ইসিএফ-এর চলমান ইভেন্ট টয়েজ আর ইওরস…

যতদুর জানি, ইসিএফ (এক্সক্যাডেটস ফোরাম) এখনো কোন আনুষ্ঠানিক সংগঠিন না। মূলতঃ এটি তরুণ এক্সক্যাডেটদের একটি ফেসবুক ভিত্তিক প্ল্যাটফর্ম।
কোন সংগঠনকে কার্যকর হতে হলে তাঁর আনুষ্ঠানিক অস্তিত্ব যে জরুরী হতেই হবে, এমন ধারনার প্রতি তাই ইসিএফ একটি চ্যালেঞ্জ।

তবে আশার কথা, ইসিএফ নিয়ে ভাবনা চিন্তা ও প্রস্তুতি চলছে একে আনুষ্ঠানিক রূপ দেবার। আশা করছি, অচিরেই তা হয়ে যাবে।

আজকের লিখাটা ইসিএফকে পরিচয় করানোর জন্য না। বরং তাদের চলমান ইভেন্ট “টয়েজ আর ইওরস” (Toys R Urs সংক্ষেপে TRY) নিয়ে এবং TRY সম্পর্কে আমার ব্যক্তিগত কিছু অভিজ্ঞতা নিয়ে।

(ইসিএফ সংশ্লিষ্টরা তাদের নামোল্লেখ পছন্দ করে না বলেই আমার মনে হয়েছে। তাই নামোল্লেখ না করেই লিখার চেষ্টা করছি)।
ঘটনার শুরু, এক সদস্যের এক আইডিয়া দেয়া থেকে। আইডিয়াদাতা বক্তব্য ছিল যে, সামর্থ্যবানরা তাদের সন্তানের জন্য যে খেলনা কেনে। তার বেশিইরভাগই যথেষ্ট ব্যবহারোপযোগি অবস্থায় পরিতাক্ত হয়। অথচ সুবিধাবঞ্চিত শিশুরা খেলনা পাওয়া থেকে রয়ে যায় বঞ্চিত।
ইসিএফ কি এমন কিছু করতে পারে, যাতে করে ঐসব ব্যবহারযোগ্য পরিতাক্ত খেলনা সংগ্রহ করে তা সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের হাতে পৌছুনো যায়?

আইডিয়াটা নিয়ে ইসিএফ এডমিনরা এবং সদস্যরা অনলাইন-অফলাইন ব্রেন-স্টর্মিং করে একটা ওয়ার্কিং প্ল্যান (স্বম্ভবতঃ অলিখিত) দাড় করায়। সেটাও প্রায় বছর খানেক আগের কথা।

এরপর এরই ধারাবাহিকতায় মাসকয়েক আগে শুরু হয় খেলনা সংগ্রহ।

সম্পুর্ন স্বেচ্ছা শ্রমের ভিত্তিতে ইসিএফ সদস্যরা প্রথমে ঢাকা পরে সারা দেশ থেকে খেলনা সংগ্রহ শুরু করে। অবাক ব্যাপার হলো এখন দেশের বাইরে থেকেও খেলনা আসছে এইসব সুবিধা বঞ্চিত শিশুদের জন্য।

বড় বড় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও কর্পোরেট হাউজগুলিও এই উদ্যোগে সারা দিয়েছে। তাদের প্রতিষ্ঠানে খেলনা সংগ্রহ হয়েছে।

মনে রাখা প্রয়োজন যে শুধু খেলনা সংগ্রহ করাই তো শেষ কথা না। সংগৃহীত খেলনাগুলোকে বিতরনের উপযুক্ত করার একটা ব্যাপারও থাকে।
একজন এক্সক্যাডেট তাঁর প্রতিষ্ঠানে স্থান সংকুলন করে দিয়েছেন এগুলো রাখা ও বিতরনোপযোগি করার জন্য। আর অন্যরা ছুটির দিন নিজেদের আরাম হারাম করে সেগুলো পরিষ্কার করাই শুধু না, মেরামত করে, সেলাই করে, বাছাই করে তা বিতরনোপযোগি করেছে।

মজার ব্যাপার হলো, এই সম্পুর্ন কাজগুলাই হয়েছে স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে। আর তাই স্বতঃস্ফুর্তভাবে।

ভাবা যায়???

ইসিএফের এই পুরো কর্মকান্ডটা যাদেরই গোচরে এসেছে তাঁরাই এর অংশ হতে চেয়েছে।
এমনই এক প্রতিষ্ঠান হলো ইউনিয়ন স্ট্রিট এপারেল নামক বাচ্চাদের পোষাকের এক প্রস্তুত ও বাজারজাতকারি।
তাদের পৃষ্ঠোপশোকতায় বর্তমানে দারুন ভাবে এগিয়ে চলছে TRY-এর কর্মকান্ড।

এখন পর্যন্ত অনেক অনেক বিখ্যাত ব্যক্তিবর্গ এই খেলনা সংগ্রহ ও বিতরন প্রক্রিয়ার সাথে যুক্ত হয়েছেন। আরও হচ্ছেন।
দেশের প্রথম সারির প্রচার মাধ্যমে এই ইভেন্টিটি গুরুত্বের সাথে স্থান করে নিয়েছে। আর এতে করে দেশ বিদেশে এক্সক্যাডেটদের সুনাম বেড়েছে।

গতকাল আমার সৌভাগ্য হয়েছিল এই কার্যক্রমের অধীনে একটি বিতরন কর্মকান্ডে শরিক হবার।

মিরপুরে একটি ভাড়া করা স্থানে সুবিধাবঞ্চিত ৪০ জন শিশুর জন্য পরিচালিত এক ডেকেয়ার সেন্টারে TRY-এর যে খেলনা বিতরন গতকাল (৪ অক্টোবর ২০১৫) অনুষ্ঠিত হয়, আমি সেখানে ছিলাম।

অসাধারন কিছু অভিজ্ঞতা হলো সেখানে কিছুক্ষণ সময় কাটিয়ে।
খুব বেশি কিছু বর্ননা দেবার নাই সেই আনন্দময় ১৫ মিনিটের বরং চলুন কিছু ছবি দেখি তার…

20151004_105251

আমরা সবাই রেডি…

20151004_105407

নিজ হাতে সব সাজাচ্ছে সালমান

20151004_105535

20151004_105550

 

20151004_105954

আমারটাও মস্ত বড়!!!

20151004_110001_001

কত্তো বড় পুতুল আমার!!!

 

20151004_110744

আমার চেয়েও বড়?

20151004_110656

আমারটাও

Xtra-2

কি লিখা সব, এখানে?

20151004_110850

এত্তোবড় গাড়ী?

20151004_110055

20151004_110549

৪,৪২২ বার দেখা হয়েছে

৪৭ টি মন্তব্য : “ইসিএফ-এর চলমান ইভেন্ট টয়েজ আর ইওরস…”

  1. অরূপ (৮১-৮৭)

    পারভেজ ভাই, পোস্টটার জন্য ধন্যবাদ।
    যদিও এই উদ্যোগের মূল যে কনসেপ্টের কথা আপনি বললেন তাঁর সাথে আমার দ্বিমত আছে।
    প্রথমত,
    আচ্ছা বলেন তো, আমাদের বাচ্চাকে কি আমরা অন্য কারো ব্যবহৃত খেলনা এনে দেই খেলবার জন্য ???
    এক সময় প্রথম বিশ্ব আমাদের সাথে এই আচরণ করতো, মনে আছে ভাই।
    তাদের যাবতীয় ব্যবহৃত কাপড় চোপড় আর এই জাতীয় বহু না নষ্ট হওয়া জিনিষ তৃতীয় বিশ্বে পাঠায় দিত আর আমরা "লান্ডির মাল" পড়ে ধন্য হইতাম।
    আমি নিজেও ব্যবহার করছি। কারো ব্যবহৃত জিনিষ ব্যবহার করতে হচ্ছে ভেবে একধরনের হীনমন্যতা তৈরী হত।
    শুধু মাত্র সুবিধাবঞ্ছিত বলে এই শিশু গুলির সাথে এই আচরণ করাটা কতটা যুক্তিযুক্ত।
    দ্বিতীয়ত,
    যে ছবিগুলি দেখলাম তাতে টুইটি, পিঙ্ক পান্ডা, টেডি, ব্যাটারী চালিত গাড়ী দেখলাম। এইগুলি আমাদের কার্টুন মুখস্থ বাচ্চাদের জন্য অনেকটা রেলেভেন্ট। কিন্তু এই বাচ্চা গুলির কাছে কতটা??? এরা কি এই গুলি বাসায় নিয়ে যায় ?? কি করে এইগুলি নিয়ে, আমরা কি কোন ফলো আপ রাখছি???
    তৃতীয়ত,
    কর্পোরেট হাউজগুলি সোশ্যাল ওয়েলফেয়ার ফান্ড এর আওতায় এই কাজগুলি করে। এটার পিছনে কি তাদের ডীপ কোন কন্সার্ন আদৌ আছে ? তাদের এই টাকাগুলি এই সুপারফিশিয়াল রাস্তায় খরচ না করে, আরো বহু রাস্তা ছিল এই সুবিধাবঞ্ছিত বাচ্চা গুলিকে সাহায্য করার।
    আমরা কি একটা কাজ করে দেখতে পারি, আমাদের বাচ্চাদের আমরা এখান থেকে খেলনা কিনে দেই। ( আমরা কি আদৌ তা করবো? ) সেই টাকাটাই নাহয় ব্যবহার করি, এই সুবিধাবঞ্ছিত বাচ্চাগুলিকে জরুরী জায়গা গুলিতে সাহায্য করার জন্য।

    পুরাটাই ব্যক্তিগত অভিমত। আবারো ধন্যবাদ।


    নিজে কানা পথ চেনে না
    পরকে ডাকে বার বার

    জবাব দিন
    • রবিন (৯৪-০০/ককক)

      ভাইয়া, অনেক কোম্পানী নতুন কিনে দিয়েছে। অনেকে নিজে থেকেও দিয়েছে। এদের কে পুরাতন ও তো কেউ দিতো না, একটা ভালো জিনিস শুরু করা হয়েছে, আমরা সবাই সাহায্য করি ভালো ভালো উপদেশ দিয়ে।
      কেউ বাচ্চাদের খাবার দেয়, কেউ পোষাক দেয়, আমরা না হয় খেলনাই দিলাম। অন্য গুলা দিতে তো কাউকে মানা করা হয় নাই।
      সরি, ভাইয়া, যদি ভুল কিছু বলে থাকি।

      জবাব দিন
    • পারভেজ (৭৮-৮৪)

      "যদিও এই উদ্যোগের মূল যে কনসেপ্টের কথা আপনি বললেন তাঁর সাথে আমার দ্বিমত আছে।"
      দ্বিমত তো থাকতেই হবে। দ্বিমত না থাকলে চিন্তা ভাবনা এগুবে কিভাবে।
      অনেক কিছু নিয়ে আমারও যে দ্বিমত নাই, তা না, কিন্তু সব কিছু মিলিয়ে মতের পাল্লাই ভারী।
      বাই দ্যা ওয়ে, এই লিখায় একটা দ্বিমত অংশ (চ্যালেঞ্জেস নামে) রাখার ইচ্ছা ছিল। কিন্তু পরে ভাবলাম, ওটা বাদ দেই।
      ক্যাডেট যখন, চ্যালেঞ্জ মেনে নিয়েই তো নেমেছে। তাই যদি কেউ সাঁকো না নাড়ে, কি দরকার সাকো নাড়ার?

      "আচ্ছা বলেন তো, আমাদের বাচ্চাকে কি আমরা অন্য কারো ব্যবহৃত খেলনা এনে দেই খেলবার জন্য ???"
      যদি সুযোগ থাকে, আমি কিন্তু খেলনা শেয়ারের পক্ষপাতি।
      আমার কন্যারা তিন বোন ১৩টা কাজনের মধ্যে বড় হচ্ছে। যদিও তারা সবাই (১৩ জনই) নিজেদের সব কেনার সামর্থবান প্যারেন্টদের মধ্যে বড় হচ্ছে, তবুও আমি ইনসিস্ট করি, তারা যেন খেলনাই শুধু না অন্য আরও অনেক কিছু অদল বদল করে বেড়ে উঠুক।
      ওদের বাবা-মা রাও ব্যাপারটা বুঝছে। আর তাই এখন থেকেই ওরা শেয়ারিং-এর মানসিকতা নিয়েই বড় হচ্ছে।
      তাছাড়া ওখানে সুবিধাবঞ্চিতদের যে খেলনাগুলো দেয়া হয়েছে, তার সবগুলোর ব্যবহার উপযুক্ততা নিশ্চিত হবার পরেই কিন্তু তা দেয়া হয়েছে।

      "টুইটি, পিঙ্ক পান্ডা, টেডি, ব্যাটারী চালিত গাড়ী ... আমাদের ... বাচ্চাদের জন্য (যতটা) রেলেভেন্ট ... এই বাচ্চা গুলির কাছে (তা) কতটা (রেলেভেন্ট )???"
      রেলিভেন্সের চেয়ে ওদের কাছে যেটা বড়, তা হলো, ওগুলো খেলনা। ক্যারেকটার না চিনলেও, ও কিন্তু জানে এইটা আমার জিনিষ বা আমার বন্ধু। সেটাই বা কম কি?

      "এরা কি এই গুলি বাসায় নিয়ে যায় ?? কি করে এইগুলি নিয়ে, আমরা কি কোন ফলো আপ রাখছি???"
      আমরা ইনসিস্ট করি, যেন এগুলো তাঁকে বাসায় নিয়ে যেতে দেয়া হয়।
      আসলে এখানেই কিন্তু খেলনা দেয়ার সবচেয়ে বড় সাকসেস।
      এই শিশুগুলা এমন এক সেগমেন্টের, যাদের অনেক বড় না হওয়া পর্যন্ত নিজের বলে কোন অস্থাবর সম্পত্তি হয় না।
      এরা জানেই নাই, নিজের জিনিষ কি? কিভাবে তার যত্ন নিতে হয়।
      এই খেলনা গুলো শুধু খেলার কাজেই না, তাকে ট্রেনিং দিতেও ব্যবহৃত হবে।
      জীবনে প্রথম তারা জানবে "আমার কিছু একটা আছে, যা কেবলই আমার।" - এ তো শুধু খেলনা না,এ তাদের মধ্যে আমিত্ব জাগানোর এক একটা ট্রেনিং এইড...

      "কর্পোরেট হাউজগুলি সোশ্যাল ওয়েলফেয়ার ফান্ড এর আওতায় এই কাজগুলি করে। এটার পিছনে কি তাদের ডীপ কোন কন্সার্ন আদৌ আছে?" - ইসিএফ (আমরা) তো তাদের জোর করে কিছু খরচ করতে বলে নাই। ইসিএফের বা আমাদের কথাগুলা শুনে তাদের মনে হয়েছে, এই একটা কাজে কন্ট্রিবিউট করলে মিনিংফুল কিছু একটা হবে। তা যদি মনেহয়, আমরা তো তা স্বাগত জানাই।

      "আরো বহু রাস্তা ছিল এই সুবিধাবঞ্ছিত বাচ্চা গুলিকে সাহায্য করার" - তা তো আছেই।
      কিন্তু সেসবে উদ্যোগ নেবে কে?
      আর নিলেই হবে? যারা নিচ্ছে, তাদের বিশ্বাসযোগ্যতা কি যে এসব ঠিকঠাক মতো ব্যবহৃত হবে, কোন চোর চোট্টার পকেটে যাবে না?
      বাই দ্যা ওয়ে আমি কিন্তু অলরেডি একজনের ইনকয়ারি পেয়েছি যিনি ১ কন্টেনার নতুন ব্রান্ডেড ড্রেস (প্রায় ১ মিলিয়ন ডলার মূল্যমানের) পাঠাতে চান সুবিধাবঞ্চিতদের মধ্যে বিতরনের জন্য।
      আমরা জানিয়েছি যে, বিতরন ১০০% রিলিজিয়াসলি করা হবে। সেটা গ্যারান্টেড। কিন্তু সেটার ট্রান্সপোর্টেশন কস্ট, কাস্টমস এক্সপেন্ডিচার দেবার জন্য স্পন্সার না পাওয়া পর্যন্ত কিছু করা সম্ভব না।
      আমরা দানের ড্রেস বেচে ঐসব খরচ যোগাতে চাই না।
      বললাম, এই কারনে যে এই - খেলনা কালেকশন ও ডিসট্রিবিউশনের মাধ্যমে যে এক্সপেরিয়েন্স ও রেপুটেশন ইসিএফ অর্জন করছে, ভবিষ্যতে তা অন্য অনেক বড় বড় কাজে ব্যবহার করা সম্ভব......

      "আমাদের বাচ্চাদের আমরা ... (যে) খেলনা কিনে দেই সেই টাকাটা ... (দিয়ে কি) এই সুবিধাবঞ্ছিত বাচ্চাগুলিকে জরুরী জায়গা গুলিতে সাহায্য (করতে পারি?)" - আসলে ব্যাপারটা অতো সরল না। যে কাজে যত টাকাই দান করি না কেন, আমার তোমার বাচ্চার কিন্তু খেলনা লাগবেই। বরং সেই খেলনাটা তার ব্যবহারের পর সে যে অন্যকে স্বেচ্ছায় দিতে চাচ্ছে, এটা তাঁর জন্য খুব ইম্পর্টেন্ট একটা লেসন।
      যে পাচ্ছে তারও যে লেসন আছে, আগেই বলেছি।
      অন্য যাই করি না কেন, এই সহজ নিখরচার লেসনগুলা তো অন্য আর কোনভাবে পাওয়া হবে না।

      এর বাইরে আর যে যা পারে, করুক না? কে বাঁধা দিচ্ছে?
      কিন্তু খুব একটা কেউ কি তা করছে? মনেহয় না......
      ===============================
      শেষে একটা গল্প।
      কয়েকদিন আগে এক ডাক্তার বেশ উষ্মার সাথে বললো, "এসব কি ধানাই পানাই খেলনা? যে শিশুটা বিনা চিকিতসায় মারা যাচ্ছে, খেলনা কি তাকে বাচাবে? আমরা কি তাকে বাঁচাতে, চিকিৎসা দিতে, একটা ফান্ড ক্রিয়েট করতে পারে না?
      উত্তরে তাকে বলা হলো,
      ১) "তুমিই তাহলে একটা প্ল্যান নিয়ে আসো না, কিভাবে সেটা করা সম্ভব?' এখনো সে কোন প্ল্যান নিয়ে আসে নাই। ডুয়েবল কোন প্ল্যান ছাড়া এই সব উড়াধুড়া আইডিয়ার আসলে কোন বেইল নাই।
      ২) বুঝলাম, খেলনা তাঁকে বাচাবে না। কিন্তু খেলনার কারনে তো আর সে মারা যাবে না। মারাটা যাবে, আমাদের রাস্ট্রিয় চিকিৎসা ব্যবস্থায় সীমাবদ্ধতার কারনে। খেলনা পাওয়ায় যে লাভটা হবে, মৃত্যুর আগে সে জানবে, এদেশে তাঁর জন্য কেয়ার করে এরকম কিছু মানুষ কিন্তু ছিল।
      একদিন এই কিছু মানুষ বেড়ে অনেক মানুষ হবে।
      তখন আর তাঁর মতো শিশুদের এইভাবে মরতে হবে না...


      Do not argue with an idiot they drag you down to their level and beat you with experience.

      জবাব দিন
      • খায়রুল আহসান (৬৭-৭৩)

        "এই শিশুগুলা এমন এক সেগমেন্টের, যাদের অনেক বড় না হওয়া পর্যন্ত নিজের বলে কোন অস্থাবর সম্পত্তি হয় না"
        "এ তো শুধু খেলনা না,এ তাদের মধ্যে আমিত্ব জাগানোর এক একটা ট্রেনিং এইড..."
        "বরং সেই খেলনাটা তার ব্যবহারের পর সে যে অন্যকে স্বেচ্ছায় দিতে চাচ্ছে, এটা তাঁর জন্য খুব ইম্পর্টেন্ট একটা লেসন।"
        - উপরে উদ্ধৃত তোমার গভীর পর্যবেক্ষণমূলক কথাগুলোর সাথে আমি একমত, পারভেজ।
        শুভ চিন্তা থেকে শুভ উদ্যোগ। ইসিএফ এর এই TRY প্রকল্পটির নামকরণ থেকে শুরু করে এ পর্যন্ত তাদের কর্মকান্ড সম্পর্কে ফেইসবুকের পাতা থেকে আমি নিজেকে অবহিত রেখেছি। এক কথায় বলতে পারি, তাদের সাফল্যে আমি মুগ্ধ।

        জবাব দিন
        • পারভেজ (৭৮-৮৪)

          অনেক ধন্যবাদ খায়রুল ভাই।
          আসলে আপনার মত অনেকের স্নেহের সুশিতল ছায়ায় আছে বলেই ইসিএফ এর এই TRY এভাবে এগিয়ে যেতে পারছে।
          ইসিএফ এর এই TRY সংশ্লিষ্ট সকলকে আপনার এই মুগধতার কথা জানিয়ে দিলাম...
          🙂 🙂 🙂


          Do not argue with an idiot they drag you down to their level and beat you with experience.

          জবাব দিন
      • অরূপ (৮১-৮৭)

        পারভেজ ভাই, আপনার যুক্তিতে আমি মুগ্ধ। যদিও আমার অবস্থানটা মনে হয় আমি বোঝাতে ব্যর্থ হয়েছি।
        আমার ব্যাড কমিউনিকেশন স্কিল দায়ী।
        (আমার যুক্তির বান্ডিল আমার অফিসের লকারে/ দেরাজে / হার্ড ড্রাইভে আছে, কখনো না শেষ হওয়া ৪৮ ঘন্টার ভেতর জানাচ্ছি 😀 😀 😀 )


        নিজে কানা পথ চেনে না
        পরকে ডাকে বার বার

        জবাব দিন
        • পারভেজ (৭৮-৮৪)

          "যদিও আমার অবস্থানটা মনে হয় আমি বোঝাতে ব্যর্থ হয়েছি।" - কি বলো? আমার তো মনে হয়েছে, তোমার কনসার্নগুলা বেশ বুঝেছি।
          এই কথা বললে তো এখন কনফিউজড করে দিলে?
          তোমার ঐ কনসার্নগুলার বেশিরভাগই কিন্তু আমারো ছিল।
          তাই সুযোগ পেয়েই তাঁর ব্যাখ্যা দেয়াটার লোভ না সামলে পারি নাই।

          বাই দ্যা ওয়ে, কনসার্ন থাকা কিন্তু খুবই ভাল। মানুষ হয়ে খালি ইয়েস ইয়েস করলেই কি আর চলে?
          মাঝে মধ্যে যদি কিছু প্রশ্নই না করলাম, তো কিসের কি?

          ভবিষ্যতেও আরও আরও কনসার্ন দেখার অপেক্ষায় থাকলাম...
          🙂 🙂 🙂


          Do not argue with an idiot they drag you down to their level and beat you with experience.

          জবাব দিন
  2. খায়রুল আহসান (৬৭-৭৩)

    জামালপুর জেলার মেলান্দহ উপজেলার দূরমুট নামক এক প্রত্যন্ত অঞ্চলে সমাজের সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের জন্য মূলতঃ এমসিসি ক্যাডেটদের অর্থায়ন আর স্বেচ্ছাশ্রমের দ্বারা পরিচালিত (অবশ্য কয়েকজন দানশীল, নন ক্যাডেট ব্যক্তির ইচ্ছার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তাদের অনুদানও গ্রহণ করা হয়েছে) একটি স্কুলের জন্য এক্স ক্যাডেট'স ফোরাম (ইসিএফ) গত সেপ্টেম্বর মাসে তাদের "টয়েজ আর ইয়োরস (TRY)" প্রকল্পের আওতায় কিছু খেলনা দান করে। ঐ স্কুলটিতে ৬ থেকে ১৩ বছর বয়সী ৪৫ জন ছেলে আর ৩৫ জন মেয়ে শিক্ষা লাভ করছে। এমসিসি/১৭ ব্যাচের স্কোয়াড্রন লীডার জিয়াউদ্দিন ফারুক (অবঃ) গত ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৫ তারিখে শিশুদের মাঝে খেলনাগুলো বিতরণ করে। ঈদের আগে আগে খেলনাগুলো পেয়ে শিশুদের মাঝে আনন্দের বন্যা বয়ে যায়, তা বলাই বাহুল্য।
    এমন একটি মহতি উদ্যোগ গ্রহণ করার জন্য আমি ইসিএফ এবং TRY এর সংশ্লিষ্ট সকল এক্সক্যাডেটদেরকে অভিনন্দন ও সাধুবাদ জানাচ্ছি। বিশেষ করে নাসির রনি আর সালমান ইমতিয়াজকে, যারা এ ব্যাপারে আমার সাথে যোগাযোগ করেছিলো, আমার আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছি।

    জবাব দিন
    • পারভেজ (৭৮-৮৪)

      নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক (আমার মনে হয়েছে) উদ্যোক্তারা অবশ্যই ধন্যবাদের দাবীদার।
      ওদের তুলনায় আমার অবদান "সাগরের কাছে গোস্পদ মাত্র"।

      তবুও তুমি যখন পাঠালা, তোমার হ্যাটস অফের গোস্পদ পরিমান রেখে বাকিটা ওঁদের কাছে পাঠিয়ে দিলাম...
      🙂 🙂 🙂 🙂


      Do not argue with an idiot they drag you down to their level and beat you with experience.

      জবাব দিন
      • সাবিনা চৌধুরী (৮৩-৮৮)

        :boss: :boss: :boss: :boss:

        মুগ্ধ হয়ে পড়লাম তোমার মন্তব্য, পারভেজ ভাইয়া! তুমি কি টয়েজ আর ইয়োরস এর স্পোকস পার্সন নাকি :clap: :clap:

        আমাদের এখানে টয়েজ ফর টট্স নামের অনুরুপ একটি প্রোগ্রাম আছে যেটি ইউনাইটেড স্টেটস মেরিন করপ্স রিসার্ভ পরিচালিত করে। দেশজুড়ে স্থানীয়ভাবে এই সংস্থাটির সাতশো শাখা আছে। রেডিও, টেলিভিশনে এদের কথা বলা হয় ঘটা করে। সুপার মার্কেট বা গ্রোসারীগুলোর সামনে অক্টোবর মাস থেকে বিশাল সব বাক্স রেখে দেয়া হয়। বড়রা তাদের বাচ্চাদের হাত দিয়ে উপহার রেখে যায় এইসব বাক্সে। কারো যদি বিশেষ কোন উপহারের অনুরোধ থাকে তবে অন লাইনে সেটিও জানানো যেতে পারে। বড়দিনের আগে এই সংস্থাটি লেস ফরচুনেট শিশুদের খেলনা বিতরণ করে।

        টয়েজ আর ইয়োরসকে অসামান্য একটি উদ্যোগ বললেও কম বলা হবে। এর সকল উদ্যোক্তা, স্বেচ্ছাসেবী, দাতা, এবং সম্পৃক্ত সবার জন্য টুপিখোলা অভিনন্দন :hatsoff: :hatsoff: :hatsoff: :hatsoff:

        জবাব দিন
        • পারভেজ (৭৮-৮৪)

          "তুমি কি টয়েজ আর ইয়োরস এর স্পোকস পার্সন নাকি" - ওদের এমন একটা উদ্যোগের অফিশিইয়াল স্পোকস পার্সন হতে পারাটা তো ভাগ্যের ব্যাপার।
          তবে তা না হলেও ক্ষতি নাই কোন।
          এই প্রকল্পের সাথে একটিভলি জড়িত প্রত্যেকেই এক একজন আন-অফিশিয়াল স্পোকস পার্সন। আর তা তাদের কাজের মাধ্যমে।
          আমি তো এখনো তরুনদের মতো সেইভাবে জড়াতে পারি নাই, তবুও যতটা সম্ভব ওঁদের সাথেই থাকি।
          তাই আমারও নিজেকে একজন "আন-অফিশিয়াল স্পোকস পার্সন" হিসাবে ভাবতে ভালই লাগে...... 😀 😀 😀

          "টয়েজ ফর টটস" কার্যক্রমটার কথা জেনে ভাল লাগলো। উৎসাহিত বোধ করলাম।
          ইউএস মেরিন কোর রিজার্ভ যা করছে, ইসিএফ তার কাছাকাছি একটা কাজ শুরু করেছে সম্পুর্ন নিজেদের উদ্যোগে, ভাবা যায়???
          আমরা মনেহয় ওঁদের কাছ থেকে কিছু লেসন নিতে পারি এই সংগ্রহ ও বিতরন প্রক্রিয়াটায়।

          আবার সুযোগ পেলেই বিষয়টা নিয়ে আলাপ করে দেখবো প্রকল্পে সরাসরি যুক্তদের সাথে...

          তোমার উচ্ছ্বাস আর ভাল লাগাটার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ তোমাকেও!!!
          🙂 🙂 🙂 🙂 🙂 (সম্পাদিত)


          Do not argue with an idiot they drag you down to their level and beat you with experience.

          জবাব দিন
  3. "খেলনা পাওয়ায় যে লাভটা হবে, মৃত্যুর আগে সে জানবে, এদেশে তাঁর জন্য কেয়ার করে এরকম কিছু মানুষ কিন্তু ছিল।
    একদিন এই কিছু মানুষ বেড়ে অনেক মানুষ হবে।
    তখন আর তাঁর মতো শিশুদের এইভাবে মরতে হবে না..." keep going....

    জবাব দিন
  4. মোকাব্বির (৯৮-০৪)

    টিআরওয়াই এর সাথে এ্যাক্টিভ কিংবা প্যাসিভ কোন ভাবেই থাকা সম্ভব হয় নাই তাই বিস্তারিত মন্তব্য তো দূরে থাক ছোট খাট মন্তব্য করার মতও তথ্য আমার কাছে নাই্। তাই আপনার ব্লগ ও সেই সাথে অরূপদার কমেন্ট সময় নিয়ে পড়ে দেখলাম। অরূপদার কনসার্নগুলো মাথায় রেখেই আমার মনে হচ্ছে আপাতদৃষ্টিতে চমৎকার একটা উদ্যোগ এবং যেটা আসলে সবসময় সচল রাখা যাবে। যেহেতু বিশাল সাফল্যের মুখ দেখছে টিআরওয়াই সেহেতু সময়ের সাথে প্রজেক্টটি নিয়ে সহসাই প্রটেকটিভ না হয়ে গিয়ে অরূপদার মত মানুষের দেয়া কনসার্নগুলো মাথায় আনতে হবে। মাথায় আনার আগে সেই কনসার্ন প্রকাশ করার প্রয়োজনীয় মাধ্যম তৈরী করতে হবে ও গ্রহণ করার মনমানসিকতা নিয়ে প্রস্তুত হতে হবে। যেই গতিতে এবং যেই পরিমান সাফল্যের মুখ দেখছে টিআরওয়াই এর ভবিষ্যত ঠিক কোন স্কেলের বৃহৎ সেটা আন্দাজ করতেও আমার কষ্ট হচ্ছে! টিআরওয়াই এর ভিতর বাহিরের টিমকে আমার অভিনন্দন।


    \\\তুমি আসবে বলে, হে স্বাধীনতা
    অবুঝ শিশু হামাগুড়ি দিল পিতামাতার লাশের ওপর।\\\

    জবাব দিন
    • পারভেজ (৭৮-৮৪)

      আমিও অনেকটা তোমারই মত।
      নুন্যতম সংশ্লিষ্টতায় আছি।
      তবে সবসময়েই ইচ্ছা হয় ওদের সাথে আরও বেশি বেশি হাত লাগাতে।
      একদিন ঠিক ঠিকই লাগাতে পারবো বলে আশা রাখি খু-উ-ব...

      যে কোন প্রোজেক্ট সম্পর্কে তথ্যের ব্যাপারে ওপেন মাইন্ডেড হবার বিষয়ে আমিও তোমার সাথে একমত।

      আমার মনে হয়েছে, ইসিএফ তাদের TRY নিয়ে আত্মতুষ্টিতে ভোগার চেয়ে, প্রতিবন্ধকতা চেনায় ও তা অতিক্রম করায় বেশি মনোযোগি।
      এরকমটা হলে একটা উদ্যোগ সফল না হয়ে যায়ই না......

      আমার এসব তুচ্ছ ব্লগ যে তোমাকে সহ আরও অনেকের কাছে ইসিএফ-এর এই সাফল্যগুলা পৌছুতে পারছে, এটাতে আমার কৃতিত্ব যৎসামান্য।
      আসল কৃতিত্ব হলো ঐসব তরুণ-তরুণি এক্সক্যাডেটদের যারা দিনরাত নিজের খেয়ে বনের মোষ তাড়িয়ে বেড়াচ্ছে নিরলস ভাবে।
      ওরা এটা না করলে, আমাদের মত "ক্র্যাবড এইজে" পৌছুনোদের শত সদিচ্ছায়ও কিন্তু কোন কাজ হতো না।

      "ঠিক কি না?
      ঠিক! ঠিক!!"


      Do not argue with an idiot they drag you down to their level and beat you with experience.

      জবাব দিন
      • মোকাব্বির (৯৮-০৪)

        সেটাই ভাই। এই গোটা এলামনাই এ্যাসোসিয়েশানের দায়িত্বের ব্যাপারটাই বনের মোষ তাড়ানোর মত। তার উপরে এরকম ম্যাসিভ স্কেলের প্রজেক্টের জন্য যেই পরিমান শ্রম ব্যয় করা প্রয়োজন সেটা এই টিআরওয়াই এর সাথে জড়িত লোকজন বিনা প্রশ্নে দিয়ে যাচ্ছে। এই ব্যাপারটা চিন্তা করলেই অবিভূত হই। আমার ভাল লাগে এই প্রজেক্টটির দূরদৃষ্টির বিষয়টি চিন্তা করে। চমৎকার আইডিয়া, চমৎকার এক্সিকিউশান। এখন দরকার ধরে রাখা ও প্রয়োজনীয় টুইকিং।


        \\\তুমি আসবে বলে, হে স্বাধীনতা
        অবুঝ শিশু হামাগুড়ি দিল পিতামাতার লাশের ওপর।\\\

        জবাব দিন
        • পারভেজ (৭৮-৮৪)

          এই TRY হতে পারে ইসিএফের ফ্ল্যাগশীপ একটিভিটি বা প্রোগ্রাম।
          এটার ভাল দিক হলো, যেকোন বয়সের, যেকোন প্রফেশনাল ব্যাকগ্রাউন্ডের, যে কেউই এটার সাথে সংশ্লিষ্ট হতে পারে।
          আর এটা চলতে পারে অনির্দিষ্ট কালের জন্য।
          আরেকটা বড় সুবিধা হলো - আমরা ইউএস মেরিনের মেথডলজি ধার করতে পারি, দারুন ভাবে......

          এক্সক্যাডেট এসোসিয়েশনগুলো সাধারনত যে প্রোগ্রামগুলো নেয় (যেমন ফ্রী ফ্রাইডে ক্লিনিক, আবাসন ইত্যাদি) ওগুলোতে চাইলেও সবার একই ধরনের ভূমিকা রাখার সুযোগ থাকে না।
          এই দৃষ্টিকোনে TRY সত্যিই একটা আসাধারন আইডিয়া!!! (সম্পাদিত)


          Do not argue with an idiot they drag you down to their level and beat you with experience.

          জবাব দিন
    • পারভেজ (৭৮-৮৪)

      পড়ার, জানার, মন্তব্য করার ও প্রশংসা করার জন্য তোমাকেও অনেক অনেক ধন্যবাদ।

      এই জানাজানিটা আসলেই খুব গুরুত্বপূর্ণ এবং উৎসাহ ব্যাঞ্জকও।
      এই জানাজানির মধ্য দিয়ে আমরাও হয়তো এমন কোন স্বচ্ছ ও জবাবদিহিতামূলক পন্থার সাজেশন পেয়ে যাবো যেটা ব্যবহার করে এধরনের একটা উদ্যোগকে আরও অনেক বেশি সামনের দিকে বাড়িয়ে নেয়া সম্ভব হবে।

      শুভেচ্ছা রাশি রাশি...


      Do not argue with an idiot they drag you down to their level and beat you with experience.

      জবাব দিন
  5. নূপুর কান্তি দাশ (৮৪-৯০)

    পারভেজ ভাই,
    ব্যস্ততার কারণে ইসিএফ তেমন অনুসরণ করা হয় না। এই উদ্যোগটার কথা জেনে খুব ভালো লাগছে।
    অরূপদার মন্তব্যের সূত্র ধরে আমার ভাবনাটুকু শেয়ার করি ---- আমার মনে হয় না, ব্যবহৃত জিনিস আরেকজনের হাতে গেলে হীনমন্যতার কিছু আছে। Recycle করার আইডিয়া ---- যার কাছে উদ্বৃত্ত আছে তার কাছ থেকে আরেকজনের কাছে পৌঁছে যাওয়া কোন কিছুর, --- পৃথিবীর এ পাশে বেশ প্রচলিত।

    আপনার মাধ্যমে নানান উদ্যোগের কথা সিসিবিতে বসেই জানতে পারি --- এটি বড় পাওনা।

    জবাব দিন
    • পারভেজ (৭৮-৮৪)

      "আমার মনে হয় না, ব্যবহৃত জিনিস আরেকজনের হাতে গেলে হীনমন্যতার কিছু আছে" - এই কথাটা আমারও খুব ভাল লাগলো। এবং আমি একমত। কতটা একমত, বলছি -
      আমার আব্বা তো অনেকের কাছ থেকেই অনেক সময় শার্ট উপহার পান আজকাল।
      তারপর সেগুলার কিছু কিছু দু'চার বার পরে একে ওকে দিয়ে দেন।
      সবচেয়ে সুন্দর দেখে দু'একটা রাখেন আমার জন্যেও।
      আমি ওগুলো এনে যখন পরি, বাবার গায়ের গন্ধ লেগে থাকে গায়ে।
      শার্ট তো কতই আছে! কিনতেও পারি কত কত!!
      কিন্তু এরকম বাবা-গন্ধি শার্টতো আর খুব একটা নেই, তাই না?

      "আপনার মাধ্যমে নানান উদ্যোগের কথা সিসিবিতে বসেই জানতে পারি --- এটি বড় পাওনা"
      এইটা একটা হিউজ কমপ্লিমেন্ট।
      আপ্লুত না হয়ে কোন উপায় নাই......
      তাছাড়া এইসব জানাজানির উপকারিতা নিয়ে কাজী সাদিককে একটু আগেই বলেছি।
      আর রিপিট করলাম না 🙂 🙂 🙂


      Do not argue with an idiot they drag you down to their level and beat you with experience.

      জবাব দিন
      • কাজী সাদিক (৮৪-৯০)

        ব্যবহৃত খেলনা দেওয়ার একটা ভাল সাইড এফেক্ট আছে মনে হয়। দোকান থেকে নতুন খেলনা কিনে দেওয়াই যায়। কিন্তু তাতে আমাদের ছেলেমেয়েদের ঠিক ইনভল্ভমেন্ট থাকে না। ওদের নিজেদের জিনিষ থেকে কিছু একটা দেওয়ার সুযোগ করে দিলে ছোটবেলা থেকেই ওরা শেয়ার করার ধারণাটা পাবে, এটাকেই স্বাভাবিক নিয়ম বলে মনে করবে।

        এর পাশাপাশি নতুন জিনিষ কিনে দিলে তো আরো ভাল!

        জবাব দিন
        • পারভেজ (৭৮-৮৪)

          "ব্যবহৃত খেলনা দেওয়ার একটা ভাল সাইড এফেক্ট আছে" - ঠিক বলেছো।
          অবশ্য "সাইড ইফেক্ট" কথাটা দেখে একটু ভোড়কে গিয়েছিলাম প্রথমে। 😛 😛 😛
          পরে বুঝলাম "ভাল সাইড এফেক্ট" মানে কোল্যাটারাল বেনিফিটের কথা বুঝানো হয়েছে 🙂 😀 :))

          "এর পাশাপাশি নতুন জিনিষ কিনে দিলে তো আরো ভাল!" - এই অপশানতো থাকতেই হবে।
          যাঁদের ইচ্ছা আছে, এই কার্যক্রমে শামিল হবার কিন্তু বাড়িতে খেলনা ব্যবহার করে, এরকম কেউ নাই - সে পুরানা খেলনা পাবে কোত্থেকে?
          তাঁর জন্য বাজার থেকে কিনে দেয়া ছাড়া আর গতি কি?


          Do not argue with an idiot they drag you down to their level and beat you with experience.

          জবাব দিন
  6. কাইয়ূম (১৯৯২-১৯৯৮)

    জাস্ট একটা ফেসবুক গ্রুপ হয়েও ইসিএফ যে কী পরিমাণ পটেনশিয়াল একটা প্ল্যাটফর্ম হয়ে উঠেছে ক্যাডেটদের জন্য সেটা এই সাম্প্রতিক বছরগুলোতে শতশত কালেক্টিভ/ইন্ডিভিজ্যুয়াল এক্টিভিটি সফলতার সাথে এক্সিকিউশন দেখলেই বুঝা যায়। ইন্ডিভিজুয়াল সাহায্য কিংবা কোনধরনের পজিটিভ ফেভারের জন্য ইসিএফ দুর্দান্ত অনন্য হয়ে উঠেছে ইতিমধ্যেই। টিআরওয়াই এর মতো কালেক্টিভ এপ্রোচের সাফল্যতে এটাও নিশ্চিত ইসিএফ এখন আরো বড় ধরণের কন্টিবিউশনের জন্যও পুরোদস্তুর প্রস্তুত। রেগুলার ইসিএফ ফলো করি, তাই মোটামুটি জানি কারা কারা ঘরের খেয়ে বনের ডাইনোসর তাড়াচ্ছেন। তাদের সবার জন্য শ্রদ্ধা। মোকাব্বিরের সাথে সম্পূর্ণ একমত,

    যেহেতু বিশাল সাফল্যের মুখ দেখছে টিআরওয়াই সেহেতু সময়ের সাথে প্রজেক্টটি নিয়ে সহসাই প্রটেকটিভ না হয়ে গিয়ে অরূপদার মত মানুষের দেয়া কনসার্নগুলো মাথায় আনতে হবে। মাথায় আনার আগে সেই কনসার্ন প্রকাশ করার প্রয়োজনীয় মাধ্যম তৈরী করতে হবে ও গ্রহণ করার মনমানসিকতা নিয়ে প্রস্তুত হতে হবে।

    পারভেজ ভাইকে অসংখ্য ধন্যবাদ এই জিনিসটা নিয়ে সিসিবিতে লেখার জন্য।


    সংসারে প্রবল বৈরাগ্য!

    জবাব দিন
    • পারভেজ (৭৮-৮৪)

      "একটা ফেসবুক গ্রুপ হয়েও ইসিএফ যে কী পরিমাণ পটেনশিয়াল একটা প্ল্যাটফর্ম হয়ে উঠেছে......" - অনেক আগেই একবার কোন এক লিখায় বলেছিলাম, "ইসিএফ হলো একটা মেম্বার ড্রিভেন অর্গানাইজেশন"।
      আমরা এ জাতিয় প্ল্যাটফর্মগুলায় সাধারনত এডমিনদের পাই সর্বক্ষমতার অধিকারি হিসাবে।
      অথচ ইসিএফ-এর এডমিনদের দেখি সারাক্ষন ভয়ে ভয়ে থাকতে যে তারা মেম্বারদের সব চাহিদা মেটাতে পারছে কিনা? কিভাবে মেটাবে? ইত্যাদি নিয়ে।
      কবিগুরুর "আমরা সবাই রাজা..." - থিওরিটা ইসিএফ-এর সাথেই মনেহয় সবচেয়ে ভাল ভাবে যায়।

      ইসিএফ নিয়ে পিছনে অনেকে অনেক সন্দেহের কথা বললেও আমি আজ পর্যন্ত তাদের কোন কর্মকান্ডে সদিচ্ছার কোন অভাব দেখি নাই।
      এরকম একটা প্ল্যাটফর্মকে মিসইউজ করার যথেষ্ট সম্ভবনা থাকে। সুযোগও থাকে।
      আমার জানা মতে, এর সামনে থাকা মানুষগুলা মিসইউজের সেই ক্ষেত্রগুলা সম্পর্কে শুধু সচেতনই না যথেষ্ট সতর্ক।
      মত বিনিময়ের সময় এটাও মনে হয়েছে যে তারা নতুন নতুন উপদেশ পেতে ও তা নিয়ে ভাবতেও আগ্রহী।

      একটি সফল সংগঠন হবার জন্য যত গুলা পজেটিভ এলিমেন্ট থাকা দরকার, তাঁর প্রায় সবগুলাই আছে ইসিএফ-এর।
      পাশাপাশি আছে অপব্যবহার রোধ করার সকল ইচ্ছা ও কোন কোন ক্ষেত্রে প্রস্তুতিও।
      তাই আমিও আশাবাদি যে "ইসিএফ এখন আরো বড় ধরণের কন্টিবিউশনের জন্যও পুরোদস্তুর প্রস্তুত"

      "পারভেজ ভাইকে অসংখ্য ধন্যবাদ এই জিনিসটা নিয়ে সিসিবিতে লেখার জন্য" - পড়ার, কমেন্ট ও আশাবাদ ব্যাক্ত করার জন্য তোমাকেও অনেক ধন্যবাদ...


      Do not argue with an idiot they drag you down to their level and beat you with experience.

      জবাব দিন
    • পারভেজ (৭৮-৮৪)

      পড়ার, মন্তব্য করার, সর্বোপরি, ইসিএফকে নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করার জন্য আপনাকেও অনেক অনেক ধন্যবাদ।

      ইসিএফ-এর প্রিন্সিপালখ্যাত "লাবলু ভাই"-এর কমেন্ট পাওয়া উৎসাহ তো মেডেল পাওয়ার সমতুল্য।
      আইসক্রিম খাওয়াখাওই-র দিনগুলা কি আবার ফিরিয়ে আনবো নাকি?
      ভাবছি!!!!!!


      Do not argue with an idiot they drag you down to their level and beat you with experience.

      জবাব দিন
  7. রবিন (৯৪-০০/ককক)
    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক (আমার মনে হয়েছে) উদ্যোক্তারা অবশ্যই ধন্যবাদের দাবীদার।

    ভাইয়া, আমার নাম বলতে পারেন, আমি কিছু মনে করবো না। :)) :))
    আমি গর্বিত যে, লোগো টার ডিজাইনার আমি। অরুপ ভাই, আমার অফিসের ক্যাবিনেট এর ব্যাপারটা পছন্দ হইছে =)) =))

    জবাব দিন
  8. জুনায়েদ কবীর (৯৫-০১)

    প্রথম বছরেই TRY এর প্রাপ্তি যথেষ্ট আশাব্যঞ্জক।
    আশা করি সামনের বছরগুলোয় আরও বড় আকারে এবং ভিন্ন ভিন্ন আঙ্গিকে এই সামাজিক আন্দোলন চলতে থাকবে।

    ব্যাপারটি সিসিবিতে শেয়ার করার জন্য অনেক ধন্যবাদ, পারভেজ ভাই।


    ঐ দেখা যায় তালগাছ, তালগাছটি কিন্তু আমার...হুঁ

    জবাব দিন
    • পারভেজ (৭৮-৮৪)

      TRY -এর ব্যাপারে সবার কাছ থেকে এতটা উৎসাহ পাবো, জানি বলেই না এত কিছু লিখা...

      আজ, জানো, ওদের একজনকে এখানকার কমেন্টগুলা পড়ে শুনাচ্ছিলাম।
      যতই শুনছে, দেখি, ওর হাসি ততই বিস্তৃত হচ্ছে আর চোখ চক চক করে উঠছে।
      শুধুই কি চক চক করে উঠছে?
      না। তা না। চোখের কোনে দু'এক ফোটা অশ্রুও এসে জমা হচ্ছে.........

      এত এত জানা বা নাজানা মানুষের উচ্ছ্বাস দেখার আনন্দে সেটা না হওয়ার আসলে কোনই কারন নাই।
      তাই না? (সম্পাদিত)


      Do not argue with an idiot they drag you down to their level and beat you with experience.

      জবাব দিন
  9. আহসান আকাশ (৯৬-০২)

    ফেসবুকে বিচরন নির্দিষ্ট গন্ডির মাঝে সীমাবদ্ধ করে ফেলেছি, TRY এর কার্যক্রম এর মাঝে যতটুকু চোখে পড়েছে বেশ ভাল লেগেছে। এর পিছনের বিস্তারিত জানানোর জন্য ধন্যবাদ পারভেজ ভাই।

    এর পিছনে যাদের মেধা, শ্রম কাজ করেছে/করছে সকলকে ধন্যবাদ এবং শুভকামনা। আশা করি TRY এর মত অন্য সকল জনহিতকর কাজে ইসিএফ আরো কার্যকরী ভূমিকা রাখবে।


    আমি বাংলায় মাতি উল্লাসে, করি বাংলায় হাহাকার
    আমি সব দেখে শুনে, ক্ষেপে গিয়ে করি বাংলায় চিৎকার ৷

    জবাব দিন

মন্তব্য করুন

দয়া করে বাংলায় মন্তব্য করুন। ইংরেজীতে প্রদানকৃত মন্তব্য প্রকাশ অথবা প্রদর্শনের নিশ্চয়তা আপনাকে দেয়া হচ্ছেনা।