না মানুষ

সাদা মগজ,
জেব্রাক্রসিংয়ের সাদা দাগ,
আর এক ছটাক তাজা রক্ত,
ঘুটান দিলেই মিল্কশেক
দুধ আর স্ট্রবেরির মিল্কশেক।।

কি চমৎকার,
অসাধারণ দৃশ্য।
ক্যামেরাবন্দীর তোড়জোড়।
কিছুক্ষণ বাদে ঝাড়ুদার পানি দিয়ে
ধুয়ে যাবে, নগরপিতার রাস্তা বলে কথা!!
নগর আর নাগরের…

এসব আর ভাবায় না,
অদ্ভুত ফ্রস্টবাইটে অনুভূতিশুন্য
ইন্দিয়গুলো নিঃসাড়।।

একসময় দৃশ্যগুলো খারাপ লাগতো,

বিস্তারিত»

এই বোশেখের চাওয়া

এই বোশেখের চাওয়া

এই বোশেখে আর কিছু নয় চাওয়া-
জানালাগুলো একটু খোলা রেখো।
দখিনপানের মাতাল প্রেমিক হাওয়া
মধ্যরাতে ঘুম ভাঙ্গালে দেখো;
মেঘপুকুরে চাঁদ দিয়েছে ডুব,
বিজলী আঁধার ভাঙছে ক্ষণে ক্ষণে।
হাস্নুহেনা ঘ্রাণ ছড়ালে খুব
আমার কথাই পড়ুক তোমার মনে।
আকাশ হতে নীল গিয়েছে চলে,
দিঘীর জলেও তার ছায়াটি নেই;
মেঘমেয়েদের ওড়নাগুলোর তলে
নীল তারাটি জ্বলছে তবু সেই।

বিস্তারিত»

চোখ মেলো, দৃষ্টি ফেরাও

প্রত্যুষে যে পাখির ডাক কানে বাজে
কখনো কি দেখেছো তাকে
সবুজ পাতার আড়ালে
বিকেলের সন্ধ্যের ফিকে আলো দীর্ঘ ছায়ায়
দেখেছো সেই একাঙ্গি রমণী।
আঁধারের নির্জনতায়
কতো পুষ্প স্বপ্ন কুঁড়িতেই হারায়।।

নিয়তির দোয়াত কলম শক্ত মাটিতে
আঁকে স্মৃতিচিহ্ন
কখনো দেখেছো বিরস দুপুরে
দাঁড়কাকের অস্থির চাহনি।
সাগরের ধারে স্মৃতির পাড়ে
পথিকের পদচিহ্ন
মুছে যায় সময়ের স্রোতের ধারায়।।

বিস্তারিত»

বৃষ্টি ও বিভ্রম

বৃষ্টি ও বিভ্রম

বাস ফেরিতে ওঠার পর পরই লাবন্য আর বাদল ফেরিতে নেমে পড়েছিল । নদীতে তখন বৃষ্টি ঝরছে। কখনও জোরে কখনও থেমে থেমে, বাতাসে একেকবার তেরসা হয়ে ফেরির ভেতর ঢুকে পড়ছে, বৃষ্টির ছাঁট।সেই বৃষ্টির ঝাপ্টা খারাপ লাগছিল না বাদলের। সে বলল, “মনে হচ্ছে ছোট বেলার মত ছোঁয়া ছুঁয়ি খেলি। কত দিন পর এমন বৃষ্টিতে তোকে পেলাম”।

লাবন্য বলল, “বেশি ছুঁতে এসোনা,

বিস্তারিত»

থার্ড বেঙ্গলের প্রতিরোধ যুদ্ধ

থার্ড বেঙ্গলের প্রতিরোধ যুদ্ধ

ব্রিগেড কমান্ডারের ডাক পেলে বরাবরই মনটা চনমনে হয়ে ওঠে লেফটন্যান্ট কর্নেল ফজলে করিমের। কমান্ডারের অফিসে ঢুকে সব সময় অনার বোর্ডের দিকে নজর চলে যায়। ২৩ ব্রিগেডে এখন পর্যন্ত যারা ব্রিগেড কমান্ডার হয়েছেন সবার নাম সেখানে জ্বল জ্বল করছে।করিম স্বপ্ন দেখেন একদিন তাঁর নামটাও থাকবে ওখানে। তবে অনার বোর্ডের ডিজাইনটা পছন্দ হয়না তাঁর। ব্রিগেড কমান্ডার হলে অনার বোর্ডটা পাল্টাবেন। কমান্ডারের টেবিলটাও একটু ঘুরাতে হবে।

বিস্তারিত»

দেবালয়

Asbestos, the beloved virgin
essential material to build
mansions on earth for
the mighty Gods.

Now the city is burned,
loyal wind blows up
signs of settlement
temple remains untouched.

অক্ষতযোনি এসবেসটস
অলিম্পাসবাসিগণের প্রিয়
মর্ত্যের আধুনিক বাগানবাড়ি
প্রস্তুতের অপরিহার্য অনুসঙ্গ।
এখন নগর পোড়ে, অনুগত বাতাস
উড়িয়ে নিয়ে যায় বসতির চিহ্ন
আর দেবালয় রয়ে যায় অক্ষত।

বিস্তারিত»

ছায়া কিংবা ছবিঃ আট

মেয়েটি সবটুকু দিয়ে ছেলেটিকে ভালই বেসেছিল। ছেলেটি শুধু শরীরটুকু নিয়ে কেটে পড়ল। মেয়েটি শরীর জুড়ে কামড়ের দাগ, নখের আচড়, কালশিটে ছাপ, তলপেটে ব্যথা, ভারী বুক আর জলে ভেজা চোখ নিয়ে লুকিয়ে থাকে।

হুজুরের কাছে আরবী পড়তে এসে এ কী হল মেয়েটির … কাঁদতে কাঁদতে বলেছিল, “হুজুর, ব্যথা পাই।” হুজুর উত্তেজনায়, ব্যস্ততায় উত্তর দিয়েছিল, “আল্লাহ্‌, আল্লাহ্‌, কর!”

রাস্তার বোবা অর্ধ-উলঙ্গ পাগল মহিলাকেও একদিন দলবেঁধে জাপটে ধরল ওরা।

বিস্তারিত»

হাজী খাজা শাহবাজ মসজিদ ও সমাধি -ঢাকা

হাজী খাজা শাহবাজ

হাজী খাজা শাহবাজ মুঘল আমলে ভারতের কাশ্মীর থেকে বনিক হিসাবে বাঙলায় আগমন করেন। একজন সফল সওদাগর হিসাবে অচিরেই তিনি ঢাকায় নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম হন। ফলে তিনি ‘মালিক-ই-তুজ্জার’ বা ‘ব্যবসায়ীদের চূড়ামনি/সম্ভ্রান্ত ব্যবসায়ী’ উপাধি ও ঢাকার টাইকুন হিসাবে পরিচিত হয়ে ওঠেন। ধনাঢ্য এই ব্যবসায়ী শহরতলী টঙ্গী এলাকায় স্থায়ীভাবে বসবাস করতেন। বাঙলায় যখন মুঘল নৃপতি আওরঙ্গজেবের (রাজত্বকালঃ ১৬৫৮-১৭০৭ খ্রীঃ) ৩য় পুত্র সুবাহদার শাহজাদা মুহম্মদ আযমের শাসন (১৬৭৮-৭৯ খ্রীঃ) চলছিল সেই সময় ১৬৭৯ খ্রীঃ তিনি একটি মসজিদ প্রতিষ্ঠা করেন।

বিস্তারিত»

শীতকাল

শীতকালটা কেমন যেন,
দ্রুত সন্ধ্যা নামে,
কুয়াশা ঢাকা অন্ধকার শহরে,

মৃদু আলোর টঙ দোকানে চায়ের কাপের ধোয়া এক অদ্ভুত পরিবেশের সৃষ্টি করে।
রাত বাড়লেই নিস্তব্ধ নগরীতে টহল পুলিশের গাড়িগুলো জায়গায় জায়গায় দাড়িয়ে থাকে,
মাঝে মাঝে নাইট গার্ডের দু একটা বাশির শব্দ।
এই পোষাকধারী লোকদের সাথে আমার প্রিয় আরেকটা প্রাণীর মিল আছে,
হ্যা,কুকুরের কথাই বলছি।
আমার মানুষের চেয়ে কুকুর বেশী প্রিয়,

বিস্তারিত»

নিকোটিন চাই

রক্ত মাংসের
লোভের শিকারের
পণ্যের ব্যবসায়
সব ভুলে হারিয়ে থাকতে চাই
মন করে খালি আনচান
ফেলে সব পিছুটান
নিজের এখন চাই নেশা-ভাং
চাই, আমি শুধু নিকোটিন চাই।।

কল্কে পুরিয়া সীসায় দিশা
ভুলে চাই এই বর্তমান
ভণ্ডামির রাবণ নই আমি।।

রক্তে আমার তীব্র বিষ
পুরিয়া চায় অহর্নিশ
চোখে আমার তীব্র জ্বালা
আঁধারে দেখি জাদুর খেলা
সাধু-সন্ন্যাস প্রিয় লোক
বাকিসব দেখি ছোটলোক।।

বিস্তারিত»

Why The Caged Bird Sings?

খাঁচার পাখি কেন গায়?

বনের পাখি ঝাঁপ দেয়
চড়ে বসে বাতাসের পিঠে
ভেসে চলে প্রবাহের
শেষ সীমায়
ডানা ঝাপ্টে ঝেড়ে ফেলে
গোধুলির আলো
যেন আকাশটা তারই।

কিন্তু যে পাখি বন্দী
খাঁচার নিষ্ঠুর শিকের
ফাঁক দিয়ে সে তো
বলতে গেলে বাইরের
কিছুই দেখতে পায় না
তার পাখা ছাঁটা
পা শিকল দিয়ে বাঁধা
গলাটাই শুধু মুক্ত
তাই গলা বের করে
সে গান গায়।

বিস্তারিত»

শেষ বিকেলের রোদে কিছু হাঁটাহাঁটি…. শুরু হতে না হতেই ফুরিয়ে এলো নিমেষে!

এখন অগ্রহায়ণ মাসের শেষ ক’টা দিন চলছে। এসব দিনে বিকেল বলতে কিছু থাকেনা। মধ্যাহ্নভোজের পর এটা সেটা করতে করতেই সন্ধ্যা ঘনিয়ে আসে। বিকেলটা কখন হারিয়ে যায়, টেরই পাওয়া যায় না। এসব দিনের হ্রস্বতার কারণে দৈনন্দিন অনেক কাজই আমি সময় মত সমাপ্ত করতে পারিনা, ফলে কেমন যেন একটু অস্থিরতায় থাকি। এ নিয়ে একটি কবিতাও লিখেছিলাম, বছর তিনেক আগেঃ
হ্রস্ব দ্বিপ্রহর, দীর্ঘ বিক্ষিপ্ততা


Radiant …..

বিস্তারিত»

টেঙ্গা মসজিদ – শ্যামনগর, সাতক্ষীরা

বঙ্গের বীরপুত্র, বাংলার বারভূইয়ার অগ্রগণ্য, যশোরাধিপতি মহারাজা প্রতাপাদিত্যের (রাজত্বকাল ১৫৮৪ খ্রীঃ – ১৬০৯ খ্রীঃ) নৌ-বাহিনী প্রধান খোজা কমল/খাজা কামাল রাজধানী ঈশ্বরীপুরে একটি ‘টেঙ্গা’ প্রতিষ্ঠা করেন। টেঙ্গা ফার্সী শব্দ যার অর্থ ‘সেনাছাউনি/ছাউনি’। ছাউনি থেকে আধা কিলোমিটার দূর দিয়ে বয়ে যাওয়া কদমতলী নদীর পাশে এবং নিকটবর্তী ধুমঘাট নৌ-দূর্গের সৈনিকদের জন্য এই ছাউনি গড়ে তোলা হয়েছিল বলেই প্রতীয়মান হয়। তার বাহিনীতে দেশী-বিদেশী বিভিন্ন ধর্মাবল্বীদের মধ্যে মুসলমান সৈনিকরাও ছিল।

বিস্তারিত»

সে জানতো…

পাকা ফল হয়ে সে ঝুলে ছিলো।
যে কোন সময়ে…
টুপ করে ঝরে পড়ার অপেক্ষায়।
কতটুকু কাঁপুনি হলে সে ঝরে পড়বে-
তা মাপার জন্য কোন রিখটার স্কেলের প্রয়োজন নেই,
সে জানতো…

শুধু একটু শিরশিরে বাতাস…
কিংবা একটি ক্ষুদ্র পাখির চঞ্চুচুম্বন,
ব্যস, এটুকুতেই সে ঝরে পড়তে পারে-
সে জানতো।
অন্তঃসারশূন্য, কীটাক্রান্ত ফল মাটি ছাড়া কেউ খায় না,

বিস্তারিত»

“লাভ কঙ্কারেথ অল”

সমসাময়িক কিছু ঘটনায় খণ্ড-খণ্ড চিন্তাপ্রসূত নিচের পয়েণ্টগুলোকে আর কম্পাইল করতে ইচ্ছে হলো না।

১. ছাত্রদের নকল ধরার চেয়ে পরীক্ষার হলে একজন শিক্ষকের উপস্থিতি এমন হওয়া উচিত যাতে করে কেউ নকল করতেই না পারে।

২. নকল বা নকলের প্রমান বা যথেষ্ট সন্দেহ জাগায় এমন মুহূর্তে এক্সপালশন ছাড়াও নানা পন্থায় শাস্তি দেয়া যেতে পারে। যেমন, একটা দীর্ঘ সময় খাতা আটকে রাখা, মূল খাতার পুরোটা কেটে দেয়া &

বিস্তারিত»