মেডিটেশন
নবম শ্রেনীর কোন এক টার্মে, আমাদের মাহ্দী বিদ্যুৎ মিত্রের বই নিয়ে হাজির। মেডিটেশনের উপকারিতা বর্ননা করতে করতে অস্থির। ইতিমধ্যে খায়ের মেডিটেশনে পুরোপুরি উস্তাদ বনে গেল। সে নাকি চোখের ইশারায় চামচ বাকা করে ফেলেছে। চোখ না যেন হাতের ইশারায় বেডের উপর হতে তালা বন্ধ রুমের চাবি উদ্ধার করেছে। মাহ্দীর কাছে জানলাম, মেডিটেশন করে নাকি দেহের ওজন শূন্য করে বাতাসে ভেসে থাকতে পারে। পুরো ব্যাপারটাতে আমারো একটু আগ্রহ জন্মালো।
টুশকি…মোস্ট জুনিয়র!
সায়েদ ভাই এর টুশকি সিসিবিতে একটা ক্যাটাগরি হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু এখন উনাকে হারিকেন, মোমবাতি, হ্যাজাকবাতি কিছু দিয়েই আর খুঁজে পাওয়া যায় না। কিন্তু আমাদের সবারই ছয় বছরের ক্যাডেট জীবন টুশকিতে টুশকিময়। তাই কিছু টুশকি…মোস্ট জুনিয়র!
সংবিধিবদ্ধ সতর্কীকরনঃ নিজ দায়িত্বে পড়িবেন!
১। এক স্যার এর টিজ নেম ছিল “ট্যাপা”। স্যার এই নাম শুনলে খুব ক্ষেপে যেতেন। তো এক দিন এই নাম শোনার পরঃ “ওই…
বিস্তারিত»উপলব্ধিঃ মায়ের ভালবাসা
সবাই বলে সময়ের সাথে সাথে মানুষের ব্যস্ততা বাড়ে কিন্তু আমার কাছে কেন যেন মনে হয় ব্যস্ততা না দায়িত্ত বাড়ে।
বাবা-মা সবসময়ই তার সন্তানদের জন্য চিন্তা করেন, সে বড় হোক আর ছোট। যখন থেকে নিজেকে বড় মনে হয়েছে তখন থেকেই আমি সবসময় এই জিনিস গুলো নিয়ে খুব বিরক্ত হতাম। রাতে বাসায় আসতে দেরি হলে আম্মু বার বার ফোন দিত। কখন আসবি, আর কতদুর,
বিস্তারিত»মেয়েটা আর আমি…
এক বন্ধুর বিয়েতে পরিচয়_
প্রথম দেখাতেই হলো সংশয়।
জানি না, কেন তার ঐ নীলশাড়ি
আমার মনটা নিলো, অচিরেই কাড়ি।
আমি শান্তমনা ছেলে_
বন্ধুপাগল মনটি আমার
রাতদিন থাকে তালেতালে।
আর, কী যেন সে খোঁজে
আপন মনেতেই গান বাজে।
দিনদুপুরে নায়ক বেশে
বাইরে যায় কাজে।
বিস্তারিত»নেহায়েত ভন্ডামি
শখ করে সিগারেটও খাইনি কখনো
উৎসবে।
মদ!
তওবা তওবা- ছুঁয়েও দেখিনা।
মেয়ে বন্ধু কখনোই ছিল না আমার।
রাতের আড্ডায় কেউ দ্যাখেনি আমাকে।
তাই বলে-
পুরোদস্তুর হাজী সাহেব বলেও নিজেকে দাবি করি না !
জুয়ার টেবিলেও বসিনি কখনো।
বাঈজী নাচতো রীতিমতো অবিশ্বাস্য!
সকালে ক্লাসে যাই,
তারপর খাতা নিয়ে সেমিনার-
নোটপাতি খুঁজে নিয়ে বিকেলে পাঠাগার।
ভুলের ফল
ফুলটা তুলে ভুল করেছি
লাগছে নাতো ভাল
মানিয়ে ছিল যখন সেটি
গাছের ডালে ছিল।
ডালে ছিল তীক্ষ্ণ কাঁটা
খোঁচা খেয়েছি তাতে
ফুল তুলতে গিয়ে আমার
রক্ত ঝরে হাতে।
বাড়ি ফিরে লাগাই মলম
ব্যথায় টন্-টন্
ফুলটা রাখি বোতল জলে
মৌমাছি ভন্-ভন্।
বিস্তারিত»সমসাময়িক
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতিতে একটি অন্যতম ট্রেন্ড আছে। দুনিয়ার সকল রাষ্ট্র দুইটি দলে বিভক্ত। এক তাদের দলে, দুই শয়তানের দলে। আমাদের দেশের সরকারি দলের মানসিকতাও এমন হয়ে যাচ্ছে। হয় তুমি আওআমী লীগে, নয় তুমি স্বাধীনতাবিরোধী, জামাত শিবিরের দলে।
এই সরকারের সমালোচনা করলেই তারা তার মধ্যে শিবির, জামাত আর জঙ্গিবাদের ভূত দেখে। নিজের দোষ ঢাকার এর চেয়ে ভাল উপায় আর কি হতে পারে? সরকার সমালোচনা করলেই আপনার পশ্চাতদেশে জামাতের সিল লাগিয়ে দিবে।
বিস্তারিত»নব্বর্ষের বোধোদয়
তারিখঃ ১৪ই এপ্রিল, ২০১০।
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ফলিত পুষ্টি ও খাদ্য প্রযুক্তি বিভাগের ছাত্র-ছাত্রী কর্তৃক অভিনীত।
শিল্পীদের নাম ও ভূমিকার পরিচয়ঃ
সাঈদুর রহমান সাদাত
ফারিয়া রহমান মুনিরা
মাজেদ সোহেল
কাশেম তপু
নাদিয়া বৈশাখী
রচনায়ঃ মোঃ সাদাত কামাল
নির্দেশনায়ঃ সোহেল ভাই ও দিপুল ভাই।
বিস্তারিত»
তোমাকে না বলা কথা
শোন,
তোমাকেই বলছি।প্রেম পত্র নয়,ব্লাস করোনা। কেমন আছো? অবশ্য বৃথাই জিজ্ঞেস করছি, তোমার মতো লোকেরা ভালই থাকে। আমাকে কি চিনতে পারছনা? তা পারার কথাও নয়। রাজা( বা যে নিজেকে রাজা ভাবে) যে প্রজার ঘর ভাঙ্গে;তাকে মনে রাখলেও রাখতে পারে,কিন্তু তার সাথে সম্পর্কিত যার মনটাও গুঁড়িয়ে দেয় তাকে মনে রাখেনা। আমার বোনের কথা মনে আছে? দয়া করে এখন অন্তত এটুকু বলনা, তোমার বোন কে!চিনিনা তো!
কেন?
এই বছর কলেজ ছেড়েছি। বুকের ভেতরে ঘা টা এখনো দগদগে,আনকোরা নতুন। একটু খোঁচা লাগলেই যন্ত্রনা হয়। কিছু দেখলেই কলেজের সাথে তুলনা করি। খালি মনে হয় কলেজ কত ভাল ছিল। ডাইনিং হলে কত চিল্লাইছি ‘বাদল ভাই গ্লাসে ময়লা ক্যান?’ এখন নিজের রান্না নিজে করতে হয়! কিছুদিন আগে কলেজে গেলাম,আমি একা না,আমার সাথে আরো ৩২ জন ছিল! রিইউিনয়ন টাইপ অবস্থা। সবার মুখে এক কথা,চল বুয়েটে পরীক্ষা না দিয়ে ক্যাডেট কলেজ ইনটেক পরীক্ষা দেই!
বিস্তারিত»অত্যাচারের রোমন্থন
নতুন হোস্টেলে ওঠার অনেকদিন পর সুপার ম্যাডামের সতর্কবাণী শুনে সুটকেস খুলে মশারিটা বের করলাম।বের করে দেখি মা আমাকে ভুলে ডাবল মশারি দিয়ে দিয়েছে(যার জন্য আমার রুমমেট খুব খুশি, তারটা বের করতে হচ্ছেনা দেখে),তাও আবার ছোটবেলার স্মৃতিময় মশারি। ভাঁজ খুলে দেখি তাতে আমার ক্লাস ফোরের হাতে লেখা “মশারি নং ৪২০,১ম মশা পিনি ও পরিবারবর্গ”…আমার ও আমার বোনের প্রিয় “হুমায়ুন আহমেদের কিশোর উপন্যাস সমগ্র”- র একটা চরিত্র থেকে লেখা।১ম মশার সাথে আমাদের টেলিপেথিক যোগাযোগ ছিল কিনা!দেখে ইমোশনাল হয়ে গিয়ে টাঙ্গালাম একদিন।কিন্তু ক্যাডেট কলেজেই এইটের পর আর টাঙ্গাইনি।
বিস্তারিত»ব্যথা
অন্ধকার আস্তাকুড়ে আমায় ফেলে রেখে
তুমি চলে গেছো
স্মৃতিগুলো বিস্মৃতির কাঁটা হয়ে
আমার হৃদয়ে ব্যথা দিচ্ছে
অন্ধকার যে আমার পছন্দ না, তুমি জানতে;
তবুও আমায় ভুতুড়ে অন্ধকারে রেখে গেছো।
তোমার হাসি আজও কানে বাজে নুপুরের তালে;
আজো তোমার স্নিগ্ধ চুলের গন্ধে আমার চারদিক সুরভিত;
একটি ঘর্মাক্ত সন্ধ্যায় তোমার নাকের উপর জমা শিশিরগুলো
আজো আমায় জানান দেয় একটি সুন্দর দিনের সমাপ্তি;
গুডলাক বাংলাদেশ!!! গুডলাক!!!
১৮ সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাতে কোন রকম ঢাক-ঢোলের মাতম ছাড়াই শুরু হয়ে গেল মাত্র ছয় বছরের মধ্যে ৪র্থ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। বাংলাদেশ বরাবরের মত এবারও ‘ডেথ গ্রুপ’এর সদস্য। কিছুদিন আগেই বাংলাদেশেও বিশ্বকাপ আয়োজিত হয়েছিলো। আমাদের দেশের মত এত ক্রিকেট পাগল মনে হয় শ্রীলংকানরা নয়। নইলে এই যুগে আলোর ঝলকানি, নাচ-গান অনুষ্ঠান ছাড়া বিশ্বকাপ শুরু হবার কথা না। যাই হোক, বাংলাদেশ দলকে শুভকামনা জানানোর জন্যই এই লেখা। জন্মের পর থেকে আজ পর্যন্ত কোনদিন ক্রিকেট থেকে পাওয়া কোন উপলক্ষ ছাড়া পুরো বাংলাদেশীদের এক সাথে আনন্দ করতে দেখিনি।
বিস্তারিত»আশার এক্রসটিক
[এক্রসটিকঃ এই ধরনের কবিতা বাংলায় প্রথম লিখেন কবি মাইকেল মধুসুদন দত্ত।প্রথম বার লিখেছিলেন তার এক বন্ধুর নাম নিয়ে।নামটা ছিল খুব সম্ভবত গৌর মোহন দাশ।সে যাই হোক-এই কবিতা পড়ার নিয়ম হল- প্রতিটি লাইনের প্রথম অক্ষর একে একে পড়ে যাওয়া।তারপর বাকি কবিতা পড়া।আরেকটা কথা-এই ধরনের কবিতায় প্রথম অক্ষরের বানান ভুল করা যেতে পারে!(কারন টা পড়লেই বুঝবেন)। ধন্যবাদ।]
আকাশে জমা মেঘ গুলো কাঁদে,
মিশে যায় দিগন্তে।
সহজাত সত্য প্রেমে
সাবেক প্রেমিকাদের কাছেও ঋণ থাকে অনেক
অনেক সময় মানুষ ঋণী থাকে পত্র বাহকের কাছে।
প্রেমিকের কাছেও-
কখনো কখনো ঋণী থাকে চলে যাওয়া প্রেমিকারা।
প্রেম হলো কথা-ভেঙ্গে-কথা-রাখা।
নির্মোহ প্রেমিক তাই কথা রাখে না।
কথার চিড়ায় গুড় মিশিয়ে
প্রিয়ার মনে সুখ ছিটিয়ে
প্রেমিক বুঝে নেয় প্রেমিকার চৌষট্টি কলা।
আর প্রেমিকা-
প্রেমিকের সাথে রপ্ত করে গোপন নাচের মধুর মুদ্রা।