারিত»

কেন বিধি

কেন বিধি কেন বানালেনা মোরে,

হিমালয় চুড়া পাহাড়ের করে?

দিনের বেলায় বরফ সাগরে

রাতের বেলায় ছবি!

বুকে নিয়ে তবে শত শত ব্যথা,

অবলা থাকত না বলা যা কথা,

বলতাম না’ক কথা সব যথা,

হয়ে কোন এক কবি।

 

কেন বিধি মোরে নদী করলে না?

নিজ আঁখিজলে ভিজে আনমনা,

বিস্তারিত»

মনে করো আমি

মনে করো আমি পাথর সমান, বুকেতে বিঁধে না কিছু,

ঝরনার পানি বয়ে যায় শুধু, ফেলে মোরে একা পিছু,

ঝরনারে আমি বলিনি কখনো, “একটু দাঁড়াও বন্ধু”,

কারণ তার যে মহৎ লক্ষ্য, গড়তে হবে যে সিন্ধু।

 

মনে করো আমি শত বছরের অশোক কিম্বা বট,

শতবছরেতে মাথায় হয়েছে অনাকাঙ্ক্ষিত জট,

বলিনি তবুও পথের পাশ-কে,

বিস্তারিত»

প্রলাপ-১০

আস্ত বনাঞ্চলটাই হাঁটিহাঁটি পায়ে
ইটভাটার পেটে ঢুকে গিয়ে
কবে হয়ে গেছে অংগার
শ্বেতবর্ণ দলা দলা মেঘ,
রঙমহলের ঠুমরি শুনবে বলে
শুয়ে আছে
সারসার অভিজাত ইট
পথের দুধার থেকে
হ্যাঁচকাটানে বিদ্যুতের খুঁটিগুলো
কেউ উপড়ে নিয়ে
তারগুলোকে
সেতারের মতো টানটান ধরে
মেঘের আড়ালে
আড়াআড়ি চলে গেছে।
আমি
মাঠে শুয়ে থেকে
ভাটার লকলকে আগুনে
চোখ রেখে
নিখিল ব্যানার্জিকে
আকাশে শুধাই
রাগ হেমন্তের আলাপটা
আরেকবার বাজাবেন প্লিজ?

বিস্তারিত»

..আড়ালে..

মেয়েটা সেই কবে থেকেই নতুন একটা ফ্রকের জন্য জালাচ্ছে। আজ দেব কাল দেব করতে করতে ঈদ এসে গেল। গত ঈদেও মেয়েটাকে কিছু দেয়া হয়নি। মেয়েটা সারাদিন মন খারাপ করে বসে ছিল। পাশের বাশার মুক্তি এসে মেয়েটার সাথে কথা বলতে চাইলেও বলেনি। মুক্তির বাবা বড়লোক। ঈদে পাঁচ থেকে ছয়টি ড্রেস পায়। ঈদের দিন পাঁচ থেকে ছয়বার ড্রেস চেঞ্জ করে ফ্যাশন শো দেখায়। মেয়েটির আত্মসম্মান বোধ প্রচুর।

বিস্তারিত»

বিবর্ণ স্বপ্নগুলো

স্বপ্নগুলোকে রঙ্গিন করতে গিয়ে দেখলাম স্বপ্নগুলো সাদাকালো হয়ে গেছে।
শহরের নিয়ন আলো ছেড়ে প্রকৃতির কাছে গিয়ে দেখলাম
সেখানেও স্বপ্নগুলো অদ্ভুত আচরণ করছে,
কেমন যেন বাঘের ভয়ে আফ্রিকার বুনো মহিষের মতো ।

স্বপ্নের সাথে সারারাত সহবাস করলাম
অতঃপর সাহস নিয়ে সুউচ্চ পর্বত চুড়ায় গিয়ে দেখলাম
সেখানেও স্বপ্নগুলো ভয়ে কুঁকড়ে আছে
কেমন যেন শিকারির ভয়ে ভীত খরগোশের মতো,
পিট পিট চোখে তাকিয়ে আছে আমার দিকে।

বিস্তারিত»

চাটগাঁয়

‘লন, টান দ্যান একখান’
বলে হুস করে
একপাল ধোঁয়া আকাশপানে
উড্ডীন হলে
চাঁদের আলোয়
শহরের গা
বলাকা ব্লেডের মতো
চকচক করে

মগজের গলি ঘুপচি থেকে
গানের কণাগুলো
গলায় এসে গুনগুন করে উঠতে’
রিকশাঅলার কণ্ঠেও
লালন ফকির নেমে আসে,
পেশল মুঠোয় বেলের বদলে একতারা
রিকশার হুড নৌকার ছই –
গেরাম বেড়ে অগাধ পানি
নাই কিনারা নাই তরণী পারে

সাঁইসাঁই পাল তুলে
অতঃপর
মেহেদীবাগ,

বিস্তারিত»

‘নাম নেই’ এমন একটা ব্লগ

বুঝতে পারছি না কি শিরোনাম দিয়ে লিখবো, কি লিখবো সেটাও। কিন্তু খুব ইচ্ছে করছে অনুভূতিগুলা সিসিবিতে শেয়ার করতে। আবার গুছিয়ে লেখার মতো সময় এবং শক্তি কোনটাই নেই। ভ্রমন শেষে হয়তো অনেক কথাই ভুলেও যাবো। এর কারণ হলো- পথে এতো এতো নতুন কিছু দেখছি যে, আগেরটার থেকে পরেরটাকে আরও বেশি আকর্ষণীয়, সুন্দর, নয়নাভিরাম মনে হচ্ছে। শুধু সুন্দর না, বলা উচিত ‘ভয়ঙ্কর সুন্দর’-

গতকাল লস এঞ্জেলস থেকে একটা সাড়ে চার ঘণ্টা ড্রাইভ করে (ঘন্টায় মোটামুটি ৮০ মাইল বেগে) লাস ভেগাস পৌঁছলাম।

বিস্তারিত»

ছাত্র রাজনীতি ও বিব্রতকর কিছু প্রশ্ন

এই লেখাটা যখন শুরু করার জন্য কি বোর্ডে আঙ্গুল চালাই তখন দেখলাম দুজন সদস্য ও জনাকয়েক ভিজিটর রয়েছেন সিসি ব্লগে। একজন সদস্য আমি আর আরেকজন ব্লগ অ্যাডজুটান্ট। ক্যাডেট কলেজের ছয় বছর অ্যাডজুটান্ট নামক প্রাণিটি হাড় মজ্জায় যে ভীতি ঢুকিয়ে দিয়েছিলো তা আজো যায়নি। আজো অ্যাডজুটান্ট নামধারী কাউকে দেখলেই হয়। হৃদকম্প বেড়ে যায় নয়তো কয়েকটা মিস করি। অ্যাডজুটান্টরা বা সামরিক বাহিনীর লোকেরা যে ততটা ভীতিপ্রদ না তা প্রথম বুঝতে পারি ক্যাডেট কলেজ থেকে বের হবার পরে।

বিস্তারিত»

প্রিয় কবিতা বা কয়েকটি সন্ধ্যা’র দখলঃ ‘রাহুর প্রেম’-রফিক আজাদ

ভাবছো তোমায় ভুলে যাচ্ছি,ভুলতে পারা
সহজ নাকি?যদিও তোমার ইচ্ছাটা কি তাও তো জানিঃ
নিষ্কৃতি চাও,অন্য কারো কাছে যাতে পারমানেন্টলি
থাকতে পারো-বারে বারে “ভুলে যেও’’-এই কথাটা
ব’লে দেয়া!তোমার কি মত,তুমিই বলোঃ
ভোলা কি যায়?নাকি কেহ ভুলতে পারে-
ভুলে যাওয়ার কথা আজকে এতো করে ভাবছো কেন,
তোমায় কেন ভাবতে হচ্ছে এই এতোদিন গভীর খেলায়
মগ্ন থেকে-আজকে কেন নতুন করে ভাবতে হচ্ছে-
‘ভুলতে হবে’?এই এতোদিন পরে আমি এতোটা পথ
হেটে এসে আবার যে কোন চুলোয় যাবো,নতুন সে কোন
খানকি মাগীর দিকে আমি হাত বাড়াবো বলতে পারো?

বিস্তারিত»

প্রার্থনা

সমর্পিত হও, নিজেকে সমর্পন করো আরো ভীরুতার সাথে

বিনম্র হও, নিজকে বিযুক্ত করো সকল মনষ্কাম থেকে

সকল ইচ্ছেকে উজাড় করে দাও, শুধু তারি জন্য

তিতিক্ষা সকল প্রহর জুড়ে, শুধু তাঁকেই ভালোবেসে

উৎসর্গ করো নিজকে- যেনও আর কিছু নেই, কেউ নেই

আদিগন্ত শব্দমালা, যেনও নির্দেশ করে শুধু তাঁকেই

প্রাণের সকল আকুতি, অনুভুতি, অব্যক্ত বেদনা

হৃদয়ের সকল কোঠরে শুধু তাঁরই খোঁজ,

বিস্তারিত»

আমেরিকার বুনো পশ্চিমে সপ্তাহব্যাপী মোটরযাত্রা

আর ত্রিশ ঘন্টা পর শুরু করবো প্রায় ২৪০০ মাইলের মোটরযাত্রা। লস এঞ্জেলস থেকে বের হয়ে I-15 এবং I-70 ধরে নেভাদা ও ইউতাহ হয়ে ডেনভার (কলোরাডো)। আমেরিকান সোসিওলজিক্যাল এসোসিয়েশনের বার্ষিক সম্মেলনে পেপার প্রেজেন্ট করার (রথ দেখা) উছিলায় একটু ঘোরাঘুরি (কলা বেচা) আর কি…। ডেনভারে দুইদিন অবস্থান করে I-25 এবং I-40 ধরে সান্তা ফে এবং আলবুকুয়ের্ক (নিউ মেক্সিকো) ও গ্র্যান্ড ক্যানিয়ন (এরিজোনা) হয়ে আবার লস এঞ্জেলস। মোট সাত দিনের ভ্রমন।

বিস্তারিত»

৬ বছর বা ২২০৩ দিন – ২০তম পর্ব

“সংবিধিবদ্ধ সতর্কীকরণঃ ধূমপান সাস্থ্যের ক্ষতিকর।“ এই পোস্টটি সম্পূর্ণভাবে ধূমপায়ীগণকে উৎসর্গ করা হল।

ক্যাডেট কলেজে সবাই আমরা কম-বেশি স্মোক করতাম(কতিপয় মুসল্লি ও ভাল ক্যাডেট ব্যতিত)। কিন্তু এই সিগারেটের সাপ্লাই ছিল অতি সীমিত। এই পোস্টে আমাদের আমলে কিভাবে আমরা সিগারেটের সাপ্লাই নিশ্চিত করতাম তার স্মৃতিচারণ করতে চাই।

পদ্ধতি একঃ আমরা ছুটি শেষে কলেজে ফিরতাম খাকী পোষাকে। মোবাইল প্যান্টে যেমন হাটু বরাবর পকেট থাকে,

বিস্তারিত»

বাদুড়

শতবর্ষী বটের পাতার অন্ধকারে ঝুলে থাকা বাদুড়ের মত-
নিরিবিলি দিনের আলোয় ফন্দি আঁটে ওরা বিশ্রামের ছলে।
অতঃপর আধুনিক রাত্রিতে জমে উঠে প্রাসাদ আরোহণের কল্প,
ক্রীড়াচ্ছলে ছুঁড়ে মারা ভাংতি পয়সায় জনপ্রিয়তার বিকি-কিনি।

নিঃস্বের দীর্ঘঃশ্বাসের আড়ালে পাচার হয় অগণিত কচকচে মুদ্রা-তোড়,
দিনরাত্রির আলো-আধারে এখানে বদলায় না কিছু, সে বহু যুগ।
বিশ্বাসঘাতক মগজের দ্বৈত আনুগত্যে বেঁচে থাকে গোপন পশ্চিমা প্রভু,
বিকল শোষণের যন্ত্রগুলো তড়িৎ দক্ষতায় সেরে তোলে ওদের হাত।

বিস্তারিত»

অর্চি

অর্চির সাথে আমার প্রথম পরিচয় কফিশপে। এক বিকেলের হলুদ রোদ এসে জানালার কাঁচে অপূর্ব প্রতিফলন তৈরি করছে। কফি মকা র অর্ডার দিয়ে নিশ্চিন্ত মনে আমি আকাশ দেখছি। হঠাত্‍ পাশ থেকে সুরেলা কন্ঠে ডাক,ভাইয়া ওয়াশ রুমটা কোন দিকে? মোটামুটি থতমত ই খেয়ে গেলাম। বুঝলাম মেয়েটি আমাকে ওয়েটার ভেবে ভুল করেছে। অবশ্য ভুল করার ই কথা। সাদা ফর্মাল ড্রেস সাথে টাই আর হাতে কফি শপের ম্যানু। দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে উদাস চোখে বাইরে তাকিয়ে থাকা।

বিস্তারিত»