রশিদ খাঁ-র হংসধ্বনি শুনে

এই যে স্বচ্ছ জল
এই টলটল সরোবর
এখানে তোমাকে দেখি
প্রতিদিন।
প্রতিদিন সুর আসে
তোমার চাউনির
অবাধ্য বাতাসে;

যেন বা ব্যাকুল হাঁস তুমি
মরাল গ্রীবায়
আমাকে ডাকো —
এমন কোমল ভোরে,
শান্ত সবুজ তীরে
অবিরল
‘হংসধ্বনি’ শোনাতে থাকো

২,০৩০ বার দেখা হয়েছে

২২ টি মন্তব্য : “রশিদ খাঁ-র হংসধ্বনি শুনে”

  1. সাবিনা চৌধুরী (৮৩-৮৮)

    :clap: :clap: :clap: :clap:

    রুমঝুম বৃষ্টির দুপুরে
    নূপুরের ঝুমঝুম লাগছিল বেশ
    মেঘেদের হুমহুম
    দু'চোখের ঘুমঘুম
    পরীদের চুমচুম
    আবছায়া স্বপ্নীল রাখলো যে রেশ!

    সবাই যখন তোমার লিংকটি শুনতে পায়নি আমি তখন স্বার্থপরের মত রশিদ খাঁ তে বুদ হয়েছিলাম। মাঝেসাঝে ইউটিউবের লিংকগুলোকে ভূতে পায় (রেসট্রিকশন দেয়া থাকে আই বেট)। ইউরোপ থেকে আমার বন্ধু গান পাঠান যেটি আমি এখানে শুনতে পারিনা অথবা উল্টোটিও যে হয়না তা কিন্তু নয়।

    আমাদের মেঘমেদুর শহরে শীত আসি আসি করছে। আঁধার কালো দিন; বাতাসে পাতাঝরার গান। ঝাঁপিয়ে বৃষ্টি হচ্ছে দূরের শহরে। মেঘমল্লার রাগের সাথে খাঁ সাহেব কেমন যে একটা নেশা ধরিয়ে দিলেন; তোমার লেখাটিও যে তাতে উস্কানিদাতার ভূমিকা পালন করেনি কি করে বলি!

    জবাব দিন
  2. খায়রুল আহসান (৬৭-৭৩)

    "রতিদিন সুর আসে
    তোমার চাউনির
    অবাধ্য বাতাসে;" - আর
    "এমন কোমল ভোরে,
    শান্ত সবুজ তীরে
    অবিরল
    ‘হংসধ্বনি’ শোনাতে থাকো" - খুবই চমৎকার হয়েছে।
    রাগটা শুনতে পেলাম না, পেলে হয়তো কবিতার রসাস্বাদন আরও মধুর হতো।

    জবাব দিন

মন্তব্য করুন

দয়া করে বাংলায় মন্তব্য করুন। ইংরেজীতে প্রদানকৃত মন্তব্য প্রকাশ অথবা প্রদর্শনের নিশ্চয়তা আপনাকে দেয়া হচ্ছেনা।