শাহজাদীর কালো নেকাব

পুরানো এক বাংলা নাটকের নাম থেকে লেখটির নামকরণ। নাট্যকারের নাম যেমন মনে নেই, তেমনি মনে নেই নাটকের কাহিনীও। তারপরও কেন এই শিরোনাম, লেখাটি পড়লেই তা পরিস্কার হবে। এ বছর পবিত্র হজ্জ পালন করার সময় নিকাব নিয়ে ব্যক্তিগত একটি অভিজ্ঞতাই হচ্ছে এই লেখাটির প্রতিপাদ্য।

হজ্জ পালনের তাগিদ সব সময়ই অনুভব করেছি, কিন্তু “কবে এবং কিভাবে” তার কোন বিশদ পরিকল্পনা কখনোই করা হয়নি। আমার স্ত্রীর হজ্জ করা হয়ে গেছে বিয়ের আগেই।

বিস্তারিত»

মরেছো তো আত্মহত্যায়।

মরেছো তো আত্মহত্যায়
‌মো ও খা ও।

ভালোবাসার সীমানায়
দুরত্ব দানা বেধে‌ছে জীব‌নের আঙিনায়,
ব‌ুঝে না বু‌ঝে, কা‌জে অকা‌জে,
প্র‌য়োজন‌ে অপ্র‌য়োজ‌নে, সময় অসময়
হয়‌তো ম‌নে প‌ড়েনি আর
কখ‌নো আমায়।।

‌সেই পা‌শে ব‌সে থাকা উচাটন মন
উদাসী ভে‌সে নীলাম্বরী ডানায়
বাকহীন শব্দ বিহীন ভাষায়
মন চে‌’তো টে‌নে নি‌তে বু‌কে উষ্ণতায়,
সত্যি মি‌থ্যের ছলাক‌লে
‌দেখা হ‌তো প‌থে,

বিস্তারিত»

এ ট্রিবিউট টু সুধীর কাকু

আমার বাবার কর্মজীবনের শুরু হয় বগুড়ায়, সরকারি আজিজুল হক কলেজের সমাজবিজ্ঞানের প্রভাষক হিসেবে, ১৯৭৩ সালে। আমার জন্মও বগুড়াতেই, ১৯৭৬ সালে। খুব ছোটবেলা থেকেই বাবার বন্ধুদের এবং সমবয়সী ও সমসাময়িক কলিগদের সান্নিধ্য পাবার সুযোগ হয়েছে। সেসময়ের জেলাশহরগুলোতে কলিগদের মাঝে পারিবারিক যোগাযোগ এবং মিলননেলাগুলো ছিল সত্যিই আজকের যুগে প্রায় অকল্পনীয়।

বাবার সমবয়সী তবে অন্য ডিপার্ট্মেন্টের কলিগ ছিলেন সুধীর কাকু। কাকুর সাথে অনেক স্মৃতি আছে আমার।

বিস্তারিত»

অস্তিত্ব

হটাত মনে হলো টিকটিকির ডাক শুনলাম। টিকটিক… টিকটিক… টিকটিক…। স্পষ্ট শুনেছি কিনা বলতে পারবো না। হয়তো শুনেছি, অথবা মাথার ভেতরই শব্দটি বেজেছে। আমার কাছে সত্যি মনে হয়েছে।

কতক্ষণ ঘুমিয়ে আছি বলতে পারবো না। আবার ঘুম ভেঙ্গেছে কিনা বলতে পারবো না। আধো ঘুম, আধো জাগরণ অবস্থা। চোখ, মুখ, ভুরু কুঁচকিয়ে বাস্তবে আসতে চাচ্ছি। অনেকটা জোর করে চোখ মেললাম। হটাত চোখে আলো পড়ায় চোখ সংকোচিত হলো।

বিস্তারিত»

জানুয়ারির হাইকু

হাইকু ১৫২

দুই হাজার কুড়ি
কারসাজি আর বিদূষক
নির্বাসনে যাক

হাইকু ১৫৩

বই আর বউ
অমিলে সৃষ্টির কথকতা
কবিতা ও ব্যর্থতা

হাইকু ১৫৪

ঘন কুয়াশা
রবির পরে মেঘ ছোটে
বাম ডানে উইপার

হাইকু ১৫৫

তুরাগ নদীর তীর
দিনের বেলায় হেডলাইট
ধীর হাইওয়ে

হাইকু ১৫৬

জেগে ওঠা চর
ধ্যান করে বকের দল
মোলায়েম রোদে

হাইকু ১৫৭

জানুয়ারির ভোর
লেপের মাঝে এলার্ম ঘড়ি
বিলাপসম বাজে!

বিস্তারিত»

অস্ট্রেলিয়ার পথে (৩) …. অবশেষে মেলবোর্নের মাটিতে!!!

এর আগের পর্বটি পাবেন এখানেঃ অস্ট্রেলিয়ার পথে (২) …. আকাশ যাত্রা শুরু হলো!

পানীয় জল সংগ্রহ করে ফিরে এসে দেখি CZ343 CAN-MEL ফ্লাইট এর জন্য অপেক্ষমান যাত্রীরা বোর্ডিং এর জন্য সারিবদ্ধভাবে লাইনে দাঁড়িয়ে গেছে। আমরাও তাড়াতাড়ি করে লাইনের প্রায় শেষে এসে দাঁড়িয়ে গেলাম। পিঁপড়ের সারির মত আস্তে আস্তে দন্ডায়মান সবাই বোর্ডিং কাউন্টারের দিকে এগোচ্ছি। সংশ্লিষ্ট স্টাফদের অসাধারণ দক্ষতার কারণে খুবই অল্প সময়ে সে দীর্ঘ লাইনটি বিলীন হয়ে গেল।

বিস্তারিত»

বর্ষবরণ

৩১.১২.২০১৩                        সকাল ৮টা

টুকুনঃ এই আজকে কি অফিসে অনেক জরুরী কাজ আছে ?
টিটোঃ কেনগো ?
টুকুনঃ তাড়াতাড়ি বাসায় ফিরবে। আজকে থার্টির্ফার্ষ্ট।
টিটোঃ বসের সাথে দেখা করতে হবে।চোখের সমস্যাটা বেড়েছে। মনে হয় চশমা পাল্টাতে হবে।
টুকুনঃ অন্যদিন যাও।
টিটোঃ আজ ছাড়া আর ফাঁকা দিন কই।হরতাল অবরোধ কবে কাটবে কে জানে ? আচ্ছা দেখি তাড়াতাড়ি ফেরা যায় কি না ।

বিস্তারিত»

অস্ট্রেলিয়ার পথে (২) …. আকাশ যাত্রা শুরু হলো!

এর আগের পর্বটি পাবেন এখানেঃ অস্ট্রেলিয়ার পথে (১)…. অবশেষে এক মাস বিলম্বে যাত্রা শুরু!

অস্ট্রেলিয়া এবং নিউজীল্যান্ড, দুটো দেশেরই ভিসা একই দিনে প্রাপ্তির পর মনে হচ্ছিল, যেহেতু “মেকা-অস্ট্রেলিয়া গ্লোবাল রিইউনিয়ন” টা ইতোমধ্যে মিস করে ফেলেছি, সেহেতু আবার নতুন টিকেট করার ব্যাপারে এত তাড়াহুড়ো করার প্রয়োজন কেন! তাই সফরসূচী নিখুঁতভাবে চূড়ান্ত করতে আমি একটু সময় নিচ্ছিলাম। বিভিন্ন এয়ারলাইনের ওয়েবসাইট ঘুরে ঘুরে আমি আমাদের জন্য উপযোগী সময় ও সাশ্রয়ী মূল্যের কথা মাথায় রেখে একটা সফরসূচী সাব্যস্ত করলাম।

বিস্তারিত»

অস্ট্রেলিয়ার পথে (১)…. অবশেষে এক মাস বিলম্বে যাত্রা শুরু!

গত ২২-২৪ নভেম্বর ২০১৯ তারিখে অস্ট্রেলীয় শহর সিডনীতে Mirzapur Ex-Cadets’ Association (MECA) এর অস্ট্রেলিয়া চ্যাপ্টার কর্তৃক তিন দিন ব্যাপী একটি ব্যাপক কর্মযজ্ঞ হয়ে গেল, যার নাম MECA-Australia Global Reunion-2019। বাংলাদেশ সহ বিশ্বের নানা দেশে অবস্থানরত MCC এর এক্স-ক্যাডেটরা সিডনীতে একত্রিত হয়েছিল এক মহা মিলনমেলায়। আয়োজকদের আমন্ত্রণে আমিও সস্ত্রীক সে মিলনমেলায় অংশগ্রহণ করতে আগ্রহী ও প্রত্যাশী ছিলাম। আমার অবশ্য আরেকটা অতিরিক্ত কারণ ছিল যে অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্ন শহরে আমার মেজ ছেলে এবং বৌমাও প্রবাসী।

বিস্তারিত»

তিনিও ছিলেন পাশেঃ জ্যঁ ক্যুয়ে

৩ ডিসেম্বর, ১৯৭১।
সকাল বেলা।
অর্লি বিমানবন্দর, প্যারিস।

কিছুক্ষণ আগে লন্ডন থেকে ১৭ জন যাত্রী এবং ৬ জন বিমান ক্রু বহনকারী পাকিস্তান এয়ারলাইন্স এর করাচিগামী বোয়িং ৭২০ বি বিমানটি এখানে ল্যান্ড করেছে। এয়ারলাইন্স এর ভাষায় যার নাম পি কে- ৭১২। করাচি যাবার আগে এটি আরও থামবে যথাক্রমে রোম এবং কায়রোতে।

প্যারিসে আরও পাঁচজন নতুন যাত্রী উঠল। এর মধ্যে পঞ্চম জন উঠলেন একেবারে শেষ মুহূর্তে।

বিস্তারিত»

মীনাঃ হারিয়ে যাওয়া যেখানে মানা

হজ্জ করতে গিয়ে হারিয়ে যাওয়ার অভিজ্ঞতা হয়নি পরিসংখ্যান নিলে এমন হাজীদের সংখ্যা নেহাত কম হবে না। আমার পরিচিত যারা হজ্জ করতে গিয়েছেন, ফিরে এসে তাদের প্রায় সবাইকেই কিভাবে তারা হারিয়ে গেলেন এবং কেমন করে তারা সেই বিপদ থেকে উদ্ধার পেলেন তার বর্ণনাই করতে শুনেছি বেশ আগ্রহভরে। আমি যখন গত বছর হজ্জে যাই তখন কিন্তু ঘূর্ণাক্ষরেও ভাবিনি যে আমারও সেই একই দশা হবে এবং ফিরে এসে সেই হারিয়ে যাওয়ার কাহিনী লিখতে বসব সবিস্তারে।

বিস্তারিত»

ভুলে যেতে হয়

কে কবে কী বলেছিল,
কখন বলেছিল, এসব-
অন্তর কন্দরে রাখতে নেই,
এসব ভুলে যেতে হয়।

কার চকিত চঞ্চল হাসি
আকাশ থেকে এক ফালি
বিজলী প্রভা এনে দিয়েছিল,
সে কথা ভুলে যেতে হয়।

যার কথায় পরাণে প্রথম
নিক্কণের সুর বেজেছিল,
নিস্তব্ধ নীরবতার আচ্ছাদনে
তার স্মৃতি ঢেকে রাখতে হয়।

কার কান্নায় বুকের নদীটা
ক্ষণে ক্ষণে উছলে উঠেছিল,

বিস্তারিত»

অনুবাদ হাইকু

কোবায়াশি ইশার সাতটি হাইকু

এক

শীতল হাওয়া
সব শক্তি দিয়ে ডাকে
ঝিঁঝিঁপোকা

দুই

ঠাণ্ডা বাতাস
পেঁচিয়ে মোচড় দিয়ে
এখানে এলো

তিন

গরমে পর্বতমালা
আমার প্রত্যেকটি ধাপে
আরো দেখতে পাই

চার

চড়ুইপাখির ছানা
পথ ছাড়ো পথ ছাড়ো
ঘোড়া পার হচ্ছে

পাঁচ

গরুর বাছুরটি
গিয়েছে বেড়াতে
শরতের বৃষ্টি

ছয়

সেপ্টেম্বর মাস
ডোরাকাটা কিমোনো
পরেছে আকাশ

সাত

লোভ জাগানিয়া
ধীরে ধীরে তুলতুলে
তুষার পড়ছে

ইয়োশা বুসনের সাতটি হাইকু

এক

হারুসামে ইয়া
মোনোগাতারি য়ুকু
মিনো তো কাসা

বসন্তের বৃষ্টি
কথা বলতে বলতে
চলে যাচ্ছে

দুই

য়ুকু হারু ইয়া
ওমোতাকি বিওয়া নো
দাকি গোকোরো

বসন্তের গমন
চৌতারা বাদ্যযন্ত্র
ধারণের অনুভুতি

তিন

না নো হানা ইয়া
সুকি হা হিগাসি নি
হি ওয়া নিশি নি

ক্যানোলা ফুল
পুব দিকে চাঁদ
পশ্চিমে সূর্য

চার

বোতান চিরিতে
উচি কাসানারিনু
নি সান হেন

বিক্ষিপ্ত পিওনি ফুল
আর জড়ো করে রাখা
কয়েকটি পাঁপড়ি

পাঁচ

ওনো ইরে তে
কো ওডোরোকু ইয়া
ফুয়ু কোদাচি

কুড়াল মেরে
আমি অবাক গন্ধে
শীতের বৃক্ষরাজি

ছয়

ফুজি হিতোতসু
উজুমি নোকোসিতে
ওয়াকাবা কানা

ফুজিয়ামা ব্যতীত
সব কিছু ডুবে গেছে
কচি কচি পাতায়

সাত

য়ুদাচি ইয়া
কুসুবা ও সুকামু
মুরা সুজুমে

বিকালের বৃষ্টি
ঘাস ধরবে না পাতা
গ্রামের চড়ুইপাখি

♦মাতসুয়ো বাসো,

বিস্তারিত»

এ কেমন অভিভাবক?!

অভিধান বলছে অভিভাবকের অর্থ দেখাশোনা করে যে, রক্ষণাবেক্ষণকারী; তত্ত্বাবধায়ক; আশ্রয়দাতা।

বাংলাদেশের ক্রিকেটের অভিভাবক সংস্থা বিসিবি কি এমন? খোদ বিসিবি সভাপতিই কি প্রধান অভিভাবক হবার যোগ্য?

১। ”অস্ট্রেলিয়ায় তখন চলছে ২০১৫ বিশ্বকাপ। ব্রিসবেনে এক অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ দলকে সংবর্ধনা দিচ্ছিল স্থানীয় বাঙালিরা। নিজের বক্তৃতায় দল নিয়ে কথা বলতে গিয়ে এক পর্যায়ে বিসিবি প্রধান নাজমুল হাসান রসভরা কণ্ঠে বললেন, “আমাদের ‘বুম বুম তামিম’ তো এখন ‘ঘুম ঘুম তামিম’ হয়ে গেছে!’’

পুরো হলরুমে হাসির হুল্লোড় উঠল।

বিস্তারিত»

ডিসেম্বরের হাইকুগুচ্ছ

ডিসেম্বরের হাইকুগুচ্ছ

১২৫

অতলান্তিক সময়
চলতে স্রোতের বিপরীতে
কূলহারা নাবিক

১২৪

এক রত্তি ডাঙা
পালক খুঁটে খুঁটে হাঁস
রোদ কণা মাখে

১২৩

সাদা সজনে ফুল
ফুলিয়ে রোঁয়া বুলবুলি
রৌদ্র মাখে গায়

১২২

উল্টা বিব্রত
আজব প্রজন্ম কহে
সব তোমাদের দোষ

১২১

মলন মলা শেষ
উঠোন ঠুকরে মা মুরগী
ছানাদের ডাকে

১২০

হেমন্তের দুপুর
ছোট্ট দ্বীপে হাঁসের দল
জলকেলি শেষে।

বিস্তারিত»