অকালেই চলে গেলেন হুমায়ুন আহমেদ। দেশের সব স্তরের মানুষের কাছে জনপ্রিয় হলেও সব চেয়ে নন্দিত ছিলেন মধ্যবিত্ত জনগোষ্ঠীর কাছে। ছিলেন মধ্যবিত্তের অন্যতম প্রতিনিধি। আমাদের একটি বিখ্যাত সামাজিক বচন- উত্তম নিশ্চিন্তে চলে অধমের সাথে, তিনিই মধ্যম যিনি চলেন তফাতে। মধ্যবিত্তের এই তফাতে চলা কথাটা এক ধরণের বক্রোক্তি হলেও, বাস্তব সত্য হচ্ছে মধ্যবিত্তের তফাতে চলা ছাড়া উপায় নেই। কারণ মধ্যবিত্তকে হিসাব করে চলতে হয়। সেই হিসেবে সামান্যতম ভুল হবার জো নেই,
বিস্তারিত»ধন্যবাদ হুমায়ুন আহমেদ ও তার মৃত্যুকে
হুমায়ুন আহমেদ মানুষ হিসেবে কেমন ছিলো সেটা নির্ণয় করার আমি কেউ না । অথবা অন্যভাবে বলতে গেলে এই মুহূর্তে আমি তাকে নিয়ে ভাবার প্রয়োজন বোধ করছি না । তবে গত ৫ দিনে যা ঘটলো সেটা থেকে মোটামুটি নিশ্চিতভাবেই বলা যায় তিনি একজন শক্তিধারী লেখক ছিলেন – হতে পারে সেটা সস্তা সাহিত্য, হতে পারে সেটা শ্রেষ্ঠ পর্যায়ের কথাসাহিত্যের রূপকার হিসেবে । কিন্তু সেটাও মাথা ঘামানোর মত তেমন কিছু না ।
বিস্তারিত»জীবনের টুকরো – দেশবিদেশে (পুবের মানুষ যখন পশ্চিমে – ৪)
সংবিধাণ সতর্কিকরণ বিজ্ঞপ্তীঃ ইহা একটি দীর্ঘ এবং বোরিং পোস্ট। পাঠক নিজ দায়িত্বে পড়বেন। আর না পড়লেও একবারে শেষ অনুচ্ছেদ (২০) চলে যেতে পারেন।
১৪
এখন কথা হলো ‘পশ্চিম ফ্রি-সেক্সের দেশ’ বহুশ্রুত এই বাক্যটির সঠিক এবং যথার্থ দৃশ্য কিভাবে ফুটিয়ে তোলা যায়? পশ্চিমে পাবলিক ন্যুইসেন্সকে খুব গুরুত্ব দেওয়া হয়। এখানকার উন্মুক্ত পরিবেশে এমন কিছু করা যাবে না যা অন্যের মনে বিরক্তির উদ্রেগ সৃষ্টি করবে।
স্বপ্ন এবং নিজস্ব অভিব্যক্তি…।
স্বপ্ন।। আসলেই একটা বিচিত্র জিনিস। রাত হোক দিন হোক ঘুম এর মধ্যে কখন কি স্বপ্ন দেখি তার ঠিক ঠিকানা থাকে না। কিছু কিছু স্বপ্ন থাকে যা মানুষ দেখতে চায় বার বার। আবার এমন ও আছে যে সে চায় স্বপ্নটা কোন ভাবে সত্যি হয়ে যাক। কিন্তু এই সত্যি হয়ে যাক বেপারে কিন্তু মারটীন লুথারকিং এর “I have a dream” তত্ত্ব খাটে না। কেননা সাধারনত মানুষ এই সব স্বপ্ন পুরনের আশাই করে,
অন্তঃসারশূন্য
রোমান্টিকতা নিয়ে লেখা
অনেকে বলে, অনেকে ভাব নেয় বা অনেকে cool সাজার চেষ্টা করে আর বলে “ আমার Love Story ভাল লাগে না”। আমি শুনলে হাসি মনে মনে আর ভাল বন্ধুরা বললে সামনাসামনি ই হাসি আর বলি চাপা মেরে লাভ নেই।
যে যত যাইই বলুক না কেন। আমরা এই মানব জাতির সকলেই লাভ স্টোরি কম বেশি ভালবাসি। মানে আমাদের ভাল লাগে আর কি। দেখা যায় কেও কেও সেটা স্বীকার করতে লজ্জা পায়।
আবু জাহলের ছেলে ইকরামাঃ ইনিই কি সেই লোকটি?
রাসুলুল্লাহ সাঃ এর সাহাবা হবার সৌভাগ্য যারা লাভ করেছেন কুরআনে বর্ণিত আয়াতের প্রেক্ষিতে তাদের নামের সাথে একটি বিশেষণ তৎপরবর্তি কালের স্কলারগণ যুক্ত করেছেন যা হলো ‘রাদিআল্লাহু আনহু’, যে কথাটার অর্থ হলো আল্লাহ্ যার উপর সন্তুষ্ট হয়েছেন। এই বিশেষণটি যে একদিন ইকরামার জন্য প্রযোজ্য হবে তা ছিল অসম্ভব কল্পনার মতো। তার বাবার নাম হলো আবু জাহল্, যে লোকটি মৃত্যুর আগ পর্যন্ত ছিলো ইসলামের প্রধান শত্রু। বাবার মতোই ইসলাম ও মুসলিমদের সাথে শত্রুতায় আর সকলের চেয়েই অগ্রগামী ছিলো ইকরামা (কিংবা ইকরিমা,
বিস্তারিত»ডেইলি প্যাসেঞ্জার – পর্ব ৪
ইদানিং পাবলিক সবাই স্বাস্থ্য সচেতন হয়ে গেসে। বাড়ি থেকে বের হওয়ার সময় সবাই চিরতার রস খাইয়া বের হয় কিনা কে জানে, তাদের কথাবার্তায় রস কসের বড়ই অভাব ! ভাবছিলাম আমার ডেইলি প্যাসেঞ্জার পর্ব ম্যালাদিন বীর বিক্রমে চালু থাকবে পাবলিকের অবদানে, কিন্তু সেই আশায় গুঁড়ে সুরকি মিশ্রিত বালি ! পাবলিক বাসে উঠলে এখন খালি কাইজ্জা করে, একটুও বিনোদন পাওয়া যায়না ! তারপর ও মাঝে মাঝে আখের মত ছেঁচা দিয়া কিঞ্চিৎ রস বের হয় বৈ কি !
বিস্তারিত»খুঁজবো তোকে জীবনের এই বাস্তবতায়. . . .
তুই কী আমার ছন্দ হবি
মনের দ্বিধা দ্বন্দ্ব হবি
অবিশ্বাসের তর্ক হবি
কাব্য লেখার কলম হবি
দীর্ঘশ্বাসের আশা হবি
ভালোবাসার ভাষা হবি
খুব নিশিথে ঘুম ভাঙানোর অ্যলার্ম হবি
জীবন হবি মরন হবি
ফিরে আসার গল্প হবি
অনেক বেলায় আকাশ জুড়ে
ভেসে যাওয়া মেঘ হবি
বৃষ্টি হবি. . .
এক প্রভাতের শুকিয়ে যাওয়া
ক্ষনিক আলোর শিশির হবি
খুঁটে খাওয়া নখের ব্যথায় কষ্ট পাওয়া ব্যথা হবি
জোছনা হবি
রূপ বিলাবি
তুই কি আমার চোখের পাতায় লুকিয়ে থাকা অশ্রু হবি
আমায় ছুঁবি
বিদায় বেলার শেষ প্রহরে.
অভিনন্দন টাইগার্স
এই মুহূর্তে বাংলাদেশ বিশ্বের চতুর্থ সেরা টি২০ দল। এটা আমার বা অন্য কারো ব্যক্তিগত অভিমত নয়, খোদ আইসিসির অফিসিলায় র্যাঙ্কিং তাই বলছে। জানি এটা গ্রহনযোগ্যতা নিয়ে যথেষ্ট প্রশ্ন উঠবে, আমার নিজের কাছেই এই র্যাঙ্কিং ব্যবস্থা বেশ হাস্যকর লাগছে, যেখানে দুই ম্যাচ আগে আমরা তালিকাতেই ছিলাম না, সেখান থেকে এক লাফে চার নম্বরে! তবে এখন এই র্যাঙ্কিং নিয়ে যত কথাই বলা হোক না কেন, একই পদ্ধতি অনুসরন করে অন্যান্য দেশ যখন টেস্ট,
বিস্তারিত»অচিনপুরে যাত্রা…
হুমায়ূন আহমেদ চলে গেলেন আমাদের ছেড়ে। ব্যক্তিগত জীবনে তাঁর কিছু কাজের জন্য তাঁকে অপছন্দ করলেও তাঁর সাহিত্যকর্মের জন্য প্রাপ্য সম্মানীয় জায়গাটি ছিল অটুট। আমার একজন প্রিয় মানুষ ছিলেন তিনি। অদ্ভুত এক ধরনের শূন্যতা বোধ করছি।
শিল্প-সাহিত্যে ভয়ংকর রকম দুর্বল আর পিছিয়ে থাকা এই আমার সাহিত্য জগতে যা কিছু বিচরণ তার প্রায় পুরোটা জুড়েই হুমায়ূন আহমেদের গল্প আর উপন্যাস – বাকিটা জাফর ইকবাল, সত্যজিৎ রায় আর আর্থার কোনান ডয়েল এর কিছু লেখা।
বিস্তারিত»গত ৭ দিনের ৭ কবিতা
১.
রাত বেড়েছে,রাতের সাথে কালো-
মেঘের ছায়া ছুটছে চাঁদের পিছে
তোমার গায়ে পরপুরুষের শ্বাস
কাঁপছো তুমি নিওন আলোর নিচে।
শঙ্খ বাজে দূর সাগরের পাড়ে
মধ্যরাতে চোখ মেলে ফুলকুড়ি
তোমার দেহে অন্যলোকের চোখ
তাতেও তোমার স্পষ্ট বাহাদুরি।
মাদক লাগা হাসনাহেনার ঝাড়ে
পেঁচিয়ে থাকে মোহগ্রস্থ সাপ
অন্ধকারে সে ঠিকই পায় টের
তোমার দেহে পরপুরুষের ছাপ!
একটি নক্ষত্রের বিদায়
আজ সকালে উঠে অভ্যাসবশতঃ অনলাইনে পত্রিকা খুলেই দেখি হুমায়ুন আহমেদের মৃত্যু-সংবাদ! – আমার কাছে এটা একটা আকষ্মিক সংবাদই। কারণ, পত্রিকা মারফত বেশ কিছুদিন ধরে জানতে পারছিলাম তার শরীরিক অবস্থার ক্রমান্নতির কথা। আশা করেছিলাম তিনি পুরোপুরি সুস্থ হয়ে আবার ফিরে আসবেন আমাদের মাঝে।
আমার পাঠাভ্যাসে এক বিশাল অংশ জুড়ে আছেন হুমায়ুন আহমেদ। শুরু করেছিলাম তার ‘আমার আছে জল’ আর ‘তোমাদের জন্য ভালোবাসা’ দিয়ে, সে-ই ক্লাস সিক্সে।
বিস্তারিত»হুমায়ূন আহমেদ
আমার এখন হিংসাই হচ্ছে। একটা মানুষ এত মানুষের ভালবাসা পায় কি ভাবে। মাত্র ঘন্টা খানেক পার হয়েছে তার মৃত্যু সংবাদের অথচ দেশ-বিদেশ জুড়ে সবাই শোক-বার্তা পাঠাচ্ছে। বন্ধুর ফোন পাচ্ছি – “শুনেছিস ?”
হুমায়ূনের লেখার ভাষা সহজ সরল – কোন অতিরিক্ত বাহুল্য নেই সেখানে। অথচ এই সহজ ভাষার লেখা দিয়েই সবার মন জয় করেছেন তিনি। এখানে অবশ্য তার লেখা সম্পর্কে কিছু লিখতে বসিনি। ইতিমধ্যে অনেক লেখা বের হবে হুমায়ূনের জীবনের বিভিন্ন অধ্যায় নিয়ে।
বিস্তারিত»প্রিয় হুমায়ূন আহমেদ
প্রিয় হুমায়ুন আহমেদ,
অনেক আবেগ জমে গেলে আমি লিখতে পারিনা। শ্রাবন মেঘের দিনে তোমার চলে যাওয়াটাও মানতে পারছিনা। এই শ্রাবনে তোমার কোথাও যাবার কথা ছিলনা। শঙ্খনীল কারাগার কিংবা নন্দিত নরক কেউ তোমাকে পাওয়ার যোগ্য নয়। তুমি কৃষ্ণপক্ষের চাঁদ হয়ে আমাদের জোছনা ও জননীর গল্প শোনাবে। তেতুল বনে যে জোছনার রূপ ঝরে পড়বে। মধ্যাহ্নের তীব্র রোদে হিমু হেঁটে চলবে ঢাকার রাস্তায়,তুমি রূপাকে চিরদিনের জন্য তাঁর করে দেবে।
বিস্তারিত»