পনেরো অক্টোবরের কবিতাঃ খেলা-১

চোখের মধ্যে শোক, নখের ভেতর পাপ
স্মৃতির তোরঙ উজাড় করা
অস্বচ্ছ সংলাপ

কিশোর কালের ভুল,উজান নদীর স্বাদ
চোখের প্রেমে চোখ পড়েছে
এই তো অপরাধ

স্কার্ফে তোলা ফুল, ফুলের বুকে কীট
সে কী করে জানবে কেমন
দেয়াল তোলার ইট

ইটে গড়া দেয়াল তুলে মধ্যে ব্যাবধান
দুপাশে দুই বন্দী মানুষ
এই তো তিনি চান

তিনি চান এই ভুল,তিনিই চান এই জল
তিনি যা চান তাতেই জানি
সব রকম মঙ্গল

খানিকটা প্রেম ভালো,খানিকটা ভঙ্গুর
এবার ভাবি পালিয়ে যাবো
সবার থেকে দূর

লালচে হওয়া চোখ,

বিস্তারিত»

~ কারোই কিচ্ছুটি নেই দোষ ~

জেগে আছি ভেবে
পাখিরাও বসেছিলো কাঁধে,
প্রজাপতি
আঙ্গুলের আনাচে কানাচে।

অগোছালো পাতাদের
নিরন্তর আহলাদে
শালিখেরা খেয়েছে
করতল খুঁটে খুঁটে।
বাবুই আর চড়ুইয়ের দল
কথার কোমল বিষাদে
এঁকেছিলো শব্দের আলপনা
কন্ঠার জেগে ওঠা তল্লাটে।

পায়ের পাতার কাছে
অপেক্ষামগ্নতার
লতানো টেরাসে
অচেনা ফোটা ফুল
পাঁপড়ির বিভাজিকা
মেলে ধরা উৎসবে
চেয়েছিলো উঠবে বেড়ে
স্থবির চোখের কাছে
ঠিক চিবুকের সমান।

বিস্তারিত»

সমকালীন বিশ্বের ভিন্নপাঠ: আলান কুর্দির মৃত্যু, মানবতাবাদী পশ্চিমা দুনিয়া এবং সংঘাতে লিপ্ত আরব জনগোষ্ঠী

Most people can get along better without a vote than without a roof over their heads. Or without their heads. – Diana Johnstone
Destabilisation is Washington’s tool and game in a time when America’s long-lost economic-capitalist hegemony is fading at an ever accelerating pace. – Paul Street

১৪৫৩ সাল। ২১ বছর বয়সী তুর্কি সুলতান মেহমেত (দ্বিতীয়) বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্যের রাজধানী কনস্টান্টিনোপল অবরোধ করেন।

বিস্তারিত»

ছবিতে পালো ডুরো ক্যানিয়ন

এই উইকএন্ডে ঘুরে এলাম পালো ডুরো ক্যানিয়ন, অ্যামারিলো টেক্সাস এ। ছবিতে ছবিতে  ঘুরে আসি আমরাও…..

স্টেক আর রেড নেক টেক্সানদের গল্পটা সামনে লিখব ইনশাল্লাহ ………..

বিস্তারিত»

নিউরনে আলাপনঃ সাত

: একজনের ঘুম কেড়ে নিয়ে নিজে ভোঁস ভোঁস ক’রে ঘুমায়।
এটা কি অবিচার নয়?
তাই সকাল সকাল জাগিয়ে দিলাম, রাগ করলে?
: না, এইতো আরেকটু পরেই উঠতাম।
: আচ্ছা, আমার খুব দেখতে মন চায়, ঘুমিয়ে থাকলে তোমায় কেমন দেখায়?
: বোকাদের যেমন দেখায়, শিশুর মত ঘুমে কাদা হয়ে পড়ে আছে, হা করা মুখ গ’লে লালা বের হয়ে গাল বেয়ে নেমে বালিশ ভিজিয়ে দিচ্ছে!

বিস্তারিত»

বন্দী নিশাচর

রাত বারোটা-
সবে তো রাত শুরু
জেগে উঠছে কিছু আজব প্রাণীর দল।
ক্লাশ টুয়েলভের সবচেয়ে সুবোধ বালকটা
মাত্র রুমের দরজা খুলে বের হল।
ডিউটি মাস্টার চলে গেছে-
হাউস বেয়ারাও ব্যস্ত সুখের নিদ্রায়,
মোবাইলের চার্জও শেষ।
এইত সময়-
ছক কষার।
হাতে অনেক কাজ বাকি-
টিভি রুমটা খুলতে হবে,
চ্যাম্পিয়নস লীগের ম্যাচ আছে-
অমুকের মনটা আজ ভাল নেই,তাই-
সে ব্যস্ত টেংকিতে ওঠার রাস্তা বানাতে,

বিস্তারিত»

“আজ আড়ি কাল ভাব”

তোমার সঙ্গে যতো জিদ আমার
সব মান অভিমান

তোমার সঙ্গে মেঘ রোদ্দুর খেলা
বেলা অবেলা, সারাবেলা

ক্ষণে ক্ষণে ঝগড়া খুনসুটি
চলছে চলুক আড়ি আর ভাব

[চার শব্দের শিরোনামটি স্টার জলসা’র একটি সোপে’র নাম থেকে নেয়া]

বিস্তারিত»

আঁতেল মন্তব্য সংকলন

অন লাইনে লেখালেখিতে পাঠকের মন্তব্যের একটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। নেতিবাচক মন্তব্য আপনার লেখালেখিতে খারাপ প্রভাব ফেলতে পারে। আবার সেটা উতরে গেলে পেতে পারেন ব্যাপক বিনোদন। বিষয়টা নির্ভর করে মন্তব্যের ধার এবং আপনার মানসিক শক্তির ওপর। এ রকম কিছু মন্তব্য এবং সংশ্লিষ্ট পোস্ট এখানে উল্লেখ করছি-

ফেসবুক

এশিয়া কাপ এবং টিটুয়েন্টি বিশ্বকাপ নিয়ে  লিখেছিলাম ক্রিকেট স্বপ্ন। তার কিছু কিছু ফেসবুকে দিচ্ছিলাম।নেপালের সাথে খেলার আগে স্ট্যাটাস দিলাম-

শেরপা শ্রেষ্ঠা নেপালী
ভোঁতা হবে ভোজালী
চামড়া বড্ড শক্ত আছে
খাই না তো ঘাস বিচালী।

বিস্তারিত»

কলোনীবৃত্তান্ত

আ হা সে-উচ্ছ্বাস!
সিঁড়িতে তোমার পায়ের ছাপ দেখে
পানের ছোপে লাল হয়ে ওঠা দেয়াল
আরেকটু আরক্ত।
কতিপয় দুষ্টু ছোঁড়া গোটা গোটা অক্ষরে
আমাদের নামের মধ্যে প্লাস
বসিয়ে দিয়েছে দেখে
বেদম পেটালো বাবা,
শরীরে বেতের দাগ নিয়ে
ফোঁপাতে ফোঁপাতে
মাথা নুয়ে পড়ে
সেসব ছেলেদের প্রতি
অসুস্থ কৃতজ্ঞতায়

প্রাইভেট পড়তে গেলে
বীজগণিতের জটিলরাশিমালা যেন
স্থির আর ধীর দুটো চোখ –

বিস্তারিত»

বইচুরি

বইচুরি

প্রত্যেকেরই শৈশব, কৈশোর বা নিদেনপক্ষে যৌবনে চুরির হিস্ট্রি থাকে বলে আমার ধারনা! বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘পথের পাঁচালী’ উপন্যাসের কিশোরী দুর্গার বিরুদ্ধে একবার প্রতিবেশিরা পুঁতির মালা চুরির অভিযোগ আনে এবং দুর্গা যথারীতি সেই অভিযোগকে অস্বীকার করে বসে। দুর্গা মারা জাবার পর কাশী যাওয়ার আগে গোছগাছ করার মুহূর্তে অপু দুর্গার একান্ত সংগ্রহের ঝাঁপিতে চুরি করা গলার মালাটিকে আবিষ্কার করে এবং দুর্গার লজ্জাকে ঢাকার জন্যে অপু মালাটিকে ছুড়ে ফেলে পুকুরের পানায় – “ মালার আঘাতে পানা সরে যায় বৃত্তাকারে,

বিস্তারিত»

অলৌকিক ভালবাসা!

অলৌকিক ভালবাসা!

‘‘ঈশ্বরকে ডাক দিলে মাহফুজা সামনে এসে দাঁড়ায়
আমি প্রার্থনার জন্য যতবার হাত তুলি সন্ধ্যা বা সকালে
সেই নারী এসে আমার হৃদয়ে তোলপাড় করে যায়’’- কবি মজিদ মাহমুদ

ঝাড় কাটা হাইস্কুল নামক একটা কো-এডুকেশন স্কুলে আমি দুই বছর পড়াশুনা করেছি। ক্লাস সিক্স এবং সেভেন। তারপর ক্যাডেট কলেজ। আমাদের ক্লাসরুমটার ছাদ আর দেয়াল ছিল এসবেসট এর সিমেন্টএর তৈরি। পায়ের নিচে শক্ত এঁটেল মাটীর মেঝে।

বিস্তারিত»

আলোকচিত্র

ক্রমে ক্রমে নির্গুণ হয়ে যাচ্ছি। শখের ফটোগ্রাফার ছিলাম। মোবাইল ফোনে ক্যামেরা যুক্ত হওয়ায় এখন সবাই তাই। কম্পিউটার শিখেছিলাম নিরানব্বইতে সালে। সেটা এখন কে পারে না ? টুকটাক কবিতা লেখি। ফেসবুকের কল্যাণে এখন প্রচুর কবি। তাই প্রথমে যা ছিলাম এখনও তাই। বিশেষ কিছু নই, একদমই সাধারণ। আমার পছন্দের কয়েকটি সাধারণ আলোকচিত্র আপলোড করলাম। আশা করি ভালো লাগবে।

বিস্তারিত»

উপায় নেই

কবিতা না লিখে কোন উপায় নেই,
কেন? আমার যে কোন শ্রোতা নেই!
আমার মুখেও তো কোন ভাষা নেই।
অথচ ভেতরে অনেক কথা আছে,
যেগুলো বলা খুব সহজ কথা নয়
যেগুলো শোনার কারো সময় নেই।

আমার অনেক বিমূর্ত ভাবনা আছে।
ভাবনাগুলো আষ্টেপৃষ্ঠে জড়িয়ে আছে,
করোটির গভীরে জমাটবদ্ধ মস্তিষ্কে।
আমার অনেক বদ্ধ দীর্ঘশ্বাস আছে,
যেগুলো বাঁধা আছে বুকের হাপরে।

বিস্তারিত»

জীবনের জার্নাল – ১৭

তৃতীয় এ্যাডজুট্যান্ট ক্যাপ্টেন এ কাইয়ুম মালিক, আর্টিলারীঃ
ক্যাপ্টেন আনোয়ার আমাদের কলেজের এ্যাডজুট্যান্ট থাকা অবস্থাতেই মেজর পদবীতে উন্নীত হয়েছিলেন। পদোন্নতির পর তাঁর বদলির আদেশ আসে। আর্টিলারী কোর এর ক্যাপ্টেন এ, কাইয়ুম মালিক তাঁর স্থলাভিষিক্ত হন। নতুন এ্যাডজুট্যান্ট দেখতে খুব ইয়ং লুকিং ও সুদর্শন ছিলেন, নম্রতা ভব্যতার দিকেও একটু এগিয়েই ছিলেন বলতে হয়। তার তুলনায় আমার মনে হয় ক্যাপ্টেন আনোয়ার একটু বেশী রাফ এ্যান্ড টাফ ছিলেন হয়তো এ কারণে যে তিনি আমাদের সিনিয়র ভাইদেরকে কাকুলস্থ পাকিস্তান মিলিটারী একাডেমীর কঠোর প্রশিক্ষণ পরিবেশের সাথে এখান থেকেই কিছুটা ধাতস্থ করে তুলতে চেয়েছিলেন।

বিস্তারিত»

কলেজ জীবনের সাতকাহন (গ্যাং অব চোর)

কলেজে থাকতে আমরা ছ’জন ছিলাম আম-কাঁঠাল চুরির ওস্তাদ। আমি, নাসিম, শহিদ, মেহেদি, শফি আর আনিসুল। আমি ছিলাম আশঙ্কাজনক রকমের হ্যাংলা পাৎলা, জোর বাতাসে উড়ে যাবার মত পলকা। তাই আমাদের অপারেশনগুলোতে শরীরের চেয়ে মাথা আর চোখ-কান ব্যবহারের কাজেই আমাকে বেশি ব্যবহার করা হত। অসাধারণ মেধাবী অথচ কেয়ারলেস এবং রিতিমত পালোয়ানী ফিগারের নাসিমের কাজ ছিল ধরা খাবার সম্ভাব্য পরিস্থিতিতে তাঁর সুবোধ বালক সুলভ ইমেজটা ব্যবহার করে নিজের এবং বাকিদের পিঠ বাঁচানো।

বিস্তারিত»