ছায়া কিংবা ছবিঃ আট

মেয়েটি সবটুকু দিয়ে ছেলেটিকে ভালই বেসেছিল। ছেলেটি শুধু শরীরটুকু নিয়ে কেটে পড়ল। মেয়েটি শরীর জুড়ে কামড়ের দাগ, নখের আচড়, কালশিটে ছাপ, তলপেটে ব্যথা, ভারী বুক আর জলে ভেজা চোখ নিয়ে লুকিয়ে থাকে।

হুজুরের কাছে আরবী পড়তে এসে এ কী হল মেয়েটির … কাঁদতে কাঁদতে বলেছিল, “হুজুর, ব্যথা পাই।” হুজুর উত্তেজনায়, ব্যস্ততায় উত্তর দিয়েছিল, “আল্লাহ্‌, আল্লাহ্‌, কর!”

রাস্তার বোবা অর্ধ-উলঙ্গ পাগল মহিলাকেও একদিন দলবেঁধে জাপটে ধরল ওরা।

বিস্তারিত»

হাজী খাজা শাহবাজ মসজিদ ও সমাধি -ঢাকা

হাজী খাজা শাহবাজ

হাজী খাজা শাহবাজ মুঘল আমলে ভারতের কাশ্মীর থেকে বনিক হিসাবে বাঙলায় আগমন করেন। একজন সফল সওদাগর হিসাবে অচিরেই তিনি ঢাকায় নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম হন। ফলে তিনি ‘মালিক-ই-তুজ্জার’ বা ‘ব্যবসায়ীদের চূড়ামনি/সম্ভ্রান্ত ব্যবসায়ী’ উপাধি ও ঢাকার টাইকুন হিসাবে পরিচিত হয়ে ওঠেন। ধনাঢ্য এই ব্যবসায়ী শহরতলী টঙ্গী এলাকায় স্থায়ীভাবে বসবাস করতেন। বাঙলায় যখন মুঘল নৃপতি আওরঙ্গজেবের (রাজত্বকালঃ ১৬৫৮-১৭০৭ খ্রীঃ) ৩য় পুত্র সুবাহদার শাহজাদা মুহম্মদ আযমের শাসন (১৬৭৮-৭৯ খ্রীঃ) চলছিল সেই সময় ১৬৭৯ খ্রীঃ তিনি একটি মসজিদ প্রতিষ্ঠা করেন।

বিস্তারিত»

শীতকাল

শীতকালটা কেমন যেন,
দ্রুত সন্ধ্যা নামে,
কুয়াশা ঢাকা অন্ধকার শহরে,

মৃদু আলোর টঙ দোকানে চায়ের কাপের ধোয়া এক অদ্ভুত পরিবেশের সৃষ্টি করে।
রাত বাড়লেই নিস্তব্ধ নগরীতে টহল পুলিশের গাড়িগুলো জায়গায় জায়গায় দাড়িয়ে থাকে,
মাঝে মাঝে নাইট গার্ডের দু একটা বাশির শব্দ।
এই পোষাকধারী লোকদের সাথে আমার প্রিয় আরেকটা প্রাণীর মিল আছে,
হ্যা,কুকুরের কথাই বলছি।
আমার মানুষের চেয়ে কুকুর বেশী প্রিয়,

বিস্তারিত»

নিকোটিন চাই

রক্ত মাংসের
লোভের শিকারের
পণ্যের ব্যবসায়
সব ভুলে হারিয়ে থাকতে চাই
মন করে খালি আনচান
ফেলে সব পিছুটান
নিজের এখন চাই নেশা-ভাং
চাই, আমি শুধু নিকোটিন চাই।।

কল্কে পুরিয়া সীসায় দিশা
ভুলে চাই এই বর্তমান
ভণ্ডামির রাবণ নই আমি।।

রক্তে আমার তীব্র বিষ
পুরিয়া চায় অহর্নিশ
চোখে আমার তীব্র জ্বালা
আঁধারে দেখি জাদুর খেলা
সাধু-সন্ন্যাস প্রিয় লোক
বাকিসব দেখি ছোটলোক।।

বিস্তারিত»

Why The Caged Bird Sings?

খাঁচার পাখি কেন গায়?

বনের পাখি ঝাঁপ দেয়
চড়ে বসে বাতাসের পিঠে
ভেসে চলে প্রবাহের
শেষ সীমায়
ডানা ঝাপ্টে ঝেড়ে ফেলে
গোধুলির আলো
যেন আকাশটা তারই।

কিন্তু যে পাখি বন্দী
খাঁচার নিষ্ঠুর শিকের
ফাঁক দিয়ে সে তো
বলতে গেলে বাইরের
কিছুই দেখতে পায় না
তার পাখা ছাঁটা
পা শিকল দিয়ে বাঁধা
গলাটাই শুধু মুক্ত
তাই গলা বের করে
সে গান গায়।

বিস্তারিত»

শেষ বিকেলের রোদে কিছু হাঁটাহাঁটি…. শুরু হতে না হতেই ফুরিয়ে এলো নিমেষে!

এখন অগ্রহায়ণ মাসের শেষ ক’টা দিন চলছে। এসব দিনে বিকেল বলতে কিছু থাকেনা। মধ্যাহ্নভোজের পর এটা সেটা করতে করতেই সন্ধ্যা ঘনিয়ে আসে। বিকেলটা কখন হারিয়ে যায়, টেরই পাওয়া যায় না। এসব দিনের হ্রস্বতার কারণে দৈনন্দিন অনেক কাজই আমি সময় মত সমাপ্ত করতে পারিনা, ফলে কেমন যেন একটু অস্থিরতায় থাকি। এ নিয়ে একটি কবিতাও লিখেছিলাম, বছর তিনেক আগেঃ
হ্রস্ব দ্বিপ্রহর, দীর্ঘ বিক্ষিপ্ততা


Radiant …..

বিস্তারিত»

টেঙ্গা মসজিদ – শ্যামনগর, সাতক্ষীরা

বঙ্গের বীরপুত্র, বাংলার বারভূইয়ার অগ্রগণ্য, যশোরাধিপতি মহারাজা প্রতাপাদিত্যের (রাজত্বকাল ১৫৮৪ খ্রীঃ – ১৬০৯ খ্রীঃ) নৌ-বাহিনী প্রধান খোজা কমল/খাজা কামাল রাজধানী ঈশ্বরীপুরে একটি ‘টেঙ্গা’ প্রতিষ্ঠা করেন। টেঙ্গা ফার্সী শব্দ যার অর্থ ‘সেনাছাউনি/ছাউনি’। ছাউনি থেকে আধা কিলোমিটার দূর দিয়ে বয়ে যাওয়া কদমতলী নদীর পাশে এবং নিকটবর্তী ধুমঘাট নৌ-দূর্গের সৈনিকদের জন্য এই ছাউনি গড়ে তোলা হয়েছিল বলেই প্রতীয়মান হয়। তার বাহিনীতে দেশী-বিদেশী বিভিন্ন ধর্মাবল্বীদের মধ্যে মুসলমান সৈনিকরাও ছিল।

বিস্তারিত»

সে জানতো…

পাকা ফল হয়ে সে ঝুলে ছিলো।
যে কোন সময়ে…
টুপ করে ঝরে পড়ার অপেক্ষায়।
কতটুকু কাঁপুনি হলে সে ঝরে পড়বে-
তা মাপার জন্য কোন রিখটার স্কেলের প্রয়োজন নেই,
সে জানতো…

শুধু একটু শিরশিরে বাতাস…
কিংবা একটি ক্ষুদ্র পাখির চঞ্চুচুম্বন,
ব্যস, এটুকুতেই সে ঝরে পড়তে পারে-
সে জানতো।
অন্তঃসারশূন্য, কীটাক্রান্ত ফল মাটি ছাড়া কেউ খায় না,

বিস্তারিত»

“লাভ কঙ্কারেথ অল”

সমসাময়িক কিছু ঘটনায় খণ্ড-খণ্ড চিন্তাপ্রসূত নিচের পয়েণ্টগুলোকে আর কম্পাইল করতে ইচ্ছে হলো না।

১. ছাত্রদের নকল ধরার চেয়ে পরীক্ষার হলে একজন শিক্ষকের উপস্থিতি এমন হওয়া উচিত যাতে করে কেউ নকল করতেই না পারে।

২. নকল বা নকলের প্রমান বা যথেষ্ট সন্দেহ জাগায় এমন মুহূর্তে এক্সপালশন ছাড়াও নানা পন্থায় শাস্তি দেয়া যেতে পারে। যেমন, একটা দীর্ঘ সময় খাতা আটকে রাখা, মূল খাতার পুরোটা কেটে দেয়া &

বিস্তারিত»

সহজ মানুষঃ দুই

ক্যারে, এ ছেরা খেলবের যাবুলয়।
কহন থেনে বোসে আচি, তর বইডা কি তুই লিবুলয়?
এই দ্যাশ, মাডি আমাগরে সপ। আমাগরে একখান পদ্মা নদী আছে, একখান মেন্টাল আছে। এহানে কিডা কিডা মেন্টাল আছেন তাড়াতাড়ি আহেন।
আরো আছে প্যারাডাইস, প্যারাডাইসের রসোগোল্লা… উরে বাই…
ইডা আমাগরে ঈশ্বরদীর লিচু, খুব রস… সপার আগে বাজারে ওটে… আপনেগরে জন্যি পাবনার আমও লিয়ে আসপু… সেইডাও খুব রস… মানুষগুলাও সেইরম!

বিস্তারিত»

গল্পঃ ব্যতিক্রমী ঘুষ

তাজুল হক আর নূরুল হক এক পাড়ায় থাকতো। বয়সে নূরুল হক ওরফে নূর ভাই তাজুলের চেয়ে কয়েক বছরের বড়। বয়সের ঐটুকু পার্থক্য তখন কোন ব্যাপার ছিল না। ৫/৬ বছরের ব্যবধানের মধ্যে পাড়ার ছেলেপুলেরা একসাথেই ঘোরাফিরা করতো, খেলাধুলা করতো, পাখি ধরতো, লাট্টূ-ডাংগুলি খেলতো, আবার দুষ্টামিও করতো। এমনকি ঐ পার্থক্য সত্তেও তাদের সবার মাঝে তুই তুকারি সম্পর্কও ছিল। ওরা সবাই নিম্ন মধ্যবিত্ত/মধ্যবিত্ত ঘরের ছেলে ছিল, তবে আর্থিক স্বচ্ছলতার দিক দিয়ে তাজুলদের অবস্থা অন্যান্যদের চেয়ে একটু বেশীই খারাপ ছিল।

বিস্তারিত»

খাজা আম্বর মসজিদ –ঢাকা

শূরী বংশের প্রতিষ্ঠাতা ও ভারতবর্ষের সম্রাট শেরশাহ শূর (১৫৪০ খ্রীঃ – ১৫৪৫ খ্রীঃ) সুলতানী বাঙলার রাজধানী সোনারগাঁও থেকে পাকিস্তানের পাঞ্জাবের মুলতান পর্যন্ত ৪,৮০০ কিলোমিটার দীর্ঘ ‘সড়ক-ই-আযম’ বা ‘গ্র্যান্ড ট্রাক রোড’ নামে এক মহাসড়ক নির্মাণ করেছিল। আমরা সবাই জানি, তিনিই প্রথম ঘোড়ার ডাকের ব্যবস্থা করেছিলেন। দ্রূত সংবাদ আদান-প্রদান, পথচারীদের নিরাপত্তা ও রাত্রিযাপন, সংবাদবাহকের ঘোড়া বদল ইত্যাদি কারণে এই সড়কে কিছু দূর পর পর তার প্রশাসন নিরপত্তা চৌকি ও তৎ-সংলগ্ন সরাইখানা স্থাপন করেছিল।

বিস্তারিত»

আপন কক্ষপথে ঘূর্ণায়মান জ্যোতিষ্ক

মহাশূন্যের অনন্ত অন্তরীক্ষে আমরা সবাই
একেকটি ঘূর্ণায়মান জ্যোতিষ্ক।
জন্মাবধি আপন কক্ষপথ ধরে ঘুরছি সবাই;
কখনো একাকী, কখনো যুগলবন্দী, আবার
কখনো গুচ্ছদলে আবদ্ধ গ্রহানুপুঞ্জের মত
হাত ধরাধরি করে। একবার হাত ছুটে গেলে
ছিটকে চলে যাই বহু দূরে, দূর হতে দূরান্তরে,
নতুন কোন কক্ষপথ বেয়ে।

আমাদের পথ হয়ে যায় ভিন্ন। ভিন্ন পথগুলো
ঘুরতে ঘুরতে যদিওবা কখনো
খুব কাছাকাছি চলে আসে,

বিস্তারিত»

বন্ধুপর্ব-১

আচ্ছা, ভদ্রলোকের সংজ্ঞা কি? এই জাতীয় মানুষদের কি আসলে কখনো সংজ্ঞায়িত করা যায়? মনে হয়, তা কখনোই করা যায় না। তবে হ্যা, আমরা প্রায়ই বলে থাকি, সে/তিনি একজন ভদ্রলোক। মনে তো কত প্রশ্নই আসে। ভদ্রলোকেরা কি পাব্লিসিটিতে নামেন? নাকি নীরবে নিভৃতেই কাজ করে যান? আমার তো মনে হয়, সময়ই তা বলে দেয়। ডানপিটে স্বভাবের মানুষের দ্বারা যেমন প্রকাশ্য প্রতিবাদ কিংবা সরব আন্দোলনে পরিবর্তন হয়, আবার অপর পক্ষে নীরবে নিভৃতে কাজ করে যাওয়া এই মানুষদের ধৈর্য্য সহকারে কাজ করে যাওয়ার মধ্য দিয়েই কিন্তু আসে বাস্তব মানের পরিকল্পনা এবং তা/সেগুলো বাস্তবায়নের পথনির্দেশনা।

বিস্তারিত»

যদ্যপি প্রেম যদ্যপি প্রণয়

যদ্যপি প্রেম যদ্যপি প্রণয় গদ্যের আকারে প্রকাশিত হলেও আদতে এটি একটি অনবদ্য কাব্যগ্রন্থ।লিখেছেন লুৎফুল হোসেন।কবির সাথে সাক্ষাত হয়েছিল ক্যাডেট কলেজ ক্লাবে।ক্যাডেট কলেজ ব্লগে লেখালেখির সুবাদে তাঁর সাথে আমার পরিচয়।তার পর ফেসবুকে যোগাযোগ।অন্যদের উৎসাহ এবং স্বীকৃতি দিতে এই বৃহত্তম বদ্বীপের মহান অধিবাসীদের রয়েছে অকৃপন কৃপনতা।সে দিক থেকে লুৎফুল হোসেন ব্যতিক্রম। তিনি অন্যের লেখা পড়েন, মন্তব্য করেন এবং সে লেখাতে মন্তব্যগুলোও পড়েন। এমন সুহৃদ মেলা ভার।সাক্ষাতের সময় তিনি আমাকে দুইটি অসম্ভব সুন্দর বই উপহার দেন।

বিস্তারিত»