এক
ভালবাসি বলিনি কেউ
চোখের তারায় বিরহ শতদল
দুই
পশ্চিমে নির্ঘুম রাত, পূর্বে কাজলচোখে জল
তিন
তোমার অহংকারের রূপটি দেখিওনা, সুদূরিয়া
জানোতো, আমারও আছে অজগর একখানা!
চার
ওষ্ঠে তোমার দ্বিধা কেন?
দ্বিধা নয়তো!
চুম্বনে আর আশ মেটেনা, একলা জেগে রই!
এক
ভালবাসি বলিনি কেউ
চোখের তারায় বিরহ শতদল
দুই
পশ্চিমে নির্ঘুম রাত, পূর্বে কাজলচোখে জল
তিন
তোমার অহংকারের রূপটি দেখিওনা, সুদূরিয়া
জানোতো, আমারও আছে অজগর একখানা!
চার
ওষ্ঠে তোমার দ্বিধা কেন?
দ্বিধা নয়তো!
চুম্বনে আর আশ মেটেনা, একলা জেগে রই!
: কাল সারারাত ঘুম হতে চাইছিল না, শুধু ছটফট করেছি। আজ তোমার সাথে কখন কথা হবে এই ভেবে ভেবে ছিলাম অস্থির!
এরকম কেন হলো, আমার?
: প্রতীক্ষা ব্যাপারটি তাহলে বেশ থ্রিলিং মানতেই হবে।
: ইস, আমার যে কী হয়, তা যদি উনি বুঝতেন। উনার কবিতা করাই সার!
: তাহলে এখন সুখী?
: সুখই তো, আবার দুঃখও হয়; কিছুক্ষণ পরেই কথা ফুরোবে,
জন্ম
মুহাম্মদ ওবায়েদুল্লাহ
নারীর অস্রুত আতুরের গন্ধ
শরীরে লেগে আছে,
ভালবেসে তোর বুকে লেখা কবিতা
গান হয়ে দোতরায় আজো তেমনি কাঁদে,
বাধ ভাঙ্গা জোয়ার জলে
জীবন সাঁতরিয়ে ডাঙ্গায় উঠে চোখ মেলে
দেখে মানুষের মুখ ।
ভোরের আলোয় পদর্া তুলে
রৌদ্র উকি দেয়,
আলিঙ্গনে আকে তোর গভর্ে গল্প গাঁথা
সুখ হয়ে কপোলে আজো তেমনি হাসে,
অনিকেত
পৃথিবী যে ঘুরে সেটা সর্বপ্রথম টের পাই ট্রেনে বসে!
ক্যাডেট কলেজে পড়ার সময়ে ক্লাস সেভেনে আমার সবচেয়ে প্রিয় সাবজেকট ছিল ভূগোল। ফখরুজ্জামান স্যার আমাদের ভূগোলের টিচার ছিলেন। কলেজের দ্বিতীয় বা তৃতীয় ক্লাসেই তিনি একটা kaleidoscope নিয়ে এসেছিলেন আমাদের ক্লাসে। ঘূর্ণায়মান বিচিত্র রঙের খেলা দেখে আমি অবাক।এর পর একদিন তিনি ক্যাসেট প্লেয়ারে রেকর্ড করে আনলেন গভীর সমুদ্রের তিমি মাছের গান বা গর্জন।
বিস্তারিত»০৫ অক্টোবর ২০১৫। জাতিসংঘের সাহায্যপুষ্ট আরো বৃহত্তর জোট নিয়ে ইসলামিক স্টেট (আইএস) এর জেহাদীদের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়বার প্রস্তাব রাখলেন তিনি। গত এক দশকের মধ্যে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভায় তার এই প্রথম ভাষণে গঠনমূলক, অর্থবহ আর অবাক করা খোলামেলা বক্তব্যে স্পষ্ট ভাষায় মধ্যপ্রাচ্যে আগ্রাসী হস্তক্ষেপের তীব্র সমালোচনা করলেন। তিনি বললেন, “এর ফলেই গোটা মধ্যপ্রাচ্য জুড়ে আজ তৈরী হয়েছে এক নৈরাজ্যবাদী অঞ্চল। যা খুব দ্রুতগতিতে লাগাতারভাবে ওই এলাকায় তৈরী করে যাচ্ছে চরমপন্থী আর সন্ত্রাসী।
বিস্তারিত»পাবলো নেরুদাকে নিয়ে নানান ব্যক্তির সংক্ষিপ্ত স্মৃতিচারণের সংকলন এ বইটি। নেরুদাকে যাঁরা জানেন ও পছন্দ করেন, তাঁদের উদ্দেশ্যে। গ্রন্থটির ইংরেজি অনুবাদ থেকে বাংলায় অনূদিত।
Pablo Neruda: Absence and Presence 
মূল:Luis Poirot
ইংরেজি অনুবাদ:Alastair Reid
১৯৭৩ এর গ্রীষ্মে আমি ও পাবলো পনের দিনব্যাপী এক আড্ডায় মেতেছিলাম। আমি ছিলাম El Tabo তে, Isla Negra থেকে সহজ হাঁটা দূরত্বে।পাবলো সিয়েস্তা থেকে ওঠার পরপরই প্রতিদিন নিয়ম করে সেখানে হাজির হতাম আমি।
বিস্তারিত»জাদু বাস্তবতার গল্পে কী থাকে? ঘর! …ঘর পেরুলেই নীল হ্রদ…যতদূর চোখ যায় নীল,নীল…নীলের পর আবার নীল পাহাড়ের সারি…দূরে আরেকটা নীল পাহাড়ের সারি…কাছেরটা গাঢ়,দূরেরটা ঝাপসা…ঝাপসা হতে হতে শেষে আকাশে গিয়ে মেশে নীল।সেখানে লাল আর কমলার এলোমেলো পোচ…হাওয়া লেগে ছড়িয়ে যাওয়া রঙিন মেঘ। এই রঙিন মেঘগুলোই ফড়িঙ হয়।
রঙিন মেঘ ফড়িঙ হয়
আকাশ ছোঁয় হাওয়ার টান
মাচার ‘পর পরীর ঘর
হলুদ রঙ পাখির গান
হলুদ রঙ পাখির গান
মাতাল সুর,
মানুষের জীবনে হতাশাকাল কতোটা লম্বা হয়? আমি জানি না। তবে দীঘর্, বেশ দীঘর্ এমন এক বিরক্তিকর সময় পার করছি, যেখান থেকে বের হতেই পারছি না। নাকি বের হওয়ার উপায় জানি না?
এক. বেসিক ব্যাংক নিয়ে প্রশ্নে জর্জরিত দুদক
দুই. সাংসদ লিটনকে ‘খুঁজে’ পাচ্ছে না পুলিশ
তিন. সোয়া দুই লাখ বিদেশির ‘নিরাপত্তার ব্যবস্থা’ নিচ্ছে সরকার
চার.
বিস্তারিত»যতদুর জানি, ইসিএফ (এক্সক্যাডেটস ফোরাম) এখনো কোন আনুষ্ঠানিক সংগঠিন না। মূলতঃ এটি তরুণ এক্সক্যাডেটদের একটি ফেসবুক ভিত্তিক প্ল্যাটফর্ম।
কোন সংগঠনকে কার্যকর হতে হলে তাঁর আনুষ্ঠানিক অস্তিত্ব যে জরুরী হতেই হবে, এমন ধারনার প্রতি তাই ইসিএফ একটি চ্যালেঞ্জ।
তবে আশার কথা, ইসিএফ নিয়ে ভাবনা চিন্তা ও প্রস্তুতি চলছে একে আনুষ্ঠানিক রূপ দেবার। আশা করছি, অচিরেই তা হয়ে যাবে।
আজকের লিখাটা ইসিএফকে পরিচয় করানোর জন্য না।
বিস্তারিত»: একটা কথা বলবো?
: বল।
: কোন কিছু নিয়ে বেশি ভাবছো?
চুপ ক’রে আছ কেন?
: আচ্ছা, বলো তো, আমার চোখগুলা কি অসুন্দর?
তুমি ভাল ক’রে কখনো তাকিয়ে দেখেছো?
: দেখি তো শুধু তোমাকেই। তোমার মোলায়েম মুখখানা, মাঝে মাঝে হঠাৎ অস্থির হয়ে থাকা চোখ, কপালের ওপর দু’তিনটে চুল, গাল বেয়ে পড়া ঘাম।
: আজ আমার চোখকে খুনীর চোখ বলেছে এক বন্ধু …
এক.
একাকী জলপিপি
হয়েছে ক্লান্ত
ফেরেনি এখনো, জীবনানন্দ …
দুই.
আনখসমুদ্দুর জানা চোখও
হয় বিষন্ন, অচেনা
এই গাঢ় পঞ্চমীর রাতে …
তিন.
রাত ক্রমশ নিস্তব্ধ হয়
তুমি আসছো ভেবে
লীলাবতী জ্বোনাকিরাও নিভেছে ..
হাইকু লেখার চেস্টা করি, কিন্তু হাইকু বলতে বাধে। তাই ত্রিপদী বলি।
এক এবং দুই ফেসবুকে প্রকাশিত
আন্তঃহাউস গার্ডেনিং প্রতিযোগিতাঃ
আন্তঃহাউস আর্টস এ্যন্ড ক্র্যাফ্টস প্রতিযোগিতার মত আরেকটা প্রতিযোগিতা যেটাতে দক্ষতা নির্বিশেষে সবাইকে অংশগ্রহণ করতে হতো, সেটা ছিলো আন্তঃহাউস গার্ডেনিং প্রতিযোগিতা। বাগান করার জন্য আমাদের হাউসের সামনে যে জমিটুকু বরাদ্দ করা হয়েছিলো, সে্খানে ছিল ইমারত নির্মাণকালীন সময়ে ইট সুরকি ইত্যাদির ভাগাড় আর পানি ধরে রাখার আধার। প্রতিদিন আমাদেরকে গেমস পিরিয়ডের পরে ঘন্টাখানেক সেখানে শারীরিক শ্রম দিতে হতো। মাটি ভীষণ শক্ত ছিলো, কোদাল চালালে শুধু ইট পাথর আর সুরকির কণা বেরিয়ে আসতো।
কখনো আধো ঘুমে কখনো আধো জেগে
তুমি চোখ মেলে আইফোনে দেখো খুঁজে
কেউ জানালো কিনা কোন কোমল কথা
যা আর্দ্র করে দেয় দেহ মন চোখ, অযথা।
যদি কোন বাণী থাকে তবে চোখ খুলে যায়,
অঙুলি চলে যায় কী বোর্ডের ছোট্ট লেখায়,
লিখে যাও কত চিরকুট রোমান্টিক আবেশে
কখনো ভারী মনে, কখনো বা মুচকি হেসে।
যদি কোন নতুন বাণী জ্বলজ্বল করে না ভাসে,
বিস্তারিত»এই যে স্বচ্ছ জল
এই টলটল সরোবর
এখানে তোমাকে দেখি
প্রতিদিন।
প্রতিদিন সুর আসে
তোমার চাউনির
অবাধ্য বাতাসে;
যেন বা ব্যাকুল হাঁস তুমি
মরাল গ্রীবায়
আমাকে ডাকো —
এমন কোমল ভোরে,
শান্ত সবুজ তীরে
অবিরল
‘হংসধ্বনি’ শোনাতে থাকো
একটা হাইকু Some of griefs are gone /when they come naturally/force and it’s a crap এর শিরোনাম দিতে গিয়ে দেইনি। দুটো কারণ। হাইকুতে শিরোনাম চলে না। পাঠকের সাথে মজা করতে ইচ্ছা হল। কেউ আমার চিন্তাটা ধরতে পারে কি না সেটা বোঝা। যাক গে, ইংরেজীটা বাংলা করলাম।সেটা হয়ে গেল একটা ভণিতা।
আসলে পরে সহজেতে
পালায় কিছু যাতনা
জবরদস্তি করলে ভায়া
বাড়ে শুধু আবর্জনা
ফেসবুক মন্তব্য- শব্দযুগল অপনয়ন আবশ্যক।
বিস্তারিত»