স্বপ্নিল ধোঁয়া

চায়ের পেয়ালা থেকে
কুন্ডলী পাঁকিয়ে উড়ে যায় কিছু ধোঁয়া
খানিক পরেই মিলিয়ে যায়
শূন্যতায়!

মনের গহীন থেকে
অগোচরে বের হয়ে যায় কিছু ইচ্ছে ঘুড়ি
দীর্ঘশ্বাস হয়ে মিলিয়ে যায়
সপ্তাকাশে।

রঙিন সেই ঘুড়িগুলো
স্বপ্ন হয়ে থিতু হয়ে যায় মেঘের কোলে।
কোন এক শাওন রাতে আবার ফিরে আসে
বৃষ্টি হয়ে!

ঢাকা
০৮ মে ২০২০

বিস্তারিত»

রোজায় খাদ্যাভ্যাস কেমন হওয়া উচিত?

কলেজে রমজান পালনের সুযোগ হয় নি। তবে প্রতি বছর আমরা মহাসমারোহে পালন করতাম শবে বরাতের রোজা। ভোররাতে পাঞ্জাবি গায়ে চাপিয়ে ডাইনিং হলে সবাই মিলে সেহরি খাওয়ার স্মৃতি এখনো টাটকা। মেন্যু — ভাত, ডাল, সবজি ও মুরগী বা মাছ। আর আসর থেকে শুরু হতো ইফতারের জন্যে অপেক্ষা। মেন্যু—একাধিক ফল, চপ, বেগুনি, পেয়াজু, হালিম, মুড়ি, জিলাপি ইত্যাদি। এদেশের অধিকাংশ সামর্থ্যবান পরিবারে সেহরি-ইফতারের মেন্যু অনেকটা এরকমই। অথচ রোজাদারের জন্যে এরকম মেন্যু অত্যন্ত অস্বাস্থ্যকর।

বিস্তারিত»

পাঠ প্রতিক্রিয়া ও পুস্তক সমালোচনাঃ “তিনটি সেনা অভ্যুথান ও কিছু না বলা কথা” -শেষ ভাগ

১ম ভাগের পর এই ভাগেই আলোচনা শেষ করবো। বেশি দীর্ঘ হয়ে যাচ্ছে, আর আমার ধৈর্যও কম। ১৯৭৫ এর ঘটনা খুব সাধারণ ঘটনা বলে আমার কাছে মনে হয়নি। হটাত করে কয়েকজন মধ্যম সারির অফিসারের মনে হলো, আর দুম করে ক্যু করে বসলো বিষয়টা এমন না। দিনক্ষণ খুব সুচিন্তিত ভাবে নির্বাচিত করা হয়েছিল বলে আমার মনে হয়েছে। ১৫ আগস্ট ভারতের স্বাধীনতা দিবস। বাংলাদেশে বর্ষাকাল। ভারতীয় সৈন্যবাহিনী আক্রমণ করলে সময় লাগবে।

বিস্তারিত»

পাঠ প্রতিক্রিয়া ও পুস্তক সমালোচনাঃ “তিনটি সেনা অভ্যুথান ও কিছু না বলা কথা” -১ম ভাগ

আমার লেখা এলোমেলো হবে বলে প্রথমেই ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি। এটি আসলে উপরের উল্লেখিত বইটি পড়ার পর আমার অনুভূতি এবং লেখক ও লেখার কিঞ্চিৎ বিশ্লেষণ। বইটির নাম ও বিষয়বস্তু যথেষ্ট বিতর্কিত। বিতর্কিত এই অর্থে যে, এই বিষয়টি খুবই সফিস্টিকেটেড। স্পর্শকাতর বিষয় এই জন্য যে এটি সেনাবাহিনীর সাথে সম্পর্কিত। এই স্পর্শকাতর বিষয়টি নিয়ে পারতপক্ষে কেউ কথা বলতে চায় না। সে সার্ভিসে থাকুক বা নাই থাকুক। আমি শুধুমাত্র জানার জন্যই এই বইটি পড়ি।

বিস্তারিত»

কেমন আছি?

আমি ভালো আছি।
– সত্যি?
– হুম, খুব ভালো আছি তো!
– কিভাবে সম্ভব এই লক-ডাউনের মধ্যে ভালো থাকা?
– আসলে আমি ভালো নেই। মানে বলতে চাইছি, ভালো থাকার উপায় নেই। তবে ইচ্ছেটা আছে প্রবল। চেষ্টাও। তাই বলেছি ভালো আছি। সকলকেই বলি ভালো আছি, আলহামদুলিল্লাহ্‌।

আছি কাতারের রাজধানী দোহায়। ২০১৫ সালের আগস্টে এসেছি বউ-জামাই দুজন। এখন হয়েছি তিনজন, আমাদের তিন বছরের কন্যা আফরিনকে নিয়ে।

বিস্তারিত»

বইটির নাম ”Bookie Gambler Fixer Spy” ২য় পর্ব

এড হকিন্স এর লেখা Bookie Gambler Fixer Spy বইটির দুইটি অধ্যায় আমার পরিচিত ক্রিকেটপ্রেমীদের জন্য অনুবাদ শুরু করেছি। ঠিক অনুবাদ নয়, ভাবানুবাদ। আকারে বেশি বড় হয়ে যাবার কারণে কিছু অনুচ্ছেদ আমি বাদ দিয়েছি।

যাই হোক, আজ সেটার দ্বিতীয় কিস্তি শেয়ার করছি। মনে রাখবেন স্পয়লার এলার্ট কিন্তু আগেই দিয়ে রাখছি। নিজ দায়িত্বে পড়বেন। কারণ ‘It will change the way you look at cricket!’

বিস্তারিত»

মেলবোর্নের দিনলিপি (১)…..

এর আগের পর্বটি পাবেন এখানেঃ অস্ট্রেলিয়ার পথে (৩) …. অবশেষে মেলবোর্নের মাটিতে!!!

দিবাকরে দেখা প্রথম দিন (২৪ নভেম্বর ২০১৯):

দুয়ারে দুয়ারে প্রায় ২১ ঘন্টা জার্নীর পর (ঢাকার বাসা থেকে থেকে মেলবোর্নে ছেলের বাসা) গতরাতে শরীরটা বেশ ক্লান্ত হয়ে পড়েছিল। তার উপর রাতে শয্যা নিয়েছি অনেক দেরীতে। তাই সকালে ঘুম ভাংলো অনেক দেরীতে। আমার ছেলে ও বৌমা মেলবোর্নে সংসার শুরু করার পর ওদের এই বাসাটা দ্বিতীয় বাসা।

বিস্তারিত»

করোনার দিনগুলি

ডিসক্লেইমারঃ বাংলাদেশে করোনা (কোভিড-১৯) সনাক্ত হবার প্রাক্কালে ২০২০-এর ১৬ই মার্চের পরে যখন প্রথম দফায় পুরো মাস জুড়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাস বন্ধের ঘোষণা এলো, ভারপ্রাপ্ত বিভাগীয় প্রধানের দায়িত্বে থেকে ডিপার্ট্মেন্টের অফিসিয়াল ফেসবুক পেইজে আমার ছাত্রছাত্রীদের জন্য মন্তব্য নিষ্প্রয়োজন নামে একটা লেখা পোস্ট করেছিলাম। পরে সেটাকে নিজের ওয়ালে মন্তব্য নিষ্প্রয়োজনঃ পর্ব-১ নামে পোস্ট করি। এর ধারাবাহিকতায় করোনার দিনগুলোতে আমার ওয়ালে কখনো বাংলায় আবার কখনো ইংরেজিতে এই লেখাটা একটার পর একটা পর্বে চলতে থাকে;

বিস্তারিত»

শিক্ষকের ডায়রিঃ পর্ব-৪

১. আমার পরিচিত কাউকে যখন দেখি সামনে অনেক মানুষকে নিয়ে কোন কিছু বোঝাচ্ছে/বোঝাচ্ছেন, আমার অনেক ভাল লাগে বিষয়টা। আমার ক্ষেত্রে এর অন্যতম একটা সম্ভবত এটাই যে, সেই মানুষটা, যিনি নিজে পেশায় শিক্ষক না হওয়া স্বত্বেও শিক্ষকতার পেশায় মনে-প্রানে নিয়োজিতদের আত্মিক প্রশান্তিটা উপলব্ধি করতে পারছেন।

২. তবে আমার কাছে মোটিভেশনাল লেকচার বিষয়টা এখনো একটা আপেক্ষিক ধাঁধা মনে হয়। কারনটা একটু খুলে বলি।

বিস্তারিত»

শিক্ষকের ডায়রিঃ পর্ব-৩

অল্প কিছুদিন হলো আমার এক পুরোনো ছাত্র শিক্ষকতা শুরু করেছে। সে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তার শিক্ষকতার অভিজ্ঞতা নিয়ে ইদানিং লিখছে। আমার সেসব পড়তে বেশ লাগছে। তার এক লেখার মন্তব্যের ঘরে নিচের কথাগুলো একান্ত নিজস্ব কিছু অনুধাবন হিসেবে লিখেছিলামঃ

১. ক্লাসে কেউ পড়া/বিষয় না বুঝলে আমার খারাপ লাগে না। নাও বুঝতে পারে, এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু ক্লাসে বিষয়ভিত্তিক আলোচনার সময় কেউ যখন আলোচনার বাইরে অন্য কোন কাজে ব্যাস্ত থেকে নেহায়েতই গাফিলতির কারনে পড়া বোঝে না,

বিস্তারিত»

বইটির নাম ”Bookie Gambler Fixer Spy”

ক্রিকেট ছিল আমার প্রথম প্রেম। ক্রিকেটের কারণে যত সময়, মেধা ও শ্রম নষ্ট করেছি সেসব আতশবাজির উপর প্রয়োগ করলে এত দিনে আমি রকেট বানানোর ইন্ডাস্ট্রি দিতে পারতাম।

কিন্তু ইদানিং সেই প্রেমে ভাটা পড়েছে। এর প্রথম ও প্রধান কারণ আমাদের অযোগ্য ও দুর্নীতিপরায়ন ক্রিকেট বোর্ড। এ রকম সুইসাইডাল বোর্ড ওয়েস্ট ইন্ডিজ ছাড়া পৃথিবীর কোথাও দেখতে পাওয়া যাবে না। তথাকথিত এই অভিভাবকের কারণে দেশের ক্রিকেট নিয়ে আমি ভীত ও শঙ্কিত।

বিস্তারিত»

ছোট্ট গল্পঃ প্রণোদনা

নামকরা একটি ব্যাঙ্কের জিএম এর সামনে বসে আছি। সাথে আমার প্রতিষ্ঠানের কয়েকজন লোক। প্রণোদনা পাবার জন্য প্রয়োজনীয় সব কাগজপত্র জমা দিয়েছি, সে চেক করে দেখছে।

-স্যার, আপনার সব কাগজই আছে। তবে, হাফ ম্যারাথনের সার্টিফিকেট লাগবে!
-মানে?
– প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে কঠোর নির্দেশ এসেছে যে প্রতিটি গার্মেন্ট মালিকের হাফ ম্যারাথনের সার্টিফিকেট জমা দিতে হবে। তা না হলে নো প্রণোদনা। নাডা। আমি তো বলব স্যার অল্পের উপর দিয়ে বেঁচে গেছেন!

বিস্তারিত»

শাহজাদীর কালো নেকাব

পুরানো এক বাংলা নাটকের নাম থেকে লেখটির নামকরণ। নাট্যকারের নাম যেমন মনে নেই, তেমনি মনে নেই নাটকের কাহিনীও। তারপরও কেন এই শিরোনাম, লেখাটি পড়লেই তা পরিস্কার হবে। এ বছর পবিত্র হজ্জ পালন করার সময় নিকাব নিয়ে ব্যক্তিগত একটি অভিজ্ঞতাই হচ্ছে এই লেখাটির প্রতিপাদ্য।

হজ্জ পালনের তাগিদ সব সময়ই অনুভব করেছি, কিন্তু “কবে এবং কিভাবে” তার কোন বিশদ পরিকল্পনা কখনোই করা হয়নি। আমার স্ত্রীর হজ্জ করা হয়ে গেছে বিয়ের আগেই।

বিস্তারিত»

মরেছো তো আত্মহত্যায়।

মরেছো তো আত্মহত্যায়
‌মো ও খা ও।

ভালোবাসার সীমানায়
দুরত্ব দানা বেধে‌ছে জীব‌নের আঙিনায়,
ব‌ুঝে না বু‌ঝে, কা‌জে অকা‌জে,
প্র‌য়োজন‌ে অপ্র‌য়োজ‌নে, সময় অসময়
হয়‌তো ম‌নে প‌ড়েনি আর
কখ‌নো আমায়।।

‌সেই পা‌শে ব‌সে থাকা উচাটন মন
উদাসী ভে‌সে নীলাম্বরী ডানায়
বাকহীন শব্দ বিহীন ভাষায়
মন চে‌’তো টে‌নে নি‌তে বু‌কে উষ্ণতায়,
সত্যি মি‌থ্যের ছলাক‌লে
‌দেখা হ‌তো প‌থে,

বিস্তারিত»

এ ট্রিবিউট টু সুধীর কাকু

আমার বাবার কর্মজীবনের শুরু হয় বগুড়ায়, সরকারি আজিজুল হক কলেজের সমাজবিজ্ঞানের প্রভাষক হিসেবে, ১৯৭৩ সালে। আমার জন্মও বগুড়াতেই, ১৯৭৬ সালে। খুব ছোটবেলা থেকেই বাবার বন্ধুদের এবং সমবয়সী ও সমসাময়িক কলিগদের সান্নিধ্য পাবার সুযোগ হয়েছে। সেসময়ের জেলাশহরগুলোতে কলিগদের মাঝে পারিবারিক যোগাযোগ এবং মিলননেলাগুলো ছিল সত্যিই আজকের যুগে প্রায় অকল্পনীয়।

বাবার সমবয়সী তবে অন্য ডিপার্ট্মেন্টের কলিগ ছিলেন সুধীর কাকু। কাকুর সাথে অনেক স্মৃতি আছে আমার।

বিস্তারিত»